ব্লগতা নদীর মত - ১

রাহিন হায়দার এর ছবি
লিখেছেন রাহিন হায়দার [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৭/০১/২০১০ - ৬:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।

স্বঘোষিত বর্ণবাদ জিনিসটা কেমন?

আমার দু'জন পরিচিত মানুষ আছেন স্বঘোষিত বর্ণবাদী। একজন 'ত্বকের রঙ সাদা'দের দেখতে পারেন না, আরেকজন 'ত্বকের রঙ কালো'দের। প্রথমজন ছিলেন আমার ভাষাশিক্ষা ক্লাসের সহপাঠী, দ্বিতীয়জন বিশ্ববিদ্যালয়ের। দু'জনই তাদের বর্ণবাদী স্বত্তা নিয়ে বেশ গর্বিত। দু'জনই আমার স্বদেশী।

প্রথমজনের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তত তীব্র না, এমনকি তার ওঠাবসা 'ত্বরসা'দের সাথেই। আমার কাছে বরং তার বর্ণবাদটা কৃত্রিম, সোজা বাংলায় বললে একটু আলগা ভাব নেবার চেষ্টা বলে মনে হয়েছে। দ্বিতীয়জনের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা মজ্জাগত, এবং দুঃখজনকভাবে শুধু 'ত্বরকা'দের মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। ভিন্ন মতের, ভিন্ন ধর্মের, ভিন্ন আয়ের, ভিন্ন জেলার, ভিন্ন পড়াশোনার বিষয়ের বা ভিন্ন পেশার মানুষেরাও তার বর্ণবাদের (নাকি ভিন্নবাদ?) আওতায় পড়ে, অবচেতনে। সচেতনভাবে অবশ্য সে শুধুই ত্বকবর্ণবাদী এবং গর্ব ক'রে তার মতামত জানায়- "বেইসিক্যালি সবাই কমবেশি ড়েইসিস্ট, আমি একটু বেশি, দ্যাটস অল"।

মানুষের ভিন্নমত নিয়ে একসময় খুব গায়ে জ্বালাপোড়া হত। বয়স আরেকটু বাড়লে যখন বুঝে যাই মানুষের মতামত তার নিজস্ব অভিজ্ঞতার ফসল এবং কারো এ ধরণের মতামতগুলো বদলানো যথেষ্ট কষ্টসাধ্য আর তার কোন দায়ও আমার নেই, সে ঝামেলায় না গিয়ে প্রসঙ্গ পালটিয়ে ফেলি।

তবে মাঝেমধ্যে এ ধরণের লোকজন বন্ধুবৃত্তে থাকলে কিছু অযাচিত সমস্যার উদ্ভব হয়।

আইইউটিতে পড়ার সুবাদে অনেক আফ্রিকানের সাথে ভালো বন্ধুত্ব ছিল। তাদের মধ্যে একজন নাইজারের মামান। মামান আমার বেশ ভালো বন্ধু ছিল কারণ তার সাথে শিক্ষানবিশী ফরাসী মকশো করতাম নিয়মিত। একদিন ক'জন বন্ধু মিলে একটা কনসার্টে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছি, বাজানোরও কথা। অনেকটা রথ দেখা কলা বেচার মামলা। হঠাৎ মামান এলো আমাদের ঘরে। প্রস্তুতি দেখে বলল, সেও যাবে, আমাদের গানবাজনা দেখার তার খুব ইচ্ছা। আমরা বললাম, চল যাই।

বর্ণবাদী বন্ধুটা সোজা বেঁকে বসল। সে কিছুতেই যাবে না মামানকে সাথে নিয়ে। আর মামান যদি যায় সে যাবে না। আমরা পড়লাম মহা বিপদে। ওদিকে দেরী হয়ে যাচ্ছে। উপায়ান্তর না দেখে মামানকে বলা হল, "দেখ, এটা একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান। বাইরের কারো ঢোকার অনুমতি নাও মিলতে পারে। আমরা যেহেতু বাজাবো, তাই আমরা ঢুকতে পারব। কিন্তু তোমাকে যদি না ঢুকতে দেয় একটা বাজে ব্যাপার হবে। তুমি আমাদের সাথে এর পরের কোন কনসার্টে যেও।" কাহিনী আপাতত এখানেই শেষ। কিন্তু মেজাজটা সবার খারাপ হয়ে গেল।

