গাজার শিশুরা মরিয়া প্রমাণ করিল...

আনু-আল হক এর ছবি
লিখেছেন আনু-আল হক [অতিথি] (তারিখ: শনি, ২৬/০৭/২০১৪ - ১:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সম্প্রতি ইজরাইল-পরিচালিত বিধ্বংসী হামলায় গাজায় নারী-শিশুসহ অসংখ্য মানুষের প্রাণহানীর প্রেক্ষিতেই এই লেখা। এই নিয়ে ইতিমধ্যেই অজস্র লেখা প্রকাশিত হয়েছে। নতুন করে লেখবার কী আছে! নতুন কিছু লেখার আছে কি না এই নিয়ে আমিও দ্বিধান্বিত বলে পুরনো কিছু নিয়ে খানিকটা পেছন ফিরে দেখা...


সাঁতার

রকিবুল ইসলাম কমল এর ছবি
লিখেছেন রকিবুল ইসলাম কমল [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ১১:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আম্মুর খালাতো ভাই, আবুল মামা তখন অনেক ছোট। এলোপাতাড়ি ছুটে বেড়ানোই তার প্রধান কাজ। বড় বোন হিসেবে আমার আম্মু তাকে চোখে চোখে রাখে, যাতে বর্ষাকালে বাড়ির নামায় বেড়ে ওঠা পানিতে আবার পরে না যায়। কিন্তু আশংকাকে সত্যি করে দিয়ে মামা ঠিকই পানিতে পড়ে যায় এবং সাঁতার না জানার জন্যে মাটির ঢেলার মত তলিয়ে যায়। আর কারো চোখে না পড়লেও সেটা আম্মু দেখে ফেলে। যদিও আম্মু তখন সাঁতার জানেনা।


সুতরাং, তুর্কি= ইসরায়েলি= বাংলাদেশি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ১১:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার কি তাতে? তাতে আমার কি আসে যায়? এ দুইটা লাইন মনে রাখেন। লেখাটা পড়তে সুবিধা হবে।
-আপনি লিখলে, আমার কি তাতে? এরকম করে প্রতিবার আমার এই লেখার প্রায় প্রতিটি লাইনকে উড়িয়ে দেয়া সম্ভব।


নিরপেক্ষতার মুখোশ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ৫:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছোটকালে নিরপেক্ষতার ভূত আমার ও ছিলো। তারপর দেখলাম ছাত্রলীগ খুন করে দেখে ওরা শিবিরের রাজাকার রক্ষার হিংস্র তান্ডবকে নিরপেক্ষতার মুখোশ পরায়; শাহবাগ ৩০ লক্ষ হত্যার বিচার চায় দেখে ওরা হেফাজতের মত সুবিধাবাদী ধর্মান্ধদের জন্য চোখের জল ফেলে; আমি ২ লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রমের বিচার এক্ষুনি চাই দেখে, স্বচ্ছ নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক গ্রহনযোগ্য সংস্থার দাবি তুলে।


ফিলিস্তিন, হিটলার - এবং অপরবাস্তবতা

টিউলিপ এর ছবি
লিখেছেন টিউলিপ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ২:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গাজাতে এই মূহুর্তে যে নারকীয় যজ্ঞ চলছে সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। কোন মানুষের পক্ষেই ইজরায়েল গাজাতে যা করছে সেটা সমর্থন করা সম্ভব না। এটা নিয়ে কিন্তু বলে ত্যানা প্যাঁচানোতেও আগ্রহ নেই। তবে এই লেখার বিষয় সেটা না। বরং ফিলিস্তিন সাপোর্ট দিতে গিয়ে কেউ কেউ হিটলারকে নায়ক বানাচ্ছেন কেন সেটা নিয়ে একটু জানার ইচ্ছা থেকেই এই পোস্ট।


আপন হতে বাহির হয়ে – ৩

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ২:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছবিব্লগ দিয়ে শিক্ষা হয়ে গেছে। এবারে ক্যাপশন ব্লগ, সাথে ছবি ফ্রি


স্থানীয় সংবাদ

হাসান মোরশেদ এর ছবি
লিখেছেন হাসান মোরশেদ (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ২:৩৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সংবাদ এক।

