আমার 'পছন্দের' কিছু ব্লগ

সিরাত এর ছবি
লিখেছেন সিরাত (তারিখ: শুক্র, ০৯/০৭/২০১০ - ১০:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগে লিখতে হলে লেখার দক্ষতা ছাড়াও আরো নানারকম দক্ষতা লাগতো। এখনো যে সে প্রয়োজন একেবারে ফুরিয়ে গেছে তা নয়, তবে ইন্টারনেট মনের ভাব প্রকাশকে একেবারে অসাধারণভাবে উন্মুক্ত করে দিয়েছে। এ নিয়ে চৌঠা জুলাই এ্যান্ড্রু সালিভানের ব্লগে এরকম একটা লেখাও পড়ছিলাম, যে, যত 'ভালগার' আর 'অবনক্সাশ'-ই হোক, শেষতক বলার এই স্বাধীনতার সুবিধা বলতে না পারার চেয়ে বেশিই বটে, এবং ঢের বেশি। আমি তা-ই মনে করি, সে কারণে কোনোরকম ব্লগই বাদ রাখি না পড়া। নতুন নতুন ব্লগ খুঁজে খুঁজে পড়তে আমার বেশ মজাও লাগে। নিজের একখান অতি দুর্বল গুগল রিডার লিস্ট আছে বটে, কিন্তু বেশিরভাগ ভাল ব্লগই মোটামুটি হাইপারঅ্যাক্টিভ, ভাসিয়ে ফেলে মোটামুটি, তাই সাইটে গিয়েই পড়া হয় বেশিরভাগ সময়। এরই মাঝে কিছু ব্লগ আটকে ফেলে কীভাবে যেন, ফেরৎ না গিয়ে পারি না।

এখানে আপনাদের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য আমি বারে বারে ফেরৎ যাই ('প্রিয়'/'পছন্দ' বলার চেয়ে 'বারে বারে ফেরৎ যাই' বলাই ভাল; কারণ সব ব্লগেরই অপ্রিয় দিকও আছে! হাসি ) এমন কতগুলি ব্লগের একটি অসম্পূর্ণ তালিকা দিচ্ছি, সঙ্গে একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। সবার সব ভালো লাগবে না, কিন্তু কেউ কেউ হয়তো পড়ে মজা পাবেন। তবে সবচেয়ে খুশি হবো যদি এসব পড়ে আপনারাও আপনাদের প্রিয় ব্লগগুলো ভাগাভাগি করতে এগিয়ে আসেন।

প্রতিটি ব্লগের শিরোনামে ক্লিক করলে ব্লগটিতে যেতে পারবেন।

________________________________________

চার্লিস ডায়রি:

charlie

চার্লস স্ট্রস একজন দারুণ কল্পবিজ্ঞানলেখক। তিনি একজন অবসেসিভ কমিউনিকেটরও বটে। চৌকস কিন্তু প্রাঞ্জল ভাষায় বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে এত সুন্দরভাবে লিখতে আমি খুব কম লোককে দেখেছি। আমি একেবারে মগ্ন হয়ে লেখা পড়েছি কম; স্ট্রসের বেশিরভাগ লেখা আমাকে সেভাবে পড়তে বাধ্য করে। টেকনোলজি থেকে শুরু করে ভূরাজনীতি, ভবিষ্যৎ থেকে শুরু করে মহাবিশ্ব, কিছুই বাদ দেন না স্ট্রস।

স্ট্রসের কিছু অন্যতম সেরা লেখা

দ্য হাই ফ্রন্টিয়ার, রিডাক্স - মানুষ কেন অদূর ভবিষ্যতে পৃথিবী ছেড়ে যেতে পারবে না। লেখাটা এমনিতে তো অসাধারণ বটেই, তবে এখানে আরো মজা আছে। বহু বহু দিন পরে জানা যায় যে এটি ছিল এক ধরনের 'ডেভিলস এডভোকেট' লেখা, স্ট্রস চাইছিলেন একদিকে লেখা দিয়ে মানুষের আরেকদিকের অনুভূতিগুলো টেনে আনতে - মহাকাশে বসবাস নিয়ে মানুষের আশা-আশাভঙ্গ হওয়া। লেখাটি অনেক নিয়মিত পাঠককেই কিছুটা আপসেট করেছিল, কিন্তু শেষে যে দারুণ আলোচনা হয়েছে (শয়ে শয়ে মন্তব্য, এবং বেশ ভাল আলোচনা), তা পুরোপুরিই হালাল করে দিয়েছে পোস্টটি লেখা।

