Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ভ্রমণ

স্মিথসোনিয়ানের টুকরো গল্প-১

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: বুধ, ২৪/০৪/২০১৯ - ৭:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরগুলো সম্বন্ধে সবাই কমবেশী পরিচিত। জ্ঞানের প্রচার এবং প্রসার - এই লক্ষ নিয়ে ১৮৪৬ সালে আমেরিকার সরকার স্থাপিত করে একগুচ্ছ জাদুঘর। প্রতিষ্ঠাতা দাতা এবং ইংরেজ বিজ্ঞানী জেমস স্মিথসন-এর নামানুসারে এদের নামকরন করা হয় স্মিথসোনিয়ান। "জাতীর চিলেকোঠা" হিসেবে অভিহিত এইসব জাদুঘরে রয়েছে ১৫৪ মিলিয়ন দূর্লভ প্রদর্শিত বস্তু। এখন পর্যন্ত রয়েছে ১৯ টি জাদুঘর, ৯ টি গবেষণা কেন্দ্র, একটি চিড়িয়াখানা যাদের বেশীরভাগের অবস্থান ওয়াশিংটন ডিসি। বুঝতেই পারছেন একদিনের সংক্ষিপ্ত ভ্রমনে এতগুলো জাদুঘর ঘুরে দেখা দুঃসাধ্য কর্ম। সেই সাথে এদের প্রদর্শিত বস্তু নিয়ে লিখতে বসলে বইয়ের পর বই লিখতে হবে, এবং সে কাজও গবেষকরা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন! এ লেখায় আমার উদ্দেশ্য শুধু এই জাদুঘরগুলো সম্বন্ধে আগ্রহ জাগিয়ে তোলা। তাই চেষ্টা করলাম কিছু চমকপ্রদ প্রদর্শিত বস্তুর রেকর্ডকৃত ভিডিও এবং তাদের অতিসংক্ষেপিত কাহিনী এ লেখায় তুলে ধরার। আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে এবং মনে এই বিশ্বখ্যাত জাদুঘরগুলো দেখার বাসনা জাগবে। চলুন তাহলে পড়ে দেখা যাক ...

small
ছবিঃ এরকম অসংখ্য অসামান্য চিত্রকর্ম, ভাস্কর্য, প্রাকৃতিক এবং প্রযুক্তিগত ইতিহাসে সমৃদ্ধ স্মিথসোনিয়ান । যার অতি যৎসামান্য তুলে ধরার চেষ্টা করব এই সিরিজ লেখায়।


সড়ক পথের রোমান্টিকতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৩/০৩/২০১৯ - ৫:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি এখন পর্যন্ত উড়োজাহাজে চড়িনি। আমার জানা নেই, উড়োজাহাজ যখন মেঘের মধ্য দিয়ে উড়ে চলে তখন যাত্রীদের পাখীর মত উপলদ্ধি হয় কি না। উড়োজাহাজে উঠতে না পারার আফসোস আছে বটে। আকাশ পথে ভ্রমনের অভিজ্ঞতা না থাকলেও আমার মনেহয় স্থল পথে, নদী পথে, সমুদ্র পথে ভ্রমণ বেশী উপভোগ্য হয়। তবে নিশ্চয় উড়োজাহাজে আরাম বেশী, সময় বাঁচে।


মায়াপুরের মায়ায়

সৈয়দ আখতারুজ্জামান এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ আখতারুজ্জামান (তারিখ: সোম, ১৮/০৩/২০১৯ - ৬:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যাওয়ার কথা ছিলো দার্জিলিং। কিন্তু কপাল কখনো কখনো বিশ্বাস করিয়ে ছাড়ে - ‘আমি আছি’। এখানে লেখা না থাকলে জোটে না অনেক কিছুই। কোলকাতায় সারাদিন ঘুরেও জলপাইগুড়ির ট্রেনের টিকেট পাওয়া গেলো না। এমনকি বাসের টিকেটও না। সাথের অন্যান্য ভ্রমণসঙ্গীরা আমার ভরসায় গালে হাত দিয়ে ব্যাকুল চিত্তে বসে আছে, হয়ত কিছু একটা ব্যাবস্থা করে ফেলতে পারবো। কোলকাতায় আমার এক বড়ভাই-বন্ধু আছেন – বাপ্পীভাই। তিনিও আমাদের সাথে ট্রেন টিকে


বজ্রনিনাদী জলরাশির ইতিকথা

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: রবি, ২৩/১২/২০১৮ - ৯:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চোখের সামনে বিস্তৃত একটা অর্ধচন্দ্রাকৃতির খাড়া পাহাড়ের দেয়াল। যেন সত্যজিৎ রায়ের একশৃঙ্গ অভিযান গল্পের ডুংলুং-ডো। আশ্চর্য কোন জগত অপেক্ষা করে আছে তার ওপাশে। শুধু ংমুং লেপা জুতো পড়ে ফাইন্ডিং নেভারল্যান্ডের বাচ্চাদের মত ভেসে ভেসে প্রাচীর পাড়ি দেবার অপেক্ষা। কিন্তু দেয়ালটা স্থির নয়। প্রবল গর্জনে প্রতি সেকেন্ডে হাজার টন পানির ধারা ঝড়ে পড়ছে এর গা বেয়ে। প্রায় দেড়শ ফিট নিচে এসে আছড়ে পড়ে পানির উপর তৈরী করছ


লোহিত খাঁড়ি আর কৃষ্ণ নদীর গল্প

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: রবি, ২৫/১১/২০১৮ - ৮:৩৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

