Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

কবিতা

সুন্দরবনের গান

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: শুক্র, ০৫/০৮/২০১৬ - ৯:০৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তোমরা বুকে ধরো মাথায় রাখ দেশের মাটি ছুঁয়ে শপথ করো
প্রাণ দেবো তো গান দেবো না, দেবো না সুন্দরবন
ফিরে যাও বিশ্বরাজন

আমরা রুখেই দেবো কয়লার গাড়ি ময়লা জঞ্জাল আর
মহাজনের থলে ভরা কালো বিড়াল।
রুখে দেবো জঙ্গিবাদের ব্যবসা এবার

তোমরা ভয় পেয় না সুন্দরী বন, সবুজ পাখি, সুর ভুলো না
আগুনমুখি পশুর নদী, প্রাণীকুল ছেড়ো না সুন্দরবন
আমরা রুখেই দেবো ষড়যন্ত্রের বাণ


চিঠিযুগ

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: রবি, ২৪/০৭/২০১৬ - ৬:১৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি তোমার কাছের মানুষ হবো।

এত্তো কাছে, মনে হবে বাড়ির পিছে
সরিষা ক্ষেত, মৃদু নদী- জলের সারস
অতীতে তার কোল ঘেঁষা পথ-

মনে হবে লতানো লাউ, জানলা খুলে
হাত বাড়ালেই পাখি পাখি গাছের ছায়া,
ঘাসের ঘাড়ে হেলেঞ্চাতে শুকনো পাতায়
মুখ ডোবানো রোদের আরাম-

উঠোন ভরা শাকসব্জি, পুঁইয়ের মাচা
পাটির ওপর ছড়িয়ে দেয়া চালতা আচার
মনে হবে, নিজেরই সব- বুনো ফুলের
ছোট্ট বাগান- কপাল থেকে চুল সরানোর


কথাট্রয়

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: সোম, ১৮/০৭/২০১৬ - ৮:১৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কথা কিন্তু কথার নিচে মুখোশ পরা,
মিথ্যা হয়ে লুকিয়ে আছে ট্রয়ের ঘোড়া।

দরজা খুলে আনছো তাকে ভেতর বাড়ি,
মিষ্টি হেসে রাখছো যেন বন্ধু ভারি।

কথার পেটে লুকিয়ে যারা ছদ্মবেশে,
খেলনা হয়ে আত্মহারা তোমায় ঘেঁষে।

একটু পরে রাজপ্রাসাদে কথার সুরে,
চাঁদের মতো যখন তুমি আকাশ জুড়ে-

গুপ্ত খুনি ওই কথারা হঠাৎ এসে,
তোমার জিভে আলতো করে পড়বে বসে।

তখন তুমি নিজের কথা হারিয়ে তাতে,


দুঃখওয়ালা

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৪/০৭/২০১৬ - ২:৫০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পেতে পেতে দুঃখ এখন
দিতেও পারি,
তবু আছি আগের মতোই
অসংসারী-

অগোছালো ছিলাম যেমন
ইচ্ছামতো-
ভেঙে গড়ে নতুন আবার
ভাঙাই যেতো,

সবকিছু আছেই তেমন
কেবল জানি,
ভালোবেসে দুঃখ দেয়ার
মন্ত্রখানি-

লোকে ডাকে দুঃখওয়ালা
যদিও আমি,
হেসে হেসে মিহিন আঘাত
কমই জানি-

দিতে পারি দুঃখ যেটুক
নিজের মতো,
আহা, যদি ওটুক শুধুও
তোমার হতো!

সিডনি, জুন- ২০১৬।


মানুষ হওয়ার সহজ উপায়

মূর্তালা রামাত এর ছবি
লিখেছেন মূর্তালা রামাত (তারিখ: শুক্র, ০৮/০৭/২০১৬ - ১১:৩১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হে
কুকুর,
মিছিলের রাস্তা ছেড়ে
সুরম্য
পুঁজিপতির কাছে
চলে যাও-
এখানে একমাত্র
তারই আছে
মানুষ মাড়াইকল,
যেখানে নরোম আখ নয়
বরং
হাড় মাংস মন
সব গলে
বেরিয়ে আসে
উচ্ছিষ্ট অর্থের মতো,
তিন বেলা
পেট পুরে খেতে পারবে
চাও তো
চারবেলা-
পূত্রের ছুঁড়ে দেয়া হাড়
কন্যার চু চু চুমোয়
নাদুসনুদুস অনুভূতিতে
তারপর
লেজ নাড়তে নাড়তে
অল্পদিনেই
তুমি
হয়ে উঠবে
তার
কাছের সম্পাদক,


