Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

কবিতা

পথের মোড়ে

জি.এম.তানিম এর ছবি
লিখেছেন জি.এম.তানিম (তারিখ: বিষ্যুদ, ১২/০৫/২০২২ - ৫:৫৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কবিতাটার খোঁজ পেয়েছিলাম খোমাখাতায়, সচল দ্রোহীর একটি মন্তব্যে। কবিতাটা পড়ে মনের মধ্যে একটি অস্থিরতা শুরু হলো, বুকটা কোথায় যেন ধক করে উঠল। মন চাইছিল নিজের মতো করে, নিজের ভাষায় সেই গল্পটা ছড়িয়ে দেওয়ার। তাড়াহুড়ো করেই তাই অনুবাদের চেষ্টা করে ফেললাম। মূল কবিতাটা পাওয়া যাবে এখানে


বিস্মরণ

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/০৩/২০২২ - ৯:২১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হৃদয়ের রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় কখন?
কখন নিঃসঙ্গ পাখি ঘরে ফিরে আসে?
ভবঘুরের জন্য কেউ কি দরজা খোলা রাখে?
কেউ কি খুঁজে পায় স্বাধীনতা---
সেটা কোথায়, কখন, কোন ভূমিতে?

যেখানে এসে হৃদয় চাঞ্চল্য থেমে যায়,
অবসন্ন মন শান্তি খুঁজে পায়,
সব কোলাহল, আর্তনাদ,মুমূর্ষু ক্রন্দন
চিরকালের মতো স্থবির হয়ে পড়ে।
সেটা কোথায়, কখন, কোন চরাচরে?

হে স্বাধীনতার ফুল,


বানানই কি সব?

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০২/০৩/২০২২ - ৭:১৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আলামিন ভাতের হোটেল পারে পানের দোকানে
চাবাইতেছিনু পান। তখন অকস্মাৎ
পাঠাও চাপিয়া এসে উপস্থিত হাউমাউ ক্রন্দনরত গেনী বন্ধু ইছহাক
চন্দ্র বিদ্যাসাগর। পাঠাওয়ের ইয়ামহা চালকটি পরম আদরে
মুছাইয়া দিল গেনী ইছহাকের অশ্রু একটি বাতিল রুমালে। আমা পানে
ইছহাককে আলিঙ্গন বাগাইয়া আগাইতে দেখিয়া সে করিল হুশিয়ার, ভাই এট্টু দেইহেন।
তারপর চলে গেল ভো ভো করে কুথা পানে যেন।


রাত্রের রাজা ছিলিমোল্লা বাজাজ

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শুক্র, ১০/০৯/২০২১ - ১১:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

রাত্তিরে ইদানীং তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ি
নিমীলিত লেপ্টপ, বিস্ফারিত চক্ষু ও বিনিদ্র কান লয়ে
ঘন্টা দেড়দুই গুনি মশারির ছিদ্র আর শুনি বিবি ঘুমঘোরে কাকে যেন বকে।

মশা নয়, নয় কুন ফেসবুক-বান্ধবীর পালোয়ান খসমের ভয়
রক্তে খেলা করে আরও গুরুতর বিপন্ন বিস্ময়
ভয় করি রাত্রের রাজা ছিলিমোল্লা বাজাজকে।


যদি আরেকবার জীবন শুরু করতে পারি - হোর্হে লুইস বোর্হেস

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: মঙ্গল, ২৪/০৮/২০২১ - ১১:৫১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আজ ওনার জন্মদিন। সব মানুষই নিজের জীবন দিয়ে যা বুঝতে পারে সেই বিষয়গুলো নিয়ে ৮৫ বছর বয়সে এই অসাধারণ কবিতাটি লিখেছিলেন লেখকদের লেখক খ্যাত হোর্হে লুইস বোর্হেস, ৮৬ বছরে তিনি মারা যান দুর্দান্ত এক জীবন শুষে নেওয়া জীবনের শেষে। কোন এক বৃষ্টি ভেজা দিনে আনমনে দুর্বল অনুবাদ করেছিলাম ইংরেজিতে থেকে (স্প্যানিশ ভালো পারি না বিধায়)- ( ছবিটা সাহারা মরুভূমিতে তোলা)

