http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=news&pu...
মূলত পরিচিত কয়েকজন ব্লগার ইন্টারনেটে বাংলায় ভাষায় একটি কাঠামো দাঁড় করার ভাবনা শুরু করেন ২০০৬ সালের মাঝামাঝি সময়ে এসে। তখন বাংলা ইউনিকোড প্রযুক্তি হাতের নাগালে অতোটা আসেনি। এস এম মাহবুব মুর্শেদ ও অরূপ কামাল একটি অনলাইন পরিবর্তক ও লেখনী তৈরি করেন, যার সাহায্যে প্রচলিত ব্যবস্থায় (যেমন বিজয়) লিখিত কোনো বাংলা লেখাকে ইউনিকোডে রূপান্তরিত করা যায় এবং প্রচলিত কির্বোড লেআউট ব্যবহার করেই অনলাইনে লেখা যায়। এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়। পাশাপাশি কিছু কম্পোজিং সফটওয়্যার (যেমন অভ্র) বিনামূল্যে অনলাইনে পরিবেশিত হয়। ফলে ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, প্রভৃতি ব্লগিং সার্ভিসগুলোতে বাংলায় ব্লগিং হঠাৎ খুব সহজে সম্ভব হয়ে ওঠে। এ সুবিধার কথা মাথায় রেখেই সচলায়তনের কাঠামোটি তৈরির পরিকল্পনা করা হয়।
ধারণাটি নিয়ে নিজেদের মধ্যে মত বিনিময় শুরু হয়েছিলো ২০০৬ এর মাঝামাঝি, সচলায়তনের জন্যে ডোমেইন কেনা হয়েছিলো অগাস্ট ২০০৬ এ, তবে সচলায়তনের মূল কাঠামো দাঁড় করার ব্যাপারটি বেশ একটা ঝোঁকের মাথায় খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে শেষ করা হয় ২০০৭ এর মে মাসে।
সাড়ার ব্যাপারটা যদি পাঠকের সংখ্যা দিয়ে বলেন, মন্দ নয়। জুলাই ১, ২০০৭ থেকে জুন ৩১, ২০০৮ পর্যন্ত পরিসংখ্যানটি দেখতে পারেন।
সচলায়তন অনেকখানি আবদ্ধ কাঠামো, যে কেউ চাইলেই নিবন্ধন করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন না, বা মন্তব্য প্রকাশ করতে পারেন না, নইলে হয়তো সাড়া আরো বেশি হতো।
সচলায়তন মডারেটেড ব্লগ বলে এর মডারেশনের কাজে প্রায় দুই অংকের একটি মডারেশন টীম নিয়োজিত থাকেন। যেহেতু সচলায়তনের মডারেটরগণ সচলায়তনে নিয়মিত ব্লগিংও করে থাকেন, তাই ব্যক্তি সচল এবং মডারেটর এই দুই পরিচয় প্রকাশ হয়ে পড়লে নৈতিক দ্বন্দ্বের সৃষ্ট হতে পারে। তাই এদের পরিচয় গোপন রাখা হয়।
সচলায়তনের মডারেশনে জড়িতরা অধিকাংশই ২০০৫ থেকে বাংলা ব্লগিং করে আসছেন একসাথে। বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থায় এদের দৃঢ়তা এবং নেতৃত্ব প্রমাণিত। এরা বিভিন্ন রঙের নাম ব্যবহার করে মডারেশন নোট এবং ব্যাখ্যা প্রদান করেন।
সচলায়তনের মডারেটররা কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট এবং সক পাপেটিং এড়াতে অলিখিতভাবে নিচের কয়েকটি পন্থা অনুসরণ করেন:
১। নিজের পোস্ট বা কমেন্টের ক্ষেত্রে মডারেশন থেকে বিরত থাকেন
২। এক পোস্টে একাধিক ভূমিকায় অবতীর্ণ হন না
৩। কোনো বিতর্কে জড়িত থাকলে, মডারেটরদের আলোচনায় সক্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বিরত থাকেন।
৪। মডারেটর একাউন্ট থেকে তর্ক করে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন না।
এছাড়া যোগাযোগের প্রয়োজনে কয়েকজন মডারেটর নিজ নামে সচলায়তনে অবস্থান করলেও তাদের ক্ষেত্রে উপরোক্ত বিষয়গুলো প্রযোজ্য।
মডারেটরদের সাথে যোগাযোগ করতে হলে contact এট sachalayatan ডট com ইমেইল করতে পারেন।
সচলায়তন নিবন্ধিত সদস্যদের জন্য বেশ ব্যবহারবান্ধব। সচলায়তনের গঠনপ্রক্রিয়াটি নিয়মিত চলমান, সদস্যদের পরামর্শ অনুযায় ফীচার যোগ, বিয়োগ বা পুনর্গঠন করা হচ্ছে অহরহ। অসদস্যদের মূলত মন্তব্যের অধিকার রয়েছে কেবল। এছাড়াও অতিথিরা একটি একাউন্ট (লগইন guest_writer, পাসওয়ার্ড guest) ব্যবহার করে কিছু ব্লগ পোস্ট করে তাদের অবদানের স্বাক্ষর রাখতে পারছেন।
সচলায়তনের পাঁচটি ডোমেইন রয়েছে। তিনটি ইংরেজী এবং দুটি বাংলা। তাছাড়া একটি হোস্ট প্রদত্ত ডোমেইনও রয়েছে। এগুলো হল:
১। sachalayatan.com
২। sachalayatan.net
৩। sachalayatan.org
৪। সচলায়তন.com
৫। সচলায়তন.net
৬। sachalayatan2.xen.prgmr.com
ডোমেইন নাম গুলি হল আসলে মানুষের মনে রাখার মত একটি নাম। এটি ব্রাউজারের ভিতরে দিলে নামটির সাপেক্ষে আইপ সংখ্যা বলে একটি সংখ্যায় পরিবর্তীত হয়ে আপনাদের কাছে ওয়েবসাইটটি আসে। সচলায়তনের ক্ষেত্রে এই সংখ্যাটি নির্ধারিত।
যদি কোন একটি ডোমেইন কাজ না করে তাহলে অন্যগুলি ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
সচলায়তন ব্লগে স্বতস্ফূর্ত, ভাবনা উদ্দীপক লেখার আধার হতে চায়। এক একটি লেখা যেন মানুষকে ভাবায়, প্রশ্ন জাগিয়ে তোলে মানুষের মনে, নতুন উদ্যোগের ভাবনা যেন বেরিয়ে আসে বিতর্কের মধ্য দিয়ে। এটুকুই আপাতত ভবিষ্যতের ভাবনা।
প্রথমত, আপনাকে নিবন্ধনের পর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে সচল হবার জন্য। আপনাকে সচল করা হলে আপনি একটি ইমেইল পাবেন আমাদের কাছ থেকে। তার আগে আপনি লগইন করতে পারবেন না।
আপনি যদি সচল হয়ে গিয়ে থাকেন অথচ লগইন করতে না পারেন তাহলে নিচের নির্দেশনাগুলি দেখুন। আর যদি ইতোমধ্যে সচল না হয়ে থাকেন তাহলে অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। এ ব্যাপারে আপনাকে বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে। আপনার আগ্রহ ও ধৈর্য্যের জন্যে আপনাকে ধন্যবাদ।
দ্বিতীয়ত, আপনার বাংলা নাম লগইন হিসেবে ব্যবহার করুন। বাংলা কীভাবে লিখতে হয়, তা জেনে নিন এখান থেকে: http://www.sachalayatan.com/to_write_bangla।
অথবা ইংরেজি লগইন নামও ব্যবহার করতে পারেন। যদি টেক্সট বক্সে বাংলা আসে তাহলে ESCAPE চেপে ইংরেজী করে নিন।
পাসওর্য়াডের বক্সটি ইংরেজি, অর্থাৎ এটি সচলায়তনের অন্যান্য টেক্সট বক্সের মত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংলা হয়ে যায় না। তাই এখানে কিছু করার দরকার নেই। এমনকি অভ্র বা অন্য কোন বাংলা লেখার প্রোগ্রাম চালু থাকলে সেগুলোও বন্ধ করে দিন। তারপর ইংরেজি পাসওয়ার্ডটি লিখুন।
নিবন্ধনের সময় যদি অভ্র ব্যবহার করে পাসওর্য়াডটিকে বাংলায় দিয়ে ফেলেন তাহলে আবার বিপদ। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে নিবন্ধনের সময় আপনি যে ইমেইল এড্রেস ব্যবহার করেছিলেন, সেখান থেকে একটি ইমেইল ছুঁড়ে দিন বা এ, আপনার বাংলা এবং ইংরেজি লগইন নাম সহ।
আপনার অসুবিধার জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
মেন্যুতে বাম দিকে "আমার অ্যাকাউন্ট"-এ ক্লিক করুন। তারপর "সম্পাদনা" ট্যাবে ক্লিক করে "অ্যাকাউন্টের খুঁটিনাটি" আর "প্রোফাইল"-এ ক্লিক করে একে একে আপনার তথ্যগুলো দিন।
ইংরেজি লগইন তৈরী করতে "আমার অ্যাকাউন্ট" > "সম্পাদনা" ক্লিক করলে দেখবেন "ইংরেজি লগইন" নামে একটি অপশন আছে এখানে ইংরেজিতে আপনার পছন্দের লগইন নাম লিখুন।
আগের বাংলা এবং এই ইংরেজির যে কোনোটি ব্যবহার করে লগইন করা যাবে। তবে সব জায়গায় আসল নামটিই দেখাবে।
সচলায়তনে অতিথি লেখকদের অ্যাকাউন্টের অধিকার "অতিথি লেখক" অ্যাকাউন্টটির অধিকারের সাথে জড়িত। "অতিথি লেখক" অ্যাকাউন্টটি একই সাথে একাধিক অতিথি ব্যবহার করতে পারেন বলে ইতোপূর্বে কিছু সমস্যা দেখা দিয়েছে। জনৈক দুর্বৃত্ত অতিথি এই অ্যাকাউন্টের সম্পাদনা সুযোগ ব্যবহার করে ভিন্ন অতিথিদের ৮টি লেখা ডিলিট করে দেয়, যার প্রেক্ষিতে অতিথি লেখকের অ্যাকাউন্টে নিজের লেখা সম্পাদনার সুবিধাটি রহিত করা হয়।
সচলায়তনের পরবর্তী আপগ্রেডে অতিথি সচলরা, অর্থাৎ যেসব অতিথির নিবন্ধিত নিক অতিথি হিসেবে সচল করা হয়েছে, তাঁদের নিজের লেখা সম্পাদনার অধিকার যুক্ত করা হবে।
না।
সচলায়তনের সদস্যরা কোন রকম মডারেশনের মধ্য দিয়ে না গিয়েই লিখতে পারেন। তাঁদের লেখা ও মন্তব্য সরাসরি প্রকাশিত হয়, মডারেশন ফিল্টারের মধ্য দিয়ে যায় না। তবে তাঁদের কোন লেখা বা মন্তব্য যদি সচলায়তনের প্রচলিত রীতি ও নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তবে মডারেটররা সেই লেখা বা মন্তব্য প্রথম পাতা থেকে সরিয়ে দেন বা অপ্রকাশ করেন। ক্ষেত্রবিশেষে কিছু লেখা বা মন্তব্যে প্রকাশিত তথ্য সংবেদনশীল বলে গণ্য হলে তা কেবল সচলায়তনের সদস্যদের পাঠের জন্যে রেস্ট্রিক্ট করা হয়।
সচলায়তনের যাঁরা অতিথি, তাঁদের লেখা মডারেটর প্যানেলের সদস্যরা পড়ে প্রকাশ করেন। যদি সে লেখা বা মন্তব্য সচলায়তনের নীতিমালা লঙ্ঘন করে, তবে সে লেখাটি প্রকাশিত হয় না।
আপনার জন্মদিনটা টুকে রাখুন সচলায়তনে। তাহলে আগামী জন্মদিনে আপনার নাম, সচলায়তন থেকে জন্মদিনে আপনাকে শুভেচ্ছা এবং একটি পোস্টকার্ড পাঠানো হবে।
এটি সেট করতে 'আমার অ্যাকাউন্ট' > 'সম্পাদনা' > 'প্রোফাইল' > 'জন্মদিন' এ যান।
যেহেতু এটা সাইটের প্রথম পেজে দেখানো হবে তাই, চাইলে আপনি না-ও ব্যবহার করতে পারেন। তবে কোনো সদস্য আপনার বয়স বা জন্মসাল জানতে পারবে না।
অতি সম্প্রতি সচলায়তনে ফ্লিকার থেকে ছবি-ধারা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটা চালু করতে আপনার একাউন্ট সম্পাদনায় যান। লগইন করার পর উপরে হাতের ডানে আপনার নামে ক্লিক করলে আপনার প্রোফাইল পেইজ দেখতে পাবেন। সেখানে সম্পাদনা ক্লিক করলে আপনার uid.'/edit', array('title' => 'প্রোফাইল পেইজ সম্পাদনা'), NULL, NULL, TRUE, TRUE);?> করতে পারবেন।
স্ক্রল করে নীচের দিকে আসুন। পেইজ মাঝামাঝি এক জায়গায় "FlickrHood User Settings" দেখতে পাবেন। সেখানে আপনার ফ্লিকার ইউজার নেইম অথবা ফ্লিকার ইমেইল এড্রেস দিন। পেইজটি সংরক্ষণ করুন। এবার আপনার প্রোফাইল পেইজে অথবা ব্লগে হাতের ডানদিকে ফ্লিকারে আপলোড করা ৮ টি ছবি দৈবচয়ন করে দেখান হবে। শুধুমাত্র PUBLIC অপশন নির্বাচন করা ছবিগুলোই দেখা যাবে। একটি উদাহরণ পাবেন এখানে।
এছাড়া uid, array('title' => 'আপনার ফ্লিকার পেইজ'), NULL, NULL, TRUE, TRUE);?> আপনার সবছবি ব্রাউজ করা যাবে। এই লিংকটি আপনার প্রোফাইলেও পাবেন।
ফিচারটি এখনও বেটা পর্যায়ে আছে। ভবিষ্যতে এটি বন্ধ করা হতে পারে।
Step: 1
First of all, you need to install support for Windows complex script to view complex Asian characters like Bangla. You can download it from here (alt). Run it and install.
