স্পর্শ এর ব্লগ

ডিম

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: শুক্র, ০৯/১০/২০১৫ - ৩:৫৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাড়ি ফেরার পথে তোমার মৃত্যু হয়।

এটা ছিলো একটা দুর্ঘটনা। তেমন আহামরি কিছু নয়, তবে প্রাণঘাতী। ভালো ব্যাপার হলো মৃত্যুটা ছিলো যন্ত্রণাহীন। মৃত্যুকালে তুমি রেখে গেছ তোমার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে। ডাক্তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছিলো তোমাকে বাঁচানোর। কিন্তু লাভ হয়নি কোনো। তোমার শরীর পুরো চুরমার হয়ে গেছিলো। বিশ্বাস করো, মারা গিয়েই ভালো হয়েছে।

আর তার পরেই তোমার সাথে আমার দেখা হয়।


সচলায়তন ভাবনা

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: বুধ, ০১/০৭/২০১৫ - ৩:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শুভ জন্মদিন সচলায়তন! সচলায়তন সূত্রে পরিচিত হয়েছি অনেক মানুষের সাথে। তাদের কেউ কেউ হয়ে উঠেছে একেবারে আত্মার আত্মীয়। এই এক জীবনের সঞ্চয় যে বন্ধুত্বগুলো তার বড় অংশটাই সচলায়তন সূত্রে। সচলায়তন সূত্রেই, দেশ, কাল, সীমানা, বয়স সব কিছু পেরিয়ে সমমনা কিছু মানুষের কাছাকাছি হতে পেরেছি। এমন অনেকে আছে অন্য কোনো সূত্রে দেখা হলে হয়তো আঙ্কেল বলে সালাম দিয়ে চলে যেতাম, আবার এমন অনেকে আছে, যারা হয়তো বড় ভাই বলে হাতের বিড়িটা ফেলে দূরে সরে যেত। এমন অনেকে আছে, যারা এই বাক-অপটু আমাকে অন্য কোথাও দেখলে দাম্ভিক অথবা বেকুব ঠাউরাতো।


পুনর্জন্মের পর

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: শনি, ১১/০৪/২০১৫ - ৯:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি যখন লিখতে শুরু করি। কতই বা বয়স হবে। সদ্য কুড়ি পেরিয়েছে হয়তো। ভয়ে ভয়ে মনের জানালা একটু খানি খুলি। ফুল পাখি লতাপাতা পিঁপড়া যা কিছু আসে মনে তাই নিয়েই লিখে ফেলি কয়েক লাইন। ব্লগে পোস্ট করার পর অপেক্ষার পালা।… কেউ যদি মন্তব্য করে কোনো। কোনো কোনো দিন সারাদিনেও কেউ কিছু বলে না। ব্লগে তখন অনেক সিরিয়াস লেখকরাও আছেন। দেশ-রাজনীতি নিয়ে তুখোড় প্রবন্ধে ঝড় তুলছেন। সে সব পাতায় ঢুকলেও বেশিক্ষণ থাক


কার জন্য চার লাখ?

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: রবি, ২৯/০৩/২০১৫ - ১০:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত ২৬শে মার্চ ২০১৫ একটা বড় সড় উদ্যোগ আয়োজিত হলো বাংলা নিয়ে। নাম ’বাংলার জন্য চার লাখ’। উদ্দেশ্য ছিলো এদিনে দেশ ও বিদেশের আপামর জনসাধারন গুগলের ইংরেজী-বাংলা ট্রান্সলেটরের জন্য অন্তত চার লাখ শব্দ বা বাক্যাংশ অনুবাদ করবে। এভাবে ক্রাউড সোর্স করে প্রাপ্ত করপাসকে বিশ্লেষণ করে এই যান্ত্রিক অনুবাদকটি আরো কার্যকরভাবে বাংলা রচনাকে অনুবাদ ও বিশ্লেষণ করতে পারবে। এই আয়োজন চূড়ান্তভাবে সফল। চার এর জায়


২৮ বর্গমিটার

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: সোম, ০২/০৩/২০১৫ - ৮:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২৮ বর্গমিটারের একটা ঘর। সেটাই আমার অ্যাপার্টমেন্ট। একজন মানুষের বেঁচে থাকতে যা কিছু লাগে সব আয়োজন এর মাঝেই। একটা দেয়াল কাঁচের। সেটাই জানালা। পর্দা সরিয়ে দিলে, কনকনে শীতে কুঁকড়ে যাওয়া গাছগুলোকে ঝড়ো বাতাসের সাথে যুঝতে দেখা যায়। কিছু ছাত্রহোস্টেলের শ্যাওলা ধরা ছাদ চোখে পড়ে। তার মাঝে মাঝে বয়লারের ধোঁয়া বের হবার চিমনি। বৃষ্টির পানি জমে আছে এখানে সেখানে। এরকম একটা অ্যাপার্টমেন্টেই কি মারা গেছি


