| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
১ ...
আজ (মে ১০, ২০০৮) সকাল থেকেই দেশ দেশ আবহাওয়া ... মানে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, শোঁ শোঁ বাতাস, সারাদিনেও সূর্যের দেখা নাই, আর কনকনে শীত শীত ভাব ... দেশে থাকতে এমন দিনগুলিতে বেছে বেছে আমার শরীর খারাপ করতো, অফিসে বসের কাছে মেসেজ যেতো "বস কালকে রাত থেকে জ্বর আসছে, আজকে না আসি?" ... আমার বসভাগ্য আসলেই খুব ভালো ছিল, তৌফিক ভাই বা শীমাম ভাই আসল ঘটনা টের পেতেন কিনা জানি না কিন্তু এইটাইপ বাং মেরে কখনোই কোন ভেজালে পড়তে হয় নাই ...
এখন যেহেতু অফিস নাই আর তার উপর আজকে উইকেন্ড, ক্যাম্পাসে যাওয়ার ভদ্রতাটুকুও করতে হবে না কাজেই দেশের অভ্যাসের পুনরাবৃত্তি করতে সমস্যা কোথায় ... একটু পর পর ঘুম ভাঙ্গে আর আমি কনকনা শীত উপভোগ করতে করতে কম্বলমুড়ি দিয়ে পাশ ফিরে শোই ... এই করতে করতে যখন দুপুর গড়িয়ে বিকাল হয়ে আসে তখন ফাইনালি চোখ খুলে পেটের উপর ল্যাপটপ রেখে মেইল চেক করতে শুরু করি ... কে কে আমাকে ইয়াদ করলো দেখা দরকার ...
যতবার আমি শুয়ে শুয়ে পেটের উপরে ল্যাপটপ রেখে কাজ করি ততবার আমার একটা কথা মনে পড়ে আর হাসি পায় ... অনেক অনেক আগে, যখন বাসায় ডেস্কটপ ছিল না আর ডেস্কটপ হওয়ার কোন সম্ভাবনাও ছিল না (আমার শ্রদ্ধেয় পিতাজী যাবতীয় রকম লেখাপড়া-বিনাশী জিনিসের তীব্র বিরোধী, সেই সূত্রে গল্পের বই, টিভি গেম আর কম্পিউটার আমাদের বাসায় বহুদিন নিষিদ্ধ দ্রব্যের তালিকায় ছিল) তখন কোন একটা মুভিতে নায়ককে দেখেছিলাম পেটের উপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করতে ... এই ছোটখাট স্লিম এন্ড সেক্সি জিনিসটা আমার এত পছন্দ হয়েছিল যে সেদিনই আমি শপথ করেছিলাম যেদিন অনেক পয়সা হবে সেদিন আমি একটা ল্যাপ্টপ কিনবো, কিনে ঠিক এভাবে পেটের উপরে রেখে কাজ করবো ... জীবনের অনেক স্বপ্নই পূরণ হয়না, আর অনেকগুলির কথা বড় হতে হতে ভুলে যাই, কিন্তু এই স্বপ্নটা কিভাবে কিভাবে জানি একদিন সত্যি হয়ে গেল ... অনেক টাকা হয়নি (হবে এমন কোন দুরাশাও দেখা যাচ্ছে না), কিন্তু জিপিতে ঢোকার পর না চাইতেই একটা ব্র্যান্ড নিউ ল্যাপ্টপ পেয়ে গেলাম ... সেই ল্যাপ্টপ বাসায় নিয়ে পেটের উপর রেখে মুভি দেখতে গিয়ে টের পেলাম পেটের উপর ল্যাপ্টপ রাখাটা আসলে খুব মজার কিছু না, একেকটা ল্যাপ্টপ যেই গরম হয় তাতে ভবিষ্যত প্রজন্মের বারোটা বাজার একটা ভালো চান্স থাকে ...
যাই হোক, ঘুম ভাঙার পর খিদা টের পাওয়া মাত্র অবশ্য মন খারাপ হল ... কতদিন যে ইলিশ ভাজা খাইনা
...
তাও ভালো রবি ঠাকুর আছেন, এরকম স্যাঁতস্যাতা দিনে তাঁর গান কেন জানি খুব ভালো যায় ...
২ ...
প্রফ না থাকা আনন্দময় দিনগুলিতে আমি আর সবুজ ভাই ঠিক করলাম জীবনটাকে আরেকটু আনন্দময় করা দরকার ... কি করা যায় ... একটু ভাবতেই মাথায় প্রথম যা আসলো তা হচ্ছে সুইমিং ...
