Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

কবিতা

বারিন্দায় ছফা পেতে শুয়ে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ১১/০৯/২০১৯ - ৮:৪১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বারিন্দায় ছফা পেতে শুয়ে
একবার নক্ষত্রের পানে আর একবার বেদনার পানে
চেয়ে চেয়ে বেলা করি গুজরান।

ঘটনা জটিল তাই আস্তে আস্তে বলি।
পালঙ্কের পাশে ড্রয়ারের গোপন খনিতে মোর কবিতার খাতা
তালাচাবি দিয়া রাখি যেন মোর প্রাণপ্রিয়া বজ্রমুষ্ঠি শক্তিমতী পত্নী হোসনে আরা
উহা খুলিয়া পড়িতে নারে।
তবে যেহেতু সকল চাবি হোসনের কবলে তাই কুন খাতা কুন বই নিরাপদ নহে
তাই সকল কাব্য আমি চর্চা করি ওষুদ কম্পানির পেডে


বিবৃতি

নজমুল আলবাব এর ছবি
লিখেছেন নজমুল আলবাব (তারিখ: রবি, ০১/০৯/২০১৯ - ৭:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বরং তুমি নিজেকে প্রত্যাহার করো।
এই সংঘ এই আনন্দ এবং মনভালো
পেছনে ফেলে মৌন হও, হও একা।

মানুষের মাঝে আলো থাকে, তুমি
তাই আঁধারে হও নির্জন, নির্জন হও।

অনেকের মাঝে থেকে একা হয়ে যাও।
আলো থাকুক, কোলাহল থাকুক উজ্জল
মানুষদের জন্য। তুমি ফিরে যাও প্রচ্ছায়ায়।

তুমি নিজেকে প্রত্যাহার করে নাও,
এই সংঘ এই আনন্দ এই মনভালো
থেকে নিজেকে সরিয়ে নাও আলবাব।


চাঁদের বিষাদ

জি.এম.তানিম এর ছবি
লিখেছেন জি.এম.তানিম (তারিখ: শনি, ১৭/০৮/২০১৯ - ১০:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অনেক অনেক বছর আগে, যখন বেশ কিছু নেরুদার কবিতা অনুবাদ করছিলাম, এক বড় ভাই সেগুলো পড়ে বলেছিলেন শার্ল বোদলেয়ারের কবিতা অনুবাদের চেষ্টা করতে। প্রথম চেষ্টায় খুবই কঠিন লেগেছিল অনুবাদ করা সেগুলোকে। তাও একবার একটি কবিতা অনুবাদ করে ফেলেছিলাম। আজকে হঠাৎ খোমাখাতায় ঘুরতে ঘুরতে সেই ভাইয়ের একটি মন ছুঁয়ে যাওয়া লেখা পড়ে আবারও বোদলেয়ারের কথা মনে পড়লো। সেই সূত্র ধরে এই অনুবাদ প্রচেষ্টা…


তুবা যেদিন বড় হবে

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ২৩/০৭/২০১৯ - ৯:৫৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

তুবা যেদিন বড় হবে
তৈরি থেকো, তোমরা সবাই
সবচে পাকা রূপকথাকার সঙ্গে নিয়ে, তোমরা যেন
গল্প ফাঁদতে ভুল কোরো না। সঙ্গে রেখো
কল্পকথা, সত্যজিতের একশ আঁকা
জবরখাকির মস্ত ব্লোআপ দেখিয়ে বোলো
আসছে দিনের সেই তুবাকে
ওটাই খেলো তোমার মাকে।

সেদিন যেন মিথ্যা-মিথে
খুবসে রাঙায় রিলের ফিতে
কম্পুছবির কৌশলে আর তুলির টানে সঠিক শোভায়
গুলিয়ে ছবি দেখিয়ে বোলো
তুবার মা-ই ভালেন্তিনা তেরেস্কোভা


মাকোন্দোর স্মৃতি

সবজান্তা এর ছবি
লিখেছেন সবজান্তা (তারিখ: বুধ, ২৪/০৪/২০১৯ - ৯:৩৪পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


পুশকিন ( শেষ পর্ব)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১৮/০৪/২০১৯ - ১১:১৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেরা পুশকিন বিশেষজ্ঞ সের্গেই ফোমিচেভের পিছন পিছনে ভল্টের ভারী দরজা দিয়ে প্রবেশ করি। এক তাকের উপর থেকে চামড়ায় মোটা নোটবই নিয়ে তিনি দেখান লেখা ছাড়াও সেখানে নানা মুখ ও ফিগার আঁকা, যা কবি শব্দের আবেশের বসে আঁকিয়ে ছিলেন। বিশেষজ্ঞ ভদ্রলোক পাতা উল্টাতে উল্টাতে তিনি দেখাতে থাকলেন কোন পাতায় ‘জিপসি’ লেখা, কোথায় ‘ওনেজিন’ যেখানে এক কোণে রাজকীয় তাতিয়ান দাঁড়িয়ে আছে।


