মুক্তিযুদ্ধ

আমাদের গল্প (২য় পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৭/০৪/২০১৪ - ২:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সাম্প্রতিক সময়ে যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিরুদ্ধাচরণ করে একটি গোষ্ঠী দেশে অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে । সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জীবনকে ব্যাহত করার যাবতীয় চেষ্টা করছে । যা জাতির জন্য অমঙ্গল বয়ে আনবে বলে আমার আশঙ্কা হয় । যুদ্ধাপরাধীদের উপযুক্ত বিচার ও স্বাধীনতা বিরোধীদের এ ষড়যন্ত্র থেকে জাতিকে রক্ষা করার প্রয়াস অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার পথকে সুগম করবে । উপর্যুক্ত প্রসঙ্গে আ


আমাদের গল্প (১ম পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ১৩/০৪/২০১৪ - ১০:৩৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্মের সাথে বেদনাদায়ক ইতিহাস আছে । আমরা বাঙালি, বাংলা আমাদের মাতৃভাষা । বাংলার ইতিহাস সুপ্রাচীন । বাঙালির অতীতগাথা অত্যন্ত সমৃদ্ধ । আমাদের ভাষারীতি উঁচুমানের । বাঙালির আরও আছে শিল্পকলা আর সংস্কৃতির নিজস্ব ধারা । তবুও আমাদের একটি বড় অপ্রাপ্তি ছিল, স্বাধীনতা নামক এক মুকুটমণির অভাব ছিল । প্রায় দু’শ বছরের ঔপনিবেশিক শাসনের নাগপাশ ছিন্ন করে বাঙলা তথা ভারতমাতা বৃটিশদের হাত থেকে মু


তোমাদের যা বলার ছিল, বলছে কি তা বাংলাদেশ?

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৮/০৩/২০১৪ - ১১:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আবারও বকেয়া লেখা,
আরও এক বছর দেরি করতে মন চাইল না, তাই


একাত্তরের গল্প শুনি

শিশিরকণা এর ছবি
লিখেছেন শিশিরকণা (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/০৩/২০১৪ - ৫:৩৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মার্চ মাস এলেই টিভিতে মুক্তিযোদ্ধা কিংবা শহীদ পরিবারের স্বজনদেরকে ডেকে ডেকে ১৯৭১ এর স্মৃতি বলতে বলা হয়। ঘুরে ফিরে কিছু মানুষের কাহিনীই আমরা বারে বারে শুনি। কিন্তু শুধু তারাই কেন শোনাবেন? একাত্তরে এদেশে মারা গেছে ৩০ লক্ষ মানুষ, আমাদের তো ৩০ লক্ষ গল্প থাকার কথা। অন্তত ৩০ লক্ষ সাহসিকতার গল্প। সে সময় বাঙালি ছিলো সাড়ে সাত কোটি, তত কোটি গল্প কি আমরা শুনেছি?


ইশতেহার: যুদ্ধাপরাধের বিচার ২.০

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৩/০৩/২০১৪ - ৭:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে যারা ব্যক্তি হিসেবে বা কোন সংগঠনের সদস্য হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তারা গত ডিসেম্বরের ১২ তারিখে তাদের পরিশ্রমের প্রথম ফলটি পেয়েছেন। এটি হল কাদের মোল্লার ফাঁসী, ১৬ কোটি মানুষের বহুআকাংখিত ন্যায়বিচার। ১৯৭১ সালে যারা এই দেশে শতাব্দীর সবচেয়ে নৃশংস গণহত্যার একটি চালিয়েছিল, যারা অনেক অত্যাচার নির্যাতন করেছিল তাদের ভিকটিমদের যে প্রাপ্য ন্যায়বিচার এটি কিন্তু একটি বিরাট কর্মযজ্ঞ। সেটি


অন্ধ বংশীয় বিশ্বাস এবং পাকিস্থান সাপোর্ট

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ১০/০৩/২০১৪ - ১০:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষের সকল দৈহিক বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রন করে মূলত ২২ জোড়া জিন. যা বংশানুক্রমিক ভাবে পিতা-মাতা থেকে সন্তানের মাঝে বাহিত হয়. কিন্তু মানুষের মনোজগত, মানুষের বোধ, ভালোলাগা টুকু থাকে সতন্ত্র. এগুলো জিনগত বৈশিষ্ট্য নয়, এগুলো আনিত বৈশিষ্ট্য. যা মানুষ নিজ চেষ্টায় নিজের মাঝে ধারন করে. এই বোধ, ভালোলাগা, আর মনোজগত টুকু সতন্ত্র ভাবে গড়ে তুলতে সাহায্য করে শিক্ষা.