ভার্সিটি জিমে মাগনা সুইমিং আর স্কীয়িং এর সুব্যাবস্থা আছে ... গত সেমিস্টার এত বেশি দৌড়ের উপর ছিলাম যে মোটাগাটা চাইনিজ মেয়ে এমান্ডার "স্কীয়িং ইজ নো প্রবলেম, আর উইল টীচ ইউ" জাতীয় উদাত্ত আহবানের পরেও সময় বের করে যাওয়া গেল না ... এপ্রিলে স্কীয়িং বন্ধ হয়ে যায়, কাজেই কি আর করা, ভাবলাম সুইমিংয়েই যাই ...
জিমের নিয়ম কানুন কিছু তো জানিনা, শেষে না মফস্বলের পোলাপানের মত ট্যাগড হয়ে যাই এই ভয়ে চাইনিজ রবার্টরে সাথে নিলাম ... রবার্ট নতুন গার্লফ্রেন্ড পাওয়ার পর আজকাল চব্বিশ ঘন্টাই ঘরে থাকে ... অনেক তেল মালিশ করে তাকে সাথে যেতে রাজি করা হল ...
মহানন্দে দুইজনে রবার্টের পিছে পিছে রওনা দিলাম ... সবুজ ভাই তো ত্রা লা লা করে গান গায় আনন্দে ...
জিমে ঢুকলাম, গলি ঘুপচি পেরিয়ে যায়গামত আইডিকার্ড পাঞ্চ করে লকাররুমে পৌছলাম ... জায়গামত সব রেখে সবুজভাই দাঁত ক্যালায়ে রবার্টকে বললো, "রবার্ট, হোয়্যারস দ্য চেঞ্জিং রুম" ...
রবার্ট কয়, "রাইট হিয়ার ..."
তারপর সে নির্বিকারভাবে কিভাবে চেঞ্জ করতে হয় সেটাও হাতে-কলমে দেখানো শুরু করলো ...
আল্লার রহমত যে জাফর ইকবালের "দেশের বাইরে দেশ"টা পড়া ছিল ... আগে থেকেই এরকম কিছু আঁচ করেছিলাম তাই বিশেষ অবাক হইনি ... কিন্তু বেচারা সবুজ ভাইয়ের চেহারাটা যা হল সেটা আর বলার মত না ...
যাই হোক, সুইমিং সেশন ভালোই কাটলো ... নেক্সট টাইম পুলে নামলে চশমা নিয়ে নামতে হবে সেটা বুঝলাম
... কিন্তু সবুজ ভাইয়ের চেহারা আর স্বাভাবিক হয়না ... ফেরার পথে দেখি উনি গজগজ করেন, "শালার বর্বরের দেশ ... কয়টা চেঞ্জিং রুম বানাইতে কয় টাকা লাগে ... প্রতিদিন যদি এই জিনিস দেখতে হয় তাইলে তো সমস্যা ..."
৩ ...
সামার ভ্যাকেশান শুরু হওয়ার সাথে সাথে একটা মজার জিনিস দেখলাম ... অনেক পোলাপানেরই কোর্স শেষ, তারা চাকরি বাকরির সন্ধানে বড় শহরে যায়, বিদেশি অনেকে দেশে যায় ... কাজেই এপ্রিলে বাসা ছাড়ার ধুম পড়ে ...
এখানে নিয়ম হচ্ছে বাসা ছাড়ার আগে সমস্ত জিনিসপত্র খালি করে বাড়িঘর ধুয়েমুছে একেবারে যেমন ছিল তেমনভাবে রেখে যেতে হয়, নাহলে সিকিউরিটি মানি আর বাড়িওলার প্রশংসাপত্র পাওয়া যায় না (নতুন কোথাও বাড়িভাড়া নিতে হলে আবার এই প্রশংসাপত্র দেখাতে হয়, মহা যন্ত্রণা) ... কাজেই এপ্রিলের শেষে দেখলাম দলে দলে মানুষজন তাদের খাট-পালংক-ঘটি-বাটি সব মাথায় করে বাইরে জায়গামত রেখে আসতে শুরু করল ... দেখতে দেখতে আমাদের বাসার সামনের খালি জায়গাটা ফেলে দেওয়া আসবাবপত্রের বিশাল গুদাম হয়ে গেল ... আমরা জানালায় দাঁড়িয়ে বাছাবাছি শুরু করলাম, কোনটা কে নিব ...
