Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

সববয়সী

ব্লেনারহ্যাসেট দ্বীপের কাহিনী

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: শুক্র, ০৫/০৭/২০১৯ - ৯:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভটভট শব্দ করতে করতে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে আমাদের স্টীমার ওয়াইও নদীর বুক চিরে। কোন অত্যাধুনিক জলযান নয়, সেই ১৯শতকের শুরুর দিকে ব্যবহৃত স্টীমইঞ্জিন চালিত প্যাডল হুইলবিশিষ্ট স্টিমবোটেরই এক নব অনুরূপ । কিন্তু একি স্টেয়ারিং হুইল এ কার হাতে ছেড়ে দিয়েছেন ক্যাপ্টেন ? স্বয়ং এই নাদানের হাতে! নিজেকে ত পপাই দা সেইলরম্যান মনে হচ্ছে! শুধু মুখে পাইপ আর নাবিকদের টুপিটাই পড়া বাকি। কিন্তু সাথে স্পিনাচ না থাকায় সেই বিশাল কাঠের স্টিয়ারিংটাকে ফ্যানের মত ঘুরান্তি দিতে পারলাম না। সত্যি বলতে গেলে দুহাতে খুব জোর দিয়ে স্টিয়ারিং কিছুটা ঘুরিয়ে সামান্য ডানে-বায়ে করতে পারলাম স্টীমারটাকে। ঠিকমত এগিয়ে নিতে পারবো তো ?

small
ছবিঃ ব্লেনারহ্যাসেট ম্যানসন।


আমার রোপণকথাটি – ১

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: শনি, ২৯/০৬/২০১৯ - ৬:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পুণে শহরে জলাভাব বরাবরই। সেই কবে ব্রিটিশরা এসে খড়গওয়াসলা বাঁধ ও জলাধার বানিয়েছিল, সেই জলাধারই বহুবছর পুণের মানুষজনকে গৃহস্থালীর কাজকর্ম ও খাবার জলের যোগান দিয়ে গেছে। তারপর আস্তে আস্তে এলো পানশেত, পওনা, মুলশি, কাসারসাই ইত্যাদি জলাধারগুলো। যতবেশী জায়গা জুড়ে তোলা জল নল বেয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছাতে লাগল ততই মানুষের থেকে দূরে সরতে লাগল মুঠাই, নীরা, মুলা নদীরা।


মহাসমুদ্রের বাঁকে বাঁকে- টরকি (দ্বিতীয় পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০৬/২০১৯ - ১:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]রৌদ্রজ্জ্বল একটি দিন, একপাশে সবুজ পাহাড়ের গা ঘেঁষে আঁকাবাঁকা রাস্তা, অন্যপাশে বিস্তীর্ণ সৈকত ছুয়ে নীলে রঙের সাত আটটা শেড তৈরি করতে করতে সমুদ্র মিশেছে গাড় নীল দিগন্তে। ভয়ংকর সুন্দর বুঝি একেই বলে!


বুয়েটের বিস্মৃতপ্রায় এক হত্যাকাণ্ড

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৬/২০১৯ - ২:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকৌশল বিভাগের ’৯৮ ব্যাচের শিক্ষার্থী ইমরান হাবিব রুমনের “[url=https://www.prothomalo.com/opinion/article/1598125/%E0%A6%B8%E0%A6%A8%E0...


মহাসমুদ্রের বাঁকে বাঁকে - ভূমিকা (প্রথম পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২২/০৬/২০১৯ - ১:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১০৬ মিলিয়ন বছর আগেকার কথা,। অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ পূর্ব উপকূলের অটওয়ে সমুদ্রতট। সেসময় এই উপকূলের তাপমাত্রা আজকের চেয়ে অনেক কম, কারন অস্ট্রেলিয়া ছিল এন্টার্কটিক সাইকেলের ভেতরে। সুবিস্তীর্ণ সমুদ্রের সুনীল জলরাশি নিরন্তর আছড়ে পড়ছে অনাদিকালের নিরবতা কে ছিন্নভিন্ন করে দিয়ে। যেন প্রতিমুহূর্তে সগৌরবে মহা কালকে মুচকি হেসে বলছেঃ "তুমি একাই প্রাচীন নও, হিসেব করে দেখো, আমিও ছিলাম; আছি; আর থ


নতুন পানির স্রোতে

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৬/০৬/২০১৯ - ১১:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নদীতে নতুন পানি এসেছে। বাতাসের সাথে পাল্লা দিয়ে ছুটে চলে সে পানি। তার মধ্য দিয়ে ভেসে যায় কত কি? জমাট বাধা খড়ের টুকরো। বিচ্ছিন্ন কচুরিপানা। নোংরা পলিথিনের ব্যাগ। গাছের গুড়ি। আর- আর সে।

সে ভেসে যায়। নাল্লাপাড়ার বাজারের ব্রিজের নীচ দিয়ে। মসৃণ গতিতে। পানিতে মাথা ডুবিয়ে মাছ খোজা কোন শিকারী পানকৌড়ির মতো।


