জগতের সকল মনরোহিঙ্গার জন্মদিনে শুভেচ্ছা

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি
লিখেছেন অনিন্দ্য রহমান (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৮/২০১২ - ১১:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে মাঝেই কিছু রোহিঙ্গার দেখা পাই। তাদের এই পৃথিবীতে কোনো সহায় নাই। তারা পালিয়ে বেড়ায়। হয়ত তারা দুঃস্বপ্নও ভাবতে পারে না কোনোদিন তাদের পায়ের নিজেদের একটা মাটি হবে। তারা খালি মরে, লড়ে না। বা লড়লেও, এই পৃথিবীর তাবৎ বড় বড় সভা-সমিতিতে তাদের লড়াইকে কেউ বুঝতে চায় না। কেবল বলে, ওদেরকে একথালা ভাত দাও। এক বেলা শুতে দাও ওদের। ওরা কোথায় যাবে? কেউ কেউ ওদের পয়সা দিয়ে কিনে নেয়। ওরা ভাড়াটে দুর্বৃত্ত হয়ে এরওর পিঠে চাকু মারে। কখনো তাদেরই পিঠে যারা ওদের একথালা ভাত বা একবেলা শুতে দিয়েছিল। কেউ কেউ রক্তের দোষ দেয়। কেউ কেউ পেটের দায় জেনে মাফ করে দেয়। কেউ কেউ করুণা করে। কেউ কেউ সামাজিক ব্যবসা ফেঁদে বসে। বাগানে রোহিঙ্গা লাগিয়ে বাড়তি আয় মন্দ না। রোহিঙ্গার গাছ একবার ফল দিয়ে মরে যায়, কিন্তু রোহিঙ্গার চারার চেয়ে সস্তাও তো কিছু নাই।

মাঝে মাঝে কিছু মনরোহিঙ্গার দেখাও পাই। মনরোহিঙ্গারা বলে আমরাও তো শরণার্থী ছিলাম। কথা মিথ্যা না। কেবল তারা মনে রাখতে চায় না, আমরা মরেছিলাম, লড়েও ছিলাম। পৃথিবীর তাবৎ সভা-সমিতিতে আমাদের চিনেছিল লড়াকু যোদ্ধা হিসেবে। না চিনলেও আমরা অবশ্য সোজা পানিতে পড়তাম, একথা বলা যায় না। সুসজ্জিত সেনার মারণাস্ত্র পরোয়া করি নাই। পরাশক্তির নৌবহরও পরোয়া করি নাই। মনরোহিঙ্গাদের সেসব মনে পড়ে না। মনে পড়ে না, আমাদের যখন খারাপ সময় ছিল, খুব খারাপ সময়, একথালা ভাত দিয়ে কেউ আমাদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয় নাই। একবেলা শুতে দিয়ে কেউ আমাদের কিনে নিতে চায় নাই। আমরা কারও পেছনবাগানে স্বল্পায়ু অথচ অর্থকরী গাছ হয়ে পড়ে ছিলাম না। একদিন সারা পৃথিবীর হেডলাইন হয়ে স্বাধীন হয়েছিলাম। আর এতে একজন মানুষের অনেকদিনের, অনেকখানি অবদান ছিল।

***

ছোটবেলায় আমার এক গৃহশিক্ষক ছিলেন, তার নাম অমর। তার মা তার নাম এমন রেখেছিলেন কারণ তিনি বছরের এমন একদিনে জন্মান যেদিন সেই মানুষটা অমরত্বের পথে রওনা হয়েছিলেন। যদিও সেই 'রওনা হয়াটা' বড় বীভৎস ছিল। অমর ভাই প্রতিবছর তার নিজের জন্মদিনটা না খেয়ে কাটাতেন। এখনো তিনি পনেরই অগাস্টে রোজা রাখেন কিনা জানা নাই। বহুদিন যোগাযোগ হয় না।

কিন্তু মিসেস জিয়ার জন্মদিনে অমর ভাইয়ের মতন কিছু বেকুব লোকের কথা মনে আসে; তিনি হয়ত আজকেও কিছু খাবেন না।


মন্তব্য

স্যাম এর ছবি

অ সা ধা র ণ
গুরু গুরু গুরু গুরু

অতিথি লেখক এর ছবি

নো সাধারন।

শাহিদ

অরফিয়াস এর ছবি

চলুক

----------------------------------------------------------------------------------------------

"একদিন ভোর হবেই"

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বিনাশী!

