Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ব্লগরব্লগর

"ফেলে আসা ছেলেবেলা " :সচলায়তন ঈদ সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হলো একটি পূর্ণাঙ্গ ই-বুক

আরিফ জেবতিক এর ছবি
লিখেছেন আরিফ জেবতিক (তারিখ: শনি, ১৩/১০/২০০৭ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেলে আসা ছেলেবেলাঅন্তর্জালকে মাধ্যম করে যারা বাংলায় লিখছেন ,তাদেরই একটি সংঘবদ্ধ উদ্যোগ -সচলায়তন।
অনলাইন রাইটার্স কম্যিউনিটি "সচলায়তন" ইতিমধ্যেই ভার্চুয়ালপাঠক লেখকদের মিলনক্ষেত্র
হিসেবে জনপ্র...


একজন ঝামেলামুক্ত বিশেষজ্ঞ পশ্চাদপ্রদর্শক

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: শনি, ০১/০৯/২০১৮ - ১:৫২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঘটনাটি তুচ্ছ এবং আপাতঃ অনুল্লেখযোগ্য। তবু কোন ঘটনা ইতিহাসের কোন সুত্রে কাজে লেগে যায় কেউ জানে না। যে কারণে বলা হয়, ভবিষ্যতের কাছে অনেক উত্তর লুকোনো থাকে।

একাত্তরের পঁচিশে মার্চ। রাত সাড়ে দশটার পর বঙ্গবন্ধুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন তাঁর ঘনিষ্ট তিন সহচর। নেতার নির্দেশে আত্মগোপনে যাবার জন্য গাড়িতে উঠলেন তাঁরা। গাড়ি চলছে এবং উদ্বিগ্ন তিন নেতা আলাপ করছেন কী করা যায়, কোথায় যাওয়া যায়। পালানোর জায়গা স্থির হয়নি তখনো।

ধানমণ্ডি ১৩ নম্বর সড়কে আসার পর হঠাৎ করে তাদের একজন বললেন, গাড়িটা থামুক। তিনি ওখানে নেমে যাবেন। বাকী দুজন অবাক হলেন। এভাবে মাঝপথে নেমে যাওয়াতে আপত্তি করলেন। তিনি মানলেন না- জোর করে নেমে পড়লেন গাড়ি থেকে। ওখানে তাঁর এক আত্মীয়ের বাসায় আশ্রয় নিলেন।


প্রতিনায়কঃ একটি বিকল্পধারার পোস্টমর্টেম

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২২/০৮/২০১৮ - ৬:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রতিনায়ক; আমাদের রক্তমাংসের জীবনে সমাজ নির্ধারিত বাঁধাধরা নিয়ম-নৈতিকতা ও ঔচিত্যবোধের বাইরে এদের অবস্থান। একক শব্দে ধারণাটাকে ধরতে এর চাইতে সুন্দর বাংলায়ন আর হয়না। সৃজনশীল শিল্পমাধ্যমে এদের আনাগোনা অবশ্যম্ভাবী না হলেও, দুর্লভ নয়।স্বাভাবিকভাবেই সমাজের দৃষ্টিতে তাদের ভাবমূর্তি ইতিবাচক নয়। ‘স্বাভাবিকতা’টাই যেখানে সমাজ নির্ধারিত, সেখানে এই নেতিবাচক সীদ্ধান্তটা ধ্রুব ভেবে নেবারও কারণ নেই। সাদাচোখে এরা


শরমিন্দা শব্দমালা

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: মঙ্গল, ২১/০৮/২০১৮ - ১২:৪৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি জাতীয় সংসদের পেশাবখানায় গেছি; জাতিসংঘের কয়েকটা শাখা অফিসের পেশাবখানাতেও গেছি। সবখানেই দেখছি পেশাবের ঘটির উপর দুয়েকটা এক-দেড় ইঞ্চি কোকড়ানো বাল পইড়া আছে। তার মানে সংসদ কিংবা জাতিসংঘেও বাঙালি বাল নিয়া ঘোরে। কিন্তু তারপরেও বালেরে বাল কইতে শরমায় বাঙালি…
ক্যান?

০২


নাইন মিলিয়ান বাইসাইকেলস্ ইন বেইজিং

অরূপ এর ছবি
লিখেছেন অরূপ (তারিখ: সোম, ২০/০৮/২০১৮ - ১০:৩৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বেইজিং এর রাস্তাগুলো্ নব্বই লক্ষ বাইসাইকেলে সয়লাব যাচ্ছে, এই কখা ভাবতে ভাবতে দুচোখের পাতা যদি আজ রাতে বন্ধ হতো.. আহা!


টুকরো টুকরো লেখা ৩১

সুমন চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন সুমন চৌধুরী (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৬/০৮/২০১৮ - ৯:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেন এ্যাতোকাল লিখি নাই,কী মনে করে আজকে লিখতে বসলাম,কেন সচলে লেখা প্রকাশের গতি অতিবৃদ্ধ জলহস্তির থেকেও শ্লথ ইত্যকার জাতীয় সহজ প্রশ্নের জবাব দিব না। আৎখা ঠাডা পড়ার মতো লিখতে মনে চাইল তাই লিখলাম। কথা এইখানেই শেষ।

