১৯৫০ এর বরিশাল থেকে ২০০২ গুজরাট, জীবন্ত চোখের উপাখ্যান, ২

তাপস শর্মা এর ছবি
লিখেছেন তাপস শর্মা [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৪/০৯/২০১১ - ২:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

টুইটারের স্ক্রিনে ভেসে আসল একটা বার্তা - ‘গড ইজ গ্রেট’। সাথে সাথেই খুশির জোয়ার। অসংখ্য অভিনন্দন।

বার্তা প্রেরক নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী,গুজরাট। গড গ্রেট এই কারনেই যে গুজরাট দাঙ্গার কেলেঙ্কারি থেকে অলমোস্ট রেহাই পেতে চলেছেন অন্যতম অভিযুক্ত নরেন্দ্র মোদী। ১২ সেপ্টেম্বর সোমবার তাই একটা ঐতিহাসিক দিনই বটে!

ফেব্রুয়ারি, ২৪, ২০০২, গুজরাট

দাঙ্গা উন্মত্ত গুজরাটের গুলবার্গ সোসাইটি এলাকায় বীভৎস পরিস্থিতি। না, ঘরে নিরাপত্তা রক্ষীদের ছত্রছায়ায় নিশ্চিত আশ্রয়ে থাকতে পারেননি এহসান জাফরিন। অসহায়দের বাঁচাতে নিরস্ত্র অবস্থায় ছুটে গেলেন গুলবার্গ এলাকায়। তারপর তার আর ঘরে ফেরা হয়নি। ২৪ ফেব্রুয়ারি,২০০২, এলাকার নিরীহ মানুষকে বাঁচাতে গেলে কংগ্রেস সাংসদ(এম.পি) এহসান জাফরিনকে জীবন্ত পুড়িয়ে মারেন দুর্বৃত্তরা। ওই দিনই গুলবার্গে একই ভাবে আরও ৬৩ জনকে হত্যা করা হয়।

একটা সাধারণ তথ্য: আগুনের সেই জোয়ারে শুধুমাত্র গুজরাটেই প্রাণ হারান ১২০০ নিরিহ মানুষ। সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিচ্ছিন্ন দাঙ্গায় নিহতের পরিমাণ এখনো পর্যন্ত ঠিকভাবে হিসেব করে বলতে পারেনি কেউ। হিন্দু মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অন্যান্য দেশেও এর আঁচ পড়ে। ধর্ম ব্যবসায়ীরা লোলুপ দাঁতে থাবা বসায় বুকের পাঁজরে।

তারপর
শুরু হল রাজনৈতিক পরিমণ্ডলের সবচেয়ে বড় প্রহসন লীলা। গুলবার্গের অভিযুক্তদের তালিকা প্রস্তুত করতে শুরু করে সরকার। অভিযোগের আঙুল উঠে নরেন্দ্র মোদীর উপর। গোটা বিশ্ব দেখেছে কিভাবে নিষ্ক্রিয় থেকে রক্ত খাদকদের পিপাসা মিটিয়েছে মোদী, আবার প্রত্যক্ষ মদত। গঠিত হল তদন্তকারী কমিটি NIT…. মামলা উঠলো সুপ্রিম কোর্টে। তদন্তকারী কমিটি রিপোর্ট পেশ করলেন, না, নরেন্দ্র মোদি মহাশয় সজ্জন মানুষ এবং গুজরাট দাঙ্গায় তার কোন ভূমিকা নেই, তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ।
দেশের বিভিন্ন মহল থেকে আপত্তি উঠল এই তদন্তের বিরুদ্ধে। ওই রিপোর্টের পুনঃমূল্যায়ন এর দায়িত্ব পান বরিষ্ঠ আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রমন। তারপর দীর্ঘ অপেক্ষার পথ চলা শুরু...