মজা শুরু তারপরেই ... পরের দিন ভোর থেকেই দেখি একের পর এক মানুষের আনাগোনা ...বেশিরভাগই সাদা ... তারা গাড়ি নিয়ে এসে জঞ্জাল থেকে জিনিসপত্র কুড়ানো শুরু করলো ... ভালো জিনিস তো বটেই, ভাঙ্গা পোকায়খাওয়া সব ফার্নিচারো দেখি সব গাড়িতে উঠে ভুস করে চলে গেল ... আমাদের কোন চান্সই দিল না ![]()
গাড়ি নিয়ে আসা কানাডিয়ান টোকাই ... পাশে ময়লার স্তূপ ... ফার্নিচার অবশ্য সব দখল হয়ে গেছে ততক্ষণে, বুড়া বিশেষ কিছু ভাগে পায়নি
যাই হোক, এই দুঃখ দূর হয়ে গেল খুব চমৎকারভাবে ... একদিন বাসায় ঢুকছি, দেখি পাশেরবাসার দুই চাংকু পোলা ধরাধরি করে চমৎকার একটা সোফা বের করছে ... এগিয়ে গিয়ে হাই-হ্যালোর পরে বললাম, এগুলি কি তোমরা ফেলে দিবা ... পোলা কয় হ্যা ... বললাম, তোমাদের কোন আপত্তি না থাকলে আমরা এইটা নিতে চাই ... পোলা দুইটার চেহারা দেখে মনে হল তারা সাক্ষাৎ দেবদূত পেয়ে গেছে ... অবশ্যই অবশ্যই খুবই ভালো হয় জাতীয় কথা বলতে বলতে তারা দুইটা মিলেই সোফাটা আমাদের দরজা পর্যন্ত পৌছে দিল, তারপর ঠিক এইভাবে বললো, "দেখো আমাদের ফ্ল্যাটে আরো অনেক ফার্নিচার আছে তোমরা কি একটু দেখবা তোমাদের কোনটা লাগবে কিনা ... আমাদের খুব উপকার হয় ..."
মানুষের উপকার করতে বাঙালি কবে পিছু হটেছে? কাজেই ছেলে দুটাকে কৃতার্থ করে আমরা তাদের বাসায় পদধূলি দিলাম ... মনে হয় চীন থেকে খালি ধুন্ধুমার বড়লোকের পোলাপানই বাইরে পড়তে আসে ... এখানে সব চাংকুরই গাড়ি আছে, আমাদের এই এপার্টমেন্ট কমপ্লেক্সে দুইটা বিএমডব্লু আছে, দুইটার মালিক দুই চাইনিজ স্টুডেন্ট ... বাসায় ঢুকে বুঝলাম এদেরও একই অবস্থা ... বাসা ভর্তি জিনিসপত্র ... শুধু দরকারি জিনিসই না, শৌখিন জিনিসেরও অভাব নাই ...
তারপরের সময়টা হেভি মজার ... তিন চাইনিজ মিলে জাস্ট তাদের জিনিসপত্রের এড করা শুরু করলো ... এই চেয়ারগুলি নেও, খুব ভালো চেয়ার ... তোমাদের ডাইনিং টেবিল লাগবে না? আরে নেও নেও, সবাই মিলে একসাথে খাইতে পারবা ... এক ছেলে আমাকে তার বেডরুমে নিয়ে খাট দেখানো শুরু করলো ... "দেখ কি ভালো খাট, এইটা ডাবল খাট, তোমার গার্লফ্রেন্ড খুবই পছন্দ করবে ..." আমি আর কি বলবো ...
যাই হোক, ছেলেগুলির সনির্বন্ধ অনুরোধে নিব না নিব না করে অনেককিছুই নিয়ে নিলাম (ডাবল খাট শুদ্ধ)... আমাদের এখন বাসা ভর্তি ফার্নিচার, আমি রিভল্ভিং চেয়ারে বসে সোফায় ঠ্যাং তুলে ব্লগ লিখি ... কে জানে ঐ চাইনিজও হয়তো তার ব্লগে লেখে, "আমাদের কি সৌভাগ্য, মাথায় করে জিনিসপত্র নিচে নিয়ে ফেলতে হয়নি, কিছু ইন্ডিয়ান ছেলে এসে সব ঝেড়েমুছে নিয়ে গেছে ..."
৪ ...
