নীড়পাতা | সন্দেশ | লিংকস | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

প্রবাস থেকে ০২৩ ...


লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ০৬:৩০)
ক্যাটেগরী:

[সরলরেখায় চললে এই পার্টে মন্ট্রিলের কাহিনী আগে বাড়ার কথা ছিল ... কিন্তু লিখতে গিয়ে দেখলাম গত এক সপ্তার হাবিজাবি দিনলিপি লেখে ভরিয়ে ফেলেছি ... নেক্সট পার্টে আশা করি আবার মন্ট্রিলে ফেরা হবে খাইছে ]

১ ...

আবহাওয়া খুব যন্ত্রণা দিচ্ছে ...

গত সপ্তার পুরোটা ছিল বৃষ্টি ... টিপ টিপ পুট পাট ঝির ঝির বৃষ্টি ... আরাম করে ভেজাও যায় না আবার শান্তিতে হাঁটাচলাও করা যায় না ... বিরক্তির চূড়ান্ত ... সারা দিন বাসায় বসে ঝিমাই আর জানালার কাঁচে জমে থাকা ফোঁটা ফোঁটা পানিতে দেখি ফেলে আসা দেশ ...

মাঝে একদিন, খালি একদিনই একেবারে ধুড়ুম ধাড়ুম বজ্রপাতসহ হালকা বাংলাদেশি ধাঁচের একটা বৃষ্টি হল, তাও বড়জোর আধাঘন্টার জন্য ... সামনের মাঠে একটা ফুটবল নিয়ে নেমে যাওয়ার ইচ্ছা যে একেবারে করেনি সেটা বলবো না কিন্তু উপযুক্ত সঙ্গীর অভাবে করা গেল না ... সেই দিন আর নাই ...

জানালায় দাঁড়িয়ে ফটো নিয়েই আমার বর্ষাযাপন ...

২ ...

বৃষ্টি শেষ হওয়ার পরদিন থেকেই নতুন ঝামেলা শুরু, সেটা হচ্ছে গরম ...

দেশে থাকতে কানাডার নাম শুনতেই শীত শীত লাগতো ... আমার এখনও মনে আছে কানাডায় আমি যেদিন পা রাখি সেদিনের টেম্পারেচার ছিল মাইনাস ফিফটিন ... বিদেশে একশো রকমের পেইনের মধ্য দিয়ে যেতে হবে জানতাম কিন্তু গরমে হাঁসফাস করবো এতটা আশা করি নাই ...

কিন্তু জগতে আশাতীত অনেক কিছুই ঘটে ... আজকাল দুপুরবেলার গড় তাপমাত্রা থাকে ত্রিশের আশেপাশে ... আর কানাডার বাড়িঘরগুলিতে ঘর গরম করার নিত্যনতুন তরিকা থাকলেও ঘর ঠান্ডা রাখারও যে মাঝে মাঝে দরকার হতে পারে সেই চিন্তা কারো মাথাতেই নাই ... এসিতো নাইই, ফ্যানও নাই ... দেয়ালজোড়া জানালা, তার কাচ দিয়ে ঠাঠা রোদ আসে, কিন্তু কাচ খুলে যে একটু বাতাস ঢুকাবো তার উপায় নাই, কাচের চার ভাগের একভাগই খালি সরানো যায় ...

অগত্যা ভরসা টেবিলফ্যান ... রুমের যেই কোণাতেই খুঁটি গাড়ি তার আগে সেদিকে অনেক কায়দা করে বাতাসের কামান তাক করতে হয়, খুব যে কাজ হয় সেটা বলা যাবে না ...

৩ ...

আমার এক স্কুল জীবনের দোস্ত, যে স্কুলে খুবই বদ টাইপ ছিল (তবে পুলা ভাল আগেই ডিস্ক্লেইমার দিয়ে রাখি), নানাভাবে নানা ঘাটের জল খেয়ে পাঁচ-ছয় বছর আগে আমেরিকা এসে ল্যান্ড করে ... ওর আমেরিকার প্রথম জীবন প্রচন্ড রকম ঘটনবহুল, গুছিয়ে লিখে ফেললে খুব চমৎকার একটা কাহিণী হতে পারতো, মাঝে মাঝেই গুঁতা দেই লেখার জন্য পোলা পিছলায়ে যায় প্রতিবারই ... আমিও পুরোটা জানি না ওর গল্প, তবে যেটুকু শুনি মাঝে মাঝে তাতে মানুষের লড়াই করার ক্ষমতার উপর বিশ্বাসই বাড়ে শুধু ...

