লজ্জা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৫/২০১৫ - ১২:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

১)


সৈয়দ হক, আমরা এরকম গণতন্ত্র চাই না!

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৫/২০১৫ - ১২:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকে খবর পড়তে পড়তে হঠাৎ করেই একটা খবরে চোখ আটকে গেল, দেশে এখন নাকি গণতন্ত্রের সুবাতাস বইছে! এবার ভালোভাবে খবরটা পড়ে দেখি, ওমা!


গিটার ইশ্‌কুলঃ এখানে গিটার পড়ানো হয়ঃ পর্ব-০ (প্রস্তুতি পর্ব)

সুবোধ অবোধ এর ছবি
লিখেছেন সুবোধ অবোধ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৫/২০১৫ - ১২:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভূমিকাঃ

এই সিরিজ এর আইডিয়া এবং গুতাগুতি করে আমাকে দিয়ে অবশেষে শুরু করানোর একক কৃতিত্ব নজু ভাইয়ের। এমনকি সিরিজের নামকরণের প্রথম অংশটুকুও উনার করা। অর্থাৎ গিটার ইশ্‌কুল। যে মানুষ নিজের কন্যার নাম রাখতে দুই বছর পার করে দেন, সেই তিনিই কিনা জিজ্ঞেস করার পর “খাড়ান, কইতাছি” বলে মাত্র দুই মিনিটের মাথায় নাম হাজির করে ফেললেন। তো, এমন ডেডিকেশন নিয়ে কেউ গুটাগুতি করলে আর কাহাতক আলসেমি করা চলে?

তবে কিনা, লিখতে বসেই হলো আসল ঝামেলা। অন্যকে জ্ঞানদানমূলক পোস্ট লিখতে গিয়ে বুঝতে পাল্লুম নিজে একটা অকাট মূর্খ। তারমধ্যে যে জিনিস হাতেগিটারে (ওই হাতেকলমে আরকি) দেখানোর ব্যাপার তা শুধু লিখে লিখে বোঝানো আরেক মুশকিল। তবে সে ঝামেলা ছবি, ভিডিও দিয়ে অনেকটাই দূর করা যাবে আশাকরি।


এক অদেখা সাহসী নারীর জন্য...

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৭/০৫/২০১৫ - ৯:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই সকালটাও আর দশটা সকালের মতোই সুন্দর নির্মল ছিল, পড়তে বসতে না চাওয়া পিচ্চি আমিটা সাত সকালেই গাছ থেকে ছিঁড়ে আনা জবা দু’টো গুঁজে রাখছিলাম বেড়ার ফাঁকে, বেলা বাড়ার সাথে সাথে রোদ পড়লে জবার কুঁড়ি নিজে নিজে ফুল হয়ে ফোটে-এটা আবিষ্কার করে ফেলেছিলাম মাত্র কিছুদিন আগে । মা চা বানাতে আর বাবা আগের দিনের বাসি খবরের কাগজটা পড়তে ব্যস্ত, ছোটটা ওঠেনি ঘুম থেকে-সব মিলিয়ে সেই সকালটা আর দশটা সকালের চেয়ে খুব আলাদা কিছ


আমরা যারা রয়ে গেছি--

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৫/২০১৫ - ১০:২১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যারা চলে যায়, তাদের তো আর কোন দায় থাকে না।

তাদের সকালে উঠে আর অফিস যেতে হয় না, স্কুলের বাস মিস করে মন খারাপ করতে হয় না। বৃষ্টির দিনে তারা অফিসে ছাতা ভুলে ফেলে আসে না, গায়ে জ্বর নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয় না। তাদের নেই মাস শেষে নানান বিলের খরচা মেটানো, নেই কোনো জন্মদিনের অথবা বিয়ের দাওয়াত রাখার দায়। ক্লান্ত দিন শেষে ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে তাদের ঘরে ফেরার টান নেই--


