আওরঙ্গজেবের নামে লিখিত আছে তিনি ছুডোবেলায় অসীম সাহসিকতার সাথে এক হাতিরে হত্যা করছিলেন আঁৎকা আক্রমণের জন্য। এদিকে তার ছয়শ বছর আগে লিখিত শাহনামায় দেখতেছি বীর রাজা রুস্তমের নামে একই কাহিনি (অল্প এদিকসেদিক, পায়দলের বদলে ঘোড়ার উপর ইত্যাদি)
মোগল রাজকীয় লেখক মামু রাজারে খুশী করতে রূপকথার গপ তার নামে চালায় দিলেন কিনা ভাবতেছি। পচুর চালাকি।
উঁহু, আওরঙ্গজেবকে আব্বাস ডেকে দুক্কু দিয়েন না। তারে সমসাময়িক শা আব্বাস "আলমগীর" (দুনিয়া জয় করা ব্যক্তি) নামের বদলে ডাকছিলেন "পিদার-গীর" অর্থাৎ বাপকে জয় করা ব্যক্তি হাহাহাহাহাহা। আব্বাস নামের উপর আওরঙ্গজেব ব্যাপক বিলা ব্যক্তি। (কিয়ো)রুস্তামি নাম পাল্টায় রাখেন।
দেশে প্রচুর মানুষ পচনশীল পণ্যের বিকিকিনির ওপর নির্ভরশীল। করোনাকাল দীর্ঘায়িত হবে তখনই, যখন ভাইরাসের কোনো ধরন আবহাওয়ার সাথে খাপ খাইয়ে এক/একাধিক বাহকে (বায়ু, প্রাণী) ভর করে ছড়াতে পারবে। কাজেই পরিরোধের এটাই শেষ নয়, এমনটা ভবিষ্যতেও দিতে হতে পারে। তাই যত দ্রুত সম্ভব, পচনশীল পণ্যের সংরক্ষণ (যেমন হিমাগার, শুষ্কাগার, ঘরোয়া সংরক্ষণ) কিংবা সংরক্ষণীয় বিকল্প পণ্যে রূপান্তরে (যেমন ফল থেকে আচার, দুধ থেকে পনির, মাছ থেকে সিঁদল) প্রশিক্ষণ আর প্রযুক্তি সরবরাহ করতে হবে। এটা দীর্ঘমেয়াদে প্রান্তিক মানুষের কাজে আসবে।