স্বাধীনতা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৫/০৩/২০১৪ - ১:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মহাদেও,আসাম
১। ১৮/৪/১৯৭১
রেণু,


পাঠ্যবইয়ে যুদ্ধাপরাধের বিচার ও বীরাঙ্গনাদের ইতিহাসের জায়গা হোক

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০৪/০৩/২০১৪ - ৩:৫৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত কয়েকবছর ধরে, বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হওয়ার পর থেকে, অনেক মানুষের জীবনের একটি বড় সময় গেছে দেশের বাকি মানুষদের কিছু সহজ সত্য জানাতে। কি সহজ সত্য?


ছবিব্লগঃ রঙ তুলিতে বঙ্গবন্ধু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২১/০২/২০১৪ - ৪:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ, আজ না গতকাল ২০ তারিখ বই মেলায় বিভিন্য স্টলে ঘুরতে ঘুরতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে একটি স্টলের সামনে দাঁড়ালাম। সবই বঙ্গবন্ধু বিষয়ক বই। এরমধ্যে একটা দেখলাম বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তাঁর জীবনের বিভিন্য সময়ের ওপর আঁকা বিভিন্য শিল্পীদের আঁকা কিছু ছবি যা ছোটদের জন্যে প্রকাশিত হয়েছে। ছোট বোনের জন্যে কিনবো কি কিনবো না ভাবতে ভাবতেই ভেবে দেখলাম আমি নিজেও তো ছোট। এই ছবিগুলা কিনলে ছোট বোনের সাথে আমার চাহিদাও পুরন হয়ে যাবে। ভাবনাটা শেষ হওয়ার আগেই কিনে ফেললাম ছবিগুলো। এখানে তাঁর মধ্যে নয়টা ছবি শেয়ার করা হল। বাকিগুলোও আস্তে ধীরে শেয়ার করা হবে।


ছন্নছাড়া ০৫

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি
লিখেছেন যাযাবর ব্যাকপ্যাকার (তারিখ: রবি, ১৬/০২/২০১৪ - ৮:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছন্নছাড়া আবহাওয়া

আবহাওয়াটা এমন, যে কাজে মন দেয়া যাচ্ছে না। অথচ এখন আমারই কাজ বাকি, আমি দেরি করলেই কাজ পেছাবে। কিন্তু এমন বিকাল-সন্ধ্যায় একটা বই হাতে বের হয়ে যেতে হয় ঘর থেকে, একটু দূরে কোন ক্যাফেতে বসে বৃষ্টি ধোয়া গোধূলী মিলিয়ে যেতে যেতে সন্ধ্যার ইলেট্রিক বাতিতে সজ্জিত হয়ে উঠতে দেখা যায় আলোকিত শহরকে।

আমাদের ছোট শহরে সেরকম নিরিবিলি জায়গা কম। শহরের কেন্দ্রে সবথেকে ব্যস্ত বাজারে একটা চারতলা বিল্ডিং-এর তিনতলায় একটা ক্যাফে আছে, সেখানে চারিদিকে গ্লাস দিয়ে ঘেরা জায়গায় টেবিল আছে। ইচ্ছা করছে ঐখানে চলে যাই। বইটা থাকবে খোলা, কিন্তু পড়া হবে না, ধোঁয়া ওঠা মগের উপর দিয়ে শুধু আনফোকাসড দৃষ্টিতে দেখা হবে দুই-তিন তলা মার্কেটের উপর দিয়ে পুরানো শহরের মাথার উপর দিয়ে নদীর দিকের বৃষ্টিধোয়া দূরের আকাশ।

কিন্তু যাওয়া হবে না।