Step: 2
Install an Unicode Bangla font. You can download a nice Bangla font from here. Download it and copy that file into Control Panel > Fonts. After copying the font press F5 twice. It will refresh the font list Window.
Step 3
Configure you browser so that it uses your newly installed Bangla unicode font.
You are DONE after browser configuration.
For more in this issue under different Operating systems, visit this Wikipedia page or see this post.
সচলায়তন এবং বর্তমানে প্রায় সমস্ত বাংলা ওয়েবসাইট ইউনিকোডে তৈরী। তাই নতুন কম্পিউটারে আপনাকে একবার বাংলা ইউনিকোড সেটআপ করতে হবে। এতে করে ইউনিকোডে তৈরি সব বাংলা সাইট পড়বার উপযোগী হয়ে যাবে।
পদক্ষেপ ১
বাংলা ঠিক মতো দেখাতে উইন্ডোজে কমপ্লেক্স স্ক্রিপ্ট ইন্সটল করতে হবে। না করা থাকলে, ফায়ারফক্স বা মোজিলা এবং কখনও কখনও ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারও সমস্যা করে। কমপ্লেক্স স্ক্রিপ্ট পাবেন এখানে বা এখানে
পদক্ষেপ ২
এবার প্রয়োজন একটি ভালো ইউনিকোড ফন্ট। ফন্ট পাবেন এখানে । ফন্টটি ইন্সটল উইন্ডোজের ফন্ট ফোল্ডারে কপি করে কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ফন্টস এ ক্লিক করুন। তারপর F5 চাপ দিন দুবার। এতে ফন্ট রিফ্রেশ হবে।
পদক্ষেপ ৩
এবার আপনার ব্রাউজারকে এই ফন্টটিকে চিনিয়ে দিন বাংলা বর্ণ হিসেবে।
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্যবহার করলে,টুলস>ইন্টারনেট অপশনস মেনুতে গিয়ে ফন্টস এ ক্লিক করুন। এবার ল্যাংগুয়েজ স্ক্রীপ্ট বেঙ্গলি এবং ওয়েবপেজ ফন্ট BNG সিলেক্ট করুন।
ফায়ারফক্স ব্যবহার করলে, টুলস > অপশনস মেনুতে গিয়ে কনটেন্টস ট্যাবে ক্লিক করুন। এবার ফন্টস অ্যান্ড কালারস সেকশনের অ্যাডভান্সড বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফন্টস ফর = বেঙ্গলী, সেরিফ=BNG, স্যান সেরিফ=BNG এবং মনোস্পেস = BNG সিলেক্ট করুন ।
ব্যস বাংলা সেটাপ হয়ে গেল। এরপর আপনার মোটামুটি নিচের ছবির মতো দেখতে পাওয়া উচিত সচলায়তনকে:
সচলায়তন যেমনটা দেখা উচিত
You can use install Avro to write Bangla in Sachalayatan. However, it is also possible to write Bangla anywhere in Sachalayatan without installing any software in your computer. Just go to any text field of Sachalayatan any follow the instructions below.
সচলায়তনে যে কোন টেকস্ট বক্সে সহজেই বাংলা লেখা সম্ভব। যে কোন টেক্সট ফিল্ডে গিয়ে শর্টকাট KEY চাপুন।
অনেক সময় বাংলা লেখার সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা আপনাকে অভ্র বাংলা কিবোর্ড টুলটি ব্যবহার করতে বলবো। অভ্র বাংলা কিবোর্ড টুল ডাউনলোড করুন এখান থেকে। এছাড়া একটি অনলাইন লেখনী ও কনভার্টার পাবেন এখান থেকে।
নিচের ভিডিওটি আপনাকে বাংলা মন্তব্য যোগ করার ব্যাপারে সহায়তা করবে।
সচলায়তন আপনাকে বাংলা লেখা ব্যবহারের সর্বোত্তম অভিজ্ঞতা উপহার দেবার জন্যে বদ্ধ পরিকর। সে কারণে অন্যান্য বাংলা ওয়েবসাইটের মত নির্দিষ্ট একটি ফন্ট ব্যবহারের বদলে সচলায়তনে আপনি আপনার পছন্দের যে কোন ফন্ট এবং তার আকৃতি বেছে নিতে পারবেন।
এটি করতে আপনি প্রথম পেইজ বাদে যে কোন পোস্টে চলে যান। প্রথম পেইজ বিভিন্ন ধরনের উপাত্তের জন্য জায়গা বাঁচাতে এটা করা হয়েছে। যে কোন পোস্টে ঢুকলে আপনি দেখবেন হাতের ডানে উপরে লেখার আকার নামে একটি ব্লক রয়েছে। সেখানে + বা - চিহ্ন ক্লিক করে আপনি লেখার আকার বাড়িয়ে বা কমিয়ে নিতে পারবেন। = চিহ্নটি ক্লিক করলে আবার সেটি আগের আকারে ফিরে আসবে।
ফন্ট বদলাতে টেক্সটবক্সে সঠিক ভাবে ফন্টের ইংরেজী নাম টাইপ করে "যাও" ক্লিক করুন। তাহলে সেই ফন্টটি সেট হয়ে যাবে। কোন ফন্টের সঠিক ইংরেজি নাম জানতে আপনার কন্ট্রোল প্যানেলের ফন্ট ফোল্ডারে যান এবং স্ক্রল করে পছন্দের ফন্টের কাছে যান। সেখানেই সেই নামটি দেখতে পাবেন।
আপনাদের সুবিধার্থে বহুল প্রচলিত কিছু ইউনিকোড বাংলা ফন্টের নাম এখানে দেয়া হল। এটাকে কপি পেস্ট করলেই কাজ করবে।
এছাড়া এখান থেকে বা এখান থেকে জিপিএল লাইসেন্সের অধীনে যে কোন ফন্ট ব্যবহার করতে পারেন।
তাছাড়া ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে ডাইনামিক ফন্ট পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার কম্পিউটারে কোন ফন্ট ছাড়াও দেখার ব্যবস্থা করতে কিছু ওপেন সোর্স ফন্টের ব্যবস্থা আছে সচলায়তনে। সেগুলো ব্যবহার করলে কোন ফন্ট ইনস্টল করা ছাড়াই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার থেকে সচলায়তন পড়তে পারার কথা।
| ক | খ | গ | ঘ | ঙ | চ | ছ | জ | ঝ | ঞ | ট | ঠ | ড | ঢ | ণ |
| k | kh/K | g | gh/G | Ng | c/ch | C | j | jh/J | NG | t | th | d | dh | N |
| ত | থ | দ | ধ | ন | প | ফ | ব | ভ | ম | য | র | ল | ||
| T | Th | D | Dh | n | p | ph/f | b | bh/v | m | z | r | l | ||
| শ | ষ | স | হ | ৎ | ড় | ঢ় | য় | ঁ | ং | ঃ | ||||
| sh | S | s | H | tt | R | Rh | y | NN | ng | HH |
| অ | আ | া | ই | ি | ঈ | ী | উ | ু | ঊ | ূ |
| ao | A | a | I | i | II | ii | U | u | UU | uu |
| এ | ে | ঐ | ৈ | ও | ো | ঔ | ৌ | ঋ | ৃ | |
| E | e | OI | oi | O | o | OU | ou | WR | wr |
| যুক্ত | হসন্ত | র-ফলা | ব-ফলা | য-ফলা | রেফ | zwj | zwnj | । | ॥ | + | + | +r | +b/+w | Y | r+ | ~ | ` | . |
| ক | খ | গ | ঘ | ঙ | চ | ছ | জ | ঝ | ঞ | ট | ঠ | ড | ঢ | ণ | ত | থ | দ | ধ | ন | প | ফ | ব | ভ | ম |
| k | K | g | G | M | c | C | j | J | & | t | T | d | D | n | f | F | q | Q | N | p | P | b | B | m |
| য | র | ল | শ | ষ | স | হ | ৎ | ড় | ঢ় | য় | ঁ | ং | ঃ | |||||||||||
| Z | r | l | x | S | s | h | * | R | X | z | > | : | H |
| অ | আ | া | ই | ি | ঈ | ী | উ | ু | ঊ | ূ | এ | ে | ঐ | ৈ | ও | ো | ঔ | ৌ | ঋ | ৃ |
| A | v | a | I | i | E | e | U | u | W | w | y | [ | Y | { | o | ] | O | } | V | < |
| যুক্ত | হসন্ত | র-ফলা | ব-ফলা | য-ফলা | রেফ | zwj | zwnj | । | ॥ |
| / | /- | /r | /b | /Z | r/ | ` | ~ | . | | |
| ক | খ | গ | ঘ | ঙ | চ | ছ | জ | ঝ | ঞ | ট | ঠ | ড | ঢ | ণ | ত | থ | দ | ধ | ন | প | ফ | ব | ভ | ম |
| j | J | o | O | q | y | Y | u | U | I | t | T | e | E | B | k | K | l | L | b | r | R | h | H | m |
| য | র | ল | শ | ষ | স | হ | ৎ | ড় | ঢ় | য় | ঁ | ং | ঃ | |||||||||||
| w | v | V | M | N | n | i | | | p | P | W | & | Q | \ |
| অ | আ | া | ই | ি | ঈ | ী | উ | ু | ঊ | ূ | এ | ে | ঐ | ৈ | ও | ো | ঔ | ৌ | ঋ | ৃ |
| F | gf | f | gd | d | gD | D | gs | s | gS | S | gc | c | gC | C | gx | x | gX | X | ga | a |
