প্রতিটি প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো ধর্মমুক্ত হওয়া জরুরী। অথচ হচ্ছে তার উল্টোটি আমাদের দেশে। ধর্ম তার নিজস্ব ভূমিকা ছেড়ে ধীরে ধীরেই জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসছে আমাদের উপর। আর যারা এর হোতা, তারা নিজেদের ধ্বংস টেনে আনছে হয়তো এভাবেই। এটাই একমাত্র আশা। মধ্যযুগেও এভাবে চেপে বসেছিল খ্রীষ্ট ধর্ম, ধর্মযাজকদের উন্মাদনায়। তাদেরও পতন ঘটেছিল।
সমসাময়িক ঘটনাপন্জীকে ঘিরে প্রতিবারই মূল্যবান প্রবন্ধ লিখেন আপনি। এবারও তার ব্যতিক্রম হলোনা।
প্রতিটি প্রতিষ্ঠানিক কাঠামো ধর্মমুক্ত হওয়া জরুরী। অথচ হচ্ছে তার উল্টোটি আমাদের দেশে। ধর্ম তার নিজস্ব ভূমিকা ছেড়ে ধীরে ধীরেই জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসছে আমাদের উপর। আর যারা এর হোতা, তারা নিজেদের ধ্বংস টেনে আনছে হয়তো এভাবেই। এটাই একমাত্র আশা। মধ্যযুগেও এভাবে চেপে বসেছিল খ্রীষ্ট ধর্ম, ধর্মযাজকদের উন্মাদনায়। তাদেরও পতন ঘটেছিল।
**********************************
কৌনিক দুরত্ব মাপে পৌরাণিক ঘোড়া!