নীড়পাতা | সন্দেশ | লিংকস | আড্ডাঘর

Primary Links:

‹ পুরোনো ব্লগসব ব্লগনতুন ব্লগ ›

মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি ----- আমার স্বীকারোক্তি


লিখেছেন পরিবর্তনশীল (তারিখ: শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৬:৩৫)
ক্যাটেগরী: |


গড় রেটিং
( ভোট)
লিখেছেন পরিবর্তনশীল (তারিখ: শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৬:৩৫)
উদ্ধৃতি | পরিবর্তনশীল এর ব্লগ | ৪০টি মন্তব্য | ৪৬০বার পঠিত

Views or opinions expressed in this post solely belong to the writer, পরিবর্তনশীল. Sachalayatan.com can not be held responsible.

মুশফিকা মুমু এর ছবি
১ | মুশফিকা মুমু | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৬:৫২

ওঁয়া ওঁয়া খুব কষ্ট লাগছে .... অনেক স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন ওঁয়া ওঁয়া


আনোয়ার সাদাত শিমুল এর ছবি
২ | আনোয়ার সাদাত শিমুল | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৭:০২

শেষে একটা লিস্টি দ্যান। এই ইনফিনিটি সিরিজের সব মেয়ের নাম। সাল-মাস-তারিখের ক্রম ফলো করবেন।
ঐটাও ইন্টারেস্টিং হবে।
চোখ টিপি


ধুসর গোধূলি এর ছবি
৩ | ধুসর গোধূলি | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৭:০৭

- কামন ম্যান চিয়ার আপ।

নাথিং বিগ হ্যাপেন্ড। সর্বসাকুল্যে ঠিক ক'বছর বা একসঙ্গে কতোটা সময় পার করেছেন সেই হিসেবে যাচ্ছি না। অনুভূতি শালা ব্যাপারটাই এমন, কবিরাজের মিকচার অষুধের মতো খালি ঝাঁকায়।

দিয়া চলে গেছে, নাদিয়া আসবে, নতুন পথের দিশারী নিয়ে দিশা আসবে। না আসলেও সই। আসতেই যে হবে এমন কোনো কথা নেই।

আমার বাড়ি ঘুরে না চাহিলে তারে পাওয়া যায় খুঁজে পেলে দেখবেন, সবার বুকেই স্বপ্নাহত'র মতো একটা নদী বয়ে চলে। এতে সান্ত্বনা বাণীর কিছু নেই। আফসোসের কিছু নেই। কষ্টের ও কিছু নেই। সময় বহমান। যা কিছু ঘটে সবই সময়ের প্রয়োজনে। সবসময় স্পর্শ করা হাতে তাকে আঘাত করাটাও ছিলো সময়ের প্রয়োজন।

তবে আঘাতটা উলটা দিক থেকে আসলে কাহিনীতে টুইস্টটা আসতো ভালো করে।

দৃশ্যটা এভাবে কল্পনা করুন:

শয়তান, গোলাম, বদমাশ- আমি চলে যাচ্ছি আর তুই কোনো জোরই করছিস না? তোর সমস্যা কি সত্যি করে বল। তুই কি বাংলাদেশ মেডিকেলের দীপা'র সঙ্গে নতুন করে যোগাযোগ শুরু করেছিস? তবে রে লুইচ্ কোনখানকার। 'ঠাশ'- এটা একটা চড়ের আওয়াজ। আমি যাওয়ার আগে তোকে চাকভুম চাকভুম নেচে ফোন করবো। আম্রিকা গিয়ে অঞ্জু ঘোষের মতো কোমর ঝুলিয়ে নাচবো অতলান্তিকের জলে। ভাবিস না যে বালিকা ভুল করে সেই জলে নামবে। হাঁটু জলে নেমে আমি গলা মাঞ্জন করবো, তারপর কুটুশ কাটুশ ফটুক তুলে সেটা তোকে পাঠাবো। তুই দেখবি পাঁঠা। তোকে কী পরিমান জ্বালাই আমি। থাক তুই তোর ভটকি দীপাকে নিয়ে। আমি গেলাম। আদিওস! দেঁতো হাসি

