| ‹ পুরোনো ব্লগ | সব ব্লগ | নতুন ব্লগ › |
পাকিস্তানিদের স্কন্ধ থেকে অবশেষে নামলেন কুখ্যাত আদম সন্তান পারভেজ মোশাররফ।তার এই পতনে আমার পুলকিত লাগছে।এখন অপেক্ষা করছি একটা গণধোলাইর ব্যবস্থা যদি কেউ করতে পারেন:)
২
পারভেজ মোশাররফ ভাল কাজ বেশি করেছেন শুনে তার উপরে কেন রাগ ছিল ভুলে গেছি।:) এভাবে হয়তো বুশের উপর থেকেও রাগ কমিয়ে ফেলা সম্ভব!
পাকিস্তানে গণধোলাই চলতে পারে ।কারণ,ওটাতো সভ্যসমাজ না।
৩
সেটা কী করে হয়? একজনকে কুখ্যাত বললেন আর তার খারাপ কাজ ভুলে গেলেন?
পাকিস্তানে গণধোলাই চলতে পারে ।কারণ,ওটাতো সভ্যসমাজ না।
ঠিক না, ব্রাদার!
৪
ভুলে গেলাম পারভেজ মোশাররফের প্রতি আপনার আন্তরিক পক্ষপাত দেখে।আপনার মতামতের প্রতি গণতান্ত্রিক শ্রদ্ধা:)যেটা পারভেজ পাকিস্তানে কবর দেয়ার চেষ্টা করেছেন নিয়মিত।
পারভেজ মোশাররফতো বুশীয় নীতিই মেনে চলতেন!
ঠিক না,শুনে চিন্তা লাগছে।
৫
দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে ফেলা,রাজনৈতিক দলগুলোর দমন করে নিজের অস্তিত্ব সুদৃঢ করার চেষ্টা মেনে নেয়া গেলে পারভেজ সাহেবকে মানতে শুরু করা সম্ভব নিশ্চয়ই।
আর আপনি বলেছেন,বাংলাদেশ থেকে তার গণধোলাই অভিশাপ দিলাম কেন?ঘৃনা করতে ভিসা পাসপোর্ট লাগেনা।এটা একটা আর্ন্তজাতিক অনুভুতি:)
৬
চলেন, ছোট-খাট একটা বিতর্ক হয়ে যাক।
মোশারফের প্রতি আমার প্রেম থাকা-নাথাকা অনর্থক। আমি পাকিস্তানিও না, আমার কোন স্বার্থও নাই পাকিস্তানে। আমি প্রবাসে থাকি, প্রবাসী পাকিদের সাথে অনেক বিষয়েই কথা হয়। পেপার-পত্রিকাও পড়ি। সেজন্যে আমার ওই মন্তব্য। আমি কারো নামেই চন্দ্রবিন্দু দিই নাই।
শেখ মুজিবর রহমান সম্পর্কে বলতে হলে কি আমরা প্রথমেই বলি -
শেখ মুজিব রক্ষী বাহিনীর রূপায়ক, অন্তত ১০হাজার মানুষ যাদের হাতে নিহত হয়েছে, সিরাজ সিকদারকে হত্যা করেছে এবং সংসদে দাঁড়িয়ে বলেছে, "কোথায় সেই সিরাজ সিকদার" বা "তেড়ি বেড়ি করলে লাল ঘোড়া দাবড়ায়ে দেব"? সব সংবাদপত্র নিষিদ্ধ, সব রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করেছে। এর তালিকা শেষ হবে না কিন্তু।
মোশারফের দুইটা খারাপ কাজ আছে-
১. ইফখারকে বরখাস্ত,
২. বেনজিরের হত্যাকাণ্ডে সম্মতি বা সংশ্লিষ্টতা।
পাকিস্তানীদের দৃষ্টিতে তার আর কোন সমালোচনা শুনি নি।
আপনার অন্যান্য লেখাও পড়লাম। সেসব নিয়েও বিতর্ক হতে পারে।
৭
আপনি পাকিস্তানিদের দৃষ্টিতে কথা বলবেন আর আমি আমার দৃষ্টিতে!?ভাল বলেছেন।আপনার নিজের কোন দৃষ্টি থাকলে এবং তা আমি ব্যহত করলে আলাপ হতেই পারে।আপনি শেখ মুজিব বা অন্য কারো সম্পর্কে কিভাবে কথা বলবেন সেটা আপনার ব্যপার।
