কনকনে শীতের এক নভেম্বর সন্ধ্যায় প্রথম দেখা হলো আমাদের। কফি হাউসে। আমার হাত-পায়ের তালু ঘেমে, নেয়ে অস্থির। এ্যাড্রিনালিন রাশ। কান দিয়ে কেন জানিনা গরম ধোঁয়া বেরুচ্ছে। আশঙ্কাজনক নার্ভাস হয়ে বসে আছি।
দরজা আলতো ঠেলে ভেতরে এলেন আপনি। দূর থেকে আপনাকে এক পলক দেখেই আমার যা হওয়ার তা হয়ে গিয়েছে! ধপাস্ করে প্রেমে পড়ে গেলাম!! আর তক্ষুনি বিষন্ন, একা ঢাকা শহরে শীতের সন্ধায় হুড়মুড়িয়ে বসন্ত নেমে এলো। সবগুলো রাস্তা আগুনরঙা কৃষ্নচুড়া ফুলে ছেয়ে গেল। শিমুল-তুলো গুলো ব্যস্তবাগিশ হয়ে কি করবে বুঝতে না পেরে এদিক-ওদিক দিশেহারা ওড়াউড়ি করতে লাগল। একশো আটটা প্রজাপতি ওদের ডানার সব রঙ ঝেড়ে দিল আমার চোখের পাপড়িতে।
দূর থেকে প্রথম চোখাচোখি হতেই আমার সবকিছু ভেঙ্গে পড়ে যেতে শুরু করল। আনন্দে। সুখে। নিজের ভেঙ্গে পড়ার শব্দ শুনে নিজেই লজ্জায় ত্রস্ত হচ্ছি! সামনে এসে আলতো হেসে বললেন,”তোমাকে তুমি ডাকার অনুমতি দেবে?”…দেব না মানে?! পুরো পৃথিবী, আকাশ-বাতাস, ঘর-বাড়ি, শেকড়-বাকড় সব উপড়ে, উজার করে দেব ঐ হাসির জন্য।
জীবনে প্রথমবারের মত আব্বু-আম্মু একটা কাজের কাজ করেছেন; দেশের সবচে’ সুন্দর হাসির, অসহ্য সুন্দর কন্ঠের এলিজিবল ব্যাচেলরটিকে আমার জন্য খুঁজে বের করেছেন। আমার বাউন্ডুলে, ঝলমলে ‘জিপসি জীবন’টা বিয়ে করে নিজহাতে বরবাদ করতে হবে, এই আতঙ্কে এতদিন অসামাজিকভাবে ছুটোছুটি করে বেড়িয়েছি এদেশ, ওদেশ। আজ, এই মুহূর্তে মনে হচ্ছে, এঁর সাথে বিয়ে না করে এতদিন বাঁচলাম কি করে?!
নিজের সম্পর্কে কিছুক্ষন বললেন। আমি মুগ্ধ হয়ে শুনছি। আপনার সাধ-স্বপ্ন-ইচ্ছের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন আমাকে। নিজের মূল্যবোধ, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ইত্যাদি নিয়েও বললেন। কফির কাপে শেষ চুমুক দিয়ে বললেন, “সিনাট্রা শোনো তুমি?”
…”আমি সব ধরনের গান শুনি তবে বেশি শুনি হেভি মেটাল… থ্র্যাশ মেটাল”…
ও মা সে কি! আপনার মাথায় বজ্রপাত হলো নাকি?! “Jesus! মেটাল লাভার গ্রুপের ছেলেমেয়েরা তো ভীষন উচ্ছৃঙ্খল, বেপরোয়া হয়!! ড্রাগস্, বুজ, গ্রুপ সেক্স, সব ধরনের অনৈতিক কাজে এদেরকে পাওয়া যায়। এসব আন্ডারগ্রাউন্ড মেটালরা অসুস্থ, উদ্ভট জীবন যাপনে বিশ্বাসী!!! আমি ভাবতেই পারছিনা তুমি এদেরই একজন।ওয়াইফ ম্যাটেরিয়াল মেয়েরা এরকম হলে মানায় না। আমার ওয়াইফকে মেটাল-ফেটাল শোনা বাদ দিতে হবে কিন্তু”…বলে ডান চোখ টিপে হাসলেন একটুখানি। এই যাহ্, আবার ঐ সর্বনাশা হাসি! বাঁকা চোখের চাহনি তীর হয়ে সোজা বুকের বামপাশের ঠিক মাঝখানে গিয়ে বিঁধল।
প্রথম দেখার, প্রথম পরিচয়ের, প্রথম পনেরো মিনিটে মেটাল মিউজিক লাভারদের নিয়ে যে মূল্যবান পর্যবেক্ষন ব্যক্ত করলেন, তা এক কথায় ‘অতুলনীয়’। মুগ্ধতা তখন আমার তুঙ্গে। বললাম, “মেটালদের নিয়ে আরও কিছু বলুন না, প্লীজ। শুনতে ভালো লাগছে”। আপনিও আপনার মেটাললব্ধ সব জ্ঞান অকৃত্রিম ভালবাসায় উজাড় করে ঢেলে দিলেন, “ওদের বিকট ডিসপোজিশন, আনস্মার্ট লম্বা চুল…গ্রুসাম ক্লোদিং স্টাইল…জঘন্য। গানের নামে কেবল চীৎকার আর শোরগোল। এই হলো পাশ্চাত্যের পোস্ট-মডার্ন দিকভ্রান্ত যুবসাজের আসল হাল হকিকত। টোটালী গ্রোটেস্ক। সিকেনিং”!
দীর্ঘশ্বাসটা বুকের ভেতরেই চেপে রাখলাম। প্রত্যুত্তরে আপনার ‘টাইপ’কে নিয়েও আমার বলতে ইচ্ছে করছিল, “আপনার মত phd প্রফেসর শ্রেনী খুবই বোরিং। এরা কাজ থেকে ঘরে ফিরে ভাত খায়, লুঙ্গি পড়ে ঘুমায় আর বৌ-এর সাথে রুটিন-সেক্স করে। এরা হলো টিপিক্যাল উচ্চশিক্ষিত সুশীল শ্রেণী। এরা অনায়াসে নিজের পান্ডিত্য জাহির করতে যা জানে না তাই নিয়ে প্যালাচুনা (আলোচনা + প্যাচাল) করে। টানেল ভিশন এদের। কুয়া ছেড়ে কখনই সমুদ্রে আসে না। ভয়ঙ্কর Judgemental এই শ্রেণীটি অন্যদেরকে বিশ্রীভাবে judge করতে এতই ওস্তাদ যে এদেরকে এ ব্যাপারে নোবেল প্রাইজে ভূষিত করা উচিৎ”।
….বললাম না কথাগুলো।
এত অল্প সময়ে মানুষকে Judge করে মুখের উপর কারো শ্রেনী/টাইপ সম্পর্কে মন্তব্য করা বড় ধরনের ছোটলোকী। এই ছোটলোকী আমি জ্ঞানত করিনা। তাছাড়া…এসব শুনে কষ্ট পেয়ে যান যদি। ঐ সুন্দর মুখে এতটুকু কষ্টের ছাপ আমি সহ্য করতে পারব না। আপনাকে কষ্ট দেবার আগে আমার যেন মরণ হয়!
ঠিক তখনই ‘কাবাব মে হাড্ডি’ হয়ে আমার সেলফোনটা ট্যাঁ ট্যাঁ করে উঠল। মিচকে শয়তান শিপ্রা জানালো, “আশেপাশেই আছি, ফ্রি হলে চলে আয়…কইষা আড্ডা দিমু আইজ”। “পাঁচ মিনিটের ভেতর আসছি”…বলেই ফোন রেখে আপনাকে যা বলার কোনো প্ল্যান ছিল না তাই বলে ফেল্লাম, “আমার ইমার্জেন্সি পড়েছে। স্যরি এভাবে চলে যেতে হচ্ছে। আবার দেখা হবে। বাই নাউ”…বলেই হনহনিয়ে বেরিয়ে পড়লাম। বুকের বাম পাশে বিঁধে থাকা বিরক্তিকর তীরটা এক হ্যাঁচকা টানে তুলে ফেল্লাম। বাঁচা গেল।
চারদিন আগে আপনার কল এসেছিল। দুঃখিত কল রিসিভ করতে পারিনি। ভীষন ব্যস্ত ছিলাম। Thunder Cats দেখছিলাম। গতকালও কল দিয়েছিলেন। কথা বলতে পারিনি ব্যস্ততার কারনে। ঐ সময় আমি মেগাডেথের Sweating Bullets গানটা শুনছিলাম। আপনার কল ঠিক তখন এসেছিল যখন “claiming validity for your stupidity…” লাইনটা ডেভ মাস্টেইন গাইছিলেন। স্যরি, ঐ সময় আজরাইলের কল রিসিভ করাও আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না।
আগামী কাল, পরশু, তরশু, পুরো সপ্তাহ, পুরো মাস, পুরো বছর আমি ব্যস্ত থাকব। ড্রীম থিয়টারের কনসার্টে যাব, মেটালিকার সবগুলো এ্যালবাম রিভিজিট করব, শঙ্খনদের তীরে সারাদিন বসে থাকব…আর আইপডে নির্ভানা শুনব।
আপনি আপনার মতই নন-মেটাল ‘সুশীল’ কাউকে খুঁজে পাবেন, আশা করছি। ‘উছৃঙ্খল’, ‘অসভ্য’ মেটাল হেডব্যাঙারদের থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকুন, প্লীজ। শেষে আপনিও এদের পাল্লায় পড়ে এদেরই একজন না হয়ে যান। সেই বুনো, মৃত্যুময়, প্রচন্ড, উদ্দাম, সুন্দর, চিরতরুন, ভনিতাবিহীন, নির্ভীক, রুক্ষ, সৎ, আপন গানগুলোর প্রভাবে আপনিও আমার মত ‘নষ্ট’ না হয়ে যান।
নিজেকে জানাতেই ব্যস্ত ছিলেন। আমাকে জানবার আগ্রহ সেদিন একবিন্দুও আপনার হয়নি। আমার খুব প্রিয় একটা মুভি 'দি ক্র্যাশ'-এর একটা ডায়ালগ মনে পড়ে গেল অকারনেই; শুনবেন?...“f*ck you very much. But thanks for thinking of me”.
