নীড়পাতা | সন্দেশ | লিংকস | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

প্রবাস থেকে ০২২ ... [মন্ট্রিল যাত্রাঃ পার্ট টু ...]


লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১২:৫৩)
ক্যাটেগরী:

মেট্রো স্টেশন থেকে আমার লতাপাতা খালার বাসা দশ মিনিট হাঁটাপথ ... সেই দশ মিনিটে বড় শহরের বেশ কিছু হালচাল বোঝা হয়ে গেল ... আমি যেখানে থাকি সেখানে মানুষই রাজা, তুমি ফুটপাত ছেড়ে রাস্তায় পা দেয়া মাত্র দুই পাশের সব গাড়ি দুম দাম দাঁড়িয়ে যাবে, তখন হাত নেড়ে একটা ধন্যবাদ সূচক মুখভঙ্গি করে রাস্তা পেরিয়ে যাওয়া ভদ্রতা ... বড় শহরের হিসাব অন্য ... গাড়ি আর মানুষ দুইজনের জন্যই লালবাতি-সবুজবাতি ... গাড়ির যখন সবুজবাতি আর তোমার যখন লালবাতি তখন অভ্যাসবশে রাস্তায় পা বাড়ালে আলুভর্তা হয়ে যাওয়ার ভালো চান্স আছে ... আর যেখানে লালবাতি সবুজবাতি নাই সেখান দিয়ে রাস্তা পার হওয়া ঘোরতর আইনবিরোধী ... [মজার ব্যাপার হচ্ছে এই ঘোরতর আইনবিরোধী কাজও মানুষ করে, যখন রাস্তায় গাড়ি কম থাকে তখন ডাইনে বামে দেখে সুট করে পার হয়ে যায় ... আমি যেখানে ছিলাম সেখানে অভিবাসীর সংখ্যাই বেশি, কিন্তু এই প্রবণতা সাদাদের মাঝেই বেশি লক্ষ্য করলাম ...]

যাই হোক, বেশ কয়েকটা ট্রাফিক সিগন্যাল অতি সাবধানে পেরিয়ে সকল বাধা তুচ্ছ করে বাসায় ঢুকলাম আর একটা ধাক্কা খেলাম ... আমার কাছে এতদিন কানাডার বাসা মানেই সামনে বিশাল একটা লন তাতে গাদা গাদা ড্যান্ডেলিয়ন, বাসার পেছনে একটা খোলা মাঠ তাতে কেউ খেলে না, আর জানালা খুললে অনেক খানি খোলা প্রান্তর তারপরে একটা রাস্তা তাতে গাড়ি চলে দুই একটা আর তার পাশে আরেকটা বাড়ি ... মেগাসিটিতে হিসাব অন্য ... ব্যস্ত ফুটপাতের পাশে গাদা গাদা দোকানপাট সারি সারি ব্যস্ত পথচারী, তার মাঝখানে একচিলতে সিঁড়ি বেয়ে একটু উঠলে দুই দিকে দুটা ফ্ল্যাট ... বাসার ভেতরে দিনের বেলায়ও লাইট জ্বলে ... ঠিক পাশেই আরেকটা বাসা, এক বাসার জানালা দিয়ে ঠিক ঠিক এইম করে লাফ দিলে আরেক বাসার জানালা দিয়ে ল্যান্ড করা সম্ভব ... পুরা আমার ঢাকা শহর ...

যাই হোক, বাসায় পা রেখে ঘাড় থেকে বোঁচকা নামিয়ে সবার সাথে হাই হ্যালো আহা উহু করা শুরু করলাম ... বাসার পিচ্চি রাজকন্যা রীতি বেগমের সাথে পরিচয় হল ... ছোট পোলাপানের সাথে খাতির করায় আমার ভালো দক্ষতা আছে, কিন্তু এই পিচ্চির সাথে খুব বেশি সুবিধা করা গেল না ... কিছুক্ষণ আমার সাথে লাফালাফি করে সে দিব্যি আমার কাজিন শারমিনের হাত ধরে ঘোষণা করে দিল, ভাইয়া বেশি ভালো না আপু অনেক ভালো ... যাহ বাবা, নাহয় আমার চেহারা বেশি ভালো না তাই বলে এইভাবে ছ্যাঁকা ...

