কবিতা

স্বাধীনতা

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: রবি, ২৯/০৩/২০১৫ - ৬:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঈশান কোণে কোণে প্রলয়ের নৃত্য জুড়ে, ছোপ ছোপ রক্ত পায়ে
নয় পর স্বাধীনতা এসে দাঁড়াল আমাদের দরজায়, হাজারটা সূর্য
তাকে আশীর্বাদ করল। আমরা পেলাম লাল-সবুজের অবিনাশী পতাকা,
একটা মানচিত্র আর পেলাম স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ।
পেলাম নি:কন্টক ভাষা, যার রাজধানী এখন ঢাকা। একুশ
এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আমরা পেলাম অদ্বিতীয়
এক জাতীয় সংগীত--


দাড়ি

ফারুক হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফারুক হাসান (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ১১:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


স্বদেশের প্রচ্ছদ

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ১:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারও দানে পাওয়া নয়। দাম অবশ্য আমি দিইনি, বাকিতেই পেয়েছি পূর্বপুরুষের বদান্যতায়। সেই বাকির খাতা কখনও শুধতে পারব না, জানি। কিন্তু, বাকির খাতায় যে নাম তোলা আছে সেটুকু অন্তত যেন আমরা ভুলে না যাই। যাঁদের রক্তের ওপর গড়া এই দেশে (প্রায়) নির্বিবাদে বেঁচে আছি, তাঁদের রক্তপাত শুরু হয়েছিল এই দিনেই। জানা কিংবা অজানা সেই সকল অসীম সাহসীদের জন্য নিরন্তর শ্রদ্ধা। ]


শবের শহরে

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: বুধ, ১৮/০৩/২০১৫ - ১০:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের কানে কত কথা আসে, গান ভেসে যায়,
কত আকাঙ্ক্ষা! তড়িৎ নেশায় –
এখনও অনেক দুপুর অবধি একা বসে থাকি।
বিষণ্ণ রোদ, অযথা সময় –
আমাদের নয়। সুষুপ্ত সব দ্রোহে কুৎসিত উল্লাস-দিন –
হয় না সহ্য। আমাদের মতো স্মৃতিবিব্রত সুলভ শরীর – হয় সুপাচ্য।

কে ওখানে বসে বুড়ো হয় একা? আমাদের মতো মৃতের শহরে –
চাষবাস নেই। পুরোনো ফসল ঘরে তুলবার আয়োজন খুব।
নতুন এখানে মৃতদেহ নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে বাঁচে, বিবশ স্বপ্নে।


আমদুধের ভিলেন!

স্বপ্নহারা এর ছবি
লিখেছেন স্বপ্নহারা (তারিখ: বুধ, ১১/০৩/২০১৫ - ৩:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আম আর দুধে মিশে যায়... দিন দিন...
যেমন মিশে যায় দুই গাঢ় সবুজের ছায়াগুলো।
আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায় গাঢ় লাল সূর্যটা
সেখানের সবুজ আকাশে উঠে আসে- একটি সাদা তারা
আর একটি সাদা ফালি চাঁদ...


অন্ধকার

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৩/২০১৫ - ২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অন্ধকার তোমাকে ভয় পাইনি কোনদিন
একদা অন্ধকার মানুষই তো ছিলাম
প্রিয় পাখির সংস্কৃতি
জানালায় রাখলে হাত
স্বর্গে চোট লাগতো
আর খসে পড়তো নরকের কারুময় চুড়ি
সুতরাং নরককেও পাইনি ভয়

মারাত্মক নেশা ভরা বাদুড়ের চোখ ছিল আমার
দূরে কোথাও দুলে উঠতো লাল লিচুর বাগান
সুতরাং নিশাচরও ছিলাম ভয়ানক

জংলি-ঝড় উঠতো কাননে কাঞ্চনে
হাঁটতাম বুনোর মতো, বৃষ্টি-বজ্র মাথায়
অরণ্যের হাত ধরে, বনচারির মর্যাদায়