আমেরিকার কবি ওয়াল্ট হুইটম্যান ( ২য় পর্ব)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ০১/০৪/২০১৯ - ১০:২৬অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ওয়াল্ট হুইটম্যানে উপরে পারিবাহিক আবহের প্রভাব ছিল খুব সামান্য। মা মূলত ধর্মীয় বইপত্র পড়তেন। বাবা ছিলেন পোড় খাওয়া শ্রমিক (!) ও মদে আসক্ত। তাদের ৭ সন্তানের মধ্যে ৩ জনই কোন না কোন মানসিক সমস্যায় ভুগতেন। বিদ্যালয় তাদের কাছে কোন সময়ই গুরুত্বপূর্ণ কিছু ছিল না, ওয়াল্ট ১১ বছর বয়সেই স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেন, যদিও সুযোগ পেলেই বই ধার করে পড়তে থাকতেন আরব্য রজনী, জেমস ফেনিমোর কুপার আর স্যার ওয়াল্টার স্কটের


আমেরিকার কবি ওয়াল্ট হুইটম্যান ( ১ম পর্ব)

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: শনি, ৩০/০৩/২০১৯ - ২:২৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যে মুক্তচিন্তার অধিকারী, দেশপ্রেমিক, স্বপ্নের ফেরিওয়ালা ও বিপ্লবী জানান দিয়েছিলেন দেহ অতি পবিত্র এক জিনিস এবং এর চাহিদাগুলো কবিতায় আনার অতি উপযুক্ত, সেই কবি ওয়াল্ট হুইটম্যান এক সমতার রাজ্যে বাস করেন, মুদি দোকানী থেকে রাষ্ট্রপতি সকলেই তাঁর ভক্ত। ‘লীভস অফ গ্রাস’ তাঁর শ্রেষ্ঠতম সৃষ্টি যা কিনা তাঁর যুগে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, কিন্তু শতবর্ষ পরে আজও হুইট্ম্যানের শব্দেরা ভীষণ ভাবে সগৌরবে তাদের অস্তিত্ব জান


গোল হয়ে দ্যাখো

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৩/২০১৯ - ৮:২৩অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অগ্নিকাণ্ডে বা ভূমিকম্পে
পুড়লে ভবন কাঁপলে ভূতল
ধ্বসলে দালান মরলে মানুষ
গোল হয়ে দ্যাখো, গোল হয়ে দ্যাখো

ঐ ভোঁভোঁ শোনো আসছে পুলিশ
দমকল গাড়ি পানির যোগান
জায়গা দিও না, ভিড় করে থাকো
ওরা কি তোমার চেয়ে বেশি বোঝে?
ককখোনো না গো, ককখোনো না গো
গোল হয়ে দ্যাখো

ফোন উঁচু করে ছবি তুলে নাও
দৃশ্য বাগাও বা ধারাভাষ্য
ফেসবুকে দাও গরমাগরম
বুড়ো আঙুলের স্তুপ জমা করো
অ্যাম্বুলেন্সে কী বা যায় আসে


কবিতা ও বিজ্ঞান - জগদীশচন্দ্র বসু

অবনীল এর ছবি
লিখেছেন অবনীল (তারিখ: সোম, ২৫/০৩/২০১৯ - ৭:৫৯পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অন্তর্জাল ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ করেই হোঁচট খেলাম এক পুরোনো বিজ্ঞান সাময়িকীতে। কলকাতায় ১৯৪৮ সালে গঠিত হয়েছিলো বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ নামে এক বিজ্ঞান সচেতনতা প্রচার ও প্রসার বিষয়ক সংগঠন। প্রতিষ্ঠাতা আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু। বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক বিষয়াদি নিয়ে চমৎকার সব প্রবন্ধ রয়েছে এতে, যদিও কালের আবর্তে তথ্যগুলো এখন আর তেমন সময়োপযোগী নয়। কিন্তু বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসুর এই ছোট্ট পুনঃপ্রকাশিত লেখাটা এখনো তাঁর আবেদন হারায়নি বলেই আমার বিশ্বাস। কবি এবং বিজ্ঞানীর দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গীর মধ্যে তিনি যে সামঞ্জস্যতা দেখাতে চেয়েছেন তা আমার মনে হয় সবার কাছেই খুবি চমৎকার একটা পর্যবেক্ষন হিসেবে পরিগণিত হবে। সেই সাথে এই দুই ধারাকে সবসময় আলাদা করে দেখার যে সংস্কৃতি আছে সেটাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করা যায় বৈকি। চলুন পড়ে দেখা যাক -

কবিতা ও বিজ্ঞান
- জগদীশচন্দ্র বসু (জ্ঞান ও বিজ্ঞান । ৩২ তম বর্ষ। পঞ্চম সংখ্যা। মেঃ ১৯৭৯)

small