চিয়ার আপ বাডি।
_________________________________
<সযতনে বেখেয়াল>


সুলতানা পারভীন শিমুল এর ছবি
৪ | সুলতানা পারভীন শিমুল | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৭:৪১

সত্যিই তাই, মহিব।
আমাদের সবকিছুই বোধহয় সময়ের প্রয়োজনেই।
মন খারাপের কিচ্ছু নেই।
সবসময় ভাল থাকুন...

...........................

সংশোধনহীন স্বপ্ন দেখার স্বপ্ন দেখি একদিন


অতিথি লেখক এর ছবি
৫ | অতিথি লেখক | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৭:৪৬

লেখাটা পড় এ যা ভাব এসেছিল, গোধূলির মন্তব্য এ তা উড় এ গেছে।

গোধুলি বানং্গলা সিনেমার স্করীপ রাইটার রা তো ভালো ই কামায় য্তও দূর জানি। জারমানীর ডিপ ফ্রঈজ ছেড়এ সেদিকে একটা ট্রআই দিলে হয় না??

পরিবরতন কে বলছি,পরিবরতন ই জীবন এর মুল সুত্র। এক্বআর না পারিলে দেখো শতবার, রবারট ব্রউসের মত লেগে থাকেন কিন্তউ ব্যচেলার এর ফাহিম হয়ে যেয়েন না।

শুভেচ্ছা,

তানবীরা


অতিথি লেখক এর ছবি
৬ | অতিথি লেখক | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৮:০২

আপনার কষ্টটা আমি বুঝতে পরেছি । শুধু এতটুকুই বললাম ।
eru

-------------------------------------------------
সুগন্ধ বিলোতে আপত্তি নেই আমার
বস্তুত সুগন্ধ মাত্রই ছড়াতে ভালবাসে।


অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
৭ | অতন্দ্র প্রহরী | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৯:০৭

মন খারাপ হয়ে গেল। তবে এটুকু বলব, কারো জন্য জীবন থেমে থাকে না, শুধু গতিপথ কিছুটা বদলে যায়। তোমারটাও বদলেছে কিছুটা, হয়তোবা অনেকটা। পুরাতন এসব কথা মনে করে নিজেকে বেশি কষ্ট দিও না। তোমার জন্য অনেক দোয়া আর শুভকামনা থাকল।


বিপ্লব রহমান এর ছবি
৮ | বিপ্লব রহমান | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ১৯:৩১

বড় বেদনার মতো
বেজেছো তুমি হে,
বড় একা...বড় আঁখি জল
তোমারও লাগি...


আমাদের চিন্তাই আমাদের আগামী: গৌতম বুদ্ধ


শিক্ষানবিস এর ছবি
৯ | শিক্ষানবিস | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ২০:৩০

আমি আসলে কি বলব বুঝতে পারছি না। ইনফিনিটি সিরিজের মধ্যে এটার গভীরতাই সবচেয়ে বেশী ঠেকেছে। সেটাই স্বাভাবিক, এটাই তো সবগুলোর মাতা।
এই বিরল অভিজ্ঞতা আশাকরি আরও অনেক কিছুর জন্ম দেবে: পরিবর্তনশীলের জীবনে এবং লেখনীতে।


১০

সংসারে এক সন্ন্যাসী এর ছবি
১০ | সংসারে এক সন্ন্যাসী | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ২০:৫৬

‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍‍প্রেম-বিরহের গল্প আমাকে সচরাচর টানে না (কাঠখোট্টা মানুষ তো!)। কিন্তু এই লেখাটি পড়লাম কী যে এক মুগ্ধতা নিয়ে! স্রেফ লেখার কারণে।

আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, জীবনের দশম প্রেমটিকেও প্রথম প্রেমের মতো মনে হয় চোখ টিপি । অর্থাত্ দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ প্রেম বলে কিছু নেই। যে-কোনও প্রেমই প্রথম প্রেম হাসি

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নিঃস্বার্থ বন্ধুত্ব দেবো। কিন্তু কী পাবো তার বদলে? চিন্তিত


১১

স্বপ্নাহত এর ছবি
১০.১ | স্বপ্নাহত | রবি, ২০০৮-০৫-০৪ ১১:৪৫

সন্ন্যাসীজী,

দেশে আসলে একটু আওয়াজ দিয়েন। আপনার পায়ের ধূলা নেবার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। হাসি

---------------------------

থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...


১২

অতিথি লেখক এর ছবি
১১ | অতিথি লেখক | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ২১:০৯

বহুদিন আগে একটা লাইন আমাকে খুব অবাক করেছিল....
"সত্যই সবচেয়ে বেশি নাটকীয়"
কথাটা বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে।

(ক্লান্ত পথিক)


১৩

রেনেট এর ছবি
১২ | রেনেট | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ২৩:০৫

মহিব, অনেক পুরানো, প্রায় ভুলে যাওয়া স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন। সমরেশের দৌড় উপন্যাসের প্রচ্ছদে একটি কথা ছিল, "প্রথম প্রেম তুমি চাইলেও ভুলে যেতে পারবে না"। এর চেয়ে বড় সত্য জীবনে কমই শুনেছি।
বুকের মধ্যে চেপে রাখা এই কষ্টগুলো কিন্তু কখনও কখনও এক অদ্ভুত আনন্দও দেয়।
আপনার মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি পর্বে আগে কখন ও মন্তব্য করিনি, আজ করতে বাধ্য হলাম। আনুভূতি আর লেখনীর আপূর্ব সংমিশ্রন ঘটিয়ে সবাইকে নাড়িয়ে দিয়েছেন আপনি।
লেখক হিসাবে আপনি আরো শক্তিশালী হয়ে উঠুন, এই প্রত্যাশা।
-----------------------------------------------------
We cannot change the cards we are dealt, just how we play the hand.


১৪

রায়হান আবীর এর ছবি
১৩ | রায়হান আবীর | শুক্র, ২০০৮-০৫-০২ ২৩:২৭

রিক্সায় করে যখন মহিবের সাথে কোথাও যাই আমি আশে পাশে তাকাই। কিন্তু মহিব কখনো তাকায় না। আমি ওরে জিজ্ঞেস করি কাহিনী কি...সাধু সন্ন্যাসী নাকি তুই? ও জবাব দেয়, জানি না...

সেই মহিবের লেখা পড়ে একটা মানুষ আমার কাছে জানতে চায়, কিরে ও এতো মেয়ে নিয়ে লিখে ক্যান...আমি জবাব দেই, জানি না...

ভাসা ভাসা ভাবে ওর এই অমর প্রেম কাহিনী আমি জানতে পারি 2nd সেমেস্টারে। মাঝে মাঝে ওরে কারণে অকারণে এইটা নিয়ে খেপাতাম...3rd সেমেস্টারে একদিন দেখি ও myspace এ ঢুকে একটা ছবির দিকে অপলক তাকিয়ে আছে। হয়তো আবেগ একটু বেশী হয়ে গিয়েছিল। ও আমাদের জানিয়ে দিল এইটাই সেই "দিয়া"। আমাদের আর পায় কে। মেয়ের প্রোফাইল নিয়া গবেষণা শুরু করলাম। তার প্রিয় লেখক কে জানি একটা ছিল মনে নাই। জ্ঞানী মুহাম্মদ ঘোষণা দিল এই নামে কোন লেখক নাই। দিয়া পার্ট নেওয়ার জন্য দিয়া রাখছে। সবাইরে জানান দেওয়ার জন্য যে দেখো, আমি কতো ইস্মার্ট। আমার প্রিয় লেখকের নামই তোমরা শুনো নাই। এই সব নানা হাংকি পাংকি কথাবার্তা আমরা চালাইতে থাকলাম...

প্রভাবটা টের পেলাম পরের দিন। ও আমাদের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিলো। টানা চার মাস এক ফোটা কথাও কয় নাই...পোলাটা আসলেই মাইয়াটারে অন্নেক ভালো পায়...কিন্তু আম্রিকা তো আম্রিকাই...আমি দিয়ার জায়গায় হইলে এইসব অলওয়েজ চেঞ্জিং ওরফে ভাদাইম্মার লাইজ্ঞা ওয়েট না করে আম্রিকা ফুটতাম...দিয়ারে এই ডিসিশন নেয়ার জন্য আমার পক্ষ থেকে ইস্পিশাল আপনাকে বিপ্লব

আর ব্যাটা অলওয়েজ চেঞ্জিং ওই মাইয়ারে লইয়া চিন্তা বাদ দে...তোর যেই কল্পনা শক্তি তাতে করে এই রকম এককোটি মাইয়া তুই নিজেই পয়দা করে ফেলতে পারবি। হ্যারা তোরে ছ্যাক দিয়া আম্রিকা যাইবোনা...যদি না তুই না পাঠাস...
---------------------------------
সবার জ্ঞাতার্থে: পরিবর্তনশীলের এইটাই একমাত্র প্রেম নয়। আরো একটা আছে হাসি. তয় তেনারো মাঝ পথে িয়া হইয়া গিয়াছে। তবে সেই মেয়ের সাথে তার সম্পর্কের সূচনাটা বাংলা সিনেমা বললে অনেক ভুল বলা হবে। আশা করি সচল পরিবারকে মহিব সেই কাহিনী কোন একদিন জানাবে।


১৫

অতিথি লেখক এর ছবি
১৪ | অতিথি লেখক | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০০:০২

আহ! গল্পটা পড়ে আমার স্কুল জীবনের শেষ দুটো বছরের কথা মনে পড়ে গেল। আশা করছি, আমার সামনের পরীক্ষাটা শেষ হলেই আমার কিশোর বয়সের টানটান উত্তেজনার সেই কাহিনী আপনাদের শোনাবো।

আমি মনে করি, প্রেম এমনই একটা ব্যাপার যেটা পূর্ণতা পায় তখনই, যখন অপর পক্ষ থেকে সমান সাড়া পাওয়া যায়। না হয় সেটা এক সময় না এক সময় মরে যাবেই।

প্রেম আসে বারে বারে। একটা মানুষের কল্পনাশক্তি যত প্রখর, তার প্রেমের শক্তি তত তীব্র।

কেউ যদি চলে যায়, সে বস্তুত কখনই আমার ছিলো না। আমি বেঁচে যাই এইসব অজ্ঞাতভাবে অবাঞ্ছিতদের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে। আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি। কৃতজ্ঞতায় আমি সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানাই।


১৬

জাহিদ হোসেন এর ছবি
১৫ | জাহিদ হোসেন | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০০:২৩

দ্রুত মন্তব্য করার জন্যে লগইন করলাম (একগাদা কাজ জমে আছে)।

চড় মারার গল্পটি মনে আগে কোথাও পড়েছিলাম। যাই হোক-লেখালেখির জন্য কি সত্যিকারের কাউকে চিন্তা করতে হয়? মানে আমরা যা কিছুই লিখিনা কেন, তা কি কাউকে মনে রেখে লিখি? আমার গল্পের নায়িকাদেরকে কি আমি চিনি? দুঃখের গলপ লিখতে গেলে কি নিজেই আগে ছ্যাঁক খেতে হয়?

