সচলায়তনে কপিরাইটেড সঙ্গীত বা অন্যান্য জিনিস পোস্ট করা কঠোরভাবে নিরুৎসাহীত করা হয়। কিন্তু কোন কপিরাইটেড জিনিস আপনি অন্য কোথাও আপলোড করে দিতে পারেন। যেহেতু কপিরাইটেড সঙ্গীত বা এমপিথ্রী সচলায়তনে হোস্ট করা হচ্ছে না, তাই সচলায়তন এতে আপত্তি জানাতে পারে না।
ই-স্নিপস হচ্ছে ফাইল হোস্টিংয়ের একটি জনপ্রিয় সাইট। এখানে রেজিষ্ট্রেশন করা মাত্র পাঁচ গিগাবাইট জায়গা আপনার নামে বরাদ্দ করা হয়। আপনি এখানে ফাইল তুলে দিলে বা অন্য কেউ কোন এমপিথ্রী তুলে দিলে সেটা সচলায়তনে সহজেই পোস্ট করতে পারেন।
মনে করুন আমি ই-স্নিপসে গিয়ে hotasha নামে সার্চ দিলাম। তারপর এই লিংকটি খুঁজে পেতে ক্লীক করলাম। এখন এই গানটি আমি সচলায়তনে পোস্ট করতে চাই। তাহলে নীচের পদ্ধতি অনুসরন করুন:
কপি করা কোডটুকু আসলে ঐ গানের একটি বিশেষ লিংক। এটাকে ব্লগ পোস্টে, বই পোস্টে বা মন্তব্যের ঘরে পেস্ট করে দিতে পারেন। এতেই কাজ হবে। যেহেতু ফাইল ইতিমধ্যে ই-স্নিপসে আপলোড হয়ে আছে তাই এটাকে সচলায়তনে আর আপলোড করতে হবে না। অর্থাৎ সচলায়তনে নতুন কোন অডিও প্রকাশ করতে হবে না কিংবা ফাইল হিসেবে সংযুক্ত করতে হবে না। শুধুমাত্র কোডটুকু ব্লগের যেখানটায় টাইপ করেন সেখানটায় পেস্ট করে দিতে হবে।
এছাড়া অন্য যেকোন ফাইল হোস্টিং সার্ভিসের অনুরূপ সুবিধা ব্যবহার করে গান পোস্ট করতে পারেন।
ইউবিটিউবে যে ভিডিও সচলায়তনে এমবেড করতে চান সেটা ওপেন করুন। সেখানে ভিডিও স্কৃনের ডানদিকে Embed ঘর থেকে পুরো টেক্সটটা কপি করুন। তারপর লেখার যে জায়গায় ভিডিও দিতে চান সেখানে পেস্ট করলে ইউটিউবের একটা প্লেয়ার উইন্ডো আসবে।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
সচলায়তন সীমিত আকারে এইচটিএমএল ফরম্যাটিং সার্পোট করে। সেই সুবিধাটুকু ব্যবহার করে ওয়ার্ড বা অন্য প্রোগ্রামে লেখা ডকুমেন্ট এখানে পোস্ট করতে পারবেন।
প্রথমে শিওর হয়ে নিন যে আপনার লেখা ডকুমেন্টটি ইউনিকোডে পরিবর্তীত করা আছে। এজন্য অভ্র কনভার্টার ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া এই পোস্টটিও দেখুন।
ইউনিকোড করা হয়ে গেলে এবার আপনার লেখাটিকে এইচটিএমএল করতে হবে।
এছাড়া কম্পিউটারে ইনস্টল করা কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চাইলে -
এই পদ্ধতিটার সমস্যা হলো আপনার কাছে এই সফটওয়্যার গুলির একটা ইনস্টল করা থাকতে হবে।
মনে রাখবেন ছবি দেয়ার পদ্ধতি দুইটা।
(ক) অন্য ওয়েবসাইটের ছবি
১। উপরে "ছবি" বাটনে ক্লিক করুন।
২। অন্য ওয়েবসাইটের ছবির ঠিকানা পেস্ট করুন।
৩। ওকে ক্লিক করুন।
(খ) আপনার কম্পিউটারের ছবি
ভিডিও টিউটোরিয়াল ডাউনলোড করুন এখান থেকে (প্রায় ৩ মেগাবাইট)।
১। লেখার নীচে ছবি জুড়ে দেবার আইকনে ক্লিক করুন।
২। একটি নতুন উইন্ডো আসবে। সেখানে আপনার আগে লোড করা ছবি থাকলে সেটা ব্যবহার করতে পারেন।
৩। নতুন ছবি আপলোড করতে ক্লিক করুন "আপলোড" বাটন। ছবি ব্রাউজ করে সিলেক্ট করে ফেলুন। ছবির একটা শিরোনাম (বাধ্যতামূলক) দিন। নীচে ছবি সর্ম্পকে কোন বর্ণনা যুক্ত করতে চাইলে তাও করতে পারেন। তারপর সেটা সংরক্ষন করুন।
৪। এবার যে পেজে ফিরে আসবেন সেখানে ছবির উপর ক্লিক বা ইনসার্ট ক্লিক করুন।
এরপর আপনি ফিরে আসবেন আপনার লেখায়। ও হ্যাঁ ছবির সাইজ ৫০০ কিলোবাইটের এর কম হওয়া প্রয়োজন। ব্যস।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
লেখার কোন অংশ কোন এক দিকে এ্যালাইনড দেখতে চাইলে বিবিকোড [left] [right] [center] ব্যবহার করতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
এটা কাজে লাগে যখন কোন কিছু বুলেট বা পয়েন্ট আকারে লিখবেন তখন । [list] ট্যাগ দিয়ে একাজটি করতে পারবেন ।