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

ওডিন এর ছবি

মনরোহিঙ্গা শব্দটা খুব পছন্দ হইলো

নীলকান্ত এর ছবি

কি আর কমু, মগের মুল্লুকে অধিকাংশই মনোরোহিঙ্গা।


অলস সময়

ধুসর জলছবি এর ছবি

গুরু গুরু

নুসায়ের এর ছবি

একদিন সারা পৃথিবীর হেডলাইন হয়ে স্বাধীন হয়েছিলাম। আর এতে একজন মানুষের অনেকদিনের, অনেকখানি অবদান ছিল।

মনোবিকারগ্রস্থর (মনরোহিঙ্গা) দঙ্গল প্রথম লাইনটার পিছেই একটা '?' বসায় দেয় সুবিধা মতোন, সেখানে পরেরটা সরাসরি অস্বীকার করবে এ আর অবাক কি? দুঃখজনক।

লেখা ভালো লাগলো।

রিসালাত বারী এর ছবি

চলুক
'?' বসানেওয়ালাদের সবাই প্রায় এক সুরে গান গায়

তারেক অণু এর ছবি
সত্যপীর এর ছবি

গুরু গুরু

..................................................................
#Banshibir.

সজল এর ছবি

চলুক

---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়

ধুসর গোধূলি এর ছবি

মনরোহিঙ্গা মিসেস খালেদা জিয়া ফালুকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা

রাব্বানী এর ছবি

রোহিঙ্গাদের সাথে সাথে ইরানি আর চাইনিজদেরকেও আমার যথেষ্ঠ লড়াকু না বলে মনে হয় - আমার ইরানি এক বন্ধু কানাডাতে থেকেও মুল্লাদের ভয়ে ফেসবুক একাউন্ট ডিলিট করে দিছে ওদের গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় (মাঝে মাঝে ইরানে বেড়াতে যায় এই জন্য)

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

আচ্ছা, তাই? হুমমম।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

কাজি মামুন   এর ছবি

এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছি মনের প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়ার আশায়; আশা করি, সেভাবেই দেখবেন অনিন্দ্য ভাইয়া।

কেবল তারা মনে রাখতে চায় না, আমরা মরেও ছিলাম, লড়েও ছিলাম।

রোহিঙ্গারা কি লড়ছে না? নিউজে যে রিপোর্ট আসছে, দু'পক্ষে তুমুল সেকটেরিয়ান ক্লাস/ভায়োলেন্স হচ্ছে, তা তাহলে কারা করছে? প্রকৃতপক্ষে, আমাদের সাথে তাদের পার্থক্য হল, তারা লড়েও পারছে না, এই না পারার পেছনে শধু তাদের ভীরুতা/পলায়নপরতা/অন্য দেশের সবুজ মাটির প্রতি লোভকে দায়ী করা চলে না; কারণ দেখুন, মুক্তিযুদ্ধে পুরো বাংলাদেশ একতাবদ্ধ হয়েছিল পাকিস্তানের দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে, সঙ্গে পেয়েছিলাম ভারতের সাহায্য, আর অন্যদিকে, রোহিঙ্গারা মায়ানমারের বা রাখাইন স্টেটের কত শতাংশ এখন? তাছাড়া, তারা কি বন্ধু রাষ্ট্রের কাছ থেকে সাহায্য পাচ্ছে? শুধু তাই নয়, তাদেরকে তো শুধু বৌদ্ধদের সাথেই লড়তে হচ্ছে না, মায়ানমারের সরকারের সাথেও লড়তে হচ্ছে, যারা এত কিছুর পরও মনে করে, রোহিঙ্গাদের ঐ দেশে থাকার অধিকার নেই। এই পার্থক্যগুলো কি অস্বীকার করতে পারেন, অনিন্দ্য ভাইয়া?

আমাদের যখন খারাপ সময় ছিল, খুব খারাপ সময়, এক থালা ভাত দিয়ে কেউ আমাদের দূর দূর করে তাড়িয়ে দেয় নাই।

রোহিঙ্গারা কত বছর ধরে শরণার্থী রয়েছে? এত বিশাল সময় ধরে কেউ শরণার্থী থাকলে বা অন্য দেশের উপর চাপ সৃষ্টি করলে, আশ্রয়দাতা কত সহ্য করবে? আর তাছাড়া, এত বিশাল সময় ধরে শরণার্থী থাকার কারণে শরণার্থীদের নৈতিক অধঃপতনও স্বাভাবিক কারণেই হয়। এই পার্থক্যগুলো অস্বীকার করতে পারবেন, অনিন্দ্য ভাইয়া?

