ইংল্যান্ডে যে মেয়েটা হিজাব পড়বার দাবীতে মামলা করলো, তার অধিকার স্বীকৃত হলো, সেটা তার ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে রক্ষা করলো,
না না ...তার অধিকার রক্ষা হয়েছে, তা তো বলিনি। বলেছি স্কুল কতৃপক্ষের ডিসিশান, ইউরোপিয়ান কোর্ট অফ জাস্টিস(ECJ) আপহোল্ড করেছে। সুতরাং সেই মেয়েটি স্কুলে স্কার্ফ পরতে পারবে না। আমি আপনার কথার সাথে কিন্তু পুরা একমত। শাহজালাল ব্যাংকে যেমন "পরতেই হবে" এই বিধি জারি হোলো এইখানে লন্ডনে , "পরা যাবে না"-এই বিধি জারি হোলো। ভাল-খারাপ, উচিত -অনুচিত, পরের কথা। আমি চাপিয়ে দেয়া বিধিটাই মানতে চাই না। আর দেখেন ECJ এর মত এত বড় ইন্ডিভিজুয়াল রাইট প্রটেক্ট করা সংস্থা ( মনে করা হয়) যদি এই ধরনের ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ নেয়, তাহলে আমাদের দেশে কি হবে বলেন?
এটা কৌশলে একটা ধর্মীয় বিভাজন জিইয়ে রাখা কিংবা একটা আপাত বিভাজন তৈরির প্রচেষ্টা।
এই বিভাজন টিকিয়ে রাখবার ব্যাপারটা কিন্তু আজকে গড়ে উঠেনি। আমাদের পারিবারিক বা সামাজিক চিন্তা চেতনা থেকেই এর উদ্ভব। যদি বলি কবে থেকে? তাহলে বলতে হয় আমি জানিনা কবে থেকে, শুধু জানি আমার জ্ঞান হবার পর থেকেই অল্প অল্প করে এই বিভাজন দেখেছি।
একটা উদাহরণ দেই, আমাদের বাসায় নীচতলায় ভাড়া থাকত এক হিন্দু ভদ্রলোক। উনি আবার শখ করে দাড়ি রেখেছেন। আমার গ্রাম থেকে আসা ফুফু উনার সামনে একদিন প্রায় শুনিয়েই বললেন, " মালাউন দেখি আবার দাড়ি রাখসে "
খুব কষ্ট পেয়েছিলাম ওইদিন তার কথা শুনে।(পরে আমার মা ফুফুর উপর খুব রাগ করেছিলেন) অথচ আমার ফুফু ধর্ম কর্ম করলেও তার জামা কাপড় সব সময় এলো মেলো থাকত।সে যাক, বলছিলাম, এই ধরনের মনস্তাত্বিক বিভাজন আমাদের একদম পারিবারিক লেভেল থেকেই হয়। বিশেষ করে গ্রাম থেকে আর একটু রক্ষনশীল মেন্টালিটি থেকে। তো এইসব শাহজালাল,মানারাত ইস্লামী ব্যাংকের ,কিছু মূর্খেরা তো পারিবারিক ভাবেই ব্রেইন ওয়াশড্। সুতরাং এই ব্যাপারটিও ভাবতে হবে। সামগ্রিক চেতনার বিকাশ আর কি...
---------------------------------------------------------
পৃথিবীর সব সীমান্ত আমায় বিরক্ত করে। আমার বিশ্রী লাগে যে, আমি কিছুই জানিনা...
ইংল্যান্ডে যে মেয়েটা হিজাব পড়বার দাবীতে মামলা করলো, তার অধিকার স্বীকৃত হলো, সেটা তার ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে রক্ষা করলো,
না না ...তার অধিকার রক্ষা হয়েছে, তা তো বলিনি। বলেছি স্কুল কতৃপক্ষের ডিসিশান, ইউরোপিয়ান কোর্ট অফ জাস্টিস(ECJ) আপহোল্ড করেছে। সুতরাং সেই মেয়েটি স্কুলে স্কার্ফ পরতে পারবে না। আমি আপনার কথার সাথে কিন্তু পুরা একমত। শাহজালাল ব্যাংকে যেমন "পরতেই হবে" এই বিধি জারি হোলো এইখানে লন্ডনে , "পরা যাবে না"-এই বিধি জারি হোলো। ভাল-খারাপ, উচিত -অনুচিত, পরের কথা। আমি চাপিয়ে দেয়া বিধিটাই মানতে চাই না। আর দেখেন ECJ এর মত এত বড় ইন্ডিভিজুয়াল রাইট প্রটেক্ট করা সংস্থা ( মনে করা হয়) যদি এই ধরনের ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ নেয়, তাহলে আমাদের দেশে কি হবে বলেন?
এটা কৌশলে একটা ধর্মীয় বিভাজন জিইয়ে রাখা কিংবা একটা আপাত বিভাজন তৈরির প্রচেষ্টা।
এই বিভাজন টিকিয়ে রাখবার ব্যাপারটা কিন্তু আজকে গড়ে উঠেনি। আমাদের পারিবারিক বা সামাজিক চিন্তা চেতনা থেকেই এর উদ্ভব। যদি বলি কবে থেকে? তাহলে বলতে হয় আমি জানিনা কবে থেকে, শুধু জানি আমার জ্ঞান হবার পর থেকেই অল্প অল্প করে এই বিভাজন দেখেছি।
একটা উদাহরণ দেই, আমাদের বাসায় নীচতলায় ভাড়া থাকত এক হিন্দু ভদ্রলোক। উনি আবার শখ করে দাড়ি রেখেছেন। আমার গ্রাম থেকে আসা ফুফু উনার সামনে একদিন প্রায় শুনিয়েই বললেন, " মালাউন দেখি আবার দাড়ি রাখসে "
খুব কষ্ট পেয়েছিলাম ওইদিন তার কথা শুনে।(পরে আমার মা ফুফুর উপর খুব রাগ করেছিলেন) অথচ আমার ফুফু ধর্ম কর্ম করলেও তার জামা কাপড় সব সময় এলো মেলো থাকত।সে যাক, বলছিলাম, এই ধরনের মনস্তাত্বিক বিভাজন আমাদের একদম পারিবারিক লেভেল থেকেই হয়। বিশেষ করে গ্রাম থেকে আর একটু রক্ষনশীল মেন্টালিটি থেকে। তো এইসব শাহজালাল,মানারাত ইস্লামী ব্যাংকের ,কিছু মূর্খেরা তো পারিবারিক ভাবেই ব্রেইন ওয়াশড্। সুতরাং এই ব্যাপারটিও ভাবতে হবে। সামগ্রিক চেতনার বিকাশ আর কি...
---------------------------------------------------------
পৃথিবীর সব সীমান্ত আমায় বিরক্ত করে। আমার বিশ্রী লাগে যে, আমি কিছুই জানিনা...