- উচ্ছলা
মন্তব্য
facebook
রতনে রতন চেনে...
একটা মেটালের লুঙ্গি কিনে দিতেন বেচারাকে
।
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
আমি কি লুঙ্গির দাতব্য-দোকান খুলে বসছি নাকি !!!
কিন্তু লুঙ্গি কি খারাপ? ডেয়ারডেভিলরাই তো লুঙ্গি পরে জানতাম। লুঙ্গির ফিতা নাই তাই ফিতা লাগানোর হাঙ্গামা নাই, জিপার নাই তাই আহত হওয়ার সম্ভাবনা নাই, ভ্যারিয়েবল লেংথে পরা যায় (হাফপ্যান্ট-ঢ়ৈষূপ্যান্ট-ফুলপ্যান্টের বিকল্প হিসাবে), কায়দা করে দুইটা গিঁট মারতে পারলে পোর্টেবল ফ্লোটেশন ডিভাইস হিসাবে কাজ করে, রুটিন সেক্সের আগে পূর্বরাগ হিসেবে রয়েসয়ে খোলা যায়, বউ কম্বল টেনে পুরোটাই নিজের গায়ে দিয়ে রাখলে বিকল্প হিসেবে লুঙ্গিকে কাঁথা হিসাবে ব্যবহার করা যায়, পুরনো হয়ে গেলে বালি ভরে পাঞ্চব্যাগ বানানো যায়, অসময়ে উত্থানের তথ্য দশজনের কাছ থেকে চেপেচুপে রাখা যায়। লুঙ্গি ম্যাসকুলিনিটিকেই এপিটোমাইজ করে। যে প্রফেসর লুঙ্গি পরেন, তিনি শুধু বিদ্বানই নন, সাহসীও।
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
জ্বে আজ্ঞে, ইয়োর হাইনেস
হিমু ভাই আমিও সাহসী, খালি প্রফেসর না আর বিদ্বান না
।
যদি গুচি বা আরমানি লুঙ্গি ডিজাইন করতো তবে হয়ত এই পোশাকটার বদনাম ঘুচে যেতো। বিদেশি স্বীকৃতি এখনো মিলে নি তাই লুঙ্গি মনে হয় এখনো জাতে উঠতে পারেনি।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
আড়ং চাইলে পারে কিন্তু। ধরেন লুঙ্গিতে কলার ফিট করে দিলো, বড়সড় অনুষ্ঠানে ঐটাতে টাই লাগিয়ে পরা যাবে। তারপর সুতার কাজ, কারচুপি না কী যেন বলে ঐটাকে? তারপর ধরেন একপাশে একটু ফেড়ে দিয়ে পা দেখানোর সুযোগ করে দিতে পারে। কিংবা জায়গামতো ভেন্টিলেটর। একপাশে একটা পকেট। শীতের দেশের জন্য উলের লুঙ্গি। নায়কদের জন্য লেদারের লুঙ্গি। রেইনকোটের মতো রেইনলুঙ্গি। উদ্যোগ দরকার। বিজিএমইএর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আপনারা করেন কী?
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
ও ভাই আরো ধরেন বিল্ট-ইন পোক্ত ইলাস্টিক যুক্ত আন্ডার-পেন্টুল, এতে খুইল্লাপড়া জনিত দুর্ঘটনার অবসান হবে, তাছাড়া কষ্ট করে গিট্টু দেওয়া লাগব না, প্যান্টের মত পইরা ফেল্লেই চলব। সামনে কুঁচির মধ্যে লুক্কায়িত জিপার এতে দ্রুত বেগে হাল্কা হওয়া যাবে।
পা-দেখানো লুঙ্গি জিনাত আমানকে সেই ছোটবেলাই পরতে দেখেছি।
লুঙ্গির আধুনিকিকরণের প্রথম পদক্ষেপ হওয়া উচিত ওতে দুটো পকেট রাখা, আইফোন, ওয়ালেট ইত্যাদি যেন রাখা যায়।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
ট্রান্সপারেন্ট, সেমি-ট্রান্সপারেন্ট লুঙ্গির ব্যপারটাও তালিকায় রাখার আবেদন জানাই!
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
লুঙ্গি নিয়া বাঙালীর আবেগ, উত্তেজনা আর ক্রিয়েটিভিটির সীমা নাই
মুহাম্মদ জাফর ইকবালের একটা বইতে (নাম ধাম মনে নাইরে বাপ এখন) পড়েছিলাম, ছেলেটা ছিল বাংলাদেশি, আম্রেরিকায় পড়তে যায়। ঘরে সে লুঙ্গিই পড়ত। একদিন ছেলেটার অফিসের সহকর্মী মেয়েটা বয়ফ্রেন্ডের মার খেয়ে তার বাসায় এসে অজ্ঞান হয়ে যায়। জ্ঞান ফেরার পরে মেয়েটি প্রশ্ন করে, তুমি স্কার্ট পরা ছিলে কেন?
জনাব তাসনীম, 'লুঙ্গি' এই রচনায় রুপকার্থে ব্যবহৃত হইয়াছে। লুঙ্গিকে মোটেই হেয় বা তাচ্ছিল্য করা হয় নাই
I've got nothing against lungi. এটা খুবই environment-friendly সেই সাথে user-friendly outfit
হাসতে হাসতে শেষ
ফেইসবুক – টুইটার
লুঙ্গিকে তাচ্ছিল্য করায় পোস্টের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এটা পৃথিবীর সবচেয়ে বৈজ্ঞানিকভাবে স্বীকৃত উপকারি কাপড়।
মুরগী পালনের দুইটা উপায় আছে। একটা খাঁচা পদ্ধতি ( battery cages), আরেকটা মুক্ত পদ্ধতি (Free-range)।
একটা মুরগীর বাচ্চাকে ছোট খাঁচায় ভরে রাখলে তার গ্রোথ হয়তো বেশী হবে কিন্তু সেটা ন্যাচারাল না। অন্যদিকে মুক্ত পদ্ধতিতে সব কিছুর ন্যাচারাল গ্রোথ হবে এবং এই মুরগিকে এবং তার ডিম কে আমরা অর্গানিক বলবো। সারা বিশ্ব এখন ছুটছে অর্গানিক এর পেছনে। মুরগিপালন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এখানে দেখুনঃ
http://en.wikipedia.org/wiki/Poultry_farming
কথা হচ্ছিলো মনে হয় লুঙ্গী নিয়ে, এইখানে মুরগী ক্যামনে আসলো ...
যাহোক, লুঙ্গী পরা organic লোককে বিয়ে করবেন নাকি জিন্স পরা ফার্মের লোককে বিয়ে করবেন সেটা ভেবে দেখুন।
চরম উদাস, ভাবনার খোরাক যোগানোর জন্য বহৎ বহৎ শুকরিয়া
_________________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই
_________________________________
।। রিসার্চ ইন্টারফেস ।।
হিমু ভাইএর কাছে দুইটা প্রশ্ন আছিল, প্রথমটা করতে পারতেছি না আপনার শরীর ভাল না খারাপ বুঝতেছি না তাই, আর দ্বিতীয়টা গোয়েন্দা সাহেবের শেষ পুস্টে নিবেদন করছি।
আপনার প্রথম প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে, না, আমি লিবারেল লুঙ্গি পার্টির কেউ নই, বরং ডেমোক্র্যাটিক হাফপ্যান্ট পার্টির সদস্য। আর আপনার দ্বিতীয় প্রশ্ন, যেটি প্রধানমন্ত্রীও করেছেন, সেটির উত্তর হচ্ছে, না, খালেদা জিয়া কখন ঘুম থেকে উঠেন তা আমি জানি না।
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
অনেক ধন্যবাদ হিমু ভাই, আসলে চন্ডী বিষয়ক প্রশ্ন করি নাই, কারণ অধিক চাপাচাপিতে যদি রাগ করে লেখাই বন্ধ করে দেন, সেই ভয়ে ছিলাম
। তাইতে সরল স্বীকারোক্তি প্রথম প্রশ্নে যে ঐ বিষয়ে নো খোচাখুচি, আর দ্বিতীয় প্রশ্নটা করছিলাম যে আমার সাথে আপনি ফৌজদারি রিলেশন কিভাবে বের করছিলেন হেহ হেহ হেহহ...তবে আপনার উত্তরটাও কিন্তু জম্পেশ, আপনারা কতিপয় ব্যাক্তি এত ভাল ভাল টুইস্ট যে কই পান!!
মেটালে সমস্যা কী!!! মেটালে দোষ দেখি না একদমি তবে 'ড্রাগস্, বুজ, গ্রুপ সেক্স' এগুলো দোষের (আমার কাছে)। তবে মেটালের সাথে এগুলোর সন্নিপাত সে কেন করলেন তা বুঝলাম না!!!
গানগুলো চ্রম বাছাই করেছেন, একটার নাম আবার দেখি 'মৃত্যুময়' দিয়েছেন
, পরে আবিষ্কার করলাম এটা আমার অতি অতি প্রিয় ডেন্স অব ডেথের, এগেইন চ্রম!!!
লেখা চলুক নিয়মিত............