তো সেই ছেলে ফিজিক্স নিয়ে পড়াশুনা করতে করতে মাঝপথে সব ছেড়েছুড়ে ফিল্মমেকিং আর ধর্মতত্ব নিয়ে পড়া শুরু করেছে ... যখনি মেসেঞ্জারে দেখা হয় সাথে সাথে হয় সমাজ ও ধর্ম নাহলে নতুন কোন ফিল্মের আইডিয়া নিয়ে আলাপ শুরু করে, আমি না শোনার ভান করে "জানোস বার্সা বারবাটোভরে কিনতে পারে" জাতীয় কথা বলে আড্ডাটা ফুটবলের দিকে ঘুরিয়ে দেই ...

গতকাল হঠাৎ ফেসবুকে ওর মেসেজ হাজির, সাথে একটা ইউটিউব লিংক ... "দোস্ত আমার বানানো প্রথম শর্টফিল্ম, একটু দেখ, দেইখা অবশ্যই কমেন্ট দিবি, ফেস্টিভ্যালে পাঠাইতেছি ..."

খুব আগ্রহ নিয়ে দেখা শুরু করলাম, শুরুতেই মুগ্ধ করলো মিউজিকের কাজ, অর্ণবের হোক কলরব দিয়ে শুরু আর শেষ, মাঝে অন্য কোন একটা মিউজিক যেটা চিনতে পারলাম না ... সাদাকালোতে শূট করা, ইচ্ছা করেই ট্রাইপড বাদ দিয়ে হ্যান্ডহেল্ড ক্যামেরা ... সবই বুঝলাম ...

খালি বুঝলামনা ডিরেক্টর কি বুঝাতে চাইলো ...

একটু পরে মেসেঞ্জারে টোকা, "ওই হালার্পুত, দেখছোস ..."

বললাম, "দেখছি বাট পুরাটাই এন্টিনার উপর দিয়া গেছে কিস্যু বুঝি নাই ..."

পোলা প্রথমে মনে করলো আমি ওরে পচানোর তালে আছি, যখন টের পেল আমি সিরিয়াস তখন বেচারা পুরা হতাশ ... "আমি এত শখ কইরা একটা মুভি বানাইলাম তুই কিছুই বুঝলিনা ..."

আমি সান্ত্বনা দেই, "আরে আমিতো কমার্শিয়াল ফিল্ম দেখা পাবলিক এইসব আর্ট-টার্ট বুঝি না বাকি পাবলিক নিশ্চই বুঝবে ... তুই ঘাবড়াইস না ... এখন আমারে বুঝা ফিল্মের কাহিনীটা আসলে কি নিয়া ..."

বেচারা আমাকে বুঝানো শুরু করলো (কি ট্রাজেডি, পরিচালককে দর্শকের হাতেধরে কাহিনী বুঝাতে হয়) ... শুনেটুনে বললাম, "দোস্ত কাহিনী তো জটিল কিন্তু দেখিস ফেস্টিভ্যালে গিয়া আবার মিঃ বীন না হয়ে যায় ..."

"মানে কি?"

"বিনস হলিডে দ্যখোস নাই? ঐখানে একটা ক্যারেক্টার আছে না ক্যস্টর ক্লে নামের, ফিল্ম বানায়ে ফেস্টিভ্যালে গিয়া নিজেই মুগ্ধ হয়া দেখে আর কেউ কিছু বুঝে না ... ঐটাইপ না হইলেই হয় আরকি ..."

পুরাটাই রাগানোর জন্য বলা, কিন্তু পোলা দেখি গম্ভীর, মেসেঞ্জারে কোন সাড়াশব্দ নাই, টোকা দেই, "কিরে কি হৈছে?"

একটু পরে উত্তর আসে, "তুই জানোস ঠিক বিশ মিনিট আগে আমারে আরেকজন ক্যস্টর ক্লে কৈছে?"

আমি হাসি চাপি, বেচারা ...

