রসভঙ্গ

রাহিন হায়দার এর ছবি
লিখেছেন রাহিন হায়দার [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১১/০১/২০১০ - ৮:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমরা তখন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। একবার ইচ্ছা হল পরদিন ভোরে বন্ধুরা মিলে খেজুরের রস খেতে যাব ছাত্রাবাস‌ থেকে আধমাইলের কিছু বেশি দূরত্বের এক গ্রামে। তখন শীতকাল। ভোররাতে ওঠা আমার জন্য অসম্ভব এবং আরো ক'বন্ধুর জন্য শক্ত কাজ হলেও মজা লোটার আশায় জেগে গেলাম যথাসময়ে, অথচ আটটার ক্লাস খুব কম সময়েই ধরতে পারতাম (আমার একটা প্রিয় কাজ ছিল ঘড়িতে সাড়ে সাতটায় জাগনি দিয়ে রাখা, এবং ঘুম ভেঙ্গে গেলে নির্বিকারভাবে তা বন্ধ করে দিয়ে আবার ঘুমে তলিয়ে যাওয়া)। অনেকেই অবশ্য রসাভিযান থেকে ঝ'রে গেল ঘুম ও রসপানেচ্ছার যুদ্ধে ঘুম জয়লাভ করায়।

আমরা সাথে নিয়েছিলাম ক্যাফেটেরিয়ার এক 'মামা'কে। 'আমরা সাথে নিয়েছিলাম' বলা ঠিক হল না অবশ্য। এক বন্ধু তার সাথে কথা বলেই রসপানের বন্দোবস্ত করেছিল, তাই কে কাকে বা কাদেরকে সাথে নিয়েছিল বলা মুশকিল। ভোরবেলা কোন গ্রামে গিয়ে হুট করে উপস্থিত হলেই তো আর খেজুরের রস পাওয়া যায় না, সাথে এমন লোকজন দরকার যাদের রসিকদের সাথে চিনপরিচয় আছে। বেশ অবাক হয়েই দেখলাম, মামার মধ্যে উৎসাহ আমাদের চাইতে একফোঁটা কম না।

আমরা হাঁটতে হাঁটতে গেলাম, গাইতে গাইতেও। খেজুরের রসের কথা কল্পনা ক'রেই মিষ্টি স্বাদ পাচ্ছিলাম মুখে। গন্তব্যে পৌঁছে রসমোহ কিছুটা ভঙ্গ হলেও আনন্দ নিয়ে খেলাম সবাই, হয়তো তৃষ্ণা কিছুটা ভূমিকা পালন করে থাকবে। রসদেনেওয়ালা বললেন, আরো ভোরে আসলে সুমিষ্টতর রস খেতে পারতাম আমরা। তার এ হতাশাজাগানিয়া কথাকে পাত্তা দিলাম না কেউই, বেঁচে থাকুক গন্তব্যের পানে আড্ডামুখর হণ্টনস্মৃতি। ফিরে চললাম সবাই। প্রকৃতির ডাকের আভাসে ক'জন অর্ধেকটা হেঁটে এসে রিকশা নিল, বাকিরা পুরোটাই হেঁটে।

এতটুকু পর্যন্ত স্মৃতিটা সুখেরই ছিল।

চ'লে এসেছিলাম ছাত্রাবাসের কাছাকাছি। হঠাৎ শুনি দুই বন্ধুর মধ্যে কথা হচ্ছে। যে পুরো ব্যবস্থাটি করেছিল মামার সাথে কথা ব'লে সে এদের মধ্যে একজন। দ্বিতীয় জনের বক্তব্য, মামাকে কিছু টাকাপয়সা দেয়া উচিত। প্রথম জন মানতে পারছে না, পাছে তিনি কিছু মনে ক'রে বসেন। দ্বিতীয় জন যেন আকাশ থেকে পড়ল, এতে মনে করার কী আছে! প্রথম জনের দ্বিধা তখনও অটুট। দ্বিতীয় জন আবার কী যেন বলল, শুনতে পেলাম না। আমি যখন ভাবছি প্রথমজনের পক্ষে দু'একটা কথা যোগ করব, ততক্ষণে সে কাঁচুমাচু ভঙ্গিতে মামার দিকে পঞ্চাশ টাকার একটা নোট এগিয়ে দিয়েছে।