কিছু কিছু মেটাল সিঙ্গারদের লাইফস্টাইল কিঞ্চিত 'আপত্তিজনক', এরা প্রায়শই স্টেজে 'মাথামুন্ডুহীন' কার্যকলাপ ঘটায়; এ কারনে অনেক জ্ঞানী-গুণীজন মনে করেন যে জগতের সমস্ত মেটালপ্রেমীরাই ওরকম 'উল্টাপাল্টা'
'চ্রম'ভাবে উৎসাহ দেবার জন্য ধন্যবাদ
আপনারে কোটি কোটি অর্বুদ নির্বুদ সমর্থন। দুনিয়ার মেটাল ভক্তদের জয় হোক
। যত দিন আর একটা মেটাল ফ্যানাটিক না খুঁজে পান ততদিন আপনার একাকী জিপসি জীবন সগৌরবে চালু থাকুক। আপনার সগৌরব অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক। সব শালা প্যালাচুনা, টানেল ভিশনিস্ট, জাজমেন্টালরা হাপাইয়া হাপাইয়া মরুক। আহহহহ...মেগাডেথ...সোয়েটিং বুলেট কি কাউন্ট ডাউন টু এক্সটিংশন এ ছিল? [url=http://www.youtube.com/watch?v=pQTuz2fLUVwট্রাস্ট[/url] গানটা আপনারে গিফট করলাম। নেক্সতে এই টাইপের পাবলিক সামনে পাইলে মারা জন্য লন
তয় সব লুংগিওলারা কিন্তু খারাপ না, এই যে দেখেন আমিও মাঝে মদ্ধেই লুংগি পরি
, আবার মেটাল শুনি, একি সাথে বউরে অনেক পাত্তা দেই, অনেক অনেক ঝড় ঝাপ্টা ও বাধা বিপত্তির পরেও ৭ বছর বিবাহপূর্ব পাত্তা দিছি + ৩ বছর বিবাহোত্তর পাত্তা এখনো চলিতং ও গ্রোয়িং
।
বাহ বাহ, ভালোবাসা অম্লান হোক!!!
আর কইও না হে মৃত্যুময়, বেকুবদের ভালবাসা মনে হয় সাধারনত অম্লানই হয়
কেয়া বাত হে হুজুর, তুসসি ছা গেয়ে ... জিও কল্যাণ কাকা, লুঙ্গি জিন্দাবাদ
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
কল্যাণF, গিফট পছন্দ হয়েছে। ধন্যবাদ। বিবহিত জীবন ফুলে-ফলে ভরে উঠুক, শুভকামনা রইল।
মেটালিকার জন্মের কিছু পরেই লিড গিটারিস্ট ডেভ মাস্টেইনকে ব্যান্ডের ম্যানেজার ফায়ার করে দেয়। কারন, উনি নাকি unproductive. তার পরই ডেভ মেগাডেথ ফর্ম করেন। ওনার Shitallica ছিল মেটালিকার জন্য চরম চেপেটাঘাত
এতবড় শৈল্পিক রিভেন্জ জীবনে দেখি নাই
ইঁটার জন্যও ধন্যবাদ। তবে কেউরে জখম করতে আমি ইঁটা মারিনা; সিম্পলী তাকে ইগ্নোর করি।
ভাজ্ঞিস হেটফিল্ড ডেভ মাস্টিনরে বাইর কইরা দিছিল, না হইলে মেগাডেথ কই পাইতাম আমরা? আপনারে ধন্যবাদ দিয়া আর ছোট করলাম না কারণ একে মেটাল ভক্ত তায় হাইট কইমা গেলে বিপদ। শুভকামনা ভাগ কইরা নিলাম, আর আপনারেও দিলাম ডবল।
যা তা
। বেতালা দিছেন। ওই বেটার জন্মের মতো পিরিতের শখ ঘুইচা গেছে ঃ লোল
আর বাজান বাজান হেভি রক
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
তিনি পীরিত নয় বিবাহ করতে ইচ্ছুক ছিলেন
হেডব্যাঙিং চলতে থাকবে
আমিও ওই শেষের লাইনটা মধ্যেমাঝে বলতে চাই , হে হে কিন্তু পারিনা, একবার একজনকে এইভাবেই বলেছিলাম হোয়াট দ্যা ফাআআ
, হে হে থাক 
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
আমি এখনো পর্যন্ত এখনো কোনো মেয়ের সন্ধান পাই নি যারা লুঙ্গি পছন্দ করে। মেয়েদের ঘরে পরার ম্যাক্সিটা অনেকটা লুঙ্গির ইকুইভ্যালেন্ট পোষাক মনে হয় আমার। যাই হোক লুঙ্গির সাথে মেটালের কোনো বিরোধ নেই। বন্ধুবান্ধবদের অনেককেই লুঙ্গি পরে মেটালিকা বা মেগাডেথ শুনতে দেখেছি।
তবে হেভি মেটাল ব্যান্ডের স্লো-গানগুলো খুব সুন্দর হয়, নাথিং এলস ম্যাটারস মনে পড়ল লেখা পড়তে গিয়ে। ভদ্রলোককে আগামীতে এই গানটা শোনাতে পারেন, দেখবেন এর পরে উনিও মেটাল শুনছেন।
সচলে স্বাগতম, আপনার লেখা এই প্রথম পড়লাম। ট্যাগ ঘেঁটে পুরানো লেখাও পড়ে দেখলাম।
ব্যায়ামের পাশাপাশি লেখালেখিও চালু থাকুক। দুটোরই উপকার আছে।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
তাসনীম ভাই লুঙ্গি পরা জিতা-জাগতা মেটাল ভক্তের উদাহরন এই আমি
ঘরে কে কী কাপড় পরবে না দিগম্বর থাকবে এটা মানুষের খুবই ব্যক্তিগত ব্যাপার। কে কী ধরনের গান শুনবে এটিও ব্যক্তিগত। গানের পছন্দের উপর ভিত্তি করে মানুষের 'টাইপ' নির্ধারন করা এবং তা judge করা অভব্যতা বৈকি। পাত্রী নির্বাচনের সময় মেয়েটিকে আরও কতভাবে judge করা হয়, জানলে আকাশ থেকে পড়বেন।
মন্তব্য এবং মেটালিকা শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
লেখাটা পড়া শুরু করছিলাম তো ভালোই। মাঝখানে টুইস্টও ভালোই লাগলো। কিন্তু এর মধ্যে এইটা কী ঢুকায়া দিলেন? আপনে লুঙ্গিরে খারাপ কওয়ার ট্রাই দেয়ার সাথে সাথেই লুঙ্গি মালকোচা মেরে বসলাম, চেয়ারে। আইজকা আপনের একদিন কি আমার লুঙ্গির একদিন। মন্তব্য সেকশনে এসে লুঙ্গির বিরুদ্ধে হেন, কদাকার, হীন, খালেদাজিয়াসুলভ ইন্টারগ্যালাক্টিক ষড়যন্ত্রে যারপর নাই পরনের লুঙ্গির গিট্টু মাথায় উঠে গেলো।
তাসনীম ভাইয়ের মন্তব্যের সাথে আমার সর্বাংশে সহমত আছে। লুঙ্গি পরলেই হেভিমেটাল শোনা যাবে না, এইটা ঠিক না। যে লুঙ্গি পরে সে চুলও বান্ধে। আমি লুঙ্গি পরে প্রায় ১২০০ কিলোমিটার রাস্তা ড্রাইভ করছি। গাড়িতে হেভিমেটাল, পাতলা মেটাল, মুলাগীতি, লুলগীতি সবই শুনছি। ঘরেও শুনি। এই যে সচলে এতো এতো হাবিজাবি লেখি, কয়টা আর দেলোয়ারের মতো সালোয়ার পরে লেখা বলেন!
গরমের দিনে সালোয়ার, হাফপ্যান্ট, ঢ়ইষূ প্যান্ট- সবকিছুতেই ঝামেলা লাগে। লাগে না কেবল লুঙ্গিতে। গরম লাগলে ফ্যান এর কাছে গিয়ে সামনে বা পেছন ফিরে লুঙ্গি একটু উঁচা করলে ধরলেই সারা দুনিয়া ঠাণ্ডা। আর কে না জানে, দুনিয়া ঠাণ্ডা থাকলে দিল-কইলজা-পরিবার-পরিবেশ পরিচিতি সমাজ সবই ঠাণ্ডা।
পরিশেষে যারা লুঙ্গির উপকারিতা স্বীকার না করে উল্টা গীবত করে তাদের জন্য নিচের এই গান। গানটা শুনলেই বুঝবেন তাদের গীবতের কারণ...
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
-মেফিস্টো
সেই আদ্দিকাল থেকে লুঙ্গি পরি। আশা করি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পরিয়া যাইবো। ভালো কথা, লুঙ্গি পরে ড্রাইভ করার আইডিয়াটা ভালো লাগলো। আগামী সামারে ট্রাই করবো।
আমারো টেরাই নেওয়া লাগবে। তবে হাইওয়েতে উঠলে জানালাটা আগেই বন্ধ করে নিতে হবে। না হলে দমকা বাতাসে কি হয়ে যায় বলা যায় না
নিবেন মানে, আলবত নিবেন টেরাই। না নিলে জীবনই বৃথা। আর জানালাও ইট্টু খোলা রাখতে পারেন। বাতাসের চোটে কিঞ্চিৎ শীতল অনুভূতি হলে লুঙ্গির গিট খুলে একটু উপরে নিয়ে চাদরের মতো জড়িয়ে পরে নিতে পারেন। সেরকম ফিলিংস পুরা!
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
একলাই পার্ট লইয়েন না মিয়া। নতুন নতুন আম্রিকায় গিয়া আমিও লুঙ্গি পরে নিউ ইয়র্ক শহরের কুইন্স এলাকায় ব্যাপক হাঁটাহাঁটি করছিলাম। আমার আরেক লুঙ্গিবন্ধু রাজিব ভাই সাক্ষী।
তবে বউ যাওয়ার পরে আর সাহস পাই নাই।
হে হে হে, নতুন নতুন কতো কিছুই হয় মেম্বর। আমি একবার গ্রামের মাতব্বরদের মতো লুঙ্গির এক কোনা উঠিয়ে ধরে আরেক হাতে দেড় লিটারি পানির বোতল নিয়ে যাচ্ছিলাম আরকি ত্যাগনকুঠির দিকে। তো পথিমধ্যে এক বালিকা তার ডাগর চোখ আরও ডাগর করে একবার আমার লুঙ্গিরে দেখে আরেকবার হাতের পানির বোতলের দিকে দেখে। আমি কিছু না বলে চান্দা ভেটকি দিয়ে বসলাম। তারপরেই ঐ বালিকার প্রশ্নবাণ, 'এইটা কী!'
