ভ্রমণ

স্মৃতিময় টাঙ্গুয়ার হাওড়ে (১ম পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৬/০৯/২০১৪ - ৭:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]১৬ই আগষ্ট, ২০১৩: দিনের শুরুটা ভালই মনে হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ কোথা থেকে একদল মেঘের আগমন। তারপর মুষল ধারায় বৃষ্টি। এখন পর্যন্ত পুরো ট্রীপ জুড়ে বৃষ্টি বাধা হয়ে দাড়াচ্ছে বার বার। আমরা “ভ্রমণ বাংলাদেশের” ৩৫ জন সদস্য আটকে আছি হোটেলে। একপর্যায়ে বৃষ্টিকে সঙ্গী করেই আমরা যাত্রা শুরু করি। সুরমা নদীর ঘাটে এসে নদী পার হয়ে শুরু হল লেগুনার জন্য


দ্য ডাচ্‌ ক্যপিটল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১০/০৯/২০১৪ - ৬:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

উত্তর সাগর থেকে ভেসে আসা নোনা বাতাস শ্যাওলা ধরা জাহাজের কাঠের পাটাতনে মিশে এক ধরনের স্যাতসেতে ঘ্রান তৈরী করে। কাঠের জাহাজ কালের কাছে বিলীন হয়েছে। কিন্তু সমুদ্রচারী নীর্ভিক এক নাবিক জাতির জীবনসংগ্রামের এই ঘ্রান এখনও পাওয়া যায় সেই অঞ্চলে। এই ঘ্রান তারা জাহাজে করে বয়ে নিয়ে গিয়েছে আটলান্টিকের পশ্চিম প্রান্ত ধরে সোজা দক্ষিন দিকে। কাঠের জাহাজে ভেসে আরো পূব দিকের ভারত মহাসাগর ও এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয়


জমজমাট জ্যাকসনভিল আর এদিক-সেদিক

মেঘলা মানুষ এর ছবি
লিখেছেন মেঘলা মানুষ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৮/০৯/২০১৪ - ১২:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এবারের গন্তব্য জ্যাকসনভিল। এটা ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের একটা শহর। মজার ব‌্যাপার হল জ্যাকসনভিল শহরটা ভূমির আকারের দিক থেকে ইউএসএর ৫ম বৃহত্তম শহর।


দুবাইয়ের পথে পথে - পর্ব ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ৩০/০৮/২০১৪ - ৩:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দুবাইয়ের দুবাই হয়ে উঠার পিছনে যেটির সবচেয়ে বড় অবদান তা হলো দুবাই ক্রিক (খোর দুবাই)। আমাদের দেশের ছোট খাটো একটা খালের মতই হবে এর বিস্তৃতি - কিন্তু এই খাল বা খাড়ি তিল তিল করে গড়ে তুলেছে এই শহরকে। আরব সাগর থেকে বাঁক খেয়ে দুবাইতে ঢুকে প্রায় ১৫-২০ মাইলের মত এই ক্রিক বা খাড়িকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল দুবাইয়ের সব ব্যবসা - এখনো চলছে।


শরতের শুভ্রতায় কাপ্তাই

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ৩০/০৮/২০১৪ - ৩:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]সচলায়তনে এবার হাজির হলাম আমার দ্বিতীয় পোষ্ট নিয়ে। যথারীতি ভ্রমণ বিষয়ক পোষ্ট। আজ লিখছি রাঙামাটি জেলার অন্তর্গত ‘কাপ্তাই’ উপজেলা নিয়ে। প্রতিবছর প্রচুর সংখ্যক পর্যটক রাঙামাটি গেলেও কাপ্তাইকে কেন যেন অনেকেই অবহেলার চোখে দেখেন। তাই কাপ্তাই না দেখেই তারা বাড়ির পথ ধরেন। যদিও কাপ্তাইয়ে ছোট বড় বেশ কিছু ট্যুরিষ্ট স্পট গড়ে উঠেছে আগেই। যা সৌন্দর্যের দিক থেকে বেশ সমৃদ্ধশালী। এমনকি এ স্পটগুলো সারাদিন


নেপাল ভ্রমণের কথোপকথন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৮/২০১৪ - ৮:০৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের দেশের মানুষজনের মাঝে ভারত ভ্রমণের এক ধরণের হিড়িক দেখা যায় আজকাল। আমিও তাদের দলে ছিলাম। ঘুরেছিও অনেক জায়গায়। বাই রোড যাওয়ার সুযোগ আছে দেখে হয়তো অনেকেই নিকটবর্তী দেশে সুযোগ বুঝে ঘুরে আসেন। তবে এইবার আমার মনে হয় আপনাদের নেপাল যাওয়ার সময় হয়েছে। আসুন নেপাল কেন কিভাবে ও কখন যাবেন সেই বিষয়ে কিছুটা ধারণা নেওয়া যাক।