চিরকুমারদের জন্য রান্নাবান্না ১০১

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: সোম, ১৮/০৮/২০১৪ - ৪:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চিরকুমারদের বা চিরকুমারীদের যে হাতের কাজটি শিখতেই হয়, তা হচ্ছে রান্নাবান্না। এইটা না শিখলে, সুরাঁধুনী কেউ এসে আপনার কুমারত্ব বা কুমারীত্ব হরণ করে নিতে পারে। সেই পরিণতি এড়াতেই এই টিউটোরিয়াল।


কথা (অ)সামান্যই

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: সোম, ০৩/০৩/২০১৪ - ১১:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভাবতাম, মাছি মারা কেরানি হচ্ছে অফিসে তেমন একটা কাজ কর্ম পায় না, বসে বসে মাছি মারে, তেমন কেউ। আবার অনেক সময় ভাবতাম, খুব নগন্য কাজের জন্য যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তেমন কেউ বুঝি। মানে, অফিসে ব্যাপক মাছির উপদ্রব, রেগেমেগে বড় সাহেব একজন লোককেই নিয়োগ দিয়ে ফেললেন। তার কাজ হলো এইসব মাছি মারা। সে মাছি মারা কেরানি। তবে প্রকৃত মাছি মারা কেরানিকে চিনতে পারলে বুকে কাঁপন ধরে যায়। সে চাকরী করে ইংরেজ সাহেব


কিআ পাঠ

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: রবি, ১৩/১০/২০১৩ - ১০:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিশোর আলো, সংক্ষেপে ‘কিআ’র অক্টোবর সংখ্যা হাতে পেলাম বাড়ি এসে। এর আগে সাক্ষী সত্যানন্দের এক মন্তব্যে এটার খবর পাই। তখন থেকেই কৌতূহল ছিলো। হাতে পেয়েই উল্টে পাল্টে অলংকরণগুলো দেখলাম। চমৎকার কাজ। আকান্তিস গ্রুপের পরিচিত অনেকের অবদান চোখে পড়লো। অবশ্য কদিন আগেই এবারের পূজার আনন্দমেলা উল্টে পাল্টে দেখার সুযোগ হয়েছিলো। অলংকরণ দেখলে মাথাখারাপ হয়ে যায়। ঐ লেভেলে যেতে এখনো কিছুটা সময় লাগবে।


বোর্হেসের ভুল

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: বুধ, ১৪/০৮/২০১৩ - ৯:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ থেকে প্রায় অর্ধ শতাব্দী আগে, হোর্হে লুইস বোর্হেস একবার চোখ বুজতেই ক্ষণিকের জন্য কিছু পাখি দেখতে পেলেন। যদিও সেই কল্পদৃশ্যটির স্থায়ীত্ব ছিলো মাত্র এক পলক, কিন্তু সেটা তার চিন্তাকে নিয়ে যায় ঈশ্বরের অস্তিত্ব সংক্রান্ত এক অবশ্যম্ভাবী উপসংহারের দিকে। বাকিটা আমরা তার মুখেই শুনি, [1]


সাদা মানুষের দেশে

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: মঙ্গল, ৩০/০৭/২০১৩ - ৩:০২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ক্যাক ক্যাক শব্দ করে কনভেয়ার বেল্ট চালু হলো। একে একে নানান রকম ব্যাগ আসছে। কিন্তু আমারটার হদিশ নেই। এর আগেও এমন হয়েছে, আমি পৌছে গেছি এক দেশে। আর আমার তল্পি-তল্পা আরেক দেশে। সেইসব স্মৃতি আর সম্ভাব্য দুর্ভোগের আশঙ্কায় বেশ টেনশিত বোধ করছি। আর তখনই খেয়াল করলাম, এই কনভেয়ারবেল্টটা অদ্ভুত। ঢাকার শাহজালাল, বা সিঙ্গাপুরের চেঙ্গি এয়ারপোর্টের বেল্টগুলো ছোটো ছোটো রবারের ফালি দিয়ে তৈরি। এখানে,