ভূমিকাঃ সোনার সদম্ভ অস্তিত্ব না থাকলে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার রমনীকূলের মান-মর্যাদা-ইজ্জত-আভিজাত্য-সম্ভ্রম-শখ-সুখ-আহ্লাদ-আবেগ-অনুরাগ-আবদার-অধিকার লাটে উঠত বৈ কি!
সজ্ঞাঃ আলোচ্য ‘সোনা’ একটি মূল্যবান ধাতু যা মোটা-চিকন-মিডিয়াম-সূক্ষ্ন-স্থূল ইত্যাদি বিবিধ আকারের ও ডিজাইনের অলঙ্কার নির্মাণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়, যা কিনা নারীর শরীর ও মনের সাথে, দাপটের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত আবহমানকাল ধরে।
উপযোগিতাঃ (১) বিবাহিত জীবনের বিভিন্ন স্মরনীয় দিনক্ষনগুলোতে ‘প্রিতী-উপহার’ হিসেবে সাধারণতঃ সাড়ম্বরে স্ত্রীকে সোনা-treat দেয়া স্বামীকুলের অপরিহার্য্য দাম্পত্য কর্তব্য; এর অন্যথা হলে মহাভারত অশুদ্ধ তো হবেই, ঘরে চুলা জ্বলবে না অনির্দিষ্টকালের জন্য। তাছাড়া, জন্মক্ষন, মুখে-ভাত, নাক-কান ফোঁড়ানো, পঞ্চম/অষ্টম শ্রেণীর বৃত্তি প্রাপ্তি, এস.এস.সি-র বাঘা রেজাল্ট (বিশেষত যে ক্ষেত্রে পত্রিকায় নাম-ধাম-বাপের নাম প্রকাশিত হয়), উচ্চশিক্ষার্থে বিদেশ গমন, শুভবিবাহ ইত্যাদি উপলক্ষ্যে উপহার হিসেবে সোনার গয়নার ব্যাপক এবং একচেটিয়া জমজমাট চাহিদা দেখা যায়। দেশ বিদেশের রূপকথা-ছড়া-গল্প-উপন্যাস, মনীষিদের জীবনি সম্বলিত ঢাউস এক ব্যাগ বই কিনে দেয়া বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত কোথাও ভ্রমনে নিয়ে যাওয়া…শিশু কিশোরীদেরকে দেবার জন্য এসব উপহারের চল তল্লাটছাড়া হয়েছে সোনার গয়নার মার্-মার্-কাট্-কাট্ চাহিদার কারণে।
(২) এই প্রেস্টিজিয়াস মহার্ঘ্য প্রাপ্তিতে পুত্র সন্তানকে বঞ্চিত করা জেন্ডার ডিসক্রিমিনেশানের নির্লজ্জ উদাহরন হবে; তাই পুরনো ঢাকায় শিশুর 'সুন্নতে-খাৎনা' উৎসবের উপহার হিসেবে সোনার চেইন ও আংটির খাতির সর্বজনবিদিত। বিবাহপ্রথার অবিচ্ছেদ্য একটি আচার হলো, প্রকাশ্যে ঢাকঢোল ঝাঁঝোর বাজিয়ে জামাইয়ের গর্দানে, কব্জীতে ও আঙ্গুলে চেইন, সোনার ঘড়ি, এবং একগাদা সোনার আংটি ভিডিও ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে মুরুব্বীরা ঠেসে ঠেসে পরিয়ে দেবেন।
(৩) রাজনীতিতেও সোনার কদর অতুলনীয়। শুভেচ্ছা, সৌহার্দ ও লৌকিকতার প্রতীক হিসেবে সোনার নৌকা, সোনার ধানের শীষ, সোনার লাঙ্গল, সোনার দাড়িপাল্লা হরহামেশা জ্ঞানীগুনী ব্যক্তিবর্গকে আদান-প্রদান করতে দেখা যায় সাড়ম্বরে।
স্ট্যাটাস-সিম্বল হিসেবে ঢোল-করতাল-মন্দিরা সহযোগে মহিমান্বিত সোনা-কীর্তন গাইতে বসলে এক হাজার এক রজনী চোখের পলকে পেরিয়ে যাবে। বিকৃত মস্তিষ্ক কেউ কেউ অবশ্য এই স্ট্যাটাসের খ্যাতা পোড়ায় সগৌরবে কী এক ব্যাখ্যাতীত কারণে।
কেইস স্টাডিঃ আমার বিয়ের কিছুদিন আগে শ্রদ্ধেয় হবু-ভাবীরা এবং সমবয়সী হবু-ননদ আমাকে নিয়ে বিয়ের শপিং-এ বেরুল; এটাই নাকি আধুনিক নিয়ম। কস্মেটিকস্ পছন্দ করতে বলায় ঘাড় ত্যাড়া করে অস্বিকৃতি জানিয়েছি, “ওসব রঙের ডিব্বা আমার আছে, খামোখা আবার একগাদা নেব কেন?”... তারা অবাক হয়ে কিঞ্চিত চাপাচাপি করে, অবশেষে হাল ছেড়ে দিয়ে শাড়ী পছন্দ করতে বলে। জানালাম, “আমার মা অলরেডী দুইটা ঝিকিমিকি শাড়ী কিনে রেখেছেন বিয়ে উপলক্ষ্যে। আর লাগবে না”। তাদের জোর জবরদোস্তিতে কিছুতেই কাজ হলোনা। (আমাকে দুইটা বেগুনী রঙের জামদানী শাড়ী কিনে দেবার কথা তারা মুখেও আনলেন না)। ব্যাজার মুখে তিন ঘন্টা জ্যাম ডিঙ্গিয়ে আরেক মার্কেটে নিয়ে গেলেন গয়না পছন্দ করাতে। আক্কেল গুড়ুম আমি আকাশ থেকে ধপাস করে পড়লাম, “আজাইরা জবরজং গয়না কিনে ঐটার ওপর বসে বসে তা দেয়ার মানে হয়?! তাছাড়া আম্মু আমাকে এক সেট দিয়েছে তো!” ত্যক্ত বিরক্ত হবু-ননদ “আমার দিনটাই মাটি হলো আপ্নের মত ঘাউড়া বৌয়ের জন্য কেনাকাটা করতে এসে!” বলে হনহনিয়ে চলে গেল।
ঘটনা শুনে আমার মায়ের বুকফাটা আর্তনাদ, “গাধি!” দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ফোন করে উত্তেজিত খালাদের সক্রোধে মাতম, “বেকুব!” বিবাহিতা দুই বাচ্চার মা বান্ধবীটা দাঁত কিড়মিড়িয়ে চীৎকার করে বলেছে, “ঢঙ! মাইরা তরে গাঙ্গের পানিতে ভাসায়া দেয়া উচিত!”…এ্যাকাউন্টিং পড়ুয়া স্মার্ট ছোটবোনটা বইয়ের পাতা থেকে চোখ না তুলেই রায় দিল, “ইডিয়েট ক্রিয়েচার কোথাকার!”