যে খানে বিষয়টা স্পষ্ট,নির্ধারিত সেখানে সরাসরি উদহারণ,উপমা খুব একটা আলাপে সহযোগিতা করবে বলে মনে হয় না।শেখ মুজিব সাহেবের সব কাজ ছাপিয়ে তার রক্ষিবাহিনী গঠনের রেশ আপনার মনে সুর তুললে তাই বলুন না কেন।আমি আপনাকে কথা শেখাতে যাবো না তো।এভাবেই তো সবাই বলে।যার যেভাবে ভাল লাগে।
আপনি বলেছেন পারভেজ সাহেব ভাল লোক,এই শুনে আমি কোন তাগাদা বোধ করিনা যে,আপনাকে আমার মতে হেদায়েত করে আনতে হবে।আমার অনুভুতি আমি বলেছি।আমার অনুভুতি কী কারণে তৈরী হয়েছে সেটা আমার জানা আছে।যা আমি বলেছিও।আপনি ইচ্ছে হলে আপনার ভাল লাগার কথা বললে বলতে পারেন ,ইচ্ছে না করলে নেই।আপনার মতামত আমি অবশ্যই শ্রদ্ধা করি।আমার অন্য লেখাগুলো নিয়ে আলোচনার অবসর ও ইচ্ছা থাকলে আপনি অবশ্যই করতে পারেন।স্বাগতম।
ভাল থাকবেন।শুভেচ্ছা ।
৯
পাকিস্তানের রাজনীতিতে এটা কী পরিবর্তন বয়ে আনবে- সেটাই ভাবছি।
.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ
ব্লগস্পট ব্লগ ::: ফেসবুক
১১
যখনই ব্রেকিং নিউজ তখনই বিবিসি,
স্যরি, তখনি অণৃণ্য !
১৩
এখন যে দু'জন ক্ষমতায় আসলো গনতান্ত্রিক উপায়ে (মুশাররর সরকারের অধীনেই নির্বাচন করে) তাদের সাথে যদি ব্যক্তি মুশাররফ ও তার নেয়া উল্লেখযোগ্য সংস্কারগুলোর তুলনা করেন খানিকটা নিরপেক্ষভাবে, তবে বুঝতে পারবেন তুলনামূলকভাবে কে ভালো ছিলো। তাছাড়া পাকিস্তানের জঙ্গীবাদ ঠেকাতে মুশাররফ একটা ভালো বিকল্প ছিলো। এখন যে দু'জন ক্ষমতায় বসলো তাদের চরিত্র তো একেবারে ফুলের মতো পবিত্র! আমাদের এই উপমহাদেশে সবই সম্ভব। গুন্ডা আর খুনিদের জনগন বরমাল্য গলায় দিয়ে বের করে আনে জেলখানা থেকে!
১৪
ভাল বলেছেন,আপনার কথায় মনে হতে পারে মোশাররফ সাহেব পাকিস্তানে গণতন্ত্র দেয়ার জন্য,নির্বাচনের জন্য উদগ্রীব ছিলেন। কে ভাল কে মন্দ অন্য বিতর্ক।মোশাররফ সাহেব ভাল না এইটা হইলো কথা।তার পাকিস্তানে নাজিল হওয়ারই কোন কারণ ছিল না।
সেনা শাসকদের পক্ষে কথা বলার যুক্তি অনেকেই পান না।:)
১৫
আমি পাকি পলিটিক্সে একেবারেই অজ্ঞ। মুশাররফ সম্পর্কেও জানা নেই। তার ভালো কাজের বর্ণনা দিয়ে আলমগীর ভাই আর খারাপ কাজের বর্ণনা দিয়ে অণৃণ্য ভাই পোস্ট/মন্তব্য দেন। আলোচনা জমুক।
১৬
কইলামতো বাহে।পারভেজ সাব পাকিস্তানের গণতন্ত্রের প্রকৃয়া ব্যহত করেছেন।রাজনীতি বিদদের সঙ্গে দমনমূলক আচড়ন করেছেন।বুশের সঙ্গে আঁতাত করে পাকিস্তানের স্বার্বভৌমত্ব বিপন্ন করে তুলেছেন।এতো গুনের পর আর কী দরকার !?