স্থানীয় পত্রিকা 'সুরমা টাইমস' এর ১৭ জুলাই তারিখে প্রকাশিতঃ

নগরীতে যানজট সৃষ্টি করা ও পুলিশের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার সঙ্গে অশালীন আচরণ করায় সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পৌর মেয়রের ভাই কামাল চৌধুরীকে পিঠিয়েছে পুলিশ-জনতা। বৃহস্পতিবার ইফতারের আগমুহুর্তে নগরীর নয়াসড়ক পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটেছে বলে মহানগর পুলিশের পদস্থ এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।


ইস্কুলবেলার গল্প(৩১)

তুলিরেখা এর ছবি
লিখেছেন তুলিরেখা (তারিখ: শুক্র, ২৫/০৭/২০১৪ - ৪:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ক্লাস এইটে বদলি হয়ে বড় শহর থেকে একজন এসে আমাদের স্কুলে ভর্তি হলো। চন্দ্রাণী চট্টরাজ। খুব নামডাক তার, পড়াশোনায় নাকি দারুণ সে। বড় শহরের পালিশ তার, সবাই বলতে লাগলো, আমাদের মতন গাঁ-মফস্বলের মেয়েদের সে তুড়ি মেরে হারিয়ে দেবে। আমাদের সেকশানে এসে বিশেষ করে আমাদের সেই ক্লাস ফাইভ থেকে ব্যতিক্রমহীন ভাবে ফার্স্ট হয়ে আসা অন্বেষাকে কায়দা করে শুনিয়ে যেতে লাগলো অন্য সেকশনের মেয়েরা। চন্দ্রাণী বদলি হয়ে ভর্তি হয়েছিল


কড়ই বৃক্ষে থাকেন যিনি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/০৭/২০১৪ - ৯:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হাটখোলা বাজার থেকে উত্তর দিকের মাটির সড়ক ধরে আধা ক্রোশ দূরে মন্ডল বাড়ি। সড়ক এখানে অনেকটা ইংরেজী বর্ণ 'এস' এর মতন এঁকে বেঁকে ছিলিমপুরের দিকে চলে গেছে। সড়কের বাঁকে বাঁশ ঝাড়। তার পাশেই বিশাল এক কড়ই গাছ। কড়ই গাছের পাতায় বাতাসের বাড়ি লেগে যখন ছর ছর শব্দ উঠে তখন মনে হয় এক জায়গায় দাঁড়িয়ে উদ্দাম নৃত্য করছে অজানা কোন দানব। দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে জোড়ে বাতাস বইছে। মেঘে ঢাকা অন্ধকার আকাশে এক ফোঁটা চাঁদও নেই। কড়ই গাছের মাথা থেকে কিছু একটা ঝুলে ছিল। দূরে মন্ডল বাড়ির লাইটের আলোয় আবছা দেখা গেল এক জোড়া অস্বাভাবিক লম্বা পা ফেলে বসে আছে কেউ।


মহাভারতে তিন রাজনৈতিক নারী। ২। কুন্তী। পর্ব ৬ [কর্ণ ২]

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/০৭/২০১৪ - ৬:০৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কৃষ্ণের পাঞ্চজন্য শঙ্খের লগে অর্জুনের দেবদত্ত শঙ্খ আর তার উত্তরে ভীষ্মের শঙ্খের নাদে কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধ শুরু হইয়া যায়। মাঠের পশ্চিমে কুরু আর পূর্বে খাড়ায়া আছে পাণ্ডব-পাঞ্চাল। দুই রঙের পোশাকে দুই পক্ষ দাঁড়াইছে যাতে পরিষ্কার চিনা যায় পাট্টি আর বিরোধীদল। হাতির সামনে হাতি; ঘোড়ার সামনে ঘোড়া; পায়দল খাড়া পায়দলের সম্মুখে; গদারু গদা বাগাইয়া আছে গদারুর দিকে; তিরন্দাজ-তিরন্দাজ মুখোমুখি আর বর্শাতি-ভল্লব খাড়া