| যুক্ত | হসন্ত | র-ফলা | ব-ফলা | য-ফলা | রেফ | zwj | zwnj | । | ॥ |
| g | g` | z | gh | Z | A | ~ | ` | G | gG |
ফায়ারফক্সের এই বাগের জন্য ভার্সন ২.০.০.৭ এর আগের গুলোতে ঘাপলা করবে। ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ৭.০ এ ঠিক দেখাবে। ভিস্তার এপ্লিকেশনগুলোতেও ঠিক দেখাবে। তাই ফায়ারফক্সের লেটেস্ট ভার্সন বা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের লেটেস্ট ভার্সন ব্যবহার করুন।
বিভিন্ন কির্বোডে র্যাব
----------------------
ইউনি - v`Zfh
অমুক - v`Zfh
ফোনেটিক - r`Yab
প্রভাত - r~/Zab
মাউস দিয়ে - র zwnj য-ফলা আ-কার ব
মুক্তি আর লিখন ফন্ট ব্যবহার করলে এটা ভেঙ্গে যায়। তবে সচলায়তনে ব্যবহৃত বাকি ফন্টগুলি ঠিক আছে। আর সচলায়তন ছাড়াও এই 'কি' গুলো অন্য যেকোন জায়গায় কাজ করার কথা।
সচলায়তন ইউনিকোড লেখা ব্যবহার করে। পুরোনো লেখাগুলি সাধারণত ইউনিকোডভিত্তিক হয় না। তাই সেগুলোকে ইউনিকোডে বদলাতে হয়।
সচলায়তনের অভ্যন্তরীন প্লেইন টেক্সট কনভার্টার
পুরোনো লেখা ইউনিকোডে বদলাতে প্রথমে আপনার পুরোনো লেখা পেস্ট করুন টেক্সটবক্সে। তারপর পেস্ট করা লেখা সিলেক্ট করে টেক্সটবক্সের উপর "বদলাও" চাপুন। কোন ধরনের লেখা সেটা বলে দিন bijoy, bij, bangsee, bang, boisakhi, boi, bornosoft, borno বা nukta, nuk এভাবে। তারপর ওকে ক্লিক করুন। আপনার নির্বাচিত লেখাটুকু বদলে যাবে ইউনিকোডে।
যেসব ফরম্যাট সাপোর্ট করা হয়ে থাকে, সেগুলি হচ্ছে
পুরোনো লেখা বদলে নিন সচলায়তনেই
সচলায়তনের অভ্যন্তরীন রিচ টেক্সট কনভার্টার
(বিস্তারিত আসছে)
যদি কনভার্শনে কোন সমস্যা পান তাহলে support এট sachalayatan ডট com বা contact এট sachalayatan ডট com আপনার যে টেক্সট কনভার্ট করতে চাচ্ছিলেন সেটা এবং ভুল ভাবে কনভার্ট হওয়া টেক্সট দুটোই ইমেইল করুন।
অন্যান্য কনভার্টার
এছাড়া এই অনলাইন কনভার্টার, অভ্র অফলাইন কনভার্টারও বা নিকস কনভার্টারও ব্যবহার করতে পারেন।
অংকুর বাংলা সম্প্রতি মোজিলা ফায়ারফক্সের জন্য বাংলা বানান পরীক্ষক প্রকাশ করেছে। সেটা ব্যবহার করে খুব সহজেই সচলায়তনে লেখার সময় বানান পরীক্ষা করতে পারবেন। এটি ব্যবহার করার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
এই বানান পরীক্ষকের ব্যাপারে কোন মতামত থাকলে অংকুর বাংলার ফিডব্যাক ইমেইলে জানাতে পারেন। এছাড়া অমি আজাদের টিউটোরিয়ালটাও দেখতে পারেন।
আশা করি আপনার বাংলা লেখার অভিজ্ঞতার ঝুলি দিনে দিনে আরও ভারি হবে।
যে অংশটুকু বোল্ড করতে চান সে অংশটার আগে [b] এবং পরে [/b] লিখতে হবে। একইভাবে ইটালিকের জন্য [i] এবং [/i], আন্ডারলাইনের জন্য [u] এবং [/u] এর মাঝে লেখা ঢুকিয়ে দিন।
এবার আসি একের অধিক ইফেক্ট অর্থাৎ বোল্ড ইটালিক একসঙ্গে করা নিয়ে । এক্ষেত্রে সবগুলো ট্যাগ একসাথে লিখতে হবে ।
যেমন:
রংপুকুরের নাম কেন [b]রংপুকুর [/b] হলো ।
দেখাবে, রংপুকুরের নাম কেন রংপুকুর হলো ।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
লেখা রঙিন করার জন্য বিবিকোড [=রঙের ইংরেজি নাম] ব্যবহার করতে হবে। যে অংশটুকুতে ইফেক্ট যোগ করতে চান সে অংশটার আগে [=রঙের ইংরেজী নাম] এবং পরে [/] লিখতে হবে। তবে এখানে ফন্টের যে রং দেখতে চান লিখতে হবে প্রথম [] এর সাথে।
রঙের ইংরেজী নাম এর জায়গায় লিখতে পারেন red, blue, yellow, pink ইত্যাদি। ইচ্ছে করলে হেক্সাডেসিমেল কোডও লিখতে পারেন (যেমন #F0F8FF, #FFF8DC)। যে যেটা সুবিধা মনে করেন। পছন্দমতো রঙের নাম/হেক্সা কোড এ সাইটে পাবেন ।
যেমন:
রংপুকুরের নাম কেন রংপুকুর হলো।
দেখাবে, রংপুকুরের নাম কেন রংপুকুর হলো।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
লিংক দেয়ার অটোম্যাটিক পদ্ধতি হচ্ছে লেখার টেক্সটবক্সটার উপরে লিংক বাটনে ক্লিক করা এবং সেখানে লিংকটি পেস্ট করে দেয়া। তবে কোনলেখার উপরে লিংক দিতে গেলে বাটন ক্লিক করার আগে লেখাটিকে সিলেক্ট করে নিন।
ম্যানুয়্যালি লিংক দিতে চাইলে যে লেখাটির উপর লিংক দিতে চান সেটার দুপাশে এইভাবে লিখুন: [url=এইখানে লিংকটি দিন]গুগলে যেতে ক্লিক করুন[/url]। তাহলে গুগলে যেতে ক্লিক করুন লেখাটি একটি ক্লিকেবল লিংক হয়ে যাবে।
উদাহরন স্বরূপ
[url=www.google.com]গুগলে যেতে ক্লিক করুন[/url] লিখলে সেটা দেখাবে: গুগলে যেতে ক্লিক করুন
ম্যানুয়াল এই পদ্ধতি না ব্যবহার করে যদি অটোমেটিক বাটন ব্যবহার করতে চান তাহলে প্রথমে লিখুন গুগলে যেতে ক্লিক করুন, তারপর লেখাটি সিলেক্ট করুন, লিংক বাটন ক্লিক করুন এবং পপআপ বক্সে লিংক হিসেব টাইপ করুন www.google.com।
(ক) অন্য ওয়েবসাইটের ছবি
১। উপরে "ছবি" বাটনে ক্লিক করুন।
২। অন্য ওয়েবসাইটের ছবির ঠিকানা পেস্ট করুন।
৩। ওকে ক্লিক করুন।
(খ) আপনার কম্পিউটারের ছবি
১। লেখার নিচে ছবি জুড়ে দেবার আইকনে ক্লিক করুন।
২। একটি নতুন উইন্ডো আসবে। সেখানে আপনার আগে লোড করা ছবি থাকলে সেটা ব্যবহার করতে পারেন।
৩। নতুন ছবি আপলোড করতে ক্লিক করুন "আপলোড" বাটন। ছবি ব্রাউজ করে সিলেক্ট করে ফেলুন। ছবির একটা শিরোনাম (বাধ্যতামূলক) দিন। নীচে ছবি সর্ম্পকে কোন বর্ণনা যুক্ত করতে চাইলে তা-ও করতে পারেন। তারপর সেটা সংরক্ষণ করুন।
৪। এবার যে পেজে ফিরে আসবেন সেখানে ছবির উপর ক্লিক বা ইনসার্ট ক্লিক করুন।
এরপর আপনি ফিরে আসবেন আপনার লেখায়। ছবির সাইজ ৫০০ কিলোবাইটের এর কম হওয়া প্রয়োজন। ব্যস।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
ভিডিও টিউটোরিয়াল
(গ) ফ্লিকার থেকে ছবি
ফ্লিকার থেকে চাইলে আপনার নিজ অ্যাকাউন্ট থেকে ছবি এমবেড করতে পারেন। কীভাবে তা করতে হয়, জানার জন্যে দেখুন নিচের ভিডিওটি।
লক্ষ্য করুন, ভিডিওতে প্লেইন টেকস্ট এডিটরে কিভাবে ছবি ইনসার্ট করতে হয় সেটা বলা হয়েছে। রিচটেক্সট এডিটরের জন্য ফ্লিকার কোডটি সরাসরি পেস্ট না করে রিচটেক্সট এডিটর টুলবারের 'ইনসার্ট এইচটিএমএল' বাটনটি টিপুন (পেস্ট বাটনের পাশে)। এতে করে যে উইন্ডো আসবে, কোডটি সেই উইন্ডোতে পেস্ট করুন।
লেখার আকার পরিবর্তন করার জন্য [] ট্যাগ ব্যবহার করতে হবে । যে অংশটুকু বড়/ছোট করতে চান সে অংশের আগে [=ইংরেজি সংখ্যা] এবং পরে [/] লিখতে হবে।
যেমন:
রংপুকুরের নাম কেন রংপুকুর হলো ।
দেখাবে, রংপুকুরের নাম কেন রংপুকুর হলো ।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
লেখার কোন অংশ কোন এক দিকে অ্যালাইনড দেখতে চাইলে বিবিকোড [left] [right] [center] ব্যবহার করতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
এটা কাজে লাগে যখন কোন কিছু বুলেট বা পয়েন্ট আকারে লিখবেন তখন ।
ফর্দ
এটা দেখাবে এরকম,
ফর্দ
সংখ্যাভিত্তিক লিস্ট করতে
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
নিচের টেবিলে দেখানো অ্যাক্রোনিম ব্যবহার করে স্মাইলি ঢুকিয়ে দিন আপনার লেখায়।
if(function_exists('smileys_table'))
print smileys_table();
?>