আপনার জীবনে যা ঘটেছে, তা বেদনাময় তাতে কোন সন্দেহ নেই, কিন্তু বেদনা ছাড়া জীবন যে অসহ্য এটাও বড় সত্যি কথা। একজন লেখক নিজের মনেই তৈরী করে নেন যন্ত্রনা, আনন্দ, রাগ। আপনিও তাই করবেন, করছেন।

এলোমেলো কথা লেখা হোল। ভাল থাকুন আপনি। লেখা চলুক তরতরিয়ে।
_____________________________
যতদূর গেলে পলায়ন হয়, ততদূর কেউ আর পারেনা যেতে।


১৭

আকতার আহমেদ এর ছবি
১৬ | আকতার আহমেদ | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০০:৫১

"তোমার বুকে বিদ্ধ যখন
প্রতারণার বুলেট
কী আর করা নতুন করে
ঝুলিয়ে দাও টু-লেট !"

শুভ কামনা মহিব আপনার জন্য !


১৮

অনিন্দিতা এর ছবি
১৭ | অনিন্দিতা (যাচাই করা হয়নি) | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০১:১৮

আমি সব সময় পরিবর্তনশীলের লেখার ভীষণ ভক্ত।
আজও খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তে গিয়ে মনে হলো বুকের ভেতরটা কেমন জানি মোচড় দিচ্ছে। কখন যে দুচোখ বেয়ে টপ টপ করে পানি পড়তে শুরু করেছে বুঝতেই পারিনি।
আরও অনেক অনেক ভাল লেখা পড়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
ভাল থাকবে ভাই পরিবর্তনশীল।।।


১৯

দ্রোহী এর ছবি
১৮ | দ্রোহী | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০১:২৬

ব্যাপার না মহিব।

জীবনের আসল ঠ্যালা এখনো খাও নাই। খাইলে বুঝবা এইসব কিছুই না........................................


কি মাঝি? ডরাইলা?


২০

থার্ড আই এর ছবি
১৯ | থার্ড আই | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০২:১২

মনে হইতাছে মহিব এই গল্পটা নতুন ক্লাইমেক্স তৈরীর জন্য লিখেছে। তারপরও লেখা পড়তে গিয়ে একবারও মিথ্যে মনে হয়নি।

তবে একটু কারেকশন করলে মনে হয় ভালো হয়--

উদ্ধৃতি
দুই একদিন জামাই আদর শেষে মা ঘোষণা দিলেন... ক্লাস নাইন অনেক কঠিন...

মায়ের আদরের সাথে জামাইয়ের আদরের তুলনাটা মনে হয় একটু বেমানান !

---------------------------
স্বপ্নকে ছুঁতে চাই সৃষ্টির উল্লাসে


২১

রাসেল এর ছবি
২০ | রাসেল | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০২:৩৮

-------------------------------------------------------
হুমম হচ্ছে তো। ঠিকই হচ্ছে। এইবার তুমি হাম্বা করে ডাকো


২২

অতিথি লেখক এর ছবি
২১ | অতিথি লেখক | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০৪:১৩

মনটা উদাস হয়ে গেল। আপনার লেখায় যে শুদ্ধতা আর আবেগের ছোয়া পাই তাতে আপনি কেমন মানুষ সহজেই বোঝা যায়। এই সহজ জিনিসটা যদি মেয়েরাও বুঝতে পারে তাহলে হাজার দিয়া আপনার জন্যে পাগল হবে। আর যদি নাই বোঝে তাহলে তারা আমেরিকাতেই থাকুক ... এমন অন্ধ মানুষ দেশ থেকে কমলেই ভালো।


২৩

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি
২২ | ইশতিয়াক রউফ | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০৪:১৬

আগের পর্বগুলোর পড়লেও মন্তব্য করিনি। বেশ বুঝতে পারছিলাম যে শেষতক এরকম কিছু একটা আছে। ব্যাপার না। কিছু কিছু পথে পথিক অনেক থাকলেও পথচলাটা নিঃসঙ্গই থেকে যায়। নিঃসঙ্গতা নিজস্ব হলেও পথিক আপনি একা নন। এবার হিমু ভাইয়ের আরেকটা বিয়ে দেন...


