ব্লগরব্লগর

সাবিহ ওমর এর ছবি
লিখেছেন সাবিহ ওমর [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১৫/০৫/২০১০ - ২:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ব্লগরব্লগর শব্দটার মানে কি? কে জানে? বা জানলেও কী আসে যায়? কী আসলো, কী গেল তাতেই বা কী আসে যায়? কিচ্ছু আসে যায় না। কারণ আসা যাওয়া ব্যাপারটা আপেক্ষিক।

এইটা কিন্তু একটা ভাল ভিলেইনাস ডায়লগ। আপনাকে বেন্ধে রেখে একজন পিটাচ্ছে আর চেঁচাচ্ছে, "বল, কে পাঠিয়েছে তোকে, ইয়া ভুশিমাইক"। তখন আপনি সাইড গ্ল্যান্স দিয়ে বলবেন, "কে কাকে কোথায় পাঠায় সেটা একটা আপেক্ষিক ব্যাপার।" আবার এইটা একটা জ্ঞানী ডায়লগও হতে পারে। যেমন নায়ক একজন জ্ঞানী বুড়োকে জিজ্ঞেস করল, "মহাত্মন! কোথা গেলে পাইব সে অমূল্য রতন?" তখন বুড়ো একই রকম সাইড গ্ল্যান্স দিয়ে বলবে, "সেটা একটা আপেক্ষিক ব্যাপার।" মহামতি সবুজ বাঘ এটাকেই বলেন ভ্রান্ত ধারমা। কিন্তু এস্থলে তাঁর নাম নেওয়া মানা। কারণ পরিচিত কারো নাম পেলেই সচলেরা একজন আরেকজনকে টিপাটিপি করে। যেমন ধরেন আমি বললাম, "হৈমন্তিকা, এসো, এসো।" তখন একজন এসে বলবে, "মাথার উপ্রে দিয়া গেল।" আরেকজন বলবে, "ফাডায়ালাইসো মামু, কিন্তু বুঝতারলাম্না কে বাঁশ খাইল।" আরেকজন বলবে, "আমি বুঝতে পারসি আপনি কি বুঝাইতে চান নাই, নেক্সট টাইম থেইকা খোলাসা করে লিইখেন, পাঁচ দিমুনে।"

কিন্তু খোলাসা করে লিখা বিশাল হ্যাঙ্গামের কাজ। কিচ্ছু না করার জন্য যেহেতু বেতন পাওয়া যাচ্ছে, খামাখা কিছু করে মূল্যবান সময়ের শ্রাদ্ধ করা কেন? শ্রাদ্ধ করি আর না করি, সময় তো চলেই যাবে। কিছুতেই সময়ের কিছু যায় আসে না। কবি বলেন, "

সময় ছিল হাতের মুঠোয়
আর কব্জিতে একটা ঘড়ি টিক টিক
সময় থাকেনা হাতে, হাতের সময়
শুকিয়ে মারা যায় হাতের উপর
ইলিশ মাছের চে'ও দামি সে সময়
মাগুর মাছের চে'ও খতরনাক
ইবলিশের ভাইয়ের চে'ও বেতমিজ সে বদমাশ
ডিম ছাড়ে আগানে বাগানে ঝোপে-ঝাড়ে
এদিকে আমরা পাণ্ডবেরা লেজটেজসমেত
বুড়ো হয়ে যাই তা' দিতে দিতে
সময় মরে যায়
হয় না একটুও বুড়ো
বিপ্লব-টিপ্লব গলেপচে কাদা
আবার তাতে নতুন ঘাস কিংবা মাছি
সময়ের চুলে তবু পাক ধরে না
গায়ের চামড়া এনি হ্যাথাওয়ের মতই আছে দেখি
হাত ছোঁয়ালে শুধু পাওয়া যায় টের
সে মরে গেছে, মরিয়া গেছে বহুকাল আগে"

এইতো সত্য, এইতো জীবন, এইতো দর্শন, আর এইতো ব্লগরব্লগর...


মন্তব্য

গৌতম এর ছবি

লেখাটা আসলেই আমার মাথার উপ্রে দিয়া গেল। কী বুঝাইতে চাইলেন বুঝলাম না।

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

শিক্ষাবিষয়ক সাইট ::: ফেসবুক

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

সাবিহ ওমর এর ছবি

কী হবে এত বুঝে...

গৌতম এর ছবি

কিছুই হবে না। পড়লেও কিছু হবে না, না পড়লেও কিছু হবে না। বুঝলেও কিছু হবে না, না বুঝলেও কিছু হবে না।

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

শিক্ষাবিষয়ক সাইট ::: ফেসবুক

.............................................
আজকে ভোরের আলোয় উজ্জ্বল
এই জীবনের পদ্মপাতার জল - জীবনানন্দ দাশ

সাবিহ ওমর এর ছবি

অবশেষে তোমার সত্যদর্শন হইল। আজি হইতে তুমি বুদ্ধ হইলে...

