নীড়পাতা | সন্দেশ | লিংকস | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

প্রবাস থেকে ০২৪ ...


লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ১৮:০৬)
ক্যাটেগরী:

[আজকাল খুব আলস্য লাগে লিখতে ... সারাদিন শুধু চুপচাপ পড়ি, কমেন্ট দিতেও খেয়াল থাকে না ... গত কয়েকদিন বেশ কিছু দিনলিপি টাইপ পোস্ট দেখে হঠাৎ লিখে ফেললাম আজকে একটা ... মাঝে একটা সময় এই ধরণের পোস্ট অনেক কম আসতো, তাই চেঞ্জটা ভালো লাগলো ...]

১ ...

পড়ালেখা করতে কোনদিনই ভালো লাগতো না, কিন্তু পড়ালেখা নিয়ে হালকা একটা সিরিয়াসনেস অনেকদিন পর্যন্ত আমার ভেতরে ছিল ... বাঁচতে হলে অনেক আজেবাজে কাজ করতে হয়, পড়ালেখা তার মধ্যে একটা, তাই সারাবছর হাওয়ার উপরে ঘুরলেও পরীক্ষার আগের রাতে ঠিকই ডেস্কের সামনে বসতাম ... পড়ালেখার বাইরে প্রোগ্রামিং জিনিসটার প্রতি বেশ চমৎকার একটা ভালোবাসা ছিল, টার্বো সির ঝকঝকা নীল স্ক্রীণটার দিকে চোখ কুঁচকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে যখন বাগটা খুঁজে বের করতে পারতাম তখন মোটামুটি অর্গাজমিক একটা আনন্দ হত ...

কবে থেকে জানি না সেই ভালোবাসায় ধূলা জমেছে একটু একটু করে, পড়ালেখার প্রতি সিরিয়াসনেস হারিয়ে গেছে বহু আগেই ... ইদানিং খেয়াল করি কিছুতেই যেন আর কিছু যায় আসে না ... সবকিছুতে কেমন জানি একটা গা-ছাড়া ভাব চলে আসছে ... আগে প্রজেক্ট ডেডলাইনের আগের রাতে পাগলের মত কাজ করতাম, সারারাত খেটেখুটে সকালে টলতে টলতে গিয়ে জমা দিতাম, আর এখন ডেডলাইনের আগের রাতে প্রথমেই মাথায় আসে কোনভাবে তারিখটা পেছানো যায় কিনা ... প্রোগ্রামের কোন অংশ ঠিকমত কাজ না করলে ভুল বাছতে বসার আগে চিন্তা করি এই ফাংশনটা বদলে অন্য কোনটা দিয়ে ট্রাই করা যায় কিনা ... কয়েকঘন্টা খাটাখাটনি করে যখন একটা অংশ ঠিকমত দাঁড় করাই তখন মনে হয় ঝামেলার কাজটুকু তো শেষ , বাকিটা না হয় কালকে করবো ...

প্রায় দুই বছর আগে চলনসই একটা গ্রেড নিয়ে আন্ডারগ্র্যাড পাস করার সাথে সাথে সুযোগ-সুবিধার দিক থেকে দেশের সবচে এট্রাক্টিভ একটা চাকরি মোটামুটি বিনা চেষ্টায় পেয়ে গিয়ে লাইফে আর কিছু চাওয়া-পাওয়ার নেই জাতীয় চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছিলাম ... মাত্র এক বছরের মাথায় সেই জীবন এতটাই অসহ্য হয়ে গেল যে একরাতের সিদ্ধান্তে সবকিছু ছেড়েছুড়ে স্বেচ্ছানির্বাসন নিলাম ... আজ যখন আবার সবকিছু গোড়া থেকে শুরু করার সময় তখন হঠাৎ করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছি, আমি কি ফুরিয়ে গেছি? এম আই এক্সপায়ার্ড অলরেডি?

২ ...

বাইরে আসার পর প্রথম এক সেমিস্টার প্রচন্ড বাঁশের উপরে ছিলাম, পয়লা বৈশাখে সেমিস্টার ফাইনাল দিয়ে শেষ করার পরে প্রথমবারের মত অনুভব করলাম ফেসবুক আর মেসেঞ্জারের বাইরে আমার আর কোন বন্ধু নাই ...

গ্র্যাড লেভেলে পোলাপান এমনিতেই কম ... তারপরেও কানাডিয়ান কয়েকজনের সাথে হালকা খাতির জমেছিল কিন্তু সামার শুরু হওয়া মাত্র সেগুলি হাওয়া হয়ে গেল ...যে দুয়েকটা আছে সেগুলি রিসার্চ নিয়ে অতিমাত্রায় সিরিয়াস, কারও সাতেও নাই পাঁচেও নাই টাইপ ... আর চাইনিজ যেগুলি আছে সেগুলি নিজেদের নিয়েই ব্যস্ত থাকে বেশি ... এক রবার্টের সাথেই খালি বেশ খাতির ছিল, কিন্তু সেও হঠাৎ এক প্রমিকা জুটিয়ে ফেলার পর তাকে আর হাতি দিয়ে টেনেও ঘর থেকে বের করা যায় না ... ঘুরেফিরে আমরা আবার সেই তিন বাঙ্গালিই ...

কাজেই মোটামুটি গৃহবন্দী হয়ে সামার কাটাই ... সারাদিন ঘুমাই ... বিকালে ঘুম ভেঙ্গে ফ্রিজে হানা দেই ... তারপরে রুমের দরজা লাগিয়ে গান বাজাই আর ফেসবুকে উঁকি মেরে দেখি কে কৈ কিকর্তেছে ...

এই সিস্টেমের বেশ ভালো রকম একটা বৈচিত্র্য আসল জুনের শেষদিকে ... বায়লোজির এক বাঙ্গালি আপুর মাধ্যমে পরিচয় হল মেক্সিকান মিরিয়াম, রাশান সের্গেই, কানাডিয়ান জেনি, ফ্রেঞ্চ সামার ইন্টার্ন অঁদ্রে আর তার ফ্রেন্ড চার্লির সাথে ... লম্বা লম্বা বোরিং উইকেন্ডগুলি কাটানোর জন্য নানারকম প্ল্যান-প্রোগ্রাম আর হালকা পাতলা আড্ডাবাজি শুরু হল ...

এর মাঝে অদ্রে আর মিরিয়াম তাদের প্রজেক্টের জন্য কিভাবে কিভাবে একটা গাড়ি ম্যানেজ করে ফেললো, সাথে আনলিমিটেড তেল, তিন সপ্তার জন্য; তাদের দিলখোলা সুপারভাইজারের বদান্যতায় ... এইবার শুরু করলাম ট্যুর দেয়া ...

আমি আর অদ্রে সারা সপ্তা নেট ঘেটে ঘেটে বের করি কাছেপিঠে এক-দেড়শো কিলোর মাঝে দেখার মত কি আছে ... তারপরে ভোটাভুটি হয় ... সবার ভোটাভুটিতে আগে কখনো যাওয়া হয়নি এমন একটা জায়গা বের করা হয় ... তারপর বের হয়ে পড়ি ...

হ্যালিফ্যক্স
, লুনেনবার্গ , মাহোনি বে , ব্লু রকস , স্কটস বে সবগুলিতেই পা রাখা হল এক এক করে [আমার ফেসবুকে যারা আছেন তাদের কাছে এগুলি পুরান খবর] ... কেপ split (স+প+ল একসাথে লিখতে পারছি না) আর কেজিমকুজিক পার্কে ঢুঁ মারা বাকি, নেক্সট দু সপ্তার মাঝে এটলিস্ট এর একটা ম্যানেজ করা যায় কিনা দেখতে হবে ...

পড়ালেখার কথা বাদ দিলে লাস্ট এক মাস বেশ ভালোই গেল বলতে হবে ...

স্কটস বে ...স্কটস বে ...

হ্যালিফ্যাক্স ওয়াটারফ্রন্ট ... দূরে প্রিজনার্স আইল্যান্ড আর লাইটহাউজ ...হ্যালিফ্যাক্স ওয়াটারফ্রন্ট ... দূরে প্রিজনার্স আইল্যান্ড আর লাইটহাউজ ...

লুনেনবার্গ ...লুনেনবার্গ ...

আটলান্টিক ... ব্লু রকস ...আটলান্টিক ... ব্লু রকস ...

ব্লু রকস ...ব্লু রকস ...

আবার ব্লু রকস ...আবার ব্লু রকস ...

থ্রী চার্চেস, মাহোনে বে ... এই ছবিটা নেট থেকে নেয়া ...থ্রী চার্চেস, মাহোনে বে ... এই ছবিটা নেট থেকে নেয়া ...

মাহোনে বে, সন্ধ্যায় ...মাহোনে বে, সন্ধ্যায় ...

ওয়াটারফ্রন্ট, মাহোনে বে ... নাইটমোডে তোলা ...ওয়াটারফ্রন্ট, মাহোনে বে ... নাইটমোডে তোলা ...

৩ ...

দেখতে দেখতে সামার শেষ হয়ে যাচ্ছে ... সেপ্টেম্বরের প্রথম থেকে ফল সেমিস্টার ... অতিরিক্ত বাজে দুইটা কোর্স নিয়ে বাঁশ খেতে হবে ...

প্রফেসর ফেরত আসবে কয়েকদিনের মধ্যেই, এতদিন যা ফাঁকিবাজি করলাম সব সুদে-আসলে উসুল করবে ...

মিরিয়ামের কোর্স শেষ, গতকাল দেশে চলে গেল, যাওয়ার আগে বারবার মেক্সিকো যাওয়ার দাওয়াত দিয়ে গেছে ... মেক্সিকান মেয়েরা দারূণ বন্ধুবৎসল, এইসব লোভ দেখিয়ে ...

আজিম ভাইয়ের ইন্টার্নি শুরু হবে সেপ্টেম্বর থেকে, চলে যাবে ওয়াটারলু ... অঁদ্রে আর চার্লি ফ্রান্স ফেরত যাবে আগস্টের মাঝামাঝি ...

দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রইলো না আর রইলো না ...

৪ ...

অনেকগুলি মুভি দেখলাম গত কয়েকমাসে ... মুভির ব্যপারে আমি একেবারেই আমজনতা ... হাইরেটেড-ক্রিটিক্যালি এক্লেইমড-টূথাম্বস আপ মার্কা মুভি অনেকসময়ই ঠিক হজম করতে পারি না ... আবার একেবারে সোজা-সাপ্টা ধর তক্তা মার পেরেক মার্কা ভিশুমভাশুম মুভিও সহ্য হয় না ... এই দুই প্রান্তের মাঝামাঝি ব্যলেন্স করে দেখতে হয় ...

কয়েকদিন আগে দেখলাম Into the Wild ... কোন এক্সপেক্টেশন ছাড়া কোন রকম পূর্ব ধারণা বাদ দিয়ে শুধু টু থাউজ্যান্ড সেভেনের সবচে উল্লেখযোগ্য মুভির লিস্টে ছিল বলে নামিয়ে দেখলাম ... দেখা শেষ করে তব্ধা খেয়ে বসে রইলাম কিছুক্ষণ ... বহুদিন কোন মুভি দেখে এতটা অভিভূত হইনি ...

ক্রিস নামের তেইশ বছর বয়সী এক যুবক আন্ডারগ্র্যড ডিগ্রি শেষ করার পর পরিবার-সমাজ সবকিছুর উপর বীতশ্রদ্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়ে চুপচাপ ঘর ছাড়ে প্রকৃতির মাঝে কিছুদিন কাটানোর জন্য ... ঘটনাবহুল যাত্রাপথে সে সম্মুখীন হয় বিচিত্র সব অভিজ্ঞতার, পরিচিত হয় নতুন নতুন অনেক মানুষের সাথে ... ক্রিসের এই আত্মানুসন্ধানের কাহিনী নিয়েই Into the Wild ... মুভি রিভিউ লেখার নামে ছবির সব মাজ শেষ করে দেয়ার ঘোর বিরোধী আমি, তাই আর কিছু বলবো না ... তবে দেখতে রেকমেন্ড করবো সবাইকে ...