ইউবিটিউবে যে ভিডিও সচলায়তনে এমবেড করতে চান সেটা ওপেন করুন। সেখানে ভিডিও স্কৃনের ডানদিকে Embed ঘর থেকে পুরো টেক্সটটা কপি করুন। তারপর লেখার যে জায়গায় ভিডিও দিতে চান সেখানে পেস্ট করলে ইউটিউবের একটা প্লেয়ার উইন্ডো আসবে।
এ প্রসঙ্গে আরো জানতে ফরম্যাটিং গাইডবুক দেখুন।
সচলায়তনে কপিরাইটেড সঙ্গীত বা অন্যান্য জিনিস পোস্ট করা কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়। কিন্তু কোন কপিরাইটেড জিনিস আপনি অন্য কোথাও আপলোড করে দিতে পারেন। যেহেতু কপিরাইটেড সঙ্গীত বা এমপিথ্রি সচলায়তনে হোস্ট করা হচ্ছে না, তাই সচলায়তন এতে আপত্তি জানাতে পারে না।
ই-স্নিপস হচ্ছে ফাইল হোস্টিংয়ের একটি জনপ্রিয় সাইট। এখানে রেজিষ্ট্রেশন করা মাত্র পাঁচ গিগাবাইট জায়গা আপনার নামে বরাদ্দ করা হয়। আপনি এখানে ফাইল তুলে দিলে বা অন্য কেউ কোন এমপিথ্রি তুলে দিলে সেটা সচলায়তনে সহজেই পোস্ট করতে পারেন।
মনে করুন আমি ই-স্নিপসে গিয়ে hotasha নামে সার্চ দিলাম। তারপর এই লিংকটি খুঁজে পেতে ক্লিক করলাম। এখন এই গানটি আমি সচলায়তনে পোস্ট করতে চাই। তাহলে নীচের পদ্ধতি অনুসরণ করুন:
কপি করা কোডটুকু আসলে ঐ গানের একটি বিশেষ লিংক। এটাকে ব্লগ পোস্টে, বই পোস্টে বা মন্তব্যের ঘরে পেস্ট করে দিতে পারেন। এতেই কাজ হবে। যেহেতু ফাইল ইতিমধ্যে ই-স্নিপসে আপলোড হয়ে আছে তাই এটাকে সচলায়তনে আর আপলোড করতে হবে না। অর্থাৎ সচলায়তনে নতুন কোন অডিও প্রকাশ করতে হবে না কিংবা ফাইল হিসেবে সংযুক্ত করতে হবে না। শুধুমাত্র কোডটুকু ব্লগের যেখানটায় টাইপ করেন সেখানটায় পেস্ট করে দিতে হবে।
এছাড়া অন্য যেকোন ফাইল হোস্টিং সার্ভিসের অনুরূপ সুবিধা ব্যবহার করে গান পোস্ট করতে পারেন।
১। জিরো ওয়াইড্থ জয়েনার (ZWJ বা শুন্য দৈর্ঘ্যের জোড়) এর ব্যবহার
কতগুলো অক্ষর যেমন কার-বর্ণ, অনুস্বার, বিসর্গ, চন্দ্রবিন্দু হসন্ত এইগুলি সাধারণত একটা কুৎসিত গোল্লা ছাড়া লেখা যায় না ইউনিকোড কোডে। এই গুলি গোল্লা ছাড়া লিখতে হলে জিরো ওয়াইড্থ জয়েনার (ZWJ বা শুজো) নামের একটি বিশেষ অক্ষর ব্যবহার করতে পারেন।
ZWJ দুটি অক্ষরের মধ্যে বসলে তাদেরকে জোর করে যুক্ত হবার নির্দেশ করে। তাই একটা স্পেসের পরপর একটা ZWJ ব্যবহার করে গোল্লাপ্রদানকারী অক্ষর লিখলে গোল্লাটা স্পেস অক্ষরের সাথে যুক্ত হয়ে যায়।
সুত্র
গোল্লা ছাড়া অক্ষর = স্পেস + ZWJ + গোল্লাপ্রদানকারী অক্ষর
সচলায়তনের বিভিন্ন কিবোর্ডে ZWJ এর ব্যবহার
অমুক এবং ইউনি: স্পেস~Q = ং
ফোনেটিক: স্পেস~u = ু
প্রভাত: স্পেস`h = ঃ
সচলায়তনের অভ্র ফোনেটিক লেআউট এখনও এই অক্ষরটি যুক্ত করা হয়নি। "মাউস দিয়ে বাংলা" ব্যবহার করে এই ক্ষেত্রে কাজ চালাতে পারেন।
গ্যালারী
আপনার সুবিধার্থে কয়েকটি অক্ষর এখানে দেয়া হল। প্রয়োজন বোধে কপি পেস্ট করতে পারেন।
চন্দ্র বিন্দু - ঁ
অনুস্বার - ঃ
বিসর্গ - ্
আ কার - া
উ কার - ু
ঊ কার - ূ
ই কার - ি
ঈ কার - ী
এ কার - ে
ঐ কার - ৈ
ও কার - ো
ঔ কার - ৌ
ঋ কার - ৃ
২। জিরো ওয়াইড্থ নন জয়েনার (ZWNJ বা শুন্য দৈর্ঘ্যের বিজোড়) এর ব্যবহার
জিরো ওয়াইড্থ নন জয়েনার (ZWNJ বা শুবিজো) হচ্ছে জিরো ওয়াইড্থ জয়েনার-এর উল্টো। এটিও অদৃশ্য কিন্তু দুটি অক্ষরের মাঝে বসলে তাদের যুক্ত হতে দেয় না।
এর ব্যবহার হতে পারে র্যাব লিখতে। কিংবা হসন্ত লিখতে, যেমন পিটস্বার্গ।
সুত্র
যুক্ত নাহতে চাওয়া অক্ষরদ্বয় = প্রথম অক্ষর + ZWNJ + দ্বিতীয় অক্ষর
যেমন: ক-হস-ষ = ক + হসন্ত + ZWNJ + ষ
যেমন: র-ফলা = র + ZWNJ + য-ফলা
সচলায়তনের বিভিন্ন কিবোর্ডে ZWNJ এর ব্যবহার
অমুক এবং ইউনি: পিটn`gবার্গ = পিটস্বার্গ
ফোনেটিক: r`Yab = র্যাব
প্রভাত: r~/Zab = র্যাব
সচলায়তনের অভ্র ফোনেটিক লেআউট এখনও এই অক্ষরটি যুক্ত করা হয়নি। "মাউস দিয়ে বাংলা" ব্যবহার করে এই ক্ষেত্রে কাজ চালাতে পারেন।
তাছাড়া র-যফলা সংক্রান্ত এই পোস্টটিও দেখতে পারেন।
গ্যালারী
আপনার সুবিধার্থে কয়েকটি অক্ষর এখানে দেয়া হল। প্রয়োজন বোধে কপি পেস্ট করতে পারেন।
র্যাব
পিটস্বার্গ
খাচ্চড়
ডিসক্লেইমার
এই পোস্ট উল্লেখিত পদ্ধতিটি বেশ কয়েকবছর ধরে ইউনিকোডে প্রচলিত থাকলেও অতি সম্প্রতি বিভিন্ন সিস্টেমে চালু হতে শুরু করেছে। তাই সবার সিস্টেমে এটাকে সঠিকভাবে নাও দেখাতে পারে।
তবে আপনার কিবোর্ড লেআউটে ZWJ এবং ZWNJ অক্ষরদুটি থাকতে হবে। সচলায়তনে প্রায় সবগুলো লেআউটে এই অক্ষরটি আছে। এই অক্ষরটি খুঁজে না পেলে লেখার বাক্সের উপরে মাউস দিয়ে বাংলা ক্লিক করে সেখান থেকে ZWJ অথবা ZWNJ ক্লিক করুন।
ZWJ এবং ZWNJ অক্ষরদুটি অদৃশ্য। টাইপ করলে কিছু দেখতে পাবেন না। কিন্তু ব্যাকস্পেস দিলে কার্সরটা থেমে থাকবে, অর্থাৎ শুন্য দৈর্ঘ্যের এই অক্ষরটি মুছলেও কার্সরটি দৃশ্যতঃ সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকবে।
সচলায়তনে একটা লেখা লগইন করা সদস্যদের না দেখতে দিতে চাইলে রেস্ট্রিক্ট ট্যাগ ব্যাবহার করতে পারেন। [×restrict] দিয়ে শুরু করে [/restrict] দিয়ে শেষ করা অংশটুকু কোন অতিথিরা দেখতে পাবেন না।
শর্টকাটে নীচের পদ্ধতিগুলো ব্যবহার বিভিন্ন ধরণে রেস্ট্রিক্টেড অপশন পাবেন:
restrict:মডু - মডু
restrict:সচল - মডু+সচল (ডিফল্ট)
restrict:হাচল - মডু+সচল+অতিথি (অতিথি লেখক না)
restrict:সবাই - মডু+সচল+অতিথি+অতিথি লেখক সহ যেকোন নিবন্ধিত অতিথি (অনিবন্ধিত পাঠক বাদে)
restrict - মডু+সচল (ডিফল্ট)
উদাহরণ স্বরূপ শুধু মডু, সচল এবং অতিথিদের লেখা দেখতে দিলে চাইলে, [×restrict:হাচল] দিয়ে লেখা শুরু করুন এবং শেষে [/restrict] ব্যবহার করুন। শুধু মডু এবং সচলদের লেখা দেখতে দিলে চাইলে, [×restrict:সচল] দিয়ে লেখা শুরু করুন এবং শেষে [/restrict] ব্যবহার করুন।
তাছাড়া চাইলে প্রতিটি সদস্য গ্রুপের জন্য নির্দিষ্ট ভাবে লেখা রেস্ট্রিক্ট করতে পারেন। এজন্য লেখার শুরুতে [×restrict:roles=মডুরাম,গর্ভনর,সঞ্চালক,মন্তব্যমডু,লেখক,*,অতিথি] এবং শেষে [/restrict] ব্যবহার করুন। অতিথিদের না দেখতে দিতে চাইলে লেখার শুরুতে [×restrict:roles=মডুরাম,গর্ভনর,সঞ্চালক,মন্তব্যমডু,লেখক] এবং শেষে [/restrict] ব্যবহার করুন।
লক্ষ্য করুন যে এখানে roles এর ঘরে সচলায়তনের বিভিন্ন গ্রুপের নাম ব্যবহার করা হয়েছে। এখান থেকে কোন গ্রুপের নাম বাদ দিলে সেই গ্রুপ আর লেখা পড়তে পারবে না। যেমন: "*, অতিথি" বাদ দিলে অতিথিরা (নামের পাশে [অতিথি]) পড়তে পারবেন না, "লেখক" বাদ দিলে পূর্ণ সচলরা পড়তে পারবেন না।
দ্রষ্টব্য:
× অক্ষরটি মুছে ব্যবহার করতে হবে।
সচলায়তন সীমিত আকারে এইচটিএমএল ফরম্যাটিং সার্পোট করে। সেই সুবিধাটুকু ব্যবহার করে ওয়ার্ড বা অন্য প্রোগ্রামে লেখা ডকুমেন্ট এখানে পোস্ট করতে পারবেন।
ওয়ার্ড থেকে লেখা পোস্ট করার জন্য সচলায়তনের রিচ টেক্সট এডিটর সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারেন। অথবা সচলায়তনে ব্যবহৃত রিচ টেক্সট এডিটরটির অনলাইন ডেমো এডিশন ব্যবহার করতে পারেন। তৃতীয় অপশন হচ্ছে অন্যান্য যে কোন এইচটিএমএল এডিটর ব্যবহার করা।
ইউনিকোড কনভার্ট