শুনতে পেলাম শশুড় বাড়িতেও হুলস্থুল পড়ে গেছে এই বৈপ্লবিক ঘটনায়! খান বাড়ির ইতিহাসে নাকি এমন উড়াধুড়া কান্ড ইহকালে ঘটেনি। ঐ রাতেই হেড অফ দ্য ফ্যাকাল্টি অফ শশুড়বাড়ি মানে হবু-শাশুড়ী তলব করলেন; পড়িমড়ি করে ওবাড়িতে ঢুকতেই আমাকে দেখতে, তামশা দেখতে দুনিয়ার ভীড় জমে গেল! চারপাশের উৎসুক জনতার ভনভন থেকে হিড়হিড় করে টেনে নিয়ে দরজায় খিল এঁটে উনি মুখমুখি বসলেন। পান সাজিয়ে নিজে একটা মুখে পুরলেন, আমাকে একটা দিলেন। জিন্স-টিশার্ট ছেড়ে শালোয়ার-কামিজ পরার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে উনি কিছুক্ষন সুচিন্তিত মুল্যবান মতামত ব্যক্ত করলেন। এরপর…পান চিবানোর গতি কমিয়ে, চোখ সরু করে এ্যাটম বম্ব ছাড়লেন, “গয়না, বিয়ার শাড়ী নাও নাই যে! হয় তুমি অতি গর্ধব, নাইলে অতি চালাক। আমারে বলবা আসলে তুমি কোনটা?”… পাশে রাখা খান্দানী ডিজাইনের নকশাকাটা সিলভারের চিলুমচিতে পিচিক করে পানের পিক ফেলে, ডান চোখ টিপে হেসে বললাম, “তোমার কি মনে হয়?”…সেদিন ঐরকম পরহেজগার, নুরানী চেহারার বয়োবৃদ্ধ ভদ্রমহিলার চোখে এই পাপী-তাপী-বিখাউজ আমার জন্য জন্য যে এক চিলতে বিরল শ্রদ্ধা দেখেছিলাম, তা নিচের ফটোর ইন্ডিয়ান বৌটার সব অলঙ্কারের চেয়েও লক্ষগুন দামী।

মনস্তাত্বিক বিশ্লেষনঃ নতুন-বৌ বাপের বাড়ি থেকে কয় ভরি সোনা নিয়ে আসছে, এটা যেমন শ্বশুড় বাড়ির প্রধান আলোচ্য বিষয়, তেমনি জামাই তার বৌকে কয় মণ সোনা দিল, এটাও মেয়ের সখী ও আত্মীয় মহলের আলোচনার হট টপিক। বিয়ের পর নতুন বউ গা ভর্তী গয়না পরে এখানে ওখানে দাওয়াতে যাবে, গয়নার দাপটে অন্যদের চোখ ঝলসে ছারখার করে দেবে, বান্ধবীদেরকে লাজুক হেসে, সিন্দুক খুলে গয়নার সম্ভার দেখিয়ে প্রমাণ করবে সে কত্ত স্বামী-সোহাগী! আর কী ভীষন বড় ঘরে তার বিয়ে হয়েছে! তার স্ট্যাটাস চাক্ষুষ দেখে বিন্ধবীরা, পড়শীরা হিংসায় ফোঁস ফোঁস করবে!...
উপসংহারঃ এসব ফোঁসফোঁসানী থেকে, ঝা চকচকে আসবাবপত্র, লোকদেখান বাহারী ক্রিস্টালের ডিনার সেট, হাউকাউ দামী জামাকাপড়, ছয় অঙ্কের স্যালারী থেকে একশ হস্ত দূরে থাকার অভ্যাস রপ্ত করতে গিয়ে, আশঙ্কাজনক হারে মাথার চুল পাকিয়ে জানতে পেরেছি, আমার ফকিন্নী লাইফস্টাইলে প্রিয়জনেরা এম্ব্যারাসড্! দুনিয়াদারীর অনর্থক জৌলুশ থেকে মুক্ত থেকে নির্মোহ জীবন যাপনের চর্চা করতে গিয়ে, স্ট্যাটাস দেখানোর ইঁদুর-দৌড় থেকে ইস্তফা দিতেই লক্ষ্য করেছি, আমি বাকি সবার তুলনায় বড় বেশি আনস্মার্টলী খাপছাড়া।
সোনার হার নাকি সমুদ্রে দুই দিন…আমি সমুদ্রকেই বেছে নেব আজীবন। আদিখ্যেতায় ভরা ফুটানীবাজ কদর্য্য সমাজ থেকে পালিয়ে পাহাড়ে গিয়ে ঘুরে বেড়াতেই আমার ভাল লাগে। ঘরে বাইরে এরমকম ‘বেকুব’ খেতাব পেতেই আমার ভাল লাগে। জগত সংসারের নিয়ম-নীতি চূরমার করে আগামী বছরগুলোতেও আমি ঠিক এরকমই ‘আখাউড়া’ থাকব, ‘গবেট’ থাকব। এটাই আমার নিউ ইয়ার’স্ রেজোল্যুশন।
মন্তব্য
লেখা ভালৈছে, নীতি বানান ভুলৈছে মনে হইতাছে
আমি পেত্থম মনে হয়, টাগডুম টাগডুম!!
______________
আমার নামের মধ্যে ১৩
বানান ঠিক করা বা অন্য কোন মাইনর এডিট করতে গেলে প্যারাগুলো লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে কেন জানি
মন্তব্য শুনে অনেক হাসিখুশি হলাম
ফকিন্নী স্টাইল রকস্ !!!!
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
ও মা, কি কয় ! তোমার আম্মি শুনলে গড়াগড়ি দিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে দেবেন তো !
কানবে না। আসেন আমরা ফকিন্নী স্টাইলের কম্পিটিশন দেই।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
কম্পিটিশন দেয়া আমাদের ফকিন্নীদের শোভা পায় না রে পাগলী
বরং সোনা-প্রিয় রমণীরা একে অন্যের সাথে কম্পিট করুক 
ধুর আপ্নেরে দিয়া কিচ্ছু হবে না! আমার এক আত্মীয়া কইছিলেন, "পুত্রশোক সহ্য করা যায়, গয়নার শোক যায় না"। সোনা হইলো বিপদের বন্ধু, দাম খালি বাড়ে। বিপদে কাজে লাগে...
আপ্নের তারছিঁড়া ভাব ভাল লাগ্লো...কী আছে জীবনে! চালায়া যান...