ঘটনা এইখানেই শেষ ভেবেছিলাম, কিন্তু কয়েক ঘন্টা পর ঢাকা থেকে আরেক ফ্রেন্ড গুঁতা দিল, "কিরে তুই ওরে কি কৈছোস, তোরে বুকাচুদা কইয়া গাইল্লাইতেছে ..."

বল্লাম, তেমন কিছু না, এই এই আরকি ঘটনা ...

ঠিক পাঁচ মিনিটের মাথায় ফিল্মমেকার বন্ধু আবার আমার উদ্দেশ্য বিভিন্ন শ্রুতিমধুর বাক্যবান হানা শুরু করলো ... সেই সাথে বিশেষ একটা কষ্টসাধ্য কাজের পর মুড়ি খেয়ে মোজো পুনরুদ্ধারের উপদেশ ...

সাথে সাথে ঢাকার ফ্রেন্ডকে ধরলাম, "তুই কি কর্ছোস?" উত্তর আসলো, "তেমন কিছু না, খালি কইলাম তোর মুভি দেখলাম ... কেমন লাগলো জিগাইলো ... কইলাম, বীন দেখছোস না, বাকিটুকু বুইঝা নে ..."

আমার এই জোকটার কথা মনে পড়লো দেঁতো হাসি ...

যাইহোক, বন্ধুকে একটা কথাই বলি, তোরে পচানোর সুযোগ পেলাম কারণ আমাদের মধ্যে একমাত্র তুইই কিছু একটা করার জন্য সাহস করে পথে নেমেছিস ... আমরা কিছুই করি নাই, তাই সমালোচনা করে মজা নেই আর নিজেদের অকর্মণ্যতা আড়াল করি ... কাজেই এগিয়ে যাও বন্ধু হাসি

৪ ...

গত তিনদিন ধরে খুব খাদ্যাভাবে আছি ...

দেশে চালের দাম বাড়ছে সেটা দেখে এখন আর কোন অনুভূতি হয় না ... এখানে গত জানুয়ারীতে নয় ডলার দিয়ে কেনা চালের প্যাকেট এখন সাড়ে চোদ্দ দিয়ে কিনি সেটাও গা সওয়া হয়ে গেছে ... কাজেই আমাদের এই খাদ্যাভাবের কারণ অর্থনৈতিক না, পুরাই শরীরতাত্বিক, মানে আলস্য ...

চালের প্যাকেটের ওজন একেবারে কম না, ব্যাকপ্যাকের মত ঘাড়ে করে আনা যায় না বলে এই জিনিস কিনে আনা এক ঝঞ্জাট ... তাই মাসে একবার পরিচিত কোন গাড়িওলার সাথে বড়সড় বাজারগুলি সারি ... এই বার কোন গাড়িওলার সাথে ব্যাটেবলে করা যাচ্ছিল না বলে কালকে যাব পরশু যাব করে নুডুলস আর পাউরুটির উপরে দিন পার করি ...

ডিম খেতে খেতে অতিষ্ঠ হয়ে গতকাল রাতে টুনামাছের ক্যান বের করে ভালো করে দেশি মসলা মেখে বেশি করে পেঁয়াজ কাচামরিচ দিয়ে তেলে ছেড়ে দেই জম্পেশ স্যান্ডুইচের জন্য ... মাছ যখন প্রায় ভাজা ভাজা হয়ে দারূণ একটা গন্ধ ছড়িয়ে পড়লো তখন হঠাৎ মনে হল গরম গরম ভাতের সাথে এই মাছভাজি কি দারূণ লাগতো খেতে মন খারাপ

৫ ...

গত ছয়মাস হিন্দী গান প্রায় শোনাই হয় না ... বাংলা ইংরেজি ইন্সটুমেন্টালের উপর দিয়ে আছি ...

পরশু হঠাৎ আবার এ আর রেহমানের ফোল্ডারে ঢুকলাম [আমার সমস্ত হিন্দী গান দুই ভাগে ভাগ করা, এ আর রেহমান আর অন্যান্য ... সারাবছর এ আর রেহমানের এলবাম হয়তো বের হয় বড়জোর দুই কি তিনটা, তারপরেও রেহমান ফোল্ডারের সাইজ অন্যটার চেয়ে বেশ খানিকটা বড়] ... অনেক পুরনো একটা প্লেলিস্ট ছিল, সেটা ব্যাকগ্রাউন্ডে ছেড়ে দিয়ে অন্য সব হাবিজাবি কাজে ব্যস্ত হয়ে গেলাম ...

