বিবর্তন নিয়ে ভ্রান্ত ধারণার তথ্যচিত্র

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: রবি, ২৮/০৬/২০১৫ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুরু

হ্যাঁ, বিবর্তনকে বলা হয় আধুনিক জীববিজ্ঞানের ভিত্তি। যদি বির্বতন না পড়ে এবং না বুঝে থাকেন তবে আপনি পৃথিবীর জীবজগতকে বুঝতে পারবেন না, নিশ্চিতভাবেই বলা যায়। কিন্তু আমাদের সমাজে বিবর্তন নিয়ে শিক্ষার ঝামেলা হল এটার সঙ্গে ধর্মের সরাসরি বিরোধ খুঁজে পান ধার্মিক ব্যক্তিরা। বিজ্ঞান পড়া প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শুরু করার আগেই মাথার ভেতর ঢুকিয়ে দেয়া এই মানসিকতা বির্বতন নিয়ে একজন ছাত্রকে পড়তে বাঁধা দেয়। বিভিন্ন মানুষের কাছে শুনে আসা ভুল ধারনাগুলির চর্বিতচর্বন হয়। প্রায়ই সাধারন মানুষদের বলতে শোনা যায় 'শীম্পাঞ্জি থেকে মানুষ তৈরি হলে এখনও শীম্পাঞ্জীগুলি বেঁচে আছে কেন?" ভুল বলেছি, সাধারন মানুষ না, বাংলাদেশে বিজ্ঞান পড়া ছাত্রছাত্রীকেই বলতে শুনেছি। শুধু বাংলাদেশ বলব কেন, এই উত্তর আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের বানিজ্য পড়া একজন বাংলাদেশী ছেলেও আমাকে একই প্রশ্ন করেছিল।

তাই, সবার বোঝার জন্য বিবর্তনের এই ভুল ধারনাগুলিকে ব্যাখ্যা করে খুব সহজ একটা তথ্যচিত্র বা ইনফোগ্রাফিক দরকার বলে আমিও মনে করছিলাম। কাজটা করে দিয়েছেন ক্যালেব ট্রুজিল্লো, প্রকাশ করা হয়েছে তার ওয়েবসাইটে। আমি সাইটাটাকে ব্যবহার করে বাংলায় তথ্যচিত্রটা তৈরি করে দিলাম। কেউ যখন বিবর্তনের ভুল ধারনাগুলি পোষণ করবেন, তাদেরকে খুব সহজেই বোঝানোর জন্য এই লেখাটা কাজে দেবে আশা করছি।

১) এটা শুধুমাত্র একটা তত্ত্ব

- সাধারন ভাষায় তত্ত্বকে মনে হতে পারে শুধুমাত্র একটি ধারণা বা অনুমান
- বিজ্ঞানীদের ভাষায় তত্ত্ব হল একটি প্রমাণ সমর্থিত ব্যাখ্যা
- বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব এবং বৈজ্ঞানিক সূত্র নিয়ে অনেকে বিভ্রান্ত থাকেন। নিচে এদের পার্থক্য এবং মিল দেখানো হল:

১
বিবর্তন- পৃথিবীর সকল জীব, যেমন উদ্ভিদ, প্রাণী, ছত্রাক, এমনকি ব্যাকটেরিয়া সময়ের সঙ্গে যে পরিবর্তিত হয় তার পর্যবেক্ষণ- নির্ভর করে একে ব্যাখ্যার জন্য কিছু তত্ত্বের উপর।
যেমন, সবচেয়ে পরিচিত তত্ত্ব হল প্রাকৃতিক নির্বাচন।

২) যোগ্যতমের টিকে থাকা

এখানে যোগ্যতম শব্দটা বিভ্রান্তি তৈরি করে।
২
(ছকটা বোঝার জন্য প্রথমে নম্বরগুলি অনুসরণ করুন। তারপরে ছকটির কলাম দুইটি লক্ষ্য করুন। এখানে 'ফ্যাক্ট' কে 'সত্য' হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে)