২০০ তোলা সোনার কাহিনীটা বুঝি নাই!
ছবিটা মনে হয় জাভেদ মিঁয়াদাদের পোলার...মাইয়া আরবের ড্রাগ লর্ডের বইলা শুঞ্ছিলাম।
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
মাফিয়া ড্রাগ ডিলার দাউদ ইব্রাহিমের সুকন্যা!
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
হ, পোলাটা একদম "সোনায় সোহাগা"
...এইরাম বিয়া না করতারলে পুরুষ জনম বৃথা
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
স্বপ্নহারা ভাইসাহেব, এই লিঙ্কটায় গিয়া দেখেন সোনার কদর
http://www.thehindu.com/news/international/article2293016.ece
হ্যাঁ দেখলাম। এত সোনার দরকার ছিল না, সেটা ঠিক। স্মারক কিছু দিলেই হতো...
কিন্তু এই সম্মানটা এতদিন পর দেয়ার জন্য আমাদের নিজেদের লজ্জিত হওয়া উচিত। ভারত আমাদের শত্রু কিন্তু ইন্দিরা গান্ধীর কাছে বাংলাদেশ অনেক অনেক ঋণী...এই একটা মহিলা বাংলাদেশের জন্য যা করেছেন (যতই স্বার্থ থাক), সেটা কৃতজ্ঞতা জানানো উচিত।
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
জ্বি
লেখা ভালো হয়েছে, তবে বেশ কিছু বানান ভুল চোখে পড়েছে।
ধন্যবাদ। বানানের ব্যাপারে আরও সচেতন হব, কথা দিলাম
১. বিবাহিত জীবনের বিভিন্ন স্মরনীয় দিনক্ষনগুলোতে ‘প্রিতী-উপহার’ হিসেবে সাড়ম্বরে স্ত্রীকে সোনা-treat দেয়া স্বামীকুলের অপরিহার্য্য দাম্পত্য কর্তব্য; এর অন্যথা হলে মহাভারত অশুদ্ধ তো হবেই, ঘরে চুলা জ্বলবে না অনির্দিষ্টকালের জন্য। --- আপনার এই বাক্য অতিসাধারণীকরণের দোষে দুষ্ট। আপনার লেখাটা হালকা চালের মানলাম। কিন্তু জেনারেলাইজেশন লেখার মানের উৎকর্ষ বাড়ায় না।
২. মুসলমানি বা circumcision কে নুনুকাটা বলাটা অপ্রয়োজনীয়, অশালীন ও স্থূল মনে হইল।
৩.রাষ্ট্রীয় পর্য্যায়েও সোনার কদর অতুলনীয় .... ------ এই প্যারায় প্রথমেই একটা তথ্যবিকৃতি ঘটছে। মেডেলটা সোনিয়া গান্ধীকে দেয়া হয় নাই। এছাড়া ইন্দিরা গান্ধীকে সম্মান প্রদর্শনে কী অস্বাভাবিকতা দেখলেন? ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করতে গিয়া সাধারণ কৃতজ্ঞতাবোধ হারায়া ফেলাটা তো জরুরি না। খেয়াল করেন, আপনি কিন্তু নিছকই সোনা দিয়া সম্মাননার বিরোধিতা/সমালোচনা করতেছেন না। সুতারং শুধু সোনাতেই আপনার আপত্তি সীমিত না।
আপনার আপত্তি জানানর প্রক্রিয়াটা আমার কাছে প্রাপ্তমনষ্ক লাগে নাই। আপনি কতগুলা স্টক রেফারেন্স পুনর্বয়ান করছেন। তিন বিঘা করিডোরের কথা লিখছেন। তিনবিঘার নিয়ন্ত্রণ তিনমাসেরও বেশি হইল বাংলাদেশ সরকারের অধিকারে (লিজ হইলেও)। সুতরাং আপনার দেয়া তালিকায় এইটা পুরাপুরি খাপ খায় না। দক্ষিণ তালপট্টি সম্ভবত পানির তলায় এখন। এই তালপট্টির প্রতি শুধুই চরদখলি আকাঙ্ক্ষা এক প্রকারের 'গ্রাম্যতা' মনে করি। বরং, বঙ্গোপসাগরের তেলগ্যাস খনিজ সম্পদ নিয়া ভারতের দখলদারি মনোভাবের বিষয়টা আপনার তালিকায় আসতে পারত। আসে নাই যখন, কেউ ভাবতেই পারে আপনি 'আপাতত' কতগুলা শব্দ ঢুকায়া পাঠককে বিনোদিত করতে চান। আমি বিনোদিত হইতে পারলাম না। কারণ বিষয়গুলা এত হালকা না ।
এক বাক্যে এত বিচিত্র প্রসঙ্গ ঠেসে ধরতে গিয়া আপনি আসলে একটা সামগ্রিক নিরর্থকতা তৈরি করছেন। এই ধরণের নিরর্থকতার দুইটা সমস্যা আছে: (ক) ভারতীয় আধিপত্যবিরোধী সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক-সামাজিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগ্রাম এই প্রবণতায় অবমূ্ল্যায়িত হয়। (খ) আপনি অসমঞ্জস উদাহরণ প্রয়োগ করে যেই ধরণের লঘুতার প্রকাশ ঘটাইলেন, সেই ধরণের লঘুতার মাধ্যমেই কিন্তু 'সাম্প্রদায়িক' ভারতবিরোধীরা, ভারতের আধিপত্যবাদবিরোধী অসাম্প্রদায়িক আন্দোলনগুলার ভিতরে ঘাপটি মেরে থাকে এবং ঐ আন্দোলনগুলাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
এর পরের বাক্যটাও একই ধরণের লঘুতার আরেকটা উদাহরণ। একই বাক্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের নির্বাচনী প্রতীক তালিকাবদ্ধ করা জামায়তকে একধরণের সমীকরণে ঠাঁই দেয়া হয়। দেখেন, আওয়ামী লীগ বিএনপি খারাপ হইতে পারে। কিন্তু জামায়ত অন্য জিনিস। তাদের কিছু কিছু অভ্যাস (যেমন নির্বাচনী প্রতীকের স্বর্ণের রেপ্লিকা বিতরণ) তাদের হয়ত অন্য পলিটিকাল পার্টিগুলার সাথে মিলায়া/গুলায়া ফেলতে সাহায্য করে। কিন্তু জামায়তের মূল খায়েশটাও তাই, এইটা খেয়াল রাখলে ভাল।
রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
সহমত। তাছাড়া সমীকরণে সোনার লাঙলের অনুপস্থিতিও কেমন কেমন যেন লাগলো। গাবতলির পাণ্ডা হিসেবে মিরপুরের খালেক সোনার লাঙল উপহার দিয়ে এরশাদের প্রীতিভাজন হয়ে পরিবহন ব্যবসায় প্রক্সি দেয়া শুরু করেছিলো বলে প্রবল জনশ্রুতি আছে। ঐ আমলে সোনার লাঙল নাকি আকচার চালাচালি হতো।
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
এরশাদের আছে। লাগে না।
রাষ্ট্রায়াত্ত শিল্পের পূর্ণ বিকাশ ঘটুক
হিমু সাহেব,
লিস্টি থেকে সোনার লাঙল বাদ পড়তেই পারে, মানুষের ভুল হতেই পারে, কারণ Man is mortal.
