Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

গবেষণা

দেবতা ও অসুরগণ

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২০/০৯/২০১৮ - ২:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

দেবতা ও অসুরগণ:

পুরাণ কাহিনীতে অসুর ও দেবতাগণকে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে তাঁরা পরস্পর বৈমাত্রেয় ভাই। আদিতে ইরানি আর্য আর ভারতীয় আর্য একই গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন।

আর্য: পণ্ডিতগণের মত সাপেক্ষে এ কথা বলা যায় যে, প্রায় ৫০০০ বছর আগে রুশ দেশের উরাল পর্বতের দক্ষিণে তৃণাচ্ছন্ন শুষ্ক সমতলে একটি ভাষা-সংস্কৃতিভিত্তিক জাতিগোষ্ঠী গড়ে উঠেছিল।


প্রতিনায়কঃ একটি বিকল্পধারার পোস্টমর্টেম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৮/২০১৮ - ৬:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রতিনায়ক; আমাদের রক্তমাংসের জীবনে সমাজ নির্ধারিত বাঁধাধরা নিয়ম-নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বাইরে এদের অবস্থান। একক শব্দে ধারণাটাকে ধরতে এর চাইতে সুন্দর বাংলায়ন আর হয়না। সৃজনশীল শিল্পমাধ্যমে এদের আনাগোনা অবশ্যম্ভাবী না হলেও, দুর্লভ নয়।স্বাভাবিকভাবেই সমাজের দৃষ্টিতে তাদের ভাবমূর্তি ইতিবাচক নয়। ‘স্বাভাবিকতা’টাই যেখানে সমাজ নির্ধারিত, সেখানে এই নেতিবাচক সীদ্ধান্তটা ধ্রুব ভেবে নেবারও কারণ নেই। সাদাচোখে এরা


ভূতের বাড়ি

মুস্তাফিজ এর ছবি
লিখেছেন মুস্তাফিজ (তারিখ: মঙ্গল, ০৬/০২/২০১৮ - ৯:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]তিনি এখনও সেখানে ঘুরে বেড়ান। সাদা রঙের দুই পিস জামা সাথে বিভারের টুপি পরে এক ঘর থেকে আরেক ঘরে বিচরণ করেন নিঃশব্দে।

কখনো তাকে দেখা যায় একটা আবছায়া হয়ে ভেসে বেড়াতে, কখনো ধোঁয়াশা, আবার কখনো কখনো সুস্পষ্ট দেখা যায় নিঝুম বিশাল হলওয়ে ধরে যেন শতাব্দী প্রাচীন গীর্জায় কোনো এক ধর্মসেবী ঈশ্বরের স্তুতি গাইতে গাইতে হাঁটছেন।

তার পদচারণা প্রায়শই ধীর স্থির শান্ত, মাঝে মাঝে মনে হয় একাকী বিষন্ন কেউ চলে যাচ্ছে সামনে দিয়ে।

তার নাম গ্রেস কিপারলী। শতবছর আগেই দেহ ত্যাগ করলেও আজো এমন শত শত মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে যারা বিশ্বাস করে তিনি আছেন। দেখা দেন মাঝে মাঝে। কখনও ছেড়ে যাননি ডিয়ারলেকের পাশে ‘ফেয়ারএকরস’ এ তার বিশাল প্রাসাদ ‘কিপারলী ম্যানসন’, হালের ‘বার্ণাবী আর্ট গ্যালারি’।


চন্দ্রাবতীর সন্ধানে

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: বিষ্যুদ, ০১/০২/২০১৮ - ৭:১৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চন্দ্রাবতী । শুধুমাত্র নামটা শুনেই মুগ্ধতা ছেয়ে গিয়েছিল অন্য কিছু জানার আগেই । কে রাখলেন এত সুন্দর নাম?


নভেম্বর ১৯৭৫। প্রথম পর্ব

সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর এর ছবি
লিখেছেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম দেলগীর (তারিখ: বুধ, ০৩/০১/২০১৮ - ১১:৫৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


[justify]১.
৭ নভেম্বর ১৯৭৫। মাঝরাত হতে তখনো কিছুটা বাকি। ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি হেডকোয়ার্টারের পাশে যে লাল মসজিদটা, তার পাশের একটি বাড়ি থেকে বের হয়ে এলেন ইউনিফর্ম পরা একজন নায়েব সুবেদার। একা। বাইরে এবং চারিদিকে তখন ভীষণ অন্ধকার।


বড় দিনের বিগ-জ্ঞান

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/১২/২০১৭ - ৫:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