ফর্দ
[list]
[*] পানি
[*] মুরগী
[*] হাবিজাবী খাবার জিনিস । চিপস বাদাম এইসব ।
[/list]
এটা দেখাবে এরকম,
ফর্দ
সংখ্যা ভিত্তিক লিস্ট করতে [list=1] এবং অক্ষরভিত্তিক লিস্ট করতে [list=a] ব্যবহার করুন।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
যে অংশটুকু বোল্ড করতে চান সে অংশটার আগে [b] এবং পরে [/b] লিখতে হবে। একইভাবে ইটালিকের জন্য [i] এবং [/i], আন্ডারলাইনের জন্য [u] এবং [/u] এর মাঝে লেখা ঢুকিয়ে দিন।
এবার আসি একের অধিক ইফেক্ট অর্থাৎ বোল্ড ইটালিক একসঙ্গে করা নিয়ে । এক্ষেত্রে সবগুলো ট্যাগ একসাথে লিখতে হবে ।
যেমন:
রঙপুকুরের নাম কেন [b]রঙপুকুর [/b] হলো ।
দেখাবে, রঙপুকুরের নাম কেন রঙপুকুর হলো ।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
লিংক দেয়ার অটোম্যাটিক পদ্ধতি হচ্ছে লেখার টেকস্টবক্সটার উপরে লিংক বাটনে ক্লিক করা এবং সেখানে লিংকটি পেস্ট করে দেয়া। তবে কোনলেখার উপরে লিংক দিতে গেলে বাটন ক্লিক করার আগে লেখাটিকে সিলেক্ট করে নিন।
ম্যানুয়্যালি লিংক দিতে চাইলে যে লেখাটির উপর লিংক দিতে চান সেটার দুপাশে এইভাবে লিখুন: [url=এইখানে লিংকটি দিন]গুগলে যেতে ক্লিক করুন[/url]। তাহলে গুগলে যেতে ক্লিক করুন লেখাটি একটি ক্লিকেবল লিংক হয়ে যাবে।
উদাহরন স্বরূপ
[url=www.google.com]গুগলে যেতে ক্লিক করুন[/url] লিখলে সেটা দেখাবে: গুগলে যেতে ক্লিক করুন
ম্যানুয়াল এই পদ্ধতি না ব্যবহার করে যদি অটোমেটিক বাটন ব্যবহার করতে চানা তাহলে প্রথমে লিখুন গুগলে যেতে ক্লিক করুন, তারপর লেখাটি সিলেক্ট করুন, লিংক বাটন ক্লিক করুন এবং পপআপ বাক্সে লিংক হিসেব টাইপ করুন www.google.com।
লেখা রঙিন করার জন্য বিবিকোড [color=রঙের ইংরেজী নাম] ব্যবহার করতে হবে। যে অংশটুকুতে ইফেক্ট যোগ করতে চান সে অংশটার আগে [color=রঙের ইংরেজী নাম] এবং পরে [/color] লিখতে হবে। তবে এখানে ফন্টের যে রঙ দেখতে চান লিখতে হবে প্রথম [color] এর সাথে।
রঙের ইংরেজী নাম এর জায়গায় লিখতে পারেন red, blue, yellow, pink ইত্যাদি। ইচ্ছে করলে হেক্সাডেসিমেল কোডও লিখতে পারেন (যেমন #F0F8FF, #FFF8DC)। যে যেটা সুবিধা মনে করেন। পছন্দমতো রঙের নাম/হেক্সা কোড এ সাইটে পাবেন ।
যেমন:
রঙপুকুরের নাম কেন [color=red] রঙপুকুর [/color] হলো।
দেখাবে, রঙপুকুরের নাম কেন রঙপুকুর হলো।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
লেখার আকার পরিবর্তন করার জন্য [size] ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে । যে অংশটুকু বড়/ছোট করতে চান সেঅংশটার আগে [size=ইংরেজী সংখ্যা] এবং পরে [/size] লিখতে হবে।
যেমন:
রঙপুকুরের নাম কেন [size=20] রঙপুকুর [/size] হলো ।
দেখাবে, রঙপুকুরের নাম কেন রঙপুকুর হলো ।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
| :)) :-)) (হোহোহো) | |
| ;) ;-) (চোখটিপি) | |
| :( :-( (মনখারাপ) (দুঃখ) | |
| :D :-D (দেঁতোহাসি) | |
| ):) >:) (শয়তানীহাসি) | |
| :O :o :-O :-o (অ্যাঁ) (অবাককান্ড) | |
| 8) 8-) (চাল্লু) | |
| $) $-) (লইজ্জা) | |
| =DX =dx (হাততালি) (তালিয়া) | |
| :) :-) (হাসি) | |
| =(( (ওঁয়াওঁয়া) | |
| :S :s :-S :-s (ইয়ে) (বিব্রত) | |
| X( x( X-( x-( (রেগেটং) | |
| :-? (চিন্তিত) | |
| (Y) (y) (চলুক) | |
| (N) (n) (অফ যা) | |
| :p :P :-p :-P (খাইছে) | |
| =)) ROFLMAO ROFL (গড়াগড়িহাসি) | |
| (গুলি) | |
| (মোম) | |
| (ছাগু) | |
| জাঝা | |
| (ম্যাঁও) (বেড়াল) | |
| ^:)^ ^:-)^ (গুরু) | |
| (কোলাকুলি) | |
| (বিপ্লব) |