জাকের পার্টির গোলাপ ফুল আর হাফেজী হুজুরের বটগাছ কেনো বাদ পড়লো তাইলে? অই, আমিনীর মার্কাটা কীরে?
ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্মকাণ্ড । বিএসএফ ক্রনিক্যালস ব্লগ
গবেষনাপত্র লিখতে বসলে একটাও মার্কা-মুর্কা লিস্টি থেকে বাদ দিতাম না।
তবে এইটা একটা ব্লগরব্লগর মাত্র, তাই অনেক কিছুই বাদ পড়ে গেছে। ভুলত্রুটি মার্জনা হয়
জ্বি জ্বি
ছয় অঙ্কের স্যালারির দিল্লী বেশি দূরে নাই মনে হচ্ছে।
অনিন্দ্য রহমান
১) আলবৎ
২) ওক্কে
৩) সহমত
এত নিষ্ঠুর কথা মানুষ বলে কেম্নে? বুকটা বিদীর্ণ হয়ে গেল
তবে সময় নিয়ে পড়েছেন, সুচিন্তিত মতামত ব্যক্ত করেছেন বলে অশেষ ধন্যবাদ।
এড়িয়ে গেলেন কিনা বুঝার চেষ্টা করছি।
ব্যাপারগুলো কিন্তু এত্ত সহজ নয়।
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
অনিন্দ্যের যুক্তিগুলো অকাট্য এবং গঠনমূলোক বলেই হাসিমুখে গ্রহন করেছি। এড়িয়ে যাইনি তো
জ্বি হাঁ, জনাব
ছবির এরা কারা? এত লম্বা সোনার জিনিস নিয়ে দাড়ায়া আছে কিভাবে?
মিঁয়াদাদ জুনিয়র এন্ড প্রিন্সেস দাউদ ইব্রাহিম...
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
দাউদ ইব্রাহিম সারাজীবন মমতা কুলকার্নী সহ বিভিন্ন বলিউড নায়িকাদের সাহচর্যে থাইকা এইডা পয়দা করলো ক্যামনে?
মনে হয় বেশী বেশী সান টিভি দ্যাখে
চমৎকার এর পরে আর কিছু বলার থাকে না।
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
'ঘাউড়ামী' লেখার স্টাইল আগে থেইকাই ভালো পাই, 'উড়াধুড়া' এসব লেখা চলুক, আদিখ্যেতাপূর্ণ আজাইরা লোককালচার গদাম খেয়ে যাক আজীবন আপনার লেখায়, শুভ কামনা
তবে হিউমারের একটা ট্র্যাজেডি কী, জিনিশটা সিরিয়াস ইস্যুতে ঢুকে পড়লে বড়ই নির্মম হিশেবে ধরা দেয় আমার মতো সাধারণের কাছে, এ ব্যাপারটা বিবেচনায় রাখলে বড়ই মজা হবে সামনে।
পরামর্শ সাদরে গৃহীত হলো, দিগন্ত
অনেক ধন্যবাদ লেখাটি পড়েছেন বলে 
কোন আমলের কথা বলছেন? যে আমলে গল্পের নায়িকারা স্বামীর ঋণ পরিশোধের জন্য গহনা দিতে হবে বলে সব গায়ে পরে পালিয়ে যায় ? ঢাকাইয়াদের সামাজিক রীতিনীতি কারো চোখে লাগার কোন কারণ আছে বলে মনে করিনা। আপনার বিয়ের জন্য কেনাকাটা করতে যেয়ে সব আপনার আছে বলে নেননি, খুব ভাল কথা। আপনার কিছু দরকার নাই যখন শপিংএ যাওয়ারও কোন দরকার ছিলো না, তাই না? শপিং এ যেয়ে তারপর আমার এটা আছে, আমাকে ওটা দেয়া হয়েছে সুতরাং আপনাদের থেকে নিবো না, এই ধরণের ব্যবহার অভদ্রতা বলেই মনে করা হয়।
আবার আইছেন
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
"আবার আইছেন" মানে? এখানে কে কোথায় আসবে সেটা কি আপনার চিন্তার বিষয় ?
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
তাপস, বিয়ের শপিং-এ জবরজং ইন্ডিয়ান শাড়ীর বদলে আমাকে যদি দুইটা বেগুনী রঙের জামদানী শাড়ী অফার করত ওরা, তাহলে আর 'না' বলতাম না
আমি শুধু বলতে চেয়েছি যে, সব মেয়েই ঝিকিমিকি শাড়ী আর সোনাদানা দেখলেই ফাল দিয়ে উঠে না

তবে কেউ যদি সে কারণে আমাকে অভদ্র বলে অপার সুখ পায়, ওর সেই সুখে তুমি পানি ঢেলো না
হ। ঠিক্কতা
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
==========================
আবার তোরা মানুষ হ!
পল্লব হাসে কেন?
তাপসদার মন্তব্যে। যদিও মন্তব্যটা উচিত না, কিন্তু মনে মনে আমিও একই মন্তব্য করতেসিলাম, তাপসদা খালি আমার মত "ভদ্র" না হয়ে লেখেই দিলেন
==========================
আবার তোরা মানুষ হ!
কালো কাক, এই লেখার কোনো অংশই ভালো লাগেনি? শুধু আমার 'অভদ্রতাটাই' চোখে পড়ল? সমালোচনার পাশাপাশি একটা দুইটা প্রশংসা করলে ভাল লাগে
না ম্যাডাম জাতে ওঠা এত সহজ না। আপনার লেখার এই অংশটির সুরটাও ভালো লাগলো না। ভারত আমাদের প্রতি প্রচুর অবিচার করে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধে ইন্দিরা গান্ধীর ঋন শোধ করার মতো স্বর্ন বাংলাদেশের স্টকে নেই।
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?
পত্রিকায় পড়েছিলাম, জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে ইন্দিরা গান্ধীর কাছে দূত পাঠিয়েছিলেন। সেই দূত জিয়ার পক্ষ থেকে ইন্দিরার জন্য ব্যক্তিগত উপহার হিসেবে এক বাক্স মুক্তা নিয়ে গিয়েছিলো। মুজিবকে হত্যার জন্য ইন্দিরা অনেক ভর্ৎসনা করলেও মুক্তার বাক্সটা গ্রহণ করেছিলেন। যদি সোনাদানা গিফট দিয়ে জাতে ওঠা যায়, তাহলে মনে হয় পঁচাত্তরেই আমরা জাতে উঠে গিয়েছিলাম।
আনিসুলপনা | বরাহশিকার ♪♫ | কালাইডোস্কোপ
নীড় সন্ধানী,
লেখার যে 'অংশটির সুরটাও ভালো লাগলো না'...তা শেয়ার করেছেন, ধন্যবাদ। যে অংশটির সুর ভালো লেগেছে, তা কি কষ্ট করে জানাবেন, প্লীজ?
না জানালেও ক্ষতি নেই। শুভেচ্ছা
আপনার নিকের মতো আপনার লেখাতেও সবসময় একটা উচ্ছ্বাস থাকে। তবে এই লেখাটায় অতি উচ্ছ্বাসের কারণে আসল বক্তব্যটা অগোছালো হয়ে গেছে। যেসব নারীরা আলগা সাজগোজ অলংকার ইত্যাদির প্রতি মোহগ্রস্থ নয়, তাদের আমি সাধারণের চেয়ে একটু বেশী শ্রদ্ধা করি। যদি আরেকটু গুছিয়ে লিখতেন এই লেখাটা অসাধারণ হতে পারতো। এখন বেশীরভাগ প্যারাই অতিসরলীকরণ মনে হয়েছে। ব্যক্তিগত বিষয়ে লিখতে গেলে খানিকটা আত্মপ্রচার চলে আসে, আমি নিজেও সেই দোষে দুষ্ট। তবে এটা কাটিয়ে ওঠা লেখক সত্ত্বার জন্য জরুরী। হাত খুলে লিখতে থাকুন, ভালো থাকুন।
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.--.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.
সকল লোকের মাঝে বসে, আমার নিজের মুদ্রাদোষে
আমি একা হতেছি আলাদা? আমার চোখেই শুধু ধাঁধা?
অনেক ধন্যবাদ সুচিন্তিতি পরামর্শের জন্য। আমার ছেলেমানুষি অনুরোধটি রেখেছেন বলেও ধন্যবাদ
সাহস করে এরকম সোনাময় পোস্ট দেওয়ার জন্য আপ্নের হাতখানা সোনা দিয়ে বাধিয়ে নেয়া দরকার।
এহ্...
অনেক ধন্যবাদ, রাসেল
পড়লাম, মন্তব্যগুলোও। কন্টেন্টের বিষয়ে একটু সাবধান হওয়া আবশ্যক। সমালোচনা যত এড়ানো যায় ততই মঙ্গল।
বিষয় নির্বাচন ভাল লেগেছে।
সমালোচনা এড়িয়ে গেলেই সমাধান আসে কি ? কিছু জায়গায় কাউকে কাউকে সেই ভার নিতেই হয়। লেখিকা যদি মনে করেন ধার সহ্য করার ক্ষমতা ওনার আছে, তাহলে বিতর্কিত বিষয় নিয়ে লিখতেই পারেন। সেটা ওনার অভিরুচি।
উচ্ছলার বিষয় নির্বাচন বরাবরই ভালো, লেখাও ।
----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি
______________
আমার নামের মধ্যে ১৩
আশালতা, মন ভরিয়ে দেবার মত মন্তব্য করার জন্য অশেষ ধন্যবাদ
ধার সহ্য করার ক্ষমতা আছে, মাশাল্লাহ, চিন্তা মাত করো
লতাজি, আমি বলতে চেয়েছি, যে বিষয়টি উল্লেখের কারনে তিনি সমালোচিত হয়েছেন, এই লেখাটার জন্য সে বিষয়টি আবশ্যক ছিলনা। উনি কিন্তু লেখাটির মূল বিষয়বস্তুর জন্য সমালোচিত হননি।
আর, যে কোন বিষয় নিয়ে লেখার স্বাধীনতাতো সবারই আছে।
প্রৌঢ় ভাবনা,
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
একটু আধটু সমালোচনা না হলে শিখব কি করে?...জানব কি করে?...গঠনমূলোক সমাওচনা পরস্পরকে চিনতে সহায়তা করে; তবে আপনার পরামর্শ মনে থাকবে
যে বিষয়ের উল্লেখের কারনে সমালোচিত হয়েছেন, এই লেখাটার জন্য সেটার উল্লেখ আবশ্যক ছিলনা। একটু সাবধান হলেই তা এড়াতে পারতেন, এটাই বলতে চেয়েছি। লেখার প্রয়োজনে যে বিষয়গুলোর উল্লেখ আবশ্যক তার কারনে সমালোচনা হলে অবশ্যই তার উত্তর দেবেন। সে ক্ষেত্রে পাশেই থাকবো।
----------------
স্বপ্ন হোক শক্তি
উচ্ছলা দেবী, বরাবরের মতই লেখা ঝাক্কাস, কিন্তু বেয়াদবি না নিলে একটু বিরোধিতা করব।
সোনা যার রাসায়নিক নাম Aurum, Au দিয়ে প্রকাশ করা হয়। অত্যন্ত উচ্চ গলনাঙ্ক (১০৬৪.১৮ °C) এবং স্ফুটনাংক (২৮৫৬ °C) এবং আরো কিছু রাসায়নিক গুনাবলীর কারণে অন্যান্য ধাতুর চেয়ে এর অন্য উপাদানের সাথে বিক্রিয়া করার ক্ষমতা কম তাই অকৃত্রিম থেকে যায়, যার কারনে ঐতিহাসিক ভাবে এর মূল্য অনেক বেশী। প্রাচীন বড় বড় সভ্যতায় ও এর প্রমান পাওয়া যায়।
আমার কাছে সোনার অর্থ অনেক দিন পর্যন্ত তাই ছিল। এখন একটা নব বিবাহিত দম্পতির গল্প বলি, যারা জীবনটা শুরু করেছিল মাত্র। আপনার মত বউটার ও গহনার প্রতি তেমন আকর্ষণ ছিল না মোটেও। কিন্তু প্রচুর সোনা পায় সে পাত্র পক্ষ, পাত্রী পক্ষ, উপহার সব মিলিয়ে। কিছুদিন পর স্বামী টা ক্যান্সার আক্রান্ত হয়। নববিবাহিতদের আর কি সঞ্চয় থাকে এই ভয়ানক রোগের সাথে যুদ্ধ করতে? খরচটা চালানো হয় সেই সোনা বিক্রি করে। নতুন কোন দম্পতি বা জন্মক্ষন, আরো অন্যান্য উৎসবে সোনা দেয়ার হয় কিন্তু এই কারনেই, সোনার দর কিন্তু কমে না, বেঁড়েই চলে। শুধু স্ট্যাটাস বাড়ানোর জন্য কিন্তু এই রিচুয়াল তৈরি হয়নি। মেয়েদের সোনার গহনা দেয়া হলেও সেটা আসলে দম্পতির জন্য সঞ্চয়। এখন বঊ তা কিভাবে নিবে সেটা তার উপর।
সহমত। আমিও আমার বিয়ের আগে সোনাকে স্ট্যাটাস বাড়ানোর একটা অজুহাত ছাড়া আরকিছু মনে করতাম না। কিন্তু বিগত ২/৩ বছরে সোনার অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি আমার ধারণাকে ভেঙে চুড়ে গুড়োগুড়ো করে দিয়েছে।
হাবাছেলে, জ্বি হাঁ
শাব্দিক, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। লেখা পড়েছেন বলে কৃতজ্ঞতা।
ম্যাডামজী...... জাস্ট ফাটাফাটি........................
