Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

নিমন্ত্রণে যাবো!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৫/০২/২০১৭ - ৫:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]আমরা সামাজিক জীব, রবিনসন ক্রুশো নই, তাই আমাদেরকে নানা প্রকার সামাজিকতা করতে হয়। বাঙালীর সামাজিকতার বড় অংশ সামনাসামনি বা ফোনে কুশলাদি জিজ্ঞেস করার সাথে অন্য দশজনের নামে কূটকচালি করা, এবং নিমন্ত্রণের নামে ঐ প্রকার কূটকচালি সহযোগে ভুড়িভোজে সীমাবদ্ধ। উভয় প্রকার সামাজিকতায় কূটকচালির সাথে প্রায়ই ফুটানি দেখানো যুক্ত হয়। অবশ্য কিছু কিছু নিমন্ত্রণ বিশুদ্ধ ফুটানি দেখানোর উদ্দেশ্যে হয়ে থাকে। সামাজিক


অ্যাড্রিয়াটিকের মায়ায়

জীবনযুদ্ধ এর ছবি
লিখেছেন জীবনযুদ্ধ [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৪/০২/২০১৭ - ২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]তিরানার শহরতলী ছাড়িয়ে বহুদূর দিগন্তে দাইতি পর্বতশ্রেণির অপসৃয়মাণ কায়াকে পেছনে ফেলে আমরা যখন আলবেনিয়ার এক সরু মহাসড়ক ধরে এগিয়ে চলেছি তখন অপরাহ্নের শেষ প্রহর। তবে তাই বলে সূর্যের উত্তাপের কমতি নেই। আমাদের গাড়ির বুড়ো চালক তাই ক্ষণে ক্ষণেই স্বেদাসিক্ত হয়ে নিজের সাদা রুমালটি ললাটে ছুঁয়ে নিচ্ছেন। ভদ্রলোক যে বেজায় ক্লান্ত তা বেশ অ


One day in the life of Ivan Denisovich (আইভান ডেনিসোভিচের জীবনের একদিন) - পর্ব - ৩ : A novel by Alexander Solzhensitsyn

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ৩০/০১/২০১৭ - ১১:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পর্ব - ৩ :

ঠিক যখন পিঠে নম্বর লেখা দলের লোকেদের সবাই বারান্দার দরজার দিয়ে বেড়িয়ে যাচ্ছে, সূখোভ কোনরকমে সব কাজ সেরে সেটার লেজের অংশটার সাথে জুড়ে গেলো। যার যা জামা-কাপড় আছে সব পরে থাকাতে তাদের মনে হচ্ছে বেশ মোটাসোটা, আর সবাই হেলেদুলে আড়াআড়ি ভাবে একলাইন ধরে জমায়েত হওয়ার ময়দানটার দিকে এগিয়ে যেতে লাগলো। কেউ কাউকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা নেই। বাতাসে শুধু পায়ের তলায় বরফ ভাঙার শব্দ।


প্রবাসে আমরা এবং আমাদের কমফোর্ট জোন

গীতিকবি এর ছবি
লিখেছেন গীতিকবি (তারিখ: শুক্র, ২৭/০১/২০১৭ - ৭:০৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক দিন পর সচলায়তনে লিখছি।

সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আমার কিছু ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং তা থেকে যা উপলব্ধি সেটি নিয়ে একটি লেখা লিখেছি। প্রথম আলো পত্রিকা লেখাটি প্রকাশ করেছে।

লেখাটি দীর্ঘ। কিন্তু সবাইকে, বিশেষ করে প্রবাসে যারা থাকেন তাদেরকে পড়ার জন্য বিশেষ অনুরোধ করছি।


One day in the life of Ivan Denisovich (আইভান ডেনিসোভিচের জীবনের একদিন) - পর্ব - ২ : A novel by Alexander Solzhensitsyn

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৩/০১/২০১৭ - ৯:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেদিন সকালে ভাগ্যদেবী বুঝি চোখ মেলে চাইলেন, কোন ভীড় বা লম্বা লাইন নেই। সোজা হেঁটে ঢুকে পরা যায়।

খাবার-হলের বাতাস যেন গোসলখানার মত ভারী। হিম-শীতল হাওয়া দরোজা দিয়ে ঢুকে ট্যালট্যালে লপসির ধোঁয়ার সাথে মিশে যাচ্ছে। এক দল টেবিলে বসা, আরেক দল টেবিলের সারীর মাঝের করিডোরে দাঁড়িয়ে, ফাঁকা সিট পাওয়ার অপেক্ষায়। চাপাচাপি-ঠেলাঠেলির মধ্যে এ ওকে উদ্দেশ্য করে চেচাঁমেচি করছে, প্রতিটা দলের দু’তিনজন বাটি ভর্তি লপসি আর কাঠের ট্রে ভর্তি জাউ নিয়ে খালি জায়গা খোঁজায় ব্যাস্ত। ওদিকে, ওই দেখো দেখো ঐ গোঁয়ার-গোবিন্দটা কি করে, কথা শোনে না, হাতের ট্রেটা ফেলেই দিলো, ঝপ-ঝপাৎ ঝপাস! হাত খালি থাকলে দাও ব্যাটাকে কষে একটা ঘাড়-ধাক্কা। ঠিকই আছে, অকারনে করিডোর জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা, জোচ্চুরির ধান্দা!


আমানুলের খোঁজে

অরূপ এর ছবি
লিখেছেন অরূপ (তারিখ: শুক্র, ১৩/০১/২০১৭ - ১০:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এপ্রিলের দুই তারিখে আমার পুত্রের জন্ম। আর সেই এপ্রিলের তিন তারিখে মেজোমামা চলে গেলেন। যেই কথাগুলো তাঁকে বলা দরকার ছিল, তা আর কোনদিন বলা হল না।


ঠিক দুক্কুর বেলা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১১/০১/২০১৭ - ২:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার তখন দশ বছর বয়স। গ্রীষ্মকাল- স্কুল বন্ধ, বন্ধুরা সব যে যার দেশের বাড়ি। দুপুর বেলায় খা খা করে আমাদের পাড়া। আমি তিন নম্বর সাইজের একটা ফুটবল নিয়ে গলির ভেতর একা একা ঘুরে বেড়াই, লাথি মেরে পাঠিয়ে দেই গলির মাথায়, তারপর দৌড়ে গিয়ে আবার উল্টো লাথি। একা একা আর কত খেলা যায়!


জীবনের বিছিন্নতাবোধ, হরিপূর্ণ ত্রিপুরা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৮/০১/২০১৭ - ৪:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসের প্রথম দিককার ঢাকা শহরের এক বৃষ্টিস্নাত সকাল ৷ আমি বসে আসি রাস্তার পাশের এক খুপড়ি চায়ের দোকানে ৷ কিন্তু চায়ের দোকানে চা ও সিগারেটের তেষ্টা মেটাবো এরকম উদেশ্যে আমার বসা নয় ৷ আসল কারণ হচ্ছে নিজেকে একটু ভদ্রস্থ করার চেষ্টা ৷ দোকান হতে টিস্যু পেপার কিনে তা একটু পানিতে ভিজিয়ে তাই আমার কাদা মাখা জুতা জোড়া পরিষ্কার করার কাজে লেগে গেলাম ৷ টিস্যু প্যাকেটটা প্রায় শেষ হয়ে আসছে তবু