আমার ছেলেবেলাঃ ডিলিটেড সীন - "হাসিনা তুই যা'গা..."

ধুসর গোধূলি এর ছবি
লিখেছেন ধুসর গোধূলি (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০৯/২০০৮ - ২:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফোর এর শুরুর দিকে বন্দর উপজেলা ক্যাম্পাসে নতুন সংযোজন হলো শ্যামলদের পরিবার। শ্যামল আমার বয়সী, একই স্কুলে, একই ক্লাসে ভর্তি হলো। তার ছোট বোন হাসিনা, বিএইচএমএইচ। হেমায়েত আংকেল, মোটাসোটা গড়নের গোলগাল সাইজ। কিন্তু আন্টি- উহুলালা! একেবারে সেইরম! চোখ টিপি

শিক্ষা অফিসার আংকেলের পরিবারের সঙ্গে শ্যামলদের খুব আন্তরিক সম্পর্ক হয়ে যায় খুব অল্প দিনেই। এই নিয়ে আমাদের পোলাপানদের মাঝে শ্যামলের অনুপস্থিতিতে নানা গুজব ভাসতে শুরু করে। টি.ও আংকেলের ছোট ছেলে খোকন ভাইয়ের (তৎকালীন এসেসসি পরীক্ষার্থী) সঙ্গে নাকি ছাদের চিলে কোঠার চিপায় অন্তরঙ্গ অবস্থায় উহুলালা আন্টিকে আবিষ্কার করে তৌফিকের চাচাতো বোন রুনী! সেই শুরু হয় উহুলালা আন্টিকে নিয়ে আমাদের পোলাপাইনের মাঝে তুমুল উত্তেজনা। কেমনে, আসলেই কেমনে কী!!

আমার এই লেখা অবশ্য সেই উহুলালা আন্টিকে কেন্দ্র করে না। পরের কোনো পর্ব আসলেও আসতে পারে, কইতার্তারিনা। শ্যামলের ছোট বোন হাসিনাকে নিয়েই ছোট্ট বেলার স্মৃতিটুকুর ঝাঁপি খুললাম এবার।

বিকাল হলেই আমরা নানান কিসিমের খেলা শুরু করি। একটা চিরাচরিত খেলা শুরু হয়ে সেটা বিবর্তিত হতে হতে কিম্ভূতকিমাকার রূপ ধারণ করে ফেলে আমাদের পাল্লায় পড়ে। রোজ রোজই আমরা নতুন খেলা আবিষ্কার করে সন্ধ্যা বেলায় বাসায় ফিরি। আমাদের বসয়ী মোটামুটি ৫-৭ জন শয়তানের পশ্চাৎদেশে রেগুলার ডাং মারে। সমবয়সী বা টেমাটোমা সাইজের কোনো বিপরীত লিঙ্গ না থাকায় মাঝে মাঝেই সব কেমন পানসে পানসে লাগে। শিমু আপা, যুঁথী কিংবা জেসমিন আপারা যখন সবাই মিলে খেলে তখন আমাদেরকে দুধ খাইয়ে ভাতের প্লেট হাতে ধরিয়ে সাইড লাইনের ঐপাশে বসিয়ে রাখে। বাধ্য হয়েই আমরা ক্রীড়াঙ্গণ ছেড়ে সারা উপজেলা চত্ত্বর ঘুরে বেড়াই। ডাব গাছের দিকে তাকিয়ে ভাবি, কবে যে আরেকটু বড় হবো! আর ঐ যে বললাম খেলার বিবর্তনকরণ, সেটা চলতে থাকে রেগুলারই। তো এরই মধ্যে যখন শ্যামলরা এলো, আমাদের আর পায় কে।

এখন আমরা ভুলেও বড়দের ঐদিকে যাই না। আমরা আমরাই খেলি। তৌহিদ, জুয়েল, শরীফ, তৌফিক, দিদার, আমি, শ্যামল এবং শ্যামলের ছোট বোন হাসিনা। খেলা যেরকমই হোক, হাসিনাকে সবাই মিনিমাম একবার করে জড়িয়ে ধরবেই। এটাই খেলার নিয়ম। এভাবেই চলে আমাদের প্রতিদিনের খেলা আবিষ্কার।

