খেলাধুলা

পুরুষ ও নারী ক্রিকেট দলের মিডিয়া কভারেজের তুলনামূলক চিত্র

হাসিব এর ছবি
লিখেছেন হাসিব (তারিখ: মঙ্গল, ০৫/০৫/২০১৫ - ১:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই মুহুর্তে পাকিস্তান বাংলাদেশের টেস্ট সিরিজ চলছে। এর আগে হয়েছে ওয়ানডে সিরিজ ও একটি টি২০ ম্যাচ। টেস্টে ড্র করলেও ওয়ানডে ও টি২০র সবক'টি ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে। সাফল্যের কিছু দিক দেশি ও আন্তর্জাতিক রেকর্ডবইতে কয়েকটি কীর্তি জায়গাও করে নিয়েছে। বাংলাদেশের মিডিয়া, সামাজিক মাধ্যম এই খেলা নিয়ে ব্যস্ত ছিল। বেশ কয়েকটি ফিচার রিপোর্ট, ম্যাচ প্রিভিউ, পোস্ট-ম্যাচ রিপোর্ট, টুকরো সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে এই খেলা


উৎপল শুভ্র ও বেহায়া নির্লজ্জ রকমের পাকিস্তান-প্রেম

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৫/০৪/২০১৫ - ২:৫৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক উৎপল শুভ্রের পাকিস্তান ক্রিকেটদল প্রীতি প্রায় সবারই জানা। এই ভদ্রলোকের প্রায় সমস্ত ক্রিকেট সংক্রান্ত রিপোর্ট জুড়েই থাকে তীব্র রকমের পাকিস্তান-বন্দনা, এমনকি এমন কোন ম্যাচ যাতে পাকিস্তান খেলেও নাই সেই খেলাতেও কোন না কোন উদ্ভটভাবে পাকিস্তানের কোন খেলোয়াড়কে টেনে আনতে তার জুড়ি মেলা ভার। যেমন, ম্যাচ রিপোর্ট লিখেছেন অস্ট্রেলিয়া আর ইংল্যান্ডের কোন ম্যাচের। কিন্তু তার মধ্যে হঠাৎ দ


টুকরো টুকরো লেখা ২৮

সুমন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুমন চৌধুরী (তারিখ: শনি, ২১/০৩/২০১৫ - ৭:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাঝে দুএকদিন আবহাওয়া আর ক্রিকেট বাদে গত দুই মাসের পুরোটাই একঘেয়ে বিরক্তিকর। মেঘলা আবহাওয়া, বিবৃতিভিত্তিক রাজনীতি, পেট্রোলবোমায় মানুষ পুড়িয়ে মারা, বইমেলার পথে লেখক খুন, বিশ্বরাজনীতিতে গুমোট এই সবের কিছুই নতুন না। পরিবর্তনের কথা ভাবতেও ভুলে গেছি।

১.