২।

এখানে আসার আগে পরিচিত কাউকে দেশের বাইরে যাচ্ছি জানালে, স্বাভাবিকভাবেই পরবর্তী প্রশ্ন হত কোন দেশ। উত্তরে আইভরি কোস্ট বললে ভ্রু কুঁচকে যেত বেশিরভাগের, আর দেশ পেলে না! (দেশের মাটিতে বিদেশী দেখলে হা করে তাকিয়ে থাকার আমাদের যে সাধারণ প্রবণতা তার সাথে এই কুঁচকানো ভ্রুর একটা যোগসূত্র খুঁজে পাই আমি)। এমনকী প্রশ্নকর্তা পরে ভুলেই যেত কোন দেশে এসেছি, মোটাদাগে আফ্রিকা মনে রাখা ছাড়া, অনেকে আবার তাও না। ফলস্বরূপ ইদানিং লেখালাপে এরকম প্রশ্ন প্রায়ই দেখতে হয়, কোস্টারিকা কেমন লাগে? তুই কি উগান্ডায় না? সিয়েরা লিওনের পরিস্থিতি এখন কেমন? সাউথ আফ্রিকা থেকে কবে আসবি, ইত্যাদি। প্রশ্নগুলো আমার চোখে খুব দোষনীয় কিছু না। আপত্তিকর হচ্ছে প্রকাশভঙ্গিটা। নিজেরা নিম্ন আয়ের দেশের মানুষ হয়ে অন্য নিম্ন আয়ের (আইভরি কোস্টের মাথাপিছু আয় বরং বাংলাদেশের থেকে বেশি!) দেশ সম্পর্কে নাক সিঁটকানোটা যেন কেমন। নিজেরা নিজেদের নিয়ে নাক কুঁচকে রাখি, তাই মনে হয় অন্য কম আয়ের দেশও কুঁচকানো নাকের নিচে চলে আসে। আরেকটা আপাত নির্দোষ কারণ আমার মনে হয় এরকম, গড়পড়তা বাংলাদেশীরা সাধারণভাবে 'বিদেশযাত্রা' বলতে 'দেশের বাইরে কোথাও যাওয়া'কে না বুঝিয়ে বরং কিছু নির্দিষ্ট দেশে যাওয়াকে বোঝে। কেউ ঐ তালিকার বাইরের কোন দেশে গেলেই আমাদের দুই ভ্রুর দূরত্ব কমে আসে। [ইদানিং এ প্রবণতা তাও কিছুটা নিম্নমুখী। '৯১ সালে বাবার কম্বোজদেশে যাবার খবর স্কুলের সহপাঠীদের বলাতে রীতিমতো হাসির পাত্র হতে হয়েছিল! একই ধরণের অভিজ্ঞতা হয়েছিল আমার মা'র, বিশেষ করে সেই ধরণের আত্মীয়দের সাথে, যারা সুন্দর কিছু দেখলেই "নিশ্চয়ই বিদেশ থেকে আনা" ব'লে বসেন। বিদেশ শব্দটির অর্থের সংকোচন লক্ষণীয়।]

অথচ বিদেশী কেউ বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান জিজ্ঞেস করলেই আমাদের গায়ে জ্বালাপোড়া ধরে যায়। আমার ব্যক্তিগত মতামত হল এ প্রশ্নে মন খারাপ করার কিছুই নেই। ব্যাপারটা আপত্তিকর তখনই হয় যদি এই প্রশ্নের সাথে আচরণগত অস্বাভাবিকতা চোখে পড়ে। দুনিয়ার বেশিরভাগ লোকে হাতেগোনা কয়েকটি দেশ ছাড়া অন্য দেশ সম্পর্কে বিস্তারিত জানে না বলেই আমার ধারণা। জাতিসংঘ বাহিনীর কারণে এখানকার আমজনতা বাংলাদেশ নামটির সাথে পরিচিত হলেও এর ভৌগলিক অবস্থান সম্পর্কে বেশিরভাগেরই ধারণা নেই। সেদিন তো এক অফিসে শুনতেই হল, "বাংলাদেশ কী আফ্রিকা মহাদেশে?" প্রশ্নটা শুনে বোঝা গেল প্রশ্নকারীর নিজ মহাদেশ আফ্রিকা সম্পর্কে ধারণা তো নেই-ই, গায়ের রঙের বিভিন্নতা সম্পর্কেও ওয়াকিবহাল নন তিনি, তাহলে আমাকে অন্তত একজন এশিয়ান বলে চিনতে পারতেন। প্রশ্নটা করেছেন খুবই ভদ্রভাবে, আমি একদমই গায়ে মাখলাম না। ছোট করে বললাম, "এশিয়ায়"।

