Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

ব্লগরব্লগর

গন্তব্য দিকশূন্যপুর?

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: রবি, ১৮/১২/২০১৬ - ১১:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এতক্ষণে পৌঁছে গেছো অনেক দূর..গাছের ছায়া, দীঘির কালো, পুকুরপাড়
এতক্ষণে তোমার বিষাদ-মন ছোপালো, সন্ধ্যা নামার একটু আগের অন্ধকার।
ততক্ষণে আমিও উড়ে ফিরছি ঘর...রোদ-বিকেলে নীল-ডোবানো মেঘপথে,
ডানার আওয়াজ ঘুমের মতো ক্লান্তিহীন...

_________________________________________

পুরো এক বছর পর লিখছি। হাসি


কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৬/১২/২০১৬ - ৮:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই উত্তাল শাহবাগের লাখো ব্যানারের একটি।


কলকাতার 'বাবু' কালচার...

প্রৌঢ় ভাবনা এর ছবি
লিখেছেন প্রৌঢ় ভাবনা [অতিথি] (তারিখ: শনি, ১০/১২/২০১৬ - ১০:১৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কলকাতার 'বাবু' কালচার...

প্রায় আড়ইশ বছর আগে থেকে শিক্ষিত, ধনী পুরুষদের নামের আগে 'বাবু' শব্দের ব্যবহার শুরু হয়। অবশ্য তখনও বাবু শব্দের ব্যবহার মোটামুটি ধনী, শিক্ষিতদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল।

'বাবু' পদ পূর্বে নিজে থেকে কারো ব্যবহার করার অধিকার ছিল না। এটা ছিল নবাব প্রদত্ত উপাধি। সম্মানিত ধনাঢ্য ব্যক্তি ভিন্ন নবাবেরা অন্য কাউকে এই উপাধি দিতেন না।


টিনক্যানভাসের ছবি : ২০১৬

সোহেল ইমাম এর ছবি
লিখেছেন সোহেল ইমাম [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ০৯/১২/২০১৬ - ৭:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


চলচ্চিত্রালোচনাঃ ডিয়ার জিন্দেগী

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: রবি, ০৪/১২/২০১৬ - ১১:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি হিন্দী মুভির ভক্ত না। সমালোচক তো আরওই না। তবে মাঝে মধ্যে কোতুহল হলে যে দেখি না--তা নয়। নায়কদের মাঝে আমির খানকে এগিয়ে রাখি তার ছবি তৈরির ডিভোশন এবং এক্সপেরিমেন্টেশন করার সাহস ও ক্ষমতার জন্য। নতুন নায়কদের মধ্যে রনবীর নামের একটিকে আমার বেশ পছন্দ (সিং-ওয়ালা না কাপড়-ওয়ালা--নিশ্চিত নই)-- যার বরফি ছবিটা মনে ধরেছিল (যদিও প্রভূত পরিমানে নানান চলচ্চিত্র থেকে টুকলিফাই করা এবং ধরা পড়ার পরেও পরিচালক বা প্


তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়- ৩

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বুধ, ৩০/১১/২০১৬ - ২:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গত শীতের এক ধলপহরে ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে হিমে জবুথবু হয়ে থৈ থৈ সবুজ নলবনের মাঝ দিয়ে বয়ে চলা লেচুয়ামারা খালের স্বচ্ছ জলের উপর দিয়ে আলগোছে চলেছি আমাদের পাখি রিং করার দল নিয়ে। দুই বিলের মধ্যে সংযোগ রক্ষাকারী এই সরু খালে জল এতই টলটলে যে নিচে ঝাঝিদামের জগত, মাছের অপূর্ব উপস্থিতি এমনকি তলদেশ পর্যন্ত দেখা যায় এক নিমিষে। আর কিছুটা স্রোত আছে বলে জোঁক নেই এখানে।


গান নিয়ে কিছু কথা--

অনিকেত এর ছবি
লিখেছেন অনিকেত (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/১১/২০১৬ - ১০:৩৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সব জিনিস সবার জন্য না।


"লেবাননে ফিলিস্তিনিদের পক্ষে যুদ্ধরত ৪ শত বাংলাদেশী বন্দী"

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব (তারিখ: রবি, ২৭/১১/২০১৬ - ১০:৩১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যেদিন আমি জন্মেছিলাম সেদিনের পত্রিকায় কি ছিল সেটি দেখার কৌতুহল ছিল অনেকদিন। তাই ইত্তেফাকের সেদিনের পত্রিকার চোখ খুলে ছানাবড়া হয়ে গেল। আমাদের ইতিহাসের এই অধ্যায় আমি জানতামই না! চারশ' বাংলাদেশী ফিলিস্তিনিদের পক্ষে যুদ্ধ করেছিল? তারা এখন কোথায়? আমি ১৯৮২ সালের ১২ই জুলাই পত্রিকার ক্লিপিংসগুলো এখানে দিয়ে দিলাম।


অঘ্রানের কাব্যপাঠ

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৪/১১/২০১৬ - ৮:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চারিদিকে ঝরাপাতা। হেমন্তের শুরু। অঘ্রানের শীত অনায়াসে দাঁত বসায় মধ্যবয়সী হাড়ে। অজানা আশঙ্কার দাপট নিঃসঙ্গ মুহূর্ত জুড়ে। শীতের হৃদয়হীন হাওয়া এসে থেকে থেকে জানালা কাঁপায়। দরজা ভেঙে-চুড়ে কেড়ে নিয়ে যেতে যায় অচেনা বরফ-শীতল দেশে। ইদানীং দিন ছোট হয়ে এসেছে অনেক। কাজ সেরে ফেরার আগেই সন্ধ্যা নামে। ল্যাবরেটরি থেকে বাড়ি ফেরার অল্প খানিকটা পথ। হিমেল সন্ধ্যার অন্ধকারে সেই পথটুকু হাঁটতে হাঁটতে এক ধরণের অজানা আশঙ


রামায়ণের শোলক সন্ধান ৫: রামায়ণ থেকে মহাভারত প্রাচীন আখ্যান

মাহবুব লীলেন এর ছবি
লিখেছেন মাহবুব লীলেন (তারিখ: মঙ্গল, ১৫/১১/২০১৬ - ১১:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ভারতীয় পুরাণ ঘাঁইটা ইতিহাস খুঁজতে যাওয়ার সব থিকা বড়ো ঝামেলাটা হইল এইসব পুরাণের রচয়িতা ঋষি কিংবা কবিদের অন্য কোন বিষয়ে কোন জ্ঞান আছিল আর কোন বিষয়ে আছিল না সেইটা নিশ্চিত না হইলেও একটা বিষয় পরিষ্কার যে তাগো মধ্যে বিন্দুমাত্র সময়-সংখ্যা কিংবা ইতিহাস জ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব আছিল না; অথবা অদরকারি মনে কইরা তারা এই তিনটা জিনিসের লগে বাচ্চাপোলাপানের মতো খেলানেলা কইরা গেছেন। সময় মাপতে গিয়া তারা ষাইট বচ্ছর আর