Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ব্লগরব্লগর

"ফেলে আসা ছেলেবেলা " :সচলায়তন ঈদ সংখ্যা হিসেবে প্রকাশিত হলো একটি পূর্ণাঙ্গ ই-বুক

আরিফ জেবতিক এর ছবি
লিখেছেন আরিফ জেবতিক (তারিখ: শনি, ১৩/১০/২০০৭ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ফেলে আসা ছেলেবেলাঅন্তর্জালকে মাধ্যম করে যারা বাংলায় লিখছেন ,তাদেরই একটি সংঘবদ্ধ উদ্যোগ -সচলায়তন।
অনলাইন রাইটার্স কম্যিউনিটি "সচলায়তন" ইতিমধ্যেই ভার্চুয়ালপাঠক লেখকদের মিলনক্ষেত্র
হিসেবে জনপ্র...


এলিসের জন্য

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ০৭/১০/২০২২ - ২:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অস্ট্রিয়ান সংগীতজ্ঞ লুডউইগ ভন বেটোভেনের কালজয়ী সৃষ্টি - “Für Elise”, ইংরেজিতে যাকে বলে “For Elise”, বাংলায় বলা যেতে পারে “এলিসের জন্য”।Für Elise এর সুর যেমন রোমান্টিক আর রহস্যময়, ঠিক তেমনি এর ইতিহাসও প্রেম আর রহস্যে আচ্ছাদিত। মজার ব্যাপার হচ্ছে Für Elise এর মত এরকম একটা মাস্টারপিস বেটোভেন তাঁর জীবদ্দশায় কখনও প্রকাশই করেননি। এই বাগাটেলটা প্রকাশিত হয় ১৮৬৭ সালে আর তাঁর মৃত্যু হয়েছিল ১৮২৭ সালে। তাঁর মৃত্যুর ২০ বছর পরে বিখ্যাত জার্মান সঙ্গীতজ্ঞ লুডউইগ নোহ্‌ল এই বাগাটেলটা প্রকাশ করেন। কিন্তু এলিসের জন্য লেখা এই বাগাটেলটা কাকে উদ্দেশ্য করে উৎসর্গ করা তা আজও অজানা।Für Elise এর কতটা উঁচু দরের সঙ্গীত এ বিষয়ে অনেক অনেক লেখা, গবেষণা আর বিশ্লেষণ আছে। সেসব নিয়ে আলোচনা করাই বাহুল্য। এই প্রবন্ধে Für Elise এর এলিস্ ব্যাক্তিটা কে তা জানার চেষ্টা করা হবে।


আঁকটোবর ২০২২- প্রথম সপ্তাহ - ২

সত্যপীর এর ছবি
লিখেছেন সত্যপীর (তারিখ: বুধ, ০৫/১০/২০২২ - ৭:০৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছবি আঁকতে পারিনা নাইলে নিজেই এঁকে উল্টায় ফেলতাম। সুতরাং প্ল্যান বি - নয় বছরের মেয়েটাকে বললাম তার প্রিয় চরিত্রের একটা ছবি এঁকে দিতে।


আঁকটোবর ২০২২- প্রথম সপ্তাহ- ১

সজীব ওসমান এর ছবি
লিখেছেন সজীব ওসমান (তারিখ: রবি, ০২/১০/২০২২ - ১২:১৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজকে আঁকটোবরের প্রথম দিন, তাই প্রথম ছবিটা আমিই দিলাম। অক্টোবর মাসে আমরা প্রতিবছর সচলে ছবি এঁকে উদযাপন করে ইঙ্কটোবর কার্যক্রম। বিশ্ব ইঙ্কটোবর উদযাপন সম্বন্ধে জানতে এখানে খোঁজ নিতে পারেন। আমরাও প্রতিদিন না হলেও অক্টোবর জুড়ে প্রতি সপ্তাহে একটা করে ছবি আঁকতে পারি বিভিন্ন বিষয়ে।


নরম কোমল দিলরুবা...