১৭
আমার দৃষ্টিতে মোশাররফ যে কারণে ভাল না:
সামরিক অভু্যত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল ক'রে প্রেসিডেন্ট মোশাররফ পাকিস্তান শাসন করেছেন ৯বছর। ক্ষমতায় টিকে থাকতে বিভিন্ন সময় আঁতাত করেন দেশী-বিদেশী শক্তির সঙ্গে।ঘটনার শুরম্ন ৯৯'র ১২ অক্টোবর।পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ সেদিন একটি বেসামরিক বিমানে করে দেশে ফিরছিলেন।দেশটির প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ মোশাররফকে বহনকারী বিমানটিকে দিক পরিবর্তন করে ভারতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু সেনাপ্রধান পাইলটকে বলেন প্রধানমন্ত্রীর দেয়া নির্দেশ অমান্য করতে। পাইলট সে আদেশ পালন করেন। দেশের মাটিতে নেমে নওয়াজকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেন মোশাররফ। পাকিস্তানীরা পায় খাকী পোষাক পরা নতুন নেতা।
নিন্দার ঝড় ওঠে বিশ্বব্যাপী। নিস্ক্রিয় হয়ে যায় পাকিস্তানের পার্লামেন্ট। ২০০১ সালের ২০শে জুন নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করে আগস্টে পার্লামেন্ট ভেঙে হাতিয়ে নেন ক্ষমতা। নাইন ইলেভেনের পর মোশাররফ রাতারাতি হয়ে ওঠেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশের ডান হাত আর সন্ত্রাসবাদবিরোধী যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ন খেলোয়াড়।
২০০২ এর অক্টোবরে মোশাররফ ঘোষণা করেন তাঁর পাঁচ বছরের শাসনামল। নিন্দিত হন আবারো। ২০০২ অক্টোরের নির্বাচন দেন, যে নির্বাচন প্রসব করে একটি ঝুলন্ত পার্লামেন্ট।
দেশবাসীকে ২০০৫ এর জানুয়ারীর মধ্যে সেনাপ্রধানের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা রাখেননি মোশাররফ।
ক্ষমতা দখল করা মোশাররফ ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগেই ২০০৭ এর ৯ মার্চ অপসারণ করেন প্রধান বিচারপতি ইফতেখার চৌধুরীকে। কট্টরপন্থী ইসলামী দলগুলোর সঙ্গে সমঝোতায় ক্ষমতায় থাকলেও মোশাররফের জন্য তা খুব আরামের ছিলো না।
২০০৭ এর অক্টোবরে নিজেকে পুনর্নিবাচিত ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট মোশাররফ । নভেম্বরে জারি করেন জরুরী অবস্থা। নভেম্বরের শেষে সেনাপ্রধানের দায়িত্ব দেন জেনারেল আশফাক কায়ানির হাতে। তাঁর পতনের শুরু তখনই। ডিসেম্বরে বিশ্ববাসী হতবাক হয়ে দেখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো হত্যাকান্ড। পরিস্তিতি চলে যায় মোশাররফের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই ফেব্রুয়ারীতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয় প্রয়াত বেনজিরের দল পাকিস্তান পিপলস পার্টি। জোট ক'রে নওয়াজ শরীফের পিএমএলের সঙ্গে। মোশাররফ যাঁকে সরিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন সেই নওয়াজই চলে আসেন ক্ষমতায়। জোট সরকার সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেয় অভিসংশনের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে মোশাররফকে সরাতে। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংবিধান লংঘন এবং দুর্নীতির। সোমবারের জাতীয় পরিষদের সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিসংশন প্রক্রিয়া শুরু করার কথা ছিলো। তার আগেই পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন মোশাররফ।
(মোশাররফ সাহেবের কির্তিনাশের দিন এতো কথা বলতে হলো বলে মেজাজ আরো খারাপ হয়েছে।আমার কাছে মীরজাফর টু হলেন এই মোশাররফ সাব ।)
১৮