বাংলাদেশ - ভারত ম্যাচের আগে চিলে আদৌ কান নিয়েছে কি না নিশ্চিত হয়ে নিন

নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী (তারিখ: বুধ, ১৮/০৩/২০১৫ - ৭:২৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ্বকাপ জমে উঠেছে। সেই সাথে জমে উঠেছে বাংলাদেশ এবং ভারতের সমর্থকদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধকে উসকে দিচ্ছে কিছু অনলাইন পত্রিকা যাদের জন্মই হয়েছে যেকোনো উপায়ে মানুষের ক্লিক পেয়ে বিজ্ঞাপনদাতার কাছ থেকে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা পকেটে ঢোকানোর জন্যে। এই পত্রিকাগুলোর নামের আগে নিউজ, বিডি, ২৪, ৭ ইত্যাদির বিশেষ সংযোজন পরিলক্ষিত হয়। এরা সাধারণত মানুষের ধর্মীয় এবং রাজনৈতিক অনুভূতি নিয়ে ব্যবসা করে কিন্তু বর্তমান বিশ্বকাপের মৌসুমে দেশপ্রেমকেও তারা নতুন ব্যবসার ক্ষেত্র হিসেবে আবিষ্কার করেছে। এরা ইচ্ছা করে মিথ্যে এবং ভ্রান্ত সংবাদ তৈরি করে সেটাকে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে। সংবাদগুলো এমন হয় যে হেডলাইন দেখেই মানুষের মেজাজ চড়ে যায়। নিজে গিয়ে নিউজটা পড়ে, রাগপ্রকাশের মাধ্যম হিসেবে সেটা শেয়ারও দেয়। ফলে একজন থেকে দুইজন এবং এভাবে দুইজন থেকে দশজন হয়ে শত শত মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে মিথ্যে সংবাদগুলো।
গত তিন দিনে ফেইবুকে এ ধরনের মিথ্যে সংবাদগুলো দেখে একটা FAQ তৈরি করার প্রয়োজন বোধ করছি। তবে প্রশ্নগুলো কিন্তু মোটেও আমার তৈরি না। অনেকটা এভাবেই বন্ধু তালিকার মানুষরা অথবা বন্ধুর বন্ধুরা প্রশ্নগুলো রেখেছে তাদের স্ট্যাটাসে। আসুন জেনে নেই চিলে কি আদৌ কান নিয়েছে নাকি কান কানের জায়গাতেই আছে!


হঠাৎ উথলে ওঠা পাকিপ্রেম

ধ্রুব আলম এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব আলম [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৪/০৩/২০১৫ - ১২:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কদিন আগেই মনে হয় গেলো ডাকবাবা আফ্রিদির জন্মদিন। আর তার সাথে চলছে এখন বিশ্বকাপ, মাঝে মাঝেই হয়ে যায় পাকি শুয়োরের বাচ্চাদের খেলা। এই খেলায় তাদের মাঠের যা পারফর্মেন্স থাকে, তার থেকে ভাল পারফর্মেন্স দেখায় পরদিন এদেশের মিডিয়া, বিশেষ করে মইত্যা আলুর উটপোদ শুভ্র। এর সাথে হঠাৎ করে শুরু হয়েছে করপোরেট হাউজগুলোর পাকি ডান্ডু চোষন। পাকিপ্রেম এরা আর ধরে রাখতে না পেরে উগরে দিচ্ছে এক্কেবারে।


পাকিস্তান ভাল খেলে, তাই সমর্থন দেই। আসলেই? (পর্ব-২)

ধ্রুব আলম এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব আলম [অতিথি] (তারিখ: রবি, ২২/০২/২০১৫ - ৩:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাকিস্তানের বিশ্বকাপরঙ্গ চলার আগেই, এশিয়া কাপ চলার সময় এদেশীয় পাকি-পেয়ারুদের শীৎকারের আবেগ থামাতে একটা লেখা লিখেছিলাম। আজকাল আর পাকি সমর্থক তেমন পাওয়া যায় না, আড়ালে-আবডালে তাদের চাপা কান্না শুনি, তবে ফেসবুকে হাহাকার (পড়ুন ম্যাৎকার) কমে গেছে। এখন তারা কথা বলে ব্যালেন্সিং করে, ভারত হারলে খুশি হয়,কিন্তু পাকি হার-জিতে আবেগ প্রকাশ করলে আশেপাশে দুষ্টু 'খেলার সাথে রাজনীতি' মেশানো লোকজন দৌড়ে এসে ভরে দেয়।

সেই লেখার আর ২য় পর্ব লেখার আগ্রহ বোধ করিনি। কিন্তু অলস বসে আছি বলে মনে হলো, লিখেই ফেলি (অলস মস্তিষ্ক শয়তানের কারখানা)। পাকি-পেয়ারুদের যত বাগারম্বড় তো সেই এক বিশ্বকাপ জয় নিয়েই। শুরু করি পাকিস্তানের বিশ্বকাপ কাহিনী।


শুভ হোক, মঙ্গল হোক, বিশ্বক্রিকেটে বাংলাদেশ!

