Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

শিশু অধিকার

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের কৌশল: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি (দ্বিতীয় পর্ব)

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ০৭/০২/২০১৬ - ৪:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের কৌশল: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি (প্রথম পর্ব)

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বুধ, ২০/০১/২০১৬ - ১০:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিক্ষাব্যবস্থার বিভিন্ন ধাপের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: খসড়া বনাম আনুষ্ঠানিক শিক্ষানীতি

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: সোম, ১১/০১/২০১৬ - ৬:৫৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুলে প্রথম দিন

পুতুল এর ছবি
লিখেছেন পুতুল (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০১/২০১৬ - ৩:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্কুল শুরু হলে দীর্ঘ সময়ের জন্য আর দেশে যাওয়া যাবে না। কারণ এ দেশে স্কুলে যাওয়া বাধ্যতামূলক। বাধ্যতামূলক মানে যেতেই হবে, অন্ততঃ আঠারো বছর বয়স না হওয়া পর্যন্ত। স্কুলে না গেলে অভিভাবকের শাস্তি অবধারিত। কিন্তু দেশে গিয়ে স্কুলে ভর্তির শারীরিক এবং মানসিক পরীক্ষার ধার্যদিন পার করে এসেছে আঁচল। জার্মানে ফিরে পরীক্ষার জন্য নতুন দিন-ক্ষণ নিলাম। আঁচল পাশ করলো।


বাংলা শিশু সাহিত্য ও বিনোদন

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: শনি, ২২/০৮/২০১৫ - ১২:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিদেশ বিভুঁইয়ে এখনও বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা ধরে রাখা বাবা মাদের নিত্য যুদ্ধ লেগে থাকে বাচ্চাকে বাংলা ভাষা শিক্ষা দেবার, চর্চা করার। অনেকেই কিছুদিন লেগে থাকার পর হাল ছেড়ে দেন। কারণ ভাষার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির উপাদান তো চাই। বিদেশে বাংলা বই এর অভাব, শিশু সাহিত্য তো আরও দুর্লভ। আর বাংলায় বাচ্চাদের টিভি অনুষ্ঠানের তো অস্তিত্বই নেই। নিজে ছানা পোনা ঘরে আনার আগে তাই কোমর বেঁধে প্রস্তুতি নিলাম। বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগাতে তাই সব রকম বাংলা শিশু সাহিত্যের বই জোগাড় করলাম। উপেন্দ্রকিশোর, সুকুমার থেকে শুরু করে হালের হুমায়ুন আহমেদ, জাফর ইকবাল সবাই হাজির হলেন । ছানার আগমনের পর সেগুলো গুড়া বয়সেই তাকে পড়ে শোনাতে গিয়েই হলো বিপত্তি।


অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা এবং শিশুমন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৩/০৮/২০১৫ - ২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সময়টাই অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতা আর সহিংসতার। অবশ্য আমার জানাশোনা ততটা বেশি নয় যতটা বেশি হলে নির্দ্বিধায় বলা যেতে পারত এ সময়টাই ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি অসহিষ্ণু কি না। তুলনার বিচারে তাই যাচ্ছি না আর এই লেখাটা অসহিষ্ণুতা আর সহিংসতার বিশদ বিবরণও নয় বরং মানুষের নিত্যদিনের আচরণ, অসহিষ্ণুতা, নিষ্ঠুরতার প্রকাশের সাথে শিশুমনের সম্পর্ক নিয়ে। শিশুমন বা শিশুর বেড়ে ওঠা নিয়ে আমার পড়ালেখা নেই, এ লেখাটি বস্তুত লিখছি ন


নির্যাতন থেকে আপনার শিশুর সুরক্ষা ও প্রতিকার

রেজওয়ান এর ছবি
লিখেছেন রেজওয়ান (তারিখ: মঙ্গল, ১১/০৮/২০১৫ - ৬:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষ কেন অন্যকে নির্যাতন করে? নির্যাতনকারীরা অপরের উপর কর্তৃত্ব করা, শক্তি দেখানো বা নিয়ন্ত্রণকারী একটি মনোভাব পোষণ করে এবং মানসিক ও শারীরিক ভাবে দুর্বল লোকেরা তাদের শিকার। এটি সামাজিক এবং মানসিক সমস্যা কারণ নির্যাতনকারীরা কোন একটি "উচ্চ নৈতিক অবস্থানে আছে" বলে মনে করে এবং ভাবে তাদের কিছুই হবে না।


শিশু ও বর্ণবাদ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৭/০৮/২০১৫ - ৮:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেরিল স্প্যাশ এর ‘সুন্দর মানে কি ফর্সা’ বিজ্ঞাপনটা মনে ধরেছিল। তবে তিশাকে এমন মেকাপ দিয়ে ধবধবে সাদা না দেখিয়ে ওর স্বাভাবিক শ্যামলা রঙ দেখালে আরো ভালো লাগতো।


অংশীদার

সুলতানা সাদিয়া এর ছবি
লিখেছেন সুলতানা সাদিয়া [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/০৮/২০১৫ - ৯:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শীতের দুপুর অপেক্ষাকৃত আরামদায়ক। কিন্তু আরামের মধ্যে বেশি থাকতে সাধ জাগে বলে আরামের স্থায়ীত্বও কম থাকে। এই কঠিন কথাটা বুঝতে রিপনের মাথা খাটাতে হয়নি, বরং কথাটা সে গায়ের চামড়া দিয়ে উপলব্ধি করেছে। তবে এই উপলব্ধি রিপনকে পরিণত না করে আরও কাবু আর ছোট করে ফেলেছে। রিপন অবশ্য বয়স ও লম্বায় ছোটই। তবে নয় বছরের তুলনায় ওর আকৃতি পাঁচ বছরের মনে হয়। সাথিরা ওকে ডাকে বাইট্টা ইপন। কবে যে এই ডাকের শুরু রিপনের মনে নেই।


জীবন-টেম্পো

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৬/০৮/২০১৫ - ৯:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পুরান ঢাকায় কিছু টেম্পো চলে, লক্কড়-ঝক্কর মার্কা এই টেম্পোগুলো যখন তীরের বেগে ছুটতে থাকে, যাত্রীদের প্রায়ই মাথা ঠুকাঠুকি লেগে যায়! স্টপেজগুলিতে যাত্রী উঠানামা যেন আর এক বিভীষিকা! টেম্পোর সিট দখলের জন্য চর দখলের মতই যুদ্ধ চলে, চলন্ত রাস্তায় ছিটকেও পড়ে কেউ কেউ! আশ্চর্য হল, এই যুদ্ধক্ষেত্রে প্রায়ই রেফারির দায়িত্ব দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায় নয়-দশ বছরের কিছু শিশুকে।