ঐ মাইয়ার গলার মধ্যে এই পরিমাণ সোনাদানা দেখে আমার মাথামুথা আউলাইয়া গেলো
।
অনিন্দ্য দার কথা গুলো কিন্তু অনেক ভেবে দেখার মতো। আশা করি বুঝতেও পেরেছ। আসলে সেই প্যারাটার হয়তো কোন দরকারই ছিলনা এই লেখায়। এই বিষয় গুলি অনেক স্পর্শকাতর, তাইনা। শুধু বলতে পারি- ৭১ এ স্বাধীনতার সময় ভারতের যেমন অবদান ছিল, ঠিক তেমনি সেই সময় থেকে আজ অবধি বাংলাদেশের প্রতি ভারতের সব কাজ গুলিও ঠিক নয়। অনেক ক্ষেত্রে ভারত ছোট রাষ্ট্র ভেবে হেলাফেলা করেছে, এটা যেমন মেনে নেওয়া যায়না। ঠিক ভারত বাংলাদেশের 'শত্রু' এটাও মেনে নেওয়া যায়না , তাইনা ...
যাই হোক এই দিক গুলো একটু ভেবে দেখো। তারপর যে ভাবে বলছ, যা ভাবছ , - ঠিক এই ভাবেই ব্যাং ব্যাং চলতে থাকুক। অলওয়েজ
[আমার মিষ্টি কো ?? ]
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
সুন্দর বলেছ, তাপস
সবার সব পরামর্শই মাথা পেতে নিয়েছি
উৎসাহের জন্য ধন্যবাদ।
(বাসায় আইসো, মিষ্টি বানিয়ে খাওয়াবো)
হ। আমি মিষ্টি খাওয়ার লাইগা আম্রিকা যামু
। দেশে আইতে পারবানা 
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
মনের কথা বলেছেন এক্কেবারে।
এত বানানপ্রমাদ, চোখ আটকে যায় বারবার!
গোল্ডেন প্রিন্সেসের শেকলবাকল দেখে গা কিটকিট করছে।
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
বানানের দিকে আর কঠোর দৃষ্টি দেব, প্রমিস
সমালোচনা সর্বোত্তম সহায়। আপনার মত স্পিরিটেড মানুষ এই সমালোচনাগুলোকে ইতিবাচক ভাবে নিয়ে আরো অনেক লেখা দেবেন, এই প্রত্যাশা করতেই পারি, নাকি?
পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম কিন্তু
লেখা দেব, এই প্রত্যাশা একশোবার করতে পারেন
অনেক কিছু জেনেছি।
এই পোস্টের সকল সমালোচনাই ইতিবাচক...সন্দেহাতীতভাবে
লেখা ভালো পাইলাম
------------
'আমার হবে না, আমি বুঝে গেছি, আমি সত্যি মূর্খ, আকাঠ !
সচ্চরিত্র ফুল আমি যত বাগানের মোড়ে লিখতে যাই, দেখি
আমার কলম খুলে পড়ে যায় বিষ পিঁপড়ে, বিষের পুতুল !'
আমি কিন্তু স্বর্ণ নিয়ে এত বাড়াবাড়ির কিছুই বুঝি না। কেন যে লোকে সোনার দলা পরে ঘুরে বেড়ায়? অবশ্য সোনার নম্নীয়তা বেশি বলে এর মধ্যে অনেক সুন্দর ও সূক্ষ্ণ নকশা করা যায়। এই শৈল্পিক দিকটা ছাড়া, স্বররণে এত গুরুত্ব কেন দেওয়া হয় আমি বুঝি না। গয়না গাটি ছাড়া তেমন উল্লেখযোগ্য ব্যবহার তো দেখি না। তার চেয়ে লোহা অনেক মূল্যবান একটি ্ধাতু। অনেক কাজেও লাগে।
আপনার কথাবার্তার ঢং আমার মত ক্যান?!

মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ হে রাজকণ্যে
আশ্চর্য, এই লেখাটা পড়তে পড়তে ঠিক এই কথাটাই আমি ভাবছিলাম। শুধু ঢং না, চিন্তা ভাবনাও।
আমরা আগের জন্মে জমজ-বোন নাইলে প্রাণ-সখী ছিলাম
চমৎকার লেখা!
সমালোচনায় বিব্রত হয়েন না, সব সমালোচনাই ভ্যালিড না।
****************************************

অনেক অনেক ধন্যবাদ
সমালোচনা আমাকে সম্বৃ্দ্ধ করে, বিব্রত করে না

আপনার শেষ বাক্যের শেষাংশে
অসাধারন!
একরাশ ধন্যবাদ
ছবির বউটা যেনতেন ইন্ডিয়ান বউ নয়। সে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন দাউদ ইব্রাহিমের মেয়ে আর বরটা পাকিস্তানের ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াদাদের ছেলে।
হ। দাউদ ইব্রাহিমের মাইয়ারে নত হৈয়া কূর্ণীশ
কেন?
ওই ম্যাডাম, দাউদ ইব্রাহিম কে তা জানো ??? ওর মেয়ে যে গয়না পড়ে রেখেছে তা কোন টাকায় বানানো জানো? ইটস রিয়েলি হরিবল... একটু খোঁজ নিয়ে দেখ, কে এই দাউদ ইব্রাহিম... ইন্টারপোল এর রিপোর্ট একটু দেখ। সব বুঝে যাবে... হি ইজ এ ব্লাডি টেটর... লক্ষ মানুষের রক্তে...
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
আমিও তো সেটাই বলতে চাইছিলাম। অত গয়না গায়ে চড়ানোর পয়সা আর রুচি তো আকাশ থেকে পড়ে না।
জ্বী। বুনোদি। ভুল বুঝবেন না। আসলে আমিও ম্যাডামজীকে ( উচ্ছলা) এই কথা গুলো বলতে চেয়েছিলাম।
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
গলায় এত শেকল বাকল নিয়েও ঘাড় সোজা করে দাঁড়ায় থাকতে পারছে, তাই।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
আমি ভাবতেছি মেরুদন্ড কেম্নে সোজা কইরা দাঁড়ায়া থাকে এরা
লেখাটা খুবই ভাল্লাগলো। যদিও বানানভুলগুলা বেশ চোখে লাগসে।
৩ নং পয়েন্টটা লেখার সময় মনে হয় চিন্তা করেননাই ব্যাপারটার এমন সিরিয়াস সমালোচনা আসবে। মনে হইসে, লেখার মূল বিষয়টাই কেবল মাথায় ছিল, হালকা সুরে ঐ ব্যাপারটা নিয়েই জোক করতে গেসিলেন। কিন্তু ব্যাপারটা একটু স্পর্শকাতর, বুঝলেনই তো
ঐটার খুব বেশি প্রয়োজন লেখাটায় ছিলও না।
অসাধারণ!!
আমারো অনেক শ্রদ্ধা পাইলেন।
আমারো মনে বিয়েতে বরকনে দুজনের মতের উপরে আর কারও কথা থাকা উচিত না। "আম্মু যা বলে, তাই হবে" বা "বাবার ইচ্ছা" বা "বাসায় ঐটা চাইসে", স্বার্থপর দেখালেও এই ব্যাপারগুলা প্রয়োজনে অগ্রাহ্য করার মত মানসিক শক্তি দুজনের থাকা উচিত, আর না থাকলেও তাদের থেকে আরো ম্যাচিউর সেই পরিবারসদস্যদের এটা বোঝা উচিত। আপনার এই মানসিক শক্তি আছে দেখে ভাল্লাগলো।
ছবির মেয়েটার ভারোত্তলনে নাম লেখানো উচিত। এইপরিমাণ ঘাড়ের জোর!! আর ছেলেটার জন্য তো "Score, dude!!"
==========================
আবার তোরা মানুষ হ!
অনেক ধন্যবাদ, পল্লব, পুরো ব্যাপারটি ঠিক ঠিক বুঝতে পেরেছেন বলে
আরেকবার ধন্যবাদ এজন্য যে অভিমানী না হয়ে, বিরক্ত না হয়ে, অল্প কথায় আপনি আপনার বক্তব্য তুলে ধরেছেন
দশটা ভুল সোৎসাহে ধরার সাথে সাথে ছোট্ট একটা ভালো কিছু বলে গেলে আমার মত নতুন লেখিয়েরা উৎসাহ পায়...আপনি এটা মনে রেখেছেন বলেও ধন্যবাদ জানবেন।
শুভকামনা আপনার জন্য।
==========================
আবার তোরা মানুষ হ!
যারপরনাই সহমত।
সোনা এখন যা দাম তাতে মনে হয় যারা বউয়ের সোনার গয়না ভাঙ্গিয়ে চিকিৎসাসেবা চান তাদের জন্য এটাই উৎকৃষ্ট সময়।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
আপনার এই নির্দোষ কথাটায় আমার হাসি পেল কেন?
কয়দিন পরে আর সোনার গয়না কেনা বিয়ের বাজেটে কুলাবে না। বরং ঐ টাকা দিয়ে মালা বানিয়ে গলায় ঝুলিয়ে দিতে হবে। আত্মীয় স্বজনের মাঝে যারা গয়না গাটি উপহার দিতেন, তারা এসে সেফটিপিন দিয়ে টাকার নোট ঐ মালায় আটকে দিয়ে আশীর্বাদ করে যাবেন।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
পাঠকের মতামত ও সমালোচনাকে শ্রদ্ধার সাথে গ্রহন করে স্বেছায়, সজ্ঞানে লেখাটি 'সম্পাদনা' করলাম
আপনার লেখার একটা নিজস্ব ঢং আছে যেটা হয়ত আপনার ব্যক্তিত্বের সাথে খাপ খায় (আন্দাজ)। এজন্য লেখাগুলো বেশ খোলামেলা, অকপট এং মজারু। অনেকটা এলেনের seriously, I am kidding ধরনের। লঘু চালে লিখতে গিয়ে কিছু সরলীকরণ তো হয়েছে, সত্যি বলতে উপরে অনিন্দ্যদার মত অতটা তলিয়ে আমি দেখি নাই, কিন্তু পরে এর গুরুত্বটা বুঝতে পারলাম। এটা ঠিক লেখার ত্রুটি না, বরং দেখার ত্রুটি। আপনার লেখাটা ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতেই এসেছে। এজন্য হয়ত কিছু কিছু বিষয়ে গভীরতা হারিয়েছে। রসিকতাতে এক্টু-আধটু সরলীকরণ থাকে, কিন্তু স্পর্শকাতর বিষয়ে এমন স্টেইটমেন্ট না হওয়াই ভাল।
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর করে বুঝিয়ে দেবার জন্য। মন ভরে গেল
পাঠকের মতামত ও সমালোচনা থেকে যেটুকু আমার কাছে গ্রহনযোগ্য মনে হয়েছে, সেটুকুর উপর ভিত্তি করে লেখাটি এডিট করে দিয়েছি ইতিমধ্যে
ঠিক, রসিকতা করতে গেলে সরলীকরণ করতে হয় প্রায়ই। আর 'স্পর্শকাতর' বিষয়েও (যেমন ধর্ম) রসিকতা জেনারেলাইজেশন এসব বুঝেশুনে করা হলে সেটা সমস্যার কিছু না। কথা হচ্ছে, সেটা সাবধানে করা দরকার, যাতে ভুল ইঙ্গিত না যায়।
অ্যাঁ, সোনার দাম কতো?
যাউক, বিয়া করবাম না, সিদ্ধান্ত পাক্কা।
_____________________________________________________________________
বরং দ্বিমত হও, আস্থা রাখো দ্বিতীয় বিদ্যায়।
সোনা-বিমুখ, বই-পোক কাউকে খুঁজে বিয়ে কর
আমার খুব ভাল লেগেছে। শিক্ষিত করার মতো পোস্ট। অনেক শ্রদ্ধা জাগলো শেষের প্যারা দুটো পড়ে। ব্যক্তিগত জীবনে এমন চিন্তা চেতনার মানুষ খুব কম দেখেছি।
একটু অফটপিক শোনাবে হয়ত; কোথাও পড়েছিলাম কোরিয়ায় (খুব সম্ভবত দ: কোরিয়ায়) অর্থনৈতিক recession দেখা দিলে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয় Central Bank এ স্বর্ণ donate করতে (বা এই জাতীয় কিছু)। তখন নাকি কোরিয়ার নারীরা দল বেঁধে নিজেদের গয়না খুলে জমা দিয়ে এসেছিল দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে। ঘটনাটা পুরো মনে নেই। কারো জানা থাকলে শেয়ার করলে ভাল হয়।
অনেক ধন্যবাদ, তৌফিক, এত সুন্দর একটা মন্তব্যের জন্য
যে ঘটনার কথা উল্লেখ করলেন, গুগল করতে হবে তো; দারুন ইন্টারেস্টিং!