- 'যোগ্য' জীবেরা বেঁচে থাকে এবং বিচরণ করে এবং তাদের জিনগত পদার্থ পরের প্রজন্মে প্রবাহিত করে যায়।
- যোগ্যতা প্রজননের উপর নির্ভর করে এবং একটা জীবের জনগোষ্ঠীর টিকে থাকা নিশ্চিত করে। যোগ্যতা মানে গতি, শক্তি বা দেহাকার নয়।

৩) মানুষ শিম্পাজ্ঞীর বংশধর


- বিবর্তন সরলরেখায় হয়না। মানে ক্রমে 'একটা প্রাণী থেকে উন্নত হয়ে আরেকটা প্রাণীতে পরিনত হয়ে গেল' এমনটা হয়না। বানর থেকে মানুষও বিবর্তিত হয়নি।
- বিবর্তন ব্যাখ্যা করে যে পৃথিবীর সকল জীবের একটা সাধারণ আত্মীয়তা বা common ancestry আছে।
- পরিবর্তনের মাধ্যমে বংশানুক্রম মানে হল মানুষ জীব হিসেবে অনন্য (পৃথিবীর অন্যসব জীবের মতই) এবং অন্য প্রজাতির সঙ্গে আমাদের অনেকগুলি বৈশিষ্ট্য বন্টিত।
- মানুষের ডিএনএ'র সঙ্গে অন্য প্রাইমেটদের ডিএনএর মিল প্রায় ৯০ থেকে ৯৯ শতাংশ পর্যন্ত পাওয়া যায়।

৪
-------------------------------------------------------------------------------------------
৫

৪) প্রাচীনকালের (যখন কোন মানুষই ছিলনা) এইসব ঘটনা প্রমাণ করা সম্ভব না

- বিজ্ঞানীরা গোয়ান্দাদের মত করে কাজ করেন।
- খুবই কম পরিমান তথ্য বা প্রমাণ থাকার ক্ষেত্রে গবেষকগণ বিভিন্নধরনের সূত্র বা সংকেতের সন্ধান করেন যেটা তার ধারণাকে ভুল বা সত্য যেকোন কিছু হিসেবে সত্যায়িত করবে।
- তাহলে, বিবর্তনকে প্রমাণের জন্য সাহায্যগুলি কোথা থেকে তবে আসছে? দেখুনঃ

বিবর্তনের প্রমাণ

প্রাণরসায়ন (ডিএনএ)
হাড় এবং জীবাশ্ম
তুলনামূলক গঠন এবং শারীরবিদ্যা
কম্পিউটার মডেলিং
আধুনিক পরীক্ষাসমূহ
পরিবর্ধন জীববিদ্যা
জৈবভূগোলতত্ত্ব

৬
(তুলনামূলক গঠন এবং শারীরবিদ্যার গবেষণার মাধ্যমে বিবর্তনের পক্ষে সূত্র খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ছবিটা দেখুন। প্রতিটা প্রাণীর কী দারুণ মিল, কিন্তু তারা ভিন্ন ভিন্ন কাজ করছে এই অঙ্গ দিয়ে, এবং এরা প্রাণীজগতের বৃক্ষের ভিন্নভিন্ন জায়গায় অবস্থান করে। মূল ছবিসূত্র Villee, C. A. Biology. 7th ed. Philadelphia: W. B. Saunders Co.; 1977. © 1977 by the W. B. Saunders Co.)

