গ্যাব্রিয়েলে রাঙ্কো

ইমরুল কায়েস এর ছবি
লিখেছেন ইমরুল কায়েস (তারিখ: সোম, ৩০/০৩/২০১৫ - ৪:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(গত তিন-চারটে ব্লগের সময় হিসাব করে দেখলাম, গড়ে বছর দেড়েকে একটা করে ব্লগ লিখতেছি। ভালই। বছর দেড়েকের জন্য আরেকটা দিই হাসি )

১.
গ্যাব্রিয়েলে রাঙ্কোর সাথে আমার দেখা Yahoo বার্সেলোনা রিসার্চ ল্যাবসে।

রিসার্চ ইন্টার্ণ হিসেবে Yahoo তে মাত্র গিয়েছে। মিলিয়ন মিলিয়ন ইউজারের ওয়েব-স্কেল ডাটা ওদের জমা করা আছে। এরকম একটা ডাটা Yahoo Answers নিয়ে কাজ করব। কিন্তু কি কাজ করব কিছু জানি না।


কার জন্য চার লাখ?

স্পর্শ এর ছবি
লিখেছেন স্পর্শ (তারিখ: রবি, ২৯/০৩/২০১৫ - ১০:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত ২৬শে মার্চ ২০১৫ একটা বড় সড় উদ্যোগ আয়োজিত হলো বাংলা নিয়ে। নাম ’বাংলার জন্য চার লাখ’। উদ্দেশ্য ছিলো এদিনে দেশ ও বিদেশের আপামর জনসাধারন গুগলের ইংরেজী-বাংলা ট্রান্সলেটরের জন্য অন্তত চার লাখ শব্দ বা বাক্যাংশ অনুবাদ করবে। এভাবে ক্রাউড সোর্স করে প্রাপ্ত করপাসকে বিশ্লেষণ করে এই যান্ত্রিক অনুবাদকটি আরো কার্যকরভাবে বাংলা রচনাকে অনুবাদ ও বিশ্লেষণ করতে পারবে। এই আয়োজন চূড়ান্তভাবে সফল। চার এর জায়


স্বাধীনতা

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: রবি, ২৯/০৩/২০১৫ - ৬:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঈশান কোণে কোণে প্রলয়ের নৃত্য জুড়ে, ছোপ ছোপ রক্ত পায়ে
নয় পর স্বাধীনতা এসে দাঁড়াল আমাদের দরজায়, হাজারটা সূর্য
তাকে আশীর্বাদ করল। আমরা পেলাম লাল-সবুজের অবিনাশী পতাকা,
একটা মানচিত্র আর পেলাম স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ।
পেলাম নি:কন্টক ভাষা, যার রাজধানী এখন ঢাকা। একুশ
এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আমরা পেলাম অদ্বিতীয়
এক জাতীয় সংগীত--


মিজারেবল হাই কমিশন ও ডিপ্লোম্যাটিক সুইস চকলেট !

থার্ড আই এর ছবি
লিখেছেন থার্ড আই (তারিখ: শনি, ২৮/০৩/২০১৫ - ১২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সদ্য বিদায়ী যুক্তরাজ্যের হাই কমিশনার মিজারুল কায়েস যিনি বর্তমানে ব্রাজিলের হাই কমিশনার হিসেবে নিযুক্ত রয়েছেন, তিনি আমার দেখা সবচেয়ে বিজ্ঞ ও মেধাবী কুটনীতিকদের একজন। লণ্ডন, ইউএসএ ও দিল্লির মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে এধরণের হাই কমিশনার নিয়োগ দেয়াই কাম্য। কিন্তু তিনি ছিলেন অতি চতুর। উনি যেসকল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হয়ে যেতেন সেই সব অনুষ্ঠানে ওনার সাক্ষাতকার নিতে গেলে কোন প্রকার পূর্বানুমতি নিতে হতো


কতটুকু স্বাধীন আমরা?

