Archive

February 15th, 2016

যে তরঙ্গ সন্ধান দেয় এক নতুন মহাজাগতিক সমুদ্রের....

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১৫/০২/২০১৬ - ১২:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(আমি পদার্থবিজ্ঞানের ছাত্র হলেও এই লেখায় ইচ্ছা করেই পদার্থবিজ্ঞানের ভাষা এবং সংজ্ঞাগুলো খুব শক্তভাবে ব্যবহার করি নি... কারণ আমার লেখার উদ্দেশ্য মানুষকে বিজ্ঞানটা বুঝানো না, বিজ্ঞানের মানবিক দিকটা তুলে ধরা! এজন্য বিজ্ঞানমনস্ক পাঠকের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি!)


জিকা ভাইরাস, মশা, জিএমও এবং মজহারীদের হোক্সপ্রেম

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান [অতিথি] (তারিখ: রবি, ১৪/০২/২০১৬ - ১০:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।

ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ার একটা বড় অসুবিধা হলো আমরা নিজেদের পছন্দমত সাইট থেকে (সেটা যতটা অবিশ্বাসযোগ্যই হোক না কেন) তথ্যসংগ্রহ করে বা একটা প্রবন্ধ পড়েই নিজেকে সেবিষয়ে বিশেষজ্ঞ ভাবা শুরু করি।


February 14th

রেভ্যুলুশান উইল নট বি টেলিভাইযডঃ পর্ব-১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৪/০২/২০১৬ - ২:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

You will not be able to stay home, brother.
You will not be able to plug in, turn on and cop out.
You will not be able to lose yourself on skag and skip,
Skip out for beer during commercials,
Because the revolution will not be televised.
-- Gill Scott-Heron (1949-2011)


ভালবাসা নাকি পিটুইটারির খেলা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৪/০২/২০১৬ - ২:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুরুতেই সবাইকে অক্সিটসিন, ভেসোপ্রেসিন ও ডোপামিনময় ভালবাসা।

ভালবাসার সাথে কিভাবে নিউরাল, জেনেটিক বা বায়োক্যামিক্যাল নেটওয়ার্কগুলো যুক্ত মানুষ তা একটু একটু করে বুঝতে শুরু করেছে। দেখা গেছে জুটিদের মধ্যে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক মানুষ ব্যতিত অন্য স্তন্যপায়ীদের মধ্যে বিরল। যদিও অধিকাংশ প্রাণীর মধ্যে পারিবারিক বা সামাজিক বন্ধন দেখা যায়। উদাহরনস্বরূপ মাতৃস্নেহ হচ্ছে ভালবাসার অনন্য উদাহরণ। দেখা যায় যে, স্তন্যপায়ীদের মধ্যে এই ভালবাসার প্রক্রিয়া বা ধরন বিবর্তনের গতির সাথে তেমন পরিবর্তন হয়নি; প্রায় একই রকম রয়ে গেছে এই শক্তিশালী প্রক্রিয়াটি।


অপরূপা মিরিঞ্জা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৪/০২/২০১৬ - ৪:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“আরে মিয়া মাথা ভিতরে ঢুকান। নাইলে কল্লা কিন্তু আলগা হইয়া যাইব।“


ছবির গল্পঃ শাজাহানকে বিলাতি লকেট পরিহিত জাহাঙ্গীরের সাবাসি

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: রবি, ১৪/০২/২০১৬ - ৪:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জাহাঙ্গীর বাদশার দাক্ষিণাত্য জয়ের স্বপ্নে কাঁথাবালিশ জাবড়ে মান্ডু শহরে থানা গাড়ার কথা আমরা আগের ছবির গল্পে দেখেছি। অক্টোবর, ১৬১৭। মান্ডুর আকাশে আজ চাঁদের গায়ে চাঁদ। শহরবাসী ভাবে করবে কী।তিন নং রাজপুত্র খুররম সদ্য দাক্ষিণাত্যে কিছু লড়াই জিতে বীরদর্পে বাপের কাছে ফিরেছেন। সন্তুষ্ট পিতা কয় পাত্তর মদ খেয়ে কইলেন যা ব্যাটা সাব্বাস। তোর নাম আজ থেকে শাহ-জাহান, দুনিয়ার রাজা। তিনি নিজে জাহাঙ্গীর (দুনিয়াজয়ী) আর ছেলে যদি হয় শাজাহান (দুনিয়ার রাজা) তাহলে কিছু টেকনিকাল সমস্যা থেকে যায় বটে তবে সেসব বাজে তর্ক।

