[justify]রিকশা ছাড়া ঢাকা আমি কল্পনা করতে পারি না। দুদিন পরপর ঢাকার যানজট নিরসনে এখানে ওখানে রিকশা চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। তখন আমি বিপদে পড়ি। বাসের দরজায় পা ঠেকানোর জায়গাটুকুও না পেয়ে দীর্ঘপথ যখন হেঁটে চলি, পাশ দিয়ে শাঁই শাঁই করে ছুটে চলা গাড়িগুলো তাদের ফাঁকা সিটে ঠাঁই দেয় না আমাকে। সিএনজিওয়ালা ঢাকার নব্য নবাব। পায়ের উপর পা তুলে গলাকাটা দাম হাঁকতে ওস্তাদ। পকেটে কড়ি থাকলেও নবাবদের মর্জিমাফিক গ
[justify]বাংলায় বোধ হয় আমাদের আর পোষাচ্ছে না। চলনে বলনে কাজেকর্মে কোনোখানেই না। হিন্দিপ্রেম তো অনেক আগে থেকেই ছিলো আমাদের। আজকাল ডোরেমন শিশুরা বাংলার চেয়ে হিন্দিতে পারদর্শী হয়ে উঠছে। কথার ফাঁকে দুয়েকটা হিন্দি বুলি জুড়ে না দিলে বড়রাও ঠিক খুউল হতে পারছেন না। বাংলায় তাই আর পোষাচ্ছে না।
ঘণ্টাখানেক পর পাত্র দেখতে যাচ্ছি।
[justify]গেল বছর পুরোটাটাই দৌড়ের উপ্রে গেছে। বিশেষ করে শেষের আটটা মাস ছিলো নাটকীয় সব উত্থানপতনে পূর্ণ। সময় পেলে প্রতিদিনই খানকয়েক ব্লগরব্লগর ড্রাফট করে রাখা যেত। কিন্তু থিতু হয়ে বসার সুযোগ এতই কম ছিলো যে খুচরো কিছু ফেসবুক স্ট্যাটাস ছাড়া অনলাইনের খসড়াখাতায় বিশেষ কিছু জমা পড়েনি। দৌড়াতে দৌড়াতেই দৃশ্যপট এত দ্রুত বদলে যাচ্ছিলো যে আমার স্ট্যাটাসাসক্ত মনও সব খবরাখবর স্ট্যাটাসে তুলে দিতে পারছিলো না সময়মতো
পয়লা বৈশাখে মৌলভীবাজারে চড়কপূজা দেখতে যাওয়ার কথা ছিলো, আবার ছিলো না। ছুটির দিনে ঢাকার উপচে পড়া ভিড়ে বারকয়েক অতীষ্ট হয়ে পণ করেছিলাম এবছর নববর্ষে আর যা-ই করি, ঢাকায় ঘুরতে বেরুবো না। বন্ধুদের সাথে আগে থেকেই পরিকল্পনা শুরু হলো। ‘অতি সন্ন্যাসীতে গাঁজন নষ্ট’ যেমন, তেমনিভাবে ‘অতি পরিকল্পনায় সব ভ্রমণই ভণ্ডুল’ হলো। তার উপর ছিলো ই-বুক ‘ভ্রমণীয়’র ডেডলাইন। দুনিয়া উলটে যাক, তবু ১৪ এপ্রিলে এই বইয়ের মুখদর্শন করাতে হবেই হবে।
আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাঙালির সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার ইতিহাস। আমাদের স্বাধীনতার বিজয়গাথা রচিত হয়েছে রক্ত, অশ্রু আর ভালোবাসার অক্ষরে। এ বিজয় শুধু বাঙালির নয়, বরং শোষণের বিরুদ্ধে সাহসী মানবতার। তাই আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামে আমরা পাশে পেয়েছি কিছু অবাঙালিকেও যারা দেশ-জাতির সীমারেখা ভুলে এগিয়ে এসেছেন মানবতার আহ্বানে। এসব অবিস্মরণীয় ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি
কথা ছিলো ৯ তারিখে খোসা ছাড়ানো হবে “গোয়েন্দা ঝাকানাকা ও জাদুঘরে চুরি রহস্য”-এর।
গতকাল একবার, আজ আরেকবার কানে এলো এই গপ্পো। বাংলাদেশের কোনো এক মহিলা সাপ হয়ে গেছেন।
কেন?
তিনি নাকি তার হজফেরত স্বামীকে বলেছিলেন অতগুলো টাকা হজের পেছনে ব্যয় না করে ব্যাংকে রাখলেই বরং কাজে দিত। অর্থাৎ ইসলাম সম্পর্কে ঔদ্ধত্যপূর্ণ মন্তব্যের অপরাধেই মহিলার এই করুণ পরিণতি।
পরের মুখে ঝাল খেতে আমার ভালো লাগে না। তাই সিনেমা দেখার আগে বা বই পড়ার আগে রিভিউ পড়ি না কখনোই। তবে মেহেরজানের কথা আলাদা। রিভিউ না পড়লে এই সিনেমা দেখতে যাওয়া হতো না। বেশ কিছু আলোচনা-সমালোচনা পড়ে শেষমেষ ঢুঁ দিলাম সিনেপ্লেক্সে নিজে চেখে দেখার আশায়। পড়ে আসা আলাপের বাইরেও কিছু জিনিস দেখলাম আর বেরিয়ে এলাম কিছু প্রশ্ন নিয়ে। সমাজতাত্ত্বিক বা মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ নয়, দর্শকের আসনে বসে টাটকা অনুভূতির খসড়া ল
সচলায়তনের জন্য আমার প্রথম ব্যানার বড়দিন উপলক্ষ্যে
ইংরেজি নববর্ষের জন্য এটা। একটা ব্ল্যাকবোর্ডে লেখা ২০১০-এর শূন্য মুছে ১ লেখা। আমার কাছে নিউ ইয়ারের আবেদন এমনই। শুধুই সংখ্যার পরিবর্তন।
...সচলায়তনের জন্য আমার প্রথম ব্যানার বড়দিন উপলক্ষ্যে