রীতি ... গভীর মনোযোগে আমার ফোন নাম্বার লেখায় ব্যস্ত ... সে নাকি প্রতিদিন একবার করে আমাকে ফোন করে খোঁজখবর নিবে :)রীতি ... গভীর মনোযোগে আমার ফোন নাম্বার লেখায় ব্যস্ত ... সে নাকি প্রতিদিন একবার করে আমাকে ফোন করে খোঁজখবর নিবে হাসি

অনেকদিন পরে অখাদ্য-কুখাদ্যের বদলে খাঁটি বাংলাদেশি নাস্তা করে খাঁটি বাংলাদেশি স্টাইলে বানানো চা নিয়ে খাঁটি বাংলাদেশি একটা আড্ডা খালি শুরু করলাম এমন সময় পিচ্চির বাবা মানে আমার লতাপাতা খালু সাহেব একটা বিশাল আর্ট পেপার আর কয়েকটা সাইন পেন নিয়ে হাজির ... আমিতো অবাক ঘটনা কি? ... না আজকে রীতি বেগমের স্কুলে কালচারাল ডে ... সব পোলাপানকে নিজ নিজ দেশের উপর একটা প্রেজেন্টেশন করে নিয়ে আসতে হবে ... আমি অবাক হয়ে বল্লাম, এইসব গ্রেড ওয়ানের পোলাপান কি প্রেজেন্টেশন বানাবে? ... খালু সাহেব বিরক্ত, "আরে পুলাপান বানাবে কে কইল তুমারে? পুলাপানের বাপ-মারে বানায়ে দিতে হবে ... প্রাইভেট স্কুল তো, ঢংঢাং বেশি ..."

বললাম, খুব ভালো কথা, বাচ্চাদের নিজ নিজ কালচারের সাথে পরিচয় থাকা ভালো ... বানায়ে ফেলেন ...

খালু সাহেব পুরা হিমু ভাইয়ের ভিলেনের স্টাইলে মুহাহাহা দিয়ে বললেন, তোমাদের দুইটারে দাওয়াত দিয়ে আনলাম কেন? ঝটপট বানায়ে ফেল দেখি ...

এইবার আমরা দুইজনেই হাউমাউ কাউকাউ করে বোঝানোর চেষ্টা করলাম, এত অল্প সময়ে কেমনে কি ... খালু সাহেব বললেন, আরে দশটার সময়ে স্কুল ... হাতে এখনো দুই ঘন্টা আছে, বেশি কিছু করা লাগবে না ... বাংলাদেশের নাম দিবা ফ্ল্যাগ দিবা দুই একটা ছবিটবি দিবা বাচ্চা পুলাপানের অনুষ্ঠান এরচে বেশি লাগবে না ... দেখ না ভাই একটু, আমি তো পারি টারি না এইসব ...

খালু যখন ভাই ডাকে তখন বুঝতেই হয় সংকট গুরুতর, শারমিনরে বললাম, আসো শুরু করি ... দেশের মান-সম্মান তো ভূলুন্ঠিত করা যায় না ...

খালু সাহেব মহানন্দে আমাদের ঘাড়ে সব দায়িত্ব চাপিয়ে হাওয়া ...

আমরা দুইজন মিলে গবেষণা শুরু করলাম ... কি কি দেয়া যায় ... বাংলাদেশের নাম থাকবে ... ইংরেজিতে থাকবে কারণ নাইলে কেউ বুঝতে পারবে না এইটা বাংলাদেশ না টিম্বাকটু ... সাথে বাংলাতেও থাকবে কারণ আমরা তোমাদের মত ধার করা ক্যারেক্টারসেটে লিখি না, আমাদের নিজেদের ফাটাফাটি একটা বর্ণমালা আছে সেটা দেখাতে হবে ...

নামের পাশে একটা ফ্ল্যাগ তো থাকতেই হবে ... কিন্তু তারপরে কি?

শহীদ মিনার দেয়া যাবে না কারণ পিচ্চি সেটার মাহাত্ম্য বুঝাতে পারবে না ... ছয় ঋতু নিয়ে ভালো ভালো কথা লেখা যাবে না কারণ তাহলে লেখা বেশি হয়ে বোরিং হয়ে যাবে, আর বিদেশীরা এই ছয় ঋতুর ব্যপার-স্যপার বুঝবেই না ... শাপলা ফুল দোয়েল পাখি আর রয়েল বেঙ্গল টাইগারের ছবি দেয়ার প্ল্যান প্রায় ফাইনাল করে ফেলেছিলাম, শেষমূহুর্তে কন্ঠভোটে বাদ পড়লো কারণ আঁকিয়ের অভাব ... আমি আঁকলে কোনটা দোয়েল পাখি আর কোনটা বাংলার বাঘ সেটা বানান করে লিখে দিতে হবে, আর শারমিন যদিও বায়লোজির কৃতি ছাত্রী কিন্তু সে সাপ-ব্যাং-এমিবা আঁকতে পারবে কিন্তু বাঘ-ভাল্লুক নাকি একেবারেই অসম্ভব ... দেখা গেল সে এক কথার মানুষ, নানাভাবে পচায়েও তাকে দিয়ে কিছু আঁকানো গেল না ...

