নীড়পাতা | সন্দেশ | লিংকস | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

প্রবাস থেকে ০১৬ ...


লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ০৬:৪৮)
ক্যাটেগরী:

১...

২০০৩ এর শুরুতে আইইউটিতে ভর্তি হওয়ার কয়েক মাস পরের কথা ...

গাজীপুরের হাড় কাঁপানো ঠান্ডা ততদিনে গায়েব ... সকাল সকাল ক্লাস করতে যাওয়ার মত তেল উধাও ... বহু চেষ্টা করেও চেহারাতে ইউনিভার্সিটির ছাত্র সুলভ গাম্ভীর্য আনা যাচ্ছে না (লোকাল বাসে অবলীলায় মেয়েরা তুমি করে বলে বসে) ... আইইউটি ক্যাফেটেরিয়ার রাজকীয় পোলাও-কোর্মা আর ভাল লাগে না ... টিভিরুমে বিপাশা বসুর "যাদু হ্যায় নেশা হ্যায়" দেখে আর ভীড় জমে না ... গেটের পাশের শায়লা ভিডিওতে আর নতুন কোন কালেকশন পাওয়া যায় না ... জীবনে কি আর প্রেম বলে কিছু আসবে না জাতীয় হাহাকারও কমে আসে (একদল ততদিনে রেগুলার সেজেগুজে ঢাকা যাওয়ার বন্দোবস্ত করে ফেলেছে, আরেকদল বুঝে গিয়েছে জীবন বৃথা, আর আশা নাই ...)

তো সেইসময় একদিন পাশের রুমের গান্ধা প্যালেস্টাইনি নাজ্জার ছোটখাট এক পোলারে নিয়ে হাজির, দরজায় নক করেই প্রথম প্রশ্ন, তোমরা কি ল্যানে ঢুকতে চাও?

ল্যান কি তাতে কেম্নে ঢুকে আর পাশে দাড়ানো এই গোবেচারা ছেলেটাই বা কে বুঝতে একটু সময় লাগলো ... জানা গেলে ল্যান হচ্ছে কম্পিউটারের একটা নেটওয়ার্ক, তাতে কানেক্ট থাকলে একজন আরেকজনের পিসিতে ঢুকে জিনিসপত্র দেখা যায় (সেই সাথে নিশ্চয়তা পাওয়া গেল শুধু আমি যা দেখতে দিব তাই দেখা যাবে, কেউ গোপনে আমার ঐশ্বর্যে হাত দিতে পারবে না) ... আইইউটিতে অলরেডি এমন ছোটছোট দুই একটা নেটওয়ার্ক আছে ... নাজ্জার আর তার পাশে বসে থাকা গোবেচারা সোহাগ ভাই চাচ্ছে সেগুলি জোড়া দিয়ে একটা বড় নেটওয়ার্ক বানাতে (তখনি জানা গেল সোহাগ ভাই সেকেন্ড ইয়ার মেকানিক্যালের স্টুডেন্ট, আইইউটির তখনকার কম্পু গুরু, সব কম্পু গুরুগুলিই ইলেক্ট্রিকাল-মেকানিক্যাল থেকে আসে কেন আমি এখনো বুঝি না) ... আমাদেরকে ইনভলভ করার কারণ, নর্থ হল থেকে সাউথ পর্যন্ত কানেকশন আনতে অনেক তার লাগবে, সাথে সুইচ-হাব-কানেক্টর এইসব হাবিজাবি ... কাজেই যত বেশি মানুষ তত ভালো ...

আমরা বাকবাকুম করে রাজি ... ফার্স্ট ইয়ারের আরো অনেকেই ... সোহাগ ভাই গাধার খাটনি দিয়ে একমাসের মাঝেই বিশাল একটা নেটওয়ার্ক দাঁড় করে ফেল্লেন ...

