মেহবুবা ভাবীর নাড়ীর টান আছে সচলায়তনের সাথে – এ আমরা সবাই জানি। তাই এই চমৎকার, সদা হাস্যময়ী, প্রিয়ভাষিনী ভাবীর এক ডাকেই আমরা উনার বাসায় একসাথে ‘হাউকাউ’ করতে রাজী হয়ে গেলাম। চেনা জানা নেই, পূর্ব পরিচয় নেই, মুখ দেখাদেখি নেই...অথচ আমরা কয়েকজন সচলবাসী মহা ফুর্তী-আড্ডা-অট্টহাসি আর...ইয়ে...কিঞ্চিত(!) খানাপিনা করে গত দুই দিন কেমন পরমাত্মীয়ের মত একসাথে কাটিয়ে দিলাম। (আত্মার সম্পর্ক যার সাথে, তাকেই তো আত্মীয় বলে, না?)
সচলায়তনের জন্য কতখানি ভালবাসা থাকলে সত্যপীর ভাইটি সেই ক্যানাডা থেকে ডালাসে চলে আসতে পারে কাজকর্ম সব বাদ দিয়ে ‘Sick leave’ নিয়ে! সচলদের প্রতি কতটা সিরিয়াস মায়া-মহাব্বত থাকলে নীলকমলিনী আপা টানা আঠার ঘন্টা ড্রাইভ করে, আমাদের জন্য দুনিয়ার খাবার দাবার আইসবক্সে ভরে এ্যালাবামা পেরিয়ে টেক্সাস চলে আসেন পুরো এক সপ্তাহের জন্য! সচলের সাথে কতটা গভীরভাবে সম্পৃক্ত হলে তাসনীম ভাইয়া পরিবার নিয়ে আট ঘন্টা পথ পেরিয়ে আমাদের শহরে আসতে পারেন! আমি আর চরম উদাস একই শহরে মাত্র দশ মিনিট দূরত্বে থাকি; জীবনেও জানা হত না যদি এই সচলাড্ডা না ঘটত। কত সুন্দর কিছু স্মৃতি মনে গেঁথে গেল, কত সুন্দর কিছু মানুষের সাথে আত্মীয়তা হয়ে গেল।
জুলাইয়ের তের আর চোদ্দ তারিখের অপেক্ষায় আমি সেই পহেলা জুলাই থেকে অস্থির হয়ে আছি! অস্থির হবো না?! যাদের লেখা ‘হা’ করে পড়ি, যাদের ধারাল মেধার ঝলকানীতে নিয়মিত জ্বলেপুড়ে ছারখার হই, তাদের সাথে পরিচয় হবে, আড্ডা হবে; এটা আমার কাছে ‘অস্বাভাবিক’ আনন্দের ব্যাপার। নীলকমলিনী আপা আট তারিখে পৌঁছে গেলেন আমাদের শহর ডালাসে। পরেরদিন বিকেলেই আপা আর ভাবী এক গাদা গিফট্ নিয়ে আমার সাথে দেখা করতে এলেন। (এসব আনার কি দরকার ছিল?
...না আনলেও আপনাদের প্রতি আমার শ্রদ্ধা, ভালবাসা একটুও কমত না)।

নীলকমলিনী আপা আর মেহবুবা ভাবী। সময় দিয়ে, শ্রম দিয়ে এ আড্ডার আয়োজন করার জন্য অজস্র ধন্যবাদ। (আপনারা দুজনেই খুব সুন্দর। আমি ট্যারা চোখে আপনাদেরকে কয়েক হাজার বার চেক-আউট করেছি)
অপরূপা ভাবী। এবং খুব কষ্ট করে ‘ভাল ছেলে’ ইমেজ নিয়ে বসে থাকা সত্যপীর।
প্রথমদিন শুক্রবার তের তারিখ সন্ধ্যার আড্ডায় ভাবীর বাসায় হরেক রকমের নাস্তা-পানি খাবার সময় আশেপাশে ক্যামেরা হাতে উচ্ছলাকে দেখেই চরম উদাস ‘WTH’ দৃষ্টি নিয়ে তেড়েফুঁড়ে আসেন! স্ন্যাকিং-এর সময় পোজ দেয়া উনার পছন্দ না। এরকম অপ্রস্তুত 'ইয়ে' পরিস্থিতীতে তাসনীম ভাইয়া পানির বোতল হাতে দাঁড়িয়ে মিটিমিটি হাসতে থাকেন আর ‘আমাকে মেরো না, আমি ছোট’ ভঙ্গীতে সত্যপীর-ভাইটু ঐ কোনায় দাঁড়িয়ে।

সব ভাবীর হাতে বানানো কুড়মুড়ে এ্যাপেটাইজার। তাঁর সার্বক্ষনিক সহকারী ছিলেন নীলকমলিনী আপা।

আপা টেবিল সাজাচ্ছেন। (পোজটা খুব ন্যাচারাল এসেছে। বুঝাই যাচ্ছে না পোজ দিয়েছেন।)
হাড়ি হাতে সত্যপীর। এটি মেহবুবা ভাবীর লেজেন্ডারী কাচ্চী বিরিয়ানীর হাড়ি! ডালাসের বাঙ্গালী কম্যুনিটি এই হাড়ির সাথে ভালভাবেই পরিচিত।
রাত্রি আনুমানিক দুই ঘটিকায় ময়-মুরুব্বী ও কচিকাচাদের আসরে প্রকাশ্যে হুক্কা পানাসক্ত অবস্থায় ধৃত চরম উদাস! (ছবিটিতে হুক্কা-ইফেক্ট দিয়ে ধোঁয়াটে ভাব আনা হয়েছে।)
সে পোজ দিয়েছে। আসলে সে ধূমপান করে নাই। সে খু-উ-ব ভাল ছেলে।( চোখ টিবি)

ভর্তা আর ভর্তা। মুখরোচক ভর্তা বানানো ক্যাটাগরীতে ভাবীকে চোখ বন্ধ করে নুবেল পুরস্কার দেয়া যায়।

খাবারের জাহাজ। কী নাই সে জাহাজে !