বিজ্ঞান পত্রিকাগুলি এইসব প্রমাণকে প্রকাশ করে

- কোন বৈজ্ঞানিক প্রমাণ বা আবিষ্কার প্রকাশের পূর্বে সকল বিজ্ঞান পত্রিকা নিবন্ধের খসড়া কয়েকজন বিজ্ঞানীকে পাঠান সেগুলির যথার্থতা দেখার জন্য।
- এই পিয়ার রিভিউ পদ্ধতিটা প্রায়ই বিভিন্ন বিজ্ঞানী বা গবেষকের পাঠানো নিবন্ধকে প্রকাশে মানা করে দেয়, পর্যাপ্ত প্রমাণ না থাকলে।
- উদাহরণ স্বরূপ, বিখ্যাত বিজ্ঞান পত্রিকা 'সায়েন্স' এ যতগুলি নিবন্ধ পাঠানো হয় তার মাত্র ৭ শতাংশ প্রকাশিত হয়।
- এভাবে নিবন্ধ প্রকাশের মাধ্যমে কোন সম্পূর্ণ নতুন কিছু আবিষ্কার করে বা পুরানো ধারনাকে আমূলে পরিবর্তন করে দিয়ে বিজ্ঞানীর পৃথিবীবিখ্যাত হয়ে যান।


(পিয়ার রিভিউ এর কঠিনত্ব নিয়ে মজার কার্টুনটি দেখে নিতে পারেন, রিভিউয়ারগণ অস্ত্র হাতে দাঁড়িয়ে আছেন। নতুন কিছু আবিষ্কারের দাবী করলেই সেটা বিজ্ঞান সমাজে গৃহিত হয়না। তার প্রমাণের প্রক্রিয়া কঠিন এবং অনেক যাচাই বাছাই করে গৃহীত হয়। তাই বিবর্তনের প্রমাণের আবিষ্কারগুলি যে পত্রিকায় প্রকাশিত হয় সেগুলা বানিয়ে বানিয়ে বলার কোন উপায় নেই। ছবিসূত্র: http://genomicenterprise.com/blog/2010/09/03/peer-review-of-articles-in-science-politically-correct/)

৫) ডারউইন ভুল ছিলেন

ডারউইন আমাদের চেয়ে একটা ভিন্ন সময়ে বাস করতেন। তিনি তার প্রাকৃতিক নির্বাচন তত্ত্বটি খুঁজে পেয়েছেন গ্যালাপ্যাগোস দীপপুঞ্জের কিছু ফিঙে পাখি এবং পৃথিবীব্যাপি অন্যান্য প্রজাতিদের পর্যবেক্ষেণ করে করে। সেসময়-
- 'জিন' জিনিসটাকে কেউই চিনতো না, এটা নিয়ে জানতোনা
- কোষকে পর্যবেক্ষণ করা সম্ভব ছিল, কিন্তু তাকে নিয়ে কোন পরীক্ষা করা সম্ভব ছিলনা।
তা স্বত্ত্বেও, ডারউইনের অবদান এখনও জীববিজ্ঞানের সব শাখাকে একত্র করে চলেছে, যেই অবদান অনেকটা নিউটন বা আইনস্টাইনের পদার্থবিদ্যা বা গণিতে অবদানের সঙ্গে তুলনা করা চলে।


(ডারউইনের ফিঙে পাখিরা। ছবিসূত্র: https://www.pinterest.com/pin/329677635196634636/)

- বর্তমানে আমরা বির্বতনকে চিনি সময়ের সঙ্গে এলিলিক সূচকে (allelic frequency) পরিবর্তন (জীবের ভিন্নতায় একই জিনের মধ্যে পরিবর্তন) হিসেবে।
- আমরা যদি একটা জীবের জনগোষ্ঠির মধ্যে জিনের বিভিন্ন রূপকে (এলিল) চিত্রায়ণ করতে পারি (জিনের গঠন এবং তুলনামূলক ক্রম বুঝতে পারা), এবং কয়েকটি বংশানুক্রমের পরে সূচক পরিবর্তন হয় তবে আমরা ধরে নেব যে বির্বতন হয়েছে। এককোষী জীব, যেমন ব্যাকটেরিয়াতে এই পদ্ধতি ধরাটা তুলনামূলকভাবে সহজ।
- উপরের এই ব্যাখ্যাটিই এখন পর্যন্ত বিবর্তনের সবচেয়ে সঠিক ব্যাখ্যা হিসেবে ধরা যেতে পারে।