২৪

শেখ জলিল এর ছবি
২৩ | শেখ জলিল | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০৬:৩৯

মন খারাপ করা লেখা।
..ভালো থাকুন মহিব।


২৫

অতিথি লেখক এর ছবি
২৪ | অতিথি লেখক | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০৬:৫৪

ও ভাই এত্তো কষ্ট নিয়া মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটি লেখেন।আপনার বাস্তব দিয়ার চেয়ে গল্পের দিয়া অনেক বাস্তব।তবে এক দিয়ার অনেক ক্ষমতা কি বলেন?কত্তো গুলা সন্দর দিয়ার জন্ম দিল।
-নিরিবিলি


২৬

অতিথি লেখক এর ছবি
২৫ | অতিথি লেখক | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০৭:২২

আমার খুব ইচ্ছে করছে আমেরিকায় বসে দিয়া এই লেখাগুলো পড়ুক, জেনে নিক ও কতটা ভাগ্যবান।

তার জন্য শুভকামনা। পরিবর্তনশীলের জন্যও।

ঘুড়ি
..................


২৭

তারেক এর ছবি
২৬ | তারেক | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ০৯:৪৪

সিরিজ গল্প দেখলেও আমার কেন যেন পড়তে ইচ্ছা করে না। এই সিরিজের বেশির ভাগ লেখাই পড়া হয়নি। স্বীকারোক্তি পড়বার পর সত্যি বাকিগুলো পড়তে ইচ্ছা করছে না। মহিব, ভালো থাক!
_________________________________
ভরসা থাকুক টেলিগ্রাফের তারে বসা ফিঙের ল্যাজে


২৮

সবজান্তা এর ছবি
২৭ | সবজান্তা | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ১০:০৮

মেয়ে টু দি পাওয়ার ইনফিনিটির মোটামুটি সব গল্প পড়লেও, মন্তব্য করা হয়েছে সামান্যই।

আজ এই স্বীকারোক্তির পর্বে এসে মনে হচ্ছে, সত্যিকার অর্থেই Truth is Stranger than Fiction . সত্যি একটা ঘটনার সাদামাটা বর্ননাই কত হৃদয়কে ছুঁয়ে গিয়েছে। চলুক

ভালো থাকবেন মহিব, আর কারো জন্য না হোক, অন্তত নিজের জন্য।
----------------------------------------------------
অলমিতি বিস্তারেণ


২৯

বিপ্রতীপ এর ছবি
২৮ | বিপ্রতীপ | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ১১:৫২

মহিব,
আপনার আবেগটুকু অনুভব করতে পারছি। অন্যদিন মজা করে উত্তর দেই। আজ তেমন কিছু লিখতে ইচ্ছে করছে না। ভালো থাকুন...

প্রিয় একটি উক্তি আপনার জন্যঃ

If you believe in Fate to your harm, believe it, at least, for your good.

(Ralph Waldo Emerson (1803-1882), U.S. essayist, poet, philosopher. "Fate," The Conduct of Life (1860).)

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
বিপ্রতীপ ব্লগ | ফেসবুক | আমাদের প্রযুক্তি


৩০

পরিবর্তনশীল এর ছবি
২৯ | পরিবর্তনশীল | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ১৩:০৫

সবাই এত সুন্দর সুন্দর মন্তব্য করেছেন যে আলাদাভাবে সবার মন্তব্যের জবাব না দিলে অন্যায় হয়ে যায়। কিন্তু নেটের স্পীড এত দুর্দান্ত স্লো... একটা মন্তব্যের জবাবে ক্লিক করলে আসতে এক যুগ লাগে।

@ মুমুঃ আপনার মনে পড়ে যাওয়া স্মৃতি তাড়াতাড়ি লিখে ফেলুন।

@ শিমুল ভাইঃ এত বেশি নাম দিয়েছি যে আমার নিজের মনে নাই।

@ ধূগো গুরুঃ আমি চিয়ার্সের মধ্যেই আছি। সত্যি কথা এসব আমার মনে নেই। এককালে ছিল... সেই অনুভূতি থেকেই আমি এই লেখাটা লিখেছি। এখন বিন্দুমাত্র অবশিষ্ট নেই।

@ সুলতানা আপাঃ যে মহিব এই লেখাটা লিখছে সে টাইম ট্রাভেল করে দুই বছর আগে চলে গিয়েছিল। সেই এই লেখাটা লিখছে।

@ তানবীরাঃ আমি তো পরিবর্তনশীলই...