আরও ছয়টি পদের স্থান সঙ্কূলান হয়নি আমার প্লেটে।

ভাবীর হাতে বানানো ‘প্রানহরা’...আহাহা 

ভাবীর বানানো সু-পার্ব দই!

ভাবীর আরেক পদের মিষ্টিঃ এইটা যে খায়নি, তার মানব জনম বৃথা।

নীলকমলিনী আপার বানানো ফাইভ-স্টার কোয়ালিটির বুন্দিয়া!

সাথে সত্যপীরের আনা চকলেট।
সত্যপীরকে দেখুন। নিজের বাড়ি মনে করে কেমন পা ছড়িয়ে ল্যাটকায়ে বসে সে আড্ডা দিচ্ছে! পাশে চরম ভাই তাকে আস্কারা দিচ্ছেন! তামশা দেখে উচ্ছলা ত্যক্ত! নীলকমলিনী আপা ক্যামেরা দেখলেই এরকম ভুবন ভোলান হাসি কেম্নে দেন, আমি জানি না। লাল-কাল জামায় মিষ্টি মেয়ে মিসেস চরম উদাস কী এক অজানা কারণে স্বামীরত্নের কাছ থেকে মুখ ঘুরিয়ে বসে আছেন !
শনিবার সকালে উচ্ছলার বাসায় সামান্য খানাপিনা।
এনারা কী নিয়ে হাসাহাসি করে?! আমি কোথায় ছিলাম তখন?!
ডান দিকে মিস্টার অ্যান্ড মিসেস উচ্ছলা। বাম দিকে বাকিরা। (মিসেস উদাস সুন্দর ফটো তোলে তো !)
চরম ভাই লাঞ্চের দাওয়াত দিয়েছিলেন। উচ্ছলার বাসা থেকে আড্ডা দিয়ে বেরুতেই বিকেল সাড়ে চারটা বেজে গেল। তাই চরম ভাইকে আমরা আর কষ্ট করে রান্নাবান্নার ঝামেলায় না জড়াতে বললাম। (অবেলায় তাড়াহুড়ায় কী রাঁধতে কী মাথামুন্ডু রাঁধবে তার ঠিক আছে নাকী?!) পাঁচটার সময় তো ভাবীর ওখানে আবার কাচ্চি-কুচ্চি খাওয়া হবেই।
জনপ্রিয় তাসনীম ভাইয়া, তাঁর বিউটিফুল স্ত্রী এবং ‘দেখলেই ভাল লেগে যায়’ টাইপ মানুষ চরম উদাস।

তাসনীম ভাইয়ার ফুটফুটে কন্যাদ্বয়। এদের সাথে বিশ মিনিট খেলাধূলা, গল্পগুজব করলাম ভাবীর বাসায়; সেই সাথে এদের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দিলামঃ ভাবীর পোষা বেড়ালটি মেয়ে নাকি ছেলে; বেড়ালটা বিকেল বেলা ওরকম বসে বসে ঝিমুচ্ছে কেন? বেড়াল আর বাঘ একই ফ্যামিলির কি-না, বেড়াল-বাঘ সম্পর্কে কাজিন কি-না, বেড়ালটা জনৈক মহিলার পার্স চেটে দিয়েছে কেন? (ইয়া নফসি ইয়া নফসি জপতে জপতে ঐ রুম ত্যাগ করে বড়দের রুমে চলে গেলাম।)
বাম থেকেঃ সত্যপীর, নীলকমলিনী আপা, আমি, তাসনীম ভাইয়া, চরম উদাস ভাই, মেহবুবা ভাবী ও মিসেস চরম উদাস। দেয়ালের ছবিটিতে হাসিমুখে সচলের পরমাত্মীয় প্রয়াত জুবায়ের ভাই।
আড্ডা শেষে বিদায় বেলায় কাউকে ভদ্রভাবে বিদায় জানাতে পারিনি। কারও চোখের দিকে তাকাতে পারিনি। প্রকাশ্যে এভাবে ধাড়ি মেয়ের চোখে পানি দেখলে লোকে বলবে কি? চোখে পানি আসারই বা দরকার কি?! বিনাকারণে মুহূর্তের মধ্যে কোথ্থেকে এত মায়া জন্মালো আত্মার ভেতর এই মানুষগুলোর জন্য! একবার মায়া জন্মালে আর তার মরণ নাই। ‘মায়া’ খুব খারাপ জিনিস। এই ‘খারাপ’ জিনিসের টানে ঠিক এক বছর পর আমরা আবার একসাথে হাউকাউ করব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। হাউকাউ হবে নিউইয়র্ক সিটিতে। আপনারা সবাই ব্যাগ-এ্যান্ড-ব্যাগেজ আমন্ত্রিত। ওখানে নীলকমলিনী আপার খালি বাড়ি পড়ে আছে। সদলবলে বাড়িটি দখল করুন। প্লীজ।
মন্তব্য
ভাল লাগল!
অনেক ধন্যবাদ।
সব ফডুশপ
..................................................................
#banJamaat
'ফডুশপ' কী জিনিস? উহা খায় না পিন্দে ?
মনে হয় টাইপো। উনি 'ফুড শপ' লিখতে চেয়েছিলেন।
আমারও তাই মনে হয়। মেহবুবা ভাবীর ডাকনাম 'শাহীন'। ভাবীর বাসায় এত মানুষের এত খাওয়া দাওয়ার ইতিহাস আছে যে উনার বাসার নাম হয়ে গেছে 'শাহীন হোটেল'
আহা ২৫শে জুন আড্ডাটা হইলে এই বছরেই আড্ডাবাজি করতে পারতাম
মজাদার খাবারের ছবি দেখে খাদকমনে হাহাকার করতেছে। পরেরবার আর কুন মিসনাই, খালি দিন তারিখটা জানতে পারলেই খাবারের গন্ধ শুনে বাড়ী খুজে বের করে ফেলব।
খালি বাড়ীর কথা শুনে মনটাই খারাপ হয়ে গেলে। মাত্রই বাসা চেন্জ করলাম, আগে জানলে সরাসারি ঐ বাড়ীতেই উঠতাম!!
আপনাকে ধন্যবাদ, লেখা খাবারের মতই খুব উপাদেয় হয়েছে।
অনেক ধন্যবাদ লেখা পছন্দ করার জন্য

আগামী বছর খুব সম্ভবত রোজার ঈদের পরে আড্ডাটা হবে। বিস্তারিত জেনে যাবেন এখানেই। দেখা হচ্ছে নিশ্চয়ই
তাসনীম ভাইরে দেক্লে ফুটবল কোচ বলে মনে হয়। সত্যপীরের চেহারাও তার লেখার মতোই, ক্লাসের ব্যাক্কল ফাস্টবয় টাইপ। আর চরম উদাস মনে হচ্ছে আমি আর হয়রানাবীরের তৃতীয় কালাতো ভাই
যাই হোক। নাফরমান সচলদের প্রকৃত ভোগ লালসায় মত্ত রুপটির প্রমাণ হুক্কাওলা ছবিতেই ফুটে উঠেছে। এই তবে তথাকথিত মুক্তমনা সচলায়তনের আসল চেহারা
_________________________________________
সেরিওজার গল্প
ফাস্টবয় কয়া গালি দিলেন মনে হয়?
জিন্দেগীতে ফাস্ট হইসি এই অপবাদ কেউ দিতার্বনা!
..................................................................
#banJamaat
ভাই লাস্টবয়দের মতো চারু ও কারুকলা টাইপ বিষয়ে ব্লগ লিখে দেখান। পারেন তো কেবল ফাস্ট বয়দের মতো ঐ ইতিহাসের বয়ান, হুহ
_________________________________________
সেরিওজার গল্প
ঠিকাসে আওরঙ্গজেবের সঙ্গীত ও চিত্রকলার প্রতি ভালবাসা নিয়া পোস্ট দিতেসি খাড়ান.
..................................................................
#banJamaat
আমি কিন্তু ফর্সা
বস্, প্লীজ কাঁদবেন না । রঙে কি-বা আসে যায়।
কাইন্দেন না বস।কালু জগতের আলু এবং স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল!!!
অবশ্যই অবশ্যই! হিজাব রক্ষা করতে, দুষ্ট নারীদের পাপিষ্ঠ চোখের আড়াল হতেই না ফর্সা চেহারা স্কিন টাইট কালো বোরখায় ঢেকে হাজির হইছিলেন।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
কইছিলাম বারবার করে যেই ছবিতে আমারে ফরসা আর শুকনা দেখা যায় শুধু সেইগুলা দিতে। এইডা কিছু হইলো??? তিলতিল করে যে ভক্ত পাঠিকাদের লুইস সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলাম, এক ধাক্কায় দিলেন সেইটার বারটা বাজিয়ে
এতবার করে কইলাম যেই ছবিতে আমাকে শুকনা আর ফরসা দেখা যায় সেইগুলা দিতে!!!!!!!! এইডা কিছু হইলো??? তিলতিল করে ভক্ত পাঠিকাদের যেই লুইস সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলাম এক ধাক্কায় দিলেন সেটার বারটা বাজায়ে
আমি আপনের কুব বক্ত পাটিকা.
..................................................................
#banJamaat
আপনার রঙ দেখে যে পাঠিকা প্রস্থান করবে, সে কোনোকালেই আপনাকে...... ইয়ে... ভালবাসেনি
না না।এইটা সত্য না।আপনার রঙ আর মাশাল্লাহ সুস্বাস্থ্যের কল্যাণে আমি এখন সত্যপীরের চেয়েও আপনারে বেশি ভালু পাই!! (লজ্জায় লুতুপুতুভাব ইমো দিতে চেয়েও পারলুম না)
সুবর্ণনন্দিনী
উদাস দারে চেনা চেনা লাগে।
চেনা না লাগার কোন কারণ নাই। প্রতিদিনই রাত হইলে এরকম অন্ধকার দেখা যায়
গুরু, গুরু, গুরু। আপনে গুরু মিয়া। কমেন্ট পড়ে হাসতে হাসতে চেয়ার উলটে পড়ে গেলাম।
আকাশভরা সূর্য-তারা বিশ্বভরা প্রাণ
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান।।
ভুঁড়ি চেপে রাখা কান্না চাপার চেয়েও কঠিন। নিজের ছবিগুলো দেখে সেটাই মনে হচ্ছিল।
সচলাড্ডা নিয়ে আমার লেখার কাজ চলছে। কয়েকদিন পরে আমার ভার্সন অফ দ্য স্টোরি আসবে।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
চরম লাইক!
..................................................................
#banJamaat
আপনি তো পেটে বালিশ চাপা দিয়ে ফটো তুলেছেন, তাসনীম ভাইয়া, আপনার ভুঁড়ি কেউ দেখতে পাচ্ছেনা।
পুরানো টেকনিক। কত কিছুই যে করতে হয়।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
তাসনীম ভাই একটু কাত হয়ে দাঁড়ালে অনেক সময় ভাল ফল মিলে
আমারটাও আসবে। I will be back (with vengeance)

Bring it on !
পথটা অবশ্য আট ঘন্টা নয়, সাড়ে তিন-চার ঘন্টা। তবে পেছনের সিটে বাচ্চা থাকলে এক ঘন্টাই অনন্তকাল মনে হতে পারে। আপনি বিশ মিনিটেই সেটা নিশ্চয় বুঝেছেন।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
ভাল্লাগলো
---------------------
আমার ফ্লিকার
অনেক ধন্যবাদ
সত্যপীরের লেখাটা আগেই পড়া হয়েছিল, মন্তব্য করা হয়নি, ছবি মিস করছিলাম।
লেখা এবং ছবিতে
অনেক অনেক ধন্যবাদ
খুবি ভালো লাগলো। ওয়েস্ট কোস্ট (টেক্সাস, ডালাস) এর দিকে না থাকার কারনে এখন আফসোস হচ্ছে।
ধন্যবাদ। আগামী বছরের আড্ডায় সম্ভব হলে যোগ দিন প্লীজ
আমার যাবার ইচ্ছে করছিলো খুব। একদিন মিমি ভাবী ফোনও দিয়েছিলেন। ধরতে পারিনি। কিন্তু বাচ্চাটা যেতে হলে অফিস ছুটি নিয়ে একটু বড়সড় পরিকল্পনা করতে যেতে হত, যেটা এই মুর্হুতে সম্ভব হচ্ছিল না।
পরে কোন এক সময় নিশ্চয়ই যাবো।
সামনের বার নিশ্চয়ই দেখা হবে, যদি সব ঠিকঠাক থাকে
এই পোস্ট আমার খাদকানুভূতিতে আঘাত হানিতেছে
মজাদার সব খানাদানার ছবিসমৃদ্ধ এই উস্কানীমূলক পোস্টটি চরম আপত্তিকর হিসেবে চিহ্নিত হলো
এই পোস্ট নীড়পাতায় থাকতে পারে না পারে না পারে না
মডুরা কই? এই পোস্ট এবং পোস্টদাতাকে আইপিসহ ব্যাঞ্চানো হোক
______________________________________
পথই আমার পথের আড়াল
এক আইপি ব্যান করলে আরেক আইপি দিয়ে আসব এখানে
আপনার খাদকানুভূতিতে আঘাত দিতে পেরে আমি আনন্দিত। ঢাকায় ঘনঘন আড্ডা হোস্ট করেন; এসব দেখে শুনে আমাদের ব্যথা লাগে না?
_________________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই
_________________________________
।। রিসার্চ ইন্টারফেস ।।
আমি ডালাস যেতে আসতে ১৩২২ মাইল ড্রাইভ করেছি আমার এক বন্ধুর সাথে। দীর্ঘ প্রবাস জীবনে এই প্রথম আমি এতদুর স্বামী ছাড়া ড্রাইভ করে গেলাম। সবই সচলের টানে।
মেহবুবা জুবায়েরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এত সুন্দর আড্ডার প্ল্যান করার জন্য।
উচ্ছলা যে কি সুন্দর স্বভাবের একটি মেয়ে কি বলব, তেমনি আমাদের সচল জামাই মইনুল। সত্যপীর খুব মিষ্টি করে মন জয় করে নেয়া একজন। তাসনীমের বউ আর মেয়ে দুটোও আড্ডায় জমে গিয়েছিল।
চরম উদাস প্রথম দিনের আড্ডায় দেরী করে আসে। আমরা অধীর আগ্রহে ওর আশায় ছিলাম। কেমন সে, লেখার মতই রসিক কিনা, ইত্তাদি অনেক কিছু। আমাদের আশা ভঙ্গ হয়নি। মিসেস চরম উদাস চুপচাপ, লক্ষ্মী একটি মেয়ে।
চরম উদাস আর তাসনীম, দুজনের বউই স্বামীদের লেখার জন্য অনেক উৎসাহ দেন।
আমার মনটা ভরে আছে, ফেরার পথে দীর্ঘ ড্রাইভ কে মোটেও দীর্ঘ লাগেনি।
আগামী বছর নিউইয়র্ক এ আমার বাড়ীতে ইনশাল্লাহ।
সবাইকে আমন্ত্রন জানাচ্ছি। সামারে কোন এক সময়।
আমরা (আমি বিশেষত) অনেক ব্লেসড্ যে তোমার মত তুলনাহীন চমৎকার একজন বন্ধু আমাদের আছে। সুখে-আনন্দে-বিপদে তোমাকে পাশে পাওয়া যাবে; এ আমরা সবাই জানি। কী সুন্দর করে কত সহজে নামুষকে আপন করে নাও তুমি !
অনেক অনেক ধন্যবাদ আমাদের আড্ডাকে রঙ্গীন, প্রাণময়, সমৃদ্ধ করার জন্য। দেখা হবে আবার। শুভেচ্ছা, ভালবাসা নিও।
(আগামী সামারে তোমার বাড়ি তছনছ হয়ে যাবে, রেডী থেক
)
হিংসায় জ্বলে মরা ছাড়া আর কিছুই এই মুহুর্তে ব্যাক্ত করতে পারছিনা।
আসলেই কিভাবে কিভাবে যেনো অনেকের সাথে আত্মার মিলন ঘটে যায়। হয়তো কর্মব্যাস্ততায় বা অন্য বিবিধ কারনে লেখালেখিতে ছেদ পড়তে পারে কিন্তু লেখার ময়দানে এসে যাদের সাথে আত্মীক যোগ, সেই যোগ ছেড়ার নয়। সচলায়তনে আছি ৩ বছরের মতো হয়ে গেলো, ইদানিং আগের মতো আর লিখতে পারছি না, কিন্তু রোমেল, পাণ্ডব, নজরুল, ওলি, তানিম, এছাড়া আরও অনেকেই আছে যাদের মুখটি সবসময় মনে ভেসে ওঠে। আরও অনেক নতুন সচলদের সাথেও হৃদ্যতা গড়ে উঠছে। এটাকে আমি মানবজীবনের একটা অর্জন বলে মনে করি। এখানে স্বার্থের বালাই নেই, চাওয়া-পাওয়ারও কিছ নেই। তবু্ও সকলের মঙ্গল চাওয়া এবং সকলের থেকে ভালোবাসা পাওয়া, এ যেনো অনিবার্য।
আমরা দুরদেশে বসে অনুভব করলাম একটা পারিবারিক অনুষ্ঠান কতোটা আনন্দঘন হতে পারে। জীবনে একটা প্রতিজ্ঞা ছিলো বা এখনও আছে যে পকেটের পয়সা খরচ করে কোনওদিন বিদেশে যাবোনা। এখন পর্যন্ত সেটা ঠিক আছে। কিন্তু যদি এমন একটা সচলাড্ডার সুযোগ হয়, তবে আম্রিকা যাওয়ারও চেষ্টা করে দেখতে পারি।
ভাবী-আপাদের সামনে মিস্টার উচ্ছলা যেভাবে হাফপাতলুন পরে দাঁড়িয়ে ছিলো, আমি তা দেখে ব্যাপক শরম পেলুম।
------------------------------------------------
পাক জমানায় ভালোই ছিলাম
উঁচিয়ে চিবুক কয় যদি কোনও কাগু
পশ্চাদ্দেশে লাত্থি ঝাড়ুন কষে
সাফ বলে দিন- ভাগ ব্যাটা তুই ছাগু।।
আগামী আড্ডায় চলে আসুন প্লীজ। মজা হবে।
এইটা কোথায় কবে হবে আগে থেকে জানিয়ে রাখবেন।
পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।
দিগন্তদা, আগামীবার নিউইয়র্ক এ প্ল্যান করা হচ্ছে। কিছু ফাইনাল হলে জানাবো।
মিষ্টিগুলা দেখার পর আর কান্না আটকে রাখতে পারলাম না।পেটে আপনাদের পিলে হবে,হে ভগবান! কেন একটা পোকা গেল না এনাদের পেটে ঢুকে!! (হাপুস নয়নে আছাড়িবিছাড়ি খেয়ে কান্নার ইমো)
সুবর্ণনন্দিনী
বদ-দোয়া দিয়েন না গো বোনটি
পাবলিক প্লেসে এভাবে খাবারের ছবি আপলোড করে মানুষজনের স্যালাইভারি গ্লান্ডকে উত্তেজিত করা অমার্জনীয় অপরাধ! এটা রীতিমত মানসিক আঘাতের পর্যায়ে পড়ে!
কারও কারও স্যালাইভারি গ্লান্ডকে উত্তেজিত করতঃ তাদেরকে 'মানসিক আঘাত' দেয়াটাই এ পোস্টের লক্ষ্য ছিল
জেনে ভাল লাগল যে লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে।
আহা, আপনাদের আড্ডা আর সবার চরিত্র চিত্রণ ভাল লাগলো। আগামী সামারে মানে জুন-জুলাইতে নিউইয়র্কে... সত্যিই কি ? আমার প্রবেশাধিকার আছে কি ?
- কি বলছেন এসব?! প্রবেশাধিকার নেই মানে?! আপনার মত উত্তরাধুনিক মুরুব্বীকে পেলে আমাদের আড্ডা ধন্য হয়ে যাবে। প্লীজ চোখ বন্ধ করে সোজা চলে আসুন আগামী বছর। প্লীজ।
প্রথমেই উচ্ছলা আপনাকে অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি লেখা আর এরকম মানুষদের সাথে ছবির মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্যে।
আসলে সচলে লিখছি বেশ ক মাস হল। এই ক মাসে অনেকের সাথে নিজের লেখা অথবা মন্তব্য করে পরিচয় হয়েছে। কাউকেই চিনিনা আবার খুব চেনা মনে হত লেখাগুলো পড়েই । খুব দেখতে ইচ্ছে হত এসব সচল আর হাচলদের যা আজ অনেকটাই পূর্ণ করে দিলেন।
আমার নিজের কাছেই ভালো লাগছে যে এমন একটা জায়গায় লিখছি আর এমন সব আড্ডা বাজদের লেখায় কমেন্ট করছি। যেমন খুব ভালো লাগছে আবার ঠিক হিংসাও হচ্ছে যে এমন একটি আড্ডাতে কেন আমি নেই! যাহোক আপনার লেখায় আপনারা কতটা মজা করেছেন তা সহজেই আঁচ করা যায় । এমন সচল আড্ডা আরও হোক আর এভাবে আরও নতুন নতুন সচলদের ছবির সাথে পরিচিত হয়ে কল্পনার মানুষদের সামনে নিয়ে আসুক আপনার মত আরও কেউ সেই কামনায় করি।
তবে একটা ব্যাপার চরম উদাস ভাইরে মনে করতাম একটু কম বয়সী মানে টিন এজ টাইপ । কিন্তু ছবি দেখে আমার ধারনায় চেঞ্জ। লেখার সাথে মানুষটাকে মেলাতে পারিনি।
সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
চরম উদাস 'এভারগ্রীন' টাইপ মানুষ। উনাকে চিনতে, বুঝতে আর একটু সময় লাগবে আপনার মনে হয়
তবে একটা জিনিস গ্যারান্টিড, উনাকে ভাল না লেগে উপায় নেই 
পরের বারে আসার ইচ্ছা আছে, বিশেষত সত্যপীরের সাথে দেখা করার বিশেষ ইচ্ছা আছে। সত্যপীর যদি সিয়াটেলের দিকে পদধূলি দিয়ে থাকেন তো জানায়েন।
পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।
সিয়াটল যাওয়া হয়নাই দাদা, ভ্যানকুভার সিয়াটল ট্রিপ মারার ইচ্ছা রাখি ভবিষ্যতে. জানাবো আপনেরে. খোমাখাতায় আসেন?
..................................................................
#banJamaat
স্বনামেই আছি।
পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।
এইবার সত্যি সত্যি মেজাজ খারাপ হয়ে গেছে
_________________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই
_________________________________
।। রিসার্চ ইন্টারফেস ।।
আপনার মেজাজে মোবারক খারাপ করানোই এই পোস্টের লক্ষ্য ছিল, হে কবি
ছবি আছে সাথে সুন্দর বর্ননা।খাবারের জন্যে কষ্ট, আর ছবির জন্যে আনন্দ
দই টা খাইতে ইচ্ছে করতেছে এখন
__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;
ধন্যবাদ
রাজ্যের সুখ ঐ দইয়ে।
ঐ দই আমি পরপর দুই দিন খেয়েছি
মুখে মাখেন নাই?
ত্বকের যত্ন নিন নামে একটা গান মনে পড়লো 
কিডিং আপু
__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;
সহসচলদের হৃদয়ে আঘাত দিয়ে লেখার দেওয়ার জন্য তেব্র দীক্কার। পোস্টে তারা তো দেই নাই, মডুদের কাছেও আপত্তি জানাইলাম। এক মাঘে শীত যায়না, হাহ!
আরেকটা কথা, সত্যপীর ভাইয়ের গুডি বয় হয়ে বসে থাকার কারণ কী? বিয়া হয়নাই নাকি এখনও?
বিয়া হইছে তো ! আপা-ভাবী সামনে আছে না! এই জন্য মনে হয় জুত মত, মন খুলে 'খারাপ' হইতে পারে নাই
লেখাটি আপনার হৃদয়ে আঘাত করেছে বুঝি? - জানিয়ে যাবার জন্য ধন্যবাদ
আগের দিনই চরম উদাসদা আমাদের এখানে আসছিলেন তো, আগে বুঝলে উনার লাগেজে ঢুকে ডালাস যাইতামগা
দেশের ও দশের হেদায়েতের চিন্তা করি সারাক্ষণ বুঝলেন সাফি ভাই. পিরালী সহজ নয়.
..................................................................
#banJamaat
তাই তো দেখছি
হরি দিন তো গেল সন্ধ্যা হল পার কর আমারে!
হরি বিড়ালতপস্বীদের খুব ভাল করেই চেনেন! পার-ছাড় করার আগে আপনার কপালেও উনি অনেক অনেক আড্ডা বরাদ্দ রেখেছেন। সো, ডোন্ট ওরি!
****************************************

মোক্ষম!
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
আমাদের আড্ডা দেখে উদ্ভ্রান্ত হয়ে কৌস্তুভ অজায়গায় এসে ভজন গাইতে শুরু করেছে। অসাম! এইটাই আমার পোস্টের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল।
আয় হায়, এই তাহলে সত্যপীর! এমন সুদর্শন, ফার্স্ট-বয়, গুডি-গুডি, ভাল-মানুষ গোছের চেহারাওয়ালার হাত থেকেই এদ্দিন ধরে এমন জ্ঞানগর্ভ অথচ বিচ্ছুমার্কা, মশলাদার আর মজাদার লেখা বেরিয়েছে?!!! একদম 'তব্দা' খায়া গেলাম। ভাবতেই পারিনি এমন এক কালার-হাইডিং-ম্যাঙ্গোর পাল্লায় পড়েছি! এখন একটা অসুবিধা হবে - এরপরে সত্যপীরের কোন মজাদার লেখা বা মন্তব্য পড়তে গেলেই এই "ভাল-মানুষ" মার্কা সুদর্শন চেহারা ভেসে উঠবে আর লবন-মরিচ দিয়ে মশল্লাদার কাঁচা আম খাওয়ার সময় তার মধ্যে পাকা আমের মিষ্টি ফালি ঢুকে পড়লে যেমন লাগে, অনেকটা তেমন লাগবে!
তবে লেখা, ছবি - সবই দুর্দান্ত হয়েছে। খাবার তো দর্শনং অর্ধভোজনং হয়ে গেছে এই প্রায় ১২ হাজার (?) মাইল দূরে বসেও । যাদের লেখা এতদিন ধরে পড়ছি, তাদের ছবি দেখেও ভাল লাগছে। উচ্ছলাজীকে উচ্ছলাজীর মতই লাগছে, চরম উদাসের মুখে মুচকি হাসিটুকু দেখে তাঁকে চিনতে ভুল হয়নি, আর সচল তাসনীমের মধ্যে স্মৃতির শহরে বহুকাল আগে দেখা সেই টৈ-টৈ করে দাপিয়ে বেড়ানো হারিয়ে যাওয়া বালকটিকে খুঁজে পেতে অসুবিধে হয়নি। এর মধ্যে পীরবাবাই একমাত্র বর্ণচোরা!
****************************************

উচ্ছলাকে চিনতে পারার জন্য ধন্যবাদ। পোস্ট পড়ে মনের কথা জানিয়ে যাবার জন্যও ধন্যবাদ
শুভেচ্ছা।
এত আড্ডা ক্যামনে দেয় মানুষ!

আচ্ছা বাবা, তাও না-হয় বুঝলাম। তাই বলে এত্তো খানাদানাও খেতে হয়!
আমি না-হয় মিতভোজী মানুষ, বড় একটা আঙুলটাঙুল চাটতে যাই না। তা বলে, খাইখাই সভার বাকি লোকজনের কথাও তো ভাবতে হয়, নাকি? পেট কামড়াবে যে।
বলিহারি বাপু!
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
কোথায় 'এত্তো খানাদানা' দেখলে তিথীমনি?! মাত্র তো বাইশ পদ। আর মিষ্টি উষ্টি নিয়ে আরও সাত পদ। ( প্রথম রাতে) ।
দশ পদ পরের দিন সকালের নাস্তায়। আর সাত পদ কাচ্চী-নাইটে।
হুম

এই তাহলে চরম উদাস...
এই তাহলে সত্যপীর...
এই তাহলে উচ্ছলা...
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
জ্বী ম্যাঠাম
ওয়াও। এতো খাবার মানুষ কেমতে খায়
ফাইভ-স্টার কোয়ালিটির বুন্দিয়া (!) কেমতে বানাইছেন রেসিপি দেন। আমারগুলো এতো গুল্লা টাইপ হয় না
---ফ্রুলিংক্স
নীলকমলিনী আপা, ফ্রুলিংক্স-কে রেসিপি দাও। নাইলে আবার বদ-দোয়া দেয়া শুরু করবে।
আপ্নাকেও ধন্যবাদ পোস্ট পড়বার জন্য
এতদিন ধরে সচল এ যাদের লেখা পরে মুগ্ধ হচ্ছি তাদেরকে চর্ম চক্ষে দেখতে পেয়ে আমি আরো বেশি মুগ্ধ :)।
অশেষ ধন্যবাদ উচ্চলাপু :)। কখনো যদি আপনাদের কাছ থেকে দেখতে পারতাম!
ধন্যবাদ পোস্টে ঢুঁ দেবার জন্য
দেখা একদিন হয়েই যাবে। পৃথিবীটা খুব ছোট ।
হিমুর বাবার কাছে প্রথম শুনেছিলাম জগতে মায়া বড় খারাপ জিনিস , আজ উচ্ছলার কাছে । আপনি কি মহিলা হিমু , উচ্ছলা আপা ? ভাল লাগল সচলের জাদুকরদের নিয়ে কল্পনা আর বাস্তবের বিবাদ ভঞ্জনের জন্য ।
কানাডার অটোয়া থেকে ডালাস খুব কী একটা দূরে? আমাকে কেউ বললোই না!
বিশেষ করে বুন্দিয়ার ছবিটা তো মনটাই বিষণ্ণ করে দিলো!
স্কুল লাইফে ঠাটারি বাজারের নিত্যলাল সুইটমিটে প্রায় নিত্যদিনের খাদ্য ছিলো দৈ-এর সঙ্গে বুন্দিয়া।
এক টাকার দৈ আর আট আনার বুন্দিয়া দেড় টাকার প্যাকেজ। রোজ রোজ খেতাম।
দোকানের মালিক বিশাল ভুঁড়িয়াল লোকটা আমার বুন্দিয়া প্রীতিতে খুশি হয়ে মাঝে মধ্যেই এক্সট্রা কিছু বুন্দিয়া আমার প্লেটে তুলে দিতো বোনাস হিশেবে।
এই পোস্টের বুন্দিয়ার চেহারা মোবারক অবিকল সেই নিত্যলাল সুইটমিটের বুন্দিয়ার মতোই 'প্রাণহরা'।
হাবু বেশ বড়সড়,গাবুটা তো পিচ্চি
হেরে গিয়ে হাবু বলে--উৎসাহ দিচ্ছি!
আল্লাহ্ ! রিটন ভাই আপনি সত্যি আসতেন?! জানলে মেইলের পর মেইল করতাম আপনাকে; এ্যায়সা অনুরোধ করতাম যে এখানে এসে বুন্দিয়া খেয়েই যেতেন
মেহবুবা ভাবী এই আড্ডা নিয়ে সে-ই কবে একটা পোস্ট দিয়েছিলেন ! আপনি মনে হয় মিস করেছেন।
আগামী বছর সামারে নিউইয়র্কে আরও ব্যাপক পরিসরে আড্ডা হবে। আমি নাহয় প্রত্যেক মাসে একটা করে মেইল দিয়ে আপনাকে মনে করিয়ে দেব
নিউইয়র্ক কিন্তু অটোয়া থেকে আরো কাছে।
পথের দেবতা প্রসন্ন হাসিয়া বলেন, মূর্খ বালক, পথ তো আমার শেষ হয়নি তোমাদের গ্রামের বাঁশের বনে । পথ আমার চলে গেছে সামনে, সামনে, শুধুই সামনে...।
গান-বাজনা হয়নি কোনও? উদাস'দা মনে হয় এ লাইনের লোক! খাবারের ছবি দেখেই এই সংযমের মাসে অনেকের সংযম নষ্ট হয়ে যাবে যে ম্যাডাম, করলেন কী?
আকাশভরা সূর্য-তারা বিশ্বভরা প্রাণ
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান।।
যা করেছি বেশ করেছি !
উদাস ভাই হামদ, নাত গেয়েছিলেন। খুব দরদী ভয়েস ভদ্রলোকের
আড্ডা আড্ডা করেই বাঙ্গালি জাতি রসাতলে গেলো। আর রোজা রমজানের মাস সামনে রেখে এসব ছবি পাবলিকলি শেয়ার করাই তো গুণাহ! ইত্যাদি ইত্যাদি।
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
ঠিকই তো ! মানুষে এত্ত গুনাহ করতে পারে !
লিখা চরম হইসে!
-ক্রান্তিবৃত্ত
ধন্যবাদ দ্য থ্যাঙ্কস
কি মন্তব্য করবো কদিন ধরে ভেবে ভেবেই হয়রান ! গালে হাত দিয়ে পোষ্টটি সেদিন থেকে খালি দেখতেই আছি দেখতেই আছি । কি সব ছবি, আহা! আনন্দের রেণু যেন ছড়িয়ে রয়েছে প্রতিটা ছবির মুখ গুলোতে । আর খানা খাদ্যের বিবরণের কথা না হয় নাই তুলল্লাম
তবে উপরে রিটন ভাই এর মন্তব্যের সাথে আমার প্রাণের কথা মিলে যাওয়ায় বেশ পুলকিত বোধ করছি, কারণ মিষ্টি গোত্রের মাঝে আমি আজীবন বুন্দিয়া ভক্ত । এই ছবিটা দেখে কেমন লাগছে তা আর বলতে চাচ্ছি না ।
নীলকমলিনী আপা, আপনি কি রেসিপিটা এখানে শেয়ার করবেন, প্লীজ
আর উচ্ছলা, আপনি খুব মিষ্টি একটা মেয়ে
(ছবি দেখে তাই মনে হল আর কি!)
আমার ছবি তো মিষ্টিই, আমি এম্নিতেও মিষ্টি
আপনাকে ধন্যবাদ ছবির 'সঠিক' বিশ্লেষনের জন্য। ভাল আছেন? 
আপনে মিষ্টি মানে কি আপনার ডায়াবেটিস? তাইলে কেম্নেকি?
(খাবারের ছবিগুলোর জন্য মাইনাচ। আর আপনাদের ছবির জন্য পেলাস।)
যদি ভাব কিনছ আমায় ভুল ভেবেছ...
সাবেকা,
এই আমার ইমেইল
আপনার ইমেইল পেলে রেসিপি দিয়ে দিব। আমি আন্দাজে বানাই। খুব ভাল লাগে বলে ২৫ বছর আগে এক্জনের কাছ থেকে হাতেকলমে শিখেছি।
আপনার ভাল লেগেছে জেনে ভাল লাগল।
অশেষ ধন্যবাদ আপা ।

এক্ষুনি মেইল করে দিয়ে দিচ্ছি
সাবেকা, আমি সরি আমার ইমেইল হল
not neelkomolini.
Thanks.
আমারেও ছিছি কইরেন
আপনে আমারে ফর্ওয়ার্ড করেন তো।
ইমেইল নেই। মিসেস উদাস কে দুবার মেইল করেছি, উত্তর না পেয়ে ভেবেছি, ভুল জায়্গায় গেছে।
এখানে মন্তব্য করা ঠিক না, এমনিতেই রোজার মাস
দারুণ!
আমাদের কিন্তু সেই ফাঁকে একটা ছোট সচলাড্ডা হয়েছে টেমসের পাড়ে, পড়ে জানানো হবে।
আর নিউইয়র্কের আড্ডায় আসব যদি আগে জানতে পারি।
facebook
নিউইয়রকে আমার বাসায় হবে, সামারে, আগেই জানিয়ে দেব। মনে হচ্চে অনেকই আসবে ।
অণু তুমি আমেরিকায় আসবা? আসো আসো। তাত্তারি আসো। চরম উদাস দা-কুড়াল নিয়ে রেডী। আর আমার একটা ভাল মানের ড্যাগার আছে
যদি কামটা সত্যি করতে পারেন তাইলে আমারে না নিয়া আপনাদের করা একের পর এক সচলাড্ডার সব অপরাধ ভুলে যাব। কসম কইতাছি।।।
যদি ভাব কিনছ আমায় ভুল ভেবেছ...
খাবারের ছবি্র জন্য কষে মাইনাস উচ্ছলাকে। অন্য ছবিগুলা ভালো হয়ছে
। কয়েকজন সচলকে দেখে বেশ ভালো লাগছে।
মাইনাস খাইতে যে এত্ত সুখ, আগে ঝান্তাম না রে বন্দনা-সুন্দরী
পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ। বেহালা-প্র্যাকটিস কেমন যায়?
আড্ডা - গল্প - ছবি চলতে থাকুক
।
।
মেহেবুবা ভাবি প্লিজ আপনার প্রাণহরার রেসিপিটা শেয়ার করবেন কাইন্ডলি, এই মিষ্টিটা আমার খুব প্রিয়
আড্ডা - গল্প - ছবি চলতে থাকুক
।
।
মেহেবুবা ভাবি প্লিজ আপনার প্রাণহরার রেসিপিটা শেয়ার করবেন কাইন্ডলি, এই মিষ্টিটা আমার খুব প্রিয়
মেইল আইডিঃ
অনেক ধন্যবাদ

মেহবুবা ভাবীর কাচ্চীর রেসিপি পাওয়ার জন্য আমিও অনেক বিনয়-টিনয় দেখাচ্ছি। দেখা যাক কি হয়
উচ্ছলা আপনি রেসিপি পেলে সেটাও শেয়ার করার অনুরোধ রইল। আর দেখুন, আপনি কত বাহারি রকমের খাবারের ছবি-টবি দিলেন কিন্তু তাসনীম ভাই কোন ছবি তো দিলেনই না উল্টো বলছেন যে আপনার বাসায় নাকি আমাদের দাওয়াত। সত্যি নাকি?
তাস্নীম ভাইয়া ইজ ঠু কাইন্ড; উনি আমার রান্না-বান্নাকে সচলে এন্ডোর্স করেছেন

আপ্নারা দলে দলে আমন্ত্রিত। বোনাসঃ মেহবুবা ভাবীর বাসায় ওপেন-ইনভিটেশন। উনার বাসায় যেতে লাগে পনের মিনিট
লেখা এবং কমেন্ট পড়িয়া যারপরনাই আনন্দিত। তবে খাবারের ফটু দেখিয়া মাঝপথে চরম ক্ষুধাক্রান্ত হইয়াছিলাম। বাধ্য হইয়া মাঝপথে ফ্রিজ হইতে মিস্টির ডিব্বাখানি আনিয়া কম্পুর নিকটে সংস্থাপন করিতে হইয়াছে!!
সব্বাইকে দেখেই খুব ভাল লাগছে (খাবারের ছবি দেখে কেমন লাগছে তা বলব না) । তবে মেহবুবা আপাকে দেখে সবচেয়ে ভাল লাগছে ।
দেখাই যাচ্ছে মহিলা সচলরা (“পুলিশ” বলিনি কিন্তু ) মহা সুন্দরী ! শুধু তাই না । তারা, শুধু রান্নাই করে না, ভাল বাড়েও
অটঃ তাসনীমের কি সমস্যা ? মাথায় “সান হেট” কেন ?
__________________________________________
জয় হোক মানবতার ।। জয় হোক জাগ্রত জনতার
নতুন মন্তব্য করুন