কেউ সমাধান দেন।

O'Hare Airport Hires Goats to Mow the Lawn
http://www.good.is/posts/o-hare-airport-hires-goats-to-mow-the-lawn
কে যেন জড়িয়ে ধরলো শক্ত করে। চিনি কি তাকে ? নাতো। বিজয়ের আনন্দ কি আপন পর ভেদাভেদ ভুলিয়ে দেয় ? আলিঙ্গন যন্ত্রণা থেকে মুক্ত হতেই ভুভুজেলার আওয়াজে কান ঝালাপালা। আর ঢাকের শব্দে উন্মাতাল জনসমুদ্র। "আমরা জিতে গেছি ভাই।" কান ফাটিয়ে চিল্লায় পাশের জন। জানি তো। এতক্ষনতো পাশে বসেই খেলা দেখলাম। মানুষকি পাগল হয়ে গেছে? এরাই কি সেই জনতা যারা পুরা দলকে একসাথে গালাগালি করেছে বিপর্যস্ত হতাশায়?
আমি দৈনিক প্রথম আলোর একজন নিয়মিত পাঠক। আমার বাসায় নিয়মিত এই পত্রিকাটি রাখা হয় এবং খুব আগ্রহ নিয়েই আমি পত্রিকাটি পড়ি। বিভিন্ন সময়ে নানান অসঙ্গতি চোখে পড়লেও সেগুলো স্বাভাবিক ভেবে উপেক্ষা করার চেষ্টা করি। কিন্তু ক্রিকেট বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিস্ময়ের সাথে লক্ষ করছি, বাংলাদেশের দল নিয়ে দৈনিক প্রথম আলোতে একের পর এক বিভ্রান্তিকর, মনগড়া এবং ভিত্তিহীন প্রতিবেদন ছাপা হয়ে চলেছে। নিঃসন্দেহে এসব প্রতিব
(এই বিষয় নিয়ে যখন লেখা শুরু করি তখনও সচলায়তনে এই বিষয়ে কোন পোস্ট পড়েনি, অথচ এখন পোস্ট করতে এসে দেখি এরই মধ্যে এই বিষয়ে দু'দুটি পোস্ট হয়ে গিয়েছে। তারপরও নিজের লেখাটি প্রকাশ না করার লোভ সামলাতে পারলামনা। কারো বিরক্তির উদ্রেক করে থাকলে আগেভাগেই ক্ষমা চাচ্ছি।)
৮ই জানুয়ারি,২০১০। মিরপুর স্টেডিয়ামে ভারতের সাথে বাংলাদেশের দিবারাত্রির খেলা। টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিলেন সাকিব। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের বিরুদ্ধে সেটা হঠকারিতা কিনা সেটা নিয়েও জল্পনা কল্পনা শুরু হয়ে গেল। অবশ্য প্রথম ভাগে সাকিবের সিদ্ধান্ত প্রশ্নের সম্মুখীন হলনা। বাংলাদেশ ২৯৬ রানের একটা "ফাইটিং" (ভারতের দুর্দান্ত লাইনআপের কথা মাথায় রাখলে উইনিং না বলে ফাইটিং বলাটাই সমীচীন ) স্কোরও
ইন্টারনেটের দুনিয়ায় আমাদের তেমন সুন্দর কোন (Digital Artworked) পতাকা নাই... হাতে গোনা দুই একটা আছে... তাও ছোট ছোট... সেজন্য এ প্রচেষ্টা... এটাও মনে হয় up to the mark হয়নি... তারপরেও চেষ্টা করতে দোষ কি ... ফুটবল বিশ্বকাপের সময় ব্রাজিল আর্জেন্টিনার কতশত ধরনের পতাকা দেখালাম... আর আমাদের দেশে বিশ্বকাপ হচ্ছে যেখানে আমরাও খেলছি সেখানে নতুন (Digitally Created) কোন পতাকা নাই ...