আজ্ঞে, পানির বোতল। আমি কৈলাম।
সেইটা তো দেখতেছিই। তোমার পরনে কী?
ওহ, এইটারে বলে লুঙ্গি। হে হে হে, দারুণ কমফোর্টেবল!
সেইটা অবশ্য তোমার হাসি দেইখাই বুঝা যাইতেছে। তা এইটা কি স্কার্ট জাতীয় কিছু? আটকায় ক্যামনে?
স্কার্ট জাতীয় কইতে পারো। তবে আটকায় ক্যামনে সেইটা হাতে কলমে তোমারে দেখানোটা খানিকটা রিস্কি কাজ হয়ে যাবে। হাত এখন পিছলা আছে!
এরপর আর কিছু বলতে হয় নাই। বালিকা চোখের ভুঁরু ব্যাকাসিধা করে মাথা ঝাঁকাইতে ঝাঁকাইতে তার রাস্তায় চলে গেলো আর আমি দিলাম দৌড়!
এখন নিচতলা টু চারতলা, মোটামুটি সবাই এই জিনিস চিনে। কেউ আর প্রশ্ন করে না। আমিও গ্রামের মাতব্বরদের মতো লুঙ্গির একদিক তুলে এই তলা-সেই তলা করি, নির্বিঘ্নে!
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
"গরম লাগলে ফ্যান এর কাছে গিয়ে সামনে বা পেছন ফিরে লুঙ্গি একটু উঁচা করলে ধরলেই সারা দুনিয়া ঠাণ্ডা। " ভাই চরম হইচে।

গান শুনে হাসতে হাস্তে কাশি উঠে গেছে। গানটা শ্যার করতে চাই। কি করে সম্ভব হবে জানালে বাধিত হতাম। ডাউনলোড হচ্ছে না
লুঙ্গি পরে একবার ১২০০ কিঃমিঃ ড্রাইভ করে বেডাগিরিটা দেখাইতেসেন, আমাদের লোকাল বাসের ড্রাইভাররা কতশ' কিঃমিঃ ড্রাইভ করে লুঙ্গি পইরা তার হিসাব আছে ?
এই দুনিয়াতে দুইটা পোশাক আমি দুই চক্ষে দেখতে পারিনা। একটা হল লুঙ্গি, এই জিনিষ পড়া আর না পড়ার মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নাই। আর দুই নাম্বারটা হোল ছেলেদের শর্টস বা থ্রী কোয়ার্টার, বাংলা ভাষায় হাপ্প্যান্ট। আরামের নামে ছেলেদের পায়ের মত বিখাউজ দুইটা জিনিষ প্রদর্শনে রাখা হয়।
কেন যেন মনে হচ্ছে আপনি নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন পিপলস পায়জামা ফ্রন্টের কেউ!
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
আগে খেয়াল করিনি, আপনি দেখি হাপ্প্যান্টের সদস্য, তাই বলি আমাকে জঙ্গি পার্টি বানাতে এত তৎপর কেন। আমি কোন রাজনৈতিক দলের মধ্যে নাই। আমি নির্ভেজাল হাইটেক ইলাস্টিক গ্রুপ। স্টাইল করে পাজামা প্যান্ট ডাকতে পারেন।
আপনের এই এন্টি লুঙ্গি বিবৃতির প্রতিবাদে নিখিল বাংলা লুঙ্গি সংঘের উদ্যোগে আগামী শুক্কুরবার বাদ জুম্মা বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেট হইতে লালবাগ অভিমুখে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হইবে। তারপর লালবাগ জামেয়া কোরানিয়া আরাবিয়া'র সামনে আমিনীর নেতৃত্বে আপনের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হবে। আমনে লুঙ্গিত্তে বেশি বুজেন?
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
নেহায়েত কারো সাতে পাঁচে নাই বলে আর কিছু বললাম না। নাহলে দক্ষিন গেট বরাবর বোয়িং ইঞ্জিন দিয়ে বাতাস ছেড়ে দিতাম। লুঙ্গি পার্টিকে তো আর পানি বা কাঁদানে গ্যাসের ভয় দিয়ে লাভ নাই।
ভাগ্যিস বাতাসের কথা বলছেন, ভুল পথে দীর্ঘশ্বাসের কথা বলেন নাই! বোয়িং ইঞ্জিনের এই দীর্ঘশ্বাস না জানি কেমন হয়!
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
হ। সেই সাথে লুঙ্গির বিরোধিতা করার জন্য এন্টি লুঙ্গি বিবৃতিদানকারীর জন্যে উপযুক্ত পরিমানে গজব বরাদ্দ করার সুপারিশ করা হচ্ছে।
কয় কি
? পড়ার মধ্যে তো এই দুইটাই তো আছে যেইটা পইড়া আরাম পাই। পুরো সামারে তো শর্টসই চলে। আর ব্যাটা ছেলের পা দেখতে এতো আপত্তির কি আছে বুঝা গেলো না? দুনিয়ার তাবৎ পশুপাখিরই তো কাপড় নাই
। সেগুলার ঠ্যাং তো কোন দিন বিখাউজ লাগে নাই 
নাই তো। ওদের পালক দিয়েই কাজ চলে যায়। মানুষের পালক, থুক্কু লোম, দিয়ে কী কাজ চলে? মানুষের লোম যতই ঢাকা থাকবে ততই সুন্দর।
লেখার ধরনটা ভালো হচ্ছিল। কিন্তু কোথায় এসে যেন কেটে গেল। চালিয়ে যান। হবে।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
কোথায় আলোচনা হবে মেটাল নিয়ে , তা না সবাই লুঙ্গি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে ।
লেখা পড়ে জটিল আনন্দ পাইলাম । বেঁচারামকে উপযুক্ত বাঁশ দেওয়া হইছে
মূল বিষয় হিসেবে আমি তুলে ধরতে চেয়েছিলাম, বিয়ের বাজারে পুরুষরা কি সব উদ্ভট যুক্তি দিয়ে পটেনশিয়াল পাত্রীকে জাজ/ইভ্যালুয়েট করে!
লেখা পড়ে জটিল আনন্দ পেয়েছেন জেনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ
১.
বিয়ে করলে সব পুরুষকেই অনেক কিছু বিসর্জন দিতে হয়। এই বিসর্জনগুলোকে পরুষদের পক্ষ থেকে বিয়ের পুরস্কার বলা যায়।
যেমন আমাকে বিয়ে করার মাশুল গুনতে গিয়ে লুঙ্গি পরা ও বিড়ি খাওয়া বাদ দিতে হয়েছে। এখন আমি তাই নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন পিপলস পায়জামা ফ্রন্টের লোক। তবে পায়জামা ফ্রন্টের প্রতি বশ্যতা অতো বেশি না তাই বেশি গরম পড়লে দল পরিবর্তন করে ডেমোক্র্যাটিক হাফপ্যান্ট পার্টিতেও যোগদান করে ফেলি।
২.
আপনার সেই প্রফেসর ভদ্রলোককে এই লিংকটা ধরায়ে দিয়েন।
লিঙ্কটা দারুন তো! অনেক ধন্যবাদ।
বাই দ্য ওয়ে, ঐ phd ভদ্রলোকের সাথে নতুন করে যোগাযোগের আগ্রহ নেই আর
হেভি মেটাল শুনতে পারি না, আমার কানের কাছে না শুনলে অন্যের শুনায়ও সমস্যা দেখি না
। লুঙ্গি নিয়া আমার কোন অনুভূতি আহত হয় নাই, জীবনে চার পাঁচ দিন মনে হয় লুঙ্গি পড়ছি। প্রথম লুঙ্গি কিনছি বিদেশ আসার সময় স্যুভেনির হিসাবে, সেটা এখনো লাগেজে পড়ে আছে।
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
হেভি মেটাল শুনে কেম্নে মজা নিতে হয়, এ ব্যাপারে আপনাকে একটা ক্র্যাশ কোর্স দিতে হবে দেখছি !
লেখাটা গত রাতেই পড়েছিলাম। যাকে উদ্দেশ্য করে লেখা, তিনি কি দেখেছেন?
ফেইসবুক – টুইটার
কি জানি !
(চরম উদাসকে অনুরোধ করছি, লুঙ্গি নিয়ে একটা লেখা লিখতে যার থিম হতে পারে-
লুঙ্গি বদনাম হুয়ি,
)
তেরে তেরে তেরে লিয়ে...
..................................................................
আমি ছুঁয়ে দিতে চাই সেই বৃষ্টিভেজা সুর...
ধন্যবাদ
আমি কেন?? আমি কি নিখিল বাংলা লুঙ্গি পরিষদের চেয়ারম্যান নাকি?
তবে আমরা সবাই মিলে " বেশী করে লুঙ্গি খান (আই মিন পরেন আরকি), ইয়ের উপর চাপ কমান" এই স্লোগানে একটা সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে পারি।
বাংলাদেশ এখন অনেক পশ্চিমমুখিন হয়েছে। এখন মহিলারা ঘরে সাধারনত ম্যাক্সি এবং পুরুষেরা পাজামা অথবা হাফ প্যান্টই ব্যবহার করছেন।
আমাদের যৌবনে কিন্তু মুসলিম লীগ, জামায়াতী, বাম, বুর্জোয়া মহিলা-পুরুষ সবাই শাড়ি-লুঙ্গিই পরতেন। কিছু সংখ্যক অতি খানদানী পরিবারে অবশ্য ব্যতিক্রম ছিল।
প্রৌঢ়ভাবনা
কি কব দুষ্কের কথা...এই লেখাটা লুঙ্গি বিষয়ক নয়
তবে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ
ইস আরেকটু হলেই লেখাটা চোখ এড়িয়ে যাচ্ছিল।আপনার দারুন লেখা আর লুঙ্গিপ্রেমিদের মন্তব্য প্রতিমন্তব্য পড়া হতনা।
একটা বাক্য লেখে তো পৃথিবীর তাবৎ লুঙ্গি ওয়ালাদের খেপিয়ে দিয়েছেন, এটা কি ঠিক হল?