বাংলাদেশীদের গড়পড়তা ভূগোলজ্ঞান ভিনদেশীদের থেকে বেশি বলেই মনে হচ্ছে।

[নামকরণ সমস্যায় পড়লেই এই শিরোনামটি ব্যবহার করব। উল্লেখ্য, তানিম ভাই (ঘুরেফিরে খালি এই লোকটা চলে আসে) পাউলো কুয়েলোর 'লাইক দ্য ফ্লোয়িং রিভার'-এর বাংলা করেছেন 'বহতা নদীর মত'।]


মন্তব্য

হিমু এর ছবি

নীললোহিতের একটা গল্প ছিলো। একবার সে এক গ্রামে নেমেছে আটকে পড়া ট্রেন থেকে। সেই গ্রামেও নীলু নামে এক লোক নিরুদ্দেশ, যে কি না দেখতে প্রায় নীললোহিতের মতোই। তো সেই নীলু ফিরে এসেছে ধরে নিয়ে লোকজন তুমুল হট্টগোল শুরু করে দিলো। কেউ গোবর খাইয়ে প্রায়শ্চিত্ত করাতে চায়, কেউ ধরে মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চায়, কেউ ঠ্যাঙাতে চায়, কেউ পয়সা ফেরত চায় ... সব মিলিয়ে খুব বাজে অবস্থা।

সেই গল্প পড়ে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আফ্রিকা যাবো না। বিপদাছে!



বুকে BOOK রেখে বন্ধু চলো আজ যাবো বরাহশিকারে মোরা ধার ধার ধার দিও বল্লমে ♪♫

রাহিন হায়দার এর ছবি

হো হো হো
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

দ্রোহী এর ছবি

আইভরি কোস্টের লোকজন আর কিছু পারুক বা না পারুক ফুটবল খেলে বাঘের মতোন। ☺

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি

এটা ঠিক আমাদের ভৌগলিক জানাশোনা একটু বেশি। নিজে-ও টের পাই।
বর্ণবাদের বৈজ্ঞানিক কোন ব্যাখ্যা আছে? বিবর্তনের সাথে একটু মিল পাই (আমি তোমার থেকে সেরা, আমি টিকব- ফিটেস্ট একটা ব্যাপার আরকি)। তবে বাঙালিদের এই ব্যাপারটা এসেছে উপনিবেশ থেকে, মনে হয়। ধরুন, উপনিবেশ শাসনামলে একজন ফরাসী ও বাঙালি সংকরের সন্তান এবং একজন ইংরেজ ও বাঙালি সংকরের সন্তানদের মধ্যে একটা প্রতিযোগিতা থাকে। এটা ক্রমে ডালপালা গজায়। ধর্মবিদ্বেষ, ভৌগলিক সুবিধা, অর্থনীতি এসব-ও কাজ করে মনে হয়।
==============
তানিম ভা
ই কে?

==============================
ঢাকার মৌন ঘ্রাণে বকুলফুলের নাভি
==============================
হা-তে এ-ক প্র-স্থ জো-ছ-না পা-ড়ে-র ঘ্রা-ণ

রাহিন হায়দার এর ছবি

বর্ণবাদের সাথে বিবর্তনের মিলটা ঠিক স্পষ্ট হল না। বর্ণবাদ আমার মতে ব্যক্তিমানুষের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, আর বিবর্তন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যা ঘটে অজান্তে।

বাঙালীদের ক্ষেত্রে উপনিবেশ অবশ্যই একটা ভূমিকা পালন করেছে। এ বিষয়ে জানেন এমন ব্লগারদের মতামত আশা করছি।