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৮/২০২২ - ৬:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় প্রতি সপ্তাহে একদিন করে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের পলিসিতে গেছে অফিস।
আজ সপ্তাহের সেই দিন।

প্রেশার কমেটমে গতকাল রীতিমতো গিয়ানজাম লাগিয়ে দিয়েছিলাম৷
আমার এমনিতেই লো প্রেশার। দুপুরে লাঞ্চ করতে করতে চারটা বাজল। এরপর দেখি পেকে ভর্তা হয়ে যাওয়া সাগরকলার মতো ঘাড় চটাৎ চটাৎ করে পড়ে যাচ্ছে৷ 'বল বীর, বলো চির উন্নত মম শির' জাতীয় কোবতেটোবতে আওড়ে কোন লাভ হলো না।


খুমজুং গ্রাম ও ইয়েতির ব্রহ্মতালু!

ওডিন এর ছবি
লিখেছেন ওডিন (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/০৮/২০২২ - ১০:২৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এভারেস্ট বেস ক্যাম্প ট্রেকে প্রায় সবাই যে কাজটা করে তা হলো উচ্চতাজনিত অসুস্থতা এড়ানোর জন্য অত্র এলাকার সবচে বড় গ্রাম/মিনি-শহর নামচে বাজারে দুটো রাত থাকা। এই মে মাসের এক বৃষ্টিভেজা বিকেলে ভেজা কাপড় চোপড় আর গাট্টি বোঁচকা নিয়ে কাঁপতে কাঁপতে যখন আমরা সাড়ে তিন হাজার মিটার উঁচুতে নামচে বাজার পৌঁছলাম, তখনো পর্যন্ত আমাদের পরিকল্পনা ছিল সেখানেই দু রাত থাকার। পরের দিন সকালে আমরা হয় খুমজুং গ্রাম


ডাকুইন

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: রবি, ০৫/০৬/২০২২ - ৮:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ডাকুস্তান মেতেছে উৎসবে আজ,
শোভাযাত্রা, প্রাসাদে সাজ।
সাত দশকের লুটপাটের কাম,
সর্দারনীর জুবিলী প্লাটিনাম।
দলে দলে ভক্তরা তাই,
নেচে-কুঁদে গাইছে সবাই-
'গড শেইভ দ্য কুইন'
প্রণাম লহো ডাকু সর্দার- তুমি ডাকুইন।


মহাবিশ্বের অবস্তুগত ভাবনা

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: রবি, ২৪/০৪/২০২২ - ৪:৪৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ছাত্রজীবনে একদা বিক্ষিপ্তভাবে ডায়েরি লিখতাম। স্কুল পাশ করে কলেজে ওঠার পর পৃথিবীর নানান দিকে চোখ খুলতে থাকে। বিচিত্র সব ভাবনারা মাথার ভেতরে ঘুরপাক খেতো। সেগুলো কখনো ডায়েরি, কখনো চিরকুট, কখনো পুরোনো খাতার শেষদিকে লিপিবদ্ধ হতে থাকে কোন পরিকল্পনা ছাড়াই। বলে রাখা ভালো- আমি বারো ক্লাস পর্যন্ত বিজ্ঞানের ছাত্র থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে যাত্রা শুরু হয় বাণিজ্যের পথে। কিন্তু বিজ্ঞানের ভুত আমার পিছু ছাড়েনি কখনোই।


জগৎ জুড়ে ওযিম্যান্ডিয়াস যত

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ২৫/০২/২০২২ - ৩:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছুদিন আগে আল জাজিরার একটা পুরনো ডকুমেন্টারি দেখেছিলাম - 'I Knew Saddam'। বুঝতেই পারছেন সাবেক ইরাকি একনায়ক সাদ্দাম হোসেনের উপর বানানো সেটা। থাম্বনেইলে খাকি পোশাকে সাদ্দাম, মোটামুটি অল্পবয়স্ক তখনো, চোখমুখে ভাঁজ পড়েনি, কিন্তু চেহারার ক্রুর ভাবটা ঠিকই আছে। যে চেহারা অহর্নিশ টানা চব্বিশ বছর ধরে দেখতে হয়েছিল ইরাকের মানুষকে।


অভাজনের রামায়ণ। বনবাস ০৪

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: শনি, ০৫/০২/২০২২ - ৩:২২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বনের রাজা হইবার আশায় রাম দেখতে আছে বন; এর মাঝে তার সামনে থাইকা খপ কইরা তার বৌরে উঠায়া নিয়া বনের চকিদার কয়- দুই বেটায় বনবিলাস করতে আছে এক নারী নিয়া। যা বেটা ফুট। এই মাইয়ারে বিয়া করব আমি…