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

আপনি আমার মূল কথা ধরতে পারেন নাই, আমার ব্যর্থতা। সেকটেরিয়ান "ভায়োলেন্স" আর "লড়াই" এক জিনিস না। তবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধকেও "ভায়োলেন্স" বইলা চালানোর লোকের অভাব দেখি না। বিষয়টা কে কোন স্টেইটের কত পার্সেন্ট সেইটা না। সংক্ষেপে: নিয়মতান্ত্রিক ও গোছানো আন্দোলনের অন্তিমে সসস্ত্র সংগ্রাম ও গণতান্ত্রিক বিভিন্ন স্তরে প্রতিবাদ করে, তারপর চূড়ান্ত লড়াইয়ের যে মডেলে বঙ্গবন্ধু কনসিস্টেন্ট ছিলেন তাতে আমাদের গ্রহণযোগ্যতার একটা মাত্রা অর্জন হয় সেইটা স্মরণ করছি। ইন্ডিয়ার সহায়তাতেও বঙ্গবন্ধুর ভূমিকাকে স্মরণ করছি। এইগুলারে আমি ক্রুশিয়াল মনে করি।

তাছাড়াও, রোহিঙ্গা আর বাংলাদেশের সিনারিও যে অনেকক্ষেত্রেই আলাদা সেইটাও বিশেষ ভাবে বলার চেষ্টা করছি। রোহিঙ্গা না হইয়াও নিজেকে রোহিঙ্গা (যেইটা নানান কারণে একটা নেতিবাচক বিশেষণে পরিণত) ভাবার যে দীনতা সেইটাকে নির্দিষ্ট করার চেষ্টা করছি। আপনি "তাদের ভীরুতা/পলায়নপরতা/অন্য দেশের সবুজ মাটির প্রতি লোভকে দায়ী" করার বিষয়টা অন্য কারও লেখায় পাইলে সেইটার জবাব দিতে আমি বাধ্য না। দয়া করে আরেক জায়গার আবর্জনা আমার বাসায় ফেইলেন না।

আবারও বলি আপনি আমার পোস্টের স্পিরিটটা বুঝতে পারেন নাই, আমার ব্যর্থতা। তবে একটা বিষয়ে একমত "বিশাল সময় ধরে শরণার্থী থাকার কারণে শরণার্থীদের নৈতিক অধঃপতনও স্বাভাবিক কারণেই হয়"। সঠিক। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াও মনে মনে দীর্ঘদিন শরণার্থী থাকায় তার নৈতিক অধঃপতনও স্বাভাবিকভাবেই ঘটছে।এইখানে একটা অ্যালেগরি আছে। অ্যালেগরির সমস্যা হইল কাউরে সেইটা বুঝায়া দিতে হইলে খুবই তিতা একটা বিষয় হয়। তিতা অবশ্য পেট খারাপের জন্য ভালো বইলা শুঞ্ছি।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

কাজি মামুন   এর ছবি

আপনি আমার পোস্টের স্পিরিটটা বুঝতে পারেন নাই, আমার ব্যর্থতা।

না, আপনার ব্যর্থতা না, আমার ব্যর্থতা। আমি সত্যি অ্যালিগরিটি বুঝতে পারি নাই। আপনার আলোচনা যে খালেদা জিয়ার পাকিস্তান-প্রীতিকে নিয়ে ছিল, তা এখন বুঝলাম।
একটি কারণে খালেদা জিয়ার পনেরোই আগস্টের জন্মদিনকে( যা অনেকের কাছেই অসৎ উদ্দেশ্য প্রণোদিত আর ভিত্তিহীন বলে বিবেচিত) আমার কাছে কড়া সত্য বলে মনে হয়, তা হল, এ দিনই স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানের প্রেতাত্মারা পুনর্জন্ম লাভ করে। আর খালেদা জিয়ার জন্মদিন প্রমাণে সার্টিফিকেটের বাছ-বিচারের চেয়ে এই পয়েন্টটাই আমার কাছে অধিক গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়।