তানিম ভাই হলেন ইনি
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

আশরাফ মাহমুদ এর ছবি

বিবর্তন তো দুই প্রকারের হতে পারে; প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম। মানুষের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি মানুষ পেয়ে থাকে প্রকৃতি, পরিবেশ, আশপাশের মানুষের কাছ থেকে। কিন্তু সবাই বংশগতির ফসল বহন করে। সে দৃষ্টিতে কথাগুলো বলা। মানুষ কি অজান্তে এগুলো পেয়ে যায় না প্রকৃতি থেকে? কিংবা পরিবার থেকে (পরিবার টানলে বংশগতির ব্যাপার-ও আসে)?
যেমন ধরেন (আলোচনার খাতিরে), আমার বাবা বর্ণবাদি মানুষ। সে হিসেবে ছোটবেলায় আমার ভিতরে তার শিক্ষা, কথাবার্তায় থেকে কিছু বর্ণবাদ ঢুকে যেতে পারে। বড় হলে জ্ঞান বিস্তৃত হলে সেগুলো ভাঙতে পারে। এরকম আরকি। বিষয়টা ধর্মের ক্ষেত্রে-ও প্রযোজ্য, আমার মনে হয়। অনেকে ঐতিহ্য অনুসারে ধর্ম পালন করে; ব্যক্তিগত বা যৌক্তিক কারণে নয়। অনেকটা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া।
বিবর্তন তো সবসময় অজান্তে হয় না। অন্তত মানুষের ক্ষেত্রে মানুষ নিজেই বিবর্তিত হচ্ছে, এবং বিবর্তনের উপকরণগুলোকে প্রভাবিত করছে।
আশা করি বোঝাতে পারলাম। আমার-ও ভুল হতে পারে। এগুলো ধারণা।

==============================
ঢাকার মৌন ঘ্রাণে বকুলফুলের নাভি
==============================
হা-তে এ-ক প্র-স্থ জো-ছ-না পা-ড়ে-র ঘ্রা-ণ

রাহিন হায়দার এর ছবি

হুম, ভালো বলেছেন। আশা করি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বর্ণবাদ পরবর্তীকালে ঝরে যেতে যেতে একসময় পৃথিবীতে আর এর অস্তিত্ব থাকবে না।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

নৈষাদ এর ছবি

ইন্টারেস্টিং। এ ব্যাপার প্রয়োজনীয় জ্ঞান নেই, কিন্তু একজন আম জনতার দৃষ্টি থেকে মনে হয় পরিবারিক এবং যে পারিপার্শ্বিকতায় আপনি বেড়ে উঠছেন এই ব্যাপারগুলি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বর্ণবাদী মনোভাব গড়ে উঠার ক্ষেত্রে। এই পরিবার থেকেই আমাদের ফ্রেম অভ রেফারেন্স তৈরী হয়। আমি যে পারিপার্শ্বিকতায় বড় হয়েছে, তার প্রভাব হাঁড়ে হাঁড়ে বুঝি।

জেনেটিক ডিসপোসিসনের কথাটা জানিনা। ব্যাপারটার গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা থাকলে থাকতেও পারে (যেটা বিবর্তনকে সাপোর্ট করবে)

তবে রাহিনের ...আশা করি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বর্ণবাদ পরবর্তীকালে ঝরে যেতে যেতে একসময় পৃথিবীতে আর এর অস্তিত্ব থাকবে না ... আমার আশা, কিন্তু বোধহয় হবার না।

মানুষ নিজেকে সুপিরিওর ভাবতে পছন্দ করে। হিটলার সাহেবে সবচেয়ে ‘লিডারশিপ টেকনিক’ ছিল স্রেফ ‘ইম্পোসিং সুপিরিওরিটি’। দেখুন জার্মান জাতির উপর এই সুপিরিওরিটি ইম্পোস করে কী কান্ডটাই করল সে...।

ধুসর গোধূলি এর ছবি

- আপনার দুই বর্ণবাদী পরিচিতজনরেই কইষ্যা মাইনাস, একেবারে রিয়েল টাইমে।

যে ব্যাটা ধলাদের দেখতে পারে না, সে উচ্চ শিক্ষার্থে কোন দেশে যেতে চায় জেনে দেইখেন তো। আর যে ব্যাটা কাউলাদের দেখতে পারে না কোনো ধলাদের দেশে গেলে তাকে ধলারা কোন স্কেলে মাপে, সেইটাও একটু রেকর্ডে রাইখেন।

সময়মতো এইসব বুকাচুদাদের কানসা পাতালি চটকানা লাগাইতে পারবেন।
___________
চাপা মারা চলিবে
কিন্তু চাপায় মারা বিপজ্জনক

রাহিন হায়দার এর ছবি

হ, কইষ্যা মাইনাস!

