ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ব্লগ

বুলগেরিয়ার গল্প-০৬

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৫/০৭/২০২০ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইব্রিয়াম-আলী


সমন্বয়ের অর্থনীতির ভাবনা

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বুধ, ২০/০৫/২০২০ - ১০:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]এক দশক আগে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানীগুলোতে যতজন কাজ করতেন আজ তাঁদের সংখ্যা তার অর্ধেকের চেয়ে কম। একই সাথে কমেছে ঐসব কোম্পানীকে যারা নানাপ্রকার পণ্য বা সেবা সরবরাহ করতেন এমনসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। অথচ এই এক দশকে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৬ কোটি থেকে বেড়ে ১৬ কোটি ৫৫ লাখ ৭২ হাজার হয়েছে। আমরা জানি, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ফলে কর্মীর প্রয়োজনীয়তা হ্রাস পায় বলে কর্মীর স


মোহিনী আবিষ্কার

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: সোম, ১১/১১/২০১৯ - ৯:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]চলচ্চিত্র দেখার ধৈর্য চলে গেছে বহুকাল আগে। তবু কখনো কখনো এক-আধটা চলচ্চিত্র দেখা হয়ে যায়। গত তিন/চার বছরে যা চলচ্চিত্র দেখেছি তার বেশিরভাগ মনে নেই। বছর চারেক আগে মোহসীন মাখমালবাফের ‘সকৌত’ দেখেছিলাম। দেখার পর থেকে চলচ্চিত্রটা আমার মাথায় স্থায়ী আসন গেড়ে বসে আছে। এসব কথা নিয়ে একবার একটা লেখাও লিখেছিলাম। অল্পস্বল্প কিছু পাঠক সেটা পড়েছেনও। এর পর থেকে যেই চলচ্চিত্রই দেখতে নেই সকৌতের ভূত আমার মাথ


গল্প প্রচেষ্টা-২৬

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৩/১০/২০১৯ - ১:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]মিষ্টিমুখ


পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ সাস্টে ২২ বছর

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ০৯/০৩/২০১৯ - ৪:৪৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[সংবিধিবদ্ধ সতর্কীকরণঃ একটি বই পড়ার পর আমার কাছে যা মনে হয় পাঠ প্রতিক্রিয়ায় আমি তা অকপটে লেখার চেষ্টা করি। বইয়ের বেচাবিক্রির কথা বিবেচনা করে বা অতিসংবেদনশীল পাঠকের অনুভূতি বিচার করে ‘বাকিটুকু রূপালী পর্দায় দেখুন’ ধাঁচের প্রতিক্রিয়া লেখা আমার পক্ষে সম্ভব নয়; অমন কিছু লেখার ইচ্ছাও নেই। সুতরাং যারা স্পয়লারের ভয়ে রিভিউ পড়তে আগ্রহী নন্‌ তাদের পক্ষে এই পোস্টে না ঢোকাই শ্রেয়।]


বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরি নিয়ে কিছু কথা — প্রেক্ষিত বাংলাদেশ

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ২৩/০২/২০১৯ - ৪:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এই লেখাটির শুরু সচল এস এম মাহবুব মুর্শেদ-এর পোস্ট ‘বড় বনাম ছোট প্রতিষ্ঠান: একটি সাবজেক্টিভ তুলনা’-তে করা আমার মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে। আমার মন্তব্য শুধুমাত্র বাংলাদেশের বেসরকারি চাকুরি নিয়ে বিধায় সেটি নিয়ে বর্ধিত আলোচনা ঐ পোস্টে দেবার পরিবর্তে একটি ভিন্ন পোস্ট হিসাবে দিলাম। এতে কোন প্রকার বিধি লঙ্ঘিত হলে তা জানানোর জন্য পাঠকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ থাকলো। বিধি লঙ্ঘনের আপত্তি উত্থাপিত হলে পোস্টটি অনতিবিলম্বে মুছে ফেলা হবে।)


১৯৭০-এর নির্বাচন পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে পাকিস্তানী মিথ্যাচার

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শনি, ০৫/০১/২০১৯ - ৪:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ডিসেম্বর মাস আসলে পাকিস্তানের মিডিয়াগুলোতে ‘১৬ই ডিসেম্বর’ প্রসঙ্গে মৃদু নড়াচড়া শুরু হয়। এই সময়ে ‘Dhaka Fall’ নামে ‘ভারতের কাছে যুদ্ধে পরাজয়’ অথবা ‘দেশ ভাঙা’ অথবা ‘পূর্ব পাকিস্তান হারানো’ প্রসঙ্গে কিছু পাকিস্তানী বক্তা টকশো বা সাক্ষাতকারে গরম গরম কথা বলার বা পাকিস্তানী লেখক পত্রিকার কলামে বা ব্লগে গরম গরম লেখার চেষ্টা করেন। বিষয়টা তাদের কাছে গৌরবের না বলে এইসব গরম বক্তা-লেখকগণ চেষ্টা করেন


দিবসপঞ্চক — নভেম্বর ২০১৮

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৯/১১/২০১৮ - ১:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]২৫শে নভেম্বর ২০১৮

খবর-১: নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সৈয়দনগর দড়িপাড়া এলাকায় নাজমা বেগমের ছাগল স্থানীয় মোরশেদ মিয়া ও তার সহযোগীরা চুরি করে নিয়ে যায়। নাজমা এই ব্যাপারে অভিযোগ করলে মোরশেদ মিয়া ছুরিকাঘাতে নাজমার বাম চোখ উপড়ে ফেলে।


বাটিচচ্চড়ি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: রবি, ৩০/০৯/২০১৮ - ১২:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]এক কালে রান্নার আয়োজনের সময় গ্রামের অতিদরিদ্র সনাতন ধর্মাবলম্বী পরিবারের বৃদ্ধা বিধবারা সবজির ফেলে দেয়া অংশ থেকে খাদ্যোপযোগী অংশগুলো খুঁটিয়ে আলাদা করতেন। এতে দুয়েক মুঠো হরেক রকম সবজির একটা মিশ্রণ পাওয়া যেতো। যেহেতু তিনি বিধবা তাই মাছ-মাংস-ডিম খাবার ব্যাপার নেই। কেউ কেউ পেঁয়াজ-রশুনটা পর্যন্ত খেতেন না। বাড়ির সবার রান্না হয়ে গেলে উনুনের আগুন আরও কিছুক্ষণ ধিকিধিকি করে জ্বলতো। সেই আঁচে একটা বা


বেবি ইউ আর বিউটিফুল

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বুধ, ২৫/০৭/২০১৮ - ১১:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ক্লাস শেষ হবার ঘন্টা বাজলে শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা লাইন ধরে নিচে নেমে এসে অস্থায়ী প্রতিবন্ধকের পেছনে নিজেদের জায়গায় দাঁড়ায়, তাদের সামনে শ্রেণী শিক্ষক আর তাঁর সহযোগী। প্রতিবন্ধকের সামনে পরিচয়পত্র হাতে অভিভাবককূল লাইনে দাঁড়ানো। একজন একজন করে শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ডাকা হচ্ছে আর তার অভিভাবক পরিচয়পত্র দেখিয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন। বাবানের নাম ডাকতে দিশা পরিচয়পত্র হাতে এগিয়ে যায়, দেখা গেলো বাবানে