আলোচনা সমালোচনা মিলিয়ে দারুণ পোস্ট। লেখা বরাবরের মতই আপনার সিগ্নেচার স্টাইলে। সত্যি কথা বলতে কি স্টাইলটা মাঝে মাঝে একটু বিরক্তি উদ্রেক করে বটে (আমার ব্যক্তিগত মতামত, আক্রমণ হিসাবে নিয়েন না) , কিন্তু স্টাইলটা মনে হয় আপনার সাথে যায়। আপনার ব্যক্তিত্বকে যতটুকু চেনা, সেটা আপনার লেখা থেকে। সেজন্যেই বলছি আরকি। আর আপনার সমালোচনা গ্রহণ করার পজিটিভ অ্যাটিচুডকে স্যালুট।
_________________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই
_________________________________
।। রিসার্চ ইন্টারফেস ।।
তো আপনি ভেবেছিলেন আমি আপা-ম্যাডাম গোত্রের যারা ঘাড় ব্যাকা করে গোঁ ধরে বসে থাকে; কোনো সমালোচনা, উপদেশ যাদের কানে পৌঁছায় না !
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অশেষ ধন্যবাদ
লেখাটা আবারও পড়লাম। ইতোমধ্যে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে, সে কারনে আমার আগের মন্তব্যটিও অবান্তর।
বিষয় নির্বাচনে চমক আছে এবং বিষয়বস্তুও যথেষ্ট আকর্ষক।
ভাল লেগেছে। ভাল থাকুন।
উরি আল্লাহ্ ! আপনি আবার পড়েছেন! আবার কষ্ট করে মন্তব্য দিয়ে আমাকে উৎসাহিত করতে এসেছেন!!
আপনার মত একনিষ্ঠ পাঠক পাওয়া ভাগ্যের ব্যাপার।
আপনাকে অজস্র ধন্যবাদ। এবং আপনার সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামণা করছি।
সেদিন আশাদিকে জিগাচ্ছিলাম, অনেকদিন সাইটে যাই না, সচলের 'নবীনা জ্বালাময়ী লেখিকা' উচ্ছলার কী খবর?
টাইটেল শুনিয়া, অতীব আনন্দিত হইয়া, আমার চার মাস বয়সী লেখিকা-স্বত্তা হামাগুড়ি ছাড়িয়া এক লম্ফে এদিক ওদিক দৌড়াইতে আরম্ভ করিয়াছে।
আপনি ভাল আছেন তো?

পোস্ট পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ
জ্বি
@ কৌস্তভ, খালি জ্বালাময়ী লেখিকাদের খবরই তো নিবেন।
এদিকে আপনার ঢাকা ভ্রমণ বৃত্তান্ত, খানাখাদ্যের লালাময়ী ছবি, তদপরবর্তী আশাদির পোস্ট দেখে কী দাউ দাউ ফায়ার এ বুকের ভিতরে জ্বলছে - সে খবর কী রাখেন?
------------------------
[ওয়েবসাইট] [ফেইসবুক] [ফ্লিকার ]
বয়েই গেল!
আমার পোস্টের পর্ব এক এসেছে। পরেরটাও তাওয়া গরম থাকতে থাকতেই ছাড়ব। ছবিও আসতিছে বদনবইতে। 'খানাখাদ্যের লালাময়ী ছবি' আর এখনই কী দেখেছ মনু?
লেখা ভালো লেগেছে। তার থেকেও বেশি ভালো লেগেছে সমালোচনার প্রতি আপনার ইতিবাচক মনোভাব। লিখতে থাকুন।
------------------------------------------------
পাক জমানায় ভালোই ছিলাম
উঁচিয়ে চিবুক কয় যদি কোনও কাগু
পশ্চাদ্দেশে লাত্থি ঝাড়ুন কষে
সাফ বলে দিন- ভাগ ব্যাটা তুই ছাগু।।
অনেক ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা ❤
আপা, আপনার মত আরেক পিস্ পাওয়া যাইব না???
নাইলে তো বিয়াই করতারুম না...
শিশিরকণার লগে কন্টাক্ট করেন
লাভ নাই
==========================
আবার তোরা মানুষ হ!
আমি সোনাদানা নিয়াই বিয়া করছি। ভবিষ্যৎ ইনভেস্টমেন্ট। সোনার বদলে ডায়মন্ড দিলে আরেক খান বিয়া কন্সিডার করতে পারি/
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
আই হাই, ভৈনে কয় কি!
একটা বিয়া নিয়াই কিতনে ঝামেলামে হুঁ...উনি আরেকটার বাত কারতিহে
হেঁয়ালির চিঠিতে ডাকঘর | দৃষ্টি |
লেখা যে চখাম হইছে কইতেই ভুইলা গেছি...
ধন্যবাদ, জনাব
কমেন্টের তালিকায় চোখ বুলাইয়া মনে হইল ব্যাপক মাত্রার কাটা-ছেড়া হইসে। আরেক খান তালিকায় যোগ করতাম না মাগার যেই একটা ছবি সাটাইছেন দেইখা মনে হইল আমার মাথা পুরাই গ্যাসে আর পাগলদের কামকাজের কোন মা-বাপ নাই
আপনার অ্যাকাউন্টিং পড়ুয়া ছোটবোনের কমেন্টে লাইক
(ম্যালা দিন নিজের ছোটবোনের অত্যাচার সহ্য করতেসি,আর কেউ প্যারা খাইতেসে দেখলে ভাল্লাগে!)
আমি ধইরা নিতাসি নতুন বছরে ইউনিভার্স আপনের ভায়া হয়ে সিগন্যাল দিতেসে "আলভী,বেটা,বিয়ে করার চিন্তা মাথাতেও আনিস না".....তথাস্তু
আপ্নেরে কুর্নিশ বস! এইরকম সমাজবিরোধী কার্যকলাপে সাহস লাগে! আপ্নের ২-১টা ক্লোন কপি থাকলে ইক্টু আওয়াজ দিয়েন। বিয়ার বয়স হয়া গেসে।

নতুন মন্তব্য করুন