ধলারে যে দেখতে পারে না সে ইউরোপে এমেস করা! আরও আছে, তবে কওয়া মানা।
দ্বিতীয়জনের সঙ্গ পারতপক্ষে এড়ায়ে চলি।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

তিথীডোর এর ছবি

নিজে অন্ধকার, প্রিয় বন্ধুদের সবাইই দুধে আলতা গোত্রের মানুষ আর শ্যামাঙ্গী মায়াবতীদের বড় ভালু পাই...সো, অল ইজ ওয়েল!!

কিছু লেখার ধরন পড়তে গিয়ে চোখকে আরাম দেয়...

--------------------------------------------------
"আমি তো থাকবোই, শুধু মাঝে মাঝে পাতা থাকবে সাদা/
এই ইচ্ছেমৃত্যু আমি জেনেছি তিথির মতো..."
*সমরেন্দ্র সেনগুপ্ত

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

রাহিন হায়দার এর ছবি

হ, ভিতরে সবই এক।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

রেশনুভা এর ছবি

মামান রে মনে করতে পারলাম। খুবই ভালো ছেলে। বেচারার জন্য কষ্টই হচ্ছে এখন। ইচ্ছাটা কী ওর আর কখনও পূর্ণতা পেয়েছিল?
ভালো লাগলো পড়তে।

রাহিন হায়দার এর ছবি

ইচ্ছেটা পূর্ণতা পায় নি। মন খারাপ

পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

নৈষাদ এর ছবি

একসময় পশ্চিমে পড়াশুনা করা উচ্চ শিক্ষিত আফ্রিকা মহাদেশীয় (সিয়ারালিয়নের) আমার সহকর্মী ছিল। একদিন দুঃখ করে বলেছিল বাংলাদেশে এসে নাকি বর্ণবাদের নতুন ডাইমেনশন দেখেছে। তাকে নাকি প্রথমে প্রমান করতে হয়েছে সাদাদের কাছে যে সে কিছু জানে, এখন প্রমান করতে হচ্ছে প্রতিটা বাংলাদেশীর কাছে। অথচ সাদাদের কোয়ালিটি নাকি টেকেন ফর গ্রান্টেড এখানে, কেউ প্রশ্ন করে না…।

নৈষাদ এর ছবি

একসময় পশ্চিমে পড়াশুনা করা উচ্চ শিক্ষিত আফ্রিকা মহাদেশীয় (সিয়ারালিয়নের) আমার সহকর্মী ছিল। একদিন দুঃখ করে বলেছিল বাংলাদেশে এসে নাকি বর্ণবাদের নতুন ডাইমেনশন দেখেছে। তাকে নাকি প্রথমে প্রমান করতে হয়েছে সাদাদের কাছে যে সে কিছু জানে, এখন প্রমান করতে হচ্ছে প্রতিটা বাংলাদেশীর কাছে। অথচ সাদাদের কোয়ালিটি নাকি টেকেন ফর গ্রান্টেড এখানে, কেউ প্রশ্ন করে না…।

রাহিন হায়দার এর ছবি

বাংলাদেশীদের মধ্যে বর্ণবাদ ব্যাপারটা ভালোভাবেই আছে। আফ্রিকানদের কথা বাদ দিন। কালো বা শ্যামলা মেয়েরা বিয়ে করতে গেলে এখনও বৈষম্যের শিকার হচ্ছে।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

তারানা_শব্দ এর ছবি

আপনাকে কুচকুচে কালো দেখে একটা মেয়ের সাথে বিয়ে দিব। করবেন ??

"মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম-
তোমারি কি এমন ভাগ্য বাঁচিয়ে যাবে সকল জখম!
মনেরে আজ কহ যে,
ভালো মন্দ যাহাই আসুক-
সত্যেরে লও সহজে।"

অতিথি লেখক এর ছবি

এখানকার বেশিরভাব বেকুব বিদেশী "বাংলাদেশ" বললেই ভারতের উপরে বা নিচে কিছু একটা বোঝানোর চেষ্টা করে| কারণ কি ম্যাপে ভারতের আয়তন, না কি সবজায়গায় ভারতের লোকজন থাকার কারণে?
-আতিউর

atiurrs from the gmail.com

প্রবাসিনী এর ছবি

পড়ে খুব খুব ভাল লাগলো। আমরা যখন আফ্রিকায় থাকতাম, তখন অনেক দেশি মানুষের কথায় বিদ্রুপের সুর পেয়েছি।

কিন্তু ভাইয়া, বর্ণবাদীতার কথা বলতে হলে আমরার দেশের উপজাতিদের কী ভাবে ট্রিট করি ওইটা নিয়েও চিন্তা করতে হয়।
________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

________________________________________________

হইয়া আমি দেশান্তরী, দেশ-বিদেশে ভিড়াই তরী রে

কুবের [অতিথি] এর ছবি

'উপজাতি' কথাটাই কিন্তু বৈষম্যমূলক।

রাহিন হায়দার এর ছবি

হুম। বর্ণবাদ ব্যাপারটা ধারণার চাইতেও বেশি বহুমুখী। হয়তো আমিও অবচেতনে সেই বীজ বয়ে বেড়াচ্ছি।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। উপসংহার ছাড়া লেখা। আরো গভীর কথা বার্তা লিখেন ম্যান। আলাপ আলোচনা হোক।

====
চিত্ত থাকুক সমুন্নত, উচ্চ থাকুক শির

রাহিন হায়দার এর ছবি

ডরাইলাম বস! নদী কিন্তু বেশি গভীর না।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

লেখা খুব ভালো লাগলো। আরও ভালো লাগলো সিরিজের নাম।

রাহিন হায়দার এর ছবি

আপনার মন্তব্য পেয়ে খুব ভালো লাগছে। এটা ঠিক সেই অর্থে সিরিজ হওয়ার সম্ভাবনা কম। লেখা শেষে নামকরণের ঝক্কি এড়াতে এই ব্যবস্থা।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

ইশতিয়াক রউফ এর ছবি

এটা ঠিক সেই অর্থে সিরিজ হওয়ার সম্ভাবনা কম।

লাভ নেই আর এসব বলে। স্রেফ নামের প্রতি সুবিচার করার জন্যই এটাকে সিরিজ করতে হবে। আপনারা ভাগ্যবান, প্রবাস জীবনের শুরু থেকেই লিখতে শুরু করেছেন। দারুণ হয় এই সিরিজগুলো। কিছুদিন পর নিজের বিবর্তন দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাবেন।

তারানা_শব্দ এর ছবি

"বাংলাদেশ কী আফ্রিকা মহাদেশে?"

এটা মনে হয় 'কি' হবে, তাই না ?

উল্লেখ্য, তানিম ভাই (ঘুরেফিরে খালি এই লোকটা চলে আসে)

ব্যাফক সন্ধ হইতাছে!! কাহিনী কীতা ??? চিন্তিত

শিরোনাম ভালো হয়েছে। চোখ টিপি

লেখাও সুন্দর।

"মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম-
তোমারি কি এমন ভাগ্য বাঁচিয়ে যাবে সকল জখম!
মনেরে আজ কহ যে,
ভালো মন্দ যাহাই আসুক-
সত্যেরে লও সহজে।"

রাহিন হায়দার এর ছবি

হ্যাঁ, 'কি' হবে। টাইপো। মন খারাপ

সন্দ হইলে মুড়ি দিয়া সন্দেশ খা।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

কথা সইত্য! ওল্ড ম্যাকডোনাল্ডের গানের মতো, 'হিয়ার এ তানিম, দেয়ার এ তানিম, এভ্রিহোয়্যার ইজ তানিম তানিম!'