শেষমেষ সিদ্ধান্ত আসলো বাংলাদেশের ম্যাপ দেওয়া হবে একটা, ম্যাপটা কে আঁকবে প্রশ্নটা ভয়ে ভয়ে উত্থাপন করে ঝাড়ি খেলাম ... "তুমার লজ্জা লাগে না কে ম্যাপ আঁকবে জিজ্ঞেস কর ... তুমি দেশ থেকে আসছো ছয় মাসও হয় নাই আর আমি পনেরো বছর ... "

ক্লাস ফাইভের পরে আর ম্যাপ আঁকা লাগে নাই সেই তথ্য চেপে যেতে হল ...

আচ্ছা নাম ফ্ল্যাগ ম্যাপ তো গেল, কিন্তু কাগজ তো তাও ফাঁকা থেকে যায়, আরো কিছু একটা করতে হবে ... এদিক সেদিক তাকাতেই মাথায় লাখ টাকার বুদ্ধি খেলে গেল ... দেয়ালে একটা বাংলাদেশের ছবিওয়ালা ক্যালেন্ডার ছিল, সেটা নামিয়ে গবেষণা শুরু করলাম ... কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত বাদ, সিলেটের চাবাগান বাদ, সুন্দরবন বাদ, ঢাকা শহর তো একশোবার বাদ, বান্দরবনের পাহাড় তাও বাদ ... নীল আকাশ-সাদা মেঘ-হলুদ সর্ষেক্ষেত-দূরে সবুজ গ্রাম-আমাদের ছোট নদী-তাতে খেয়া নৌকা-একশো ভাগ বাঙালি ছাপ মারা এই ছবিটা একশোভাগ ভোটে টিকে গেল ...

এখন দরকার একটা বাংলাদেশের ম্যাপ, যেটা দেখে দেখে আঁকা যায় ... গুগল করতে গিয়ে আবিষ্কার করলাম বাসায় নেট নাই ... আশেপাশের বাসা থেকে যে দুই-এক ফোঁটা সিগনাল ভেসে আসবে তারও কোন লক্ষণ নাই ...

এইবার বাঁচিয়ে দিল নিত্য উপহারের টিশার্ট ... টিশার্টের পিঠে একটা বাংলাদেশের ম্যাপ ছিল, সেটাই একমাত্র স্যাম্পল ...

অবশেষে মাঠে নামলাম ... উপরে লাল সবুজে বাংলাদেশের নাম লেখা হল ... তার পাশে মশলার কৌটার ঢাকনা ব্যবহার করে মোটামুটি অনুপাত ঠিক রেখে লাল-সবুজ পতাকা ... তার নিচে অনেক যত্নে একটু একটু করে চিরচেনা ম্যাপ ... আর তার পাশে ক্যালেন্ডার থেকে কেটে নেয়া বাংলাদেশের গ্রাম ...

জিনিসটা দেখতে দাঁড়ালো এইরকম ... আমি যা আশা করেছিলাম তার চেয়ে অনেকগুণ ভালো ...

রীতি বেগমকে ট্রেনিং দিলাম কিছুক্ষণ, কোনটা কি আর কিভাবে বলতে হবে ... তারপরে টের পেলাম আমার ঘুম পাচ্ছে ... দুই রাত না ঘুমানোর ফল ...

[ঘুম ভেঙেছিল রীতির ইয়েস ইয়েস চিৎকার আর দুই হাতের প্রবল ঝাঁকুনিতে, বাংলাদেশ প্রেজেন্টেশনে সেকেন্ড হয়েছে, আনন্দের চোটে সে ভুলে গেছে ফার্স্ট হয়েছে কোন দেশ এই যা আফসোস ...]