তৌহিদ ছিলো আমাদের মধ্যে সবচাইতে পোংটা। কী সব ফটুক ফাটুক দেখাতো তখনই। বোম্বের হট নায়িকার হাটু খোলা ফটুক দেখিয়ে আমাদের থেকে পয়সা আদায় করতো সে। হালায় একটা খাছড়া পাবলিক! তো যাই হোক, একদিন বিকেলে যথারীতি খেলা শুরু হলো। শুরুটা হয়েছিলো টিলোএক্সপ্রেস দিয়ে। সেটা বিবর্তিত হয়ে হয়ে গেলো বরফপানি। সবাই খালি হাসিনার পেছনে দৌড়ায়। এবার বরফপানি বিবর্তিত হলো লুকোচুরিতে। লুকানোর জায়গা হলো বিশাল বিশাল নারিকেল গাছ। সারা চত্ত্বরের সব গাছ ফাঁকা থাকলেও কেবল একটা গাছের পেছনেই বিশাল জ্যাম লেগে থাকে। কারণ ঐ একটাই। কারণ ঐখানে হাসিনা পলাইছে!

একবার এই ধারা পাল্টিয়ে শ্যামল তার বোনের পেছনে লাইন কমাতে নিজেই গিয়ে আগেভাগে দাড়িয়ে গেলো একটা নারকেল গাছের গোড়ায়। তারপর তৌফিক এবং তারপর পোংটা তৌহিদ। আমরা একে একে পেছনে। হঠাৎ খেয়াল করি পোংটা তৌহিদের নিম্নাংশ একবার সামনে যায় আবার পেছনে আসে। ঘটনা কী! ওর সামনে তৌফিক, একটু ভোম্বল কিসিমের, ও চিল্লায় "এই শালা করোস কী!", সবার সামনে থেকে শ্যামল চিল্লায়, "ঐ ব্যাটা নরোশ ক্যান, দেইখা ফেলবো তো!" এদিকে পোংটা তৌহিদ পুরোদমে সরলদোলকের মতো নড়াচড়া শুরু করেছে। শ্যামল যখন বুঝতে পারলো পেছন থেকে কী হচ্ছে হুড়ুৎ করে বের হয়ে সবার পেছনে সরে এসে সেও শুরু করলো পোংটা তৌহিদের মতো একটিভিটিজ। এভাবে একজন করে পিছলিয়ে বের হয় আর পেছনে এসে যোগ দেয়। ততোক্ষণে লুকোচরি খেলা বিবর্তিত হয়ে এই নতুন খেলার সৃষ্টি হয়েছে, কে কাকে পেছন থেকে ঠেলতে পারে!

এই ঘটনা হাসিনার চোখ এড়ালো না। ও ভাবলো বাহ্ বেশতো! ও নিজেও যোগ দিলো এই খেলায়। এইবার পোংটা তৌহিদ এই লাইন ছেড়ে হাসিনার পেছনে গিয়ে দাড়িয়ে গেলো। আর এটা দেখে শ্যামল চিৎকার করে উঠলো, "হাসিনা তুই যা'গা, তোরে পুটকি মারবো!"


মন্তব্য

ফারুক হাসান এর ছবি

সব পোংটার দল! হাসতে হাসতে আরেকটৈলেই পইড়া গেছিলাম আরকি।
জাঝা

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বস, কী আর কমু। ঐ ঘটনার পর আমাদেরও একই অবস্থা হইছিলো। সব মাটিতে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি। হাসিনা নারকেল গাছের কাছে তব্দা হইয়া খাড়ায়া আছে আর শ্যামল বেক্কল হইয়া ভাবে, কথাডা কৈলাম কী!

এই ঘটনার অনেক দিন পর পর্যন্ত শ্যামলরে পঁচাইতে হইলে কেবল এই একটা লাইনই যথেষ্ট আছিলো। আমরা যেবার চইলা আসি, শ্যামলরা অবশ্য আমাদের সঙ্গে আসছিলো। কারণ আমার পিতাদেবের যেখানে পোস্টিং হইছিলো সেখানে তারা আগে থাইকা গেছে।

এরপর আর দেখা হয় নাই। ঊনিশ বছর হৈয়া গেলো দেখি! এতোদিনে নিশ্চই হাসিনা অনেক বড় হৈয়া গেছে। দেখার খুব শখ হৈতাছে হাসিনার সামনে শ্যামলরে এই কথাটা মনে করায়া দিয়া পঁচাইলে তাগো মুখের কী অবস্থা হয়! হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ফারুক হাসান এর ছবি