তারপরে মজা ... ল্যান তখন নতুন প্রেমিকার মত ... প্রতিদিনই নতুন করে চেনা হয় ... দুয়েকদিনের মাঝেই বের হয়ে গেল অমুকের ভিডিওসংয়ের বিশাল কালেকশন ... অমুকের পিসিতে সাতাইশ গিগা মুভি ... তমুকের কাছে স্পেশাল জিনিসের স্পেশাল কালেকশন কিন্তু সে তার রেপুটেশনের কথা চিন্তা করে শেয়ার দেয় না ... ব্যাস শুরু হয় পায়ে ধরাধরি, দোস্ত "প্রোগ্রামিং টুলস" নামে শেয়ারে দে, কপি করার পরে তুলে নিস ... কেউ কেউ বুদ্ধি বের করে, ফাইলনেমের পরে ডলার সাইন দিলে সেটা আম পাব্লিক দেখতে পায় না, কিন্তু এড্রেস বারে নাম টাইপ করলে খুলে যায় ... এই পদ্ধতি জনপ্রিয় হওয়ার সাথে সাথেই এর কাউন্টার চলে আসলো, অমুক ল্যান ব্রাউজার দিয়ে সার্চ করলে হিডেন ফাইলও আর হিডেন থাকে না ... পোলাপান তখন নর্মাল ফাইল বাদ দিয়ে হিডেন ফাইল খোঁজা শুরু করে ... এর মাঝে শোনা যায়, কে জানি কার পিসিতে হ্যাক করে ঢুকে সব মুছে ফেলেছে ... এই নিয়ে বিশাল পলিটিক্স ... মজার কমতি নাই ...

যাই হোক, প্রেমিকা একটু পুরান হওয়ার পরে তার আসল উপযোগিতা বোঝা গেল ... মাল্টিপ্লেয়ার গেমস ...

শুরুটা মনে হয় এনএফএসের কোন একটা দিয়ে ... তারপরে ফিফা টুথাওজেন্ড টু ওয়ার্ল্ড কাপ পার হয়ে এজ অফ এম্পায়ার আর আনরিয়েল টুর্নামেন্টে এসে জমে গেল ...

আনরিয়েল টুর্নামেন্ট যে ল্যানে তুমুল জমবে সেটা বুঝতে আইটি স্পেশালিস্ট হওয়া লাগে না ... খুব সিম্পল রুল ... অস্ত্র টোকাও ... আর মারো ... যত জনরে মারবা তত পয়েন্ট ... হাজার রকমের অস্ত্র, হাতূড়ি থেকে রিভলভার পার হয়ে মেশিনগান রকেট লাঞ্চার সবই আছে ... যতজন ইচ্ছা ততজনে খেলা যায়, যতক্ষণ ইচ্ছা ততক্ষণ খেলা যায় ... কোন টাইমটেবিলও নাই ... গেমে ঢুকে সার্চ দাও, কোন না কোন চিপায় কোন না কোন গেম চলছে ... জয়েন করে সেখান থেকে খেলা শুরু কর ...

দেখতে দেখতে নীরিহ গোবেচারা চশমা আঁটা ছেলেগুলি দুর্দান্ত খুনিতে বদলে গেল ... সকাল বিকাল কে কার মাথা কত নিখুঁতভাবে কেটে ফেলে দিয়েছে সেইসব আলাপে লাল দালানের আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে যায় ...

এজ অফ এম্পায়ার এর তুলনায় অনেক জটিল খেলা ... অনেক বেশি ভেজাল ...

একশ রকমের প্যারামিটার মাথায় রাখতে হয় ... রিসোর্স কালেক্ট করতে হয় ... ঘরবাড়ি অস্ত্রাগার বানাতে হয় ... সৈন্য সামন্ত হাতি ঘোড়া বানাতে হয় (সেগুলি বানাতে রিসোর্স খরচ হয় বলাই বাহুল্য) ... বেইজের নিরাপত্তা বানাতে ফোর্ট বানাতে হয় ... বিপক্ষ যাতে এটাক না দিতে পারে সেজন্যে জায়গায় জায়গায় ওয়াচ টাওয়ার বানাতে হয় ... বিপক্ষের বেইজ কোথায় খুঁজে বের করে এটাক দিতে হয় ... দলের লোকজনের মোরাল বাড়াতে উপাসনালয় বানাতে হয় ... আবার রিসার্চ করার জন্য ইউনিভার্সিটিও লাগে, সেই ইউনিভার্সিটির কেমিস্ট্রি ডিপার্টমেন্ট কেমিস্ট্রি রিসার্চ শেষ না করা পর্যন্ত তীর ধনুক ছেড়ে কামান-বন্দুকে যাওয়া যায় না!

এত জটিল একটা খেলা কম্পিউটারের সাথে খেলতেই মাথা গরম হয়ে যায়, মানুষের সাথে খেলার ভেজাল কে করবে ... খেলার সব খুঁটিনাটি শিখতেই লাগে এক সপ্তা ... আয়োজন করে একসাথে শুরু করতে হয় ... আর খেলাও পুরা টেস্ট ম্যাচের মত, এক ঘন্টার আগে জমেই না ...