জল জঙ্গলের গল্প - ১

কীর্তিনাশা এর ছবি
লিখেছেন কীর্তিনাশা (তারিখ: মঙ্গল, ১১/০৬/২০১৯ - ১১:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


একটা গাধা হাসতে খেলতে নাচতে নাচতে এক নতুন জঙ্গলে এসে পড়ে। মনে তার দারুণ ফুর্তি। এ জঙ্গলে কত নতুন ধরণের গাছ, লম্বা লম্বা ঘাস। আনন্দে গাধা – ‘ইঁইইই অঁঅঅঅ, ইঁইইই অঁঅঅঅ!’ আওয়াজে গান গেয়ে নেয় কিছুক্ষণ। তারপর মুখ ডুবিয়ে লম্বা রসালো ঘাস খেতে মনযোগী হয়।


আল্পসের লুকানো মণি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১১/০৬/২০১৯ - ৬:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পশ্চিম ইউরোপের বুকের ওপর দিয়ে বয়ে চলেছে দীর্ঘ স্রোতস্বিনী রাইন। রাইনের পূর্ব তীরে ছবির মত ছিমছাম পরিপাটি এক দেশ। প্রায় পনেরশ বছর আগে পাহাড়ের মাঝের এই বিচ্ছিন্ন ভু-খন্ডে থিতু হতে আসা আলেমানি গোষ্ঠীর বংশ ধারা বয়ে এসেছে এদেশের অধিবাসীদের মাঝে। যদি ‘এক দেশে ছিল এক রাজা, রানী, রাজ পুত্র আর তাদের প্রজাকুল’ এভাবে শুরু করতে পারতাম তবে যথার্থ হত। সুবিশাল আল্পস পর্বতমালার একাংশ গভীর আলিঙ্গনে ঘিরে রেখেছে রু


জোনাক জীবন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০২/০৬/২০১৯ - ১২:৪৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এ লেখাটা লিখতে গিয়ে নিজেকে কেমন যেন মওদুদ আহমেদ মনে হচ্ছে। এই সচলেই ঠিক আগের লেখায় যা লিখেছি, পুরো ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এখন উল্টো জিনিস লিখতে যাচ্ছি, সংগত কারনেই ওই ভদ্রলোকের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। আমি বিখ্যাত লেখক নই, সুতরাং আগের লেখায় কি ছিল সেটা কারো মনে থাকার কোন কারন নেই। সেখানে 'প্রতিভা' জিনিসটার প্রতি আমার দুর্নিবার আকর্ষনের কথা লিখেছিলাম। তাতে সমস্যা নেই, কিন্তু আকর্ষনের পেছনের কারনটা ছিল যে তাতে


স্মিথসোনিয়ানের টুকরো গল্প - ২

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: রবি, ০২/০৬/২০১৯ - ১০:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরগুলো সম্বন্ধে সবাই কমবেশী পরিচিত। জ্ঞানের প্রচার এবং প্রসার - এই লক্ষ নিয়ে ১৮৪৬ সালে আমেরিকার সরকার স্থাপিত করে একগুচ্ছ জাদুঘর। প্রতিষ্ঠাতা দাতা এবং ইংরেজ বিজ্ঞানী জেমস স্মিথসন-এর নামানুসারে এদের নামকরন করা হয় স্মিথসোনিয়ান। "জাতীর চিলেকোঠা" হিসেবে অভিহিত এইসব জাদুঘরে রয়েছে ১৫৪ মিলিয়ন দূর্লভ প্রদর্শিত বস্তু। এখন পর্যন্ত রয়েছে ১৯ টি জাদুঘর, ৯ টি গবেষণা কেন্দ্র, একটি চিড়িয়াখানা যাদের বেশীরভাগের অবস্থান ওয়াশিংটন ডিসি। বুঝতেই পারছেন একদিনের সংক্ষিপ্ত ভ্রমনে এতগুলো জাদুঘর ঘুরে দেখা দুঃসাধ্য কর্ম। সেই সাথে এদের প্রদর্শিত বস্তু নিয়ে লিখতে বসলে বইয়ের পর বই লিখতে হবে, এবং সে কাজও গবেষকরা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন! এ লেখায় আমার উদ্দেশ্য শুধু এই জাদুঘরগুলো সম্বন্ধে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। তাই চেষ্টা করলাম কিছু চমকপ্রদ প্রদর্শিত বস্তুর রেকর্ডকৃত ভিডিও এবং তাদের অতিসংক্ষেপিত কাহিনী এ লেখায় তুলে ধরার। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং মনে এই বিশ্বখ্যাত জাদুঘরগুলো দেখার বাসনা জাগবে। চলুন তাহলে পড়ে দেখা যাক ...

small
ছবিঃ স্মিথসোনিয়ান ন্যাচারাল হিস্টরি মিউজিয়ামে প্রদর্শিত একটি মোয়াই। ইস্টার দ্বীপের আহু ও-পেপে অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করে আনা হয়েছে এটি।