এর পর একটা সদ্য নিভে যাওয়া চেহারা নিয়ে তিনি যা বললেন তা শোনার পর মনে হল, লুকিয়ে যাই কোথাও, বেশ কিছুক্ষণের জন্য, যাতে আমাকে এই দলের অন্যতম বলে আর চেনা না যায়। ইংরেজী মাধ্যমে পড়া দ্বিতীয় বন্ধুটি অভ্যস্ত ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাকালো, যেন ঘ'টে যাওয়া ঘটনা ব্যাখ্যার অতীত। ততক্ষণে আমি জিহবায় পাচ্ছি মিষ্টির বদলে তিতকুটে স্বাদ।

"মামারা, আপনাদের সাথে আমি মজা করতে আস্‌ছিলাম।"


মন্তব্য

রায়হান আবীর এর ছবি

মাঝে মাঝে আসলে এমন থাপ্পড় গালে পড়ে মন খারাপ

রাহিন হায়দার এর ছবি

যার গালে পড়ার দরকার ছিল পড়ে নাই।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

ফারুক হাসান এর ছবি

এরকম ঘটনা আসলেই খুব বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দেয়। পোষ্টের শিরোনাম একদম যুৎসই হয়েছে।

আমাদের হলের আমিনুল ভাইয়ের কথা মনে পড়ল। আমি যেসময় তিতুমীরে থাকতাম, তখন তিনি হলক্যান্টিনে কাজ করতেন (এটা স্থায়ী কোনো চাকরি নয়, তবে গতবার গিয়ে দেখি তাকে আরেকটা চাকরিতে ঢুকানো হয়েছে যেটা স্থায়ী)। যৎসামান্য বেতনে চলতো না বলে পরীক্ষার সময় রাতে রুমে রুমে গিয়ে চা-বিস্কুট বিক্রি করতেন। তাকে একবার বখশিশ দিতে গিয়ে এরকম অবস্থায় পড়েছিলাম।

রাহিন হায়দার এর ছবি

হুম ... খুবই অপ্রস্তুত হয়ে যেতে হয়। মন খারাপ

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ ফারুক ভাই।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

তিথীডোর এর ছবি

এমন মুহূর্তে নিজেই নিজের কাছে ছোট হয়ে যাই!

--------------------------------------------------
"সুন্দরের হাত থেকে ভিক্ষা নিতে বসেছে হৃদয়/
নদীতীরে, বৃক্ষমূলে, হেমন্তের পাতাঝরা ঘাসে..."

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

লুৎফুল আরেফীন এর ছবি

হুমমম..... রসভঙ্গই বটে!

শুভাশীষ দাশ এর ছবি

লেখাটা আরো ভাল করতে পারতেন।

রাহিন হায়দার এর ছবি

আরো ভালো লিখতে পারতাম, আপনার এ বিশ্বাস দেখে ভালো লাগলো। উন্নতি করার চেষ্টা করছি। অনেক ধন্যবাদ শুভাশীষ'দা।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

স্পার্টাকাস এর ছবি

অনেক মামার ব্যবহারে যেমন মুগ্ধ হয়েছি, তেমন মাঝে মাঝে খারাপও লেগেছে।
আসলে সবাই তো এক রকম হয়না। আপ্নের ঘটনাটা রসভঙ্গ হওয়ার মতই।

----------------------------------------
জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উলঙ্গ শিশুর মত
বেরিয়ে এসেছ পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবি হও।