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে, হবে ও। মাশরাফি কে কেন নেয়া হলোনা, সিডন্সের ক্কারী বেলালী, আশরাফুল সাহেব তো নিজেই একটা বিতর্ক, সেরা এগারো কি হবে, নাঈম না শুভ, রকিবুল না আশরাফুল, তিন পেসার না দুই পেসার, ব্যাটিং পাওয়ার প্লে কখন নেয়া উচিত, এই রকম আরো ২৩১৫৬ টা বিতর্ক আছে। আমাদের সবার ই নিজস্ব মতামত আছে; আছে যুক্তি, আবেগ, পছন্দ, অতি পছন্দ ও অপছন্দ। বাংলাদেশে নাকি উপদেশ দাতা, এম বি এ আর ক
//কুটুমবাড়ি//
আর মাত্র একদিন বাকি। তারপরই মাঠে গড়াতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ। বলার অপেক্ষা রাখে না, এটিই প্রথম কোনো বৈশ্বিক ক্রীড়ার আসর, যা বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অবশ্য ভারত আর শ্রীলংকাও সহআয়োজক হিসেবে আছে, তবে বাংলাদেশের মাটিতেই পর্দা উঠতে যাচ্ছে দশম ক্রিকেট বিশ্বকাপের। এই মুহূর্তে সারা দেশজুড়েই একটা সাজ সাজ রব, দেশবাসীও আক্রান্ত হয়েছে প্রবল ক্রিকেট জ্বরে। বলা যায়, বিশ্বকাপ আয়োজনের সকল প্রস্তুতিই সম্পন্ন। সাফল্যের সাথে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানও শেষ করা গেছে। এখন শুধুই অপেক্ষা ব্যাটে-বলে জমজমাট লড়াই শুরু হওয়ার।
এবারের বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগেই ক্রিকেটপাগল দেশবাসীর জন্য একটি সুসংবাদ
রাত পোহালেই পর্দা উঠছে 'দ্য গ্রেটেস্ট শো অন বাংলাদেশ' - বিশ্বকাপ ক্রিকেট ২০১১ এর। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি আমরা সবাই। যতটা উদ্বোধনের তার চেয়েও হয়তো বেশি আমাদের লাল-সবুজে বর্ণিল ঐ ১১ জনের মাঠে নামার অপেক্ষা।
ক্রিকেট 'অবুঝ'দের জন্য ক্রিকেটকে আকর্ষণীয় করতে আইসিসি যে পদক্ষেপগুলো নিয়েছে, তার বেশির ভাগই বোলারদের জীবনকে দুর্বিসহ করেছে। টি২০র প্রচলন, ফ্ল্যাট উইকেট - আদেশক্রমে কর্তৃপক্ষ, একদিনের ম্যাচে ৪০% ওভারেই ব্যাটসম্যানের পেশীশক্তি প্রদর্শনের অভয়ারণ্য সৃষ্টি, বাউন্সারের ওপর কড়াকড়ি আরোপ, নো-বল করলেই পরের বলে যেমন খুশি মারো - সবকিছুই বোলারদের বিপক্ষে যায়। ক্রিকেটে দিনকে দিন বোলাররা হচ্ছেন পাঞ্চিং ব্যাগ। তা
ক্রিকেট বিশ্বকাপের ওয়ার্মআপ ম্যাচগুলো সম্প্রচার করার ব্যাপারে আইসিসি'র নেয়া একটা প্যাথেটিক সিদ্ধান্ত দেখা গেলো। কেবলমাত্র ভারতের ওয়ার্মআপ ম্যাচগুলোই সম্প্রচার করা হবে। আর বাকি খেলাগুলো ফি-সাবিলিল্লাহ। দেখালে সবগুলোই দেখানো হোক, না দেখালে একটাও বা দেখানোর কি দরকার? আর এটা কোন ধরণের ছাগলামী, যেখানে বাংলাদেশ হোস্ট হয়েও নিজেদের ওয়ার্মআপ ম্যাচ সম্প্রচার করার অনুমতি পায় না!