একটার পর একটা বাজতে বাজতে এই গানটা শুরু হওয়া আমি লাফিয়ে উঠে কিছু একটা খোঁজা শুরু করলাম ... এক সেকেন্ড লাগলো ধাতস্ত হতে, তারপরে বুঝলাম ক্যামনে কি ...

এই গানটা দেশ ছাড়ার আগে অনেকদিন আমার মোবাইলের রিংটোন ছিল ... পার্সোনাল কলগুলির জন্য অন্য টোন, এটা শুধু অফিসের ফোন আসলেই বাজতো ... কতবার যে এই রিংটোন শুনে ভোর পাঁচটায় ঘুম ভেঙ্গে শুনতে হয়েছে অমুক সার্ভার ডাউন একটু দেখেন হিসাব নাই ...

মোবাইল ব্যবহার করিনা আজকে প্রায় ছয়-সাত মাস, কিন্তু সেই রিংটোন যে এখনো রক্তে মিশে আছে টের পেলাম ...

৬ ...

পুরনো আরেকটা অভ্যাস রক্তে মিশে আছে, সেটা হচ্ছে ফাঁকিবাজি ... অফিসে বস নাই তার মানে রুটিন কাজগুলি এখন না করলেও চলবে, লাঞ্চের জন্য এক ঘন্টা আগে বের হয়ে দেড় ঘন্টা পরে ফিরলেও ক্ষতি নাই, যদি না কোন ইমার্জেন্সি হয় ... এখানেও একই অবস্থা, প্রফেসর ধারেকাছে নাই তাই পড়ালেখার খাতায় বিশাল একটা শূণ্য ...

গতকাল পয়লা জুলাই, কানাডা ডে ... ১৮৬৭ সালের এই দিনে নোভা স্কশিয়া, নিউ ব্রান্সউইক, আর একসাথে থাকা কুইবেক-ওন্টারিও মিলে প্রথম সায়ত্ত্বশাসিত একটা ফেডারশন গঠন করেছিল, আজকের কানাডা গঠনে প্রথম পদক্ষেপ ... এটাকে অবশ্য পুরাপুরি স্বাধীনতা দিবস ধরা যায় না, কারণ কানাডা থেকে ব্রিটিশদের পলিটিকাল ইনফ্লুয়েন্স একটু একটু করে কমতে কমতে পুরোপুরিভাবে অদৃশ্য হয়েছে ১৯৮২ সালে, তারপরও পয়লা জুলাই কানাডার জাতীয় দিবস হিসেবে মহা ধুমধাম করে পালন করা হয় ... আমাদের পিচ্চি টাউন উলফভিলেরও মনে হয় বেশ কিছু প্রোগ্রাম ছিল, ঠা ঠা রোদ মাথায় করে বের হতে ইচ্ছা করলো না বলে সেসব দেখা থেকে বঞ্চিত করলাম নিজেকে ...

রাত্রি সাড়ে নয়টায় চারদিক মোটামুটি আঁধার হয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ দুম দাম শব্দ শুরু হল ... ঘটনা কি বুঝতে একটা সময় লাগলো, জানালা খুলে ঘাড় বেঁকিয়ে দেখলাম অনেক দূরে মেইন রোডের পাশে জলাভূমির উপর লক্ষ কোটি আগুনের ফুলঝুরি ... কানাডা ডে সেলিব্রেশন ... অনেকটা দূর হওয়ায় ক্যামেরা নিয়ে ঠিক সুবিধা করা গেল না, তাই এক বন্ধুর ফেসবুক থেকে কিছু ছবি দিলাম, এডমন্টনে কানাডা ডে ফায়ারয়ার্কসের ...

তারপর নিজে নিজে একটা শপথ নিলাম ... দেখিতে দেখিতে বাড়িয়াছে দেনা শুধিতে হইবে ঋণ ... আজকে থেকে কঠিন পড়া দিতে হবে ... নো মোর ফাঁকিবাজি, নো মোর আজাইরা টাইম ওয়েস্ট, নো মোর ফাউ প্যাচাল, আমীন ...