@ ইমরুল ভাইঃ ধন্যবাদ।

@ বিডি আর ভাইঃ আপ্নের জ্যোতির খবর কী? চোখ টিপি
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


৩১

মুশফিকা মুমু এর ছবি
২৯.১ | মুশফিকা মুমু | রবি, ২০০৮-০৫-০৪ ১৪:৩০

মনেপড়ে যাওয়া স্মৃতি গুলোতো মনে রাখতে চাইনা তাই কখনওই লিখবো না।
আপনাকে আরেকটা কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছে, আপনি একদিক দিয়ে ভাগ্যবান "দিয়া" আমেরিকায়, আপনার নিজের চোখে ওকে আর তার বর কে দেখতে হচ্ছেনা।

---------------------------------------------------------
মূর্ছনা কেটে গেছে সুর
জোছনা ছড়ায় বেদনা, হৃদয় আনমনা ... চির চেনা তুমি অচেনা।


৩২

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৩০ | পরিবর্তনশীল | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ১৩:২৩

@ বিপ্লব দাঃ লাইনগুলা খুব সুন্দর।

@ মহাজ্ঞানী শিক্ষানবিসঃ প্রেম ভালোবাসার পোস্টে আপনার কমেণ্ট নতুন এক দিকের উন্মোচন করছে। একটা বিষয় খুব জানতে ইচ্ছে করছে... আপনি কী কখনো করছেন নাকি এসব প্রেম টেম। না... কানে কিছু কথা এসেছিল আর কি!

@ সন্ন্যাসীদাঃ আমার কাছেও তাই...

@ রেনেট ভাইঃ এবার জলদি আপনার প্রথম প্রেমের কাহিনী শুনিয়ে দ্যান।

@ রায়হানঃ এভাবে হাটে হাঁড়ি ভাঙলি!

@ অতিথিঃ তাড়াতাড়ি তাড়াতাড়ি...

@ জাহিদ ভাইঃ বেদনাহীন জীবন আসলেই নিরস...

@ আকতার আহমেদঃ ছড়াটা চমৎকার। নিশচয়ই আপনার লেখা!

@ অনিন্দিতাঃ আপনার মত পাঠক পেয়ে আমি ভাগ্যবান।

@ দ্রোহীদাঃ খাঁটি কথা কইছেন।

@ থার্ড আইঃ বিশাল ভুল করে ফেলছি।

@ রাসেলঃ ধন্যবাদ।

@ অতিথিঃ লজ্জা দিয়েন না। হাসি

@ ইশতিয়াক ভাইঃ হিমু ভাইয়ের আরেকটা বিয়ে দিব। অচিরেই।

@ জলিল ভাইঃ অনেক ধন্যবাদ।

---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


৩৩

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৩১ | পরিবর্তনশীল | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ১৩:৩৭

@ হোটেল নিরিবিলিঃ শুনতে পাইছি... আপনার টাও অনেক ইন্টারেস্টিং। দয়া করে একটু লিখুন। হাসি

@ ঘুড়িঃ এই ইচ্ছা না করলেই কী নয়?