বাই রোড নেপাল ভ্রমণঃ


বগালেক-কেওক্রাডং পেরিয়ে অপরূপা জাদিপাই ঝর্ণার খোঁজে (শেষ পর্ব)

মাসুদ সজীব এর ছবি
লিখেছেন মাসুদ সজীব [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৮/২০১৪ - ৯:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


রংধনুর রঙে আঁকা জাদিপাই


ঘুরে এলাম মুসান্দাম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৮/২০১৪ - ৯:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আরব উপদ্বীপের উত্তর-পূর্ব অংশে ওমানের একটি প্রদেশ মুসান্দাম । হাযার পর্বতমালার শুরু এখানেই, এর একপাশে পারস্য উপসাগর আরেক পাশে ওমান উপসাগর। মূল ওমান ভুখন্ড থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত দ্বারা বিচ্ছিন্ন মুসান্দাম উপদ্বীপের মাধ্যমে বিশ্বের জ্বালানি তেল পরিবহনের জন্য বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর উপর ওমান তথা এই অঞ্চলের বাকি আরব দেশগুলো নজরদারি করে (কেতাবি ভাষায় এটা geopolitically strategic location)।


পারকি সমুদ্র সৈকতে একদিন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/০৮/২০১৪ - ৫:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বেশ কিছুদিন যাবৎ ব্লগে লেখালিখির বিষয়টি মাথায় চেপে বসেছে। বাংলা ব্লগের জগতে আমার সবচেয়ে পছন্দের সাইট "সচলায়তন"। তাই "সচলায়তন" দিয়েই আমার ব্লগিং জীবন শুরু করছি। বাঘা বাঘা ব্লগার আর ফটোগ্রাফারদের সামনে লেখালিখি করাটাও একটা ভয়ের ব্যাপার। তবুও নিজের ইচ্ছেটাকে আটকে রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তাই লিখতে বসে পড়লাম। ভুল ত্রুটিগুলোর জন্য ক্ষমা সমালোচনা দুইই করতে পারেন আপত্তি নেই।


আকাশঢাকা পাথুরে পর্বতগণ: সপ্ত হ্রদ ও একটি পর্বত (প্রায়) জয়

রিক্তা এর ছবি
লিখেছেন রিক্তা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২২/০৮/২০১৪ - ২:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ইতিমধ্যে জ্যাস্পারের কাছাকছি এসে টোলগেট পার হওয়ার পরেই জিপিএস সম্বিত ফিরে পেয়েছে। তার দেখানো পথে আমাদের জ্যাস্পারের আস্তানা টেকারা লজে যখন পৌঁছালাম তখন রাত প্রায় দশটা। রিসিপশনের মেয়েটা তার জিনিস পত্র গোছাচ্ছে। আমাদের দেখেই খুবই স্বস্তি প্রকাশ করলো। ঘরের চাবি নিলাম এবং জিজ্ঞেস করতে ভুললাম না যে আসেপাশে ডিনারের ব্যবস্থা কি। ভদ্রমহিলা বেশ কিছু রেস্টুরেন্টের বিজ্ঞাপন ধরিয়ে দিয়ে বললেন আর্লে যাও, ওইটা এখনো খোলা আছে। ক্যারিওন ল্যাগেজ নামাতে গিয়ে বুঝলাম ক্ষুধা তৃষ্ণায় ক্লান্তিতে হাত পায়ের সমন্বয় পুরাই জোম্বি ধাঁচের হয়ে গেছে। অনেক কষ্টে ব্যাগে রুমে রেখে রেস্টুরেন্টের দিকে রওয়া দিলাম। আধা কিলোমিটার রাস্তা যেতে পাক্কা পঁচিশ মিনিট লাগলো! এইবার অবশ্য জিপিএস কোন তেড়িবেড়ি করে নাই, মস্তিস্কের রেসস্পন্স টাইমের কারণে ঘটনা ঘটেছে। জিপিএস বলে ডাইনে যাও। আমরা দুইজন দুইজনের মুখের দিকে তাকাই। এরপর হাতের দিকে তাকাই। কোন হাত দিয়ে ভাত খাই মনে করতে করতে ডাইনের মোড় পার হয়ে যায়।