শেপিং দ্য ফিউচার - মুর'স ল এর সামাজিক প্রভাব নিয়ে।

জাপান: ফার্স্ট ইমপ্রেশনস - যেন তিনি অন্য একটা গ্রহ দেখছেন! হাসি

কমন মিসকনসেপশনস এবাউট পাবলিশিং - বোরিং শিরোনাম শুনে পালিয়েন না! একটি আধুনিক ইংরেজি বই কিভাবে ছাপা হয় (এবং যা ভাবছেন মোটেই সেভাবে না!) থেকে শুরু করে ই-বইয়ের ভবিষ্যৎ। এবং সব স্ট্রস এর প্রাঞ্জল ভাষায় এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার আলোকে।

হাউ আই গট হেয়ার ইন দ্য এন্ড - লেখক হওয়ার আগে স্ট্রস কি কি করেছেন। ইন্টারেস্টিং।

_______________________________________

এ্যান্ড্রু সালিভান:

dish

২০০৬ সালের অক্টোবরে টাইম ম্যাগাজিনে একটি অসাধারণ প্রবন্ধ পড়েছিলাম। পড়ে দেখি লেখকের নাম এ্যান্ড্রু সালিভান, আর লেখকের নাকি একটি ব্লগ আছে। ব্লগের নাম 'দ্য ডেইলি ডিশ'। মাস্টহেড ওরওয়েলের সেই বিখ্যাত উদ্ধৃতি: "To see in front of one's nose needs a constant struggle." প্রথম পাতা পড়তে গিয়েই মোটামুটি হুকড।

হয়তো একজন এইডস-আক্রান্ত সমকামী হওয়াতেই এ্যান্ড্রু সালিভানের এত মনোবল। আর হয়তো সে কারণেই তিনি মার্কিন ব্লগোস্ফিয়ারে এত গুরুত্বপূর্ণ একজন চরিত্র। মনে আছে রামসফেল্ডের পদত্যাগের দাবী নিয়ে তার নিয়মিত হাউকাউ, বা ওবামার নির্বাচনের অসাধারণ কাভারেজ।

এ্যান্ড্রু সালিভানকে ব্লগার বলবো, না মেটাব্লগার বলবো, সেটাই বলতে পারি না। ভদ্রলোকের ভলিউম মোটামুটি বিশাল। সালিভানের দৃষ্টিভঙ্গীটা একসময় তুলনামূলকভাবে বেশি আন্তর্জাতিক ছিল, ধীরে ধীরে সেটা সরু হয়ে অনেকটাই তুলনামূলকভাবে বেশি মার্কিনকেন্দ্রিক হয়ে গেছে। তবে, সালিভান যেমন সোনার খনি ছিলেন, তেমনই রয়ে গেছেন। ওনার থেকে যে কত ভালো সব জিনিস আবিষ্কার করেছি, তার তালিকা করতে গেলে এই লেখা সহজে ফুরাবে না! এক ব্লগ থেকেই আরেক ব্লগ সম্পর্কে জানা যায়। এটি খুবই সত্য সালিভানের ব্লগটির ক্ষেত্রে। হুয়ান কোল, পাকো পন্ড, সউদিজিনস, ইরাক নিয়ে দারুণ কিছু ব্লগ পেয়েছি সালিভানের কল্যাণেই।

সালিভানের ব্লগ দীর্ঘদিন অনুসরণ করায় তার রাজনৈতিক মতবাদের বিবর্তনেও বেশ মজা পেয়েছি। একসময়ের ইরাক যুদ্ধ সমর্থক সালিভান তিন বছর ধরে আস্তে আস্তে নিজের মতবাদ পাল্টিয়েছেন ওকশটিয়ান রক্ষণশীল থেকে ওবামা-সমর্থক এবং প্যালিন-হেটার হিসেবে।

স্যাম হ্যারিসের সাথে বিলিফনেটে ধর্মবিষয়ে এ্যান্ড্রু সালিভান যে অসাধারণ বিতর্কটি করেন সেটি আমার পড়া অন্যতম সেরা বিতর্ক। সালিভান আমার মতে ক্যাথলিক বা সাধারণভাবে ধর্মকে নাস্তিকতার বিরুদ্ধে সমর্থন করতে গিয়ে হেরে গিয়েছিলেন বলেই আমি মনে করি, কিন্তু কি গ্রেসফুলিই না তিনি তার পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছিলেন! সবসময় হার যে হার নয়, সেটি ছিল তারই প্রমান।

