অপছন্দনীয় এর ব্লগ

আই লাভ টু সিঙ্গা

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৯/১১/২০১১ - ১১:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ স্পয়লার সতর্কতাঃ এই পোস্টে একটা ছোট অ্যানিমেশনের বর্ণনা আছে যেটা হয়তো আসল অ্যানিমেশনের মজাটা নষ্ট করে দিতে পারে। পাঠকের যদি অ্যানিমেশনটা দেখার আগ্রহ থাকে তাহলে আগে দেখে নিয়ে তারপরে পোস্টটা পড়ার পরামর্শ দেয়া হলো - অ্যানিমেশনের লিঙ্ক পোস্টের শেষে দেয়া আছে। ]


অভিজ্ঞতাঃ গ্রাহকসেবা

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৯/০৮/২০১১ - ১:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গ্রাহকসেবা নিয়ে সাধারণভাবে আমার অভিজ্ঞতা ভালোই। অধিকাংশ সময়ে কোন সমস্যায় পড়লে সংশ্লিষ্ট লোকজনের কাছ থেকে যথেষ্ট ভালো সাহায্যই পেয়ে এসেছি। কিন্তু সবকিছুরই তো ব্যতিক্রম থাকে – এখানেও ছিলো।

(১)


ফোকফেস্ট ২০১১ - শেষ দিন

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৮/২৫/২০১১ - ১০:৪৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম দিনদ্বিতীয় দিনশেষ দিন

২০ শে অগাস্ট, ২০১১

শেষ দিনটা শনিবার – এতই খেয়েছি গতকাল যে আজ আর সকালে ঘুম দিয়ে ওঠারই প্রয়োজন বোধ করলাম না। বিছানা ছাড়লাম আড়াইটায় – তাও নেহায়েতই অনিচ্ছায়। ঘুমাতে ঘুমাতেই প্রাতঃকৃত্যগুলো মধ্যাহ্নকৃত্য হিসেবে শেষ করে একটু খাওয়া দাওয়া করতে গেলাম রান্নাঘরে। ভাত রান্না নেই – হুঁ, চাল ধুয়ে চাপিয়ে দেয়া গেলো। এবার চোখ আধবন্ধ রেখেই ফ্রিজটা খুলে কী দিয়ে খাবো বের করতে গেলাম। খুলেই ঘুমের রেশ পালিয়ে গেলো – কিচ্ছু নেই! খেয়ালই নেই যে মটরশুঁটি দিয়ে মুরগী যেটা রেঁধেছিলাম সেটা শেষ হয়ে গেছে গতকাল রাতে – ফোকফেস্ট থেকে এসে খেতে গিয়ে। হুড়মুড় করে ফ্রিজারটা খুলে চিংড়ির দিকে হাত বাড়ালাম – এটাও ভুলে গেছিলাম যে চিংড়ি শেষ হয়ে গেছে সপ্তাহখানেক আগেই। বাসা পাল্টাবো এই মাসের শেষে, তাই কাঁচা জিনিসপত্র সব ঝটপট খেয়ে কমিয়ে দিয়েছি – নতুন কিনিনি। কিছুই নেই – আলুভর্তা করতে গিয়ে আলু পাওয়া গেলো না, ডাল রান্না করতে গিয়ে পেলাম মসুর ডালের তিনখানা দানা! ভাগ্যে একজোড়া ডিম খুঁজে পাওয়া গেলো, শেষটা তাই ভাজি করে জীবন বাঁচাতে হলো।


ফোকফেস্ট ২০১১ - দ্বিতীয় দিন

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৮/২০/২০১১ - ১০:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম দিন - দ্বিতীয় দিন - শেষ দিন

১৯শে অগাস্ট, ২০১১

গতকাল খাওয়াটা বেশ জম্পেশ হয়েছিলো। সকালে ঘুম ভাঙতে একটু দেরীই হয়ে গেলো – সেই সাথে দাঁতে টনটনে ব্যথা। আজকে তো আর ফাঁকি মারা যাবে না, কাজেই যেতে হলো ইউনিভার্সিটিতে। দুপুরে লাঞ্চ করলাম পিজা খেয়ে। সেটা গরম করতে গিয়ে ল্যাবের রোজাদারদের রোজা ভেঙে দিয়েছিলাম আরেকটু হলেই। গন্ধ শুঁকেই নাকি তাদের সমস্যা হচ্ছে, সৌদী খুকি তো রীতিমত চটে লাল – কি অদ্ভুত এরা! এদিকে নিজেদেরকে ঈশ্বরের অসীম শক্তিতে শক্তিমান দাবী করবে, ওদিকে আবার স্রেফ গন্ধ শুঁকলেও ধর্ম ভেঙে গুঁড়োগুঁড়ো হয়ে পড়ে যাবে! আড়াইটায় বাসায় ফিরে আবার খানিকটা পিজা খেয়ে চারটায় হাজির হলাম সিটি হলের সামনে। আজকের গন্তব্য সাউথ রুট, গতকাল ইস্টটা দেখে এসেছি। কিন্তু দাঁতের ব্যথাটা বড্ড জ্বালাচ্ছে - আজকে বের হবার আগে ঠিক করে নিলাম আজ আমার মূলমন্ত্র হবে, “...সহজে উদরে ধরিবে যেটুক, সেইটুকু খাবো হবো না পেটুক...”