-------------------------------------------------------------------------------------------

= এইখানে এখনও কিছু জিনিসের ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি, যার জন্য প্রশ্ন আসতেই পারে, যেগুলির উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করলে আমরা বিবর্তনকে আরও ভালভাবে বুঝতে পারব। যেমন,
- জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তৈরিতে জিনগুলি কিভাবে কাজ করে?
- পরিব্যক্তি বা মিউটেশান এর হার বিভিন্ন (জিনভেদে বা একই জিন এ) হয় কেন?
- পোকা আক্রমণ করলে আমাদের শস্যকে আমরা কিভাবে রক্ষা করতে পারি?

= কিভাবে জীবন বা প্রাণের শুরু হল সেটা বিবর্তন ব্যাখ্যা করেনা। বরং এটা জীব কিভাবে টিকে আছে, খাপ খাইয়ে নিচ্ছে এবং পরিবর্তিত হচ্ছে সেটাকেই ব্যাখ্যা করে।
= বিবর্তন ঘটার জন্য পৃথিবীতে প্রাণের শুধু একবারই আরম্ভ হওয়ার দরকার ছিল। (এবং সেটা অন্ততঃ একবার যে ঘটেছে বুঝতেই পারছেন!)


মন্তব্য

সো এর ছবি

১. টাইটেলটা "বিবর্তনের ভ্রান্ত ধারণার তথ্যচিত্র" না হয়ে "বিবর্তন সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণার তথ্যচিত্র", বা ছবিটার টাইটেলটা হলে ভালো হতো।
২. ফিঞ্চ আর ফিঙে কিন্তু যদ্দুর জানি আলাদা পাখি।
৩. বিবর্তনের অল্টারনেটিভ থিওরি যা পড়েছি তার ১০০ ভাগই ধর্মসংক্রান্ত (ক্রিয়েশনিজ্ম) . এমন কোনো ব্যতিক্রমী থিওরি আছে যেটা ধর্মের সাথে যায় না, কিন্তু আবার বিবর্তনেরও পরিপন্থী?

এক লহমা এর ছবি

১) এবং ২) ঃ সহমত।

হাচলাভিনন্দন সো!

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

সো এর ছবি

দেঁতো হাসি

সজীব ওসমান এর ছবি

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১। ঠিক বলেছেন। এখন মনে হচ্ছে বিবর্তনকে ভ্রান্তধারণা বলছি। পরিবর্তন করে দিচ্ছি।
২। আমি আসলে এর বাংলা গুগলে খুঁজে কিছু বাংলা লেখায় ফিঙেকেই অনুবাদ হিসেবে পেয়েছি। দেখতে পারেন। তবে আপনি যদি ফিঞ্চের অন্য বাংলা নাম জানেন তবে জানাবেন অনুগ্রহ করে।
৩। সম্ভবত নেই। ব্যাপারটা অনেকটা অভিকর্ষ নেই প্রমাণ করার চেষ্টা করার মত। তবে জীবের উদ্ভব নিয়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক প্রমাণভিত্তিক তত্ত্ব আছে।

সো এর ছবি

ফিঞ্চের বাংলা মনে হয় ফিঞ্চ-ই। এদেশে পাওয়া যায় না।
ফিঞ্চ আর ফিঙে এক প্রজাতি নাকি খুঁজতে একটু গুগ্লালাম।
ফিঙে - http://bn.banglapedia.org/index.php?title=%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%99%E0%A7%87
ফিঞ্চ - https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%9E%E0%A7%8D%E0%A6%9A
আলাদা family।
--
লেখা ভালো লেগেছে।

হিমু এর ছবি

ফিঙে তো সোয়ালো জানতাম। ফিঞ্চের বাংলা না থাকলে একটা বাংলা করে নেওয়া যায়, কাঠচড়াই।