৫ ...

Into the Wild এর আরেক আকর্ষণ এর সাউন্ডট্র্যাক ... এডি ভেডারের গাওয়া গানগুলি এত চমৎকার যে মুভি শেষ করা মাত্রই টরেন্ট থেকে পুরা এলবাম ডাউনলোড করলাম ... গত পাঁচদিন ধরে আমার রুমে এই একটা এল্বামই বেজে চলেছে, মনে হচ্ছে আরো বেশ কিছুদিন বাজবে ...

সবচেয়ে প্রিয় দুটা গান দিয়ে দিলাম, আগ্রহীরা শুনে দেখতে পারেন ...

Get this widget | Track details | eSnips Social DNA
Get this widget | Track details | eSnips Social DNA

গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন কিংকর্তব্যবিমূঢ় (তারিখ: শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ১৮:০৬)
উদ্ধৃতি | কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ব্লগ | ৪৭টি মন্তব্য | ৩৫৩বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, কিংকর্তব্যবিমূঢ়. Sachalayatan.com can not be held responsible.

নিঝুম এর ছবি
১ | নিঝুম | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ১৮:২০

আজ যখন আবার সবকিছু গোড়া থেকে শুরু করার সময় তখন হঠাৎ করে ভাবতে বাধ্য হচ্ছি, আমি কি ফুরিয়ে গেছি? এম আই এক্সপায়ার্ড অলরেডি?

মানুষের অনেক শক্তি ভাই । অনেক । হেরে যাবার জন্য ?আসি নাই । দিন পঞ্জি খুব ভাল্লাগ্লো । আমিও ঘুরলাম আপনার সাথে ..
--------------------------------------------------------
... বাড়িতে বউ ছেলেমেয়ের গালি খাবেন, 'কীসের মুক্তিযোদ্ধা তুমি, কী দিয়েছ আমাদের'? তিনি তখন আবারো বাড়ির বাইরে যাবেন, আবারো কান পাতবেন, মা জননী কি ডাক দিল?


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৫:৫৬

ঠিক কথা ... হেরে যাবার জন্য আসি নাই ... কিন্তু সবসময় কথাটা মনে থাকে না এইটাই সমস্যা ...

ধন্যবাদ ভাই হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
২ | অতন্দ্র প্রহরী | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ১৮:৪০

কি আর বলব! কোন ভাষা নেই। প্রথম অংশটুকু পড়ে কেমন যেন খুব কষ্ট লাগছিল। নিজের সাথে হালকা মিল পেলাম। প্রশ্নটা আমিও নিজেকে করি, অ্যাম আই এক্সপায়ার্ড অলরেডি? মন খারাপ
লেখার প্রশংসা নতুন করে আর করব না। কমেন্ট করি বা না করি, লেখা তাড়াতাড়ি বা দেরিতে পড়ি, একটা কথাই বলব, তোমার লেখার বিশাল ফ্যানকুলের আমিও একজন হাসি
অফ টপিক: অঁদ্রে চলে যাবে এত তাড়াতাড়ি! ফেইসবুকের অন্যতম এক আকর্ষণ মিস করব! মন খারাপ


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
২.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৫:৫৯

তোমার সমস্যা কি? তুমি এক্সপায়ার্ড ক্যান? ভালোই তো রেডিজনে পার্টি কর্তাছো দেখলাম খাইছে

[হে মুমিনগণ তোমাদের দৃষ্টি সংযত কর ... বেগানা নারীদের বেশি দেখা ঠিক না রেগে টং ]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


আলমগীর এর ছবি
৩ | আলমগীর | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২০:১৮

হারে কিংকং
অর্গাজম তো জানতাম কেবল স্ত্রীলোকের হয় হাসি

আরেকটা কথা:
ব্লগ মানেই দিনপঞ্জী, নোটবুকের বদলে ওয়েবে। সচলয়াতন ভইরা গেছে সাহিত্যিকে। খবরের কাগজে এখন এত এড দেয় যে কবিতা গল্প আর ছাপে না। এজন্য এনারা ব্লগে আইসা কাজ সারেন। এদের থাইকা সচলায়তন মুক্ত করতে হইব, প্রত্যেকদিন একটা কইরা দিনপঞ্জী লেইখা।

(কবিতা-ছড়া-গল্প লেখকরা সেন্টু খাইয়েন না।)


রায়হান যাকে এর ছবি
৩.১ | রায়হান যাকে (যাচাই করা হয়নি) | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২১:১৩

আলমগীর ভাই মন্তব্যে উত্তম জাঝা!