কয়েকদিন আগে এক পার্টিতে গিয়ে এক রাশান দম্পত্তির সাথে পরিচয় হল ... ভদ্রলোক আমাদের ভার্সিটিতেই কেমিস্ট্রি পড়ান ... তার সাথে দেশ ছেড়ে নতুন দেশে আসা নিয়ে কথা হচ্ছিল ... প্রথম প্রথম মানিয়ে নেয়ার কষ্ট, কালচারাল শক এসব নিয়ে ... নানা কথার ফাঁকে ভদ্রলোক হঠাৎ বললেন, এই দেশের একটা জিনিস দেখে আমি প্রচন্ড অবাক হয়েছিলাম ... এরা সব ভালো ভালো জিনিস গার্বেজ হিসেবে ফেলে দেয় ... আমাদের দেশে আমরা এটা ভাবতেও পারি না ...
আমি শুনে হাসতে আসতে আমাদের অভিজ্ঞতা বললাম, ভদ্রলোক বললেন, ইয়েস ইয়েস উই অলসো ডিড দ্যাট হুয়েন উই ফার্স্ট কেম টেন ইয়ার্স আর্লিয়ার ... অনেক কিছু নিয়ে আসছিলাম ...
পাশ থেকে তার বউ যোগ করলো, "আমরা তো এখনো সেগুলির কোন কোনটা ইউজ করি ... ভ্লাদ তোমার মনে আছে আমাদের লিভিংরুমের ডাইনিং সেটটা আমরা কোথায় পেয়েছিলাম ..."
মজা পেলাম এই দুইজনের কথায় ... যাক আমরাই শুধু বিদেশ দেখে অবাক হই না ...
৫ ...
গত পরশুদিন হ্যালিফ্যাক্স গিয়েছিলাম প্রফেসরের সাথে ... দাতাগোষ্ঠীর সাথে মিটিং ছিল একটা ...
মিটিংয়ের আগে কিছুক্ষণ পায়ে হেঁটে হ্যালিফ্যক্স দেখলাম ... ছোট ছোট ছবির মত বাড়িঘর ... ব্যাস্ত মানুষজন ... পথের কোণে বেহালা বাজানো ঝাঁকড়াচুলের ভিক্ষুক ... টিম হর্টন্স-স্টারবাকস ... ম্যাকডোনাল্ডের "উই আর ওপেন টুয়েন্টি ফোর সেভেন" ... সারা শহরে ঠিক ঢাকা ভার্সিটি স্টাইলে ছড়িয়ে থাকা ডালহৌসি ইউনিভার্সিটি আর তার কলকল খলখল করতে থাকা ছাত্রছাত্রী ... দেখে মনটা যা খারাপ হল সেটা বলার না ... বড় শহরে থাকার মজাই আসলে আলাদা ...
কে জানি বলেছিল ভ্যাংকুভারের পর হ্যালিফ্যক্স হচ্ছে কানাডার দ্বিতীয় সুন্দরতম শহর ... অন্য কোন শহর দেখিনি, কিন্তু রঙ ঝলমল হ্যালিফ্যাক্স দেখে মনে হল কথাটা মিথ্যা না ...
টিপ টিপ বৃষ্টি থাকায় ছবি নিতে পারলাম না ... ভাবলাম মিটিং শেষে প্রফকে পটিয়ে একটু ঘুরে দেখবো শহরটা ... কিন্তু বিকালে বৃষ্টিটা এত বাড়লো যে আর সুবিধা করা গেল না ...
কি আর করা, নেক্সট টাইম ...
২
হা হা ... সেইম হিয়ার ... রবার্ট তো চাইনিজ, আর চাইনিজদের লাজ-শরম কম জানেনই তো ![]()
এইবার তোয়ালে দিয়া কাজ হইছে, নেক্সট টাইম মনে হয় লুংগি নিয়া যাইতে হবে ... পুরা বাংলাদেশি তরিকা ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
৩
তাইলে আরো একটু বলি:
সেবারটা ছিলো ইউনির পুলে। ওখানে লোকজন কম, ছাত্র/ছাত্রী আর স্টাফরাই বেশী।
এর পরে একবার যাই পাবলিক পুলে। বিশাল আকার, বাচ্চাদের জন্য স্লাইড, বিচ সহ আরো বিশেষ সুবিধা। আমার বৌ মেয়েকে নিয়ে চেঞ্জ রুমে ঢুকে হাক্কালা। বের হয়ে আমারে কয়, মেয়ে তারে প্রশ্ন করতে কোন কৃপণতা করেনি।
এখন অবশ্য ফ্যামিলি রুমে ঢুকে যাই, সুবিধা ভাল:)
আলমগীর
৪
এই কথাটা আমারো মনে হইছিল ... এদের চেঞ্জিং রুমে দেখি এত ব্যাটা তার দুই পিচ্চি পোলা নিয়ে আসছে ... বাপ-ব্যাটারা লাইন দিয়ে নাঙ্গুবাবা হয়ে গপ্পো করতেছে আর চেঞ্জ করতেছে ... আমি চিন্তা করলাম আমাদের দেশি কেউ যদি তার বাচ্চা নিয়া সুইমিংয়ে আসতে চায় তার উপায়টা কি?