সালিভানের সব কিছু আমার ভাল লাগে না। পালিনের পেছনে উনি মাঝে মাঝে যেন অতি-ওভারজিলাস হয়ে লেগেছেন। তারপর আবার ওবামার প্রাইমারি ক্যাম্পেইনের সময় একেবারে ক্লিনটনদের রামছাগু বানিয়ে দিয়েছেন।

এসব ছাড়াও নানা ব্যাপারে আমি সালিভানকে মাঝে মাঝেই চিঠি লিখি, উত্তরও পাই। প্রথম উত্তর তিনি আমাকে করেছিলেন শিকাগোর এক হোটেল থেকে, ২০০৭-এর দিকে মনে হয়। (উল্লেখ্য যে সালিভানের ব্লগে মন্তব্য করা যায় না, পাঠকদের ভোটাভুটিতেও সেটিই বহাল আছে, যদিও তিনি নিয়মিত চিঠি ছাপেন, তাছাড়া সমালোচনাও ছাপেন 'ডিসেন্ট অফ দ্য ডে' শিরোনামে।) মহা খুশি হয়েছিলাম! খুশিতে আব্বাকেও বলে ফেলেছিলাম! আব্বা দেখি মুষড়ে পড়লেন। পরের দিন নাস্তার টেবিলে বলেন, "আহারে, লোকটার এইডস কেমনে হইলো? সে তো মারা যাবে!"

সালিভানের কিছু অন্যতম সেরা লেখা

হোয়েন নট সিয়িং ইজ বিলিভিং - ক্লাসিকো।

স্যাম হ্যারিসের সাথে ধর্ম নিয়ে আনুষ্ঠানিক বিতর্ক - আগেই তো বলেছি কি জিনিস!

হোয়াই আই ব্লগ - উনি কেন ব্লগ লেখেন।

সালিভানের ক্ষেত্রে আসলে তালিকা দেয়াটা কষ্টকরই বটে। উনি টানা পোস্ট দিতে থাকেন একটি ব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে, এবং তারই মাঝে লুকানো থাকে তার প্রখর পর্যালোচনা। ভদ্রলোক দৈনিকই প্রায় বিশ-ত্রিশটা পোস্টও দেন, সুতরাং বুঝতেই তো পারছেন। তবুও, এ সাইটটা তার কিছু ভাল লেখা ট্র্যাক করে, গিয়ে দেখতে পারেন।

_______________________________________

পিটার ব্রেগম্যান

bregman

পিটার ব্রেগম্যানকে বলা যেতে পারে আমার প্রিয় বিজনেস ব্লগার, যদিও তিনি আবার ঠিক বিজনেস ব্লগারও না। উনি একেবারে ক্ষুদ্রায়তনে এক একটি জিনিস পর্যালোচনা করেন। অন্যান্য বিজনেস ব্লগাররা অনেক উঁচুপর্যায়ের জিনিস নিয়ে আলোচনা করে। এদিকে পিটার একেবারে সাধারণ মানুষের পর্যায়ে, দৈনন্দিন জীবনের সমস্যায় নেমে পড়েন! পিটার অনেক প্রাথমিক জিনিসও মাঝে মাঝেই পর্যালোচনা করেন নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা আর বিভিন্ন বইভিত্তিক যুক্তিতর্কের আলোকে। হার্ভার্ডের ব্যবসায় ব্লগসাইটের খুব সম্ভবত অন্যতম জনপ্রিয় ব্লগার তিনি, এবং সম্প্রতি মূলধারার মাধ্যমও তার লেখা নিচ্ছে। এই একটু আগেও সিএনএনে তার লেখা দেখলাম।

ব্রেগম্যানের কিছু অন্যতম সেরা লেখা

যেহেতু ব্রেগম্যান আমার প্রিয় ব্লগারদের একজন, তালিকা করা শুরু করলে ৭৫% লেখাই দাগিয়ে বসতে পারি। ভদ্রলোকের কনসিসটেন্সি আসলেও ভাল। ছোট তালিকা করতে বেশ কষ্ট হবে, তবুও চেষ্টা করি। ইংরেজি শিরোনামগুলি চেষ্টা করলাম বাংলা করতে, যদিও ব্যবসায়িক ইংরেজির ভাল বাংলা করা বেশ কঠিন।

১। স্ট্রেসকে নিজের কাজে লাগান

২। মানুষকে পছন্দ করাতে পছন্দ কমিয়ে দিন

৩। চাকরি খুঁজছেন? বেশি চেষ্টা কোরেন না! (করেন আর কোরেন এর পার্থক্য বুঝাতে আর উপায় পাচ্ছি না)