প্রথমে শিওর হয়ে নিন যে আপনার লেখা ডকুমেন্টটি ইউনিকোডে পরিবর্তিত অবস্থায় আছে। এজন্য অভ্র কনভার্টার, নিকস কনভার্টার কিংবা বাংলা ওয়েবটুলস ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া এই পোস্টটিও দেখুন।
১। সচলায়তনরে রিচ টেক্সট এডিটর ব্যবহার করে
ওয়ার্ড ফরম্যাট বিষয়ে কিছু কথা
উপরের পদ্ধতিতে ওয়ার্ড থেকে পেস্ট করলে সমস্যা হবার কথা না। তবু নীচের বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখলে আপনার সমস্যা কম হবে বলে ধারণা করা যায়।
ওয়ার্ডে বাই ডিফল্ট ১০ পয়েন্টের একটা প্যারাগ্রাফ স্পেসিং থাকে। ওয়ার্ড ২০০৭ এ এটি পাবেন পেইজ লেআউট > প্যারাগ্রাফ > স্পেসিং: আফটার 10pt থেকে। এটাকে শূন্য করে দিন। দু প্যারার মাঝখানে একটি করে এন্টার প্রেস করে ফাঁকা করুন।
তাছাড়া বাংলার জন্য ওয়ার্ড ডিফল্ট হচ্ছে ভ্রিন্দা (Vrinda)। এই ফন্টটা দেখতে অতটা সুন্দর নয়। উপরন্তু ওয়েবে এই ফন্ট দেখতে অসুবিধে হতে পারে। তাই ওয়ার্ডে পুরো লেখা সিলেক্টেড অবস্থায় ফন্টটা বদলে বিএনজি ফন্ট করে নিন। বিএনজি ফন্ট ইনস্টল করা না থাকলে এখান থেকে ডাউনলোড এবং ইনস্টল করে নিতে পারেন।
ওয়ার্ড থেকে সচলায়তনের রিচ টেকস্ট এডিটর (এনিমেশন দেখতে ছবির উপর ক্লিক করুন)
২। রিচ টেক্সট এডিটরের অনলাইন ডোমো ভার্সন ব্যবহার করে
৩। এইচটিএমএল এডিটর ব্যবহার করে
এছাড়া কম্পিউটারে ইনস্টল করা কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে চাইলে নীচের পদ্ধতি ব্যবহার করুন। এই পদ্ধতিটার সমস্যা হলো আপনার কাছে এই সফটওয়্যারগুলোর একটি ইনস্টল করা থাকতে হবে।
অতিথিদের লেখা মডারেশন পার হয়ে আসে। তাই প্রকাশে বিলম্ব স্বাভাবিক। ২৪ ঘন্টার মধ্যে প্রকাশিত না হলে ধরে নিতে হবে, লেখাটি আর প্রকাশ করা হবে না।
মডারেশন সম্পর্কে জবাবদিহি করতে সচলায়তন কর্তৃপক্ষ বাধ্য নন।
অতিথি হিসেবে হয়ত আপনাকে বেশ কিছুদিন ধৈর্য্যের পরীক্ষা দিয়ে সচলায়তনে আসতে হয়েছে। সেজন্য আমরা আন্তরিকভাবে দুঃখিত। এ ব্যাপারে আপনার ধৈর্য্যের প্রশংসা করছি এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি। এখন প্রশ্ন হল, সচল হবার আগে অতিথি হিসেবে প্রকাশিত আপনার লেখা এবং মন্তব্যের কী হবে?
লেখাগুলি অবশ্যই আপনার ব্লগে নিয়ে আসা সম্ভব। কিন্তু সেখানে আপনার কাছে থেকে কিছু তথ্য দরকার। প্রথমতঃ অতিথি লেখকের ব্লগে গিয়ে আপনাকে আপনার প্রকাশিত লেখাগুলির লিংক জোগাড় করতে হবে। তারপর এই লিংকগুলি সহ আপনার ব্লগের লিংক আমাদের জানাতে হবে। নীচের উদাহরন দেখুন।
এভাবে তথ্যগুলি দিলে আমরা আপনার ব্লগ পোস্টগুলি সরানোর কাজ শুরু করতে পারি। তবে মনে রাখবেন: এই কাজটা করতে হয় সরাসরি ডাটাবেইজের ভিতরে গিয়ে। তাই কাজটি ঝুঁকিপূর্ণ এবং সময়সাপেক্ষ। আপনাকে অনুরোধ করব সময় নিয়ে অপেক্ষা করে এবং সময়মত আমাদের মনে করিয়ে দেবার জন্য।
সচলায়তনে আপনার সময় সুন্দর কাটুক।
খসড়া বা ড্রাফট খুঁজে বের করার জন্য "আমার কীর্তিকলাপে" ক্লিক করুন। সেখানে ফিল্টার করার একটি ব্যবস্থা আছে। ফিল্টার থেকে "draft only" পছন্দ করে ফিল্টার করলে শুধুমাত্র ড্রাফট বা খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত লেখাগুলো দেখতে পাবেন।
সার্ভারের সমস্যা একটি অনাকাঙ্খিত কিন্তু অপ্রতিরোধ্য একটি ব্যাপার। এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেজন্য আমরা সবসময় তুলনামূলক ভাবে নির্ভরযোগ্য সার্ভারে প্রায়-নিয়মিত আপগ্রেড করি। সচলায়তন শুরুর তুলনায় বর্তমানে মাসে প্রায় ছয়গুন বেশী খরচের সার্ভার ব্যবহার করছি আমরা। তাছাড়া প্রতিরাতে একবার সচলায়তন ডাটাবেইজ ব্যাকআপ করে আরেকটি সার্ভারে কপি করে রাখা হয়। তবুও সার্ভারের অনভিপ্রেত এই ডাউন টাইম এড়ানো সম্ভব হয় না।
যেহেতু সার্ভার ডাউন হলে সচলায়তনের যোগাযোগের মূল মাধ্যম বন্ধ হয়ে যায় তাই সেসময়টা সচল সর্ম্পকিত তথ্য সংগ্রহের বিকল্পমাধ্যমগুলো সচলায়তনের সদস্যদের এবং পাঠকদের জানা দরকার। এতে করে বিপর্যয়কালীন তথ্য পেতে সুবিধা হবে। তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমগুলো নীচে দেয়া হল।
টুইটার
টুইটার এই ধরনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকরী প্রমানিত হতে পারে। সচল-অর্ধসচল-পাঠক সকলে টুইটারে সচলায়তনের নিউজ স্ট্রীম ফলো করতে পারেন। সচলায়তন থেকে সময়ে-অসময়ে খুব প্রিসাইজ এবং কনসাইজ তথ্য দেয়া হবে এই চ্যানেলের মাধ্যমে।
টুইটার চ্যানেল এক্সেস করা যাবে এখানে: http://twitter.com/sachalayatan । এখানে গিয়ে আপনার টুইটার একাউন্ট থেকে সচলায়তনকে Follow করুন।
ফেইসবুক
ফেইসবুকের সচলায়তনের অনেকগুলো গ্রুপের মধ্যে প্রধান এবং অফিসিয়াল গ্রুপ হল: Sachalayatan। ফেইসবুকে লগইন করে এই গ্রুপে যোগ দিন।
এছাড়া অন্যান্য সচলায়তন গ্রুপ (রেকমেন্ডেড নয়):
পুরোনো sachalayatan.com
পুরোনো সচলায়তন.com
ই-মেইল লিস্ট
প্রথম যেবার সমস্যা হল তখন গুগল গ্রুপসে একটি ইমার্জেন্সী লিস্ট চালু করা হয়। সেটি এখনও কার্যকরী এবং উপকারী। তাছাড়া অতি সম্প্রতি সচলবার্তা নামে আরেকটি গ্রুপ চালু করা হয়েছে। এই দুটি ছাড়াও গুগল এপসের সাহায্যে বার্তা@সচলায়তন ডট কম নামে তৃতীয় আরেকটি গ্রুপ চালু করা হয়েছে। তৃতীয় এই গ্রুপটি প্রথম দুটিকে ধীরে ধীরে রিপ্লেস করবে। এই গ্রুপ তিনটিই খুব লো ভলিউম এবং ওয়ান ওয়ে কমিউনিকেশন চ্যানেল। অর্থাৎ শুধুমাত্র গ্রুপ মডারেটররা গ্রুপে ইমেইল করতে পারবেন এবং সেটাও করা হবে শুধু প্রয়োজন পড়লে।
আপনি প্রথম গ্রুপ দুটির একটিতে বা দুটিতেই ঢুকে জয়েন করতে পারেন। গ্রুপের ঠিকানা: sachal-emergency এবং sachalbarta। তৃতীয় গ্রুপটি (বার্তা অ্যাট সচলায়তন.কম) এ যুক্ত হতে হলে আমরা আপনাদের ইনভাইটেশন পাঠাবো যথাসময়ে।
সরাসরি ই-মেইল
সরাসরি contact অ্যাট sachalayatan.com এ ইমেইল করে জিজ্ঞেস পারেন। contact অ্যাট sachalayatan.com এখন গুগল অ্যাপসের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রন করা হয়। তাই সচলায়তনের সার্ভারে সমস্যা হলেও এটাতে মেইল আদান প্রদান সম্ভব হবে।
ফোন, এস এম এস, চ্যাট
আপাতত ফোন, এসএমএস আর চ্যাট এর মাধ্যমে আমরা যোগাযোগ করছি না। তবে সচলায়তনের দায়িত্বে আছেন এমন কারো ইমেইল, ফোন, এসএমএস বা চ্যাট যোগাযোগ থাকলে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন।
এছাড়া আরো কোন যোগাযোগ মাধ্যম যুক্ত হলে এই পোস্টটি আপডেট করা হবে। আপনাদের কোন পরামর্শ থাকলে এই পোস্টের মন্তব্যে বা contact অ্যাট sachalayatan.com এ জানাতে পারেন।
বামদিকের মেন্যুতে আমার সচলায়তন থেকে আমার অ্যাকাউন্টে যান। তারপর সম্পদনা ক্লিক করুন। নিচের দিকে ব্লগের টাইটেল ও ব্লগের বর্ণনা যুক্ত করার একটি করে ঘর দেখতে পাবেন সেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য জুড়ে দিন। তারপর সংরক্ষণ করুন।
