ফ্রেশ ফল-ফলারী নিয়ে ‘বাড়াবাড়ি’ করাটা একটি স্বাস্হ্যকর বদভ্যাস। এই ব্যাপারটি ইদানিং আমাকে ‘পেয়ে’ বসেছে। তাতে ভালোই হয়েছে; প্রতিদিন নিত্য নতুন ফল আর সব্জীর নিজস্ব রঙ-রূপ-জৌলুশ মন আর চোখ ভরে দেখা ‘Hobby ’ হয়ে যাচ্ছে।এবং তেল-ঝাল-ঝোল-মশলার বদলে তাজা ফল আর সব্জীর সঙ্গে আমার ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচব না’ সম্পর্ক প্রতিদিন গাঢ় হচ্ছে।
রঙ্গীন ফলফলারী দিয়ে কত রকমের ‘ম্যাজিক’ যে করা যায়, তা আমার মত ম্যাজিশিয়ান মাত্রই জানে। নিজেকে ম্যাজিশিয়ান বলে দাবী করি না, কেননা এ সত্য আজ সুপ্রতিষ্ঠিত।(বিশ্বাস না হলে এদিক ওদিক জিজ্ঞেস করে দেখুন, প্লীজ) 
দেশে, বিদেশে অনেক বাংলাদেশীকেই বলতে শুনেছি, ‘ফল আমার দুই চোক্ষের বিষ!’ (আল্লাহ্ বলে কী?!) বিশেষত আমাদের দেশের মায়েদেরকে দেখেছি এক টুকরো ফল বাচ্চাকে খাওয়ানোর জন্য বাড়িময় বাচ্চার পেছনে ছুটোছুটি করছে সে। খুব সৌভাগ্যবতী সেই মা যার শিশু এমনিতেই জবরদস্তীবিহীনভাবে ফল খেতে ভালবাসে। আমার ননদের খাওয়া-নিয়ে-চরম-হেনস্তাবাজ শিশুপুত্রটিকে দেখেছি, ফলমুল একটু ট্রান্সফর্ম করে, সুন্দর করে সাজিয়ে সামনে দিলে গাপুস-গুপুস করে খেয়ে ফেলে।
ফলফলারী এমনিতেই রঙে-রূপে-পুষ্টিতে ভরপুর। একে আরেকটু সুন্দর করে, মনের মাধূরী মিশিয়ে নিজের ও আপনজনের জন্য পরিবেশন করলে ক্ষতি কি?- (কোনো ক্ষতি নেই। শতবার পরিক্ষীত আমার ব্যক্তি জীবনে।) শুধু পেট ভরলেই তো হবেনা। চোখেরও তৃপ্তি চাই বৈকি।
ফলে যাবার আগে গোলাপ ফুল নিয়ে একটি এক্সপেরিমেন্টের ফল আপনাদের সাথে শেয়ার করি। গোলাপ পাপড়ি ভক্ষনযোগ্য -শুনেই সঙ্গে সঙ্গে মাথায় কূ-বুদ্ধি চাপলো। ‘কূ-বুদ্ধি’র সৌন্দর্য্য দেখে তো আমি নিজেই মুগ্ধ!

আমার কূবুদ্ধি শুনে আপনি আমার ‘পার্টনার ইন ক্রাইম’ হয়ে যান আজ থেকেই
এজন্য যা করতে হবে তা হলো, জগ ভরে পানি-চিনি-লেবুর রস মেশান। সঙ্গে কয়েক ফোটা গোলাপ জল। এই বেহেশ্তি মিশ্রন পপসিকল্ মোল্ডে ঢালুন। ফ্রীজারে রাখুন এক ঘন্টা। পানি সামান্য ‘কঠিন’ হতেই আগে থেকে ধুয়ে রাখা গোলাপ পাপড়িগুলো কাঠি দিয়ে মোল্ডের ভেতর ছড়িয়ে দিন। (ধীরে! গোলাপ পাপড়ির খোঁচা, ঠুয়া খাবার অভ্যাস নেই।) এবার কাঠি বসিয়ে দিন।নয়/দশ ঘন্টা ফ্রীজারে রাখুন।
বি.দ্র. বানিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ করা গোলাপ যা আপনি ফ্লোরিস্টের কাছ থেকে কেনেন তা মোটেই ‘খাদ্য’ নয় কেননা এতে আছে কীটনাশক এবং অনান্য উপাদান যা ফুলের জন্য হয়তো দরকারী কিন্তু আপনার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। (ব্যক্তিগতভাবে পরিচর্যা করে, কীটনাশক ব্যবহার না করে যদি গোলাপ ফোটাতে পারেন, সেই গোলাপ দিয়ে এই পপসিকল্ বানাবেন প্লীজ।)
পেঁপে, আম, ব্লেন্ডারে দিয়ে, ‘স্মুদি’ বানিয়ে, একটার পর একটা স্তর সাজিয়ে গ্লাসে ঢাললে চোখ, মন, পেট সব ভরে যায়।

চিনি/মধু মিশিয়ে নিন ফলের সাথে, যদি আপনার দাঁত ইতিমধ্যে খারাপ না হয়ে থাকে, ডায়াবিটিস না হয়ে থাকে। একটি স্তর বানাবার পর গ্লাসটি পনের মিনিট ফ্রীজে রাখুন। স্তরটি একটু সলিড হবে তাহলে পরবর্তী স্তরটি ধারন করতে।(কমন সেন্স।)

ড্র্যাগন ফ্রুট নামে একটি রূপসী ফল আছে। হাল্কা মিষ্টি, সামান্য কুড়মুড়ে চাইনীজ এই ফলটি ব্লেন্ড করে এবং ছোট ছোট করে কেটে খেতে খুব মজা। সাথে আম ব্লেন্ড করে নিন। এক্সট্রা মজা 

কিউয়ি, কলা, কমলা, রাস্পবেরি। আপনার শিশু, শিশুর বাবাকে এই প্লেট দিয়েই দেখুন কী ঘটনা ঘটে !

এই ‘সৌন্দর্য্য’কে কিভাবে 'না' বলা যায়? আছে কার এ হিম্মত? আম, স্ট্রবেরিজ ব্লেন্ড করে নিন। পপস্ মোল্ডে ঢেলে দিন আস্তে আস্তে। সাদা লেয়ারটি নারকেলের দুধ। (মূল্যবান ট্রিকঃ প্রতিটি লেয়ার পনের/বিশ মিনিট ফ্রীজে রাখলে তা পরবর্তী লেয়ার ঝামেলাবিহীনভাবে ধরে রাখে। নইলে ধেবড়ে আউলা ঝাউলা, বিতিকিচ্ছিরি কান্ড হয়ে যাবে।)

যে কোনো সবুজ রঙের ফল জুস বানিয়ে এভাবে ‘ম্যাজিক’ করা যায়।আমি নিয়েছি হানি ডিউ।(গ্রীষ্মের দাবদাহ কুপোকাৎ।)

পেঁপে আর তরমুজকে সামান্য শৈল্পিক চেহারা দিন। দেখুন কি রোমহর্ষক সৌন্দর্য্য !
সামান্য চিনি বা মধু ছিটিয়ে দিলে ফলাফল আরও চরম হয়! ‘Melon baller’ একটা কিনে ফেলুন দেরী না করে।আর একটু সাহসী হয়ে, সামান্য কাট-ছাট করে তরমুজের খোলসটিকেই সার্ভিং-ডিশ বানিয়ে ফেলুন। (সৃষ্টির আনন্দের দাম বিলিয়ন ডলার।)

লাল, সবুজ, হলুদ রঙের ফলগুলো পেস্ট বানিয়ে চিনি মাখিয়ে নিন। চ্যাপ্টা ট্রে বা প্লেটের উপর ফয়েল পেপার বিছিয়ে কাঠের কাঠি রেখে তারপর ইচ্ছেমত ডিজাইন করে ললিপপ বানান। (শিশুর ফল না খাবার বাহানা নাকোচ করার অব্যর্থ ঔষধ এটি।)
স্ট্রবেরিজ, আম, কিউয়ি, জাম ইত্যাদি রংবাহারী ফল পাতলা করে স্লাইস করে নিন। পপসিকল্ মোল্ডে দিন। এরপর এতে চিনি-পানির মিশ্রণ ঢেলে দিন। স্প্রাইট বা এ জাতীয় রঙবিহীন পানীয়তেও ভাল কাজ হবে।

আর এই হল তার সম্পূর্ন রঙ্গীন ফলাফল !
এ ধরনের আরও কিছুমিছু 'আইডিয়া' হাতের কাছেই পেয়ে যাবেন। (সুন্দর খাবার দাবারের রেসিপি লুকিয়ে রাখা কাপুরুষতার আরেক নাম।)
মাঝে মধ্যে নিজ দায়িত্বে এরকম ‘ম্যাজিক’ না বানালে লাইফ পানসে হয়ে যাবে না? আপনজনের গ্রীষ্মের প্রতিটি ‘বিখাউজ’ দিন হয়ে উঠুক ঝলমলে, আনন্দে ভরপুর আপনার নিজ হাতে বানানো এসব এক্সক্লুসিভ গিফট্ পেয়ে। কত সময়, পরিশ্রম, ভালবাসা দিয়ে এসব বানান আপনি ওদের মুখে হাসি দেখতে; অন্য কারো আনা অন্য কোনো গিফটের সাধ্য আছে আপনার এই আন্তরিক 'প্রচেষ্টার' সাথে হাউকাউ করার?
মন্তব্য
রেসিপি লুকায়ে রাখে নারী, আর লুকিয়ে রাখলে তাকে কাপুরুষতা বলে--এটা কোন বিচার?
ছবি দেখে চোখ রসগোল্লা হয়ে গেল।
ওইটা টাইপো হয়েছে। কাপুরুষ এর জায়গায় কানারী হবে।
প্রকৃতিপ্রেমিক,
আপ্নার চোখ রসগোল্লা করার জন্য আমাকে তীব্র ধিক্কার ! অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্ট পড়েছেন বলে ।
ফল নির্যাতন এর অভিযোগে আপনাকে গ্রেফতার করা উচিৎ
ওরকম হিম্মতওয়ালা গ্রেফতারকারীর জন্ম হয় নাই এখনও।
পোস্ট পড়ার জন্য ধন্যবাদ নিন
ফলগুলো না জানি কত ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছে
আপনার রান্নাবান্না বিশেষ করে সাজানোর আইডিয়া সত্যিই দুর্দ্ধান্ত
কী অসাধারণ চেহারা হয়েছে একেকটার
এই মধ্যরাতে কই পাই এইসব
চমৎকার পোষ্ট আপু। ট্রাই দিবো
--------------------------------------------------------
আমি আকাশ থেকে টুপটাপ ঝরে পরা
আলোর আধুলি কুড়াচ্ছি,
নুড়ি-পাথরের স্বপ্নে বিভোর নদীতে
পা-ডোবানো কিশোরের বিকেলকে সাক্ষী রেখে
একগুচ্ছ লাল কলাবতী ফুল নিয়ে দৌড়ে যাচ্ছি
অসংখ্য ধন্যবাদ
আগামীকাল ইফতারে যেকোনো এক্টা বানিয়ে দেখতে পার ।
বুড়া হয়া গেসি চক্ষে ভুলভাল দেখি আজকাল। রেসিপি পোস্ট বাংলায় দেখলাম নাকি?! স্ক্রল করে উইঠা আবার দেখি খাড়াও।
(দুর্দান্ত পোস্ট যথারীতি)।
..................................................................
#banJamaat
বাহারি রঙ , রঙের বাহার । চক্ষুদা ( চোখের খুদা ) জাগ্রত হইল। রান্না আসলেই শিল্প ; পোস্ট পড়ে ধারনা পাকাপক্ত হল।
//সারাজীবন
ধন্যবাদ
বুঝছি, তোমার একটা ব্লেন্ডার আর পপ্সিকল মোল্ড আছে।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
আমার স্ট্যাশে আরও ম্যালা কিছু আছে গো
যা নেই তা হলো বুন্দিয়া বানানোর স্পেশাল 'হাতা'। এটা এক্সক্লুসিভলী পাবনার কারিগর দিয়ে কাস্টম-মেইড হতে হবে। (তথ্যসূত্রঃ নীলকমলিনী আপা)
আমি তো জানতাম যে কোন টিনের কৌটার তলায় পেরেক মেরে ফুটা ফুটা বানিয়ে ফেললেই হয়!
, যা ছিলো সব বছর খানেক দান খয়রাত করে দিছি। আবার সংসার হইলে রান্ধা বাড়া ধরব:)
আমার এখন কোন সংসার পাতি নাই
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
টিনের কৌটার তলায় পেরেক মেরে ফুটা ফুটা বানিয়ে 'হাতা' বানানো সবাই পারে না। কেবল পাবনার কারীগরেরা পারে। নাইলে নীলকমলিনী আপা এ্যালাবামা থেকে পাবনায় গিয়ে দুইটা হাতা কিনবে কেন?
তোমার কাপ-কেক ডেকোরেশন কোর্স কেমন যায়? অনেক দিন কেক খাওয়াও না যে
আমি যদি একটা কেক ডেকোরেশানের উপর পোস্ট লিখে ফেলি, সেটা কি বেশি ফুটানি মারা হয়ে যাবে? লইজ্জা লাগে
কেক-কুক খাওয়ার লোক নাই আশে পাশে, তাই আর বানানো হয় না।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
প্লীজ কেক ডেকোরেশানের উপর একটা পোস্ট দাও। নান্দনিক বিষয় নিয়ে ইয়ে করাটা মোটেই ফুটানি নয়।
অসাধারন। আর কিছু বলতে পারছি না। এই পিচ্চি মেয়েটির এত গুন, প্রতিদিন সকালে উঠেই ভাবি আজকে উচ্ছলা কি রেসিপি দেবে।
আমার একটা প্রশ্ন আছে উচ্ছলার কাছে, তোমরা দুজনেই অনেক সচেতন খাবার ব্যাপারে, এত যে খাবার বানাও সেগুলো কে খায়?
বুড়ো বয়েসে তোমার কাছাকাছি থাকবো, যাতে রান্নার অভাবে খাবারের কষ্ট না হয়।অই বয়েসে যেতে আমারত বেশী দেরী নেই।
খাবার তো পরিমানে খুবই সামান্য বানাই। যেদিন বানাই ঐ দিনেই টাটকা টাটকা খেয়ে শেষ
খাওয়া বেশি হয়ে গেলে সেদিন একটু বেশী ব্যায়াম করি। ব্যস।
নিজেকে বুড়ো বলবেনা। অসাধারণ তরুন, সুন্দর তোমার মন, মুখশ্রী এবং জীবন যাপন।
আমাকে আজীবন কাজে-অকাজে পাশে পাবে। গ্যারান্টিড। ( Love you too )
আর হ্যাঁ, 'পিচ্চি মেয়ে' বলবে না আমাকে; আশে পাশে তাকিয়ে দেখ, লোকে কত সুন্দর আমাকে 'মাদাম', 'ম্যাডাম' বলে ডাকে।তুমি আমার এই সুখে পানি ঢালবে না।
সবলা নারীর কবলে পড়ে অবলা ফলগুলার এ কি দশা!
টেক্সাসের ধারে কাছে গেলে আপনার বাসায় গিয়ে এইসব খেয়ে আসতে হবে।
---
মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়
নিশ্চয়ই। বাসায় কি খান না খান, টেক্সাসে এসে ভাল-মন্দ দুটো খেয়ে যেয়েন
---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।
নাহ, আপনি আসলেই একটা জিনিয়াস। শুধু রুচি নয় আর আপনার চোখও আছে বটে মাদাম।
আকাশভরা সূর্য-তারা বিশ্বভরা প্রাণ
তাহারি মাঝখানে আমি পেয়েছি মোর স্থান।।
"জিনিয়াস" ……. বলছেন? ……. ঠিকাছে মেনে নিলাম
। অনেক অনেক ধন্যবাদ প্রাণখোলা প্রশংসার জন্য।
দারুণ পোস্ট আপু
চরম চরম চরম!!!
_________________________________
একজীবনের অপূর্ণ সাধ মেটাতে চাই
আরেক জীবন, চতুর্দিকের সর্বব্যাপী জীবন্ত সুখ
সবকিছুতে আমার একটা হিস্যা তো চাই
_________________________________
।। রিসার্চ ইন্টারফেস ।।
পূর্ণ দৈর্ঘ্য রঙিন ম্যাজিক !

প্রফেশনাল ম্যাজিশিয়ানরাও সালাম ঠুকে যাবে।
অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ
যাক বাংলায় ফেরা হল তাহলে।
বললাম আপু রোজার মাসটা শেষ হোক, তা না, একের পর এক রং বেরঙ্গের পোস্ট দিয়েই চলেছেন। আর আপনার গুন মুগ্ধ পাঠকের সংখ্যা বাড়িয়ে যাচ্ছেন।
---------------------------------------------------------
ভাঙে কতক হারায় কতক যা আছে মোর দামী
এমনি করে একে একে সর্বস্বান্ত আমি।
বাংলা বা ইংলিশ যেটাতেই লিখি না কেন, সচলেই আছি। মূখ্য ব্যাপার হলো সেটাই
ধন্যবাদ নিন পোস্ট পড়ার জন্য।
রোজার মাসে এমনেই কাজ করতে মন চায়না তারপর এইসব ছবি। বাংগালির যে মানবতা নাই- এইটা বুঝনের জন্য কি আর হিউম্যান রাইট নিয়া কাজ করতে হয়, সচলায়তনের পোস্ট দেখলেই বিলকুল বোঝা যায়।
আপু আমি মোটামুটি পুষ্টিকর সকল খাদ্য অন্তর থিকা অপছন্দ করি। কিন্তু আপনার প্রস্ততকৃত ফল-মূলের ছবি দেইখ্যা প্রথমবারে মত "ফল খাইতে মুঞ্ছায়" টাইপের অনূভূতি হইছে।
ধন্যবাদ।
বেশি করে ফল খান, মেদ-ভূঁড়িকে দূরে হটান
পার্টনার ইন ক্রাইম হয়ে গেলেম গো............. আপনি সত্যি জিনিয়াস
টেক্সাস-ফেক্সাস বুঝি না, শিগগির স্বাদ আস্বাদনের ব্যবস্থা করেন।
নইলে

-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
ফেসবুক -.-.-.-.-.- ব্যক্তিগত ব্লগ
এরকম হুমকি ধামকি দিলে, ইটা নিক্ষেপনের ভয় দেখালে কি রান্না করার সদিচ্ছা থাকে ?
হায় হায়!
রাগ করবেন না পিলিজ... এই নেন
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
ফেসবুক -.-.-.-.-.- ব্যক্তিগত ব্লগ
ধিক্কার জানিয়ে গেলাম এই পোস্টে। এইসব আজে বাজে পোস্ট দেয়ার কারণে আপনাকে ব্যান করা হউক।
(গুড়)
__________
সুপ্রিয় দেব শান্ত
সহমত with all my heart 'n soul
দারুণ দারুণ
আপনার পোস্ট দেখে রান্নার প্রতি আগ্রহ জন্মাচ্ছে
ছবিগুলো কিভাবে তুললেন এইটা একটু বলেন তো। ব্যাক্গ্রাউন্ড কালো থাকায় সুন্দর ফুটেছে। তবে এগুলো খেতে যে পুরাই বিতিকিচ্ছিরি তাতো বুঝতেই পারছি
তবে এগুলো খেতে যে পুরাই বিতিকিচ্ছিরি তাতো বুঝতেই পারছি
-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-.-
ফেসবুক -.-.-.-.-.- ব্যক্তিগত ব্লগ
সাফি,
ওল্ড-স্কুল মেথডঃ সার্ভিং ডিশের নিচে কালো কাপড়, ব্যাকড্রপ হিসেবেও কালো কাপড়। (কালো ওড়না টু বি প্রিসাইস)
আফসোস ছাড়া আর কিছুই করার নাই কারন বাংলাদেশে থাকি । কমবেশি সব ফলেই হয় ফরমালিন নয় কার্বাইড । তার সাথে অবশ্য বোনাস থাকে পেস্টিসাইড । এই বছর আম খাওয়াই হয়নাই বলতে গেলে এই কারনে ।কীটনাশক দেয়া হয়না এমন কোনও আম বাগান আছে কিনা আমার সন্দেহ।
আপুকে ধন্যবাদ ।
আপ্নাকেও ধন্যবাদ সময় নিয়ে পোস্ট পড়ার জন্য
পুরা অমানুষিক একটা পোস্ট।
তাই তো দেখছি।

তেল-ঝাল-ঝোল-মশলার বদলে তাজা ফল আর সব্জীর সঙ্গে আমার ‘তোমাকে ছাড়া বাঁচব না’ সম্পর্ক প্রতিদিন গাঢ় হচ্ছে।

facebook
রোযা-রমযানের দিনে চোখ-মন-পেটের উপর এই রকম অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাই

লেখায় ও ছবিতে
ধন্যবাদ সময় নিয়ে পোস্ট পড়ার জন্য, নাঈম
কিছু পুরনো ছবি ও ব্যবহার করেছেন এই থ্রেডে। ওই মোজাইক ফ্লোর এর মতো দেখতে যে.. সাদার মাঝে কালো ছিট... ওটা কি?
এই ব্যাপারে আপনি সবসময় ই সাকসেসফুল
ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম।
__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;
শেষেরটা ছাড়া বাকি সবগুলোই তো ব্র্যান্ড নিউ ফটো
ঐটা ড্র্যাগন ফ্রুট
শেষের দুইটা
__________________________
বুক পকেটে খুচরো পয়সার মতো কিছু গোলাপের পাঁপড়ি;
চ্রম নির্যাতন মূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পোস্ট, বিশেষ গোষ্ঠি ও মহলের ইন্ধন থাকতে পারে-
হ ।
দিক্কার!!
---------------------
আমার ফ্লিকার
খাব!
এগুলো বানানো খুব সহজ। ঝটপট বানিয়ে প্রিয়জনকে নিয়ে একসাথে খান
দেখেই আরাম লাগছে, খেতে না জানি কতই মজা!!!
মাহিন,
মারাত্মক।
তবে ফলগুলোর জন্য দুঃখ হচ্ছে। ফল নির্যাতনকারী মেলন বলারের বিচার চাই।
________________________________________
অন্ধকার শেষ হ'লে যেই স্তর জেগে ওঠে আলোর আবেগে...
দেখেন এ্যামাজনকে বুঝিয়ে সুঝিয়ে যদি 'মেলন বলারের' বিক্রি বাট্টা দুনিয়াময় বন্ধ করতে পারেন। আমার কি? আমার তো অলরেডি একটা আছেই
ধন্যবাদ নিন পোস্ট পড়ার জন্য। আশা করি আপনার ভালো আছেন, ভাইয়া।
বাকরুদ্ধ!

________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
তিথীমনি করে কী !
আমি সঅঅঅব খামুউউউ!!
-----------------------------------------------
'..দ্রিমুই য্রখ্রন ত্রখ্রন স্রবট্রাত্রেই দ্রিমু!'
সঅঅঅব খায়ালান। দুই দিনের দুনিয়া।
অনেকদিন ধরেই পপসিকল মোল্ড কিনবো ভাবছিলাম, দোকানে গিয়েও কেনা হত না। সেদিন আপনার ইংরেজি পোস্ট দেখার পরে আর ধৈর্য থাকলো না, পল্লবকে দেখিয়ে সাথে সাথে অর্ডার দিলাম অ্যামাজনে, আর আসার পরের উইকেন্ডে একগাদা ফল কিনে আনলাম। এখন ফ্রিজে সবসময় আছে হোমমেড পপ, আজ আছে তাজা ফলের কুঁচি লেবুর শরবতে।
মেলন বলার অবশ্য শিশিরকণা আপুর কাছে দেখে আগেই কিনেছি, আর তরমুজের খোলকে এইরকম বাটি বানিয়ে সার্ভ করতাম নিজেই। (আসল কথা একদিন দাওয়াতে ফল দেওয়ার মত ভালো বাটি ছিল না, নেসেসিটি ইজ দি মাদার অফ ইম্প্রোভাইজেশন
)
___________________
রাতের বাসা হয় নি বাঁধা দিনের কাজে ত্রুটি
বিনা কাজের সেবার মাঝে পাই নে আমি ছুটি
তুমি তো দেখি রকস্টার টাইপের মেয়ে !
আমিও লাউ, কুমড়ো, আনারস দিয়ে এরকম বাটি বানাতে পারি।
________________________________________
"আষাঢ় সজলঘন আঁধারে, ভাবে বসি দুরাশার ধেয়ানে--
আমি কেন তিথিডোরে বাঁধা রে, ফাগুনেরে মোর পাশে কে আনে"
তুমিও রকস্টার
চমৎকার!! আমার এবং আমার ছেলের মত ফলবিমুখদের জন্য মারাত্বক ফলদায়ক হবে মনে হচ্ছে।
আপনাদের ঐদিকে জাম পাওয়া যায় নাকি? ঐদিন বৌকে বলতেছিলাম অনেকদিন জাম খাওয়া হয় না। আহ্ কাচা মরিচ সহযোগে জাম ভর্তা!! দেশী, চিন্কু, ইন্ডি, পিন্ডি কোন দোকানেই জাম দেখলাম না। আপনে জাম পাইলেন কৈ?
এই পোড়া দেশে জাম পাবেন কই? যা দেখছেন তা ব্লুবেরি, এমনিতে খেতে খারাপ না, তবে আমি কী না ফলভক্ত মানুষ, বাঙি ছাড়া সব ফলই আমার প্রিয়। তবে জামের কথা চিন্তা করলে ব্লুবেরি মুখে রুচবে না।
___________________
রাতের বাসা হয় নি বাঁধা দিনের কাজে ত্রুটি
বিনা কাজের সেবার মাঝে পাই নে আমি ছুটি
ক্লোন৯৯,
এখানে 'ইন্দোপাক' (!) নামের বাংলাদেশী স্টোরে ফ্রজেন জাম এসেছে।
তবে ছবির পপ্সে আপনি ব্লুবেরীজ দেখতে পাচ্ছেন
ফুলাপা (টিউলিপ ফুল আপা) আমিওতো তাই কৈ, জাম আসলো কোথ্থেকে? ফলাপা (উচ্ছলা ফল আপা)-র পোস্টে লেখা দেখলাম স্ট্রবেরিজ, কিউয়ি, আম, জাম ইত্যাদি বাহারি রংয়ের ফল তাইতো মনটা উচাটান দিয়া উঠল জাম খাবার জন্য
আমি কিন্তু আসলেই ভাবছিলাম ছবিতে জাম। ব্লুবেরি-বুরি দিয়া কি আর জামের তুলনা হয়।
আর ফ্রোজেন জাম!! ডরাইছি।
ফ্রোজেন জাম জিনিসটা ভালু পাই. ট্রাই কইরা দেখতে পারেন.
..................................................................
#banJamaat
বইলছেন!! ঠিকাছে নেক্সটাইম জ্যাকসন হাইটস/জ্যামাইকা গেলে খোঁজ দ্যা সার্চ মারুম
খাইসে!

আপনি ভাই পুরাই অমানুষ!!
...........................
একটি নিমেষ ধরতে চেয়ে আমার এমন কাঙালপনা
মেনে নিলুম
আমার প্রশ্ন মানুষ ফ্রুটস খায় কেম্নে? আমি পেয়ারা-জাম-আম-কাঁঠাল-জামরুল-কদবেল ভর্তা ছাড়া আর কিছুরে ফ্রুটস হিসাবে গণ্য করি না! এইরকম অত্যাচারের কারণে দুনিয়ার ফলসমাজের পক্ষ থেকে তীব্র পেতিবাদ! এখন আবার ফুলের পিছনে লাগছেন!!! গোলাপ পাপঁড়ি কী সুস্বাদু হবে? দুনিয়াতে মানুষ আর কিছুই খাওয়া বাদ দিলনা
গোলাপেরও রক্ষা নাই আর! পেমিকরা এই পোস্ট দেখলে ফুল না কিনে গোলাপ-আইসক্রিম গিফট করে ভালবাসা জানানোর চিন্তা করতে পারে!
(একটা ব্যবসায়িক আইডিয়া দিলাম
)
-------------------------------------------------------------
জীবন অর্থহীন, শোন হে অর্বাচীন...
শুধু গোলাপ নয় আরও অনেক রকমের ফুল কেবল মাত্র খাওয়ার জন্য বানিজ্যিক ভিত্তিতে চাষাবাদ করা হয়। এই দেখুন ।
পোস্ট পড়ার জন্য কৃতজ্ঞতা
আমার মতো গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্যে রেসিপি কোই গো উচ্ছলা???
------------------------------------------------
পাক জমানায় ভালোই ছিলাম
উঁচিয়ে চিবুক কয় যদি কোনও কাগু
পশ্চাদ্দেশে লাত্থি ঝাড়ুন কষে
সাফ বলে দিন- ভাগ ব্যাটা তুই ছাগু।।
দেখি একটা আস্ত পোস্ট গ্যাস্ট্রিক রোগীদের জন্যে রেসিপি দিয়ে সাজানো যায় কি না।
ভালো আছেন?
জ্বী, আমি ভালো, ধন্যবাদ। আপনারা কেমন আছেন?
ঠিকাছে, সম্পর্ক যতো খুশী গাঢ় করতে থাকুন। কিন্তু প্রাচীন মুরুব্বীদের বলা কথাগুলো্ও যেনো মনে থাকে-
------------------------------------------------
পাক জমানায় ভালোই ছিলাম
উঁচিয়ে চিবুক কয় যদি কোনও কাগু
পশ্চাদ্দেশে লাত্থি ঝাড়ুন কষে
সাফ বলে দিন- ভাগ ব্যাটা তুই ছাগু।।
আমার আম্মারে দেখাইলাম ছবিগুলা। মুগ্ধ হয়ে গেছে। নিজেও দুয়েকটা বানানোর ধান্ধা করতেছে এখন। যাই হোক, আপনের কল্যাণে যদি কিছু খাইতে পাই, আর কি চাই!
আম্মা না বানিয়ে দিলে উপোস কর নাকি?! নিজে বানাতে শিখবে কবে? বয়স তো কম হলো না !
আম্মাকে শুভেচ্ছা
আমি তো ভাবলাম উচ্ছলাপু বাংলা লেখা ভুলেই গেছেন!!
এই দেশে ফলের সাথে কিছু কেমিক্যাল একবারে মুফতে মিলে যায়। যেমন কার্বাইড, ইথাইলিন, ফর্মালিন ইত্যাদি। এসবের ভয়ে তো খুব রঙিন ফল খাওয়াই ছেড়ে দেবার জোগাড় হয়েছে।
এ সমস্যা সমাধানের একটাই পথঃ বাসার ছাদে, বারান্দায়, উঠানে ফলের গাছ লাগান। আমার বাবা-মা এবং শাশুড়ি ফল চাষ করেন সেই আদ্দিকাল থেকে। আম-জাম-কাঁঠাল-লিচু-ডালিম-ফলসা-পেয়ারা-ডাব-সুপারী-পেঁপে-আতা-বেল। পুরনো মানুষ যা পারে, মডার্ন মানুষরা তা কেন পারবে না?
ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য
নীড়পাতায় দুইটা পোস্ট একদম পর-পর আসছে, প্রথমে "সাদা কালো" তারপরেরটার নাম "রঙ"।
~!~ আমি তাকদুম তাকদুম বাজাই বাংলাদেশের ঢোল ~!~
আইস্ক্রিম খাওয়া ছেড়ে দিছি তাই কোন আফসুস লাগছেনা আপনার খানাদানার ছবি দেখে। আমের স্মুদি করে প্রায়ি খাই, তবে একবারে দুই তিনটা ফল ট্রায় করে দেখিনি, এবার থেকে দুইটা ফল দিয়ে ট্রায় করে দেখবো আপনার মত করে। ছবিগুলা দারুন।
আপনার একটা চোখ-জুড়ানো সবুজ পোস্ট আছে। ওটা আমার খুব প্রিয়
ব্যাচেলর মানুষ একলা একলা থাকি আর তাকে এইরকম সুন্দর মজার মজার খাবার দেখানো কি ঠিক তাও এই রোজা- রমজানের মাসে।
খুবই সুন্দর পোষ্ট। কোন দিন বউ পাইলে তাকে এই লেখা দেখাই বলবো বানায়ে দিতে।
-- সুদীপ
বরং বৌকে নিজেই বানিয়ে দেখিয়ে দিন না আপনি কতটা রোম্যান্টিক আর ক্রিয়েটিভ
এসব কিছু হইলো? সারাদিন খালি খাই খাই না! আর নিজে নিজে খেয়ে ছবি তুলে সুন্দর করে সবাইকে লোভ দেখানো
ছবিগুলোয়
সচলে বর্ণবাদ নিষিদ্ধ। আমি জেব্রা-মডু হিসেবে আপনার জরিমানা কল্লুম।
ব্যাপক ভীত হলুম !
ড্রাগন ফ্রুট পছন্দ করি। আপনার কায়দায় বানিয়ে দেখব একদিন।
আচছা

আপনার এই রঙিন ফলমূল, শাকসব্জীর পোস্টগুলো হৃদয় হরণকারি। আমার গিন্নিতো আপনার ফেসবুকে এই বিষয়ক পোস্ট দেখে, আপনার হাতের তৈরি খাবার খাওয়ার বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
প্রশংসার জন্য এত্তগুলো ধন্যবাদ
কেমন আছেন ?
'গিন্নি' আন্টিকে ধন্যবাদ আর বলে দিয়েন যে, আমি দেশে যাই বা আপ্নারা এখানে আসুন, রান্নার কাজটা আমিই করব
শুভেচ্ছা।
নতুন মন্তব্য করুন