৪। কোন কাজ পুরোপুরি ভাল করে করার চেষ্টা কোরেন না

৫। নিজের দূর্বলতা নিয়ে চিন্তা বন্ধ করুন

৬। বাজে অভিজ্ঞতার আসল মূল্য

৭। পরিবর্তন চান? কেবল একটি পরিবর্তন করুন

৮। সমস্যা সমাধান কিভাবে মজাদার করা যায়

৯। কেন ব্যর্থতা প্রয়োজনীয়

১০। কেন ফোর্সড রাংকিং একটি ভ্রান্ত ধারণা

১১। মোটিভেশনের একটি গল্প

১২। না পেতে পেতেই পাবেন

১৩। নিজের মাঝে বৈচিত্র্য আনুন

১৪। কাজে এবং জীবনে বন্ধুদের প্রয়োজনীয়তা

১৫। আমি কেন আমার আইপ্যাড ফেরৎ দিলাম

______________________________________

ক্রিস্টফ মায়ার

meyer

একটা সময় দেশের বাইরে এমবিএ করার আগ্রহ জেগেছিল। সেসময় ব্লগ পড়ে বোঝার চেষ্টা করেছিলাম এমবিএ জীবনধারাটা কেমন। ভয়ই পেয়ে গিয়েছিলাম, খুব হাই টাচ, হাই অকটেন হওয়া লাগে।

তো এর মাঝে ক্রিস্টফ মায়ারের ব্লগটা স্ট্যান্ডআউট ছিল। রক্ষণশীল আমেরিকানার ইন্টারেস্টিং এক স্পেসিমেন এ ছেলে। এরকম আরো কিছু ছেলেপিলে চিনি আমি আসলে, আমার ফেসবুকেও একজন আছে, জেফ টেরেল, নর্থ ক্যারোলাইনার এক পিএইচডি স্টুডেন্ট। কেউ রক্ষণশীল হলেই যে উচ্ছন্নে গেল তা আমি ভাবি না। ব্লগের সাথে বিতর্কের কিছুটা মিল আছে, নিজের চিন্তাধারা কে কতটা পরিষ্কারভাবে তুলে ধরতে পারলো সেটাও আসলে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

তবে তার চেয়ে বেশি আগ্রহের ছিল আমেরিকার অভিজাত কিন্তু আদর্শিক এক বিজনেস স্কুলে এরকম একটি ছেলে কিরকম সময় কাটাবে সেটা বোঝা। ভয়ানক চাপের মধ্যে সে কি করেছে, অন্যান্য কি কাজ করলো, সাফল্য বলতে সে কি বোঝে, এগুলো বেশ আগ্রহ নিয়ে পড়েছি।

সেদিক দিয়ে দেখলে মায়ারের ব্লগটা বেশ ম্যাচিউর। ওর ইংরেজিটা আমার একটু অদ্ভুতই লাগে, এবং সত্যি কথা বলতে আমি প্রথমদিকে ওর ব্লগ পড়ে ওকে ইউরোপীয় মনে করেছিলাম।

মায়ারের ব্লগের আমি আর কিছু হাইলাইট করছি না। সাজেশন থাকবে একেবারে প্রথম থেকে বইয়ের মত পড়তে শুরু করতে।

____________________________________

পোস্টের আকার দেখা যাচ্ছে ইতোমধ্যেই বিশাল হয়ে গেছে। স্কট এ্যাডামস (ডিলবার্ট-স্রষ্টা) আর ইয়োনাহ লেহরারের ব্লগ নিয়ে লেখার ইচ্ছা ছিল। ইচ্ছা ছিল 'হাইয়ার ক্রিটিসিজম - দ্য আর্ট অফ রিলিজিয়াস এক্সট্রিমিসম' ব্লগটা নিয়ে লেখার। সউদি জিনস আর ইরাক দ্য মডেল নিয়ে লেখার। জুলাইড্রিম আর আনান্দ-এর এমবিএ ব্লগ নিয়ে লেখার। মুয়াজ ভাইয়ের ব্লগ আর লংফর্ম ডট অর্গ নিয়ে লেখার। যাহোক, সেগুলো তাহলে পরের পর্বেই হবে। আজকের মত এখানেই থামি।

এবার তাহলে আপনাদের পালা? হাসি


মন্তব্য

স্পর্শ এর ছবি

থামলেন কেন, আরো কিছু এই পোস্টেই দেওয়া যেত। পোস্টটা ইন্টারেস্টিং হয়েছে। সালিভানের ব্লগে গিয়ে এটাই দেখছিলাম, দৈনিক গোটাদশেক পোস্ট!! বাইরে বাই।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