সেপ্টেম্বর, ১২, ২০১১, দিল্লি

সারা দেশ তাকিয়ে। কি হবে? প্রকাশ পাবে সত্য তথ্য। বেরিয়ে আসবে মানবতা হরণকারী বর্বরদের আসল মুখ। খুলেছে, সব তথ্যই খোলা হল সোমবার।
তিনজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত সুপ্রিমকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিলেন শীর্ষ আদালত আর এই মামলাটির মনিটর করবেনা। এবার এই মামলার ভাগ্য নির্ধারণ করবে গুজরাটের নিম্ন আদালত! সেই আদালত ঠিক করবেন এই মামলায় নরেন্দ্র মোদী সহ অভিযুক্ত বাকি ৬৩ জনের বিরুদ্ধে আর তদন্ত হবে কিনা?
তাহলে আইনজীবী রাজু রামচন্দ্রমনের পুনঃমূল্যায়নের রিপোর্টের কি হল।
জবাব : গোপনীয়তার কারণে তা প্রকাশ করা যাবে না!!
বিজেপির সদর দফতরে আনন্দের বন্যা বয়ে গেলো। চারিদিক থেকে মোদীকে শুভেচ্ছার আস্তরণে সাজিয়ে দেওয়া হল, আহা কি আনন্দ!!
রাস্তার ছাগলটাকেও বোধ হয় বুঝিয়ে বলে দিতে হবে না এই মামলার শেষ পরিণতি কী হতে চলেছে! নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে মমালা চালাবে তারই রাজ্যের নিম্ন আদালত!

অতঃপর......... ২০১৩ সাল
ভবিষ্যতের উড়োজাহাজে করে গুজরাটে গিয়ে ঢুঁ মারার প্রয়োজন নেই, নেই জটিল অংক। এক বছর পর ফের সহজেই গুজরাটের মসনদে বসছেন মহামহিম নরেন্দ্র মোদী। আর একটা কথা, বেশি অঘটন নয়, লালকৃষ্ণ আডবানি ঝরে গেছে, গডকরির প্রশাসনিক দক্ষতার উপর ভরসা নেই নেতৃত্বের... তাই বিজেপি দিল্লির দরবার দখল করতে পারলে হিন্দু মৌলবাদী সঙ্ঘ পরিবারের লালিত সন্তান নরেন্দ্র মোদী হয়ে যেতে পারেন পিএম অফ ইন্ডিয়া!!!

নে ভাই এইবার দাঙ্গার বিচার কর.....................

বরিশাল, ১৯৪৫

এটা সেই দিনের কথা যখন মণ্টু দাস আর মনসুর আলিরা একসাথে নৌকা নামাতেন কীর্তনখোলার বুকে। মায়ের বকুনির শেষ নেই তার দুষ্টু মেয়েটির প্রতি। দুপুরের স্তব্ধতা খানখান করে দিয়ে গুঞ্জে উঠে মায়ের গলা, কই মরলি! আমারে আর শান্তিতে থাকতে দিলিনা। মা গো মা, আমি কি করি। দিনকে দিন কি দস্যি হয়ে উঠছে মেয়েটা।
এভাবেই চলে যায় জীবন, তার ধারাপাত।
সকাল সকাল কাঁখে কলসি নিয়ে হেলতে দুলতে বেরিয়ে গেলো দস্যি মেয়েটা। সামনের গলিটা পেড়িয়ে দুটো গলি ক্রস করেই সে চুপি চুপি এসে দাঁড়াল একটি বাসার সামনে। তারপর আলতো ভাবে ডাকল- কমলা দি...
তারপর চুপচাপ মাত্র দুই মিনিটের অপেক্ষা। রাঙা ঠোঁটের কোনে হাল্কা হাসি ঝুলিয়ে হাজির ষোড়শী কমলা।
এসেই নির্দেশ- চল, তাড়াতাড়ি। বুড়ো বামনাটা দেখে ফেললে বিপদ।
অসম বয়সের দুটি মেয়ে এসে হাজির হল কীর্তনখোলার ঘাটে। সকালের স্মিত সূর্য চুমু এঁকে দিয়ে যায় কীর্তনখোলার সাদা সায়রে। ঘাটের এক প্রান্তে পা ছড়িয়ে বসে পড়ল তারা। একটু পরেই দেখা গেলো একটি নৌকা, নদীর ওপারে। আর তাতে রয়েছেন তাদের কতকালের পরিচিত ছোট মিয়া। ছোট মিয়ার বয়স ষাটের উপর। মেয়ে দুটি তার নাম জানেনা, কোন দিন সামনে থেকে কথাও বলেনি। তবুও আসতে যেতে ছোট মিয়া নদীর বুকে তাদের আপন জন। আদর করে দু’জনে মিলে তার নাম দিয়েছে ছোট মিয়া। সকাল সকাল ছোট মিয়াকে দেখেই তারা ঝর্ণার কল্লোলিত লেহেরে হেসে বলে উঠল - সালাম ওয়ালেকুম ছোট মিয়া। জবাবে ও প্রান্তে থাকা ছোট মিয়া গাল ভরে হাসি উপহার দেয়। তারা আবারো জিজ্ঞাসা করে আজ কোথায় যাওয়া হচ্ছে? এবার উত্তর আসে – যাচ্ছি সামনের উজানের দিকে। মেয়ে দুটি আবারো খিলখিল করে হেসে উঠে। ছোট মিয়া নৌকাটা খানিক্ষন দার করিয়ে রেখে প্রাণ ভরে কৈশোরের উচ্ছ্বাস দেখে। তারপর নৌকা ভাসায়। যেতে যেতে বিড়বিড় করে আপন মনে বলে যায়, বাইচা থাক সুখে থাক।

