Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ব্লগরব্লগর

"ফেলে আসা ছেলেবেলা " :সচলায়তন ঈদ সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হলো একটি পূর্ণাঙ্গ ই-বুক

আরিফ জেবতিক এর ছবি
লিখেছেন আরিফ জেবতিক (তারিখ: শনি, ১৩/১০/২০০৭ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেলে আসা ছেলেবেলাঅন্তর্জালকে মাধ্যম করে যারা বাংলায় লিখছেন ,তাদেরই একটি সংঘবদ্ধ উদ্যোগ -সচলায়তন।
অনলাইন রাইটার্স কম্যিউনিটি "সচলায়তন" ইতিমধ্যেই ভার্চুয়ালপাঠক লেখকদের মিলনক্ষেত্র
হিসেবে জনপ্র...


রসরাজরা হারিয়ে যায়

ইয়ামেন এর ছবি
লিখেছেন ইয়ামেন [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০১/২০১৭ - ৬:৫৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

নাসিরনগরের কথা মনে আছে?


শহীদুল জহির

উজানগাঁ এর ছবি
লিখেছেন উজানগাঁ (তারিখ: বুধ, ১৮/০১/২০১৭ - ১:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এমনই কোনো এক শীতের রাতে শহীদুল জহির চলে গিয়েছিলেন। আমি দেখি এই হাওয়া-বাতাসের রাতে আচমকা আজ জহির ঢুকে পড়েছেন আমার বেডরুমে। শোনাচ্ছেন এক আশ্চর্য শৃগালের কথা। কোনো-কোনো পূর্ণিমার রাতে সেই চতুর শৃগাল কেমন করে তাঁর লেখায় শব্দ জুড়ে দিয়ে যেত! কিংবা তাঁর স্বপ্নের ভেতর আটকা পড়া মানুষগুলো, যারা অতীত থেকে ভবিষ্যতে, ভবিষ্যত থেকে অতীতের দিকে তেড়ে যেতে-যেতে যে বিভ্রম তৈরী করতো সেসব কথা।


আমানুলের খোঁজে

অরূপ এর ছবি
লিখেছেন অরূপ (তারিখ: শুক্র, ১৩/০১/২০১৭ - ১০:১২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এপ্রিলের দুই তারিখে আমার পুত্রের জন্ম। আর সেই এপ্রিলের তিন তারিখে মেজোমামা চলে গেলেন। যেই কথাগুলো তাঁকে বলা দরকার ছিল, তা আর কোনদিন বলা হল না।


পাঠ্যপুস্তকের খৎনা

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: শুক্র, ০৬/০১/২০১৭ - ৮:১০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভুসুকপাদের লজ্জা
চর্যাপদের কবি ভুসুকপাদ। এখনো যেমন কেউ কবিতা-টবিতা তেমন একটা কিনে পড়ে না, বারোশো বছর আগেও কেউ কিনে পড়তো না। পেটের দায়ে তাই ভুসুকপাদকে পাড়ি দিতে হয় দূর-দূরান্তে, পিছনে রেখে যেতে হয় বউকে। ফিরে এসে ভুসুকপাদ দেখতে পান তাঁর বউ আর তাঁর নেই, অবস্থাসম্পন্ন কোন চণ্ডালের হাত ধরে সে চলে গেছে। অনেক লজ্জা আর খেদ নিয়ে ভুসুক লিখেন,

আজি ভুসুক বঙ্গালী ভইলি
নিঅ ঘরিণী চণ্ডালে লেলি


একটা মূর্তির গল্প

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০১/২০১৭ - ৭:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মর্মর পাথরের মূর্তিটা অনেকদিন ছিল আমাদের শহরে। খুব বড়সড় কোন ভাস্কর্য নয়, একটা আবক্ষ মূর্তি। পথের ধারের এই মূর্তিটা রাজশাহী শহরে আসা যে কারো চোখে পড়েই যেত, কেননা এটা রাখা ছিল একেবারে রাজশাহীর হৃৎকেন্দ্র অর্থাৎ সাহেববাজারের ঠিক মোড়ের উপর।রাজশাহী শহরের নানা ভাঙ্গা গড়া, নানা পরিবর্তনের মধ্যে মূর্তিটা অনেক সময়ই বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু সব সময়ই মূর্তিটা ছিল সোনাদীঘির মোড়ের উপরেই। আমা


ত্রিবেণীসঙ্গম--

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৫/০১/২০১৭ - ১০:১২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার একটা ২০০৯ সালের ল্যাপ্টপ আছে। এটাতেই আমি আমার যাবতীয় সাঙ্গীতিক দুষ্কর্ম গুলো করে থাকি। ইন্টেলের প্রথম জেনারেশানের i7 প্রসেসর। কুলিং সিস্টেম অপর্যাপ্ত। ল্যাপ্টপ চালু করার অল্প কিছুখনের মাঝেই বিশাল শোঁ শোঁ আওয়াজ করে ফ্যান চালু হয়। এই ফ্যান আবার আমাদের দেশের নাপিতের মত---নাইন্টি পার্সেন্ট কাঁচির বাদ্য আর টেন পার্সেন্ট চুল কাটা। ফলে যেকোন প্রসেসর ইন্টেন্সিভ কাজ--যেমন মিউজিক করা, ছবি এডিট করা--করত


সবুজ পাতায় দিন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৩/০১/২০১৭ - ৫:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার এক Naysayer (কিংবা বাংলায় ন্যায় সেয়ার!) বান্ধবী আছেন। তিনি কিছুতেই এই হ্যাপি নিউ ইয়ারের উদযাপনের কারণ বুঝতে পারেন না।

"আরে তারা কি বুঝতে পারে না তাদের জীবন থেকে একটা বছর চলে যাচ্ছে, এইটা গাধা উদযাপন করার কি আছে! দরকার হলে কান্নাকাটি কর!"

(যদিও তার জন্মদিনের বেলায় এই যুক্তি খাটে না দেখা গেছে। বরং জন্মদিনে শুভেচ্ছা কম হলে গভীর মন খারাপের আভাস পাওয়া যায়!)


শেষ বাতিঘর--

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: শুক্র, ২৩/১২/২০১৬ - ১২:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষের বয়েস বাড়ার সাথে সাথে অনেক কিছু পাল্টে যায়---দেখার চোখ, শোনার কান, বোঝার মন। ছোটবেলায় দেখা, শোনা, জানা বোঝা অনেক জিনিস বড় বেলায় আর কাজ করে না। অনেকের কাছে এই পরিবর্তনটা হয়ত আনন্দজনক---আমার কাছে একেবারেই নয়। আমি এক অনিচ্ছুক কিশোর যাকে টেনে হিঁচড়ে বড় করে দেওয়া হয়েছে। আমার শরীর, আমার মস্তিষ্ক সেই টানা-হেঁচড়ায় পরাভুত হয়ে এখন বুড়ো হতে চলল---কিন্তু মনের গহীন প্রকোষ্ঠে এখনো এক চৌদ্দ বছরের কিশোর মা


ক্ষুদ্র ডিটেইল্গুলি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২১/১২/২০১৬ - ৭:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

একটা সময় চলে আসে যখন আর বড় বড় বিষয়গুলি চোখে-মুখে কিংবা স্মৃতিতে লেগে থাকে না। খুব ছোট অ/দরকারি ডিটেইলসগুলি কিভাবে যেন রয়ে যায়।