আমার ধারনা আপনার ওই পি এইচ ডি প্রফেসর লুঙ্গি পড়েন কি না পড়েন তা নিয়ে আপনার সাথে শেষ পর্যন্ত আলাপ হয়নি, লেখা টা পড়ে আপাত দৃষ্টিতে তাই মনে হচ্ছে। তবে সে যাই পড়ুক যে পাত্রী দেখতে এসে যে "ওয়াইফ মেটেরিয়াল" এর সংজ্ঞা দেয় তার প্রেমে যতই হাবুডুবু খান তার কল না ধরা এবং তাকে বিয়ে না করাটাই যথার্থ।
লেখায় (গুড়) এবং মন্তব্যগুলো
পুরো ব্যাপারটি বুঝতে পারার জন্য আপনাকে বি-শা-ল একটা ধন্যবাদ
নিশি রাত বাকা চাঁদ আকাশে... চুপিচুপি রাগ বাজে বাতাসে- বাতাসে...
নাহ্ কারও ওপর রাগ করার সময় নাই আমার
খুব ভাল লাগলো "বুনো, মৃত্যুময়, প্রচন্ড, উদ্দাম, সুন্দর, চিরতরুণ, ভনিতাবিহীন, নির্ভীক, রুক্ষ, সৎ, আপন" এই ভাবে গানগুলিকে বর্ণনা করা।
তবে "প্রফেসর এবং পিএইচডি শ্রেণী"-র মানুষরাও হেভী মেটাল, থ্র্যাশ মেটালের প্রচন্ড ভক্ত হয়, হতে পারে। একজন, দু'জন না এই শ্রেণীর অনেকেই। হওয়াটা কোন অস্বাভাবিক ব্যাপারও নয়। আপনার লেখার এই ব্যক্তিটি পিএইচডিধারী এবং প্রফেসর হতে পারেন তবে তিনি তার পছন্দ এবং আচরণ দিয়ে এই শ্রেণীর সবার প্রতিনিধিত্ব অবশ্যই করেন না
প্রথমত: অনেক ধন্যবাদ
দ্বিতিয়ত: জ্বি। এগ্রিড
খুব ভাল লাগলো "বুনো, মৃত্যুময়, প্রচন্ড, উদ্দাম, সুন্দর, চিরতরুণ, ভনিতাবিহীন, নির্ভীক, রুক্ষ, সৎ, আপন" এই ভাবে গানগুলিকে বর্ণনা করা।
তবে "প্রফেসর এবং পিএইচডি শ্রেণী"-র মানুষরাও হেভী মেটাল, থ্র্যাশ মেটালের প্রচন্ড ভক্ত হয়, হতে পারে। একজন, দু'জন না এই শ্রেণীর অনেকেই। হওয়াটা কোন অস্বাভাবিক ব্যাপারও নয়। আপনার লেখার এই ব্যক্তিটি পিএইচডিধারী এবং প্রফেসর হতে পারেন তবে তিনি তার পছন্দ এবং আচরণ দিয়ে এই শ্রেণীর সবার প্রতিনিধিত্ব অবশ্যই করেন না
কনসার্ন সাহেব কোনভাবে এখানে একটা কমেন্ট করলে জটিল হইতো। যেম্নেই হোক তারে পাঠায়ে দেন
কনসার্ন সাহেব মনয় এখন ভাত খায়া, লুঙ্গী পইড়া কি জানি সব কর্তাছে। ওনাকে ডিস্টার্ব করে কাজ নাই
হা হা হা! চ্রম।
------------
'আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !
সচ্চরিত্র ফুল আমি যত বাগানের মোড়ে লিখতে যাই, দেখি
আমার কলম খুলে পড়ে যায় বিষ পিঁপড়ে, বিষের পুতুল !'
লুঙ্গি বা হেবিমেটাল কোনটাই আমার পছন্দ না।
জেনে ভালো লাগল
আপনার ভাগ্য ভালো সব আলোচনা লুঙ্গির দিকে ঘুরে গেছে। সচলে তো পিএইচডি শ্রেনীর অনেকে আছেন,আমি ভয়ে ছিলাম তারা চটে যান কীনা!
আমি চাচ্ছিলাম আপনি ঐ লোককে বিয়ে করে তাকেও মেটাল ধরিয়ে দেন!!
ইদানীং পৃথিবী অনুভব করে, একটা সূর্যে চলছেনা আর
এতো পাপ, অন্ধকার
ডজনখানেক সূর্য দরকার।
সচল পিএইচডিতে গীজগীজ করে নাকি?
আল্লাহ্ এখন আমার অ-নে-ক ভয় করছে
ঐ লোককে বিয়ে করে তাকে মেটাল ধরিয়ে দেয়া সম্ভব নয়; মেটাল ধরতে হ্যাডম লাগে, আপা
দারুণ লাগলো লেখাটা... সচলে স্বাগতম
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
অনেক ধন্যবাদ
আমি তো সচলে তিন বছর ধরে ঘুরঘুর করছি। যদিও পোস্ট দিয়েছি অতি সম্প্রতি
উরেব্বাস!!! কি হচ্ছে এখানে?!! উচ্ছলা "বেচারি" লিখলো মেটাল নিয়ে। কোথায় মেটালিক কথাবার্তা হবে, তা নয় লুঙ্গি নিয়ে শুরু হয়েছে তরল কৌতুক। যা লেখার বিষয় বস্তু থেকে এক হাজার হাত দূরের। পুরো লেখায় এত্তোবার এলো মেটাল" শব্দটা আর লুঙ্গি মাত্তর একবার। তাও সবে ঐটা নিয়েই পড়লো!
লুঙ্গি আর ম্যাক্সি মানক দুইটা জিনিসই আমার দুই চোখের বিষ।
ছেলেরা যে কারনে লুঙ্গিকে এনভারনমেন্ট ফ্রেন্ডলি' বলে সেই একি কারন দেখাতে দেখেছি ম্যাক্সি প্রিয় রমনীদেরকেও। দুটো পোষাকই কেন জানিনা বড্ড অশ্লিল লাগে। শোবার ঘর ছাড়া ও দুটো পোষাক ব্যাবহার করাকে আমার চোখেও অভব্যতা মনে হয়। এখন কেউ যদি 'পুং জিনাত আমান' হতে চায় তো...
উচ্ছলা, যার জন্য লেখা তিনি কি লেখাটি পড়েছেন?
পড়ার পর ভদ্দরলোকের চেহারাটি কেমন হয়েছিল তা খুব দেখতে ইচ্ছা করছে
আপনার মেটালিক ভাবনা অভঙ্গুর থাকুক।
ঠিকই। "যার মনে যা, ফাল দিয়া উঠে তা"
অনেক সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ, বন্দনা
ইটস ইওর লাইফ!
এ্যাবসোলিউটলী !
মেটাল সংগীত ভালু পাই
লেখাটাও ভালো পাইলাম।
অট: একটা বিশেষণ বাদ পর্ছে, সুরেলা
আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা
Eluveitie এর Isara নামক ইন্সট্রুমেন্টালটাও অসাধারণ, মন চরম উদাস হয়ে যায়
- http://www.youtube.com/watch?v=Q2_RxUTfN0c&feature=related
"সুরেলা"র কম্পোজিশন, এ্যারেন্জমেন্ট ভাল লেগেছে। তবে গায়কি death metal ধরনের। ডেথ মেটাল আমার cuppa tea নয়।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
----------------------------------------------------------------------------------------------
"একদিন ভোর হবেই"
হ। লুঙ্গি জিন্দাবাদ, মেটাল মূর্দাবাদ
লুঙ্গি পরে মেটাল গান করলে কেমন হয়???
হাওয়ায় হাওয়ায় লঙ্গি দুলবে আর গিটারে ঝংকার উঠবে 
----------------------------------------------------------------------------------------------
"একদিন ভোর হবেই"
ভালয় ভালয় বিয়েটা আগেই করে নিসিলাম! নৈলে তো পিএইচডি, কান্ট্রি, ফোক, রবীন্দ্র, নজরুল আর লুংগি সব বিসর্জন দিতে হত! ঘোর কলিকাল!
আপনার নিকটা মনপসন্দ হৈছে
সঙ্গীতের অন্যসব ধারা থেকে মেটাল সঙ্গীত আলাদা(অন্তত একজন মেটালহেড হিসেবে আমি তাই মনে করি!)। শুধুমাত্র মেটাল সঙ্গীত শোনার কারণেই পৃথিবীর দুই প্রান্তে থাকা দুইজন মানুষ একজন আরেকজনকে আপন করে নিতে পারে, এই সচলেই এ নিয়ে একটা অসাধারণ পোষ্ট পড়েছিলাম। মেটাল গানের "গানের নামে কেবল চিৎকার আর শোরগোল" আমার কাছে বেশ প্রাসঙ্গিকই মনে হয়- বিরহ, ক্রোধ প্রভৃতি জীবনের নেগেটিভ এসপেক্টগুলো নিয়ে গান ঠান্ডা গলায় গাওয়া মানানসই না। এরপরও মেটাল গায়করা যখন ঠান্ডা গলায় গান, তখন তা অসাধারণ হয়। উপরে তাসনীম ভাই নাথিং এলস ম্যাটার্সের কথা বলেছেন, আমিও কিছু উদাহরণ দিতে পারি-
১) http://www.youtube.com/watch?v=F7mQp7oAjm4- "Angel" by Judas Priest
২) http://www.youtube.com/watch?v=0IVqI-byCFE- "Last Rose of Summer" by Judas Priest
উল্লেখ্য যে জুডাস প্রিস্টের রব হ্যালফোর্ডের ভোকাল রেইঞ্জ প্রায় ৪ অকটেভ, যেখানে একটা ২৪ ফ্রেটের গিটারের রেঞ্জ হল মোটে ২ অকটেভ!
