http://www.kalerkantho.com/index.php?view=details&type=gold&data=news&pu...
এক.
আমি ভাই একা মানুষ। একা চলতে পছন্দ করি। দোকাতে আমার মেলে না।
ফেব্রুয়ারির পাঁচ থেকে উত্তাল স্বদেশ আমার।
খুব অন্যরকম সময় এটা।
ব্রজেন্দ্রনাথ মল্লিক
[justify]
রেজওয়ান বলল, ‘ফারুকের বাসায় যাবি নাকি?’
আমি জবাব দিলাম না। আগের মতই সিগারেট টানতে টানতে নদীর দিকে তাকিয়ে রইলাম। স্রোত আসছে-যাচ্ছে। ব্রীজের উপর থেকে নদীটা অবশ্য পুরোপুরি দেখা যাচ্ছে না, অন্ধকারের সাথে কিছুটা অনুভব করে নিতে হয়। আমার বেশ লাগে। কতদিন এই নদী থেকে দূরে ছিলাম। এই নদীর দিকে চেয়ে থাকলে কেমন একটা হাহাকার ধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়।
ব্রজেন্দ্রনাথ মল্লিক
ব্রজেন্দ্রনাথ মল্লিক
কুড়িয়ানায় পাকবাহিনীর আক্রমণের প্রস্তুতি
(দৃশ্য ১) ১৯৭১ সালের নভেম্বরেরে প্রথম সপ্তাহ, অবরুদ্ধ ঢাকা শহরে লুঙ্গি পরিহিত এক মৌলভি রিক্সায় ঘুরে বেড়াচ্ছে আনমনে। হালকা হিমেল হাওয়ায় উড়ছে তাঁর এক মুঠো কাঁচাপাকা দাঁড়ি। ন্যাড়া মাথায় তাঁর ধবধবে সাদা মৌলভি টুপি। দুদিন পরেই হাওয়ায় যেন মিলিয়ে যান সুঠাম দেহের সেই মৌলভি সাহেব।
(এই লেখাটি শাহবাগের সংগ্রামের প্রেক্ষিতে আমার ভাবনা। প্রকাশিত হয়েছে কলকাতার একটি পত্রিকায়)
শহীদ রুমী স্কোয়াডে অনশন শুরু হওয়ার পরে মানুষজনের শাহবাগ যাওয়ার ইচ্ছা খুব বেশি দেখিনি । আমার এক বন্ধুর (নাম বলতে চাচ্ছি না) সাথে এগুলো নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করি অফিস থেকে ফেরার পরে ।
আমার মা । আমার জীবনের প্রথম আলো । মায়ের হাত ধরেই রবীন্দ্রনাথ এসেছেন আমার জীবনে । শৈশবের “বীরপুরুষ” কবিতার শিশু রবীন্দ্রনাথ ক্রমশঃ বড় হয়েছেন আমার জীবনে । এক সময়ে আমি জেনেছি, মেঘে ঢেকে যাওয়া বিধুর গোধূলি গগনের গান ছাড়িয়ে আমার মা রবীন্দ্রনাথের জীবন দর্শনকে ভালবেসেছিলেন । যে রবীন্দ্রনাথ একলা বাহির হ’ন পরমেশ্বরের অভিসারে ও লজ্জিত হ’ন নিজের মধ্যে লুকিয়ে থাকা বিধ্বংসী আত্মগৌরবের, তিনিই লিখেন “অচলায়তন” ।