অরফিয়াস এর ছবি
লিখেছেন অরফিয়াস (তারিখ: শুক্র, ২৭/০৩/২০১৫ - ১১:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিবোর্ড-কলমের একঘেয়ে যুদ্ধে একের পর এক লেখার জন্ম হয় সত্যি কিন্তু নিজের অক্ষম ক্রোধের কারনগুলোর কতটা পরিসমাপ্তি হয় তার প্রশ্নটা থেকে যায় বারংবার। এখন পর্যন্ত অনলাইনে লেখালেখির সময়টুকুতে দেশের নাগরিকদের মানসিকতার যতটুকু চিত্র দেখার সৌভাগ্য হয়েছে তাতে পরিবর্তন বলতে গেলে নগন্য। পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে মনে হয়, বৃত্তের এক বিন্দু থেকে শুরু করে আবার সেই একই বিন্দুতে এসে থমকে দাঁড়িয়েছি। পরিবর্তন আকস্মিক হয়না সত্যি কিন্তু পরিবর্তনে অনিচ্ছুক একটি সমাজ ও তার নাগরিকেরা কি কখনও পরিবর্তনকে ভাল চোখে দেখে কিনা এই প্রশ্নটা হয়ত আমরা এড়িয়ে গেছি বারবার, হয়ত কিছুটা ইচ্ছে করেই।


মিলেমিশে থাকা

চরম উদাস এর ছবি
লিখেছেন চরম উদাস (তারিখ: শুক্র, ২৭/০৩/২০১৫ - ২:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একবার এক গ্রুপে জামাত শিবিরকে ব্যান করার দাবী উঠলো। দাবীর তীব্রতায় প্রথমে সবাই বেশ হকচকিয়ে 'আমি সাথে আছি' টাইপ বক্তব্য দিয়ে সংহতি প্রকাশ করলো। দুইদিন পর গর্ত থেকে আস্তে আস্তে ল্যাজ বের হওয়া শুরু হল। প্রথমে মিনমিন তারপর বেশ জোরেশোরে বলা শুরু হল, "বুঝলাম জামাত শিবিরকে ব্যান করা হচ্ছে কিন্তু শুধু জামাত শিবির কেন, সমস্ত পলিটিক্স ব্যান করা নয় কেন। ঐযে দেখেন ছাত্রলীগও তো বেশ ইয়ে টিয়ে সন্ত্রাস করে।" এই ধ


নারীমুক্তি প্রসঙ্গ ও দীর্ঘকাল যাবত চলে আসা আমাদের ধর্মীয় ও মনস্তাত্বিক চিন্তাধারা - পরবর্তী অংশবিশেষ

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ২৭/০৩/২০১৫ - ১২:৫৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আদিতে নারী-পুরুষ ছিলনা, ছিল মানুষ। পরবর্তীতে সেই অখণ্ড মানবসত্তা নারী-পুরুষে বিভাজিত হয়।

একটি রূপকের মাধ্যমেই শুরু করি।
স্থান: বেহেশত।


আরো একজন চাকরিপ্রার্থী - ১

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৭/০৩/২০১৫ - ১২:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পোস্টাপিস

চাকরি কি আর ছেলের হাতের মোয়া- কথাটা কে বলেছিলো যেন?
এজন্যই চাকরি এসেও আসেনা, হয়েও হয়না বেকারদের। এখন তো ছেলেরা মোয়া খায় না। লেবেনচুস চোসে। ললিপপ চোসে। তাই চাকরি রকম সকম গেছে উল্টে পাল্টে। কিন্তু আসমানীদের তো সরকারি চাকরির খায়েশ মেটেনা।


যুদ্ধশিশু

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ১০:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে সব গবেষণা বা পরিসংখ্যানে বোধহয় সবচেয়ে উপেক্ষিত থাকে আমাদের যুদ্ধশিশুরা- যাদের জন্ম হয়েছিলো একাত্তরের বিভীষিকার মধ্যে। আমি জানি না কোন পরিসংখ্যান আছে কিনা একাত্তরে এবং পরবর্তীতে কতজন শিশু যুদ্ধের কারণে নিহত হয়েছিলো। স্বাভাবিক সময়ে একটা শিশুর জন্মের সময় এবং পরে কত যত্ন-আত্তি, হাসপাতাল-ক্লিনিকে ছুটোছুটি করা লাগে। ছয় বছর আগে আমার মেয়ের যখন জন্ম হলো, তার আগের দিন রাতে হাসপাতালে চলে


লাভার পথে উড়নচণ্ডীরা : পর্ব ২

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ৯:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কফির কাপটা হাতে নিয়ে বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ালাম। শহরের উদ্বাস্তু সব কংক্রিটের মাঝে এমন মলিন সকাল পাওয়াই যায় না। আমার বুদ্ধিজীবি বন্ধুটি খালি গলায় ছেড়ে রবীন্দ্রসংগীত গাইতে পারে। “প্রথম(0) আলোর চরণধ্বনি”র হাল্কা গুনগুনানিটা আমার কানে আসছিল ফিরেফিরে। বারবার মনে হচ্ছিল গানটার সাথে সকালটা কেমন আশ্চর্যভাবে সাত পাকে বাঁধা পরেছে।