এখন অবশ্য ফ্যামিলি রুমে ঢুকে যাই, সুবিধা ভাল:)
৫
হাহাহা .... খুব মজা লাগল ![]()
আপনার ল্যাপটপ নিয়ে নায়ক নায়ক ভাব, ঝেরেমুছে জিনিস নিয়ে আসা ... সুইমিং এর গল্প .... সব পড়ে খুব হাসলাম ![]()
আরো লিখেন ![]()
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে
৬
থ্যাংকু ![]()
নতুন কিছু ঘটুক, আবার লিখবো ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
৭
(আমার শ্রদ্ধেয় পিতাজী যাবতীয় রকম লেখাপড়া-বিনাশী জিনিসের তীব্র বিরোধী, সেই সূত্রে গল্পের বই, টিভি গেম আর কম্পিউটার আমাদের বাসায় বহুদিন নিষিদ্ধ দ্রব্যের তালিকায় ছিল)
আমি খালি মা যোগ করে দেই। তাইলেই পুরা সেইম। আমার এখনও একটা পিসি নাই:( ফাহিম ভাই, গার্বেজ হিসেবে কোনো ল্যাপ্টপ পাইলে আমার জন্য রেখে দিয়েন। ![]()
লেখা পড়ে মন ভালো হয়ে গেলো। হ্যালিফ্যাক্স এর ছবি তুলেতে পারেন নাই ঠিক আছে। তবে অন্য পরে একসময় কিন্তু দেখাতে হইবেক।
---------------------------------
জ্ঞানীরা ভাবলেন খুব নাস্তানাবুদ করে ছাড়া গেছে...আআআহ...কি আরাম। বিশাল মাঠের একটি তৃণের সাথে লড়াই করে জিতে গেলেন।
ছোট্ট তৃণের জন্য অপরিসীম ঘৃণা।
৮
তবে অন্য পরে একসময় কিন্তু দেখাতে হইবেক।
৯
অ্যাডভেঞ্চারাস লাইফ! ![]()
১০
তাই না? আসো একবার বৈদেশ তারপরেই ঠ্যালা বুঝবা ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১১
আমরাই শুধু বিদেশ দেখে অবাক হই না ...
একেবারে ঠিক কথা!
**********************************
কৌনিক দুরত্ব মাপে পৌরাণিক ঘোড়া!
১২
![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১৩
এরকম ঝরঝরে সুন্দর একটা লেখা পড়তে পড়তেও কেন জানি মনে মনে বলতে থাকি, কবে যে ফেরত যাবো এই বিদেশ থেইকা?
----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ
১৪
আহারে, দেশের জন্য অনেক পেট পুড়ায় তাই না ...
অনেকদিন পরে দেখলাম, থাকেন কৈ?
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১৫
সুইমিংপুলে মেয়েরা সাতার কাটে না?
১৬
কাটে না আবার ... মেয়েরাই বেশি থাকে, দল বাইধা কলকল-খলখল করে ![]()
এইজন্যেই তো বল্লাম নেক্সট টাইম চশমা নিয়া নামতে হবে ... এইবার চশমা ছিল না বলে বিশেষ সুবিধা করা যায় নাই ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১৭
এরকম লেখা পড়লে মনে হয় শেষ হয় কেন?অনেক মজা পাইলাম।......
