অণুগল্প

অহেতুক

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: বিষ্যুদ, ৩০/১০/২০১৪ - ১২:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

ঘুম তাড়ানোর টোটকা হিসেবে ১৫ মিনিটের মধ্যে ঝড়ের বেগে লেখা। গালমন্দ বেশি খেলে হয়তো আবার ঝড়ের বেগে মুছেও দিতে পারি।
কী আছে জীবনে, কন? হাসি
___________________________________

[right]'Death really did not matter to him but life did,
and therefore the sensation he felt when they gave their decision
was not a feeling of fear but of nostalgia...'


ফালতু গল্প ২ঃ পিতা, পুত্র ও পত্রিকা

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৫/০৯/২০১৪ - ৮:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছুটির দিনে বাসার ড্রয়িং রুমে বসে চায়ে বেশ আরাম করে চুমুক দিতে দিতে পত্রিকা পড়ছিল আবুল। মনে মনে ভবছিল- নাহ্‌, বউ এর অন্যান্য রান্না বেশ কষ্ট করে গিলতে হলেও চা টা বেশ আরামসেই গেলা যায়। চায়ে তৃপ্তির চুমুক দিতে দিতে সে পাশের টেবিলে রাখা ‘দৈনিক শেষ অন্ধকার’ পত্রিকাটা তুলে নিল। চা খেতে খেতে পত্রিকা পড়ার মজাই আলাদা। চায়ে বাড়তি স্বাদ আনে। পত্রিকা পড়ার সময় তার প্রথম পছন্দ বিনোদন পাতা। আর ‘শেষ অন্ধকার’ পত্রিকার বিনোদন পাতা তো তুলনাহীন! আড় চোখে আশেপাশে দেখে নিয়ে সে বিনোদন পাতায় উঁকি মারে। বাসায় ছয় বছর বয়সী ছেলে আছে। উঁকি না মেরে সরাসরি পাতা খুলে বসলে হঠাৎ ছেলে এসে হাজির হয়ে দেখে ফেললে লজ্জায় পড়তে হবে। সে যাই হোক, উঁকি মেরেই আবুলের হার্ট একটা বীট মিস্‌ করে। সানিইই!! চোখ চকচক করে ওঠে তার। সানির একটা বেশ ইয়ে টাইপের ছবি। আবুলের ভেতরে তখন যেন গনগনে গ্যাসের চুলায় ডাল টগবগ ফুটন্ত অবস্থা!


নিত্যগল্প ১,২,৩

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি
লিখেছেন ইয়াসির আরাফাত [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ৩:৩৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জুতোটা খুব পছন্দ হয়ে গেছে। দাম চাচ্ছে তেত্রিশশো টাকা, এক দর। আমার বাজেট তিন। মিনিমিন করে বললাম, ভাই আঠাশশো রাখেন। দোকানী একরাশ বিরক্তি নিয়ে আমার দিকে তাকালো। উঁচুগলায় বলল, ‘ভাই এক দর লেখাটা দেখেন নাই? পুষাইলে নেন, না পুষাইলে আরেকখানে যান, আমার অন্য কাষ্টমার বইসা আছে’।


অনুবাদ প্রচেষ্টা-১

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৮/০৯/২০১৪ - ৮:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খামারবাড়ির দেয়ালের উপর শরৎকালে সার বেঁধে কিছু পরিযায়ী পাখি বসে থাকত। যদিও তারা নিজেদের মধ্যে কিচিরমিচির করে নানারকম গল্পগুজব করত, কিন্তু সবসময় গ্রীষ্ম, দক্ষিণের দেশ, চলমান শরৎকাল আর উত্তুরে হাওয়া কবে শুরু হবে সেটাই ছিল তাদের মূল ভাবনার বিষয়। একদিন ঠিক ঠিক তারা উধাও হয়ে গেল এবং খামারের সব হাঁস-মুরগীরা এই সব পরিযায়ী পাখিদের নিয়ে আলোচনায় মেতে উঠল।

এসব দেখে একদিন খামারের একটি মুরগী ঘোষণা করল -“আগামী শীতে আমিও দক্ষিণের দেশে যাব।”


উচ্চশিক্ষা গৌতুক

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৮/২০১৪ - ১২:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শিক্ষামন্ত্রী নতুন নির্দেশনা দিয়েছেন কারাগারের কয়েদীদের যোগ্যতা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করতে হবেন। নতুন এই নিয়মের বাস্তবায়ন করতে গিয়ে জেলার গুলবদন খাঁ এর জীবন তেজপাতা হয়ে গেল। 'যোগ্যতা অনুযায়ী উচ্চশিক্ষা' কথাটির যে কি অর্থ উনি এখন পর্যন্ত বুঝতে পারছেন না। এই যোগ্যতা কে যাচাই করবে? তার তহবিল কে দিবে? শিক্ষা না স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়?


ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি

সুমাদ্রী এর ছবি
লিখেছেন সুমাদ্রী (তারিখ: শুক্র, ১৫/০৮/২০১৪ - ২:৪২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিশ্রী একটা অনুভূতির বোঝা হঠাৎ চেপে বসে যখন ইলশে গুঁড়ি বৃষ্টি শহরটাকে ভিজিয়ে দেয় বিকেলের খানিক পর। মানুষগুলো তখন অসম্ভব ধন্দে পড়ে যায় আর একটু একটু করে রাস্তাগুলোয় জমে উঠে জঘণ্য কালো কাদা। এই ষোল তলা দালান থেকে দেখা যায় অদূরে ঝাপসা আরেকটা শহর। আসলে ঠিক অন্য শহর নয়, এ শহরেরই উপকন্ঠ। ক্লাসের দিকে এগুবো বলে যেই নীচে নেমে এসেছি, খেয়াল হল আমার বাদামী-সাদা প্যান্ট। সুতরাং পুরোটা এলিফ্যান্ট রোড আমি হেঁটে


এ স্টোরি অভ বিচ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৮/২০১৪ - ৯:৩৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এ স্টোরি অভ বিচ

==============

সে ছিল একটা গ্রাম্য কুকুরী। প্রভূর ফেলে দেয়া হাড়ের টুকরা, মাছের কাঁটা ছিল তার প্রিয় খাবার। সব সময় তার ভাগ্যে এসব জুটত না। অধিকাংশ দিন তাকে বাসি ভাত ও ভাতের মাড় খেয়ে কাটাতে হত।

তবু, কেউ তাকে অসন্তুষ্ট হতে দেখেনি।কিংবা কোন হতাশার মেঘ তার চোখে মুখে কখনও জায়গা করেনি।


দেখা না -দেখা

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: রবি, ১০/০৮/২০১৪ - ৮:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]

আরাফ ছেলেটা ছোট-ই, বয়স এগার।
ও অবশ্য একটু কায়দা করে বলে-- সাড়ে এগার।
কিংবা কেউ বয়স জানতে চাইলে বাবার মতো গটমটে গলার স্বর বানানোর চেষ্টা করে বলে-- আম ইলেভেন প্লাস নাও।


নাস্তিকের শেষকৃত্য

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ০৪/০৮/২০১৪ - ১২:০১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নিউজিল্যান্ডের নাবিক জনাব ভিন্সেন্ত ব্যারীর সাথে আমার প্রথম মোলাকাত হয় হেলসিংকির এক পানশালায়। আশি ছুঁই ছুঁই অতি বৃদ্ধ পোড় খাওয়া এক মানুষ, শতাব্দী প্রাচীন বটগাছের মত জীবন নামক ঝড়ের কাছে মাথা নত করতে নারাজ। কয়েক দশক আগে জাহাজের এক দুর্ঘটনায় দেহের অর্ধেক হাড় ভেঙ্গে মৃত্যুশয্যায় ছিলেন কয়েক মাস, পরে দেহের নানা স্থানে ধাতব হাড়, নাট-বল্টু লাগিয়ে মেরামত করা হয় বেচারাকে, আগের মত ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করা সম্ভ


একটি বিদেশী ভাষা থেকে অনূদিত গল্প

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/০৭/২০১৪ - ৫:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এই নিয়ে একে একে চারবার পত্রিকা অফিস থেকে গল্পের পান্ডুলিপি ফেরত আসলো। গল্পটি ছাপানোর জন্য "মনোনীত" হয়নি। তবে সম্পাদক মহোদয় আশা ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে "মানসম্মত" ও "ভাল" লেখা দিলে, তা তিনি নিশ্চই ছাপানোর জন্য বিবেচনা করবেন। যাই হোক, আবারও হতাশার তীরে বিদ্ধ হল আমার হৃদয়ের তরুন লেখক সত্ত্বা। আমার ধারনা, সম্পাদক মহোদয় কোনবারই পান্ডুলিপিখানা খুলে দেখার প্রযোজন বোধ করেননি। খুব সম্ভবত গল্পটিতে আহামরি কোন