ফোকফেস্ট ২০১১ - প্রথম দিন

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৮/১৯/২০১১ - ৮:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম দিন - দ্বিতীয় দিন - শেষ দিন

১৮ই অগাস্ট, ২০১১


কল্পজগতের লুলপুরুষ

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৮/০৮/২০১১ - ৯:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভদ্রলোক ফরাসী, প্যারিসে থাকেন। দেখতেশুনতেও বেশ - সুদর্শন এবং মিষ্টভাষী, ফ্রেঞ্চ টানে ইংরেজী বলেন, মিঠে মিঠে কথা বলতে অত্যন্ত পারদর্শী, প্রচুর প্রেমময় পংক্তি আর গান জানেন। হৃদয়ে প্রেমের এক বিশাল ফোয়ারা - সবসময়েই প্রেমে পড়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। উপযোগী কাউকে দেখলেই তার দিকে ছুটে গিয়ে কবিতা শোনান, সুযোগ পেলে মাঝে মধ্যে একগাদা চুমুটুমুও ঝেড়ে দেন। বিনিময়ে চড়, ঘুষি বা লাথি খেয়ে আধমরা হয়েও ত


উৎসবমুখর (পরিমিত) আহার

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৭/০৮/২০১১ - ১:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খেয়েদেয়ে দিব্যি ছিলাম। গ্র্যাড স্টুডেন্ট উভয়ার্থে Poor হলেও সনাতন বাংলাদেশী সমাজের রীতি মোতাবেক সারাজীবন ধরেই কাল কী হবে সেই চিন্তায় আজ টাকা না জমালে ভালোভাবে খেয়েদেয়ে বেঁচে থাকা কোনই সমস্যা নয়। মাঝখানে এক যজ্ঞ ছিলো হাঙ্গেরিতে, সেখানে এক ভূর্জপত্র পাঠিয়ে খেলাম ছ্যাঁকা – রিভিউগুলো খুবই ভালো, এই কর্ম হেন, এই কর্ম তেন, পুরোই নতুন আইডিয়া, দারুণ সুলিখিত পেপার ইত্যাদি ইত্যাদি বলে একেবারে শেষে এ


এই পোস্ট পেটুকদের জন্য...

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/২৩/২০১১ - ৮:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি যে অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিং-এ থাকি সেখানে দুই অ্যাপার্টমেন্টে আমি সহ ছয়জন বাংলাদেশী থাকে – সবাই একই ডিপার্টমেন্টের এবং কাছাকাছি বয়সের। এ ছাড়া আমাদের আশপাশেই থাকেন দুই বাংলাদেশী দম্পতি, তাঁরাও চারজনই এই একই ডিপার্টমেন্টের ছাত্রছাত্রী। মাঝে মধ্যে, বিশেষত শুক্রবার রাতে জম্পেশ আড্ডা হয়। তবে সেই আড্ডায় আমাকে কখনোই খুঁজে পাওয়া যায় না। আমি অলস মানুষ, সামাজিক আড্ডায় উপস্থিতির চেয়ে ঘুমানো বরং আম


জুনের তৃতীয় রোববার

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৬/২০/২০১১ - ৯:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইউনিভার্সিটি বুক শপে ঢুকেছিলাম ওরিয়েন্টালিস্ট পেইন্টিং-এর উপরে একটা বই কিনবো বলে। সামনেই দেখি বিশাল এক ব্যানার – এই বছর ১৯শে জুন বাবা দিবস, সেই কারণে তাদের কী কী বিশেষ সংগ্রহ আছে তাই নিয়ে। সেখান থেকে বেরিয়ে নিজের ডিপার্টমেন্টের নোটিশ বোর্ডে দেখলাম একটা ছোট্ট পোস্টার। ফেসবুক, ইয়াহু, সব জায়গায় পেলাম কিছু না কিছু - সচলায়তন খুলে পেলাম বেশ কয়েকটা পোস্ট, গোটাকয় ইমেইলও পেলাম এখান সেখান থেকে। এমন


বৈদেশ, চৈনিক এবং ভাষা

অপছন্দনীয় এর ছবি
লিখেছেন অপছন্দনীয় [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৬/১৮/২০১১ - ৭:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার চাকরী জীবনের শুরু এক চৈনিক সেলুলার ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড সার্ভিস ভেন্ডর দিয়ে - মার্কেট শেয়ারের হিসেবে তারা যতদূর জানি পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম। কর্মক্ষেত্রটি ছিলো আস্ত এশিয়া প্যাসিফিক, কাজেই এদিক-উদিক একটু লম্ফঝম্পও করতে হয়েছিলো। সমস্যা হচ্ছে আমি বাংলার খানিকটা জানি, ইংরেজীর অতি সামান্য বুঝি, কিন্তু এর বাইরে আর কিছুই বুঝি না। অবশ্য চৈনিক ভাষা না জানলে দুনিয়ার আর তাবৎ ভাষা জেনেও চৈনিকের সাথে