পৌনঃপুনিক

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: শুক্র, ২৮/১১/২০১৪ - ১:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

থ্যাঙ্কসগিভিঙের ছুটি চলছে। শেষ হলেই ফাইনাল।
এ ক'দিন সব চুদুরবুদুর বাদ দিয়ে দরজা আটকে পড়ে পাশনম্বর তোলার কসম খেয়েছিলাম, লাভ হয়েছে ডাইনোসরের ডিম।
ভাবলাম দু লাইন লিখি। এই আর কী।

____________________________________________________

[justify]
সাড়ে এগারটা বাজে।
বারবার ঘড়ির দিকে চোখ চলে যাচ্ছে। বারটায় ক্লাস শেষ, মানে আমার ছুটি। ইস্কুলেরও। মানে আমি যেখানে পড়াই।


আয়নাতে ওই মুখ দেখবে/দেখবো যখন

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৯:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কয়েকদিন আগে আমার আলমা ম্যাটার শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মারামারিতে শহরের অন্য একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রলীগ সদস্য মারা গেছে। এখন যেহেতু সবার হাতে হাতে ক্যামেরা ওয়ালা মোবাইল ফোন আছে কিভাবে কিভাবে যেন ক্যাম্পাসের কিছু মানুষ ওই সময়কার কিছু ছবি তুলে ফেলেছে এবং কয়েক দিন পরে [url=https://www.facebook.com/groups/sustian/permalink/1018076638217801/]আমাদের বিশ্


আমার স্মৃতি কথন: হিজরত টু আমেরিকা -০১

Sohel Lehos এর ছবি
লিখেছেন Sohel Lehos [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৫:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চৈত্র মাসের এক ভয়াবহ গরম দুপুরে খালি গায়ে হ্যাফ প্যান্ট পড়ে পত্রিকা পড়ছিলাম। আমার বাবা অফিসে যাবার জন্য রেডি হচ্ছেন। পাশ কাটিয়ে পাশের রুমে যাবার সময় আমার দিকে অগ্নি দৃষ্টি হেনে আমার মা'কে যেয়ে বললেন,"ওরে বল ফালটা দুইটা ঢাইকা রাখতে"। টাংগাইলের ভাষায় ফালটা মানে হল লাঠি। সেই আমলে আমার খুব বডি বিল্ডারের মতন শরীর ছিল। বডি বিল্ডার মানে রবিউল কিংবা টেলি সামাদের মতন বডি আর কি। হাল আমলের ছেলে পেলেরা রবিউল কিংবা টেলি সামাদ সম্পর্কে অবগত কিনা জানি না, তবে আমি নিশ্চিত গুগল করলে উনাদের কিছু ছবি পাওয়া যেতে পারে।


রমনা কালী মন্দির:ঢাকার ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৫:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


১৯৬৭ সালে তোলা মন্দিরের একটি রঙ্গিন ছবিঃ বাংলাদেশ ওল্ড ফটো আর্কাইভ নামক ফেসবুক গ্রুপ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে


সমারসেট মমের সুখী মানুষ

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৭/১১/২০১৪ - ৩:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সমারসেট মমের ছোট গল্প The happy man পড়ে বেশ লাগল। সবার জীবনেই এমন সময় আসে যখন দোদুল্যমান অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে মানুষের দরকার হয় এমন সাহচর্যের, পরামর্শের, একজন সমারসেট মমের। পিছুটান ছিন্ন করতে পারলে সম্মুখে যে প্রবল পৃথিবী তাঁর রূপ, রস, গন্ধ নেহাত অধরা থাকে না হয়ত কিছু কিছু ত্যাগের বিনিময়ে। ছোট্ট গল্পটিতে কেন যেন গৎ বাঁধা জীবনের ধুম্রজাল ছেঁড়ার একটা দুর্মর আহ্বান লুকিয়ে আছে, যাতেই হয়ত নিহিত সুখ,


প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ ক্লিনিকঃ কাঁঠালের আমসত্ত্ব!

নির্ঝর অলয় এর ছবি
লিখেছেন নির্ঝর অলয় [অতিথি] (তারিখ: বুধ, ২৬/১১/২০১৪ - ১০:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নাম আমরা সবাই শুনেছি। কিন্তু মেডিকেল কলেজ ক্লিনিক কথাটা কি কেউ শুনেছেন?


পুলিশি হয়রানির ক্ষেত্রে কি করবেন?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৬/১১/২০১৪ - ১০:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গবেষণার কাজে এই ক'দিন আগেই পোস্ট করেছিলাম "পুলিশের সমস্যা কি" এরকম একটা প্রশ্ন- ফেসবুক পেজে এবং আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইলে। মোটামুটি দুই জায়গা মিলিয়ে হাজার খানেক উত্তর পেয়েছি।অনেকেই তাঁদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন , যেগুলো পড়ে এই বাহিনীর একজন সদস্য হিসেবে খুব কষ্ট অনুভব করেছি।নিজেকে ভুক্তভোগীর জায়গায় কল্পনা করে গা শিউরে উঠেছে। কাজেই, একজন পুলিশ অফিসার হিসেবে এধরণের পরিস্থিতিতে কি করবেন সেটি জা


রাজকুমারী চাঁদনিবালার ছবি - প্রথম পর্ব

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: রবি, ২৩/১১/২০১৪ - ৯:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বারো বছর বয়েসী রাজা জগৎ সিং আমার দিকে তাকিয়ে বড়দের মত গম্ভীর গলায় বললেন, নাম কবুতর ফারুক ঠিক আছে। কোন অসুবিধা নাই। তবে নামটা তোর তেলাপোকা ফারুক হলে আজই তোর গর্দান নিতাম।


আলোহীন জোনাকি

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২২/১১/২০১৪ - ৬:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


সন্ধ্যা হলেই হারিকেন জ্বেলে পড়তে যেতাম বিশু স্যারের বাড়ি। হিন্দু পাড়া। ধূপ-ধুনোর গন্ধে মন ভরে যেত। শাঁখের পুঁউ-উ-উ...ধ্বনি চিরতরের জন্য নস্টালজিক এক ছবি এঁকে দিয়েছিল মানসপটে। ধীরে ধীরে সন্ধ্যা ঘনাত। দিনের শেষ কর্মচাঞ্চল্যের ভেতর দিয়ে নেমে আসত রাতের অন্ধকার। কিছুক্ষণ পর গোল আয়নার মতো পুর্ণ চাঁদ অন্ধকারকে হটিয়ে গড়ত মায়ময় এক জগৎ। স্যারের বাড়ির সামনের দিকটা বুনো জঙ্গলে ঠাঁসা। ভাট-আশশেওড়ার দঙ্গলে আটকে যেত পলায়নরত অন্ধকার। কিন্তু তাতেও কি রেহায় আছে! জঙ্গলে জমে থাকা অন্ধকারকে হটাতে শুরু হত জোনাকির অভিযান। কাজলা দিদি পড়তাম আর বার বার তাকাতাম ওদিকে। সত্যিই থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলছে!