অনিকেত প্রান্তরে ভেসে বেড়াই...
শিরোনামে সব বলে দিয়েছি
আমার ভাবনার কোনো সীমানা নাই। কারো ঘরেই অনুপ্রবেশ বাঞ্ছা নাই আমার।
৯৬/৯৭ এর দিকে এক রাশিফল ম্যাগাজিনে নিজের রাশির ব্যক্তিত্বে খুঁজে পাই 'মৃন্ময়- মাটির মতন'। সেদিন থেকেই শব্দটা মনে গেঁথে যায়। ভুলতে পারিনি... সত্ত্বাটাকেও তেমন করে গড়ে তোলার মনোভাব মজ্জাগত হয়ে যায়।
লেখালেখি তেমন করিনি। শৈশব, কৈশোর কেটেছে হবিগঞ্জ শহরে। জীবনকে নিজের চোখে চেনা ঢাকায় এসে। কলেজ জীবন কেটেছে নটর ডেম কলেজে। দু'একজন বন্ধু কবিতা লিখতো। ওদের দেখাদেখি আমিও একটা দুটো লিখেছি। কলেজের 'ব্লু এন্ড গোল্ড' ম্যাগাজিনে একটা কবিতাও ছাপা হয়েছিলো :)। এরপর বেশ ক'বছর লেখালেখি করিনি।
হ্যাঁ, অনেক উপন্যাস, গল্প পড়েছি। প্রথম উপন্যাস পড়েছি যখন তৃতীয়/চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ি- বুদ্ধদেব গুহের "বাজা তোরা, রাজা যায়"। বইয়ের নেশা পেয়ে বশে আচ্ছামত। এর কিছুদিন পরেই নিজের জমানো টাকা দিয়ে প্রথম বই কিনি শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের "মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি"। শীর্ষেন্দুর প্রায় সব শিশুতোষ উপন্যাস-ই পড়ে ফেলি। বাদ দিইনি সুনীল, বুদ্ধদেব। কবিতা প্রিয় ছিলো না। পাঠ্য বইয়েই সীমাবদ্ধ কবিতার গন্ডি। গত ৬/৭ বছর যাবত কবিতার বই অনেকগুলো সংগ্রহে। পড়ি সবকিছু... বাংলাদেশী, পশ্চিমবঙ্গীয় আর অনুবাদ। অন্য ভাষার বইও বাদ যায় না। ইদানীং পড়া অনেক কমে গেছে। তাই বলে পাঠকের মৃত্যু ঘটেনি...
গান অসম্ভব প্রিয়, আজও। নিখাঁদ ভালোবাসা। স্কুল জীবনে সুমন, অঞ্জনের গান শুনেছি অনেক। বাদ দিইনি নচিকেতা। আজও ভালো লাগে সুমন, অঞ্জন। কলেজ জীবনের আগে ব্যান্ডের গান প্রিয় ছিলো না। এখন তো সব প্রিয়.. সর্বভুক শ্রোতা...
জুলাই ২০০৬ হতে ব্লগজীবন শুরু হয় সামহোয়ারইনব্লগে। লেখালেখির জীবন।
জুলাই ২০০৭ সচলায়তনে যোগ দিই। সাহিত্য জগতে নাম নিই মৃন্ময় আহমেদ।
ছদ্মনামকরণের কারণ "হারিয়ে যাওয়া"। সবার অগোচরে লেখালেখি শুরু। পরিবারের কেউ জানতো না, বন্ধুদের কেউ ও না। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে প্রথমে বন্ধুরা, পড়ে পরিবারের সবাই জানতে শুরু করে ব্যাপারটা। হাসি পায় আমার... অনেক লেখা লিখে ফেলেছি এ ক'বছরে। বেশীরভাগই কবিতা। হাহ্! কবি হয়ে গেলাম নাকি!!!!