সিরাত এর ছবি

থামসি কারণ হাঁপায়া গেসিলাম ভাই। আর পোস্টের সাইজ বটগাছ হয়ে যাচ্ছিল, সেটাও কারণ। বাকি ব্লগগুলারে মাইনরিটি ট্রিটমেন্ট দিতে চাই নাই, সুন্দর করে পরে হাইলাইটসহ পোস্ট করার ইচ্ছা রইলো।

সালিভানের দশটা দেখসেন তাইলে ওইটা ধরেন কম ব্যস্ত দিন। বানের মত পোস্ট আসতে থাকে! চোখ টিপি

আপনে কইলেন না ক্যান??

স্পর্শ এর ছবি

ব্রোগম্যানের ৫ নাম্বারটা ভালো লাগছে।


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...


ইচ্ছার আগুনে জ্বলছি...

রণদীপম বসু এর ছবি

কী লজ্জার কথা ! তালিকায় একটাও বাংলা ব্লগ নাই !

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

-------------------------------------------
‘চিন্তারাজিকে লুকিয়ে রাখার মধ্যে কোন মাহাত্ম্য নেই।’

সিরাত এর ছবি

ছিল। আমার তালিকা অনেক লম্বা ছিল, কিন্তু মাত্র চারটা নিয়ে লিখতে পারসি মোটামুটি সাধ মিটায়। সচলায়তনের কমপক্ষে তিনজনের লিস্ট ছিল, যদিও ওগুলি আলোচনা করবো কিনা নিশ্চিত ছিলাম না। হাসি

আর এখানে আসলে চাচ্ছিলাম সচলায়তনের বাইরের ব্লগ হাইলাইট করতে।

অমিত এর ছবি

অফিসের কাজের (!!) বারটা বাজল মনে হচ্ছে চিন্তিত

বুনোহাঁস এর ছবি

অসাধারণ! সবগুলো পড়ে ফেলবো। একটু সময় লাগবে।

নৈষাদ এর ছবি

ভাল একটা কাজ করেছেন। কিছু চমৎকার লেখার সন্ধান পাওয়া গেল। বিশেষ করে পিটার ব্রেগম্যান...।

বোহেমিয়ান এর ছবি

ব্যাপক লিস্ট ।
_________________________________________

_________________________________________
ওরে! কত কথা বলে রে!

অতিথি লেখক এর ছবি

ভাল কালেকশন। বিশেষ করে পিটার ব্রেগ্ম্যান এর লেখাগুলো নিয়ে আগ্রহ বোধ করছি। যদিও পিসিতে বেশিক্ষণ পড়তে পারিনা কিন্তু চেষ্টা করব যত পারা যায়।
ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।

তানজিরুল আজিম

অতিথি লেখক এর ছবি

ইন্টারেস্টিং। ব্লগগুলো পড়ে দেখতে হবে।
আচ্ছা, অন্য ব্লগের লেখার অনুবাদ দিলে কি সচলায়তন ছাপবে?

ছোটন [অতিথি] এর ছবি

দারুণ কালেকশান। এটা শেষ করা ফরজ আপনার জন্য। আশা করছি, এটা একটা কম্প্রিহেন্সিভ পোস্ট হবে।

নীল রোদ্দুর এর ছবি

আমি একটা কাজই করে ফেলি, সিরাত ভাইয়ের ব্লগটা বুকমার্ক করে ফেলি। দারুন জিনিশ এটা। বাই দ্য ওয়ে, আপনাকে নিয়ে আমার একটা অ্যানালাইসিস করার ইচ্ছা আছে। সময়ে জানতে পারবেন। হাসি.
--------------------------------------------------------
যখন প্রাণের সব ঢেউ
জেগে ওঠে, কথা বলে, রক্তের আশ্চর্য কলরবে
বৃষ্টির দুপুরে মনে পড়ে
বর্ষার মতন গাঢ় চোখ মেলে তুমি আছ দু'দিনের ঘরে।।
[শামসুর রাহমান]

-----------------------------------------------------------------------------
বুকের ভেতর কিছু পাথর থাকা ভালো- ধ্বনি দিলে প্রতিধ্বনি পাওয়া যায়

নতুন মন্তব্য করুন

এই ঘরটির বিষয়বস্তু গোপন রাখা হবে এবং জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে না।
Image CAPTCHA