যা বললেন, তাতে আমাদের এরশাদও তো এর কাছে দুগ্ধপোষ্য শিশু। একাধারে প্রেসিডেন্ট এবং সেনাপ্রধান। প্রেসিডেন্টের ওপর গোস্বা করে তাকে দেশছাড়া করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল। তবে এরশাদের সাথে এর একটা মিল আছে। দুইজনেই মাঝে মাঝে নির্বাচন দিয়া নিজেকেই পরবর্তী কয়েক বছরের জন্য হালাল বলে ঘোষণা দিয়েছে।
আপনার তথ্যপূর্ণ মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এবার ওপর পক্ষের বক্তব্য শোনা যাক। মোশাররফ কি কি কারণে পাকিস্তানিদের কাছে মহাপুরুষ। শেখ মুজিবের দুঃশাসনে অতিষ্ট সেনাবাহিনী যেমন গুরুদায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে দিয়েছে, নেওয়াজ শরীফের দুর্ণীতিও মোশাররফকে একই রকম জিহাদে উদ্বুদ্ধ করেছিলো কি না দেখা যাক।
---------
চাবি থাকনই শেষ কথা নয়; তালার হদিস রাখতে হইবো
২০
সামরিক অভু্যত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল ক'রে প্রেসিডেন্ট মোশাররফ পাকিস্তান শাসন করেছেন ৯বছর।
তার আগে তাকে প্রমোশন দিয়ে শ্রীলংকা পাঠানো হয়। শ্রীলংকা থাকা অবস্থায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। সেনাবাহিনী সেটা মানেনি। পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্টও সেটাকে অবৈধ ঘোষণা করেছে, সেনাশাসনকে বৈধতা দিয়েছে। তাকে দেশে ফিরতে বাধা দেয়া হয়। করাচী বিমান বন্দর তখন নওয়াজের অধীন। সেনাবাহিনী সেটার দখল নেয় এবং মোশারফরের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে।
সংগামতো ক্যু কিন্তু তার জন্য মোশারফ দায়ী না, দায়ী নওয়াজ নিজে।
নেওয়াজ শরীফের দুর্ণীতিও মোশাররফকে একই রকম জিহাদে উদ্বুদ্ধ করেছিলো কি না দেখা যাক।
২১
প্রধানমন্ত্রী কি সেনাপ্রধানকে চাকরিচ্যুত করতে পারেন? যদি পারেন, তাহলে সেনাবাহিনী সেটি না মানার কে? প্রধানমন্ত্রীর আদেশ যদি দেশের সেনাবাহিনীর পছন্দ না হয়, তাহলেই কি তারা বিমানবন্দর দখল করে সেনাপ্রধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের অধিকার রাখে? যদি তা-ই রাখে, তাহলে তো পৃথিবীর কোন সেনাশাসনই খারাপ না।
পারভেজ মুশাররফ ভালো করেছে না খারাপ করেছে তাতে আমার কিছু যায় আসে না। পাকিস্তানে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হোঁচট খেয়েছে তার ক্ষমতা দখলের কারণে। নওয়াজ শরীফ তার কৃতকর্মের ফল ভোটেই পেতো। ভোটে কারচুপি করলে পাল্টা গণঅভ্যুত্থান হতো। গায়ের জোরে ক্ষমতা থেকে কাউকে সরাতে পারে জনগণ, সেনাবাহিনী না। যদি সেনাবাহিনীর সেই কীর্তিকে হালাল হিসেবে গণ্য করা হয়, তাহলে পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের উচিত সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়া, নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা।
তবে আমি কৌতূহলী আরেকটা ব্যাপার জানতে। প্রবাসী পাকিস্তানীরা সেনাশাসনকে কী চোখে দেখেন?
২২
প্রধানমন্ত্রী কি সেনাপ্রধানকে চাকরিচ্যুত করতে পারেন? যদি পারেন, তাহলে সেনাবাহিনী সেটি না মানার কে? প্রধানমন্ত্রীর আদেশ যদি দেশের সেনাবাহিনীর পছন্দ না হয়, তাহলেই কি তারা বিমানবন্দর দখল করে সেনাপ্রধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশের অধিকার রাখে? যদি তা-ই রাখে, তাহলে তো পৃথিবীর কোন সেনাশাসনই খারাপ না।
তবে আমি কৌতূহলী আরেকটা ব্যাপার জানতে। প্রবাসী পাকিস্তানীরা সেনাশাসনকে কী চোখে দেখেন?
২৩
পাকিস্তানি টিভিতে মোশাররফ সাহেবের পতনে জনগনের উল্লাস দেখেছেন?
