নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ব্লগ

“আমার লেখাটা কত দূর?”

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: সোম, ০৫/০৭/২০১২ - ৬:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সচলায়তনে আমি টুকটাক লেখালিখি করি। তেমন আহা মরি কিছু নই। দেশ, সমাজ এবং চারপাশের ঘটনাই আমার লেখার উপজীব্য। কিন্তু এই লেখাই হয়েছে আমার কাল। আমার বউ, তখনও সে বউ হয় নি যদিও, প্রায়ই গাল ফুলিয়ে বলতো, “তুমি এত কিছু নিয়ে লেখ কিন্তু আমাকে নিয়ে তো কিছু লেখ না”। আমি চিন্তায় পড়লাম। ভাবলাম, লজ্জার মাথা খেয়ে হয়তো লিখতে বসলাম, কিন্তু তারপর? হবু বউকে নিয়ে কী লিখবো? চিন্তায় চিন্তায় দিন কাটাই। কিছু লিখতে পারি না। মাঝে মাঝে বউ বলতো, “আমার লেখাটা কত দূর?”। আমি চুপ করে থাকতাম। এক সময় অন্য প্রান্ত থেকে প্রশ্ন করা বন্ধ হয়ে যায়। আমি হাঁপ ছেড়ে বাঁচার পরিবর্তে আরো উদ্বিগ্ন হই। নারীর নীরবতা ভয়ঙ্কর জিনিস!


প্রবাসী আয় (রেমিটেন্স) এবং অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: সোম, ০৪/২৩/২০১২ - ৫:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গতকাল আগামী অর্থবছরের বাজেট বিষয়ে দেশের অর্থনৈতিক সাংবাদিকদের সংগঠন ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় মাননীয় অর্থমন্ত্রী দেশে প্রবাসীদের পাঠানো টাকা তথা রেমিটেন্সকে কালো টাকার অন্যতম উৎস হিসেবে উল্লেখ করেছেন [১]। অর্থমন্ত্রী বলেছেন,

অন্য দেশে আয় করে আমার দেশে পাঠাচ্ছে। এদের ওপর কোনো কর আরোপ করা হয় না। এতে টাকা কালো হচ্ছে।


টাইম লাইনঃ বাংলাদেশের পাকিস্থান সফর নিয়ে কে কী বলছেন (হালনাগাদকৃত)

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/১৭/২০১২ - ৭:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাকিস্থানের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সে দেশে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলতে যাওয়ার ব্যাপারে বিভিন্ন দেশ এবং ব্যক্তিকে অতীতে অস্বস্তি প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছিল। তবে ২০০৯ সনে শ্রীলঙ্কার জাতীয় ক্রিকেট দলের বাসে অস্ত্রধারীরা হামলা চালানোর পর থেকে পাকিস্থানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সম্পূর্ণ রূপে বন্ধ রয়েছে। মাঝে মাঝে কয়েকটি দেশ বিভিন্ন নিরপেক্ষ ভেন্যুতে পাকিস্থানের সাথে খেললেও পকিস্থানে গিয়ে না খেলার সীদ্ধান্তে অটল থেকেছে পুরো আন্তর্জাতিক গোষ্ঠি।