ইটা রাখলাম ঝাতির মুখপাত্র হয়ে, যে ঝাতি ঝান্তে চায়! খাইছে

---------------------------
ওলো সুজন আমার ঘরে তবু আইলোনা
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলোনা!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

ভ্রম এর ছবি

লেখা পড়তে বেশ ভালো লাগলো।

রাহিন হায়দার এর ছবি

ধন্যবাদ!
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

স্পর্শ এর ছবি

এই লেখাটা সিরিজই হোক। ভালো লাগলো পড়ে। চলুক


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

রাহিন হায়দার এর ছবি

নদী শুকায়ে চর পড়তে কয়দিন লাগে দেখেন খালি! দেঁতো হাসি
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

রায়হান আবীর এর ছবি

নাম করণের ঝামলায় আমিও পড়তাম, তাই সুন্দরমতো সিরিজ করে ফেলেছিলাম।

আইইউটিতে আমি স্বঘোষিত বর্ণবাদী ছিলাম পাকিস্তানীদের প্রতি। এদের সাথে আমি কথা বলতে পারতাম না, কেউ কথা বললেও তার উপর মেজাজ খ্রাপ হইতো। জানি একটা রাষ্ট্রীয় ব্যাপারের জন্য পুরো জাতীকে ঘৃণা করা সমীচীন না, তারপরও -

আর কালো ভাইয়দের আমার ভয় লাগতো। তবে সেকেণ্ড ইয়ারের পর থেকে ফুটবল খেলতে খেলতে তাদের অনেকের সাথেই বেশ ভালো সম্পর্ক হয়ে গিয়েছিল।

আর আমার সবচেয়ে কাছের বলে মনে হতো, প্যালেস্টাইনীগুলাকে। আমাদের ব্যাচের প্যালেস্টাইনী সবগুলো মারাত্মক রক করতো। কতদিন ওদের রুমে থেকে শিশা (বানান কি?) খাইছি, ঠিকনাই। আইইউটি ছাড়ার পর এদেরই সবচেয়ে বেশি মিস করতেছি।

অফটপিকঃ টোগো ক্যামন লাগতেছে? আপনি ঐখানে না? দেঁতো হাসি :D দেঁতো হাসি

রাহিন হায়দার এর ছবি

পাকিস্তানীদের সাথে যেচে পড়ে গলাগলি ভাব, উর্দূ বলার চেষ্টা, ভাই পাতানো একেবারেই অসহনীয়। তবে আমি কোন পাকিস্তানীর সাথে কথা না বলার ধনুকভাঙা পণ করতে রাজি না।

আইইউটি-তে যে অল্প ক'জন উদ্ধত আফ্রিকান দেখেছি এখানে এসে তার সিকিভাগও চোখে পড়ে নি। বেশিরভাগই দারুণ দিলখোলা আর আন্তরিক। আইইউটির ফিলিস্তিনীরা তো খুবই বন্ধুবৎসল।

অপ্রাসঙ্গিকঃ টোগো বললি তাই মনে পড়ল, ফুয়াদ ভাইরে (eee'03) খেয়াল আছে? টোগো-তে ছিল কিন্তু উনি সহ আইইউটির আরো কয়জন। এখানে আসছিল যখন দেখা হইসে। বেনিনে আছে এখন। এখানে আবার আসার কথা আছে।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

রায়হান আবীর এর ছবি

পণ করিনাই। কিন্তু হইতোনা।

ফুয়াদ ভাইরে চিনি। কোথায় আসছিল? সোমালিয়ায়? দেঁতো হাসি :D দেঁতো হাসি

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

পড়তাছি। সব পইড়া কইষা মন্তব্য করমু। জলদি বাকিগুলা ছাড়েন।
____________________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ !

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

রাহিন হায়দার এর ছবি

নাহ! শিরোনামটা নিয়া ব্যাপক অনুশোচনায় ভুগতেসি!
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

ওডিন এর ছবি

ধুর মিয়া! দারুণ শিরোনাম। প্রথমে বৃষ্টিব্লগর, তারপরে এটা-
লেখার কথা আর কি বলবো। চলুক
______________________________________
যুদ্ধ শেষ হয়নি, যুদ্ধ শেষ হয় না

রাহিন হায়দার এর ছবি

শুকরিয়া।
অনুশোচনা কারণ সবাই এটা '(চলবে)' ধইরা নিসে! ইয়ে, মানে...
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

ভালু পাইলাম! বাকিগুলাও ছাড়েন! হাসি

---------------------------
ওলো সুজন আমার ঘরে তবু আইলোনা
এ পোড়া মনের জ্বলন কেন বুঝলোনা!

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

রাহিন হায়দার এর ছবি

ধইনা।
আচ্ছা, ছাইড়া দিলাম।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

বেশ গোছানো একটা লেখা। শিরোনাম আর বর্ণনায় ভালু প্লাম। ...