জননীর নাভিমূল ছিঁড়ে উলঙ্গ শিশুর মত
বেরিয়ে এসেছ পথে, স্বাধীনতা, তুমি দীর্ঘজীবি হও।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- একটু পণ্ডিতি খলাই এখানে। এ জাতীয় বিব্রতকর অবস্থা এড়ানো সম্ভব তখনি যখন সবাই সবাইকে 'নিজের মতোই মানুষ' মনে করবে। আমি এমন কোনো বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছি বলে মনে পড়ছে না। উপরন্তু প্রতিটা সঙ্গই উপভোগ করেছি ষোলো আনা।

আর রসভঙ্গের একটা অন্যরকম কাহিনী বলি। খেজুরের রস আমার অত্যধিক প্রিয়। প্রথমবার যখন দেশে ফিরি, তখন দেখতে পাই আমাদের খেজুর গাছ রিটায়ার করেছে রসপ্রদান করা থেকে। আমি প্রথমবার দেশ ছাড়ার সময়েই অবশ্য এলপিআরে ছিলো। তো যাইহোক, সাত সকালে পূব পাড়ায় গিয়ে গাছিকে তার ঠিল্লা কলস সহ পাকড়াও করে নিয়ে এলাম আমাদের বাড়ি।

ততোক্ষণে আম্মা জেগেছে, বাকিরাও আমার হৈ হুল্লোরে আড়মোড়া ভেঙে উঠছে। চোখ কচলে ভাইয়া বলে, এইগুলা কি? আমি বলি, 'রস খামু'। আব্বা বলেন, "তা তো বুঝলাম, কিন্তু সব কলসীর রসই খাবি!" আমি হাসি, আম্মা হাসেন। ভেতর থেকে গ্লাস এনে দিলেন। রসিক গাছি গ্লাস ভরে দেয়, আমি চোঁ করে গ্লাস শেষ করি। একবার এই কলসী তো আরেকবার ঐ কলসী। খেয়ে যখন বুঝলাম মাথা উপুর করলে এখন রস গড়িয়ে পড়বে তখন বাদ দিলাম। সোজা গিয়ে বিছানায় লেপ মুড়ি দিয়ে কাঁপতে কাঁপতে ঘুমিয়ে গেলাম।

একটু পরে ঘুম ভাঙলো ভয়াবহ প্রকৃতির ডাকে। উঠে দৌঁড়ে গেলাম বাথরুমে। ছোট, বড় সবরকমের প্রকৃতির ডাকেই সাড়া দিলাম, সারাটা দিন ধরে। কোনো কঠিন পদার্থ বের হলো না, কেবলই তরল। উভয় দিক দিয়েই। যে তরল বেরিয়ে এলো তাকে কলসীতে ভরে আবার রস বলে বাজারে বিক্রি করা যেতো! গন্ধতো সেরকমই কিছু একটা বলছিলো।

এক দিন সারা দিনের কামিং এণ্ড গোয়িং শেষে যখন আর পারি না তখন কানে ধর্ছি, এই রসিক রসবাজী আর না!
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রাহিন হায়দার এর ছবি

এ জাতীয় বিব্রতকর অবস্থা এড়ানো সম্ভব তখনি যখন সবাই সবাইকে 'নিজের মতোই মানুষ' মনে করবে।

এটাই মোদ্দা কথা। তবে একটা দু'টা উঁচা মানুষ থেকে গেলেও সমস্যা।

রস খাইয়েন, তবে রয়েসয়ে! দেঁতো হাসি

________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

আপনি রসের কাণ্ডারী জানতাম কিন্তু এত বড় কাণ্ডারী, তা আপনার এই কাণ্ডের কথা না জানলে বিশ্বাসই করতাম না!
আপনে পারেনও! হাসি
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি

হুম
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল

মৃদুল আহমেদ এর ছবি

আমি তো কোনো পক্ষেরই দোষ দেখছি না। যে টাকা দিতে চায় নি, সে অধিক ভদ্র ও লাজুক। আর যে টাকা দিতে চেয়েছে, সে অধিক বাস্তববাদি। বিভিন্ন উৎসবে-অনুষ্ঠানে মামাদের কি আমরা টাকাপয়সা দেই না? এখানে দিতে গেলে ক্ষতি কোথায়? সেটা সে গরিব বলেও আমরা দেই না, আর সে গরিব বলেই হাত পেতে নেয়, ব্যাপারটা ঠিক সেরকম না। এটা মামা-ভাগনের একটা আবদারের সম্পর্কই বলা যেতে পারে।
ব্যাপারটা আসলে পরিস্থিতির মেজাজের ওপর নির্ভর করে। আর আপনাদেরও কপাল খারাপ। অন্য মামা হলে ঠিকই পয়সা নিত, কিন্তু আপনাদের বেলায় পড়ল এক ভদ্র মামা!!
আচ্ছা, এবার একটা বজ্জাতি প্রশ্ন : এখানে যদি ৫০ টাকার বদলে ৫০০ টাকা দেয়া হত? মামা কি নিতেন নাকি নিতেন না? দেঁতো হাসি
--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

--------------------------------------------------------------------------------------------
বললুম, 'আমার মনের সব কপাট খোলা ভোজরাজজী। আমি হাঁচি-টিকটিকি-ভূত-প্রেত-দত্যি-দানো-বেদবেদান্ত-আইনস্টাইন-ফাইনস্টাইন সব মানি!'

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

আপনে ভাই উল্টায় দ্যান খালি দেঁতো হাসি
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

রাহিন হায়দার এর ছবি

আমার মতে মূল ঝামেলাটা হয়েছে দৃশ্যপটে দ্বিতীয় জনের পদার্পণে। প্রথম জন যেহেতু পুরো ব্যবস্থাটি করেছে ব্যাপারটা তার হাতেই ছেড়ে দেয়া উচিৎ ছিল। দ্বিতীয় জন যেহেতু প্রথম জনের সাথে মামার সম্পর্কের মাত্রাটি জানে না, তার উচিৎ হয় নি এভাবে নাক গলানো।

ব্যাপারটা আসলে পরিস্থিতির মেজাজের ওপর নির্ভর করে

এটাই আসল কথা। এই মেজাজ ধরতে না পারাটাই কি বিব্রতকর পরিস্থিতিটার মূল কারণ না?

এখানে যদি ৫০ টাকার বদলে ৫০০ টাকা দেয়া হত?

উদাহরণটা একটু অবাস্তব মনে হচ্ছে আমার কাছে। তারপরও ধরে নিলাম দেয়া হল, আমার মনে হয় নিতেন না উনি।

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ বিষয়টা বিভিন্ন দিক থেকে তুলে ধরার জন্য।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

শাহেনশাহ সিমন এর ছবি

ভালো বয়ান
_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

_________________
ঝাউবনে লুকোনো যায় না

রাহিন হায়দার এর ছবি

ধন্যবাদ সিমন ভাই!
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

অতিথি লেখক এর ছবি

শিরোনাম খুব ভাল লাগল। আর লিখাটাতো ভাল লেগেছেই। এরকম বিব্রতকর পরিস্থিতিতে অবশ্য কখনও পড়তে হয় নি।
-স্নিগ্ধা করবী

রাহিন হায়দার এর ছবি

অনেক ধন্যবাদ। কখনও যেন পড়তে না হয় এই কামনা রইল।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি

লেখাটা ভালো লাগলো। শেষে এসে ধাক্কা খেলাম যদিও...

রাহিন হায়দার এর ছবি

ধন্যবাদ জানবেন অপ্র ভাই।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

সাইফ তাহসিন এর ছবি

লেখা ভাল হয়েছে, পড়ে খুব মন খারাপ হইল, এমন পোলাপাইনরে চড়াইয়া দাঁত নাড়ানো দরকার।
=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদ্বপি গরীয়সী

=================================
বাংলাদেশই আমার ভূ-স্বর্গ, জননী জন্মভূমিশ্চ স্বর্গাদপি গরিয়সী

রাহিন হায়দার এর ছবি

হা হা হা! রয়েসয়ে ...
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।