দেশচিন্তা

কোরবানী স্পট

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ৩০/০৯/২০১৪ - ২:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]বিভিন্ন ফর্মের মধ্যে, উচ্চতা আর ওজনের পাশাপাশি সনাক্তকারী চিহ্ন লিখতে হয়। আমি সবসময়েই ওখানে লিখি, ডান চোখের পাশে কাটা দাগ। এই সনাক্তকারী চিহ্নের পেছনে একটা দুঃখজনক এবং শিক্ষামূলক গল্প আছে।


৭ই মার্চের সত্য ভাষণের খোঁজে

নজরুল ইসলাম এর ছবি
লিখেছেন নজরুল ইসলাম (তারিখ: মঙ্গল, ০৯/০৯/২০১৪ - ১২:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১)

৭ মার্চের ভাষণের শেষে বঙ্গবন্ধু কী বলেছিলেন তা অডিও, ভিডিও, টেক্সট তিন ভার্সনেই সর্বত্র পাওয়া যায়। ইন্টারনেটে সহজলভ্য। সবখানেই ভাষণ শেষ হয়েছে 'জয় বাংলা' দিয়ে। কিন্তু তবু বছরের পর বছর ধরে একটা বিতর্ক চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে। কেউ কেউ দাবী করছেন বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণের শেষে 'জয় বাংলা, জয় পাকিস্তান' বলেছিলেন আবার কেউ নাকি শুনেছেন ‘জয় বাংলা, জিয়ে পাকিস্তান’। কিন্তু আজ পর্যন্ত এর সপক্ষে কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারেননি। রূপকথার গল্পের চরিত্রের মতো যা কিছু মানুষের কল্পনায় ঘুরপাক খায় শুধু।


লজ্জা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৭/০৯/২০১৪ - ৩:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গেলো শতাব্দীর আশির শতকের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে বাংলাদেশে পাকিস্তানী ক্রিকেটার ইমরান খান বড় ধরনের ক্রেজ ছিল। চৌকস খেলোয়াড়, সাথে আবার লম্বাচৌরা গড়ন, সুদর্শন, ভরাট ম্যানলি গলা। মেয়েরা তাকে চায়, ছেলেরা তার মত হতে চায়, আর আমার মত ছয়/সাত বছরের শিশুরা তাকে আইডল মানে। আমিও তার ব্যতিক্রম ছিলাম না।


তথ্য মন্ত্রণালয়ে অব্যবহৃত ইতিহাসের স্বর্ণখনি

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ০৩/০৯/২০১৪ - ৪:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার এক বন্ধুর কাছ থেকে তথ্য মন্ত্রণালয়ের এই অব্যবহৃত ইতিহাসের স্বর্ণখনির সন্ধান পেয়েছি। এটি রাখা আছে তথ্য মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব সার্ভারে। এতে কি আছে? ১৯৭২ সাল থেকে শুরু করে আমার সূত্র মতে ২০০২ সাল পর্যন্ত বেশিরভাগ পত্রিকার সবগুলো পাতার স্ক্যান করা কপি।


'প্রার্থীকে প্রদত্ত অনুদান'

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৮/২০১৪ - ৯:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গত নির্বাচনে বিভিন্ন দলের খরচাপাতির হিসেব চলে এসেছে। এর মধ্যে সারণীতে সবার উপরে প্রার্থীকে দেয়া বিভিন্ন অনুদানের হিসেব দেয়ার তালিকা আছে। কেন যেন কোন সাংবাদিক বিভিন্ন প্রার্থীকে দেয়া অনুদানের তুলনামূলক চিত্র আঁকার ব্যাপারে আমার জানামতে এখন পর্যন্ত কোন উৎসাহ দেখালেন না। আমি সব দলের এই সংক্রান্ত তথ্যগুলো একজায়গায় করলাম।