বর্ণবাদ বস্তুটা খুব অপছন্দ করলেও বাস্তবে সবার মাঝে বস্তুটা একটু করে আছে... ঐ যে,' সীতা বিসর্জনের সময় আম্মো ছিলাম' টাইপ...

_________________________________________

সেরিওজা

_________________________________________

সেরিওজার গল্প

রাহিন হায়দার এর ছবি

ধন্যবাদ সুহান।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

জি.এম.তানিম এর ছবি

লেখায় ৫, নামকরণে ১০ চোখ টিপি

কোস্টারিকা নিয়ে প্রশ্নটা আমি করেছিলাম বলে কেন যেন মনে হচ্ছে... চিন্তিত

অফ টপিক: মুড়িও খাবে, সন্দেশও খাবে? কে তাকে কবে এত খাবার একসাথে খেতে দেখেছে?
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

তারানা_শব্দ এর ছবি

আমাকে কেউ না দেখুক খাইতে, তোকে যে কেউ খাওয়াইতে দেখে নাই- এইটা চির সত্য ! দেঁতো হাসি

আমি আজকেই এক বাটি পাস্তা খেয়ে আসলাম!!! মুহাহাহাহাহ।

"মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম-
তোমারি কি এমন ভাগ্য বাঁচিয়ে যাবে সকল জখম!
মনেরে আজ কহ যে,
ভালো মন্দ যাহাই আসুক-
সত্যেরে লও সহজে।"

রাহিন হায়দার এর ছবি

নাহ, আপনি না!

খাবে, তবে কোয়ানটিটি তো বুঝেনই, গুনে গুনে ছ'টা মুড়ি আর একটা সন্দেশের চার ভাগের এক ভাগ।
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

তারানা_শব্দ এর ছবি

ঐ দিনই তো দেখায় দেখায় ২ তা সন্দেস খাইসি!!!! তারপরেও এতো বড় অপবাদ? মন খারাপ

সবই বুঝি! দেশে ফিরে আমাকে কিছু না খাওয়ানোর ফন্দি। মন খারাপ

বাই দ্যা ওয়ে, আপনার ঘাড়ে কয়টা মাথা ??? রেগে টং

"মান্ধাতারই আমল থেকে চলে আসছে এমনি রকম-
তোমারি কি এমন ভাগ্য বাঁচিয়ে যাবে সকল জখম!
মনেরে আজ কহ যে,
ভালো মন্দ যাহাই আসুক-
সত্যেরে লও সহজে।"

স্বপ্নাহত এর ছবি

লেখায় একমত। আগের মন্তব্যকারীদের সাথেও একমত- আপনি ভালো লেখেন দেঁতো হাসি

তো রাহিন ভাই, ঘানা থেকে কবে দেশে ফিরতেসেন? দেঁতো হাসি

---------------------------------

তবে যে ভারি ল্যাজ উঁচিয়ে পুটুস্‌ পাটুস্‌ চাও?!

---------------------------------

বাঁইচ্যা আছি

রাহিন হায়দার এর ছবি

ধইনা।
ঘানায় ঘুরতে যাইতে পারি! খাইছে
________________________________
তবু ধুলোর সাথে মিশে যাওয়া মানা

________________________________
মা তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো...

আনন্দী কল্যাণ এর ছবি

সিরিজের নামটা পছন্দ হল অনেক হাসি

ভাল লাগল লেখাটাও।

আনন্দ খান এর ছবি

"বেইসিক্যালি সবাই কমবেশি ড়েইসিস্ট, আমি একটু বেশি, দ্যাটস অল"
চোখের সামনে ভেসে উঠল দৃশ্যটা। গড়াগড়ি দিয়া হাসি
আমার মনে হয় বর্ণবাদ ব্যাপারটা ন্যাচারাল। যাদের মধ্যে আছে তারা ডিফাইন করতে পারে, যাদের মধ্যে নাই তারা পারে না।
আর এই বোধটা সম্ভবত চিরস্থায়ী। এ রোগের কোন চিকিৎসা নাই।
___________________________________________________
আনন্দে থাকি, আনন্দে রাখি

___________________________________________________
আনন্দে থাকি, আনন্দে রাখি

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।