বিদায় হে শূন্যতা

অতন্দ্র প্রহরী এর ছবি
লিখেছেন অতন্দ্র প্রহরী (তারিখ: সোম, ০৯/০৩/২০১৫ - ২:৩২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

চারপাশের মানুষগুলো কষ্টের ভার বইতে না পেরে যখন নুয়ে পড়ে হতাশায়, একের পর এক মুখগুলো যখন ঢাকা পড়ে বিষাদের আচ্ছাদনে, খুব অসহায় লাগে নিজেকে।

আর তখন-

প্রায়শই মনে হয়, চলমান এই দুঃসময়ে, ঘোর অন্ধকারে নিমজ্জিত এই পৃথিবীর একাকীতম বোধ করা প্রতিটি মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াই। তার হাতটা স্পর্শ করে, শক্ত আলিঙ্গনে, ফিসফিসিয়ে বলি, "পাশে আছি..."


ওরা আসবে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ২৮/০২/২০১৫ - ৪:৩০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যখন তারা নাস্তিকদের মগজ বের করে ছুড়ে ফেললো রাস্তায়-
আমি কিছু বলিনি,
আমি তো নাস্তিক নই।

যখন তারা হিন্দুদের পুরিয়ে মারলো-
আমি কিছু বলিনি,
আমি তো আর হিঁদু নই।

যখন তারা বিধর্মীদের বিচ্ছিন্ন মাথা সাজিয়ে রাখলো থরে থরে-
আমি কিছু বলিনি,
আমি তো বিধর্মী নই।

যখন তারা বেনামাজী তরুণ-তরুণীদের হত্যা করলো পাথর নিক্ষেপ করে-
আমি কিছু বলিনি,
আমি তো বেনামাজী নই।


তুমি কেমনে স্বাধীন হইবা?

ক্রেসিডা এর ছবি
লিখেছেন ক্রেসিডা [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০২/২০১৫ - ৮:৫১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তুমি কেমনে স্বাধীন হইবা?
-----------------------------------

তুমি কেমনে স্বাধীন হইবা?
তোমার জানালায় অন্য জানালা; সিঁড়িতে অন্ধকার।
তোমার ব্যালকনি কাঁটাবনের খাঁচা,
তোমার অর্ধেক চাঁদ, বাকি অর্ধেক পাশের বাড়ির
চশমার নেগেটিভ পাওয়ারে

তুমি কেমনে পজিটিভ হইবা? তুমি কেমনে স্বাধীন হইবা?

তোমার থালায় কোমল রসায়ন; কামড়ে ফরমালিন- ঠিক তোমার
খুব গোপন পাপগুলোর মতো; গন্ধহীন;


| শোকার্ত |

রণদীপম বসু এর ছবি
লিখেছেন রণদীপম বসু (তারিখ: শনি, ২১/০২/২০১৫ - ১:০২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


[ ভাষাশহিদ দিবস একুশে ফেব্রুয়ারি এলেই এই নির্মল ভোরে আমাদের বাঙালি মন গুমড়ে ওঠে নিবিড় শোকের ছায়ায়। আমরা শ্রদ্ধায় স্মরণ করি, স্মৃতি-তর্পণ করি ভাষা শহিদদের প্রতি। স্মৃতির মিনারের বেদিতে শ্রদ্ধা জানাই নিজের নিজের মতো করে। এই শ্রদ্ধার রূপ কেমন? আজ থেকে তেত্রিশ বছর আগের উদ্ভিন্ন তারুণ্যে সেই শ্রদ্ধার রূপটুকু গাথা ছিলো অনেক বেশি কাচা আবেগের আতিশয্যে হয়তো। তবুও সেই আবেগ যতো কাঁচা বা তরলই হোক, তখনও হয়তো এতোটা কৃত্রিমতা আমাদেরকে আক্রান্ত করতে পারেনি। কবিতা প্রয়াসের নামে এই ছোট্ট কাঁচা পঙক্তিই তার নমুনা হয়তো !]