একটা খবরের স্যাম্পল দেখা যাক:
কেন এই মুলা?
যখনই মুশফিকুর রহিম কোনো ক্যাচ ড্রপ করে, তখনই একটু উহ আহ এর সাথে বিকল্প উইকেট কীপারের কথা উচ্চারিত হয় এবং অবধারিতভাবে কিছুক্ষণের মধ্যেই সিদ্ধান্তে আসা হয় বাংলাদেশে আসলে তাকে রিপ্লেস করার মতো কেউ নেই। কারণ অবশ্যই তার কিপিং নয়, বরং ব্রাডম্যানসদৃশ ব্যাটিং!
একটা ক্রিকেট দল হলো একটা টেমপ্লেট। এই টেমপ্লেটে ১১ টা পজিশন থাকে, প্রত্যেকটা পজিশনের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে, বৈশিষ্ট্যগুলো সময় ও খেলার পরিস্থিতির সাথে অভিযোজিত হয়। এরকম প্রত্যেকটা পজিশনে খেলার জন্য যে খেলোয়াড়কে নির্বাচিত করা হয়, তার যোগ্যতা বিচার করা হয় ওই পজিশনের জন্য দরকারী বৈশিষ্ট্য বিচার করে। খেলোয়াড়কে দলের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট এবং অভিযোজনযোগ্য ভূমিকায় (রোল) অবদান রাখতে হয়। এজন্যই একটা দলে ১১
"হ্যালো, সাকিব বলছেন?"
"স্লামালিকুম। আপনি কে ভাই?"
"আমাকে চিনবেন না। আমি অছ্যুৎ বলাই।"
"কি যে কন! আপনাকে না চেনার কি হলো উৎপাত ভাই! দেশের সবচেয়ে বড়ো ক্রীড়া সাংবাদিক আপনে, আর আপনেরে চিনুম না এইডা তো কবীরাহ গুনাহ হইবো রোজা-রমজানের মাস।"
খাতামুন্নবুয়্যত জিনিসটাই যতো ভেজাল পাঁকাইছে, নাইলে আজ হিটলারের গোঁফ নিয়াও ক্যাচাল করন যাইতো। ছোটোবেলার এক বড়ো ভাই কইতো, মুহাম্মদের পরে কেউ নবী হওনের সিস্টেম থাকলে এডলফ হিটলারও নবী হইতো। লোকটা যে লাখ লাখ ইহুদিরে গ্যাস চেম্বারে দিছে, তার জন্যই সে মুসলমানের নবী হওনের যোগ্য। ছোটো বেলায় অল্প অল্প বুঝেছিলাম - হিটলার বড়ো ভালো লোকই হইবো; তয় একটু বড়ো হইয়া এক্কেরে অবুঝ হইয়া গেলাম, নবী-রাসূলের সংবিধানে ইহুদি
আওয়ামী লীগ সরকারের প্রায়োরিটি লিস্ট ধীরে ধীরে পরিষ্কার হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শেষ, যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কাজ শুরুর নমুনা হিসেবে ২/৩ জন আল-বদরকে হাজতে পুরে বিচার প্রক্রিয়াকে কচ্ছপের পিঠে তুলে দেয়া হয়েছে, আর মহা সমারোহে পরিবর্তন এসেছে সংবিধানে। ৭২ এর সংবিধানে ফেরত যাওয়া নিয়ে মাঠ গরম করলেও আওয়ামী লীগের প্রায়োরিটি লিস্টে তত্ত্ব সরকার বাতিলই সম্ভবত এক নাম্বারে ছিলো। বাংলাদেশে আইওয়াশ নির্বাচন দি
কবিতা লেখা সবচেয়ে সহজ। বেশি শব্দ খরচ করতে হয় না। অল্পশব্দে অধিক কথা প্রকাশ করা যায় বলে একটা ধারণা প্রচলিত, যদিও ধারণাটা ভুল হওয়ার সম্ভাবিলিটিও প্রচুর। কবিতা লেখার বিপদও আছে। শব্দভাণ্ডারের ক্যাচাল বিশাল ক্যাচাল। মাইকেলের মতো পাঁচজন পণ্ডিতের বন্দোবস্ত করা যেহেতু আম-পাবলিকের জন্য দূর-কল্পনার বিষয়, সেহেতু অভিধান মুখস্ত ভিন্ন উপায় নাই। তবে আম-পাবলিক অতো বোকা না, অভিধান যদি মুখস্ত করতেই হয়, তাহলে ইংরেজি
বস্তুত, নামকরণ জিনিসটা যে সংকটের বিষয় হতে পারে, এটা কখনোই আমার মনে হয় নি। বরঞ্চ এ বিষয়ে আমার শিশুকাল থেকেই প্রতিভা ছিলো এবং নিয়মিত চর্চার ফলে সে প্রতিভা কালের গর্ভে বিলীন হয়েও যায় নি। ২ বছর ৭ মাস বয়সে পিঠেপিঠি বোনের নামকরণ নিয়ে ব্যাপক ক্যাচালের পরে কেউই যখন কোনো সমাধানে আসতে ব্যর্থ হলো, তখন 'শিশুরা নিষ্পাপ' ফর্মূলায় এই অধমের ওপরেই সেই গুরুদায়িত্ব অর্পিত হলো। নাম জিনিসটা আমার স্বয়ংক্রিয়ভাবে আসে, তে
পোস্ট খুব সংক্ষেপ।
আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনাল খেলা ছিলো।
খেলার আগে ইন্টারনেটের বদৌলতে এক চ্যানেলে শুনলাম ইমরান খান বলছে, বাংলাদেশিরা পাকিস্তানকে সমর্থন করবে। কারণ, ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে বাংলাদেশের হারের বদলা নিবে পাকিস্তান।