-নিরিবিলি
১৮
ধন্যবাদ ... মন্তব্য পাইয়া আমিও প্রীত হইলাম ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১৯
- এট্টা বুদ্ধি দেই জনাব।
প্যান্টের নিচে তিনপোয়া প্যান্ট নাইলে আধাপ্যান্ট পইড়া যাবেন। তাইলে সবার সামনেও খটাশ কইরা 'প্যান্ট' খুইলা ফেলতে আপনার পর্দার ইন্তেজাম করতে হৈবো না।
আর যদি নিতান্ত তোয়ালে দিয়া পর্দা করতে মন চায়, তাইলে আপনের ভাবীরা যেদিকে বদলায় সেদিকে গিয়াই বদলাইয়েন। যাত্রা দেখা ইবং কলা বেচা- দুইই হইবে নে।
সতর্কীকরণঃ নিউটনের তৃতীয় সূত্র মোতাবেক এর একটা আছড় পড়বো সলিমুল্লায়। সেই আছড় আপনের উপরে ঠাডা হৈয়া পড়লে আমি দায়ী না কৈলাম।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
২০
প্যান্টের নিচে তিনপোয়া প্যান্ট নাইলে আধাপ্যান্ট পইড়া যাবেন। তাইলে সবার সামনেও খটাশ কইরা 'প্যান্ট' খুইলা ফেলতে আপনার পর্দার ইন্তেজাম করতে হৈবো না।
২১
- ক্যান, আপনে কি গাঁয়ের বধু নাকি যে ভেজা আঁচল গায়ে লেপ্টে থাকলে পথে দেখা হওয়া গাঁয়ের মোড়ল সেটা হা করে চোখ দিয়ে ড্যাব ড্যাব করে গিলে খাবে!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
২২
দিলেন তো মান-ইজ্জতের ফালুদা বানায়া ...
আরে মিয়া এই কনকনা ঠান্ডায় ভিজা পাতলুন নিয়া দেড় মাইল হাঁটেন, দেখেন কি শান্তি লাগে ... তারপরে কথা কন ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
২৩
- তো এই ঠান্ডার মইধ্যে সাঁতার পাড়তে গেলেন ক্যা? ঘরে লেপ কম্বল নাই? কম্বল মুড়ি দিয়া ভ্যাগলান দিয়া পইড়া থাকেন মিয়া।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক
২৪
ফ্যামিলি রুম কি জিনিস বুঝি নাই
ডিসেবলডদের জন্য আলাদা রুম থাকে যেমন, অনেকটা তেমন।
আলমগীর
২৫
ধন্যবাদ, এখন বুঝলাম ![]()
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
২৬
এই সিরিজটা আবার জমতেছে। উপাদেয় হইছে এই পর্ব।
আচ্ছা, ঐ সাতার কাটার ঐখানে ক্যামেরা নেয়া যায় না। যদি পারেন আমাদের জন্য কিচু সিনারি নিয়া আসতেন আর কি...। সবাই মিলে দেখলাম।
(আমি কিন্তু বলতেছি না, আপনার পোস্ট চাপাবাজি)
২৭
অনেক ধন্যবাদ গুরু
[সব ফটু কি সবখানে দেয়া যায়
]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
২৮
fahim, aj shahan er kace asecilam.
Ai prothom tor lekha porlam.
Osadharon!!!Amar dharonai cilo na tui eto sundor likhte paris. Sukkho ekta kostanuvuti hoccilo keno janina.Sob valo lagar majhei bujhi ektu kosto thake.Osadharon guru. Chaliye jao.
(amar machine theke bangla lekha jaye na. Tai english ai likhlam. Sorry boss!!!!!)
........mohsin.
২৯
লাল মিয়া, তুমি যে নেট ইউজ করা শিখছো এই জন্যই আগে তোমারে শতকোটি ধন্যবাদ ... অন্যসব আপাতত পেন্ডিং ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
৩০
সুন্দর লেখা।
চাংখুদের কাছ থেকে যে সৌফা পাইছেন সেইটার ফটু দেখতে চাই। তাইলে সাচ বলিয়া মানিব ।
-অন্যকেউ
৩১
আমি যে আপনার মত ফাজিল সেই ধারণা কেম্নে হইলো? আপ্নার কি ধারণা আমি চাপাবাজি করি? [ইয়ে মানে মাঝে মাঝে যে করিনা তা কিন্তু না
]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...
১
চেঞ্জিং রুমের কাহিনী যখন বললেন, আমিও একটু যোগ করি:
সাতার কাটার জন্য যে দিন প্রথম পুলে যাই সাথে ছিল লিওন রাশান/অস্ট্রিলিয়ান। তো তথাকথিত চেঞ্জিং রমে ঢুকে সে অবলীলায় সব খুলে ফেলল, আমি তো থ। কী করি, একেবারে নাংগা হতে পারি না, তোয়ালে প্যাচ দিয়ে কাজ সারি।
আলমগীর