সেকটেরিয়ান "ভায়োলেন্স" আর "লড়াই" এক জিনিস না।

আমরা ১৯৭১ এ স্বাধীন দেশ চেয়েছিলাম, অন্যদিকে রোহিঙ্গারা স্বাধীন দেশের জন্য লড়াই করছে না-এটা তো অবশ্যই সত্য। কিন্তু অনেক বৃহৎ পরিসরে দেখলে আমাদের আর রোহিঙ্গাদের ভিতর একটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়। আমরা উভয়ই নির্যাতিত। তবে এই নির্যাতনের মুখে আমরা যতটা প্রতিরোধ গড়তে পেরেছিলাম, রোহিঙ্গাদের পক্ষে ততটা প্রতিরোধ গড়া স্বাভাবিক কারণেই সম্ভব নয়।
আপনার উত্তরে এক প্রকার প্রশান্তি লাভ করছি। আজকাল কোন আলোচনা বা বিতর্কে অংশ নিলেই কঠিন কথা শোনার অজানা শঙ্কা তৈরি হয় মনে। কিন্তু তবু অংশ নেই আলোচনায়, করে ফেলি মাথায় আসা প্রশ্নগুলো। কারণ সুস্থ বিতর্কের জন্য ব্লগ ছাড়া আর কোন উৎকৃষ্ট জায়গা তো নেই। রাস্তায় দাঁড়িয়ে কোন অন্ধ পার্টিজান লোকের সাথে তো বিতর্ক করা যায় না।

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাথে বার্মার রোহিঙ্গা ইস্যুর তুলনা হয় না।
প্রেক্ষাপট, দৃশ্যপট, বাস্তব অবস্থা কোন দিক হতেই '১৯৪৭-১৯৭১-এর বাংলাদেশ' এবং 'রোহিঙ্গা ইস্যু'র তুলনা চলে না।
তবে, উদ্বাস্তু মাত্রই উদ্বাস্তু। উদ্বাস্তু ইস্যুতে কে, কেন, কি কারণে উদ্বাস্তু, তা নিয়ে নীতিগত অবস্থান বিষয়ক সমালোচনার অবকাশ থাকে না। উদ্বাস্তু মাত্রই নিপীড়িত, অসহায়। উদ্বাস্তুরা আশ্রয়দাতা দেশে সমস্যা সৃষ্টি করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশী উদ্বাস্তুরাও ভারতের আইন-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা, আর্থিক বিষয়ে সমস্যা সৃষ্টি করেছিল। ভারতও বাংলাদেশী উদ্বাস্তু নিয়ে দীর্ঘমেয়াদীভাবে আক্রান্ত হয়েছে; এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ: আসাম।
উদ্বাস্তু ইস্যুতে নীতিগত অবস্থান বিষয়ক সমালোচনা বিতর্কিত।
"রোহিঙ্গা-রাখাইন'২০১২" দাঙায় নিপীড়িত হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুদের সীমান্ত না খুলে বিজিবি দিয়ে তাদের সাহায্য করার বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও সমোয়চিত উদ্যোগ।

অনিন্দ্য রহমান এর ছবি

আসামে 'বাংলাদেশী উদ্বাস্তু' এই কথাটা চট করে বলে ফেলাটা খুব ভীতিকর একটা বিষয়।


রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক

সুরঞ্জনা এর ছবি

চলুক

............................................................................................
এক পথে যারা চলিবে তাহারা
সকলেরে নিক্‌ চিনে।

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

তিনি আজ মদীনায় এবাদত বন্দেগী করবেন- (দৈনিক দিনকাল)

দ্রোহী এর ছবি

চলুক

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

চলুক চলুক


_____________________
Give Her Freedom!

হিমু এর ছবি

খালেদার বায়বীয় জন্মদিনের দাবিকে নিজস্ব প্রতিবেদকের মাধ্যমে হালাল করার চেষ্টা করেছে বাংলার উটপাখি আলুপেপার [সূত্র] ।

কাজি_মামুন   এর ছবি

লিংকটি পড়লাম, হিমু ভাই! সাধারণত মিডিয়াতে বলা হয়, আজ খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালন করছে বিএনপি ও সমমনারা। কিন্তু আপনার কথিত নিউজে, নিজস্ব প্রতিবেদক ঘোষনাই দিয়ে দিলেন যে আজ খালেদার জিয়ার জন্মদিন। প্রশ্ন জাগে, উনি কিভাবে জানলেন যে, আজ খালেদা জিয়ার জন্মদিন! নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে মনে হয় এমন নিজস্ব প্রতিবেদকের সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে!

সবুজ পাহাড়ের রাজা এর ছবি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA