প্রকৃতি

আপন হতে বাহির হয়ে – ২

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২২/০৭/২০১৪ - ২:১১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছোটখাট সাইজের ছবি ব্লগ, সাথে যথারীতি ক্যাপশন ফ্রি


আপন হতে বাহির হয়ে – ১

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/০৭/২০১৪ - ৫:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশাল সাইজের ছবি ব্লগ, সাথে ক্যাপশন ফ্রি


বাংলার তরু-লতা-গুল্ম-৩৪ : ধুতরা

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২১/০৬/২০১৪ - ৫:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


ধুতরাকে গাঁয়ের মানুষে ভয় পায়। কারণ এর ফুল বড্ড বিষাক্ত। আমরাও ভয় পেতাম। কিন্তু মাঝে-মাঝেই ভুলে যেতাম ভয়ের কথা, ধুতরার বিষের কথা। মা-দাদীরা বলতেন, ধুতরোর ফুল নাকে শুঁকলে মানুষ পাগল হয়ে যায়। কথাটা কতটা সত্যি জানতাম না। তবে ধুতরোর ফুল নিয়ে খেলা করলেও নাকে শুঁকতাম না কখনও।


আটপৌরে ঘোরাঘুরি ৩ - মাটারহর্নের কাছাকাছি

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি
লিখেছেন ইয়াসির আরাফাত [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১১/০৬/২০১৪ - ৭:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মাটারহর্নের খোঁজ প্রথমে পাই এক সহকর্মীর কাছে। কয়েক মাস আগে দুইজন মিলে অফিসের দেয়ালে টানানো একটা ত্রিমাত্রিক মানচিত্র দেখছিলাম। সুইজারল্যান্ড বলতে আমি তখন চিনি কেবল ইয়ুংফ্রাউইয়োক আর ইন্টারলাকেন, সেখানেও আবার যাওয়াও হয় নি, গরমকালে যাব এরকম প্ল্যান। সম্ভাব্য সেই যাত্রার খুঁটিনাটি নিয়ে দুইজনে কথা বলছিলাম। সে হঠাৎ বলল, ‘তুমি মুঁ স্যারভাঁতে গিয়েছ’?


বাংলার তরু-লতা-গুল্ম-৩৩ : ময়নাকাঁটা

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০৬/২০১৪ - ১:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


পেয়েছি! আর কিছু চায় না। এ যে বিভূতিভূষণের ময়নাকাঁটা। কত বন-বাঁদাড়ে এর খান তল্লাস করেছি, পায়নি। চিনিই না তো পাব কীভাবে? যারা দেখেছেন, চেনেন, তাঁদের মুখে বর্ণনা শুনে খোঁজার চেষ্টা করেছি। তবুও দেখা মেলেনি। আজ এভাবে অপ্রত্যাশিত দর্শনের কথা ভাবিইনি। ময়নাকাটা বাংলাদেশের সবজায়গায় ছিল কিনা জানা নেই। তবে আমাদের এলাকায় যে এর প্রাচুর্য ছিল তার সাক্ষ্য বিভূতিভূষণই দিয়েছেন।


কুসংস্কারে কুঠারাঘাত-৩ : কালকেউটের ছোবল

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ৩১/০৫/২০১৪ - ৮:১৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যেহেতু অনেক পাঠক এই পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তথ্যসূত্র চেয়েছেন, পর্যাপ্ত তথ্যসূত্র আমার হাতে নেই, তাই পোস্ট থেকে লেখাগুলো সরিয়ে ফেললাম। যারা আমার কথায় আঘাত পেয়েছেন, তাদেরকে আঘাত দেয়ার জন্য আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।


বাংলার তরু-লতা-গুল্ম-৩২ : তাল

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ১৪/০৫/২০১৪ - ৬:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


শরতের তাল পাকা গরম। ভ্যাপসা, অস্বস্তিকর। তবে তা শুধু বড়দের জন্য। আমাদের বয়েই গেছে শরৎকে কেয়ার করতে। ঘরকুনো হয়ে বসে থাকার দিব্যি তো কেউ দেয়নি! বিশেষ করে নানা বাড়িতে। মা-বাবার বারণ নেই, চাচার রক্তচক্ষু নেই, তাই অস্বস্তি¡র দুপুরে-ঘুমও নেই। নানা বাড়ির সাথেই বিশাল বাগান। আম, জাম, কাঁঠালের। বাগানের ঠিক মধ্যিখানে এক বিরাট তাল গাছ একপায়ে দাঁড়িয়ে আছে। সব গাছ ছাড়িয়ে আকাশে উঁকি মেরে। ধপাস করে একটা তার পড়ে। আমরা ছুটে যাই। কিন্তু কোথায় তাল! কে যেন কুড়িয়ে নিয়ে গেছে। ফিরে এসেছি। আবারও ধপাস! এবার ছুটে গিয়ে দেখি, তাল মুখে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন শিয়াল মামা।


ডেভিড অ্যাটেনবোরোর জাদুমুহূর্ত – ১

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৮/০৫/২০১৪ - ১১:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হতশ্রী এক রাক্ষুসে পোকা যে কিনা ভেসে ভেসে জলার কোণে কোণে খুঁজে ফিরত ব্যাঙ্গাচি বা দুর্বল ছোট মাছ, তাঁর হঠাৎ যেন শখ হল জল ছেড়ে ডাঙ্গায় উঠবার। সেই অভিযানের লোভেই অনেক কষ্টে সৃষ্টে প্রায় হামাগুড়ি দিয়ে সে জলার যে কোন গাছ, বিশেষ করে ঘাসজাতীয়গুলোর প্রান্ত বেয়ে , কখনো বা ডাঙ্গায় ঘষতে ঘষতে চলত সে অন্তকালের মত। জলে সাবলীল সাঁতরে বেড়ালেও তার বাহিরে পোকাটির অবস্থান বড়ই করুণ, কুৎসিত শুককীটের মত শরীরের মাঝখানে


বাংলার তরু-লতা-গুল্ম-৩১ : কৃষ্ণচূড়া

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: রবি, ০৪/০৫/২০১৪ - ১২:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


বৈশাখ মানেই সূর্যের বাহাদুরী। ধানকাটা সারা। খালি মাঠে খাঁ খাঁ রৌদ্রের দোর্দণ্ড প্রতাপ। কৃষকের ব্যস্ততা নাইকো আর। বাগানজুড়ে শুকনো পাতার আস্তর। তপ্ত মরুর নির্জনতা ভর করে মাঠজুড়ে। বাঁশঝাড়ের কঞ্চি-পাতার জটলা থেকে নেমে আসা শ্যামা পাখির সন্তর্পণ পদচারণা। প্রাণহীন দুপরে খসখসে মৃদু ভৌতিক আওয়াজ। নির্জনতার বুক চিরে হঠাৎ ছাতারে দলের তীক্ষ্ণ চিৎকার। শিমুল গাছের মগডালে বাজপাখির জাজ্বল্যমান শ্যেন দৃষ্টি। হঠাৎ রকেটের গতি ভর করে তার ডানায়। ছাতারে দলের পাখায় পিস্টনের উল্লাস। ভীত প্রস্থান। জেট বিমানের মত ডাইভ দেয় বাজপাখি, ছোঁ মারে। বাজের নখরে আটকে থাকা ইঁদুর পুর্ণ আত্মসমর্পণে পৃথিবীকে বিদায় জানায় বৈশাখী হাওয়ায় ভেসে। সেকি জানে এই মৃত্যুই তাঁকে আকাশজয়ী করেছে। করেছে অনন্য। দোপেয়ের লাঠির আঘাতে, গর্তে ধুঁকে ধুঁকে, ড্রেনে পচে কিংবা শ্বাপদের নখরে ছিন্নভিন্ন হওয়ার চেয়ে আকাশজয়ী হয়ে মরা কি শ্রেয় নয়? বাজপাখি উড়ে যায় গ্রীষ্মের লেলিহান শিখার দিকে। বৈশাখের টকটকে বহ্নিশিখা যেন দাউ দাউ করে জ্বলছে কৃষ্ণচূড়ার ডালে ডালে। বাজপাখি সেই আগুনে আত্মাহুতি দেয়; মরণের জন্য নয়, রাজসিক ভোজন পর্বটা মহিমান্বিত করতে।