Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

কবিতা

প্রেমে আছি, বিষাদেও

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: শনি, ১৫/০৮/২০১৫ - ১১:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

প্রেম এসে ফিরে ফিরে যাচ্ছে, বিষাদও
শোনাতে চাইছে তার সকরুন সুর
আর আমি বসে দুর-বহুদুর
যা কিছু সব টের পাচ্ছি
তবু রোজকার মতো খাচ্ছি-দাচ্ছি-ঘুমাচ্ছি।

প্রেম জানে,
আমার আছে নিজস্ব একটা ঘর
তবু সে সামলাইতে কয় পর
আমারে আকৃষ্ট করতে চায় ভোগে
সে জানে, আমি বি-বাহিত রোগে
আক্রান্ত হয়ে আছি,
বিষাদের কাছাকাছি।

প্রেমরে বলি, আমি কিন্তু ভোগবাদি নই
(যদিও সে সুযোগ এখন আর কই?)


অন্ধকারে চোখ সয়ে এলে

রোমেল চৌধুরী এর ছবি
লিখেছেন রোমেল চৌধুরী [অতিথি] (তারিখ: শনি, ০৮/০৮/২০১৫ - ৮:১১অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

হার্মাদ ঝড় এসে
দপ করে আকাশের পিদিম নিবিয়ে দিল।


বিনির্মাণ

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: সোম, ২৫/০৫/২০১৫ - ৪:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

যে গান এখনো হয়নি লেখা
সেই গান গাইছিল সন্ধ্যা
কৃষ্ণ হলো কথা, সুর হলো রাধিকা
কথা আর সুরের যুগল নৃত্যে নাচছিল সন্ধ্যা
আর আমি যাচ্ছিলাম বনের ভেতর দিয়ে একা

আমাকে ভাবতে হয়েছিল সেই সব কথা
যে সব আত্মার ভেতরে এতোকাল মীমাংসিত ছিল
তোমার হৃদয়ও ছিল মীমাংসিত
আমার পায়ের তলার মাটি এ জন্যই থেমে ছিল
আর তোমার পথ এ জন্যই ছিল অতটা দ্রুতগামী

যাকে পেছনে ফেলে যায় মানুষ


অজানা ঠিকানা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বিষ্যুদ, ০৭/০৫/২০১৫ - ১০:৪৪অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

স্তব্ধ চারিদিক,ঘন কুয়াশা
পীচ ঢালা রাজপথ ধরে আমি হেঁটে চলেছি একা একা ।
খোলা চুলগুলো উড়ছে, হিম শীতল ঠাণ্ডা হাওয়া
অদ্ভুত সুন্দর কিছু মুহূর্ত,অস্পষ্ট কিছু ভাল লাগা ।
ধোঁয়া ধোঁয়া কুয়াশা আধো আলো আধো ছায়া ;
গন্তব্যহীন পথ ধরে আমার এ হেঁটে চলা ।
ঐ শিশির ভেজা নরম ঘাসের চাদরে ,
আমার কত স্মৃতি পরে রয়েছে অনাদরে ।
মনের পর্দায় উঠল ভেসে, আমার শৈশব ;
কিশোরী মনের লাজুক স্বপ্নে ঘেরা আমার কৈশোর ।


স্বাধীনতা

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: রবি, ২৯/০৩/২০১৫ - ৬:৩৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ঈশান কোণে কোণে প্রলয়ের নৃত্য জুড়ে, ছোপ ছোপ রক্ত পায়ে
নয় পর স্বাধীনতা এসে দাঁড়াল আমাদের দরজায়, হাজারটা সূর্য
তাকে আশীর্বাদ করল। আমরা পেলাম লাল-সবুজের অবিনাশী পতাকা,
একটা মানচিত্র আর পেলাম স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ।
পেলাম নি:কন্টক ভাষা, যার রাজধানী এখন ঢাকা। একুশ
এখন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। আমরা পেলাম অদ্বিতীয়
এক জাতীয় সংগীত--


গল

ফারুক হাসান এর ছবি
লিখেছেন ফারুক হাসান (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ১১:১৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


স্বদেশের প্রচ্ছদ

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৬/০৩/২০১৫ - ১:৪৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

[ আমি দাম দিয়ে কিনেছি বাংলা, কারও দানে পাওয়া নয়। দাম অবশ্য আমি দিইনি, বাকিতেই পেয়েছি পূর্বপুরুষের বদান্যতায়। সেই বাকির খাতা কখনও শুধতে পারব না, জানি। কিন্তু, বাকির খাতায় যে নাম তোলা আছে সেটুকু অন্তত যেন আমরা ভুলে না যাই। যাঁদের রক্তের ওপর গড়া এই দেশে (প্রায়) নির্বিবাদে বেঁচে আছি, তাঁদের রক্তপাত শুরু হয়েছিল এই দিনেই। জানা কিংবা অজানা সেই সকল অসীম সাহসীদের জন্য নিরন্তর শ্রদ্ধা। ]


শবের শহরে

ত্রিমাত্রিক কবি এর ছবি
লিখেছেন ত্রিমাত্রিক কবি (তারিখ: বুধ, ১৮/০৩/২০১৫ - ১০:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমাদের কানে কত কথা আসে, গান ভেসে যায়,
কত আকাঙ্ক্ষা! তড়িৎ নেশায় –
এখনও অনেক দুপুর অবধি একা বসে থাকি।
বিষণ্ণ রোদ, অযথা সময় –
আমাদের নয়। সুষুপ্ত সব দ্রোহে কুৎসিত উল্লাস-দিন –
হয় না সহ্য। আমাদের মতো স্মৃতিবিব্রত সুলভ শরীর – হয় সুপাচ্য।

কে ওখানে বসে বুড়ো হয় একা? আমাদের মতো মৃতের শহরে –
চাষবাস নেই। পুরোনো ফসল ঘরে তুলবার আয়োজন খুব।
নতুন এখানে মৃতদেহ নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে বাঁচে, বিবশ স্বপ্নে।


আমদুধের ভিলেন!

স্বপ্নহারা এর ছবি
লিখেছেন স্বপ্নহারা (তারিখ: বুধ, ১১/০৩/২০১৫ - ৩:৫৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আম আর দুধে মিশে যায়... দিন দিন...
যেমন মিশে যায় দুই গাঢ় সবুজের ছায়াগুলো।
আস্তে আস্তে মিলিয়ে যায় গাঢ় লাল সূর্যটা
সেখানের সবুজ আকাশে উঠে আসে- একটি সাদা তারা
আর একটি সাদা ফালি চাঁদ...


অন্ধকার

শাহীন হাসান এর ছবি
লিখেছেন শাহীন হাসান (তারিখ: মঙ্গল, ১০/০৩/২০১৫ - ২:২২পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

অন্ধকার তোমাকে ভয় পাইনি কোনদিন
একদা অন্ধকার মানুষই তো ছিলাম
প্রিয় পাখির সংস্কৃতি
জানালায় রাখলে হাত
স্বর্গে চোট লাগতো
আর খসে পড়তো নরকের কারুময় চুড়ি
সুতরাং নরককেও পাইনি ভয়

মারাত্মক নেশা ভরা বাদুড়ের চোখ ছিল আমার
দূরে কোথাও দুলে উঠতো লাল লিচুর বাগান
সুতরাং নিশাচরও ছিলাম ভয়ানক

জংলি-ঝড় উঠতো কাননে কাঞ্চনে
হাঁটতাম বুনোর মতো, বৃষ্টি-বজ্র মাথায়
অরণ্যের হাত ধরে, বনচারির মর্যাদায়