অবস্থাদৃষ্টে যা মনে হচ্ছে গুরু, ভবিষ্যতে আপনার জন্য বউ, মানে আমাদের ভাবী পাওয়া একটু কষ্টকর হয়া যাবে। চিন্তিত
কতশত শ্যামল আর হাসিনা যে ছড়ায়ে ছিটায়ে আছে বাংলার মাটিতে আল্লামালুম । বিয়ার কথা বলতে গিয়া পূর্বপরিচিত বাইর হয়া গেলে কতবার যে আপনে ঠ্যাঙ্গানি খায়া বাড়ায়া আসবেন সেইটা ভাবতেছি।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমি তো সেই জন্যই জনগণের শ্যালিকার জন্য আবেদন কইরা রাখছি জনাব। আগে আপনারা শাদি-নিকাহ্ করবেন কয়েকডজন শালিকা দেইখা। আর তারপরে আমি আপনাদেরকে উদ্ধার করবো শালিদায়গ্রস্ততা থেকে।

এই যেমন ধরেন আমার জিগরী দোস্ত হিমু। তার কলিমা পড়া বউয়ের খোমা মোবারক মাশাল্লাহ ভালোই। তো কান কথায় শুনলাম তার নাকি দুইজন শ্যালিকাও বিদ্যমান। একজন আবার হাফ-ডাক্তারনী।

তো দোয়া করেন হিমু‌র লগে আমার সম্পর্কটা জানি একটু উন্নত হয়। সম্পর্ক উন্নত না হয়া অন্য জিনিষ উন্নত হইয়া থাকলে কোনো লাভ নাই। হিমু তার শালি আমারে দিবো না। হালায় বিরাট খাইষ্টা! মন খারাপ

___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

ফারুক হাসান এর ছবি

সম্পর্ক উন্নত না হয়া অন্য জিনিষ উন্নত হইয়া থাকলে কোনো লাভ নাই। হিমু তার শালি আমারে দিবো না।

তাইলে তো হিমু ভাইজানের জীবন যাবে নিজের শালীর এই অভিশাপ খাইতে খাইতে, কার লগে বিয়া দিলেন দুলাভাই, জিনিস উন্নত না! চোখ টিপি

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- নিজের শালির অভিশাপ খাওয়ার চাইতে বড় কথা হইলো তার নিজের ওয়াইফের অভিশাপো খাওয়া!

আমি তো চিন্তা কর্তাছি ওভার টাইম করুম ক্যামনে, টাইম কই? চিন্তিত
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

হিমু এর ছবি

খালি খাচরা খাচরা কথাবার্তা। পোলাটা ছোটকাল থিকাই অমানুষ।


হাঁটুপানির জলদস্যু

সুমন সুপান্থ এর ছবি

ধু: গো !! কিতা আর কইতাম রে ভাই ! যা বেশরম গল্প !!

---------------------------------------------------------

আমার কোন ঘর নেই !
আছে শুধু ঘরের দিকে যাওয়া

---------------------------------------------------------
তুমি এসো অন্যদিন,অন্য লোক লিখবে সব
আমি তো সংসারবদ্ধ, আমি তো জীবিকাবদ্ধ শব !

ধুসর গোধূলি এর ছবি
ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ হাঃ
আচ্ছা লেখকরা কিন্তু তাদের নিজেদের পুংটামির বর্ণনাটা সবসময়েই কৌশলে এড়িয়ে যান, ধুগোদাদার ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম হলোনা। উনার পুংটামির আরো বিবরণ চাই আমরা তারপর যখন মাইয়া খুঁজতে যাবেন তখন আমরা একটু ওকালতি করে দিবোনে আর পুংটামির বর্ণনা প্রমাণ হিসেবে পেশ করবো।
এখনো হাসতেছি আর ভাবতেছি আমার জীবনটা বরাবরই পাইনশা থাইকা গেল।

--------------------------------------------------------

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- লেখকরা এড়ায়া যায় কিনা কৈতার্তারিনা, তবে ধুগো এড়ায় না। কারণ ধুগো লেখকের জাতের ধারে কাছেও না।