৭ ...

সবশেষে বলি, শুভ জন্মদিন সচলায়তন ...এগিয়ে যাও আরো বহুদূর ...


গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ০৬:৩০)
উদ্ধৃতি | কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ব্লগ | ১৮টি মন্তব্য | ২৫৮বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, কিংকর্তব্যবিমূঢ়. Sachalayatan.com can not be held responsible.

ধুসর গোধূলি এর ছবি
১ | ধুসর গোধূলি | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ০৬:৫১

- ফি আমানিল্লাহ॥
আল্লাহ্ আপনার মঙ্গল করুন। আমিন।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১১:৫৪

আল্লা আপনারো মঙ্গল করুন ... সুম্মা আমীন ...

[এই ফাটাফাটি ইমোটা লাগাইলেন কেমনে? এট্টু কানে কানে শিখায় দিবেন, আমিও তাইলে একটা আস্ত কিংকং ঝুলায় দিতাম? দেঁতো হাসি ]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


মুশফিকা মুমু এর ছবি
২ | মুশফিকা মুমু | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ০৭:৫৭

হাহাহাহা আপনার বন্ধুর পঁচানির কথা শুনে হাসতে হাসতে শেষ গড়াগড়ি দিয়া হাসি কিন্তু লিংক এ ভিডিওটা দেখতে পারলাম না, বলছে নাই মন খারাপ
কৌতুকটাও দারুন হাহাহাহাহা গড়াগড়ি দিয়া হাসি
লেখাটা মজা লাগল, ছবিও ভাল হাসি
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
২.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১১:৫৮

ভিডিও কিন্তু আছে, আপনি দেখতে পারলেন না কেন বুঝলাম না ... আরেকবার চেষ্টা করে দেখতে পারেন ...

কৌতুকের পুরা কৃতিত্ব হিমু ভাইয়ের, আমার না দেঁতো হাসি

ছবির আধাআধি কৃতিত্ব আমার, বাকিগুলি কপিপেস্ট ...

লেখা ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ, আর মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা হাসি

................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


মুহম্মদ জুবায়ের এর ছবি
৩ | মুহম্মদ জুবায়ের | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ০৯:৩৯

চমৎকার লেখা। যথারীতি।

-----------------------------------------------
ছি ছি এত্তা জঞ্জাল!


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৩.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১১:৫৮

অনেক অনেক ধন্যবাদ বিগ ব্রাদার হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


কনফুসিয়াস এর ছবি
৪ | কনফুসিয়াস | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ১২:৩০

ইউটিউবে গিয়ে আপনার বন্ধুর শর্টফিল্ম দেখে এলাম। উনাকে বলবেন, খুবই চমৎকার কাজ হয়েছে। পরপর দৃশ্যগুলোর প্ল্যানিং খুব ভাল হয়েছে, অর্থ বুঝে নিতে কোন সমস্যাই হয়নি।
*
আপনার পোস্টের ছবিগুলোও দারুণ।

-----------------------------------
... করি বাংলায় চিৎকার ...


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৪.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১২:০০

ধন্যবাদ পৌছায়ে দিছি, সে খুব খুশি ... আমাকে আপনার থেকে বুদ্ধি ধার নিতে বলছে দেঁতো হাসি ...

আর বৃষ্টির ছবিগুলি আমার তোলা, কিন্তু ফায়ারওয়ার্ক্স গুলি আমার আরেক বন্ধুর, ফেসবুকের কল্যাণে পাওয়া ...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


রায়হান আবীর এর ছবি
৫ | রায়হান আবীর | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ১৪:৩৯

বুঝছি আপনার আর মন্ট্রিল লেখা হইবো না। আমি হইলে তো এতদিনে ঘুরাঘুরির সব কিছুই ভুলে যেতাম।

১.

আমাদের এখানেও বিশাল বৃষ্টি হচ্ছে। দুইদিন আগে এমনি অবস্থা হয়েছে যে আইইউটির লাল রাস্তায় পানি জমে গেলো। আমরা সেই পানি মাড়িয়ে মাড়িয়ে ক্লাসে যাই। সেই রকম বৃষ্টি হতে থাকে। সারা গা ভিজে চুপ চুপা।

২.

আমি অনেক ভাবি যে একটা টেবিল ফ্যান কিনব। অনেক রাতেই গরমের কারণে ঘুমাতে কষ্ট হয়। কিন্তু কেনা হয় না। ২৫০০ টাকা এলাউন্সের ২০০০ টাকাই তো দোকানে দিতে হয়।

৩.

সিনেমাটা লোড হচ্ছে। দেখে ফেলব। তবে আমি নিশ্চিত আমারও মাথার উপর দিয়ে যাবে।

৪.

আহারে...

৫.

আহারে...

৬.

এই সেমে কোন ক্লাস করিনা। সারাদিন ঘুমাই...সারা রাত জেগে থাকি। কুইজ গুলায় ডাব্বা পাচ্ছি একের্পর এক। এইটা কোন ব্যাপার না। কিন্তু ব্যাপার হচ্ছে জিনিসটা আমাকে গাবাচ্ছে না। মনে হচ্ছে যা হবার হবে। দুনিয়াজুড়া পচুর গিয়ানজাম। আমি শান্তিতে থাকি।

[[আপনি আসলেই দারুন ছবি আঁকেন]]

---------------------------------
জানিনা জানবোনা... কোন স্কেলে গাইছে কোকিল
গুনিনা আমি গুনিনা...কার গালে কটা আছে তিল


১০

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৫.১ | ধুসর গোধূলি | বিষ্যুদ, ২০০৮-০৭-০৩ ১৯:৩২

- ইয়েস... শেষের লাইনটা আমারও কথা।
আপনি আসলেই দারুন ছবি আঁকেন হোক সেটা অক্ষরে কিংবা রং পেন্সিল বা তুলির ব্যবহারে!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


১১

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৫.১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১২:১৬

অক্ষর নিয়া তর্কের অবকাশ আছে কিন্তু রং পেন্সিল কিংবা তুলি নিয়া কোন সন্দেহ নাই, এই জিনিস ক্লাস টু থ্রীর পরে আর হাতে নিছি বইলা মনে পড়ে না দেঁতো হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১২

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৫.২ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১২:১৫

বরাবরঃ রায়হান আবীর হাসি

মন্ট্রিলে কি হইছিল না হইছিল ভুইলা যাওয়ার কোন চান্স নাই, আমি যে অনবরত ফটো তুলি সেটার কিছু ভাল দিক আছে ... [একবার ফোনে কথা বলার সময় প্রেমিকা কবে কি সাজ দিয়ে আসছিল সেটা হুবহু বলে তাকে চমকায়ে দিছিলাম, বেচারি বেশ অনেক্ষণ পরে বুঝতে পারছে যে আমি ল্যাপটপের ফটু ফোল্ডার ওপেন করে বসে আছি দেঁতো হাসি ] ... মুশকিল হচ্ছে লেখার মোজো সবসময় পাওয়া যায় না চিন্তিত

১ ...

আমি জীবনেও পানি মাড়ায়ে কোন ক্লাসে যাই নাই ... বৃষ্টির দিনে ক্লাসেই যাইতাম না দেঁতো হাসি

২ ...

পাঁচতলা থেকে তিনতলায় নামার পরে গরম একটু কমছিল তাও বছরের একটা সময় লাল দালানে টিকা যাইতো না ... এই জন্য বুদ্ধি কইরা বাসা থেকে একটা চার্জ লাইট নিয়া আসছিলাম, সেই চার্জ লাইটের সাথে একটা পিচ্চি ফ্যান ছিল, সেটা কারেন্ট গেলেও ঘন্টাখানেক বাতাস দিত ... সেই চার্জলাইট ডিরেক্ট লাইনে লাগায়ে মাথার পাশে রেখে দিতাম ঘুমের আগে, কারেন্ট থাকুক আর নাই থাকুক ফ্যান ঘুরতো, আমার ঘুমের সমস্যা হইতো না হাসি [একটানা ডিরেক্ট লাইনে রাইখা ফ্যান চালানোর শাস্তি অবশ্য পাইছিলাম পরে, ফোর্থ ইয়ারের মাঝামাঝি গিয়া ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেল, কারেন্ট নাই তো বাতাসো নাই ... সেই বছরই আবার আইইউটির জেনারেটর নষ্ট হইছিল মন খারাপ ]

ঘুমাইতে যাওয়ার আগে চট করে একটা গোসল দিয়ে ঠান্ডা ভাবটা থাকতে থাকতে ঘুমায় পড়লে অবশ্য ভালো কাজ হয় ...

৩ ...

না মনে হয়, আমার আসলে একটু আর্ট ফিল্ম বিতৃষ্ণা আছে ... মন দিয়ে দেখলে শিওরলি বুঝবা হাসি

৪ ...

হ এইটা আহারে করার মতই ব্যাপার মন খারাপ ... তবে আনন্দের কথা হইল আজকে দুই বস্তা চাল কিনে আনছি চল্লিশ ডলার দিয়া, আপাতত নো চিন্তা দেঁতো হাসি

৫ ...

এইটা খুব একটা আহারে কিছু না ... একসময় মোবাইল ছাড়া এক মিনিটও থাকতে পারতাম না অথচ এখন একদমই মিস করি না ... [মাঝে মাঝে অবশ্য ফোনের এম্পিথ্রী প্লেয়ারটা মিস করি, সনি এরিকসনের সাউন্ড কোয়ালিটি আসলেই অসাধারণ ...]

৬ ...

আমিও পড়ালেখা করি না এবং এইভাবে চললে সামনে যে কি ভয়ংকর বাজে গিয়ানজামে পড়তে হবে সেটা জেনেও বিশেষ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে না ... এইটাই ভয়ের কথা ... পড়ালেখা না হওয়াটা আতংকজনক না কিন্তু সেটা নিয়ে চিন্তা না হওয়াটা আতংকজনক ...

[ছবির ব্যপারটা বুঝা গেল না, আমি জীবনেও ছবি আঁকছি বইলা মনে পড়ে না চিন্তিত ]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৩

রায়হান আবীর এর ছবি
৫.২.১ | রায়হান আবীর | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১৭:৪১

উদ্ধৃতি
[ছবির ব্যপারটা বুঝা গেল না, আমি জীবনেও ছবি আঁকছি বইলা মনে পড়ে না ]

বুঝনের দর্কার নাই। হাসি

---------------------------------
জানিনা জানবোনা... কোন স্কেলে গাইছে কোকিল
গুনিনা আমি গুনিনা...কার গালে কটা আছে তিল


১৪

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
৬ | ইশতিয়াক রউফ | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ০০:৩১

উদ্ধৃতি
আজকে থেকে কঠিন পড়া দিতে হবে ... নো মোর ফাঁকিবাজি, নো মোর আজাইরা টাইম ওয়েস্ট, নো মোর ফাউ প্যাচাল, আমীন ...

সেটাই কথা! ভালৈছে।


১৫

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৬.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১২:১৭

হ ভালো কথা তো জানি কিন্তু শপথ রাখতে গিয়া তো আমার চোদ্দটা বেজে যাচ্ছে খাইছে
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৬

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৭ | পরিবর্তনশীল | শুক্র, ২০০৮-০৭-০৪ ১৭:৪০

আপ্নে পারেন।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


১৭

কবি এর ছবি
৮ | কবি [অতিথি] | রবি, ২০০৮-০৭-০৬ ১২:৩৮

তোর বন্ধুর পড়াশুনা নিয়ে বর্ননাটা না জানলে হয়ত শর্ট Film টার মাথা মুন্ডু কিছুই বুঝতাম না।
এখন খানিকটা হলেও আন্দাজ করতে পারছি।


১৮

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
৯ | অতন্দ্র প্রহরী | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ১২:৫৭

ক্যাস্টর ক্লে না কার্সন ক্লে? খাইছে
আমি আবার আর্ট ফিল্মের হালকা পাতলা ফ্যান। যদিও তোমার বন্ধুর মুভিটা দেখতে পারলাম না। আমার ভাই যা নেটের স্পীড! মন খারাপ
যথারীতি সুন্দর লেখা। তোমার লেখাগুলা একটানে পড়ে শেষ করা যায়। বোরিং লাগে না। তা, পড়াশুনার খবর কি? দেঁতো হাসি


নতুন মন্তব্য করুন