এপ্রিল ফুল এবং মুসলিমদের পুড়ে মারার ভ্রান্ত গল্প

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: রবি, ০৪/০১/২০১২ - ৬:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাঙালির ধর্মচর্চা যতটা না উপাসনালয় কেন্দ্রীক, তার থেকে অনেক বেশি তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক। যখন কলেজে পড়তাম, সেই ১৯৯৯ - ২০০০ সনের ঘটনা, তখন ইমেইল পেতাম বার্তা সহ। ঐ ইমেইল ফরোয়ার্ড না করলে গজব আসবে, ধ্বংস হয়ে যেতে হবে ইত্যাদি। এর পর মোবাইল ফোন জনপ্রিয় হবার পর একই ধরনের বার্তা আসতে লাগলো এস.এম.এস এর মাধ্যমে। আর এখন স্যোসাল নেটওয়ার্কিং এর যুগে প্রতিদিন সকালে ফেইসবুক খুলে বসলে ওয়ালে ওয়ালে ছড়িয়ে থাকে শত শত বার্তা। যারা ছড়াচ্ছে, তারা জানারও চেষ্টা করছে না যে সত্য ছড়াচ্ছে নাকি মিথ্যা। তার উপর এক শ্রেনীর স্বল্প শিক্ষিত মোল্লা তার অজ্ঞতাকে তথাকথিত শিক্ষিত হবার মোড়কে ঢেকে সাধারণ মানুষদের করছে আরো বিভ্রান্ত। তারই রেশ ধরে আমরা জানতে পারি এপ্রিল ফুলের ইতিহাসের মুসলিম সংস্করণ। মিথ্যে এবং বানোয়াট গল্প দিয়ে গড়া এই ইতিহাস।


ভারত বনধঃ যে কারণে গুরুত্বপূর্ণ

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: সোম, ০৩/১২/২০১২ - ২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুটো দেশের সম্পর্ক কেমন সে বিষয়ে বেশ ভালো ধারণা পাওয়া যায় তাদের বর্ডার দেখে। এই বর্ডার যে শুধু দুটো দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিষয়ে ধারণা দেয় তা নয়, পাশাপাশি দেশ দুটোর মানসিকতারও একটা চিত্র তুলে ধরে। ইউরোপের মূল ভূখণ্ড তথা “মেইন ল্যান্ড ইউরোপ”-এর মধ্য ভাগ থেকে শুরু করে যত উত্তরে যাবেন ততই বিস্মিত হবেন সেখানকার বর্ডার দেখে। অন্য ভাবে বলা যায় বর্ডারের অনুপস্থিতি দেখে। গাড়ি চালিয়ে এক দেশ থেকে আরেক দেশে আন্তর্জাতিক সীমানা পার হয়ে চলে গেলেও টের পাওয়া যায় না। ইউরোপের মূল ভূখণ্ডের সাথেই লাগোয়া ব্রিটিশ আইলস-এ অবস্থিত যুক্তরাজ্য এবং আয়ারল্যান্ডের মাঝেও একই ভাবে কোন বর্ডার নেই। খোদ ব্রিটিশ পার্লামেন্টে আইন করে এখানকার বর্ডার তুলে দেয়া হয়েছে। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা রয়েছে স্থলপথে এই বর্ডার অতিক্রম করার। মোবাইল ফোনে যখন নেটওয়ার্ক পরিবর্তনের বার্তা আসে তখন বুঝেছিলাম বর্ডার অতিক্রম করেছি; কোন চিহ্ন দেখে নয়।


আহত বোধ এবং এলোমেলো ভাবনা

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: বুধ, ০২/২২/২০১২ - ৯:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত বছর অর্থাৎ ২০১১ সনের ফেব্রুয়ারী মাসের ঘটনা। আমি তখন থাকতাম ডাবলিনে। ছুটিতে দেশে গিয়েছি বেড়াতে। উদ্দেশ্য প্রায় সাড়ে তিন বছর পর পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করা। সাথে আরেকটা গোপন উদ্দেশ্যও ছিল। সেটা অনেক দিন পর বইমেলা ঘোরা। সেজন্যেই মূলতঃ ছুটিটা ডিসেম্বর-জানুয়ারী থেকে সরিয়ে ফেব্রুয়ারী মাসে নেয়া।


বৃটেন এবং আয়ারল্যান্ড-এ উচ্চ শিক্ষা –৩ (স্কলারশিপ)