আপনের মুখে হাসি তুলতে পাইরা এই অধম খুব খুশী হইছে। কারো জীবনই পাইনশা যায় নাই। লাগেন বাজী, আপনের জীবনটাও আমার চাইতে কালারফুল গেছে। ঘটনা হইলো, আপনে মিয়া কইতে চান না! চিন্তিত
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সৌরভ এর ছবি

বেয়াদব পুলাপাইনের দল। দিলো তো আমার রোযা-অযু সব নষ্ট কইরা।

আগেই মনে করছিলাম, এই পোলাটা ছুটুবেলা থাইকাই চরিত্র খারাপ। এখন সেই ধারণা পোক্ত হইলো।
ওই মোতাব্বির, অযুর পানি দে।



২৭. বেহেস্ত যাওনের খায়েশ হগ্গলের, আপত্তি শুধু মরনে


আবার লিখবো হয়তো কোন দিন

ধুসর গোধূলি এর ছবি
আলমগীর এর ছবি

শেষ লাইনটা পড়ে চেয়ার থেকে পড়ে গেলাম।
সাহস আছে গোধুলির, বলতে হবে।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- বস, ব্যাথা বুথা পান নাই তো! দেঁতো হাসি

গোধূলি‌র সাহস ঠিকই আছে, মাগার পিছের মানুষটার সাহস আছে কিনা সেইটা একটা ব্যাপার। চিন্তিত
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

নজমুল আলবাব এর ছবি

আমার রোজা আলিইম্যার মতো হালকা না, তবু কষ্ট হইছে ধইরা রাখতে।

অফটপিক:
সেইতো এলি, দু'দিন আগে এলি না ক্যান? কই ছিলি?

ভুল সময়ের মর্মাহত বাউল

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আলিইম্যার কথা কইয়েন না বাউল, ওর রোযা গাছের মগডালে তুইলা রাখছে। সামান্য ব্রীজ দিলেই টলে, আর উইন্ড দিলে তো কথাই নাই। দেঁতো হাসি

আছিলাম আরকি! উড়ালের উপর ছিলাম। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

কীর্তিনাশা এর ছবি

আমি বহুত চিন্তাইতাসি -

আমগো ধুগো খাড়াইছিল কার পিছে? চিন্তিত

তয় এইটা একটা পুরা খাইষ্টা গল্প হইছে। এইজন্য ধুগো ভাইরে খাইষ্টা পাঁচতারা দেওয়া হইলো। গড়াগড়ি দিয়া হাসি

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

-------------------------------
আকালের স্রোতে ভেসে চলি নিশাচর।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- চিন্তাইয়া লাভ নাই নাশ ভাই। আমি হাসিনার পিছন পর্যন্ত যাওয়ার চান্সই পাই নাই। তার আগেই শ্যামল তার ঐতিহাসিক স্পীচ দিয়া দিছে আর জনগণ শুইয়া গড়াগড়ি দেওয়া শুরু করছে। এরপরে আর খেলা চলে নাই। মন খারাপ

এইটা খাইষ্টা গল্প না বস, এইটা আমার ছেলেবেলার কাহিনী।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

সবজান্তা এর ছবি

উহুলালা আন্টিকে খেলায় না নেওয়ায় তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।


অলমিতি বিস্তারেণ

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আমিও তেব্র পেত্তিবাদ জানাচ্ছি। তিনি কেনো কঁচিকাঁচার সঙ্গে না এসে খালি খোকন ভাইয়ের সঙ্গে ভুজুরভাজুর করতেন! মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

দৃশা এর ছবি

পোলাডা/দামড়াডা ছুটুবেলা থেইকাই খাটাশ যা বুঝা গেল।
আজ থেইকা ধইরা নিলাম তিরিশ বছর আগে যখন ধুগো জন্মাইছিল তখনের ঘটনা চিন্তা কইরা দেখলে দেখা যাইব আন্টি আছাড়ি বিছারি দিয়া কাঁনতাছে আর কইতাছে "আল্ট্রাসনোগ্রামে তো দেখাইছিল আমার একটা পোলা হইব...তাইলে খাটাশ হইল কেমনে?"
--------------------------------
দুঃখ তোমায় দিলেম ছুটি...
বুক পাঁজর আজ ফাঁকা।
দুঃখ বিদায় নিলেও সেথায়...
দুঃখের ছবি আঁকা।