আয়নামতি এর ছবি
লিখেছেন আয়নামতি [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৩/০২/২০১৫ - ৩:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চিলতে ইতিহাস ১:

স্হান: শেরপুর জেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম কামালপুর।

বকসিগঞ্জ-জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের প্রবেশপথ কামালপুরের বিওপিতে ছিল পাকিস্তানীদের শক্তিশালী ঘাঁটি।এই ঘাঁটিতে আক্রমণ করে সেটা নিজেদের দখলে আনতে যে জিনিসটার সবচে' বেশি প্রয়োজন ছিল তার নাম দুর্জয় সাহস।


মনোজগতে পাকিস্তান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০২/২০১৫ - ১০:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

“তুমি কারও সাথে ছবি তুলতে যাবে না, সবাই তোমার সাথে ছবি তুলতে আসবে।“২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে গিয়ে সদ্য কৈশোরউত্তীর্ণ তামিম ইকবাল যখন সচিন, সৌরভ, দ্রাবিড়দের সাথে ছবি তুলতে ছুটে গিয়েছিল কোচ ডেভ হোয়াটমোর তাকে নিবৃত্ত করেছিলেন।


বাংলাদেশ ক্রিকেটের অভাগা পেস বোলারেরা এবং স্পিনারদের শ্রেষ্ঠত্বের ভ্রান্ত চশমা

ধ্রুব আলম এর ছবি
লিখেছেন ধ্রুব আলম [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০/১১/২০১৪ - ১১:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একযুগের বেশি হয়ে গেল, বাংলাদেশ টেস্ট খেলে, জয় আসে কালেভাদ্রে। তাও জিম্বাবুয়ে বা খর্বশক্তির ওয়েস্ট ইন্ডিজের সাথে। তবে দেশের ক্রিকেট যে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে সন্দেহ নেই। একটি টেস্ট জয়, একটি বড় অর্জন, সেটি যা সাথেই হোক, আর যেভাবে, যে অবস্থাতেই আসুক। পাঁচ দিন টানা শুধু শারীরিক সামর্থ্য নয়, সাথে মনোসংযোগ ও মনোবলের পরীক্ষাও দিতে হয়।

টেস্টে জয়ের মূল শর্ত হচ্ছে প্রতিপক্ষকে দু'বার অলআউট করতে হবে, যেটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাংলাদেশ করতে পারে না। আমরা অনেক সময়ই শুনে থাকি, আমাদের মূল শক্তি নাকি ব্যাটিং আর স্পিনাররা। কিন্তু শুধু ব্যাটিং দিয়ে আর যাই হোক, টেস্ট জেতা সম্ভব না, তার ওপরে আমাদের ব্যাটিং মোটেই আহামরি কিছু না। বরং বোলাররাই অনেকক্ষেত্রে আমাদের জয় এনে দিয়েছে, জয়ের সুবাস দিয়েছে, ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় জয় আসেনি। বোলাররাও যে ম্যাচ হারায়নি, তা না, তাদেরও দোষ রয়েছে, কিন্তু ব্যাটিং আমাদের যেভাবে লজ্জা দিয়েছে মাঝে মাঝে, বোলিং-এ মনে হয় তেমন দিন অত আসেনি।


ব্রিজ খেলতে চান? - দ্বিতীয় পর্ব

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি
লিখেছেন ইয়াসির আরাফাত [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৫/১১/২০১৪ - ৪:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(এই পর্বে থাকছে স্লাম বিডিং, প্রথম পর্ব এখানে)

স্লাম বিডিং

আপনার এবং পার্টনারের হাতে মেলা পয়েন্ট জমে গেছে, আসল কিংবা সাইড অফ ধরে। খেলা শেষে দেখা যাবে আপনারা বারো বা তেরো ট্রিক পেয়ে গেছেন। অর্থাৎ স্লাম হবার সমস্ত উপকরণই আপনাদের হাতে ছিলো। এটা খেলা শুরুর আগেই বুঝবেন কিভাবে?