আপনার সমস্যা, আব্দার বা প্রতিবাদের জন্য আলাদা করে পোস্ট দেবার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে শোনার জন্য আমরা সমস্যা ও আব্দার নামে একটি ব্লগ খুলেছি। সেখানে কমেন্টের মাধ্যমে আপনার বক্তব্য জানান।
এছাড়া এই ফর্মের মাধ্যমে বা ঠিকানায়ও সমস্যাটা আমাদের কাছে ইমেইল করতে পারেন।
তারপর অনুগ্রহ করে একটু ধৈর্য্য ধরুন। আমরা খুব সিরিয়াসলি এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেগুলো সমাধান করার চেষ্টা করি।
আপনার অ্যাকাউন্টে আপনার ব্যাপারে তথ্য দেখা এবং সেটা সম্পাদনা করার একটা সুযোগ পাবেন। এখানকার নির্দিষ্ট কিছু তথ্য অন্য কোন ব্যবহারকারী আপনার নামের উপর ক্লিক করলে দেখতে পাবে।
আপনার ব্লগ হচ্ছে ব্লগ হিসেবে প্রকাশিত আপনার লেখাগুলির একটি তালিকা। এই তালিকার লেখাগুলি যে কেউ আপনার ব্লগে ঢুকলে দেখতে পাবে।
আপনার কীর্তিকলাপ হচ্ছে আপনার সমস্ত ধরনের লেখালেখির একটি সম্মিলিত জায়গা যেটা শুধু আপনি দেখতে পাবেন। এখান থেকে আপনি আপনার ব্লগ, বই, ছবি ইত্যাদি সম্পাদনা করতে পারবেন। উল্লেখ্য যে খসড়া হিসেবে সংরক্ষিত আপনার লেখা শুধু মাত্র এখান থেকেই সম্পাদনা করতে পারবেন।
একাধিক ব্যক্তির কাছে ব্যক্তিগত মেসেজ পাঠাতে সদস্যের নাম সেমি-কোলন ';' বা কমা ',' ব্যবহার করে পরপর লিখুন। তারপর মেসেজটি লিখে সেন্ড করে দিলেই হবে।
এছাড়া বন্ধু গ্রুপ বা দল ব্যবহার করেও এ কাজটি করা যায়। আপনার বন্ধুদের তালিকায় গিয়ে এক বা একাধিক দল তৈরি করে নিন। আর বেছে নিন কোন কোন বন্ধুকে সে দলে রাখতে চান। এরপর নতুন মেসেজ লিখতে গিয়ে দলটা সিলেক্ট করে দিলেই সেই বন্ধু গ্রুপ বা দলের সবার কাছে মেসেজ চলে যাবে।
তবে মেসেজ যারা পাবে তারা জানবে না কার কার কাছে মেসেজটি গিয়েছে। তাই প্রয়োজনে মেসেজের বডিতে সেটা জানিয়ে দিন।
তাছাড়া মেসেজ লিখবার সময় দ্রুত নাম যোগ করবার লিস্ট থেকে নাম ক্লিক করলে একে এক ';' সহকারে যুক্ত হতে থাকবে। এটা যদি না হয় তাহলে ctl+F5 চাপুন।
প্রত্যেকে তার ব্যক্তিগত মেসেজের প্রেফারেন্স বাছাই করতে পারেন। বামে আপনার নামের নিচে অ্যাকাউন্ট > আমার অ্যাকাউন্ট ক্লিক করুন। হাতের ডানে উপরে সম্পাদনা ক্লীক করুন। তারপর স্ক্রল করে নীচে "ব্যক্তিগত মেসেজের টুকিটাকী"তে যান। সেখানে নিম্নোক্ত অপশন গুলো দেখতে পাবেন।
"ব্যক্তিগত মেসেজ আসতে দাও" বাক্সটা সিলেক্ট করলে সদস্যরা আপনাকে ব্যক্তিগত মেসেজ পাঠাতে পারবে। মেসেজ পেতে না চাইলে এটা ডিসিলেক্ট করে দিন।
"নতুন মেসেজের নাছোড়ভাবে জানান দেয়া" সিলেক্টেড থাকলে মেসেজ না পড়া পর্যন্ত প্রতি পেইজে স্ট্যাটাস মেসেজ দেখাবে। ডিসিলেক্ট করে দিলে আপনাকে প্রতিবার পেইজ লোডের সময় কিছু বলবে না। কিন্তু নতুন মেসেজ থাকলে আপনার ইনবক্সে একটা সংখ্যা দেখবেন।
"না পড়া মেসেজের জন্য ইমেইল প্রাপ্তি" - অপঠিত মেসেজের জন্য কখন ই-মেইল নোটিফিকেশন পেতে চান তা বাছাই করুন।
সচলায়তনের শুরুরদিকে বেতারায়তনে পাঠকদের কাছ থেকে প্রশ্ন চাইবার একটি চর্চা ছিল। সমস্যা হল সাক্ষাৎকার বিষয়টি কখনোই একশত ভাগ নিশ্চিতভাবে গ্রহণ করা সম্ভব হয় না। কয়েকবার ঘোষণা দিয়েও যে যে সমস্যার মুখোমুখি হয়েছি আমরা, সেগুলো হল:
১। সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণকারীদের সময়ের অমিল।
২। সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহনকারীদের মতের অমিল। অনেকে প্রথমে সাক্ষাৎকার দিতে রাজি হয়েও পরে পিছিয়ে যান। অনেকে সাক্ষাৎকার নেয়ার সময় সেটা আর প্রকাশে রাজি হন না।
৩। টেকনিক্যাল ত্রুটি, যেমন ফোন সংযোগ করতে না পারা, রেকর্ডারে সমস্যা হওয়া, ইত্যাদি। এইসব কারনে শেষমেষ ভালো ইন্টারভিউ নাও হয়ে উঠতে পারে।
সব মিলিয়ে পুরো ব্যাপারটি একটি অনিশ্চিত প্রক্রিয়া। বেশ কয়েকবার এমনও দেখা গেছে যে বেতারায়তনের পক্ষ থেকে পুরো প্রশ্নমালা তৈরি ছিলো, কিন্তু যার সাক্ষাৎকার নেবার কথা, শেষ মুহূর্তে তার সাড়া মেলেনি। তাই বিষয়টি খানিকটা হতাশাব্যঞ্জকও হয়ে ওঠে কখনও কখনও।
এক্ষেত্রে পাঠকদের কাছ থেকে প্রশ্ন আহবান করলে একটা দায়বদ্ধতা তৈরী হয়। সাক্ষাৎকার গ্রহন করতে না পারলে দায়বদ্ধতা একটা দুঃখজনক ব্যর্থতা বলে প্রতীয়মান হতে পারে।
এসব কারণে সচলায়তন নিজ উদ্যোগে প্রশ্ন তৈরি করে এবং সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে। এক্ষেত্রে বিফল হলেও ব্যর্থতার কষ্টটা পাঠককে অন্তত স্পর্শ করে না।
আপনাদের যে কোন পরামর্শ সাদরে গৃহীত হবে।
লেখার নিচে লেখা প্রকাশ নামে একটি ঘরে নিচের চারটি অপশন পাবেন:
প্রথম পাতায় প্রকাশিত বাছাই করলে সাধারন নিয়মে আপনার লেখা প্রথম পাতায় এবং আপনার নিজস্ব ব্লগে প্রকাশিত হয়ে যাবে।
নিজের ব্লগে প্রকাশিত বাছাই করলে আপনার লেখা শুধুমাত্র আপনার নিজস্ব ব্লগে প্রকাশিত হবে, প্রথম পাতায় যাবে না। এক্ষেত্রে যে কেউ আপনার ব্লগে ঢুকে লেখাটি পড়তে পারবে।
খসড়া হিসেবে সংরক্ষণ বাছাই করলে আপনার লেখা আপনার ব্লগে বা প্রথম পাতায় কোথাও প্রকাশিত হবে না। প্রথম পাতা বা আপনার ব্লগ কোথাও লেখাটি খুঁজে পাওয়া যাবে না। পরে লেখাটি সম্পাদনা করতে চাইলে "আমার কর্মক্ষেত্র" মেন্যুতে ক্লিক করে সেখানে আপনার সমস্ত লেখার মাঝ থেকে বের করে সম্পাদনা করতে হবে।
শ্রীঘরে পাঠাও বাছাই করলে আপনার লেখা অপ্রকাশিত হয়ে যাবে এবং আপনি ছাড়া আর কেউ লেখা দেখতে পারবে না। এটা অনেকটা খসড়া হিসেবে সংরক্ষণ করার মত, কিন্তু খসড়া লেখাকে আপনি পুনর্প্রকাশ করতে পারবেন, শ্রীঘরে পাঠালে সেটা মডারেটর ছাড়া আর কেউ প্রকাশ করতে পারবে না।
এছাড়া লেখা লিখে একটি বিশেষ দিনে বিশেষ সময়ে প্রকাশের ব্যাবস্থা রয়েছে এখানে। লেখা প্রকাশ অংশের শিডিউলে গিয়ে তারিখ ঠিক করে দিলে ঠিক ঐদিন, অতটার সময় লেখাটা প্রকাশিত হবে।
"আমার বন্ধুরা" হচ্ছে আপনার বন্ধুদের একটি তালিকা যেখান থেকে আপনি আপনার বন্ধুদের সাম্প্রতিক লেখা পড়তে পারবেন। পরবর্তীতে বন্ধুদের মধ্যে ব্যাক্তিগত আলাপন চালানোরও একটা ব্যবস্থা করা যেতে পারে।
"বন্ধুকে সচল করুন" আপনার বন্ধুকে সচলায়তনে আমন্ত্রনের জন্য গুগল-আমন্ত্রণের মতো একটি পদ্ধতি। আপনি আপনার জন্য বরাদ্দকৃত 'বন্ধু আমন্ত্রণ কোটা' ব্যবহার করে সচলায়তনের বাইরের কাউকে লেখার জন্য আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।
ইংরেজীতি আমরা এটাকে News Aggregator নামে চিনি। এটা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আরএসএস (RSS) নামের একটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে সংবাদ সংগ্রহ করে নিয়ে আসে। এর মাধ্যমে আপনি সচলায়তন থেকেই অন্য সংবাদ সংস্থা বা ব্লগের খবর পেতে পারেন।
এখানে আরো অন্যান্য ওয়েবসাইট যুক্ত করতে হলে প্রথমত ওই ওয়েবসাইটে RSS প্রযুক্তি থাকতে হবে। ওয়েবসাইটে এইরকম
একটা আইকন দেখলে বুঝবেন যে সেখান থেকে RSS প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য আনা সম্ভব।
