Archive

May 20th, 2018

“মায়ের দোয়া”র শিকড় সন্ধানে : দ্বিতীয় পর্ব

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২০/০৫/২০১৮ - ১২:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মায়েরদোয়া সংক্রান্ত এই বিশ্বাসটির জন্ম ঠিক কবে, কিভাবে?


ঝিলম

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: রবি, ২০/০৫/২০১৮ - ১২:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঝিলম নামে বাংলায় কোনো শব্দ নাই। কেন নাই কে জানে। অথচ এইটা একটা বহুত দরকারি শব্দ হইতে পারত। এমনকি যেইসব অঞ্চলের মানুষেরা ‘জাড়ুর জ’ কইয়া ঝ বর্ণ চিনায় তারাও কিন্তু শব্দটারে এক উচ্চারণেই বুঝাইতে পারত অন্যদের। কিন্তু তারপরেও কেন যেন শব্দটা বাংলা ভাষায় ঢোকায় নাই কেউ…


চিন্তা হলো খসড়াপাতা : আগামীর ভাষা - ৭

কর্ণজয় এর ছবি
লিখেছেন কর্ণজয় (তারিখ: শনি, ১৯/০৫/২০১৮ - ৯:৫৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগামীর ছেলেমেয়েরা আমাদের চেয়ে অনেক বেশি দেখবে।
এভাবে বলো না
একজন হয়তো তার গ্রামকে এতো এতো ভাবে দেখলো, জানলো
একজন সারা পৃথিবী ঘুরে আসার পরও যে ততটুকু দেখেছে, এটা কি বলা যায়?
দেখার চোখ পাল্টে যাবে।
তুমি বলতে পারো, আগামীর ছেলেমেয়েদের ভূগোল পাল্টে যাবে।
আমাদের প্রপিতামহের কাছে নদীর ওইপার মানেই ঐ দেশ
আর এখন
আমেরিকা, ইউনাইটেড কিংডম, রাশিয়া, জার্মান, চীন
আসমুদ্র হিমাচল
তার পকেটের মধ্যে।


May 17th

তিন দার্শনিক কবি: লুক্রেতিউস, ১

শিক্ষানবিস এর ছবি
লিখেছেন শিক্ষানবিস (তারিখ: বুধ, ১৬/০৫/২০১৮ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

লুক্রেতিউসের ‘দে রেরুম নাতুরা’ (‘বিশ্বপ্রকৃতি’) লেখার কারণ আমরা যত ভালো জানি, ততটা পরিষ্কার ভাবে অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ কবিতার পূর্বসূত্র জানি বলে মনে হয় না। অবশ্য ‘বিশ্বপ্রকৃতি’র কারণ ব্যক্তি লুক্রেতিউস না; যদি হতেন, আমাদের খবরই ছিল, কেননা ব্যক্তি লুক্রেতিউস সম্পর্কে প্রায় কিছুই জানা যায় না। সন্ত জেরোম (৩৪৭–৪২০) রোমান ইতিহাসবিদ সুয়েতোনিউসের (৬৯–১২২) উপর নির্ভর করে একটা ইতিহাসপঞ্জি লিখেছিলেন


May 15th

ব্রায়ান ডি পালমা ইন্টারভিউজ

মনি শামিম এর ছবি
লিখেছেন মনি শামিম [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১৪/০৫/২০১৮ - ১১:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


May 13th

ভাড়াটে

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৩/০৫/২০১৮ - ৪:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খোসা ফেলে দেয়া সেদ্ধ ডিমের মত সাদা চাঁদ ঝুলে ছিল দক্ষিণ-পশ্চিমের আকাশে। পূর্ণিমা বোধ হয় দিন দুয়েক আগে হয়ে গেছে। আলোয় তেমন জোর নেই। পিচিত করে রাস্তার ধারে পিক ফেলে জিবে চুন লাগায় বাতেন চেয়ারম্যান। রাতের খানা শেষে তার কিঞ্চিত হাঁটাহাঁটি করার অভ্যাস আছে। অন্য সময় হলে বন্দুক হাতে জয়নাল সাথে থাকত। আজ নেই। ছোট মেয়েকে নিয়ে সদর হাসপাতালে গেছে জয়নাল।