কিন্তু তারপরেও খেলাটা জমে গেল ... প্রথমে খেলতো শুধু ওস্তাদরা ... কঠিন সব হিসাব করতে করতে তারা খেলে ... একদিকে নেভি নিয়ে এটাক দেয় তো আরেকদিকে নিজের বেজে এটাক সামলায় ... যুদ্ধের মাঝখানেই নীরিহ খামারিদের দিয়ে জমি চাষ করায়, আর্মির রেশন তো ঠিক রাখতে হবে ... সৈন্যদলের পিছে পিছে দৌড়ায় পেটমোটা পীর-ফকিররা ... এজ অফ এম্পায়ারের সৈন্যদল আমাদের মহান সেনাবাহিনীর মতই ধার্মিক, ডাক্তারের চেয়ে পীরের চিকিৎসায় তাদের আস্থা বেশি ...

ওস্তাদদের দেখাদেখি কদিন পরে তাদের সাগরেদরাও খেলা শুরু করে ... আইইউটিতে কয়েকটা লীগ চালু হয়ে যায় ... বাঘা বাঘা প্লেয়াররা চ্যাম্পিয়ন্স লীগ খেলে, তাদের খেলা দেখে টীপস নিয়ে খেলতে বলে নভিস লীগের প্লেয়াররা ... আর আমার মত বাচ্চারা নিজের কম্পিউটারে পিসির সাথে খেলে খেলে নেট প্র্যাক্টিস করে, নভিস লীগে নাম লেখানোর আশায় ...

এওসি খেলতে গিয়ে প্রথম টের পেলাম, মানুষের সৃজনশীলতার আসলে কোন তুলনা নাই ... এত জটিল একটা গেম ডিজাইন করাটাই সৃজনশীলতার পরাকাষ্ঠা, কিন্তু ওস্তাদ গেমাররা সেটাকেও ছেলেখেলা বানিয়ে ফেলে ... কম্পিউটার এত নিখুঁত এটাক দেয়, তাও মানুষের সাথে পারা সাধ্য নাই তার ... কারণ কম্পিউটারের এটাক নিখুঁত হলেও প্রেডিক্টেবল, একদিক দিয়েই ঢলের মত সৈন্য পাঠায়, আরেকদিকে কি হল খবরও থাকে না ... কিন্তু মানুষ যে কিভাবে কি করবে সেটা মনে হয় তার নিজেরো জানা থাকে না সবসময় ...

এই খেলা থেকেই জানলাম, এটাক ইজ দ্য বেস্ট ডিফেন্স ... আগে এটাক দেও, তোমার জেতার চান্স বাড়বে ... সৈন্য বানানো হয় নাই, তাতে কি, কয়টা ঘোড়া নিয়ে বিপক্ষের কিছু নীরিহ খেতমজুর মেরে আসো, প্রোডাকশন বন্ধ হয়ে যাবে ... নিজের বেজ থেকে এটাক করতে দেরি হয়ে যায়? সমস্যা নাই, চুপি চুপি বিপক্ষের বেজের পিছনে একটা ক্যান্টন্মেন্ট বানিয়ে ফেল, নিজের বাড়িতে আঁচও লাগবে না ... একদিক দিয়ে বিশাল এটাক করেও সুবিধা করা যাচ্ছে না? পিছন দিয়ে পাঁচ সাতটা সৈন্য পাঠিয়ে দাও বিপক্ষকে এদিকে ব্যস্ত রেখে ... বখতিয়ার খলজির মত ঐ পাঁচটা তীরন্দাজই যুদ্ধ জিতে চলে আসবে ...

সেসব একটা দিন ছিল ... সারাটা দুপুর সারাটা বিকাল পার হয়ে যেত মনিটরের দিকে চোখ আর মাউসের উপর হাত রেখে ... খোলা দরজার সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় কানে আসতো আর্ত চিৎকার, "ঐ আমারে কিছু এস্টোন (আসলে স্টোন, মানে পাথর, সাড়ে ছ্য়শো স্টোন না থাকলে ক্যাসল তোলা যায় না) দে ...", কিংবা "ঐ আরজু হারামি আমারে এটাক দিছে, কিছু সৈন্য পাঠা", অথবা "ইয়েসসসসসসস, ক্যাসেল ফালায়ে দিছি", কিংবা "আয় হায়, প্যালাদিন বানায়ে ফেলেছে ..."