এক


বঙ্গবন্ধু

তাসনীম এর ছবি
লিখেছেন তাসনীম (তারিখ: বুধ, ১৫/০৮/২০১৮ - ২:২৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আমার কোন স্মৃতি নেই। আমার স্মৃতি জমাট বাঁধার বয়েস হওয়ার অনেক অনেক আগেই তিনি নিহত হয়েছেন। নিজ বাসভবনের সিঁড়িতে তাঁর বুলেটবিদ্ধ দেহ পড়ে ছিল। আশেপাশে স্বজন, সন্তানদের লাশ। সেই লাশের মিছিলে তাঁর ১০ বছর বয়েসি পুত্রও ছিল। তিনি নিহত হয়েছিলেন সেনাবাহিনির একাংশের হাতে। আমি সারাজীবন ধরে সেই রকমই শুনে এসেছি। সেনাবাহিনির অন্য অংশ তখন কি করছিল সেই প্রশ্ন জিজ্ঞেস করাটা মনে হয় মহাপাপ। পরদিন সকালের খবরের কাগজ (যেটা এখন অনলাইনে পাওয়া যায়) একদম "বিজনেস অ্যাজ ইউসুয়াল" - দৈনিক বাংলার পেছনের পাতায় দেশে চোখের রোগ বেড়ে যাচ্ছে বলে অনেক উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। খবরে জানা যায় - ক্ষমতার পালাবদল হয়েছে, খন্দকার মোশতাকের নেতৃত্বে নতুন সরকার শপথ নিয়েছে। কোথাও কোন প্রকাশ্য শোক নেই।


বেবি ইউ আর বিউটিফুল

ষষ্ঠ পাণ্ডব এর ছবি
লিখেছেন ষষ্ঠ পাণ্ডব (তারিখ: বুধ, ২৫/০৭/২০১৮ - ১১:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[justify]ক্লাস শেষ হবার ঘন্টা বাজলে শিশু শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা লাইন ধরে নিচে নেমে এসে অস্থায়ী প্রতিবন্ধকের পেছনে নিজেদের জায়গায় দাঁড়ায়, তাদের সামনে শ্রেণী শিক্ষক আর তাঁর সহযোগী। প্রতিবন্ধকের সামনে পরিচয়পত্র হাতে অভিভাবককূল লাইনে দাঁড়ানো। একজন একজন করে শিক্ষার্থীদের নাম ধরে ডাকা হচ্ছে আর তার অভিভাবক পরিচয়পত্র দেখিয়ে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন। বাবানের নাম ডাকতে দিশা পরিচয়পত্র হাতে এগিয়ে যায়, দেখা গেলো বাবানে


বিশ্বাসযোগ্য ফিজিক্স

সজল এর ছবি
লিখেছেন সজল (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৬/২০১৮ - ৮:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বুয়েটের পাঁচ বছর মোটামুটি ঘোলাটে একটা সময়। কখন কী করেছি তার প্রায় কিছুই মনে নাই। তবে ফোর্থ ইয়ারে এসে মনে হয় আমাদের কম্পিউটার গ্রাফিক্স কোর্স নিতে হলো। সেইখানে গ্রুপ প্রজেক্ট দেয়া হলো আমাদের ক্লাসরুমকে ভেন্যু হিসাবে রেখে কলম খেলার একটা গেইম বানানো। সারভাইভাল টেকনিক হিসাবে আমি বরাবরই ভালো কাজ পারে এমন ছেলেপুলেদের গ্রুপে জুটে যেতাম। এবারো বাপ্পি আর অভির সাথে গ্রুপ করে ফেললাম।

আমি ততদিনে দুনিয়াবি সকল বিষয়ে নির্বাণ লাভ করে ফেলেছি। গ্রেড, প্রজেক্ট কমপ্লিশন, ভালো প্রজেক্ট করে প্রচুর "বস!" শোনার লোভ (লাইকপূর্ব যুগে এটা একটা বড় কারেন্সি ছিলো) ইত্যাদি কোন বিষয়েই বিন্দুমাত্র আগ্রহ না দেখিয়ে গায়ে বাতাস লাগিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলাম। আমাকে দিয়ে কিছু হবে না এই উপলব্ধি আর সাথে কম্পিউটার গ্রাফিক্স দিয়ে ম্যাজিক ঘটানোর উৎসাহে দুই গ্রুপমেটই আমাকে একদিন বললো, "তোর কিছু করা লাগবে না, আমরা দুই জন মিলে পুরা প্রজেক্ট নামায় দিবো।" ফেরেশতার মত দুই গ্রুপমেটের কথায় আমি একবারে আপ্লুত হয়ে রুমে ফিরে এসে ল্যান থেকে পাওয়া বাংলা নাটক দেখা শুরু করলাম।


মঞ্জু সরকারের 'অন্তর্দাহ' : মুক্তিযুদ্ধের কুৎসিততম উপন্যাস

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ০৩/০৬/২০১৮ - ১:৩৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিদগ্ধজনের প্রশংসা এবং মলাটের উপর বাংলা একাডেমি পুরস্কারের সিল দেখে এক পাঠক বইটা পড়তে শুরু করে। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা উপন্যাসটির যাত্রা শুরু হয় একাত্তরের মার্চের প্রথম সপ্তাহে বঙ্গবন্ধুর বাড়ির সম্মুখভাগ থেকে। প্রধান চরিত্র মানিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টগবগে তরুণ ছাত্র। পিতা গ্রামের প্রভাবশালী আওয়ামী নেতা। মানিক ভিড় ঠেলে বঙ্গবন্ধুকে এক পলক দেখে উজ্জীবিত হয় কিন্তু ৭ মার্চের ভাষণের পর দেশে গণ্ডগো