[আজকে আর লিখতে ইচ্ছা করছে না, নেক্সট পার্টে আসবে সেন্ট জোসেফ চার্চ, কবে সেটা বলতে পারিনা ... ততদিন পর্যন্ত আমাদের সাথেই থাকুন হাসি ]


গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১২:৫৩)
উদ্ধৃতি | কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ব্লগ | ৩৯টি মন্তব্য | ৩২১বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, কিংকর্তব্যবিমূঢ়. Sachalayatan.com can not be held responsible.

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
১ | ইশতিয়াক রউফ | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৩:২২

ফার্স্ট কারা, পুচ্চি খুশিতে সেটা ভুলে যাওয়াই সবচেয়ে বড় সাফল্য।


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৩

একদম ঠিক কথা দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


কীর্তিনাশা এর ছবি
২ | কীর্তিনাশা | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৩:৪০

সোনার স্বপ্নের সাধ পৃথিবীতে কবে আর ঝরে !


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
২.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৪

বুঝি নাই ... তবে কমেন্টের জন্য কৃতজ্ঞতা হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


লুৎফুল আরেফীন এর ছবি
৪ | লুৎফুল আরেফীন | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৪:০৯

খাঁটি কথা। রিতির আনন্দটাই বড় কথা।

আর আপনার প্রতিভার কথা কি বলবো, ম্যাপটা জব্বর হইছে। এসএসসি পরীক্ষার সময় হলে ভুল ধরতে পারতাম, এখন আর সম্ভব না দেঁতো হাসি

দারুণ পোস্ট!

___________________________
বুড়োরা সবাই সমস্বরে বললো, "নবজন্ম", আমি চাইলাম "একটা রিওয়াইন্ড বাটন"


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৪.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৪

ধন্যবাদ দেঁতো হাসি

আমাদের কিন্তু এসএসসিতেও ম্যাপ আঁকতে হয় নাই ... ক্লাস ফাইভই লাস্ট দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


নজরুল ইসলাম এর ছবি
৫ | নজরুল ইসলাম | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৪:২৬

ভালো লাগলো।
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৫.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৫

আপনার কমেন্ট পায়া আমারও খুব ভাল্লাগলো দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


বিপ্রতীপ এর ছবি
৬ | বিপ্রতীপ | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৫:৩১

আপনাকে এবং রীতি বেগম দু'জনকেই পাঁচতারকা অভিনন্দন দেঁতো হাসি
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিপ্রতীপ ব্লগ | ফেসবুক | আমাদের প্রযুক্তি


১০

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৬.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৬

দুইজনের পক্ষ থেকেই ধন্যবাদ দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১১

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৭ | ধুসর গোধূলি | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৮:২৫

- বিসমিল্লাহ্, লারে লাপ্পা, সুবহানাল্লাহ্, ওয়াও, আলিফ চলুক
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


১২

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৭.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৬

লাম মীম নুন ... আপ্নের হইলো কি? অ্যাঁ
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৩

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৭.১.১ | ধুসর গোধূলি | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ১৭:২৭

- ঠিক কর্ছি এখন থাইকা গালাগালি আর অশ্লীল কথা কওয়া বন!
আরবী কথা কমু খালি। কিন্তু সমস্যা হইলো, আরবী জ্ঞানতো ঐ লাম-মীম পর্যন্তই!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


১৪

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৭.১.১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ০৫:৩৭

আমরা কিন্তু আইইউটিতে তিন ক্রেডিটের আরবি কোর্স করছি ... আসেন আরবিতে বাতচিত করি ... কাইফা হালুকা? দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৫

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৭.১.১.১.১ | ধুসর গোধূলি | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ০৫:৪৮

- আলহামদুলিল্লাহ্
হালুকা শুনলে আমার খালি বিভিন্ন পদের হালুয়ার কথা মনে হয়। রুটি দিয়া হালুয়া খাইতে মনেকয় তখন।
সুবহানআল্লাহ্
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


১৬

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৮ | পরিবর্তনশীল | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ১৯:২৩

জটিল পুস্ট। ভালাইয়াছেন তাইলে!
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


১৭

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৮.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৫৮

ধইন্যবাদ ... কিন্তু এই ডায়লগটা কার মাথা থেকে বাইর হইছে কও তো ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৮

রায়হান আবীর এর ছবি
৮.১.১ | রায়হান আবীর | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ১৮:২৭

ডায়ালগটা আইইউটিতে আমদানী করছি আমি। ঢাকা ভার্সিটির ফ্রেন্ডেদের কাহিনী। পরে আরেকদিন কমু।