বাতেন চেয়ারম্যানের মন আজ বেশ অস্থির। হোসেনকে একটা কাজে পাঠিয়েছিলেন সিংহরাগী গ্রামে। সন্ধ্যার দিকে কাজটা হয়ে যাবার কথা। তার কোন খবর নেই। বোতাম টিপে মোবাইল ফোনে সময় দেখল সে। এগারোটা বেজে তিন মিনিট। হোসেনের মোবাইল বন্ধ। অপারেশনের সময় তার ফোন বন্ধ থাকে। তারপরও বেশ কয়েকবার ফোন দিয়েছে বাতেন। হোসেন ধরেনি।

“চুদিরপো……" বিড়বিড় করে কি যেন একটা গালি দিল বাতেন। ঠিক বোঝা গেল না।


জ্বলন

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৩/০৫/২০১৮ - ১২:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সকাল আটটা হবে। ফার্মেসির শাটার তুলে দোকানে সবে বসেছে মুনির। গামছাটা দিয়ে স্বযত্নে কাউন্টারের ধুলো মুছছে, এমন সময় রহমান সাহেব এসে হাজির। কাছে থাকেন, রিটায়ার্ড মানুষ। হাতে কাজটাজ তাই নেই তেমন। প্রতিদিন সকালে মর্নিং ওয়াক করে ফিরার পথে এসে মুনিরের সাথে একটু গল্পগুজব করেন। আজও ব্যাতিক্রম হলো না।

"কি মুনির, কেমন আছিস রে?"

"স্যার এই যে আছি আর কি। কি খবর কন।"


May 12th

প্রজেক্ট আইবেক

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১২/০৫/২০১৮ - ৪:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এক.
আজ মঙ্গলবার, তেইশে অগাস্ট দু’ হাজার ষোল। প্রজেক্ট আইবেকের একত্রিশতম দিনে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি প্রথম চিন্তক। আমার পাশে রাগী রাগী চেহারার যে মানুষটিকে আপনারা দেখছেন তাঁর নাম ইর্তেজা নাসির।


May 10th

নৈরঞ্জনা

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বিষ্যুদ, ১০/০৫/২০১৮ - ৫:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১। ম্যাপের উপরে একটা আঁকাবাঁকা রেখার উপরে তর্জনী রেখে কাশ্মীরা বললো, "এই যে আবীর, এইখানে একটা নদী থাকার কথা। উপগ্রহ-চিত্রেও নদী দেখা যাচ্ছে। কিন্তু আশ্চর্যের কথা এই নদীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। মুশকিল হলো জায়গাটা খুব দুর্গম। রুক্ষ পাহাড় আর মরুভূমির ভিতর দিয়ে শয়ে শয়ে মাইল রাস্তা পার হয়ে যেসব অভিযানকারী গিয়েছে, কেউই নদীটাকে খুঁজে পায় নি। ফিরে এসে তাই বলেছে। মোট পাঁচটা অভিযাত্রীদল গিয়েছিল, তার মধ্যে


May 7th

এক ছিলিম মডেলিং

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৬/০৫/২০১৮ - ৯:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিক্ষা মন্ত্রীর কথা আলাদা, তিনি তো বলতে গেলে নমস্য ব্যাক্তি। তবে আমাদের অর্থমন্ত্রী যেন ছয় নম্বর রুটের বাস ড্রাইভার। ভদ্রলোকের উপর কারও আস্থা নেই, তাঁর কাজটা তিনি ছাড়া আর সকলেই বোঝেন। সে তুলনায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর চাকরিটা বেশ আরামের, পাইলটদের মতো। মাঝ আকাশে বিমান এক দুবার ঝাঁকুনি খেলে লোকজন একটু নড়েচড়ে বসেন। ঝাঁকুনির তীব্রতা বেড়ে গেলে ঘনীভূত হয়ে আসে সৃষ্টিকর্তার প্রতি তাঁদের অব্যাক্ত প্রেম,