Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

কবিতা

জীবনানন্দ, আমার জীবনের আনন্দ - ১৩

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ২২/১০/২০২০ - ১২:২৬পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

'বাংলা দেশের রং যে নীল তা এই সব যাত্রায় খুব টের পাওয়া যেত- আকাশ নীল, বাতাস নীল,প্যাডলের আঘাতে ফেনিল জলটুকু ছাড়া পুরো মেঘনা কালচে নীল, তীরের পাটখেত নীল, সুপুরি-নারকেল বন নীল, গ্রামের গাছগাছালি নীল, ধূ ধূ জলের দূরের তীরও শুধু একটা হালকা নীল রঙের রেখা। এই নীল জীবনানন্দ আরো অনেক বেশি দেখেছিলেন :

অশ্বত্থে সন্ধ্যার হাওয়া যখন লেগেছে নীল বাংলার বনে


মোছাদের হাত

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১৮/০৮/২০২০ - ৭:৫৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বিস্তারিত থাক
শুধু বলি, লিফ্টের ভিতরে আমরা তিনজন ঠেসাঠেসি, নিঃস্পন্দ নির্বাক।
হিংস্র পত্নী প্রাণপ্রিয়া হোসনে আরা অদূরে জ্বলন্ত চোখে কটমট
আমা পানে চেয়ে, বিড়বিড়ায়ে কী যেন চলিছে বলি।
তার পাশে ততোধিক জ্বলন্ত যুগল আঁখি পিটপিটায়ে চেয়ে আছে
নিতম্বিনী রাবেয়া পাটেল। হোসনে বিবির সে সহকর্মিনী। নিকটেই বাসা।
সুন্দরী। তনুটি খাসা।

আলগোছে দেখে লই, হোসনে আরা খন্তাখানি লগে লয়ে আনিয়াছে কি না।


কিছুমিছু - ৫ | অসরল

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ১০/০৮/২০২০ - ৫:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সরল অঙ্কের বিশ্বাসঘাতকতার
কোন তুলনা নেই।

(সরল কর বলে যার শুরু
তার নাম সরল অঙ্ক হত কি করে!)


ইতালির পচা ছেলে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১৫/০৭/২০২০ - ৮:৩৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেন ওরে ইতালি মনির তুমি আনপড় চিউবাকার মত হট্টগোল করে
বলেছিলে কানট্রি সিষ্টেমকে ফাক কর?
জুলিয়াছ সিজারুদ্দৌলার দেশে এতডি বৎসর গুজরে জীবন
কিছুই কি শিখ নাই ছলাকলা পূর্বরাগ
মেক লাভ, নট ফাকাফাকি?

একেই কি বলে সভ্যতা? উড়ে এসে ফুঁড়ে দিবে পরিযায়ী উটপাখির মত?
কানট্রি সিষ্টেমকে তুমি একদিন সন্ধ্যা বা রাইতে
ডেটে যাইতে ফুসলাইতে
পার না কি?


পাবলো নেরুদাকে নিয়ে শামসুর রাহমান

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ১৩/০৭/২০২০ - ৯:৪০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

(১৯৭৩ এর ২৩ সেপ্টেম্বর পাবলো নেরুদা চিলিতে মারা যান বা হয়তো খুন হন। তার দেড় মাসের মধ্যেই ১৯৭৩ সালের নভেম্বরে ‘বিনোদন’ পত্রিকায় শামসুর রাহমানের এই লেখাটি প্রকাশিত হয়, যা সাধারণত কোথাও দেখি না। সম্প্রতি পত্রিকাটি হাতে আসায় ভাবলাম এই লেখাটি ব্লগে থাকুক। আর ভারতীয় কূটনীতিক জনাব মুচকুন্দ দুবের একটা কথা মনে পড়ল, উনি শামসুর রাহমানের কবিতা নিয়ে বলেছিলেন যে “বিশ্ব সাহিত্য নিয়ে আমার যে লেখাপড়া তাতে সত্যি বল


প্রেমে ও সংগ্রামে পাবলো নেরুদা

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: রবি, ১২/০৭/২০২০ - ৬:২৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পাবলো নেরুদা একই সাথে বাঙালি সমাজে চরম জনপ্রিয় অথচ প্রায় অপরিচিত। মানে কবি হিসেবে তাঁর সুনাম পাঠক মাত্রই জানেন, তাঁর সৃষ্ট কিছু গনগনে অবাক স্তবক সকলেরই মুখে শোভা পায় কিন্তু এক জীবনে যে প্রায় অসম্ভব সাড়ে তিন হাজার পৃষ্ঠা কবিতা তিনি পৃথিবীকে দিয়ে গেছেন, এবং যে পাবলো নেরুদার নির্বাচিত কবিতার সাম্প্রতিক প্রকাশিত সংকলনটি ১৫০০ পাতার ( পৃথিবীর আর কোন কবির নির্বাচিত কবিতা হাজার পাতা পেরিয়েছে বলে জানা নেই!


কিছুমিছু - ৪ | বিশৃঙ্খলা

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০১/০৬/২০২০ - ২:৪৯অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কিছু না। কিছু বিশৃঙ্খলা - চিন্তা ও চেতনায়। ভাগ করে নিই, এই মাত্র।


আমি যেখানে আছি-

কনফুসিয়াস এর ছবি
লিখেছেন কনফুসিয়াস (তারিখ: শুক্র, ২৯/০৫/২০২০ - ৭:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি যেখানে আছি-
-----------------

আমি কিন্তু এখানে এখন নেই,
বরং রয়েছি সুদূর অতীতে,
এই ঘরের কোণেই চুপটি দাঁড়িয়ে আছি,
কিন্তু কাঁপছি বহু আগের শীতে।


যাপিত জীবন অক্টোপাসের মতো

এস এম মাহবুব মুর্শেদ এর ছবি
লিখেছেন এস এম মাহবুব মুর্শেদ (তারিখ: শুক্র, ২০/০৩/২০২০ - ১২:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মানুষ টানুস, টেকা টুকা, আর ইকোনমি খাউয়ার পরে করোনা ভাইরাস ছুটিটাও খেয়ে ফেলল সুড়ুৎ করে।
দেশ ছেড়ে এসেছি ছয় বছর।
বয়স খাউয়ার পর এডভাইজার ঢেকুর তুলে বলল, পোস্ট ডক খাউ?
এদিকে এক্স পেমিকাকে খাউয়ার পর তার জামাই ইনস্টাগ্রামে ছবি দিয়ে বলে, হ্যালো ফ্রান্স, দুনিয়ার সকল শান্তি এই খাউয়াতেই।

ছোট ভাইটাও দাঁড়ি মোচ পাকিয়ে আন্ডারগ্রাজুয়েট খেয়ে ফেলল।


হোম কুয়ারান্টিনে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৯/০৩/২০২০ - ৪:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হোম কুয়ারান্টিনে
আছি
আপাতত
যদিও বিদেশ মোর হয়নিকো যাওয়া
শরীলও মাশাল্লাহ সুস্থ
তবু
মাবুদের ইশারায় এ কি হল?

বেপারটা এমনও নয়, পুরা বাসা জুড়ে মোর আনাগোনা
যেতে পারি যেথা খুশি, পাকঘরে বানাতে পারি কফি
খাটঘরে বিছানা জুড়ে খেতে পারি গড়াগড়ি
বৈঠকখানায় বসে দেখতে পারি তাগড়া তাগড়া হিন্দি নায়িকার ঘাগড়া।
কিংবা চাইলেই যাব আলামিন ভাতের হোটেলে, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে বসে দিব গুলতানি, খাব সিংগারা।