---------------------------------
জানিনা জানবোনা... কোন স্কেলে গাইছে কোকিল
গুনিনা আমি গুনিনা...কার গালে কটা আছে তিল


১৯

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৮.১.১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ০৫:৩৮

উদ্ধৃতি
পরে আরেকদিন কমু।

কইও কিন্তু মনে কইরা ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


২০

স্বপ্নাহত এর ছবি
৯ | স্বপ্নাহত | বুধ, ২০০৮-০৬-২৫ ২২:৫৯

ম্যাপটা আসলেই চরম হইসে। লেখাটাও...

চরম পুচকিটারেও দেখতে ইচ্ছা করতেসে। ওর একটা ছবি দেয়া যাইতোনা?

আর... ভালৈয়াছেন তাইলে?

---------------------------

থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...


২১

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৯.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৪:০০

ফেসবুকে পিচ্চির অনেক ছবি আছে, দেখ নাই? ... দেখি এইখানেও একটা লাগায়ে দিব ...

লেখা ভালো লাগছে শুইনা প্রীত হইলাম হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


২২

অতিথি লেখক এর ছবি
১০ | অতিথি লেখক | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০০:৫৬

অনেক সুন্দর ছিল...আমি ম্যাপ একদমই আঁকতে পারি না। এত্ত জীবন্ত! লিখাটা পড়তে বেশী ভালো লাগলো।
-নিরিবিলি


২৩

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১০.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৪:০০

অনেক ধন্যবাদ হোটেল নিরিবিলি ... কেমন আছ? হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


২৪

জুলিয়ান সিদ্দিকী এর ছবি
১১ | জুলিয়ান সিদ্দিকী | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০২:০৭

লেখায় প্রমাণিত হইলো বাঙালী খুবই বুদ্ধিবান! কি বলেন!
____________________________________
ব্যাকুল প্রত্যাশা উর্ধমুখী; হয়তো বা কেটে যাবে মেঘ।
দূর হবে শকুনের ছাঁয়া। কাটাবে আঁধার আমাদের ঘোলা চোখ
আলোকের উদ্ভাসনে; হবে পুন: পল্লবীত বিশুষ্ক বৃক্ষের ডাল।


২৫

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৪:০১

হি হি ... বুদ্ধিমানের কি দেখলেন? দেঁতো হাসি

কমেন্টের জন্য কৃতজ্ঞতা হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


২৬

ধ্রুব হাসান এর ছবি
১২ | ধ্রুব হাসান | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৩১

চলুক


২৭

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১২.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৪:০১

দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


২৮

অরূপ এর ছবি
১৩ | অরূপ | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৩:৪০

মন্ট্রিয়ল কাহিনী শুনে লাফ দিয়ে পড়লাম
কিন্তু শহরটার গল্প নাই কেন?

সেন্ট ক্যাথরিনের থ্রী আমিগোস-এর মার্গারিটা খেতে সাধ হয় মন খারাপ

এই গানটার চল ছিল তখন


২৯

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১৩.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৪:১৫

এই প্রথম মনে হয় অরূপ ভাইয়ের কমেন্ট পাইলাম দেঁতো হাসি ... আপনি মন্ট্রিল ছিলেন জানতাম না ...

শহরের কাহিনী পরের পর্বগুলিতে আসবে আশা করি ... আমি ধারাবাহিকভাবে লেখার চেষ্টা করতেছি ...

সেন্ট ক্যাথ্রিন দিয়ে পুরা এক বিকাল হেঁটে বেড়াইছি ... থ্রী এমিগোস এর নাম আগে জানলে একটু উঁকি দিয়ে দেখা যাইতো ... [মার্গারিটা খাওয়ার মত মানুষজন সাথে ছিল না, কি আর করা ...]

গানটা ভালো লাগছে ... মেয়েটার নাম জানলে আরো ভালো লাগতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


৩০

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১৪ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৪:২২

স্বপ্নাহতের অনুরোধে রীতি বেগমের একটা ছবি যোগ করা হইলো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


৩১

স্বপ্নাহত এর ছবি
১৪.১ | স্বপ্নাহত | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ২৩:৫৬

আসেন, বুকে আসেন...

---------------------------

থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...