প্রিয় পাঠক আজকের ছবির গল্পে মোগল শিল্পী প্রয়াগের আঁকা ছবি “জাহাঙ্গীর প্রেজেন্টিং প্রিন্স খুররম উইথ টার্বান অর্নামেন্ট”।


ফেব্রুয়ারি ২০১৬

ওডিন এর ছবি
লিখেছেন ওডিন (তারিখ: শনি, ১৩/০২/২০১৬ - ৯:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঙ.
ইঞ্জিনের মাউন্টিং এর কাজ করাতে গিয়ে আলাপ হলো নবু'দার সাথে। নবকিশোর চাকমা। নানিয়ারচরে বাড়ি হলে কি হবে, ঢাকায় থাকতে থাকতে আমার থেকেও বেশি ঢাকাইয়া উনি। 'দেশের বাড়ি' যাওয়া তার হয় না, কারণ 'দেশের বাড়ি' বলে কিছু তার নাই ।


February 12th

গেডানকেন ট্রাভেল- একটি অবৈজ্ঞানিক কল্প কাহিনী

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১২/০২/২০১৬ - ১:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মোঃ সাইফুল ইসলাম এই মুহুর্তে পৃথিবীর সবচেয়ে দরিদ্রতম ব্যাক্তি। তার একাউন্টে কোন ক্রেডিট নেই। একটা ক্রেডিটও না। এক ক্রেডিট থাকলেও অবশ্য কোন লাভ হত না। আজকাল এক ক্রেডিটে একটা চুষনি লজেন্সও কেনা যায় না।

ছোটখাট এক সফটওয়্যার কম্পানিতে একদম নিচের দিককার ধরতে গেলে কোন পদই না এই রকম এক পদে কাজ করত সাইফুল। বেতন ভাল ছিল না। তারপরও মাস শেষে কিছু একটা পাওয়া যেত। সেটা দিয়ে কোন কোনমতে জীবন চালিয়ে নেয়া যেত।

পৃথিবীতে আপন বলতে তার কেউ নেই। সে বড় হয়েছিল এতিখানায়। এতিমখানায় লেখা পড়ার সিস্টেম খুবই নিম্ন মানের। টেনেটুনে পরীক্ষায় পাস করেছিল বলে লেখাপড়া শেষ হওয়ার পর কোথাও চাকরী হয়নি। তারপর কিভাবে যেন অনেক দেন দরবার করে এই কাজটা পেয়ে গিয়েছিল। টেনেটুনে পাস করা প্রায় ফেল্টু ছাত্রের কাজের কোয়ালিটি আর কতইবা ভাল হবে? কাজের চার মাসের মাথায় বড়সর কিছু ভুল করে বসল। সাইফুলের বস তাকে ডেকে বলল,"আসসালামু আলাইকুম। আপনি এবার আসতে পারেন।" ফলস্বরুপ কাজ ছেড়ে তাকে চিরতরে চলে আসতে হল।


February 10th

যে জীবন হরিণের, শালিখের

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০২/২০১৬ - ১:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১।

একটার নাম ছিল ঘরকোপ, আরেকটা বেল্লাপার। ঘর কোপ শুরু হোতো মাটিতে দুটো ঢ্যাঁড়া কেটে। সবার লক্ষ্য দুটো লাইন পরস্পরকে যেখানে ছেদ করে গিয়েছে সেই বিন্দুর যত কাছে থাকা যায়। সবচেয়ে দুরে থাকা ছেলেটার জায়গা হতো একটা বৃত্তের মাঝখানে। বৃত্তের চার পাশে ভিড় করে অন্য সবাই, বৃত্তবাসীর মুখ শুকনো, চোখে রাজ্যের দুশ্চিন্তা।