আপনার পরিচিত প্রবাসী কোন পাকিস্তানি কি কেদেছেন মোশাররফ সাহেবের জন্য?
২৪
আলমগীর ভাই, ধরলাম মোশাররফ মানুষ হিসেবে প্রায় নবী-রাসুল পর্যায়ের নিষ্পাপ লোক। আর নেওয়াজ শরীফ ইবলিশের খালাতো ভাই। কিন্তু এই সমীকরণে সেনাপ্রধানের রাষ্ট্রপ্রধান হওয়ার যৌক্তিকতা কি আমি তা খুঁজে পাইনি।
নেওয়াজ শরীফ খারাপ হোক, ভালো হোক, সে জনপ্রতিনিধি। তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর দায়িত্বও জনগণের। এখানে সেনাপ্রধানের নাক গলানোর এক্তিয়ার ঠিক কতটুকু?
২৫
মোশাররফ দায়ি না হলেত ভালই।খুব ভাল।কালকের পত্রিকাগুলো থেকে বাকিটা পড়ে নেব।আপনাকে অনেক ধন্যবাদ ভাই আলমগীর।শুভেচ্ছা।ভাল থাকবেন।
২৬
পারভেজ মোশাররফ জঙ্গীবাদ দমন করা দুরে থাক, জঙ্গীবাদরে কায়দা কইরা পুরা দক্ষিণ এশিয়ায় ছড়ানোর কাজে প্রত্যক্ষ সহায়তা করছে। উপমহাদেশের ইতিহাসে আইয়ুব-ইয়াহিয়ার পরে মোশাররফের মতো স্কাউন্ড্রেল আর দেখা যায় নাই। লাল মসজিদ টাইপ জিনিসগুলি তার নিজের হাতে বানানো। লাদেনরে নিরাপদে কোথাও পাঠাইয়া আফগানিস্থানে বোমা ফালানোর ব্যাপারে আমেরিকার মূখ্য সহায়ক হইল পারভেজ মোশাররফ। দক্ষিণ এশিয়ার ইসলামী জঙ্গীরা এই বাস্টার্ডের আমলে পাকিস্থানের মাধ্যমে সবচাইতে বেশী আর্থিক সাহায্য পাইছে।
পাকিস্থানের লোক লাগেনা। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে পাকিস্থানের যেকোন সামরিক শাসকরে দেখতে হবে আন্তর্জাতিক রাজনীতির দৃষ্টিতে।
যে বা যারা পারভেজ মোশাররফের প্রতি সামান্যতম দরদ অনুভব করেন তিনি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালে গণহত্যা, চিলির গণহত্যা, ভিয়েতনামের গণহত্যা, ইন্দোনেশিয়ার গণহত্যার সমর্থক হিসাবে চিহ্নিত হবেন। রাজনীতিই সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র বিষয় যা কখনো কাউকে ক্ষমা করে না। এই ক্ষমা না পাবার তালিকায় সামরিক শাসকদের স্থান তর্কাতীত ভাবে সবার উপরে।
কোন সিভিল সরকার কবে কী করছে না করছে সেইটা কোন সামরিক শাসক প্রসঙ্গে সম্পূর্ণ অবান্তর।
২৭
যে বা যারা পারভেজ মোশাররফের প্রতি সামান্যতম দরদ অনুভব করেন তিনি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালে গণহত্যা, চিলির গণহত্যা, ভিয়েতনামের গণহত্যা, ইন্দোনেশিয়ার গণহত্যার সমর্থক হিসাবে চিহ্নিত হবেন।
আপনার কথা মেনে নিলে, কেউ যদি খারাপ কাজ করে কিন্তু জনগণের নির্বাচিত হয়, তাহলে তা ওভারলুক করা যায়। তাই কি বলতে চাচ্ছেন? সে যুক্তিতে বুশ-ব্লেয়ার আর জন হাওয়ার্ডের কোন অপরাধ নেই। নিজ দেশে তারা বিপুল ভোটে নির্বাচিত। নরেন্দ্র মোদি ৫হাজার মানুষ মেরেও দিব্যি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছে।
২৯
আপনিতো ভাই দেখতেছি কিছুই মানেন না।
শুধু মানেননা যে এটা বলতে জানেন।কেন মানেন না এটা বলেন না
যুক্তি দেন পুরো আলোচনা থেকে যে কোন এক চিমটি নিয়ে!