@ ও কিংকং ভাই, আন্দ্রে চইলা যাবে? কন কি... মন খারাপ


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৩.১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:০৪

রায়হান তুমিও? ডাকমু নাকি ম্যাডামরে? চোখ টিপি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


রায়হান আবীর এর ছবি
৩.১.১.১ | রায়হান আবীর | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ১২:৩২

কোন ম্যাডাম? আইইউটিতে তো কোন ম্যাডাম নাই।

---------------------------------
জানিনা জানবোনা... কোন স্কেলে গাইছে কোকিল
গুনিনা আমি গুনিনা...কার গালে কটা আছে তিল


কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৩.২ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:০২

হের আলমগীর ভাই,


উইকি জানাইতেছে
পোলাদেরও অর্গাজম হয় ... অতএব আপনি হতাশ হইয়েন না, কীপ ট্রাইং চোখ টিপি

আর সাহিত্যমুক্ত সচলায়তন আন্দোলন শুরু কইরা দেন, আমি আপ্নের পিছনে কোন এক চিপায় আছি দেঁতো হাসি [সামনে থাকার সাহস নাই, কখন না আবার সাহিত্যিকরা দল বাইন্ধা ঠ্যঙ্গানি দেয় ইয়ে, মানে... ]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১০

মুশফিকা মুমু এর ছবি
৩.২.১ | মুশফিকা মুমু | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৮:৩২

গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি গড়াগড়ি দিয়া হাসি হায়রে কলির কাল গড়াগড়ি দিয়া হাসি
------------------------------
পুষ্পবনে পুষ্প নাহি আছে অন্তরে ‍‍


১১

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৩.২.১.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৯:১১

মুমু এত খুশি ক্যান? চিন্তিত
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১২

জুলিয়ান সিদ্দিকী এর ছবি
৪ | জুলিয়ান সিদ্দিকী | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২০:৪৪

ঘুরাঘুরির সঙ্গে ছবিগুলোও বেশ। ধন্যবাদ।

____________________________________
ব্যাকুল প্রত্যাশা উর্ধমুখী; হয়তো বা কেটে যাবে মেঘ।
দূর হবে শকুনের ছাঁয়া। কাটাবে আঁধার আমাদের ঘোলা চোখ
আলোকের উদ্ভাসনে; হবে পুন: পল্লবীত বিশুষ্ক বৃক্ষের ডাল।


১৩

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৪.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:০৪

আপনারেও ধন্যবাদ হাসি
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৪

নিঘাত তিথি এর ছবি
৫ | নিঘাত তিথি | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২১:৪০

যাক, ফেসবুকে ছবি দেখতাম, এবার বিবরণ পাওয়া গেলো কিছু। আহারে, অঁড্রে বেগম চলে যাবে? তাইলে তো ফেসবুকে তোমার এলবাম দেখে আর মজা পাবে না লোকজন!

"ফুরিয়ে যাওয়া" আবার কি রে ব্যাটা? প্রতি মুহুর্তে জীবন নতুন করে শুরু হয়। মাত্র এইটুকু বয়সেই হতাশ হলে তো হবে না...আবার শুরু কর। রেডি, স্টেডি, গো।