এ আমার দেশ নয়

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: বুধ, ০৬/০৭/২০১৬ - ১২:১৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এ আমার দেশ নয়।
যে দেশকে আমি স্বপ্ন দিয়ে ধরি প্রাণের মধ্যে রাখি
এ আমাদের দেশ নয়।
যে দেশে আজ হিন্দু-মুসলমান বৌদ্ধ-খৃষ্টান
পারছে না গাইতে নাগরিক জীবনের গান
পারছে না গাইতে জাতীয় সংগীত
“আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি।“

আমাদের হাতে কাঁপছে চর্যা পদের ঝাণ্ডা
উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া
বাংলা ভাষার প্রথম প্রদীপ
আমরা স্তম্ভিত হে আমার প্রিয় স্বদেশ ।


অপরাজেয়

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৫/০৭/২০১৬ - ৯:৫২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তারপর একটা প্রকান্ড ঢেউ আসল। আমি ছিটকে গিয়ে পরলাম জাহাজের কিনারায়। অনেক দূরে মিটিমিটি জ্বলে থাকা আলো, জানিনা সেকি তারা নাকি বাতিঘর। রাত, অন্ধকার, ঝুম সমুদ্র, উত্তাল ঢেউ আর আমি। হয়তো এটিই আমার জীবনের শেষ রাত। ছোট্ট জীবনের এই নিগাঢ় অন্ধকারে কি অসহায় আমি!


ওলিয়োগ্রাফে শুন্য মুহূর্ত, মৃত্যুর চেয়ে আশ্চর্য কিছু

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: সোম, ০২/০৫/২০১৬ - ১:০৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

জানালার নীল পর্দা জানে,
আজগুবিতে পাওয়া আপনার সাথে আমার যে সংসার
সেখানে গাঁয়ের পানাপুকুর
সন্ধ্যায় সহজ পোশাক
সেখানে কিছুটা তরল আকুতি, ভারসাম্যহীনতায় নুনের অনুবাদ

পাহাড়তলির বৃষ্টির মতন জলজ কাতানে নামহীন রাত্রির কোরাস নামলে... বুনো নিঃসঙ্গ যাপনের চুম্বকত্ব অপ্রবল হয় ধীরে আর কখনো কখনো সূর্যের অস্ত এবং ’দয় অনুচ্চারিত ঘুম নামক পলাতক মৃত্যুতে...

সেখানে আমাদের পীত সবুজের ঘর


বিষাদের ডাকনাম অরণ্য

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৩/০৪/২০১৬ - ৪:১০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সবুজ পাতার নাম ধরে ডাকতেই
একটা ঘন অরণ্য চুপচাপ সামনে এসে দাঁড়ালো,
তার কাছেই চেয়ে নিয়েছি আকন্দের বীজ
শিকড় কুড়িয়ে নেয়ার সময়
করতলে উঠে এসেছিলো বিষাদের মতিচূর

তখনও আমার নয়ের ঘরের নামতা পাঠের কৈশোর
জেনেছিলাম, এ ঘন অরণ্য আমার মা হারানো দুধভাই
এ অরণ্য বিষাদের ডাকনাম

এই যে ঝাপুরঝুপুর গহন অরণ্য
চাঁদের আলোয় অমরাবতী এক রাত্রিপুর,
এখানে দলবেধে শেয়ালের ডাক
এখানে হাওয়ায় হাততালি


কেউ একজন জানতো, বলেনি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ১২/০৪/২০১৬ - ৮:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কেউ একজন জানতো, বলেনি। কয়েকজন খুঁড়ে তুলছিল একটা পোকায় খাওয়া বিপ্লব। আর তাদের ঘাম ঝরে ঝরে পড়ছিল বৃষ্টির মত। ওদের ঘাম শুকোবার আগেই মজুরী চুকিয়ে দিতে পাশেই দাঁড়িয়েছিল টুপি পরা একজন লোক, আতরের গন্ধে সে ভারি করে তুলছিল আশপাশের বাতাস। অক্ষরের পর অক্ষর বসে যাচ্ছিল নিজের নিজের মত। আকাশ থেকে কিছু নামার কথা ছিল। এমন একটা দিন আসবে বলেছিল ওরা যে দিনটায় অন্যদিন গুলোর মত ধুলোবালি থাকবেনা। আর সত্যি সত্যি আকাশ থে