প্রতিবাদটা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বলেই এই ধর্মীয় চিহ্নধারণের বিষয়টা আপত্তিকর মনে হলো। ধর্মীয় চিহ্ন ধারণ কিংবা ধর্মীয় চিহ্ন ধারণ না করবার স্বাধীনতা প্রতিটা মানুষের নিজস্ব অধিকারের পর্যায়ে পড়ে। এখানে চাপিয়ে দেওয়ার বিধি কেনো?
ইংল্যান্ডে যে মেয়েটা হিজাব পড়বার দাবীতে মামলা করলো, তার অধিকার স্বীকৃত হলো, সেটা তার ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে রক্ষা করলো, কিন্তু এই ধর্মপালনের অধিকার কিংবা স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করলেও এখানে শাহজালাল ব্যাংকের কর্মচারীরা আদালতে গিয়ে মামলা করবেন সেই পরিবেশ নেই বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের কোথাও কি এমন বলা আছে কোনো স্কুলে শিক্ষকতার জন্য সুরা ফাতিহা কিংবা কলেমা তাইয়্যেবা পড়তে হবে? যখন কোনো কতৃপক্ষ এমন কোনো উচ্ছন্নে যাওয়া আচরণ করে তখনই ঘৃনা এবং প্রতিবাদ তৈরি হওয়া উচিত।
এটা ধর্ম বিরোধিতা নয় বরং ধর্মের গা জোয়ারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
এটা বাস্তবতা, বর্তমানের বাংলাদেশে যে মানুষটা শাহজালালে কাজ করে তার ধর্ম চিহ্ন যদি হয় শাখা সিঁদুর, তাকে স্কার্ফ পড়তে বাধ্য করানোর এই কতৃপক্ষীয় নীতিকে সমর্থনযোগ্য? শাখা সিঁদুরের অধিকার কেড়ে নেওয়া কি যুক্তিযুক্ত।
এটা কৌশলে একটা ধর্মীয় বিভাজন জিইয়ে রাখা কিংবা একটা আপাত বিভাজন তৈরির প্রচেষ্টা। কর্মদক্ষতায় ধর্মের কোনো ভুমিকা বোধ হয় নেই।
প্রতিবাদটা বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে বলেই এই ধর্মীয় চিহ্নধারণের বিষয়টা আপত্তিকর মনে হলো। ধর্মীয় চিহ্ন ধারণ কিংবা ধর্মীয় চিহ্ন ধারণ না করবার স্বাধীনতা প্রতিটা মানুষের নিজস্ব অধিকারের পর্যায়ে পড়ে। এখানে চাপিয়ে দেওয়ার বিধি কেনো?
ইংল্যান্ডে যে মেয়েটা হিজাব পড়বার দাবীতে মামলা করলো, তার অধিকার স্বীকৃত হলো, সেটা তার ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে রক্ষা করলো, কিন্তু এই ধর্মপালনের অধিকার কিংবা স্বাধীনতা ক্ষুন্ন করলেও এখানে শাহজালাল ব্যাংকের কর্মচারীরা আদালতে গিয়ে মামলা করবেন সেই পরিবেশ নেই বাংলাদেশে।
বাংলাদেশের কোথাও কি এমন বলা আছে কোনো স্কুলে শিক্ষকতার জন্য সুরা ফাতিহা কিংবা কলেমা তাইয়্যেবা পড়তে হবে? যখন কোনো কতৃপক্ষ এমন কোনো উচ্ছন্নে যাওয়া আচরণ করে তখনই ঘৃনা এবং প্রতিবাদ তৈরি হওয়া উচিত।
এটা ধর্ম বিরোধিতা নয় বরং ধর্মের গা জোয়ারির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
এটা বাস্তবতা, বর্তমানের বাংলাদেশে যে মানুষটা শাহজালালে কাজ করে তার ধর্ম চিহ্ন যদি হয় শাখা সিঁদুর, তাকে স্কার্ফ পড়তে বাধ্য করানোর এই কতৃপক্ষীয় নীতিকে সমর্থনযোগ্য? শাখা সিঁদুরের অধিকার কেড়ে নেওয়া কি যুক্তিযুক্ত।
এটা কৌশলে একটা ধর্মীয় বিভাজন জিইয়ে রাখা কিংবা একটা আপাত বিভাজন তৈরির প্রচেষ্টা। কর্মদক্ষতায় ধর্মের কোনো ভুমিকা বোধ হয় নেই।