মূলত পাঠক এর ছবি

ফাডায়ালাইসো মামু !!!
হাসি

যুধিষ্ঠির এর ছবি

"মাথার উপ্রে দিয়া গেল।"

সাবিহ ওমর এর ছবি

হা ভীষ্ম! হা দ্রোণ! হা সচলায়তন!

ধুসর গোধূলি এর ছবি
দ্রোহী এর ছবি

ফাডায়ালাইসো মামু, কিন্তু বুঝতারলাম্না কে বাঁশ খাইল।

বোহেমিয়ান এর ছবি

নাহ!! ধুগোদা দ্রুহীদা এরা সবতে খ্রাপ! আমার লেগা কুনু কপিপেস্টিং এর লাইন ই রাখলো না! আমি এট্টু ঘুরায়া প্যাচায়া কই!

তারার এক্সেস নাই, তয় থাকলেও দিতাম না , কারণ মাথার উপ্রে দিয়া গেল,খোলাসা কইরা লিখলে, পরে তারার এক্সেস পাইলে ফাডায়ালাইসো মামু সহ পাঁচ দিমু!!!
_________________________________________

_________________________________________
ওরে! কত কথা বলে রে!

তিথীডোর এর ছবি

"এইতো সত্য, এইতো জীবন, এইতো দর্শন, আর এইতো ব্লগরব্লগর..."
চিন্তিত

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি

"কবি বলেন" বলে যে কবিতাটি দিয়েছেন সেটি কোন কবির? কবিতার নামইবা কী?



তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।


তোমার সঞ্চয়
দিনান্তে নিশান্তে শুধু পথপ্রান্তে ফেলে যেতে হয়।

স্পর্শ এর ছবি

পার্ফেক্ট ব্লগর ব্লগর। এরকম লেখা আমার দারুণ ভালো লাগে।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

নাশতারান এর ছবি

আমারও মাথার উপ্রে দিয়া গেল। খালি বুঝলাম, দুনিয়াজুড়া পচুর গিয়ানজাম। Smiley

|| শব্দালাপ ||

_____________________

আমরা মানুষ, তোমরা মানুষ
তফাত শুধু শিরদাঁড়ায়।

মূলত পাঠক এর ছবি

আহ্ (ঈর্ষায় সবুজ হওয়ার ইমো এইখানে), এই রকম যদি লিখতে পারতাম!
(হতাশার ইমো এইখানে)

সংসপ্তক এর ছবি

পুরাই ভ্রান্ত ধারমা! পাঁচ পাঁচা পঁচিশ দিলাম।
.........
আমাদের দূর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

.........
আমাদের দুর্বলতা, ভীরুতা কলুষ আর লজ্জা
সমস্ত দিয়েছে ঢেকে একখণ্ড বস্ত্র মানবিক;
আসাদের শার্ট আজ আমাদের প্রাণের পতাকা

হাসিব জামান এর ছবি

সারমর্ম যা বুঝলাম,
যাহা মাথার উপ্রে দিয়া যায় তাহাই ব্লগরব্লগর হো হো হো
-----------------------------------------
ব্যস্ততা আমাকে দেয় না অবসর ...

সুহান রিজওয়ান এর ছবি

পোলাডায় বুঝি হাসির খেলা দেইখ্যা পাগল-ই হয়া গ্যালো...

_________________________________________

সেরিওজা

সাবিহ ওমর এর ছবি

হাসি আসলে হাসিনা

লাইনটা লিখে বুঝতে পারলাম এটার দুইটা অর্থ হয়, দুইটাই অপ্রাসঙ্গিক যদিও খাইছে

জি.এম.তানিম এর ছবি

:-|

বড় ভালু লুক ছিলেন...
-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

-----------------------------------------------------------------
কাচের জগে, বালতি-মগে, চায়ের কাপে ছাই,
অন্ধকারে ভূতের কোরাস, “মুন্ডু কেটে খাই” ।

মহাস্থবির জাতক এর ছবি

প্রায় উত্তরাধুনিক হয়ে এলো বলে চোখ টিপি
_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

_______________________________
খাঁ খাঁ দুপুরে, গোধূলিতে আর রাতে বুড়ি পৃথিবী
কেবলই বলছে : খা, খা, হারামজাদা, ছাই খা!

(ছাই: মণীন্দ্র গুপ্ত)

দুষ্ট বালিকা এর ছবি

হায় জীবন! হায় জৈবন!! হায় সচলায়তন!!!

-----------------------------------------------------------------------------------
...সময়ের ধাওয়া করা ফেরারীর হাত থিকা যেহেতু রক্ষা পামুনা, তাইলে চলো ধাওয়া কইরা উল্টা তারেই দৌড়ের উপরে রাখি...

**************************************************
“মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায়-আসে না; যায়-আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।

মসজিদ তোলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তোলার নাম রাজনীতি।

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।