২ ...

আজকে সারাদিন খুব আগের মত এজ অফ এম্পায়ার খেলতে ইচ্ছা করছে ...

[ইউটিউবে গেমটার স্টার্টিং ভিডিওটা পাওয়া গেল, যারা কখনো খেলেননি তারা ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন, মধ্যযুগের যুদ্ধ নিয়ে দারূণ একটা ভিডিও, গেমটা কেমন সেটাও বুঝতে সাহায্য করবে ...]



গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ০৬:৪৮)
উদ্ধৃতি | কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ব্লগ | ১৬টি মন্তব্য | ২৬৮বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, কিংকর্তব্যবিমূঢ়. Sachalayatan.com can not be held responsible.

রাতুল এর ছবি
১ | রাতুল (যাচাই করা হয়নি) | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১১:৩১

মুনি ---ফাহিম


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৩৬

ঠিক্কইছোস ... moony নিকটা তখনি নিছিলাম দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
২ | অতন্দ্র প্রহরী | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১১:৪২

থ্যাংকস ফাহিম, পুরনো দিনগুলোর কিছুটা স্মৃতি এত বাস্তবরূপে ফিরিয়ে আনার জন্য। আইইউটি ছাড়ার পর অনেকবারই বন্ধুদের আমি বলেছি যে, যে জিনিসগুলো খুব বেশি মিস করি আমি, তার একটি হল ল্যান! অসম্ভবরকম মিস করি। আরো মিস করি আনরিয়েল টুর্নামেন্ট আর এওসি (যদিও আমি ছিলাম তুলনামূলকভাবে আরো বেশি নভিস)। মাঝে মাঝে খুব খুব ইচ্ছা করে সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে, অন্তত একটিবারের জন্য!


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
২.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৩৮

হি হি ... তুমি আর আমি মোটামুটি এক লেভেলেরই প্লেয়ার ছিলাম ...

আমি ফিফাও খেলতাম, একটা গেঞ্জি পাইছিলাম ফিফা খেইলা ... এখনো আছে গেঞ্জিটা দেঁতো হাসি

আইইউটি ছাড়ার পর আর গেম খেলা হয় নাই ... মিস করি ইয়ে, মানে...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


লুৎফুল আরেফীন এর ছবি
৩ | লুৎফুল আরেফীন | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১৩:০৮

কঠিন লেখা অনেকদিন পরে!
আমি তো এখনও খেলি।
শেষ করা কমান্ডোস গেইমটা আবারও শেষ করলাম। বউকে ঐ গেমের নেশাাটা ধরিয়ে দিয়েছি, ফলে সেও আমার পাশে বসে টিপস দেয়।

আপনার পুরো লেখার মোরালটা অনেক আগেই মনকে নাড়া দিল - মানুষের বুদ্ধিমত্তার যৌক্তিক প্রশংসা! কম্পু সে যতোই আগাক ওকে আসলে সামনে থেকে নাকে দড়ি দিয়ে মানুষই টানছে! কি বলেন?
আপনাকে বিপ্লব

___________________________
বুড়োরা সবাই সমস্বরে বললো, "নবজন্ম", আমি চাইলাম "একটা রিওয়াইন্ড বাটন"


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৩.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৪৩

থ্যাংক্স বস হাসি

কমান্ডোস তো বেশি জোস ... আমার খেলা সর্বকালের সেরা গেইম ... বিহাইন্ড দ্য এনিমি লাইন, বিয়ন্ড দ্য কল অফ ডিউটি, ডেস্টিনেশন বার্লিন - তিনটাই অসাধারণ (ম্যান অফ কারেজটা ভাল্লাগে নাই, কষ্টে খালি একবার শেষ করছি ...)

ডেস্পারেডোস খেলছেন? কমান্ডোস ফর্মূলারই গেম, এমনকি এই গেমটার বিরূদ্ধে কমান্ডোস থেকে আইডিয়া মারার অভিযোগ আসছিল, কিন্তু তারপরেও গেমটা অসাধারণ, কমান্ডোস ফ্যানদের ভালো লাগতে বাধ্য ...

উদ্ধৃতি
আপনার পুরো লেখার মোরালটা অনেক আগেই মনকে নাড়া দিল - মানুষের বুদ্ধিমত্তার যৌক্তিক প্রশংসা! কম্পু সে যতোই আগাক ওকে আসলে সামনে থেকে নাকে দড়ি দিয়ে মানুষই টানছে!