সেখান থেকে ৫ বছর পর শেয়ালদা স্টেশনে ট্রেন থেকে যে কিশোরীটি নামে, তার সঙ্গে আগের কীর্তনখোলার ঘাটের হাসি কন্যার কোন মিল নেই, পথের অকথ্য গঞ্জনার রেশ লেগে আছে তার ভয়ার্ত চোখে। কি দেখছে সে, হাজার হাজার মাথা। যে যেদিকে পারছে ছুটছে। সে ডাকে- কমলা দি। নাই কোথায়ও নেই কমলা দি। হঠাত তার মনে পড়ে কমলা দির নাম ধরে ডাকলেও নাকি খারাপ হবে, বাড়িতে থাকতেই তা বলে দেওয়া হয়েছিল তাকে। কেন ? না, কমলা দি নষ্ট হয়ে গেছে? সে একটা মুসলিম ছেলের সাথে পালিয়ে গেছে.........

গুজরাট,১৯৪৭

সারা দেশে একটা অস্থির গুমোট ভাব। এই শোনা জাচ্ছে বৃটিশরাজ খুব তাড়াতাড়ি ভারত ছেড়ে চলে যেতে পারেন। দেশের মানুষ অস্থির চঞ্চল, কখন যে কি হবে। ৪৬ এর রক্ত এখনো লেপটে আছে দেশের বুকে। এই অবস্থায় সবচেয়ে অশান্তিতে আছে যে মানুষটি উনি এখন সবরমতিতে। রাত এগারোটা। সারাদিনের প্রচন্ড গরমের শেষে বাইরে এখন একটা ভারি বাতাস বইছে। শীর্ণ মানুষটি এক ঘণ্টা ধরে বারান্দায় বসে আছেন। আশ্রমের কেউ তাকে বিরক্ত করতে আসেনি। উনি ভাবছেন। ভাবছেন একটা চিঠির উত্তর। এদিকে রাত বাড়ছে দেখে রাতের দায়িত্বে থাকা ছেলেটি এসে হাল্কা ভাবে ডাকল- বাপু। কোন উত্তর নেই। ৫ মিনিট দাঁড়িয়ে থেকে সে আবার ডাকল- বাপু। এবার উত্তর সংক্ষিপ্ত এল- হ্যাঁ। ছেলেটি বলল- ঘুমুতে যাবেন না। আবার মিনিট দশেক নিরবতা। তারপর হঠাত উঠে দাঁড়ালেন তিনি। গুটিগুটি পায়ে নিজের শোবার ঘড়ে গিয়ে ধীরে দরজা বন্ধ করে দিলেন তিনি। আজ রাতেও ঘুমুতে পারবেন না মোহন দাস করমচাঁদ গান্ধি...

সেপ্টেম্বর, ২, আগরতলা

নজরুল কলাক্ষেত্র, আনন্দ পেক্ষাগৃহ। কাটায় কাটায় ছয়টা, শেষ হল অস্ট্রেলিয়ান পরিচালক উইলিয়াম নেশশেন এর ‘দ্যা ব্লেক রোড : অন ফ্রণ্ট লাইন্স অফ আরচিস ওয়ার’। ইন্দোনেশিয়ার বিদ্রোহী আরচিনিসদের দেখতে দেখতে আমাদের মাওবাদীদের চেহারা ভেসে উঠছিল।
আধ ঘ্ন্টা ব্রেক। তারপর লাস্ট ডকুটা শুরু হবে। হল থেকে বেরিয়ে একটু বাইরে আসব, এমন সময় সামনের দিকের সিট থেকে ডেকে উঠল অনিমেষ। অগত্যা যেতেই হল। গিয়ে তার পাশে বসতে না বসতেই,- তাপসদা গতকালের লেখাটা জাস্ট গ্রেট হয়েছে তোমার। ওফ শুভাশিসদা তো সকালবেলা পত্রিকা খুলেই তোমার লেখা...... তারপর অনিমেষের কথার ফুলঝরি সামলাতে সামলাতে ঘড়ির কাটা ৬.৩০। লাইটগুলো অফ হয়ে গেল। আমার পেছনের দিকের এক ভদ্রলোক তার নিজস্ব ভদ্র মহিলাকে বলছেন- বাংলা ডকুমেন্টারি। শুনো ভাল না লাগলে তাড়াতাড়ি চলে যাব কিন্তু। মহিলার হ্যাঁ সূচক বাক্যকনা হজম করতে করতে দেখলাম পর্দায় ভেসে উঠেছে -- ‘ওয়ে ব্যাক হোম (আবার আসিব ফিরে)’ – বাই, সুপ্রিয় সেন। আবার অনিমেষের কথা, তাপসদা ছেলে তার বাবা মাকে নিয়ে বানিয়েছে গোটা..., আমি মাথা নাড়িয়ে সায় দিয়ে জানালাম আমি জানি, তারপর ঠোঁটে সোজা আঙুল করে চুপ মার্কা চিহ্ন বসালাম। নিরস্ত হল সে। তারপরও দশ মিনিট পর্যন্ত হলের মধ্যে হাল্কা গুঞ্জন। তারপর ১১৮ মিনিটের পিন ড্রপ সাইলেন্স। আমার চোখে দেখা আমার জীবনের দীর্ঘতম ফিল্ম চলাকালীন সাইলেন্স।
ঠিক ৮.৩০ এ শেষ হল। অনিমেষ চুপ, কোন কথা নেই। পেছনের ভদ্রলোকের কথা ভুলেই গেছিলাম। এবার পেছনে তাকালাম উনি আছেন কিনা ......

দেখলাম, উনি রুমাল দিয়ে চশমার ফাঁক দিয়ে চোখের জল সরাচ্ছেন। আমাকে দেখতে দেখে লজ্জা পেয়ে গেলেন। তারপর স্ত্রীর উদ্দেশ্যে বললেন চলো .........

ক্রসব্যাক :

নাইন্টিন ফোরটি সেভেন, আগস্ট ফিফটিন - পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতির টেরেটোরিকে তিন টুকরো করার বন্দোবস্ত করে কাগুজে স্বাধীনতা দিয়ে বিদায় নিল সাদা মানুষেরা।

{-ক্রমশঃ-}

প্রথম পর্ব

সেপ্টেম্বর, ১৪,(১.৪৬ এ.এম)
আগরতলা।


মন্তব্য

কল্যাণF এর ছবি

চলুক

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ । কল্যাণF

আয়নামতি এর ছবি

উত্তম জাঝা! + মন খারাপ

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ । আয়নামতি

mamun এর ছবি

আপনার দীর্ঘায়ু কামনা করি।

তাপস শর্মা এর ছবি

দোয়া করবেন ভাই মামুন, আর পাশে থাকবেন আশা করি।

নীড় সন্ধানী এর ছবি

দারুণ লিখেছেন। চলুক
শেষটা কি গল্প নাকি ছবি দেখার ব্যাপারটা সত্যিই ঘটেছে। ছবিটা সম্পর্কে জানতে চাই যদি গল্প না হয়ে থাকে।

‍‌-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ । নীড় সন্ধানী
সবটাই সত্যি। অন্য প্রেক্ষাপটের সাথে এই লেখায় তাদের কথাই লিখছি, Deconstruct করে।

আরেকজন  এর ছবি

লেখার টোনটা সাসপেন্সে ভরা!

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ, আরেকজন মহাশয়।

মন এর ছবি

গুজরাটের কথা যত পাচ্ছি ১৯৫০ বা তার আগের কথা ছুঁয়ে যাওয়া হচ্ছে ।আর তথ্য বহুল হওয়া উচিত। বিষয়টি অত্যন্ত গভীর । মনে হচ্ছে ১৯৫০ বা ততপুরবের কথা বলতে একটি ভীতি কাজ করছে ।

তাপস শর্মা এর ছবি

মন,
জি না দাদা,

মনে হচ্ছে ১৯৫০ বা ততপুরবের কথা বলতে একটি ভীতি কাজ করছে ।

ভয়ের কি আছে? এখানে যতটুকু পারি তুলে আনার চেষ্টা করব। পাশে থাকবেন আশা করি

রোমেল চৌধুরী এর ছবি

বাপরে, একের পর এক পর্দা সরিয়ে দিচ্ছেন দেখি! এখনি কোন মন্তব্য করতে চাই না। আগে দেখি, কোথাকার পানি কোথায় গড়ায়। শুভকামনা।

------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------
আমি এক গভীরভাবে অচল মানুষ
হয়তো এই নবীন শতাব্দীতে
নক্ষত্রের নিচে।