- “লাল পানির নদী দেখেছ কখনো" ? আমার দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলো নিক। মুখে মিটিমিটি হাসি।
- “না ত। এ নদীর পানি খেলে কি নেশা হবে নাকি ? পাল্টা প্রশ্ন করি আমি।
- "আরে ধুর। এ পানি সেই পানি না।" হাত নেড়ে কথাটা উড়িয়ে দেয় নিক। খানিকটা আশাহত অবার ভান করি আমি।
- “ও। তাহলে পানি লাল হবার কারন কি ? লোহার আধিক্য না লাল মাটির মিশেল ?”
নেতিবাচক ভাবে মাথা নাড়ে নিক। জবাব দেয় না। মিটিমিটি হাসে।


স্বপ্নদ্বীপ পারহানতিয়ান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৩/১১/২০১৮ - ১:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রাগৈতিহাসিক যুগ থেকেই মানুষ নৌ পথ ব্যাবহার করেছে যোগাযোগ আর বানিজ্যের উদ্দেশ্যে। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটেছে সমুদ্রে। এসব সুদীর্ঘ নৌ পথে বিপদের আশংকাও কম ছিলনা।কখনও ঝড় আর জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গেছে জাহাজ, কখনও জলদস্যুর হাতে গেছে প্রান, কখনও বা স্কার্ভির মত অনাবিষ্কৃত ব্যাধিতে ধুঁকে ধুঁকে মরেছে বনিক আর মাঝিমাল্লার দল। বিশ্রাম,জ্বালানি আর খাবার সংগ্রহের জন্য পথিমধ্যে অনেক পূর্বপরিচিত কিংবা সম্প


পৌষের বৃষ্টিতে দূর সীমান্তের চা বাগানে

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/১১/২০১৮ - ৪:০৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পথ যতটা দীর্ঘ হবার কথা ছিল তারও চেয়ে অনেক দীর্ঘ এবং ক্লান্তিকর। বিকেলের আগে পৌঁছে যাবার কথা থাকলেও সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল। শেষ লোকালয় ছেড়ে এসেছি ঘন্টাখানেক আগে। ছোট ছোট টিলার ফাঁক থেকে বুনো ঘ্রাণ আসছে। অচেনা পতঙ্গেরা সঙ্গীত উৎসব শুরু করেছে। জঙ্গলের শেষ মাথায় ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত। এখানে কেবলই চা বাগান। মাইলের পর মাইল সবুজ। অন্ধকার হয়ে আসলেও ধূসর সবুজ আলো জেগে আছে চারপাশে। সেই ধূসরতার মাঝখানে একাকী দাঁড়ি


জিপলাইনে দুহাজার ফিট

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/১১/২০১৮ - ৮:১৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শাঁ শাঁ শব্দে প্রায় উড়ে চলছি উচু উচু সব গাছের ফাক দিয়ে। দু হাত দিয়ে শক্ত করে ধরে রেখেছি মাথার উপরের হ্যান্ডেল। শুধু একটা দড়ির সাহায্যে ঝুলে আছি মাটি থেকে প্রায় ৬০ ফিট উপরে। চলতে চলতে মাথা ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখছি চারিপাশের আর নিচে দ্রুত অপসারমান সবুজের সমারোহ। দ্রুত চলে আসলো সামনের প্লাটফর্ম। বিশাল রেডউড ট্রীর উপর কাঠের মাচার মত প্লাটফর্ম তৈরী। গাইডের নির্দেশ অনুযায়ী হাত মাথার উপরে তুলে দড়ির উপর আঙ্গুল


এপালাচিয়ান দিনরাত্রি

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/১০/২০১৮ - ৩:৩৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১৭ মে। মরগানটাউন।

আজ সকালে বিল-এর মেইল পেলাম। লিখেছে -

হ্যালো,

আমি আনন্দিত যে তুমি এপালাচিয়ান ওয়াইল্ডারনেস এডভেঞ্চারে সাইন আপ করেছ। আশা কারি আমাদের সময়টা বেশ মজায় কাটবে! যেহেতু হাতে এক সপ্তাহ সময় আছে আমাদের কি কি জিনিস সাথে করে নিতে হবে তা লিখে দিচ্ছি। কোন প্রশ্ন থাকলে দয়া করে জানিও। বৃষ্টি হতে পারে, তাই পঞ্চো বা রেইন কোট আনলে ভালো হবে। আর ট্রেইলে ব্যবহৃত জুতো। ইতি -


যেদিন আমি ডুবে যাচ্ছিলাম ইয়কাগেনি নদীতে

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: মঙ্গল, ২৫/০৯/২০১৮ - ১১:০৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"কিপ রোয়িং ফরওয়ার্ড!" পেছন থেকে চাক চেঁচিয়ে উঠলো। ডানে বসে থাকা লীও অস্ফুটস্বরে চিনা ভাষায় কি জানি বলে উঠলো, মনে হয় "ইয়াল্লা" জাতীয় কিছু। ভেলার ঠিক সামনে বসে বৈঠা বাইছি আমি। আমার ঠিক পেছনে বামে ফিল , আর ডানে লীও। সবার পেছেন হাল ধরে চাক। চোখের সামনে ফেনিল জলরাশি, তার ভেতর জেগে আছে বিশাল বিশাল ভয়ালদর্শন পাথর, সেই সাথে কানে তালা লেগে যাওয়া পানির গর্জন। পানির গতি বেড়ে চলেছে। কারন সামনেই নদী কয়েক ফিট