৩) http://www.youtube.com/watch?v=9tAh1EzMDDQ- "Bother" by Stone Sour
4) http://www.youtube.com/watch?v=33XvxJUBr0g- "Running Blind" by Godsmack
বক্তব্যের প্রথম অংশের সাথে খাপে খাপে একমত
সুন্দর কিছু গান শেয়ার করার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ
কোপজ লেখা।
জলজ = যা জলে জন্মায়।
কোপজ = যা কোপে (কোপ থেকে) জন্মায়।
কথা সইত্য, ম্যাডাম ওই লোকের উপর কুপিত হয়েই এইটা লিখেছেন কিনা। অতএব লেখা কোপজ।
মানিক চন্দ্র দাসকে ধন্যবাদ
খুব জোরেশোরে ঝ্যাংঝ্যাং দুমদাম বাজনা হলে মাথা ধরে যায়, ওই জনরার মিউজিক (কী নাম জানিনা) শুনতে ভালবাসিনা।
অতএব মনে করুন 'সম্বন্ধ দেখা' চলছে, তাহলে অষ্টপ্রহর বাসায় ওইরকম গান চালিয়ে রাখতে ভালবাসে, এমন মেয়ে যদি হয়, তেমন কারো সাথে অ্যারেঞ্জড ম্যারেজে যাব না।
আরেকটা কম কাম্য অপশন হল, যদি নেহাত তাকেই বিয়ে করতে হয়, অ্যাকোয়ারড টেস্টের মত ওটা আস্তে আস্তে সইয়ে নেব। অনেক মেয়ে যেমন বিয়ের পর ধূমপায়ী স্বামীকে সয়ে নেয়।
ওই পরিস্থিতিতে অন্য অপশন হল, মেয়েটা ক্রমে ওই গান শোনা ছেড়ে দিল।
এখন আমাদের পুরুষতান্ত্রিক সমাজে সচরাচর তৃতীয়টাই হয়ে থাকে, 'ঘরের বৌদের জিন্স পরতে নেই', 'ঘরের বৌয়ের অত টো টো করা (অফিস যাওয়া) ভাল না', ইত্যাদি শুনিয়ে থাকা হয়। এমন কি বিয়ের পর কত আধুনিকা, শিক্ষিত নায়িকাও কেরিয়ার ছেড়ে দেন ওইজন্য। ওই ব্যক্তি সেই শভিনিস্ট টাইপই।
-----------------
চট করে জাজ করে নেওয়া, স্টিরিওটাইপিং করা, এগুলো আদিম যুগে খুব মূল্যবান গুণ ছিল। আমাকে টাইপ জেনে রাখতে হবে, যে সিংহ মানেই সম্ভাব্য প্রাণঘাতী, এবং চট করে দৌড় দিতে হবে। আমাকে চট করে জাজ করে নিতে হবে, উল্টোদিকের বর্শাধারী বাকলপরা লোকটা স্রেফ আরেকটা শিকারী নাকি সম্ভাব্য শত্রু, তারপর দ্বিতীয়টা হলে ধাঁই করে একটা লগুড়ের বাড়ি বসিয়ে দিয়ে নিজেকে বাঁচাতে হবে। দ্রুত একটা মোটাদাগের সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে হবে, কারণ সময় খুব দামী। আর বেশী মাথা খাটানোর পরিশ্রমটাও বাঁচে।
অতএব ওই স্বভাবগুলো বিবর্তনের পথে আমাদের সুবিধাই করে দিয়েছিল। আধুনিক সমাজে আমরা বিস্তারিত ভাবনাচিন্তা করার - বিশেষ করে অপর মানুষজনের সম্পর্কে - এই লাক্সারিটা আমরা এখন নিতে পারি। এবং চিন্তাশীল মানুষ হিসাবে, সুযোগ থাকলে নেওয়াই ভাল।
কিন্তু ইমপালস আমাদের ওই দিকেই ঠেলে দিতে চায়। আপনি যেমন ওনার মেটাল সম্পর্কে বাণী শুনে বিরক্ত হতেই ওনাকে 'পিএইচডি প্রফেসর শ্রেণী' হিসাবে জাজ করে, ওই দলের সম্পর্কে কিছু স্টিরিওটাইপ ধারণা মনেমনে ব্যক্ত করে ওনাকে সেই অভ্যাসধারীদের দলে ঠেলে ফেললেন।
আপনার রুচিশীল মন আবার ওদিকে বলছে এমন ফিরতি-জাজমেন্টাল হওয়াটাও ভাল না, এমন কথা বলা ভাল না। কিন্তু মনের অন্য অর্ধেকটা ইতিমধ্যেই সেটা করে ফেলেছে। অদ্ভুত খেলা!
এখন কথা হল, সেটা করে ফেলেছেন বলে কি 'পিএইচডি'রা আপনার উপর জাজমেন্টাল হয়ে চটে উঠব, দিহান যেমন বলেছেন? মনে হয় না।
কৌস্তুভ জানিয়ে গেলো সে পি এইচ ডি
হুঁ, ওই চক্রেই তো ঘষটে চলেছি গত কয় বছর। এ আর লুকানোর কি আছে। অজানা হল যা সেটা সমাপ্তির তারিখ।
কবে শুরু করছিলেন? প্রথম পেপারটা কি ডায়নোসরদের সনং্খ্য়া কমতে শুরু করার উপর?
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
সচ্ বাত!
মুস্তাফিজ, কৌস্তুভ-D-Phdর মন্তব্যের উত্তর দিয়েছি ইতিমধ্যে
মেটাল যারা পছন্দ করে তারা বুঝি "অষ্টপ্রহর জোরেশোরে ঝ্যাংঝ্যাং দুমদাম বাজনা" বাজায়?
আগ বাড়িয়ে লোকে এইসব মুন্ডুহীন আশঙ্কা করে কিভাবে?!
আমি কাউকে গায়ে পড়ে জাজ করিনা। আমাকে উনি 'অভব্য মেটাল হেড' বলে প্রথম দর্শনে জাজ করবেন, আর আমি বুঝি এজন্য খুশি হয়ে ওনাকে চুমু দেব? উনি আমাকে উষ্কিত করেছেন ওনাকে 'পিএইচডি প্রফেসর শ্রেণী' হিসাবে জাজ করার জন্য। তবে হ্যাঁ, ওনার মুখের উপর আমি জাজমেন্টাল হইনি; উনি যেমনটি আমার ক্ষেত্রে হয়েছিলেন।
লক্ষ্য করুন, আমি ওনাকে ইগ্নোর করেছি কিন্তু ওনার সাথে কোনো তর্ক/ আলোচনায় যাইনি।
জেনে ধন্য হলাম যে, আপনিও একজন সম্মানিত পিএইচডি
মেটাল নামক জনরা সম্পর্কে তো কিছুই বলিনি। 'ঝ্যাংঝ্যাং দুমদাম বাজনা'রা কী জনরায় (if any) পড়ে তাও যে জানিনা সে তো বলেই দিলাম।
------
আপনার ওই পরিচ্ছেদটার দুটো অংশ। একটা যেখানে আপনি ওনাকে 'পিএইচডি প্রফেসর শ্রেণী' বলে জাজ করেছেন। তা ওনার নিজের সম্পর্কে দীর্ঘ বক্তৃতায় তেমন কোনো তথ্য দিয়ে থাকতেই পারেন।
দ্বিতীয় অংশটা হল যেখানে আপনি 'পিএইচডি প্রফেসর শ্রেণী'কে স্টিরিওটাইপিং করেছেন লুঙ্গি পরা রুটিনসেক্স করা ইত্যাদি দিয়ে।
হলে দ্বিতীয় অংশটাই বিতর্কিত হতে পারে। কারণ, কেবল ওনাকে লুঙ্গিপরিহিত রুটিনসেক্সকারী ইতাদি বলে ক্যারাকটারাইজ করার চেয়ে আরেক ধাপ এগিয়ে পুরো 'পিএইচডি প্রফেসর শ্রেণী'কে ক্যারাকটারাইজ করেছেন, উনি যেমন মেটালশ্রোতাদের করেছেন। তবে বিতর্কিত কেন মনে হয় না, সেটা তো বললাম আগের কমেন্টে।
আমারও তো এটাই বক্তব্য ছিল, যে ওনার দুর্ব্যবহার আপনাকে উত্তেজিত করে মনে মনে জাজমেন্টাল হওয়ার দিকে ঠেলে দিয়েছে।
-------
আপনি যে ওনার মুখের উপর কিছু বলেননি, সেটাই তো আমাদের শভিনিস্ট সমাজের 'ভালো মেয়ে', 'ওয়াইফ মেটেরিয়াল' মেয়েদের থেকে আশা করা হয়। 'পুরুষ মানুষ' যা ইচ্ছা বলতে পারে মেয়েদের, তারাই তো বাড়ির কর্তা, ভাত-কাপড় জোগায়। এসব যে কবে বদলাবে...
'পিএইচডি মেটেরিয়াল'ও অনেক রকম দেখেছি। কেউ নিজে হাফপ্যান্ট পরে ল্যাবের হাফপ্যান্টধারিণী বিদেশিনীদের সঙ্গে মিলমিশ করে, কিন্তু ঘরের বৌকে ঢাকাচাপা দিয়ে আটকে রাখে। ডিগ্রী উঁচু হলেই মন উঁচু হয় না।
কৌস্তুভ, মন খুলে আলাপ করার জন্য ম্যালা ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা।
লেখা পড়ে মনে হচ্ছে একটা "পিএইচডি" ইমো বানানো দরকার
আপনার এই যুক্তিসংগত প্রস্তাবনায় মডুবৃন্দ আশা করি কর্ণপাত করবেন
বাহ। আপনি তো খুব চমৎকার লেখেন। সচলে বেশ কিছুদিন চোখে পড়ার মতো নতুন লেখকের আমদানী হচ্ছেনা (নাকি আমার চোখে পড়ছে না?)। আপনি খরা কাটালেন! স্বাগতম।
______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন
সত্যি?!