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: সোম, ০২/২০/২০১২ - ৯:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথমেই আপনাদের ধন্যবাদ জানিয়ে নিচ্ছি আমার এই সিরিজের প্রতি আগ্রহ প্রকাশের জন্যে। শুরুতে যেভাবে বলেছিলাম, এখনও বলবো, আমার লক্ষ্য যারা বৃটেন এবং আয়ারল্যান্ডে পড়তে আসতে চান তাদের কাছে তথ্য পৌছে দেয়ার মাধ্যমে তাদের সচেতন করে তোলা। প্রথমদ্বিতীয় পর্বে আমি আলোচনা করেছি যথাক্রমে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং সেগুলোতে ভর্তির প্রস্তুতি নিয়ে। যারা এই পর্ব থেকে সিরিজটা পড়তে শুরু করেছেন, তাদের অনুরোধ করবো প্রথম দুটো পর্ব পড়ে আসার জন্যে। এই পর্বে আমি বিভিন্ন স্থানে ঐ দুটো পর্বে আলোচনা করা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং ডিগ্রীর কথা উল্লেখ করবো।


বৃটেন এবং আয়ারল্যান্ড-এ উচ্চ শিক্ষা –২ (কোর্স, ডকুমেন্ট প্রস্তুতি এবং আবেদন)

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: বিষ্যুদ, ০২/০২/২০১২ - ১০:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত পর্বে লিখেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে। এ পর্বেও ঘুরে ফিরে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আসবে। তবে এবার আমার মূল উদ্দেশ্য থাকবে বিভিন্ন কোর্স, ডকুমেন্ট প্রস্তুতি এবং আবেদন করার নিয়ম নিয়ে আলোচনা করা।


বৃটেন এবং আয়ারল্যান্ড-এ উচ্চ শিক্ষা – ১ (বিশ্ববিদ্যালয় পরিচিতি)

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: বুধ, ০২/০১/২০১২ - ৯:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার এ লেখার মূল উদ্দেশ্য প্রকৃত ছাত্রছাত্রীদের কাছে সহজ ভাবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন করার পুরো প্রক্রিয়া তুলে ধরা। বর্তমান ইন্টারনেটের যুগে ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্যই কয়েকটা মাউস ক্লিকের মধ্যে হাতের নাগালে চলে আসে। আবেদন করার প্রক্রিয়াটাও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অনলাইন করে দিয়েছে, এমন কি রেফারেন্স লেটার পাঠানোর ব্যবস্থা সহ। যে জানে ফেইসবুক কীভাবে ব্যবহার করে, সে আবেদনও করতে পারেবে নিজে নিজেই এবং কোন রকম এ্যাজেন্টের সাহায্য ছাড়াই।


মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবকে একজন তরুণ

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: শুক্র, ১০/১৪/২০১১ - ৪:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গতকাল রাতে আমি আপনার লেখাটা পড়লাম। পড়ার পর মনে বেশ কিছু প্রশ্ন জাগলো। কিছু কথা যা আপনাকে জানানো প্রয়োজন মনে করলাম। আমি জানি আপনি আমাকে চেনেন না। চেনার কথাও নয়। আমি নিতান্তই সাধারণ এক তরুণ। আমার মত তরুণ বাংলার আনাচে, কানাচেতে ছড়িয়ে রয়েছে। রাজনীতি থেকে আমি সব সময় শত হাত দূরে থেকেছি। কিন্তু তবুও আজ লিখতে বসলাম। কারণ প্রধানতঃ দুটো। আপনার লেখার শুরুতেই আপনি উল্লেখ করেছেন শত ব্যস্ততার মাঝেও আপনি ব্লগ এবং সোস্যাল নেটওয়ার্কিং এর সাইটগুলো দেখার চেষ্টা করেন। যার অর্থ কোন না কোন ভাবে আপনার চোখে আমার লেখাটা পড়লেও পড়তে পারে। পড়বেই যে, তা জোর দিয়ে বলতে পারবো না। কিন্তু সম্ভাবনা রয়েছে। আর দ্বিতীয় কারণটা আপনার লেখার শিরোনাম। আপনি তরুণ সমাজকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন। আমি তাদের প্রতিভূ হয়েই আপনাকে আজ লিখতে বসেছি।