প্রবাসের টুকিটাকি

ওসিরিস এর ছবি
লিখেছেন ওসিরিস [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৬/০৫/২০১৫ - ৪:১৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]প্রবাস জীবনের শুরুতেই নিতান্ত পেটের দায়ে যেটা শিখতে হয়েছে তা হল খিচুড়ি রান্না। গত কয় মাসের চর্চায় খিচুড়ি রন্ধন প্রক্রিয়ায় বিশেষ পারদর্শীতা অর্জন করেছি। সেই পটুতার খানিকটা রসুইঘর থেকে লেখার পাতাতেও চলে এসেছে। এর নিদর্শন কিছু এই লেখাতেই পাওয়া যাবে। লেখা-ছবি-হাবি-জাবি মিলিয়ে ব্লগটা বেশ উঁচু পদের খিচুড়ি হয়েছে বোধকরি। তবে খুব উপাদেয় হয়েছে এমনটা মনে হয় না। এই ফাঁকে বলে নেই, আমার চাল-ডালের খিচুড়


"সচেতন সিলেটবাসী" নামের আড়ালে জঙ্গী উত্থান এবং প্রতিপক্ষ জাফর ইকবাল

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ২৫/০৫/২০১৫ - ৭:২০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খুন,ধর্ষণ সহ নানান সামাজিক অপরাধে সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ যখন শঙ্কিত, লেখক ও ব্লগার হত্যার প্রতিবাদে সুশীল সমাজ চুপ করে থাকলেও যখন কথা বলছেন একমাত্র জাফর ইকবাল স্যার, ঠিক তখনই আবারও তাঁর বিরোধীতা করে মাঠে নামলো "সচেতন সিলেটবাসী" নামের একটি স্বার্থান্বেষী মহল। 'আবারও' শব্দটা ব্যবহার করছি কারণ এর আগেও ২০১৩ সালে এই ব্যানার নিয়েই স্যারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমেছিল তারা। তখন তারা সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা বা


হুকোমুখো কানকোয়া

আব্দুল গাফফার রনি এর ছবি
লিখেছেন আব্দুল গাফফার রনি [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৫/০৫/২০১৫ - ১২:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


বাঁশবনের নিচে শুকনো পাতার জঞ্জাল। তার ওপর খসখস করে খাদ্য খোজে ছাতারে পাখির দল। ওদের ক্যাঁচম্যাচানিতে বিরক্ত হয়ে পাখি গুলোকে তাড়িয়ে আবার ছুটতাম শাহবুলবুলির পেছনে। আনমনে ওপরের দিকে মাথা উঁচু করে খুঁজছি। হঠাৎ আবার খসখস করে উঠলো শুকনো বাঁশপাতা। এবার আর ছাতারের দল নয়। কমলা-কালচে রঙের মেশানো একটা পাখি। দ্রুত পায়ে চলে গেল। তখন শাহ বুলবুলিকে বাদ দিয়ে এর পিছু নিলাম। কিন্তু না, কোথাই হাওয়া হয়ে গেছে।


বিনির্মাণ

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: সোম, ২৫/০৫/২০১৫ - ৪:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যে গান এখনো হয়নি লেখা
সেই গান গাইছিল সন্ধ্যা
কৃষ্ণ হলো কথা, সুর হলো রাধিকা
কথা আর সুরের যুগল নৃত্যে নাচছিল সন্ধ্যা
আর আমি যাচ্ছিলাম বনের ভেতর দিয়ে একা

আমাকে ভাবতে হয়েছিল সেই সব কথা
যে সব আত্মার ভেতরে এতোকাল মীমাংসিত ছিল
তোমার হৃদয়ও ছিল মীমাংসিত
আমার পায়ের তলার মাটি এ জন্যই থেমে ছিল
আর তোমার পথ এ জন্যই ছিল অতটা দ্রুতগামী

যাকে পেছনে ফেলে যায় মানুষ


নজরুল ইসলামের ফাঁসি চাই... হুমম!

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২৫/০৫/২০১৫ - ৩:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ নিধির ভয় পাওয়ার কিছু নাই
এই নজরুল সেই নজরুল নহে
]

বিদ্রঃ ২৭ মে, ২০১৫ বেলা ১০.৪৫ ঘটিকায় কিঞ্চিত সম্পাদনা করা হল। ধন্যবাদ।