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ, রোমেল চৌধুরী মহাশয়

পাশে থাকবেন আশা করি।

অরুপ নাহিয়ান এর ছবি

ইতিহাস কুহেলিকাময়....কখনো মনে হয় এত প্রাণহানির জন্য সোহরাওয়ার্দি দায়ী,কখনো মনে হয় গান্ধীজী.....আশা করি আপনার লেখায় এর সদুত্তর পাবো..... চলুক পপকর্ন লইয়া গ্যালারীতে বইলাম

তাপস শর্মা এর ছবি

জানিনা কতটা উত্তর দিতে পারব। তবে চেস্টা করব, নিজের সাধ্যমত।
পাশে থাকবেন আশা করি।

নজমুল আলবাব এর ছবি

দুটি পর্বই পড়লাম। ভালো লাগছে

তাপস শর্মা এর ছবি

আপনাকে ধন্যবাদ

আশালতা এর ছবি

লিখুন, সাথে আছি।

----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদআপনাকে। আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

mita এর ছবি

সাথে আছি। শুভ কামনা রইল।

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ। আপনার প্রতিও শুভ কামনা রইল

রাতঃস্মরণীয় এর ছবি

অসাধারণ! লিখছেন তো না, যেনো বলছেন। থেমে যাবেন না যেনো। মনের চোখে ভেসে উঠছে দৃশ্যগুলো। ধন্যবাদ।

লেখায় পাঁচতারা।

------------------------------------------------
প্রেমিক তুমি হবা?
(আগে) চিনতে শেখো কোনটা গাঁদা, কোনটা রক্তজবা।
(আর) ঠিক করে নাও চুম্বন না দ্রোহের কথা কবা।
তুমি প্রেমিক তবেই হবা।

তাপস শর্মা এর ছবি

চেষ্টা করব দাদা। আমি থেমে থাকতে চাইনা , তবে কাল অনেক সময় গতিপথ আটকে দেয়।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মৃত্যুময় ঈষৎ এর ছবি

অসাধারণ গঠন, চলন, লেখনী, তাপসদা। চুম্বকের মতো ধরে রাখে, রেশ থাকে, পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় রাখে..........দুর্দান্ত গতিতে চলুক..........সত্য কথা বলে উঠুক!!!! চলুক


_____________________
Give Her Freedom!

তাপস শর্মা এর ছবি
গেরিলা এর ছবি

শেষ ডকুমেন্টরীটার নামটা কি???....'ওয়ে ব্যাক হোম'...নাকি অন্য কিছু.............অনলাইনে কি পাওয়া যাবে?

তাপস শর্মা এর ছবি

হাসি ওয়ে ব্যাক হোম। আমি আগামি পোষ্টে জিপ ফাইল সহ আপলোড করে দিতে চেষ্টা করব। যাতে আপনারা ডাউনলোড করে নিতে পারেন।

জলধি রায় এর ছবি

কুব ভালো লাগছে । চলুক ।

তাপস শর্মা এর ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ।

রু (অতিথি) এর ছবি

পরের পর্বের অপেক্ষায় আছি। লিখতে থাকুন, পড়ছি।

তাপস শর্মা এর ছবি

অসংখ্য ধন্যবাদ। পাশে থাকবেন আশা করি।

কর্ণজয় এর ছবি

পছন্দের পোস্টে রাখলাম আপনার লেখাটা…

তাপস শর্মা এর ছবি

ধন্যবাদ দাদা। পাশে থাকবেন সবসময় আশা করি।

তানিম এহসান এর ছবি

সাদা মানুষেরা বিদায় নেয়নি, এখন আরো বেশি তৎপর, চিরকাল তৎপর। খুব করে চাইবো তাদের এই বিদায় না নেয়া, তাদের প্রেতাত্মার ছায়া আপনার লেখায় কিছুটা হলেও উঠে আসবে! পরবর্তীপর্বের অপেক্ষায় থাকলাম!

তাপস শর্মা এর ছবি

সাদা মানুষেরা বিদায় নেয়নি, এখন আরো বেশি তৎপর, চিরকাল তৎপর।

আপনারে অসংখ্য -ধইন্যাপাতা-

পাশে থাকুন ভাই, আমরা সবাই মিলে এদের ধিক্কার জানাব।

কৌস্তুভ এর ছবি

দেরি হল, কিন্তু পড়লাম। পরের পর্ব আসুক জলদি।

আশফাক আহমেদ এর ছবি

এই পর্বে আলোচনা কম। তাও ভাল্লাগলো

-------------------------------------------------

ক্লাশভর্তি উজ্জ্বল সন্তান, ওরা জুড়ে দেবে ফুলস্কেফ সমস্ত কাগজ !
আমি বাজে ছেলে, আমি লাষ্ট বেঞ্চি, আমি পারবো না !
আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।