অনেক ধন্যবাদ
:) 
আসলে, সবাই মনে হয় বিয়ের বাজারে মোটা দাগে বিচার করে, সেফটির জন্য। যেমন অই PhD ধারী ব্যাক্তিটি করেছে, আবার আপনি ও মনে মনে তাকে করেছেন। কারণ একটাই সবাই চায় তার বেটার হালফ এর সাথে ম্যাক্সিমাম টিউনিং, এই চাওয়াটা দোষের না। তবে এই কথাটা কিন্তু সত্যি যে হেভি মেটাল মিউজিসিয়ানদের লাইফ কিন্তু খুব একটা সুবিধার না। আপনি বরঞ্চ তার ভুলটা ভেঙে দিতে পারতেন যে হেভি মেটাল শুনলেই সবার লাইফ স্টাইল, মিউজিসিয়ানদের লাইফ স্টাইলের মত হয়ে যায় না।
লুংগি না থাকলে হল জীবনে প্যান্ট পাল্টানোই হতনা।
এইটা একটা ম্রাত্মক কথা হইছে!
ধন্যি মেয়ে! (তালিয়া)
আমার পর্যবেক্ষণ বলে, পিএইচডির দোষ না আসলে। আমাদের অতিজ্ঞানী লক্ষ্মীপক্ষী ছেলেরা যারা কখনো প্রেমট্রেম করার সময় পান নি বা সাহস জোটাতে পারেন নি, মেয়েদের ব্যাপারে তাদের ফ্যান্টাসিগুলো অনেকটাই কেতাবি, বাস্তবতাবিবর্জিত হয়ে থাকে। বিয়ের বাজারে পা দিয়ে তারা বাজারের ফর্দ ধরে ধরে মেলানোর চেষ্টা করেন। পড়ালেখা শেষে খানদুয়েক প্রেম করে কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করলেই ভালো করবেন এরা।
'কেতাবী' পাত্রগুলো কী খেল যে দেখিয়েছে !!! বাপ্ রে বাপ্ !!!!
মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ
বড় ভাল লাগলো পড়ে। আপনার উচ্ছল জীবনের সাথে একটা গাধাকে যুক্ত করেননি বলে অভিনন্দন।
এরকম একটা Rockin' কমেন্টের জন্য স্পেশাল থ্যাঙ্কস্
আমিতো লুঙ্গি/জিন্স সবকিছু পরেই মেটাল শুনি
লুঙ্গি অনেক কম্ফি।
পি. এসঃ মেগাডেথ সাক্স
মেগাডেথ-হেটারের সাথে আড়ি। জন্মের আড়ি
ভদ্রলোকটির সাথে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিতে পারবেন? উনাকে আমার খুবই ভাল্লাগেছে।
অনেক সুইট। মেটাল মুটাল মানুষে শোনে!!!! 
লুঙ্গি পড়া, ভাতুয়া, মেটাল-হেইটার লোকটিকে আপনার ভাল লেগেছে জেনে আমি ভয়ঙ্কর আনন্দিত
....'রাব নে বানায়া জোড়ি'
আর হ্যাঁ, যাদের হজমে সমস্যা তাদের মেটাল না শোনাই ভাল
আপনি ঐ লোকটাকে ভাতুয়া বললেন? ইস! যেন নিজে কখনো ভাত খান নি? ফুটানি দেখানোর জন্য সচল খুব ভাল জায়গা।
আর তাছাড়া আমার কী এমন ঠ্যাকা পড়েছে মেটাল শুনে হজম করার?
আপনার এই পাত্র দেখার গল্প শুনে, আমার ও কিছু কথা মনে পড়ে গেল। আমি তথাকথিত পাত্র পাত্রী দেখা দেখিতে বিশ্বাসী নই। তাই আমাকে কেউ দেখতে আসবে শুনলেই আমি বেঁকে বসি। নিজের ও পাত্র দেখার খুব একটা আগ্রহ নেই (কিন্তু বিয়ে করার আগ্রহ ১৬ আনার উপরে আরো ২ আনা)। যাই হোক, কোন এক বার অনেক কিছু করে আমাকে রাজি করানো হল পাত্রের সাথে দেখা করার। মায়ের সাথে রাগ করে আমি আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম, পাত্রকে কোন প্রশ্ন করব না। ঐ লোকের যদি ইচ্ছে হয় জিজ্ঞেস করবে, আমিও উত্তর দিব। নির্দিষ্ট দিনে ঐ ব্যক্তির সাথে আমার দেখা হল। আমি ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে কিছুই জানতাম না(কারণ জানতে চাইনি), এমন কি নামটাও না। প্রথম দেখে ভালই লাগল তাঁকে, মিথ্যা বলব না। কিন্তু মায়ের উপর থেকে জেদ আমার যায় নি। ভদ্রলোক আমাকে ছোটখাট প্রশ্ন করছেন। আমিও উত্তর দিচ্ছি। মেজাজটা খারাপ হল, যখন উনি জিজ্ঞেস করলেন আমাকে সব সময়ই চশমা পরে থাকতে হয় কি না। অথচ উনি নিজেই একটা চশমা পরে বসে আছেন! (আবার ফিচেল একটা হাসিও দিচ্ছেন) আমার মুখে প্রশ্নটা প্রায় চলেই এসেছিল, নিজের প্রতিজ্ঞার কথা ঠিক তক্ষুনি মনে পড়াতে রক্ষা। খুব বেশি নয়, ১০ মিনিট কথা বলেছিলাম। তিনি একের পর এক প্রশ্ন করে আমাকে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছেন। আমি একটা প্রশ্নও করছি না দেখে একটু আহত মনে হল তাঁকে। আমি খুব সংক্ষিপ্ত উত্ত্র দিচ্ছিলাম। সেজন্যই মনে হয় আমাকে কথা বলানোর জন্য এত প্রশ্ন করেছিলেন!
পারিবারিক কিছু কারণে আমাদের পক্ষ থেকেই সেবার ''না'' করে দিতে হয়েছিল।
আরেকবার আরেকজনের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলাম। তাঁকেও বেশ ভাল লেগেছে। তাঁর যে আমাকে ভাল লাগে, সে তো আগে থেকেই জানা ছিল। সেদিন আমরা অনেক আড্ডা দিলাম। তর্ক করলাম। আমার কথা আমি নিজের অজান্তেই বলে ফেলছিলাম, বা উনিই আমাকে দিয়ে বলিয়ে নিচ্ছিলেন। য়াগেরবারের মত এবারও কিন্তু আমি তাঁকে কিছুই জিজ্ঞেস করলাম না। ঠিক কেন যে, জিজ্ঞেস করতে পারলাম না (নাকি মুড দেখানোর জন্য করলাম না) এটা আমি নিজেও জানি না। দেখি একসময় নিজেই নিজের সম্পর্কে বলতে শুরু করলেন। আমিও চুপ করে খুব মনোযোগ দিয়ে শুনলাম, কারণ এগুলো জানা আমার জন্য দরকার। যখন আমার কিছু প্রয়োজন হয়েছে বলার, আমি বলেছি। তিনিও শুনেছেন। দেখলাম তিনি যেমন বলতে ভালবাসেন, তেমনি আমার কথা শুনতেও আপত্তি নেই।
আমার একজন ম্যাডাম একদিন বলেছিলেন, ''তুমি যাকে ভালবাস যদি শুধু তার ভাল দিক গুলোকে ভালবাস তবে, অর্ধেক মানুষটাকে ভালবাসলে। আর এই অর্ধেক ভালবাসার কারণে পুরো মানুষটাকে তুমি পাবে না। ঠকে যাবে তুমি নিজের কাছেই। পুরো মানুষটাকে পেতে হলে তার দোষগুলোকে, খারাপ দিকগুলোকেও ভালবাসতে হয়।'' (পরে অবশ্য দোষগুলোকে চেঞ্জ করে নিতে হবে
)
উচ্ছ্বলা, আপনার যেমন ঐ পিএইচডি ধারীর সবটা ভাল লাগে নি, তেমনি তাঁরও হয়ত আপনার সবটা ভাল লাগে নি। অন্তত মেটালের ব্যাপারটা। আপনাকে যে তাঁর ভাল লাগতেই হবে বা তাঁর ও যে আপনাকে ভাল লাগতেই হবে এমন তো নয়! আবার মাত্র একবার দেখেও একজন মানুষ সম্পর্কে সব ধারণা পাওয়া যায় না। এটা নিয়ে এত ক্ষ্যাপার কিছু নেই।
আপনার মনের মত একজন মানুষকে পেয়ে যাবেন খুব শিঘ্রই, তেমন একটা লেখা পাবার আশায় রইলাম।
ওগো রাজকণ্যা, আমি ক্ষেপলাম কখন! ক্ষেপলে তো পরফেসার সাবের সাথে আরেকটা কফি-মিটিং করতাম কিঞ্চিৎ আলোচনার উদ্দেশ্যে যাতে ওনার ভুল ভাঙ্গে।
উত্যপ্ত মিটিং টিটিং না করে বরং এই 'নিরীহ' 'ঠান্ডা' লেখাটা লিখে আমি একটা 'ছুইট রিভেঞ্জ' নিয়েছি
তাই বুঝি? আরেকটা কফি-মিটিং এর দরকার কি? আপনি ভুল ভাঙ্গাতে চাইলে একটা মিটিঙ্গেই ভাঙ্গাতে পারতেন। ভুল ভাঙ্গানোটা যদি ক্ষ্যাপামি, তবে এই ''ঠাণ্ডা'' লেখা লিখে ছুইট রিভেঞ্জ'নেওয়াটাই বা ক্ষ্যাপামি হবে না কেন? ওহ! এই নিরীহ, ঠাণ্ডা লেখাতেই মেটালের এত ঝনঝনানি!!!