১৫ই আগস্ট ও আমাদের জাতিগত এডিপাস কমপ্লেক্স

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৮/২০১৪ - ৬:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আগস্ট মাসের শুরুটা আমার পছন্দের। কারন ১ই আগস্ট আমার সবচেয়ে প্রিয় মানুষের মধ্যে একজনের জন্মদিন... আমার বাবার। কিন্তু তারপর থেকে সময় যত ১৫ তারিখের দিকে গড়াতে থাকে আমার মন ততই খারাপ হতে থাকে।


সপরিবারে জাতির জনক হত্যার ষড়যন্ত্রের বিচার চাই

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৮/২০১৪ - ৪:২৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রায় চার বছর আগে ২০১০ সালের অক্টোবরে সচলায়তনে সপরিবারে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের পেছনের ষড়যন্ত্রের বিচার নিয়ে একটি লেখা দিয়েছিলাম। লেখাটা অগাস্টে না দিয়ে অক্টোবরে দেয়ায় বোধকরি তখন বিষয়টি নিয়ে বিশেষ কোন আলোচনা হয়নি। প্রায় চার বছর পার হলেও বিষয়টিতে এখনো কোন অগ্রগতি না হওয়ায় এটি নিয়ে আবার লেখার প্রয়োজন বোধ করছি। এই প্রসঙ্গে আমার ব্যাখ্যা ও অবস্থানের যেহেতু কোন পরিবর্তন হয়নি তাই বর্তমান লেখাটি আগের লেখার সাথে বহুলাংশে মিলে যাবে। এর জন্য পাঠকের কাছে আগাম ক্ষমা প্রার্থনা করছি।


তোমার মায়ায় অসার সংসার চক্র ঘোরে নিরবধি

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বুধ, ১৩/০৮/২০১৪ - ১১:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রমজান মাস আসার আগেই বাংলাদেশে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়তে থাকে। এই দাম বাড়তে থাকাটা মোটামুটি ঈদের সময়ে একটা পর্যায়ে গিয়ে স্থির হয়। ঈদের সময়ে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মূল্য ঈদের পরে আর নিচে নামে না। ওটা ওখানেই স্থির হয়ে যায়। ঈদ ছাড়া বছরের বাকি সময়টাতেও নানা কারণে জিনিসের দাম আরো বাড়তে থাকে। মাঝেমধ্যে কিছু মৌসুমী সবজী ছাড়া জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় সব জিনিসের দাম সারাজীবন ধরে আমরা কেবল বাড়তেই দেখি। পরিহাসের বিষয় হচ্ছে এই, যে জীবনকে টিকিয়ে রাখার জন্য এসব জিনিস দরকারী সেই জীবনের দামই ক্রমাগত কমছে। বিশ্বাস না হয় বাংলায় ‘এক টাকার জন্য’ লিখে গুগলে সার্চ করে দেখতে পারেন।


একটি গল্প এবং রাজনীতি

গৃহবাসী বাউল এর ছবি
লিখেছেন গৃহবাসী বাউল [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০২/০৮/২০১৪ - ১২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটি গল্প

এক জেলে সারা সকাল আর দুপুর মাছ ধরে, দুপুরের খাবার খেয়ে নদীতীরে গাছের ছায়ায় শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। দু’আঙ্গুলের ফাঁকে ধিকধিক জ্বলা বিড়ির মাথায় বেশ কিছুক্ষণের জমে যাওয়া ছাই আর মৃদু বাতাসে এলোমেলো ধোঁয়া সময়টাকে যেন আরো অলস করে তুলেছে। ঠিক ওই সময়ে ওই রাস্তা ধরে যাচ্ছিলেন এমন একজন মানুষ যিনি একাধারে একজন স্বনামধন্য দার্শনিক, প্রাবন্ধিক, সাংবাদিক, কলাম লেখক, টক শো’র জ্বালাময়ী বক্তা, নীতিনির্ধারক এবং বুদ্ধিজীবি। সহজ কথায় সুশীল সমাজের প্রতিভু। যথারীতি একজন মানুষকে এইভাবে অলস শুয়ে থাকতে দেখে তার মনে হল যে এই ভাবে অলস শুয়ে বসে থাকার কারণেই আজ এই জাতির “কিচচ্ছু” হচ্ছে না।