আরেকটা ছোট্ট কথা বলি, প্রথমে বন্ধনীর কথাগুলোর প্রসংগে একটু কিছু বলার প্রয়োজন বোধ করছি। বিশেষ করে একসময় দিনলিপি টাইপ পোস্ট মনে হয় শুধু আমিই দিতাম, এখন অনেককেই সেই রাস্তায় হাঁটতে দেখে ভালো লাগলো ...। এই কথাটা মনে হয় লিটারালিই ঠিক না। তুমি ব্লগ লেখা শুরুর অনেক আগে থেকেই এরকম দিনলিপি লেখা হয়ে আসছে। ইনফ্যাক্ট, ব্লগ-এর আসল মানেই তো ওয়েব-লগ। হিমু ভাই, শোহেইল মোতাহির চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, ধুসর গোধূলী, অরূপ"দা, কনফুসিয়াস, মাশীদ আপু...এরা শুরুই করেছিলেন দিনলিপি দিয়ে, এখনও চলছে। এছাড়াও অনেকেই অন্যান্য লেখার পাশাপাশি দিনলিপি লিখেন। সচলে এবং অন্যান্য ব্লগেও এজন্য ক্যাটাগরীতে "দিনলিপি" বলে একটা অপশনই আছে। দিনলিপি লেখার ক্ষেত্রে আরেকজনের কথা আলাদা করে না বললে মোটামুটি পাপ হয়ে যাবে, সে হচ্ছে সৌরভ। অসাধারণ লেখনী থাকা স্বত্তেও এবং অনেকে অনেক সময় গল্প-কবিতা এবং অন্য বিষয়ে লিখতে বললেও সে কেবল দুর্দান্ত সব দিনলিপিই লিখে। আরো অনেকেই লিখতেন, এখনও লিখছেন। এরা সবাই তোমার পথ ধরে হাঁটছেন, এটা কেমন যেন অদ্ভুত লাগলো ভাবতে। আশা করছি, লিখলেও আসলে এমনটাই নিশ্চয়ই বলতে চাও নি।

----------------------------------------------------
আমার এই পথ চাওয়াতেই আনন্দ


১৫

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৫.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:৩৬

উদ্ধৃতি
যাক, ফেসবুকে ছবি দেখতাম, এবার বিবরণ পাওয়া গেলো কিছু। আহারে, অঁড্রে বেগম চলে যাবে? তাইলে তো ফেসবুকে তোমার এলবাম দেখে আর মজা পাবে না লোকজন!

পুলাপান খারাপ ... ফেসবুকে গ্রুপ ছবির মধ্যেও সব হা কইরা অদ্রে বেগমরেই দেখে ... পাশে যে আরো লোকজন আছে সেদিকে কোন খবর নাই ...

উদ্ধৃতি
"ফুরিয়ে যাওয়া" আবার কি রে ব্যাটা? প্রতি মুহুর্তে জীবন নতুন করে শুরু হয়। মাত্র এইটুকু বয়সেই হতাশ হলে তো হবে না...আবার শুরু কর। রেডি, স্টেডি, গো।

ঠিক ... নিজেও সারাদিন এভাবেই ভাবার চেষ্টা করি, কিন্তু সবসময় মনে থাকে না মন খারাপ

উদ্ধৃতি
আরেকটা ছোট্ট কথা বলি, প্রথমে বন্ধনীর কথাগুলোর প্রসংগে একটু কিছু বলার প্রয়োজন বোধ করছি। বিশেষ করে একসময় দিনলিপি টাইপ পোস্ট মনে হয় শুধু আমিই দিতাম, এখন অনেককেই সেই রাস্তায় হাঁটতে দেখে ভালো লাগলো ...। এই কথাটা মনে হয় লিটারালিই ঠিক না। তুমি ব্লগ লেখা শুরুর অনেক আগে থেকেই এরকম দিনলিপি লেখা হয়ে আসছে। ইনফ্যাক্ট, ব্লগ-এর আসল মানেই তো ওয়েব-লগ। হিমু ভাই, শোহেইল মোতাহির চৌধুরী, সুমন চৌধুরী, ধুসর গোধূলী, অরূপ"দা, কনফুসিয়াস, মাশীদ আপু...এরা শুরুই করেছিলেন দিনলিপি দিয়ে, এখনও চলছে। এছাড়াও অনেকেই অন্যান্য লেখার পাশাপাশি দিনলিপি লিখেন। সচলে এবং অন্যান্য ব্লগেও এজন্য ক্যাটাগরীতে "দিনলিপি" বলে একটা অপশনই আছে। দিনলিপি লেখার ক্ষেত্রে আরেকজনের কথা আলাদা করে না বললে মোটামুটি পাপ হয়ে যাবে, সে হচ্ছে সৌরভ। অসাধারণ লেখনী থাকা স্বত্তেও এবং অনেকে অনেক সময় গল্প-কবিতা এবং অন্য বিষয়ে লিখতে বললেও সে কেবল দুর্দান্ত সব দিনলিপিই লিখে। আরো অনেকেই লিখতেন, এখনও লিখছেন। এরা সবাই তোমার পথ ধরে হাঁটছেন, এটা কেমন যেন অদ্ভুত লাগলো ভাবতে। আশা করছি, লিখলেও আসলে এমনটাই নিশ্চয়ই বলতে চাও নি।