তাই বুঝি? আরেকটা কফি-মিটিং এর দরকার কি? আপনি ভুল ভাঙ্গাতে চাইলে একটা মিটিঙ্গেই ভাঙ্গাতে পারতেন। ভুল ভাঙ্গানোটা যদি ক্ষ্যাপামি হয়, তবে এই ''ঠাণ্ডা'' লেখা লিখে ছুইট রিভেঞ্জ'নেওয়াটাই বা ক্ষ্যাপামি হবে না কেন? ওহ! এই নিরীহ, ঠাণ্ডা লেখাতেই মেটালের এত ঝনঝনানি!!!
এই লাইনে পেতিবাদ। এখন যেইটা আপনার কাছে দোষ, সিটা যদি মিয়াবেডার কাছে দোষ না ঠেকে তখন কেম্নে কি? আর তাইলে অই বেডারে যদি চেঞ্জ কইরা ফালান তাইলে ক্যারেক্টারও চেঞ্জ হয়া গেলো না? তখন্তো আপনার ম্যাডামের লজিকেরু হাফ ইমপ্লিমেন্ট হইল। দেখা গেল বেচারা তখন পুরা ভেজিটেবল হয়া গেল। তখন? বরং যদি অই সব দোষ বেশি ভুগায়, তাইলে পরস্পর মিউচুয়াল ভালুচুনার ভিত্তিতে নোটিশ প্রদান পূর্বক পাল্টা অই সব দোষ নিজের মধ্যে ইন্টিগ্রেট কইরা দেখা যাইতে পারে হুম্ম।
আসলে এই চেঞ্জ সেই চেঞ্জ না। এখানে কাউন্সেলিং সাইকোলোজির জ্ঞান প্রয়োগ কারা হচ্ছে। অবস্থা, পরিস্থিতি, ব্যক্তি (সেটা স্বামী, স্ত্রী, সন্তান, বন্ধু, সহকর্মী,বস যেইইই হোক), যেমন আছে তাকে প্রথমে সেই ভাবেই মেনে নিতে হবে। যতদিন না মেনে পারবেন ততদিন ক্রাইসিস থেকে যাবে। আর এই মেনে নেওয়া মানে হল একদম হৃদয় থেকে মেনে নেওয়া। (এই মেনে নেওয়াটাই আমরা পারি না। এটা কেউ কেউ খুব দ্রুত মেনে নিতে পারেন, কেউ কখনৈ পারেন না)। যখনই আপনি এগুলো হৃদয় থেকে মেনে নিতে পারবেন, তখন আপনার আচরণে চেঞ্জ আসবে। আপনার আচরণে চেঞ্জ আসলে ঐ অবস্থা, পরিস্থিতি, ঐ ব্যক্তিও ধীরে ধীরে (দ্রুতও হতে পারে, আপনার উপরি নির্ভর করছে সব কিছু) চেঞ্জ হবে। কোন কিছু যদি চেঞ্জ করতে চান তবে প্রথমে নিজেকেই চেঞ্জ করে নিতে হবে। আর নিজের সিদ্ধান্ত কখনোই অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া যাবে না।
ধরুন, আমি চাই না, আমার হাসবেন্ড মেটাল মুটাল শুনুক, অন্তত আমার সামনে। কাউন্সিলরদের মত অনুসারে, আমাকে ঐ সব মেটাল মুটালের কাউ কাউ মেনে নিতে হবে। কোন অভিযোগ করা যাবে না। দোষ দেওয়া যাবে না।( অভিযোগ করা মানেই হল, আমি মেনে নিই নি।) আমি যদি নিজের টলারেন্স পাওয়ার বাড়াতে পারি তবে সেটা আমার আচরণের মাধ্যমে প্রকাশিত হবে। আমার হাসবেন্ড এক সময় নিশ্চয়ই বুঝতে পারবেন, মেটালে আমার কষ্ট হয়। তখন আর কিছু না হোক, চেষ্টা করবেন আমার সামনে না শুনতে। এটাই তো চাচ্ছিলাম আমি।
হুম, ঠিকই তো। ঐ লোক মেটাল পছন্দ করে, এটা তো তার সমস্যা না। এটা আমার সমস্যা। সেজন্য আমাকেই চেঞ্জ করে নিতে হবে। এই হল সমাধান।
অসাধারন আইডিয়া
কল্যাণদা, আপনার কাছে তো আইডিয়া অসাধারণ বলেই মনে হব। ঐ লোকের দোষ যে এখন নিজের মধ্যে ইন্টিগ্রেট করতে হবে, ১০০% ভালবাসতে গিয়ে, সে খেয়াল আছে?
আমি কিন্তু সততার খাতিরে এইটাকে উভমুখী চলমান প্রক্রিয়া হিসেবে ধরতে চাই। কারণ ঝালেমা যেমন আমার মধ্যে থাকতে পারে, সেইরাম আমার সহ-আধিবাসীনির মধ্যেও থাকতে পারে। সুতরাং দুইজনেই কিছু না কিছু ইন্টিগ্রেশনের মধ্যে দিয়ে যাবে বইলা মনে হইতাছে। যেমন ধরেন আমি একটা সিগারেট ধরাইলেই আমার সহ-আধিবাসীনি ঝাটা নিয়া দৌড়াইয়া আসে, সুতরাং আমাকে প্রতিরক্ষামূল্পক কিছু একটা পদ্ধতি ইন্টিগ্রেট করা লাগবে। তয় আপনি কি পুরা ইন্টিগ্রেশন একাই করতে চান নাকি? তাইলে আপনি মহৎ, এই লন (গুড়) খান। আসলে ঘটনা হইল একসাথে থাকতে হইলে সবারি তো কিছু না কিছু পরিবর্তন বা আপোষরফা করাই লাগে হেহ হেহ
হুম
phd প্রফেসর শ্রেণী খুবই বোরিং ।এরা কাজ থেকে ঘরে ফিরে ভাত খায়, লুঙ্গি পরে ঘুমায়।বউ-এর সাথে রুটিন-সেক্স করে। এরা হল টিপিক্যাল উচ্চশিক্ষিত সুশীল শ্রেনী। এরা অনায়াসে নিজের পাণ্ডিত্য জাহির করতে যা জানে টা নিয়ে প্যালাচুনা করে। কুয়া ছেড়ে এরা কখনই সমুদ্রে আসে না।--
১০০ ভাগ সত্যি কথা,আমি ১৫ বছর যাবত এক phd - এর সাথে সংসার করছি।
আমার দোস্তরা যারা হবু পিএইচডি অবস্থায় আছে এখন তারা কেউ তো এমন না। তারা কী phd প্রফেসর হয়ে গেলে এমন হয়ে যাবে? ডরাইসি
তবে আমিও কাজ থেকে ফিরে ভাত খাই, অন্য কিছু খাইতে ভাল্লাগেনা। মেটাল শুন্তেও ভাল লাগেনা। আমি আবার phd প্রফেসর না। মাথায় পেচগি লাইগ্যা গেসে
কাবেরীর জন্য সহমর্মীতা
কালো কাক, এত অল্পতেই মাথায় পেচগি লাগলে চলবে, ব্রো?
হাচলত্ব প্রাপ্তির অভিনন্দন, আপু।
নিয়মিত লিখবেন 
_____________________
Give Her Freedom!
ওদের হয়েছে, কবে আমাদেরও হবে......দাদা, আমাদেরও হবে???
ওপার বাংলার কোনো এক ছলচ্চিত্রে এ গানটা শুনেছিলাম। এ মূহুর্তে তা গাওয়া ছাড়া আর উপায় কি???......
হাচলত্ব প্রাপ্তির অভিনন্দন জানাই। ভালো থাকা হোক।
আর একটা কথা.........লেখাটা দারুন হয়েছে, যদিও আমি নিজে মেটাল খুব একটা ভালু পাই না। তয় লুঙ্গি চ্রম পাই কইলাম। সো লুঙ্গি নিয়া নো হাঙ্কিপাঙ্কি।
এটা নির্দিষ্ট করে বলা মুশকিল- কবে হবে। তবে লিখতে লিখতে একদিন হবে, হবেই নিশ্চিত। লেখা আর মিথষ্ক্রিয়া।
অনেক ধন্যবাদ
ধন্যবাদ আপনাকে
যাক, সচলে ধাতবমুন্ডুদের মাঝে আরেকজনকে পাওয়া গ্যালো। সংগ্রামী কমরেড, এইটা আপনার জন্য!
Raise your swords up high!
See the black birds fly!
Let them hear your rage!
Show no fear!
Attack! \m/
______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না
killer ড্রামস প্লেয়িং! ধন্যবাদ, কমরেড, চরম এই পিস শেয়ার করার জন্য
Viva Metal !!!
পোস্টের চেয়ে কমেন্ট বেশী "
"
হায়, মেটালিক উচ্ছলা,
কি র বলব দুঃখের কথা
লুঙ্গি না পরে অন্য কিছু পরলে লাগে ইয়েতে ব্যথা।
আমার আবার প্যান্ট পরা মেটালিক উচ্ছলা্দের সাথে এলোমেলো সেx করতে বড় ভ্য় হয়। যদি
প্যান্টের জিপারে ইয়ে আটকে যায়।
জীবনে লুঙ্গিও পড়লাম না, হেভি মেটালও সহ্য হলো না, গাধা হওয়ার পথে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছি
দেশে আওয়ামী-বিম্পির ভেদাভেদের রাজনীতি সবই মিছে মায়া। দেশের রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিহিত তিনটি পার্টির হাতে। এরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাণ্ডারী।
দলে দলে যোগ দিন:
১. লিবারেল লুঙ্গি পার্টি
২. ডেমোক্র্যাটিক হাফপ্যান্ট পার্টি
৩. পিপলস পায়জামা ফ্রন্ট
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
গুড জব!!
নতুন মন্তব্য করুন