২০১৩ সালে নটিংহ্যাম এবং ডার্বি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই গবেষক জেমস বন্ডের ১৪ টি বই পড়ে, বন্ডের ভদকা মার্টিনি পানের পরিমানের উপর ভিত্তি করে দাবী করে জেমস বন্ড একজন মদ্যপ মাতাল !! হ্যা, ০০৭ , লাইসেন্স টু কিল জেমস বন্ডের কথাই বলছেন দুই লেখক । ১৯৫৩ থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত জেমস বন্ডের ১৪ বই পর্যালোচনা করে তারা আবিষ্কার করেন বন্ড প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১লিটারের (৯২ ইউনিট) মদ খেয়ে চলেছে । এই হারে মদ খাওয়া চালাতে থাকলে অল্প বয়সেই পটল তোলার সম্ভবনা আছে । তাছাড়া মাতাল অবস্থায় জেমস বন্ড প্রায় গাড়ি চালায়, গোলাগুলি করে যা জনসাধারনের জন্যও বেশ বিপজ্জনক ।


পদার্থবিদ্যার রহস্য রত্নঃ সময়-স্ফটিকের খোঁজে

বাহাউদ্দীন এর ছবি
লিখেছেন বাহাউদ্দীন [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৫/১২/২০১৭ - ১:০৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিখ্যাত বিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞানবক্তা মিচিও কাকুর একটি বই আছে, নামঃ “ফিজিক্স অব দ্যা ইম্পসিবল”। এই বইয়ে কাকু তিনটি ভাগে “বর্তমান বিজ্ঞানে অসম্ভব” বস্তুর পদার্থবিজ্ঞান ভবিষ্যতে কেমন হতে পারে বা গবেষণা কোন পর্যায়ে আছে তা নিয়ে কথা বলেছেন। এরকম “অসম্ভবের” প্রথমটি হল – ক্লাস ওয়ান ইম্পসিবিলিটিঃ এখানে আছে স্টার-ট্রেকের মতো শিল্ড বা ফোর্স ফিল্ড, স্টার-ওয়ার্সের মতো বিশাল স্পেসশীপ, কোন কিছুকে অদৃশ্য করে দেয়ার ক্ষমতা, টেলিপোর্টেশন, ভিন্ন গ্রহের বুদ্ধিমান প্রাণের সাথে যোগাযোগ ইত্যাদি। দ্বিতীয়টি হল – ক্লাস টু ইম্পসিবিলিটিঃ আলোর থেকে দ্রুত পরিভ্রমণ করা, সময় পরিভ্রমণ এবং প্যারালাল ইউনিভার্সে যোগাযোগ। শেষটি হল – ক্লাস থ্রি ইম্পসিবিলিটিঃ পার্পেচুয়াল মেশিন এবং ভবিষ্যৎ দেখতে পারা।


গবেষণায় ফুকোচুরি, লুকোচুরি, জোচ্চুরি এবং দায়ভারের ধুত্তোরি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০১/১০/২০১৭ - ১:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত দুইদিনের আলোচিত খবর – ঢাকা “বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক সামিয়া রহমান ও অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের যৌথ গবেষণা প্রবন্ধে চৌর্যবৃত্তির অভিযোগ এসেছে” [১]।

মিশেল ফুকোর ‘দ্যা সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ শিরোনামের লেখাটি পাতার পর পাতা চুরি করার অভিযোগ উঠেছে সামিয়া ও মারজানের বিরুদ্ধে।


প্যাপিলোমা ভাইরাসের সংক্রমণ, জরায়ু মুখের ক্যান্সার এবং আমাদের মেয়েদের নিরাপত্তা

অনার্য সঙ্গীত এর ছবি
লিখেছেন অনার্য সঙ্গীত (তারিখ: মঙ্গল, ০১/০৮/২০১৭ - ৬:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জীবনের কোনো এক পর্যায়ে আপনার ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৪০%। তারমানে পরিসংখ্যানের হিসেবে, কোনো পরিবারে ৫ জন মানুষ থাকলে তাদের মধ্যে ২ জন ক্যান্সারে আক্রান্ত হবেন। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে প্রতিবছর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সংখ্যায় যে প্রকারের ক্যান্সারে মেয়েরা আক্রান্ত হয়, সেটি হচ্ছে জরায়ু মুখের ক্যান্সার। প্রায় সকল (৯৯ ভাগ) জরায়ু মুখের ক্যান্সারের সঙ্গে একটি ভাইরাসের সংক্রমণ জড়িত। হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV)।