দ্বিতীয়ত, সচলায়তনের নীতিমালার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে এবং সাইটটি গুরুত্বপূর্ণ হতে হবে। এব্যাপারে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
তৃতীয়ত, সাইটপ্রদত্ত তথ্য ব্যবহারযোগ্য হতে হবে। অনেক সময় অনেক সাইট ব্যবহারে অক্ষম তথ্য সরবরাহ করে। সেক্ষেত্রে সচলায়তনের কিছু করার থাকবে না।
এই তিনটি শর্ত ভঙ্গ হবে না, এমনটি মনে করলে "সমস্যা ও আব্দার" এ গিয়ে আমাদের জানিয়ে দিন এব্যাপারে। যথাসময়ে সচলায়তন এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবে।
মন্তব্য পোস্ট করা:
গুগল ক্রোম Alt + S
মোজিলা ফায়ারফক্স Alt + Shift + S
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার Alt + S
স্ট্যাটাস পোস্ট করা:
Shift + Enter
বোল্ড, ইটালিক, আন্ডারলাইন এবং স্ট্রাইকথ্রু:
গুগল ক্রোম: Alt চেপে যথাক্রমে B, I, U এবং V
মোজিলা ফায়ারফক্স Alt + Shift চেপে যথাক্রমে B, I, U, V
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার Alt চেপে যথাক্রমে B, I, U এবং V
লিংক এবং ছবি:
গুগল ক্রোম: Alt চেপে যথাক্রমে L এবং M
মোজিলা ফায়ারফক্স Alt + Shift চেপে যথাক্রমে L এবং M
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার Alt চেপে যথাক্রমে L এবং M
বাংলা কিবোর্ড বাছাই:
ইংরেজি টাইপ করতে Ctl+Alt+E বা Escape চাপুন
ইউনিঅমুক পদ্ধতিতে বাংলা টাইপ করতে Ctl+Alt+U চাপুন
অমুক পদ্ধতিতে বাংলা টাইপ করতে Ctl+Alt+B চাপুন
ফোনেটিক পদ্ধতিতে বাংলা টাইপ করতে Ctl+Alt+P চাপুন
অভ্র পদ্ধতিতে বাংলা টাইপ করতে Ctl+Alt+A চাপুন
প্রভাত পদ্ধতিতে বাংলা টাইপ করতে Ctl+Alt+V চাপুন
ব্যানারের টেকনিক্যাল প্রয়োজনীয়তা হচ্ছে এর আকার ৯৬৫ পিক্সেল চওড়ার এবং ১৫০ পিক্সল উচ্চতার হতে হবে। ব্যানারে সচলায়তন কথাটি চোখে পড়ার মত বড় আকারে হতে হবে। তার নীচে "চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির" শ্লোগানটি দিতে পারেন। তবে প্রয়োজন মনে করলে আরো উপযুক্ত কোন শ্লোগান ব্যবহার করতে পারেন।
যেহেতু এটি প্রথম পাতায় সবার প্রথম প্রদর্শিত হয় তাই বানানের ব্যাপারে আপনার গভীর মনোযোগ কামনা করা হচ্ছে।
ব্যানারের ফরমেট jpg বা gif হতে হবে। ফাইলের আকার ৫০ থেকে ৬৫ কিলোবাইটের মধ্যে বা তারও নীচে হলে খুব ভালো হয়। নইলে প্রতিবার রিফ্রেশের সময় লোড হয়ে মোটের উপর পেইজ লোডের সময় বাড়িয়ে দেবে ব্যানারটা।
ব্যানারের ফাইলের নাম front- দিয়ে শুরু হতে হবে। তার পরের অংশটুকু একটা উপযুক্ত নাম দিয়ে জুড়ে দিতে হবে। নামের মধ্যে কোন স্পেস রাখা চলবে না।
এরপর নিজের একাউন্টে গিয়ে "নিজ ব্লগে প্রকাশিত" অপশনটি সিলেক্ট করে ব্যানারটি সচলায়তনে প্রকাশ করুন। সঙ্গে আপনার চিন্তা-ভাবনা বা ব্যানার বিষয়ে কিছু বলবার থাকলে সেটাও লিখুন। অতিথিরা এক্ষেত্রে অতিথি লেখকের একাউন্টটি ব্যবহার করতে পারেন।
ব্যানার তৈরী এবং ব্যানার সহ লেখা প্রকাশ শেষে এক কপি ব্যানার, আপনার প্রোফাইলের লিংক এবং লেখাটির লিংক পাঠিয়ে দিবেন contact অ্যাট সচলায়তন বরাবর। আমরা তখন ব্যানারটি এফটিপি করে আপলোড করে দেবো সচলায়তনে। সেই সঙ্গে আপনার প্রোফাইল লিংক এবং ব্যানার নিয়ে নিজ ব্লগে প্রকাশিত লেখাটির লিংক প্রতিক্রিয়া প্রকাশের জন্য জুড়ে দেবো প্রথম পাতায়।
ব্যানারের উপর একটি লেখা প্রকাশ এবং সেটির লিংক প্রতিক্রিয়া প্রকাশের উপায় হিসেবে ব্যবহার করায় আপনার কাজের প্রশংসা সরাসরি আপনার কাছে পৌঁছাবে। আমাদের ধারনা এতে করে পুরো প্রসেস আরো স্বচ্ছ এবং ব্যবহার বান্ধব হবে। এ ব্যাপারে আপনার মতামত সরাসরি মন্তব্যের ঘরে কিংবা contact অ্যাট সচলায়তন বরাবর পাঠাতে পারেন।
এমনিতে সচলায়তন যে সার্ভারে হোস্টেড তারা দৈনিক এবং সাপ্তাহিক ব্যাকআপ রাখে। তারপরও আমরা ম্যানুয়ালি ব্যাকআপ নেই। তারপরও যদি আপনি ব্যাক্তিগত ভাবে ব্লক ব্যাকআপ করতে চান তাহলে স্ট্যার্ন্ডাড যে কোন ব্লগ ব্যাকআপ সফটওয়্যার বা সার্ভিস ব্যবহার করতে পারেন।
এরকমই একটি সার্ভিস হল অনলাইন ব্লগ ব্যাকআপ। এখানে গিয়ে রেজিস্ট্রশন করে সচলায়তনের আপনার ব্লগের ইউআরএল দিন এবং ব্লগ ধরন হিসেবে "Movable Type" বাছাই করুন।
তাছাড়া ব্যাকআপ মাই ব্লগ নামে আরেকটি সার্ভিস এখনও বেটা পর্যায়ে আছে। এ নিয়ে এই আর্টিকেলটা পড়তে পারেন।
এছাড়া অফলাইন টুলগুলোর মধ্যে ব্লক কালেক্টর একটা। এটা শুধুমাত্র ব্লগার এবং এমএসএন ব্লগ ব্যকআপ করতে পারে। উপরন্তু ফ্রি টুল নয়। কিন্তু এটা পিডিএফ হিসেবে সেইভ সহ আরো বেশ কিছু ভালো কাজ করতে পারে।
ব্লক ব্যাকআপ টুল ছাড়াও আপনি যে কোন ব্লগ ব্যাকআপ করতে পারেন ফিড রিডার দিয়ে। এরকম একটি অনলাইন টুল হল ফিডবার্নার। আর একটি ভাল ফ্রী সফটওয়্যার হল আরএসএস ব্যান্ডিট। এই সফটওয়্যারগুলিতে আপনার ফিড ইউআরএল দিলে সেগুলো ডাউনলোড করে ফেলবে।
সচলায়তনের ব্লগ ফিড ইউআরএল হল http://www.sachalayatan.com/blog/[UID]/feed যেখানে [UID] হল আপনার ইউজার আইডি। আপনার [UID] জানতে নিজের প্রোফাইলে ঢুকে নিচের দিকে কোন লিংকের উপর মাউস নিয়ে যান এবং লিংকটির শেষের দিকের সংখ্যাটি লক্ষ্য করুন। অথবা নিজের ব্লগে গিয়ে নিচের দিকে ফিড আইকনের উপর রাইট ক্লিক করে লিংকটি কপি করুন।
ইদানিং ব্লহ এডিটর নামে একাধিক সফওয়্যার পাওয়া যায়। আবার মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ২০০৭ এর মত এডিটরগুলো এডিট করার পাশাপাশি লেখাটা সরাসরি ব্লগে প্রকাশ করার সুযোগ দেয়। আইডিয়া হচ্ছে আপনি স্বাভাবিক লেখালেখির মতো করে ডকুমেন্ট তৈরি করবেন, আপনার প্রিয় এডিটরে, প্রিয় ডেক্সটপ সফটওয়্যার ব্যবহার করে তারপর প্রকাশ করে দেবেন যে কোন ব্লগ ওয়েবসাইটে যতবার ইচ্ছা।
এখন থেকে এই সুযোগটা আপনি সচলায়তনের ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারবেন। নীচের কতগুলো সফটওয়্যার এবং তাদের কনফিগারেশন বর্ণনা করা হল। এছাড়া এই ওয়েবসাইটে গিয়ে ম্যাকিন্টশ কম্পিউটারের জন্য কিছু তথ্য পাবেন।
ফায়ারফক্সের স্ক্রাইবফায়ার
স্ক্রাইবফায়ার হচ্ছে ফায়ারফক্সের একটি প্লাগইন। ব্রাউজারের মধ্যে থেকেই ছবি প্রকাশ থেকে শুরু করে এডিটিং, ফাইল আপলোডিং সব করতে পারে ছোট্ট এবং চমৎকার এই টুলটি। সচলায়তনের জন্য এটা কনফিগার করতে:
উইন্ডোজ লাইভ এডিটর
উইন্ডোজ এক্সপির জন্য উইন্ডোজ লাইভ এডিটর নামের এই ফ্রি টুলটিও বেশ জনপ্রিয়। ইনস্টল করার পর সচলায়তনের বাংলা ইউজার নেইম, পাসওয়ার্ড, এবং সচলায়তন ওয়েব এড্রেস: http://www.sachalayatan.com/next/ দিলেই সরাসরি কাজ করবে।
কিউমানা
এটিও চমৎকার একটি ফ্রি ব্লগিং টুল। এটার ব্যবহার সর্ম্পকে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে। আপনার সুবিধার জন্য ইংরেজি ব্লগটি থেকে লেখাটি এখানে কপি করা হল।
You need to add a "publisher" (which is Qumana's term for a blog) to publish content from Qumana.
To post content from Qumana:
Note there's more than one way to do this. The following is just the most common.