৩১
হিটলার সোশ্যালিস্ট ছিল!!!!!!!!!!!!!!!! আপনার ইতিহাস জ্ঞানে আমি মুগ্ধ।
নির্বাচিত সরকারের অপকর্ম প্রসঙ্গে হিমুর সঙ্গেই থাকবো। বল প্রয়োগের এখতিয়ার শুধুমাত্র জনগণের আছে। গণঅভ্যুত্থান তাই হালাল। গণপিটানিও হালাল।
সেনা বাহিনি রাষ্ট্রের পয়সায় ট্রেনিং প্রাপ্ত গুন্ডাবাহিনি। তাঁর অবস্থান জন্মসূত্রে গণবিরোধী। রাজনীতিতে তার যেকোন ধরণের অংশগ্রহণের ন্যুনতম খায়েশ গণপ্রতিনিধিত্বের মূলনীতির সরাসরি বিরোধী।
বুশ-ব্লেয়ারদের দেশে সামরিক শাসনের প্রয়োজন নেই। তাদের পেট চালাতে দরিদ্র দেশে নানা সাজের পারভেজ মোশাররফ তৈরী করতে হয়। তারা সেটা করেন। যিনি যতটা সাফল্যের সাথে করতে পারেন তিনি তত বেশী ভোট পান।
আপনাকে ব্যক্তিগতভাবে কোন আক্রমণ করছি না। তবে রাজাকারদের গালি দেওয়া যেই কারণে ফরজ মনে করি, সামরিক শাসকের বিরোধিতা করা সেই একই কারণে ফরজ মনে করি। ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না। আমি শুধু ফরজটুক পালন করলাম।
৩২
কেউ যদি খারাপ কাজ করে কিন্তু জনগণের নির্বাচিত হয়, তাহলে তা ওভারলুক করা যায়। তাই কি বলতে চাচ্ছেন?
আলমগীর ভাইয়ের এই প্রশ্নটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু প্রশ্নের উত্তরও সম্ভবত মোটামুটি সরল।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েই একজন যা খুশি তাই করার অধিকার পায় না, তাকে জনস্বার্থ রক্ষার জন্যই জনগণ নিয়োগ দেয়। সুতরাং খারাপ কাজ করলে জনপ্রতিনিধি বলে ওভারলুকের কোনো সুযোগ নেই।
এখন, কথা হলো খারাপ কাজের প্রতিবাদ, প্রতিরোধের দায়িত্ব কার? এটাও জনগণের। জনগণই খারাপ কাজের জন্য জনপ্রতিনিধিকে বরখাস্ত করার অধিকার রাখে এবং এই অধিকারটা সামরিক বাহিনীর আওতায় পড়ে না। বিশেষ করে যেখানে সামরিক বাহিনী জনগণকে থোড়াই কেয়ার করে নিজেই জনশাসনে স্বনিযুক্ত হয়।
একটি রাষ্ট্রে পুলিশ, সেনাবাহিনী, জনগণ, জনপ্রতিনিধি প্রত্যেকেরই দায়িত্ব এবং অধিকারের সীমা নির্ধারিত থাকে / থাকা উচিত। অতি উৎসাহী হয়ে সেই সীমা অতিক্রমটা কখনোই লংটার্ম সুফল বয়ে আনে না।
৩৩
কিঞ্চিত বিনোদনের আলোকরশ্মি এই পোষ্টের মন্তব্যে লুক্কায়িত দেইখা আমোদিত হইতেছি। দেখা যাউক, তাহা মিলে কিনা ![]()
৩৪
হাল্কা ধরাইয়া দিলে আমোদ বাড়ানোর চেষ্টা করা যাইতো।
যাই হোক,মিললো কি মিললো না বা আপনি কি মিলাইতে চাইছিলেন জানাইয়া আমোদিত করবেন আশা করি।
ভাল থাকবেন।শুভ কামনা।
৩৫
পারভেজ মোশাররফের এই পতন অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে । বিশেষ করে উপমহাদেশের আরেক
১
একমত না।
তার করা ভাল কাজের পরিমাণই বেশী।
সভ্য সমাজ কি গণধোলাই এ বিশ্বাসী?