এইখানে একটা ভুল বোঝাবুঝি হইছে ... একসময় সবাই দিনপঞ্জি দিয়েই শুরু করছিল, ব্লগিংয়ের স্বর্ণযুগে, কিন্তু সচলে মাঝে এই ধরণের পোস্ট অনেক কম দেখতাম ... নিজের পোস্টগুলিকে খানিকটা বেখাপ্পা লাগতো সব সিরিয়াস লেখার মাঝে ... সেই ধারায় খানিকটা চেঞ্জ আসছে মনে হইলো, সেটাই বলতে চাইছিলাম, কথাটা অন্যরকম শোনালে তার জন্য দুঃখিত হাসি ... যেই বসদের নাম নিলেন তাদের মত লিখতে পারলে তো কবেই ধন্য হয়ে যাইতাম ইয়ে, মানে...
[যাই হোক, রিস্ক নিলাম না, লাইনটা বদলে দিলাম :)]
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৬

দ্রোহী এর ছবি
৬ | দ্রোহী | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২২:১৯

অদ্রি............হায়!!!!!!!!!!!!!!!!


কী ব্লগার? ডরাইলা?


১৭

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৬.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:০৫

আপ্নে পুরাই গেছেন ইয়ে, মানে...
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


১৮

ধুসর গোধূলি এর ছবি
৬.১.১ | ধুসর গোধূলি | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ১৪:২৭

- আমার এইখান থাইকা ফ্রান্স যাইতে মোটে ৪ ঘন্টা লাগে! দেঁতো হাসি
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক


১৯

রায়হান আবীর এর ছবি
৬.১.১.১ | রায়হান আবীর | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ১৬:০৯

গাছে কাঁঠাল...গোঁফে ত্যাল

---------------------------------
জানিনা জানবোনা... কোন স্কেলে গাইছে কোকিল
গুনিনা আমি গুনিনা...কার গালে কটা আছে তিল


২০

ফেরারী ফেরদৌস এর ছবি
৭ | ফেরারী ফেরদৌস [অতিথি] | শুক্র, ২০০৮-০৮-০১ ২৩:৫৭

উদ্ধৃতি
টার্বো সির ঝকঝকা নীল স্ক্রীণটার দিকে চোখ কুঁচকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে যখন বাগটা খুঁজে বের করতে পারতাম তখন মোটামুটি অর্গাজমিক একটা আনন্দ হত ...

অসাধারণ উপমা দিয়েছেন! একসময় UVa র সাইটে problem solving এর টুকটাক চেষ্টা নিতাম। তখন একটা সমস্যার সমাধার করতে পারলে যা আনন্দ হত! আপনার উপমাটা ব্যাপক মনে ধরেছে চোখ টিপি


২১

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৭.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:০৮

হুম, এই সাইট একসময় অনেক সময় খাইছে ... গুড ওল্ড ডেইজ মন খারাপ
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...


২২

কবি এর ছবি
৮ | কবি [অতিথি] | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০০:০২

অদ্রি এর ছবি নাই ক্যান এইখানে ?


২৩

কিংকর্তব্যবিমূঢ় এর ছবি
৮.১ | কিংকর্তব্যবিমূঢ় | শনি, ২০০৮-০৮-০২ ০৬:০৮

আল্লা-খোদার নাম নাও ... বালিকাদের ছবি বেশি দেখা ঠিক না রেগে টং
................................................................................
objects in the rear view mirror may appear closer than they are ...