দৃশা

ধুসর গোধূলি এর ছবি
তানবীরা এর ছবি

দৃশা, আপনি ছাড়া কোন মেয়ে এই পোষ্টে মন্তব্য রাখে নাই ঃ-}

তানবীরা
---------------------------------------------------------
চাই না কিছুই কিন্তু পেলে ভালো লাগে

*******************************************
পদে পদে ভুলভ্রান্তি অথচ জীবন তারচেয়ে বড় ঢের ঢের বড়

ধুসর গোধূলি এর ছবি
জ্বিনের বাদশা এর ছবি

ভাগ্যিস এই পোস্টটাও ইফতারের পরই পড়লাম চোখ টিপি
(কেমনে কেমনে জানি দৃশার পোস্টেও একই কমেন্ট করা লাগল, কিন্তু অর্থ পুরা আলাদা মন খারাপ)
========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

========================
যার ঘড়ি সে তৈয়ার করে,ঘড়ির ভিতর লুকাইছে

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- ইফতারের পরে পড়লে কোনো কেরামতি নাই। বরং আগে পড়লে বুঝতাম আপনের রোযা পোক্তা আছে! চোখ টিপি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

আলমগীর এর ছবি

বহুত (বদ)চিন্তা করে আপনার জন্য একটা লিংক দিলাম। আগে দেইখা থাকলে, দুঃখিত। (দেখতে হলে লগইন করতে হবে।)

ভূঁতের বাচ্চা এর ছবি

আলমগীর ভাইয়া, আসলে এই ফালতু ভিডিওটা না দিলেও পারতেন। যেই লোক এই কামডা করছিল সেই আছিল মহা হারামি; ধুগো দাদার সাঙ্গোপাঙ্গরা সব ছিল পুংটা, দুইটার মইদ্যে পার্থক্য আছে ভাই।

দৃশা আর তানবীরা আপু দু'জনকেই কি সাহসীকন্যা উপাধিতে ভূষিত করা হবে নাকি চিন্তা করছি !!!

--------------------------------------------------------

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হ।
এই রোযা রমযানের দিনে আলমগীর ভাই আমারে দিয়া অযু করানোর ধান্দায় আছে বুঝছি! আমি ভালো হৈয়া যাই এইটা দুষ্টু জনগণ চায় না। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

মাহবুব লীলেন এর ছবি

ভাইজান খুবই সমৃদ্ধ ইতিহাসের মালিক
কাহিনী না জানলেও অনুমান করা যায়

ধুসর গোধূলি এর ছবি
সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

আমি তো গাবতলী বাস টার্মিনালের পিছের এলাকায় বড় হওয়া পোলা... তো আশির দশকের শুরুতে দেশের অলিতে গলিতে কিন্ডারগার্টেন নামক ইশকুল দাঁড়াইলো... আমগো এলাকাতেও খুললো একটা।
আমাদের মধ্যবিত্ত বাবা মা'রা আমাদেরকে সরকারী প্রাইমারি স্কুল থেকা উঠায়া সেখানে ভর্তি করলো... আর নার্সারী কেজিওয়ান এইসব তরিকা বুঝতে না পাইরা শুরুতেই আমার দুই বছর লস হয়া গেলো। তবে আমার চেয়ে আরো বেশি লস হইলো মমিনের। (নব্বই দশকের মাঝামাঝি আসতেই সে ফেন্সিডিল খায়া শহীদ হইছে)। সে আমাদের ক্লাশে পড়লেও আমাদের চেয়ে বছর কয়েকের বড় ছিলো। এবং সে ইতোমধ্যেই গাবতলী টার্মিনালের চিপাচুপায় যায়া অভ্যস্ত ছিলো। তার বদৌলতেই আমরা থ্রি পাশ করার আগে সিগারেট... ফাইভ পাশ করার আগে রসময় গুপ্ত এমনকি প্লেবয় কার্ডও (ঐ আমলে আমরা চাইরশ টাকা চান্দা তুইলা কিনছিলাম ছয়পিস কার্ড) দেখা শেষ।

তো সেই মোমিন একদিন আমাদেরকে শিখাইলো এইরম একটা খেলা... আরেকজনরে কোলে নিয়া ঠেলাঠেলি করলে নাকি একটা খেলা হয়... আমরাও না বুইজ্যা সেই খেলা বহুতদিন খেলছিলাম... কিন্তু কেউ এইরম ঐতিহাসিক বানী দিতে পারে নাই।
আমরা হালায় বেকুব আছিলাম।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনে মিয়া বেকুবই তো! আমার মতোন রত্ন থুইয়া কিনা আপনে শ্যালিকা ট্রেডিং করেন ঐ হাবশী হিমুর লগে।