পডকাস্ট করতে হলে আপনার একটি মাইক্রোফোন লাগবে। তাছাড়া কম্পিউটার এবং কিছু সফটওয়্যার লাগবে। সেগুলো নীচে একে একে জানানো হবে।
অডিও রেকর্ডিং
১। মাইক্রোফোন কম্পিউটারে যুক্ত করুন।
২। অডাসিটি রেকর্ডিং সফটওয়্যার ডাউনলোড করুন এখানে থেকে। ইনস্টল করুন।
৩। এমপিথ্রি করার জন্য লেইম এনকোডার ডাউনলোড করুন এখান থেকে। ডাউনলোড করা জিপ ফাইল আনজিপ করুন, ফোল্ডারটি থেকে lame_enc.dll এবং BladeMP3EncDLL.def ফাইল দুটি C:\Program Files\Audacity\Plug-Ins ফোল্ডারে কপি করে দিন।
৪। অডাসিটি রান করুন Start > All Programs > Audacity থেকে। অডাসিটি উইন্ডোতে Edit > Preferences এ যান। যে উইন্ডো আসবে সেখানটায় File Formats এ যান। নিচের দিকে MP3 Export Setup এ গিয়ে Find Library ক্লিক করুন। তখন আপনাকে যদি জানায় "Not found..." তাহলে find ক্লিক করে C:\Program Files\Audacity\Plug-Ins\lame_enc.dll খুঁজে দিন। ওকে করে উইন্ডো ক্লোজ করুন।
৫। এর পর রেকর্ড ক্লিক করে কথা বলুন। কথা শেষে File > Export as MP3 ক্লিক করুন। সেইভ করার যে উইন্ডো আসবে তাতে Options নামে একটি বাটন থাকবে, হাতের ডানে-নিচের দিকে। সেটাতে ক্লিক করে ফাইল কোয়ালিটি 32 kbps করুন। তাহলে ফাইল সাইজ খুব ছোট হবে, কোয়ালিটি মোটামুটি খারাপ থাকবে না।
তাছাড়া অন্য যেকোনো অডিও রেকর্ডার ব্যবহার করতে পারেন।
পডকাস্ট পোস্ট করা
এটা শুধুমাত্র যাদে অডিও পোস্ট করার ক্ষমতা আছে তারা করতে পারবে। আপনি যদি "লেখালেখি করুন > অডিও" না দেখতে পান তাহলে আপনার এই ধরনের পোস্ট করতে পারবেনা না।
১। "লেখালেখি করুন > অডিও" ক্লিক করুন।
২। বডি হিসেবে কিছু লিখুন। অডিও ফাইলটা ব্রাউজ করে দিন।
৩। যদি এমপিথ্রি ফাইলে title আর artist নাম থাকে তাহলে আর নাম চাইবে না। নইলে একটি এরর দেখিয়ে নাম জানতে চাইবে। তখন আপনার নাম দিন ও টাইটেল দিন।
৪। পোস্ট করে দিন।
প্রথম পেইজে না আসলে বুঝবেন প্রথম পেইজে আসার অপশন বন্ধ আছে।
বই সম্পাদনা এবং বইয়ের পৃষ্ঠা সংযোজনা নামে দুটি ভিন্ন ক্ষমতা আছে। বইয়ের পৃষ্ঠা যুক্ত করার সময় top-level অপশনটা না দেখলে বুঝবেন প্রকাশিত বইয়ের সাথে আপনি পৃষ্ঠা জুড়তে পারবেন কেবল, নতুন বই তৈরী করতে পারবেন না। এই অপশন চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।
টপ-ডাউন বই তৈরি
টপ-ডাউন বই মানে, বইয়ের আউট লাইন আপনার জানা। এক্ষেত্রে আপনি প্রথমে আউটলাইন তৈরী করবেন, পরে লেখকরা লেখা জমা দিবে।
প্রথমে ধরে নিই, ভ্রমণকাহিনীর উপর একটি বই করা হবে। উদাহরণ হিসেবে ব্যবহারের জন্য অনেকগুলো ভাগ করি বইটাকে, মহাদেশ হিসেবে এবং দেশ হিসেবে।
উদাহরণ হিসেবে
ভ্রমণকাহিনী
- ১। আফ্রিকা মহাদেশ
-- ১ক। আফ্রিকা
-- ১খ। নাইজেরিয়া
- ২। উত্তর আমেরিকা মহাদেশ
-- ২ক। আমেরিকা
-- ২খ। কানাডা
এই রকম প্রতিটা দেশের নিচে সেখানকার লেখাগুলো থাকবে।
প্রথমে সম্পাদক একটা লেখালেখি করুন থেকে বইয়ের পৃষ্ঠা তৈরি করবেন। টাইটেল দেবেন "ভ্রমণকাহিনী"। টাইটেলের নিচে Parent হিসেবে সিলেক্ট করবেন "top-level" কথাটি। তারপর বইয়ের একটি ভূমিকা লেখে প্রথম পাতায় প্রকাশ করুন। এই ভূমিকা পরেও শুধরে নেয়া যাবে।
বই সম্পাদক এরপর একে একে দুটি বইয়ের পৃষ্ঠা তৈরি করবেন - আফ্রিকা মহাদেশ এবং উত্তর আমেরিকা মহাদেশ নামে। কিন্তু এদের Parent হিসেবে সিলেক্ট করবেন আগের স্টেপে তৈরী করা "ভ্রমণকাহিনী"। ভুলে গেলে আবার সম্পাদনা করে ঠিক করে নিতে পারেন। মূল লেখা হিসেবে এই চ্যাপ্টার গুলোর একটা সারাংশ দিতে পারেন। এই চ্যাপ্টারগুলো নিজের ব্লগে প্রকাশ করাই ভাল।
একই ভাবে আফ্রিকা, নাইজেরিয়া নামে দুটি পৃষ্ঠা যাদের Parent আফ্রিকা মহাদেশ এবং আমেরিকা, কানাডা নামে দুটি পৃষ্ঠা যাদের Parent উত্তর আমেরিকা মহাদেশ - তৈরী করুন।
একইভাবে এদের সেইভ করুন।
আরো লেভেল থাকলে এভাবে তাদের সেইভ করুন। কিন্তু বেশীরভাগে ক্ষেত্রে একটি, দুটির বেশি লেভেল থাকবে না। যাই হোক আপাতত এইখানে সম্পাদকের কাজ শেষ। পরে আবার সম্পাদনা করার সময় বাকি কাজ শুরু হবে।
এখন লেখকরা বইয়ের জন্য লেখা কীভাবে দিবেন? লেখকেরা বইয়ের পৃষ্ঠা ক্লিক করবেন এবং সঠিক Parent এর সাথে জুড়ে দিবেন। যেমন, আমেরিকার উপর লিখাতে Parent যেন আমেরিকা থাকে। ব্যস, এইভাবে একে একে লেখা যোগ করতে থাকুন।
এবার সম্পাদক পরামর্শ দেয়ার মাধ্যমে আপনাকে জানাতে পারবেন, কী ঠিক করতে হবে না হবে। তাছাড়া এক বিভাগের লেখা আরেক বিভাগে পাঠাতেও পারবেন সম্পাদক।
বটম-আপ বই তৈরী
বটম-আপ মানে বইয়ের আউটলাইন এ মুহূর্তে আপনার জানা নেই। আপনি প্রথমে চান লেখকরা লেখা জমা দিক, পরে চ্যাপ্টার বানানো যাবে লেখার উপর ভিত্তি করে।
ধরে নিই, আপনি "বিদেশে বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণা" নামে একটা বই তৈরি করতে চান। এখন আপনি ঠিক করতে পারেননি বইটা দেশ অনুযায়ী ভাগ করবেন নাকি বিষয় অনুযায়ী। লেখার ধরনের উপর নির্ভর করবে, কী করবেন। তাই লেখাগুলো আগে জোগাড় করা দরকার।
এক্ষেত্রে লেখালেখি করুন > বইয়ের পৃষ্ঠা ক্লিক করে লেখা শুরু করুন। টাইটেল দিন "বিদেশে বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণা" এবং মূল বিষয়ে ভূমিকা জুড়ে দিন। Parent হিসেবে top-level বাছাই করুন।
এরপর লেখকদের অনুরোধ করুন, "বিদেশে বাঙালি বিজ্ঞানীদের গবেষণা" কে Parent হিসেবে লেখা জমা দিতে। পরে লেখা জমা হয়ে গেলে সুবিধা মতো বিভাগ করে নিন এবং লেখাগুলির উপযুক্ত Parent সম্পাদনা করে দিন।
লেখা প্রকাশ করার পর প্রিন্টার ফ্রেন্ডলি ভার্সনটা দেখতে ভুলবেন না যেন।
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন এবং বাছাই প্রশ্ন দুটোর ক্ষেত্রে নিয়ম মোটামুটি একই।
নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্ন বা বাছাই প্রশ্ন ঘরটাতে একটি প্রশ্ন লিখুন। বর্ণনা হিসেবে লিখুন আপনার বক্তব্য এবং অপশনগুলোর ব্যাখ্যা। ভোটের অপশনগুলো পছন্দ ঘরে লিখুন, যে কটা দরকার। বেশি অপশন দরকার হলে "আরো পছন্দের ঘর দরকার" সিলেক্ট করে "প্রিভিউ" ক্লিক করুন - প্রতি ক্লিক ৫টা করে নতুন অপশন ঘর পাবেন।
ভোটের খুঁটিনাটি ঘরটাতে গিয়ে সর্বোচ্চ পছন্দ হিসেবে ১ দিলে এক-পছন্দের রেডিও বাটন অলা প্রশ্ন তৈরী হবে। সীমাহীন দিলে বহু-পছন্দের চেকবক্স অলা প্রশ্ন তৈরী হবে। মনে রাখবেন বাছাই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সীমাহীন অপশন না দিলে কেউ ঠিকমতো ভোট দিতে পারবে না।
ভোটের সময়কাল হিসেবে ১-২ দিন দেয়া সবচেয়ে যুক্তিযুক্ত। তবে আপনার পছন্দ মতো যে কোন সময় বেঁধে দিতে পারেন ভোটের জন্য।
সংরক্ষণ করলে আপনার জরিপ মডারেশন কিউতে যাবে। সেখান থেকে একজন সঞ্চালক জরিপটাকে সচল করতে পারবে। তারপর আপনার জরিপ প্রথম পাতায় দেখা যাবে।
সিস্টেমের বাধা ছাড়াই সপ্তাহে আপনি ১টি নৈর্ব্যক্তিক এবং ১টি বাছাই জরিপ করতে পারবেন। কিন্তু নিয়ম হলো দুটো ধরনের কেবল একটি জরিপ আপনার জন্য বরাদ্দ। তাই দুধরনের দুটো জরিপ করলে সঞ্চালকের সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
নৈর্ব্যক্তিক জরিপ
নৈর্ব্যক্তিক জরিপ হচ্ছে মালটিপল চয়েস কোয়েশ্চেনের মতো। একটা প্রশ্ন এবং তার বিপরীতে কয়েকটি প্রশ্ন থাকবে। এক্ষেত্রে পছন্দগুলো থেকে রেডিও বক্সের মাধ্যমে একটি বা চেক বক্সের মাধ্যমে একাধিক পছন্দ বাছাই করতে পারবেন।
একটি-পছন্দের একটি উদাহরন হতে পারে: আজকে বৃষ্টি হবে বলে মনে করেন?
একাধিক-পছন্দের একটি উদাহরণ হতে পারে: কাকে কাকে যোগ্য মনে করেন?
বাছাই জরিপ
বাছাই জরিপ হচ্ছে পছন্দগুলো সাজানোর একটি পদ্ধতি। এক্ষেত্রে পছন্দগুলোকে লিস্ট বক্সের মাধ্যমে প্রথম, দ্বিতীয় এভাবে সাজানো যাবে।
বাছাই পদ্ধতির একটি উদাহরন হতে পারে: ফুটবল বিশ্বকাপে কে কোন পজিশনে যাবে মনে করেন?