'যদি আরেকবার জীবন শুরু করতে পারি'


কিছুমিছু - ৬ । নিতান্ত প্রাকৃতিক

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৯/০৬/২০২১ - ২:০০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আশ্চর্য নয় কিছু,
নিতান্ত প্রাকৃতিক।


নিদ্রাপাড়ে পল্লবিত জলে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৭/০৩/২০২১ - ২:৪৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমি উঠে প্রবল অবিশ্বাসে আমাদের চুল, বালিশ, পোশাক শুঁকে শুঁকে দেখি
একান্ত নীরবতায় আমার বিস্ময়, বিহ্বলতা কাটিয়ে
ঘ্রাণটা কিসের, তাই ভাবি!
জানালার গাছ, পাতার গন্ধ, ফুলের গন্ধ নয়

কী নাম দেব সেই ঘ্রাণ, কী হতে পারে বন
ঘুমের ভেতর এ কোন ঘ্রাণের স্বপ্ন আরণ্যক?
উর্বর মাটি? মাটিরই মতো- কিন্তু মাটিও না,
গাছের কটিতে ঘর বাঁধা কোনো পাখির কচি পালক?

নিষ্প্রাণ কোনো শরীর?


খালাস

কনীনিকা এর ছবি
লিখেছেন কনীনিকা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০২/২০২১ - ৩:২০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গরল নামো কলম বেয়ে
এবার আমায় মুক্ত করো।

পিঠভাঙা এক বিষের পাথর
বইছি আমি বিষণ্ণতায়
আজ সিসিফাস।
আগের জন্মে হয়তো ছিলাম নোতরদামের কুঁজো।

দিন সাতেকের না আঁচড়ানো চুলের জটা
মেঘ ভেবে যেই ভুল করেছি
হাত পেতেছি মেঘের কাছে
বৃষ্টি নামুক
বৃষ্টি নামুক।
মেঘগলা জল গরল ধুয়ে
এবার আমায় মুক্ত করো।


তুরস্কের ফায়জার ছেলেটি

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৪/০২/২০২১ - ৮:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

কবি ঝুলেখা ঠাকুর সনে কোথা পরিচয়
এ ফিযুল প্রশ্ন করে খেয়ে দিয়ো না তোমরা সময় আমার।

পুরুষ কবির টানে মহিলা কবিরা
সততই চলে আসে দূর হতে কাছে
গ্রেবিঠির টান দিয়ে নিউটন যেইরূপে গাছ হতে আপেল পাড়িত।
সেইরূপে ঝুলেখা ঠাকুর এসে ঠাঁই নেই মম হটসাপে।

হিংস্র পত্নী হোসনে আরা ভাতরুমে ঝর্ণাটি ছেড়ে যেই মাতিল গোসলে
অমনি করিনু আমি হটসাপ ঝুলেখা ঠাকুরে
কবিতার ঘেনঘেন বাদ দিয়া বলি তারে সরাসরি, ওগো শুনছো?


যে পাহাড় দিতে হবে পাড়ি

তানভীর এর ছবি
লিখেছেন তানভীর (তারিখ: শুক্র, ২৯/০১/২০২১ - ১১:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

The Hill We Climb - Amanda Gorman

যখন দিন আসে আমরা প্রশ্ন করি নিজেদের
এই অনিঃশেষ অন্ধকারে আমরা কোথায় পাবো আলো?
ক্ষতির ভার বয়ে,
এক সমুদ্র পাড়ি দিতে হবে আমাদের।
পাশবিক এক দুঃসময় আমরা মোকাবেলা করেছিলাম,
আমরা জেনেছিলাম শান্ত থাকা মানেই সবসময় শান্তি নয়,
এবং ন্যায়ের নিয়মকানুন মানেই ন্যায়বিচার নয়।
এই ভোর আমাদের, আমরা জানার আগেই।
কোনভাবে আমরাই তা এনেছি।