আপনের উপরে ঠাডা পড়বো ঠাডা।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

ভাগ্য ভালো খাটে শুয়ে শুয়ে পড়তেসিলাম, চেয়ারে থাকলে শিওর উল্টায়া পড়তাম! দেঁতো হাসি

বস, আপনে আসলেই গুরু! গুরু গুরু

ওই আমল থেকেই যা করসেন! তয় উহুলালা আন্টিরে তাড়াতাড়ি আনেন! না হইলে কিন্তুক আড়ি! মন খারাপ

লেখাটা অতিমাত্রায় মজার হইসে। ইচ্ছা করতেসে আপনার দোস্ত শ্যামল বা তার ভইন হাসিনা'রে আপনের এই লেখার লিংকটা পাঠাই চোখ টিপি

কেউ কিছু মনে না নিলে একটা ব্যাড জোক মারি, আপনার লেখা পইড়া খালি শেখ হাসিনার কথা মনে হইতেসে, যেন সে-ও একই ঘটনার শিকার! হো হো হো
_________________________________________
বিষন্নতা ছোঁয় আমায় মাঝে মাঝেই, কখনো কি ছোঁয় না তোমায়?

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনেরে যে কী কমু বিডিআর ভাই, নামের পিছে না পইড়া ঘটনার পিছে পড়েন মিয়া। হাসি

আমার সেই দিনের বন্ধু গুলা আসলেই মহাপুরুষ। কোনো হালায়ই মনেহয় সচলায়তন বা কোনো ব্লগ পড়ে না। পড়লে ভালো হইতো! চোখ টিপি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

শিক্ষানবিস এর ছবি

বহুদ্দিন এইরম মজা পাই নাই। আল্লাহ আপনেরে হায়াত দারাজ করুক।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- শুক্রিয়া বস।
আল্লায় আপনেরেও হায়াত দারাজ করুক যাতে কইরা আপনে আমার লেখায় আরো মজা পাইতে পারেন। দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

কনফুসিয়াস এর ছবি

আপনে মিয়া পুরাই চিজ। কিসব লেখেন!
-----------------------------------
... করি বাংলায় চিৎকার ...

-----------------------------------
বই,আর্ট, নানা কিছু এবং বইদ্বীপ

ধুসর গোধূলি এর ছবি
তারেক এর ছবি

সুবহানাল্লাহ!
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে

_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে

দ্রোহী এর ছবি

ধু.গো. তুই যা'গা...........................


কী ব্লগার? ডরাইলা?

অতিথি লেখক এর ছবি

ধু.গো. তুই যা'গা...........................

লেখা আর সব মন্তব্য পড়ার পর দ্রোহী ভাইয়ের এহেন বচনে আমি হাসতে হাসতে চেয়ার থেইকা পইড়া গেছি.... হো হো হো

কল্পনা আক্তার

..............................................................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- হ।
হাসতে থাকেন। গরীবের কষ্টে হাসেন, এই রোযা মাইয়া দিনে আল্লায় তো দেখতাছে সবই। মন খারাপ
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

পরিবর্তনশীল এর ছবি

গুরু! সত্যি কথা এত আনন্দ অনেকদিন পাই নাই। আইজক্যা ইফতারি প্ররযন্ত হাসুম। তয় মনডা একটু নস্টালজিক হইয়া গ্যাসে।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- যাক, রোযা রমযানের দিনে গরীবের মুখে অন্ন না যোগাইতে পারলেও হাসি ফুটাইতে পারছি, এইটাই কম কী গুরু কন! হাসি

ইয়া হাবিবি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

স্বপ্নাহত এর ছবি

গুরুর কাছ থিকা ম্যালা কিসু শিখতাসি দেঁতো হাসি

---------------------------------

বিষণ্ণতা, তোমার হাতটা একটু ধরি?

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি

নাউযুবিল্লাহ !

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন

...........................

একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা

আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি

হায়!

keeron এর ছবি

haga !

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

গড়াগড়ি দিয়া হাসি

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।