৩২

রানা মেহের এর ছবি
১৫ | রানা মেহের | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ০৫:৩৩

প্রেজেন্টেশনটা জোশিলা
-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস


৩৩

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১৫.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ০৫:৩৮

ধন্যবাদ রানা আপা দেঁতো হাসি ... (আপাই তো? চিন্তিত )
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


৩৪

রায়হান আবীর এর ছবি
১৬ | রায়হান আবীর | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৬-২৬ ১৮:২৮

গতকালকে ল্যাবে আদনান ভাইয়ের গগন বিদারী ভাব দেখে এমন মেজাজ খারাপ হইছিল যে ভাবলাম এই জীবন আর না। বাসায় যেয়ে একটা ভ্যাকেশন কাটাই আসি। ল্যাব থেকে সরাসরি বাসা।

রাতে ফোনে ডিউটি করার সময় হ্যারে জিজ্ঞেস করি কি কর। বলে ফাহিম ভাইয়ের লেখা পড়ি আর শ্রীকান্তর গান শুনি। তখন থেকেই মন উচটান শুরু করল। বাসাতে বোরিং লাগা আরম্ভ করলো।

ভাবছিলাম রবিবার আসবো। কিন্তু সকাল হইতেই আর থাকা গেলো না। এক বস্তা কাপড় চোপড় নিয়া গেছিলাম। বুয়ারে অর্ডার দিলাম তাড়াতাড়ি ধোন এইগুলা। তারপর ভিজা কাপড় কিছুক্ষণ রোদে শুকাইয়া তারপর ইস্ত্রীদিয়া ভালো করে ডলা দিয়ে ব্যাক টু'দা প্যাভিলিয়ন।

লেখাটা ভাল্লাগছে যথারিতী। পরের পার্ট এর অপেক্ষায় থাকলাম। এর পরেরটা দেবার আগে ফেইসবুকে একটু আগাম জানায় দিয়েন। তাহলে আর কমেন্টের নীচে চাপা পড়া লাগবে না।

ও আচ্ছা ম্যাপটা সুন্দর আকছেন।

এই লেখাটার রেটিং এতো কম ক্যান? আমি পাঁচ দিলাম, আরেকজন পাঁচ দিলো। কিন্তু পাচ ভোটে রেটিঙ্গের এভারেজ তিন। মন খারাপ

---------------------------------
জানিনা জানবোনা... কোন স্কেলে গাইছে কোকিল
গুনিনা আমি গুনিনা...কার গালে কটা আছে তিল


৩৫

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১৬.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ০৫:৪৪

কোন আদনান? আমাদের জিরোটুর আদনান? কি ভাব নিল? দেঁতো হাসি [আদনানের বড় ভাই নিনাদও ইলেক্ট্রিকালের টীচার ছিল, হালায় আমারে একবার ল্যাব থেইকা বাইর কইরা দিছিল, ফাউল একটা রেগে টং ]

আর তেল একটু কম দাও, এমনি মোটা হয়া যাইতেছি ... ঐদিন বউ ঝাড়ি দিছে ওয়েবক্যামে দেইখা মন খারাপ

উদ্ধৃতি
এই লেখাটার রেটিং এতো কম ক্যান? আমি পাঁচ দিলাম, আরেকজন পাঁচ দিলো। কিন্তু পাচ ভোটে রেটিঙ্গের এভারেজ তিন।

দুইজন এক দিছে, সহজ হিসাব ... আমি কাউরে রেটিং দেই না, কাজেই আমারে কে কত রেটিং দিল সেইটা নিয়া মাথা ঘামাই না ... ভাল্লাগে নাই, এক দিছে, সহজ হিসাব ... রেটিংয়ের চেয়ে কমেন্ট অনেক ভালো জিনিস হাসি

................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


৩৬

স্বপ্নাহত এর ছবি
১৬.১.১ | স্বপ্নাহত | শনি, ২০০৮-০৬-২৮ ০০:১৮

সচলে মনে হয় একোৎসব চলতেসে।

সবাই দলে দলে এক দিয়ে পাঁচ এর উপরে চাপ কমাইতেসে।

ব্যাপার নাহ... তয় আমি কিন্তু পাঁচ ই দিসি...

---------------------------

থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...


৩৭

অতিথি লেখক এর ছবি
১৭ | অতিথি লেখক | শুক্র, ২০০৮-০৬-২৭ ০৮:২৮

যথারীতি ভালো লেখা। আমার এই দেশে জন্ম নেয়া বাঙ্গালি বংশোদ্ভুত পোলাপানের