ঠিক কথা ... এই জন্যই একবার মাল্টিপ্লেয়ার গেম খেললে আর একা একা খেলতে ভালো লাগে না ... মানুষের তুলনা নাই আসলে দেঁতো হাসি ...

এই কারণেই আমি হল ছাড়ার পর আর গেম খেলতে পারি না ... সেই স্বাদ আর পাওয়া যায় না ইয়ে, মানে...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
৪ | আনোয়ার সাদাত শিমুল | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১৪:১৯

দেঁতো হাসি


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৪.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৪৪

দেঁতো হাসি দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


রায়হান আবীর এর ছবি
৫ | রায়হান আবীর | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১৪:২৩

রুমমেটরে সারাদিন পিসির সামনে পড়ে থাকতে দেখে ভয়েতে আমি এওসি শিখিনাই...আমি খেলতাম ফিফা। তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে যায়।

এখন অবশ্য মূলধারায় প্রবেশ করছি। আইইউটিতে এই জমানায় সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা CS (কাউন্টার স্ট্রাইক ওরফে ক্যারিয়ার শেষ)। আগে খালি সচলে বসে থাকতাম। এখন সিএস টাও মিনিমাইজ করা থাকে। ইচ্ছা করলেই ঢুকে পড়ে গোলাগুলি শুরু করে দেই। বেশি জোশ গেম।

---------------------------------
জ্ঞানীরা ভাবলেন খুব নাস্তানাবুদ করে ছাড়া গেছে...আআআহ...কি আরাম। বিশাল মাঠের একটি তৃণের সাথে লড়াই করে জিতে গেলেন।

ছোট্ট তৃণের জন্য অপরিসীম ঘৃণা।


১০

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৫.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৪৭

আমিও খুব ফিফা খেলতাম ... আমাদের সময় ফিফা টু থাওজেন্ড টু ওয়ার্ল্ডকাপ ভার্সনটা খুব চলতো ... আমরা সারাদিন খেলতাম (ঐটায় গোল দেয়া তুলনামূলক সহজ ছিল, চারমিনিটের খেলায় পাঁচ-সাতটা গোল দেয়া যাইটো, চরম মজা) ... গেম কম্পিটিশনে ফিফাতে রানার্সাপ ছিলাম দেঁতো হাসি (চামে একটু ঢোল বাজাইলাম) ...

সিএস খেলি নাই ... ইউটি টাইপই মনে হচ্ছে দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১১

অতিথি লেখক এর ছবি
৬ | অতিথি লেখক | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১৮:৩০

থ্যাঙ্কস বস। আমিও যে কতদিন গেম খেলি না......স্মৃতিগুলো মনে করিয়ে দেবার জন্য ধন্যবাদ।আজ থেকে আবার আমি শুরু করবো। আবার রেড অ্যালার্ট টু।

অনিমেষ


১২

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৬.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৪৭

দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৩

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৭ | পরিবর্তনশীল | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ১৮:৫৬

এজ অফ এম্পায়ার।.।.।.আনরিয়েল টুর্নামেণ্ট কিংবা সিএস কোনটা জীবনে একবারের জন্যও খেইলা দেখি নাই। আগে ফিফা খেলতাম এখন সেটাও ছাইড়া দিছি।
তবে ল্যানের মত বস জিনিস পৃথিবীতে আর কিছু নাই! দেঁতো হাসি
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


১৪

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৭.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৪৮

উদ্ধৃতি
তবে ল্যানের মত বস জিনিস পৃথিবীতে আর কিছু নাই! দেঁতো হাসি

আছে ... এভারেজ ৩০০-৪০০ কেবিপিএসের আনলিমিটেড ডাউনলোড নেটের লাইন দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৫

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৮ | ধুসর গোধূলি | মঙ্গল, ২০০৮-০৪-২২ ২২:২৬

- কয়েকবার ট্রাই দিছিলাম, ধৈর্য্যে না কুলাতে পেরে আর হয়ে উঠেনি।
আপনার লেখা পড়ে মনে হয় কিছু একটা হোলেও মিস করে ফেলছি জীবনে। মন খারাপ
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>


১৬

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৮.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বুধ, ২০০৮-০৪-২৩ ০৩:৪৯

অবশ্যই মিস করছেন দেঁতো হাসি

আছেন কেমন?
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
ফায়ারফক্সান » কেন?

লগইন করুন