সো এর ছবি

ফিঞ্চের ছবি দেখে চেনা চেনা মনে হচ্ছিল। এখন মনে পড়ল। মুনিয়া এক ধরনের ফিঞ্চ।
https://en.wikipedia.org/wiki/Munia
আমিও তো সোয়ালো মানে ভাবতাম ফিঙে।

হিমু এর ছবি

ফিঙে সোয়ালো না, ড্রঙ্গো। আমারই ভুল।

এক লহমা এর ছবি

"ফিঙে সোয়ালো না, ড্রঙ্গো।" চলুক

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

সজীব ওসমান এর ছবি

পাতি তুতি বলে একটা ফিঞ্চ পাখি বাংলাদেশে পাওয়া যায়। সেই হিসেবে ফিঞ্চ কে তুতি পাখি বলে ডাকলে কেমন হয়? তারেক অণু ব্যাপারটা নিয়ে জানাতে পারলে ভাল হত। উনি বাংলাদেশের পাখি নিয়ে কাজ করছেন বেশ কিছুদিন হল।

এক লহমা এর ছবি

ফ্রিঞ্জিলিডি-রা তুতি গোত্র। "সেই হিসেবে ফিঞ্চ কে তুতি পাখি বলে ডাকলে" ত ভালোই হয় বলে মনে হচ্ছে।
সত্যি, সে ত্রাকাণু গেল কোথায়?

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

মেঘলা মানুষ এর ছবি

খাটা খাটুনি করে লেখার জন্য হাততালি
"মানুষ যদি বানর থেকেই আসে তবে আজও কেন চিড়িয়াখানায় বানর আছে?" -এই টাইপের কথা বার্তা যারা বলে তাদের বোঝানো আসলেই কঠিন যে মানুষ বানর থেকে আসে নি।

সজীব ওসমান এর ছবি

সেটাই। তবু যারা বুঝবে তারা বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্যও তো লেখা প্রয়োজন, তাইনা? কমেন্টের জন্য ধন্যবাদ।

সো এর ছবি

আরো ভালো প্রশ্নও শুনেছি। চিড়িয়াখানার বাদরগুলো কি একদিন মানুষ হয়ে যাবে ?

মেঘলা মানুষ এর ছবি

'কয়েক মিলিয়ন বছর অপেক্ষা করেন' -এই টাইপের কথা বলে এদের ঠান্ডা রাখেন খাইছে

এক লহমা এর ছবি

পোস্ট ভাল লেগেছে।

--------------------------------------------------------

এক লহমা / আস্ত জীবন, / এক আঁচলে / ঢাকল ভুবন।
এক ফোঁটা জল / উথাল-পাতাল, / একটি চুমায় / অনন্ত কাল।।

এক লহমার... টুকিটাকি

সজীব ওসমান এর ছবি

হাসি

শেহাব এর ছবি

ভাল লেখা!

সজীব ওসমান এর ছবি

ধন্যবাদ

মরুদ্যান এর ছবি

চলুক

-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------
যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চল রে

সজীব ওসমান এর ছবি

হাসি

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি

চলুক

____________________________________
যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু, নিভাইছে তব আলো,
তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?

সজীব ওসমান এর ছবি

হাসি

অতিথি লেখক এর ছবি

শিক্ষণীয় পোষ্ট। ভালো লাগলো। এমন লেখা আরও চাই।
সাদা মেঘদল

সজীব ওসমান এর ছবি

ধন্যবাদ

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি

বাহ হাততালি

______________________
নিজের ভেতর কোথায় সে তীব্র মানুষ!
অক্ষর যাপন

সজীব ওসমান এর ছবি

হাসি

রানা মেহের এর ছবি

এই লেখাগুলো জরুরী।
যদিও আমরা তা মানবো না এবং বিবর্তনকে ইহুদী নাসারাদের ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করবো হাসি

-----------------------------------
আমার মাঝে এক মানবীর ধবল বসবাস
আমার সাথেই সেই মানবীর তুমুল সহবাস

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।