@ তারেক ভাইঃ না পইড়া একটা উচিত কাজ করছেন। দেঁতো হাসি

@ সবজান্তাঃ

উদ্ধৃতি
Truth is Stranger than Fiction

আসলেই তাই।

@ বিপ্রদাঃচমৎকার লাইনটা শেয়ার করার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

@ ক্লান্ত পথিকঃ কথাটা আসলেই বিশ্বাসযোগ্য।

সবাইকে আবারো ধন্যবাদ টু দি পাওয়ার ইনফিনি্টি।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


৩৪

অতিথি লেখক এর ছবি
৩১.১ | অতিথি লেখক | রবি, ২০০৮-০৫-০৪ ০৩:২৭

এখনও কি ওই কাজটা বাকি আছে!
-নিরিবিলি


৩৫

স্বপ্নাহত এর ছবি
৩২ | স্বপ্নাহত | শনি, ২০০৮-০৫-০৩ ১৩:৫১

মহিব,

সবাই বলে গেল ব্যাপার না।

বাট আমি বলি সামটাইমস ইট ইজ "ব্যাপার"।

যাই হোক, খুব ছোটবেলায় কোন একটা রিকশার পিছনে একটা ডায়লগ লেখা দেখসিলাম-

মিলনে নয়,বিরহেই প্রেম বেঁচে রয়। হাসি

স্বপ্নাহত সবাই হয়। পার্থক্যটা হলো কেউ খুব তাড়াতাড়ি আরেকটা স্বপ্ন খুঁজে নেয় আবার কেউ আগেরটাই আঁকড়ে ধরে বাস্তবতার পথটুকু পাড়ি দিতে চায়।

তুই নিজেই ভাল জানিস কোনটা তোর সাথে যায়।

ভাল থাকিস... সবসময়।

---------------------------

থাকে শুধু অন্ধকার,মুখোমুখি বসিবার...


৩৬

সবুজ বাঘ এর ছবি
৩৩ | সবুজ বাঘ | রবি, ২০০৮-০৫-০৪ ১১:৩২

ফেরাতে তো পারতেই। ওকে বাদ দাও...পৃথিবী আরও কত কিছু দেখাবে তোমাকে।


৩৭

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৩৪ | পরিবর্তনশীল | রবি, ২০০৮-০৫-০৪ ১৪:১৩

@জিহাদঃ আছিস কেমন?

@ সবুজ বাঘ খুব সুন্দ্র একটা কথা বললেন।
---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


৩৮

toxoid_toxaemia এর ছবি
৩৫ | toxoid_toxaemia (যাচাই করা হয়নি) | রবি, ২০০৮-০৫-০৪ ২১:৫৬

অবশ্যই লেখাটি মন খারাপ করে দেবার মতন।
কিন্তু আমি বলব মহিব ভাই, আপনি হয়তঃ দিয়াকে সত্যিকারের কখোনই ভালবাসেন নাই। হয়তোবা ওর জন্য আপনার অন্য কিছু ছিল। সময় বয়ে যায়। আর আমাদের অভিনয় চলতে থাকে জ়ীবনের রঙমঞ্চ-এ।


৩৯

পরিবর্তনশীল এর ছবি
৩৫.১ | পরিবর্তনশীল | সোম, ২০০৮-০৫-০৫ ০০:৪৯

হতে পারে!

---------------------------------
ছেঁড়া স্যান্ডেল


৪০

অতিথি লেখক এর ছবি
৩৬ | অতিথি লেখক | শুক্র, ২০০৮-০৫-০৯ ১৩:২৫

এই সিরিজের সব লেখাই আমি পড়েছি এবং অনেক সময় মনে হতো মহিব টাকে ধরে পেদানি দিলে খুব শান্তি পেতাম কারণ সে সবগুলো গল্পের শেষে বিরহ টেনে সমাপ্তি করে। কিন্তু এই লেখাটা পড়তেই অজান্তে চোখ ভিজে গেছে আর পুরোনো অনেক স্মৃতি মনের গভীর থেকে উপড় দিকে উঠার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভালো লাগলো শুনে যে, আপনি এই বৃত্ত থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছেন হাসি

ভালো থাকুন

কল্পনা আক্তার

.........................................................
সব মানুষ নিজের জন্য বাঁচেনা