স্মৃতিচারণ

(দৈনিক বাংলা, জানুয়ারী ২, ১৯৭২) 'বিচ্ছুদের' নেপথ্য কাহিনী - পরিকল্পনা ছিল তিনটা রিকশাই একসাথে পাওয়ার স্টেশনের সামনে যাবে না

শেহাব এর ছবি
লিখেছেন শেহাব [অতিথি] (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ৯:২৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আরো ভাল রেজ্যুলশনে দেখতে হলে কি করতে হবে? রাইট ক্লিক করে ইমগুর লিংকে চলে যেতে হবে।

আগের পর্ব: উলান পাওয়ার স্টেশন অপারেশন

পরের পর্ব: বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পুলিশটি হাত উপরে তুলে বলল,-"লেকিন হিঁয়া মে তো কারফিউ


ইউরোপে অন্তর্যাত্রা: হঠাৎ বৃষ্টি

বুনোহাঁস এর ছবি
লিখেছেন বুনোহাঁস (তারিখ: সোম, ২২/০৯/২০১৪ - ৪:৩২অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

মে মাস। ব্যক্তিগত, সামাজিক, পেশাগত অন্তর্দ্বন্দ্বের অথৈ সময় চলছে। কোনো এক সকালে হঠাৎ এসএমএস- "তোর ইমেইল আইডি দে। এক্ষুনি।"

দিলাম। দিয়ে বসে থেকে কিছুক্ষণ পর জিজ্ঞেস করলাম- "তারপর?"

জানলাম জার্মান দূতাবাস থেকে ব্লগার খোঁজা হচ্ছে। তারা কিছু নাম চেয়েছে। বন্ধুটি আমার নাম সেখানে মনোনয়নের জন্য দিয়েছে।
কেন? কীসের জন্য?


তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয়- ২

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: বিষ্যুদ, ১১/০৯/২০১৪ - ৭:৪৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শরতের রাত দীর্ঘ তখন, বাংলাদেশ হলে হেমন্ত বলা যেত, উত্তরের দীর্ঘ সূর্যময় দিন আস্তে আস্তে গেরিলা আক্রমণে দখল করে নিচ্ছে আসন্ন শীতের অন্ধকার। সন্ধ্যা এখন ঝুলে থাকে আলোআধারির আকাশে দীর্ঘক্ষণ, রাত্রি দ্বি-প্রহরেও মৃদু আবছা আলো ফেরারি প্রেতাত্মার মত ঘুরে বেড়ায় ইতস্তত। জার্মান বন্ধু ম্যাথিয়াস গ্যাঞ্জারের সাথে গিয়েছি বড়শি দিয়ে মাছ ধরতে এক ফিনিশ হ্রদে। মাছ ধরায় ও রান্নায় দারুণ দড় ছেলেটা, প্রায়ই বিশাল সব পা


তবু কেবলই দৃশ্যের জন্ম হয় -১

তারেক অণু এর ছবি
লিখেছেন তারেক অণু (তারিখ: সোম, ০৮/০৯/২০১৪ - ৭:০০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

শীতের শুরু হয়েছে শরতের আগুন রূপকে হিমে মুড়ে। পাইন আর স্প্রুস বাদে বাকী সব গাছ ন্যাড়া হয়ে গেছে বেশ কসপ্তাহ আগে, তাদের পাতাহীন ডালে আলতো তুষার জমছে রাতের গভীরতা বাড়ার সাথে সাথে, কিন্তু মণ মণ বরফ এসে তখনও চাপেনি গাছের কাঁধে আর মাটির বুকে। গাড়ী নিয়ে চলেছি শীতের হেলসিংকিতে কাজের ফাঁকে। তখন আঁধারের রাজ্য, বরফশুভ্রতা এসে আলোকিত করার অনেক আগেই পাতালের আঁধার এসে কালিমালিপ্ত করে উত্তরের বিকাল, সন্ধ্যে, রাত,


লজ্জা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: রবি, ০৭/০৯/২০১৪ - ৩:০১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গেলো শতাব্দীর আশির শতকের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে বাংলাদেশে পাকিস্তানী ক্রিকেটার ইমরান খান বড় ধরনের ক্রেজ ছিল। চৌকস খেলোয়াড়, সাথে আবার লম্বাচৌরা গড়ন, সুদর্শন, ভরাট ম্যানলি গলা। মেয়েরা তাকে চায়, ছেলেরা তার মত হতে চায়, আর আমার মত ছয়/সাত বছরের শিশুরা তাকে আইডল মানে। আমিও তার ব্যতিক্রম ছিলাম না।


ক্যালিডোস্কোপ - ৯

এক লহমা এর ছবি
লিখেছেন এক লহমা [অতিথি] (তারিখ: মঙ্গল, ০২/০৯/২০১৪ - ৯:৩০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

ক্যালিডোস্কোপ ঘুরছে। একই উপাদানগুলি নিয়ে গড়ে উঠছে নানা ছবি। কাকে ছেড়ে কার কথা লিখি! এদিকে, উপাদান ত অতি সামান্য, গড়পড়তা বালকের গড়পড়তা জীবনের টুকিটাকি। অবশ্য, সামান্য উপাদানে কি আর অসামান্য কাজ হয় না! হয় বৈকি! অসামান্য মানুষেরা করেন সে সব। এ ছবিগুলি সে’রকম নয়, নিতান্তই সামান্য, তুচ্ছাতি তুচ্ছ! ইতিহাস ত নয়ই, কোন গল্প বই হিসেবে পাঠযোগ্যতারও দাবীদার নয়, আদৌ কোন পাঠযোগ্যতা আছে কি না তাতেও দ্বিধান্বিত হয়ে আছি। তাহ’লে কেন আর পাঠকের সময় নষ্ট করা! হয়ত পাঠক বেঁচে যাবেন মডারেটরদের অক্লান্ত প্রয়াসে। যদি না যান, জানিয়ে রাখি, তাদের বেদনাকে আরও প্রলম্বিত না করাতে চাইলে, নির্দ্বিধায় আওয়াজ দিতে পারেন, ক্যালিডোস্কোপ যে কুলুঙ্গী থেকে নেমে এসেছিল, সেখানেই তাকে ফেরৎ পাঠিয়ে দেব।


অভিযোজন কাহিনী – সুইজারল্যান্ড ১০ (পুনশ্চঃ পর্ব)

ইয়াসির আরাফাত এর ছবি
লিখেছেন ইয়াসির আরাফাত [অতিথি] (তারিখ: বিষ্যুদ, ২৮/০৮/২০১৪ - ১১:২৫পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

বছর দুই আগে একটা ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ সিরিজ লিখেছিলাম। তিক্ততা দিয়ে শুরু, ভালোর পূর্বাভাস দিয়ে শেষ। সেই ভালোটা পর্যায়ক্রমে ভালোলাগা এবং পরে কিভাবে ভালোবাসায় পরিণত হয়েছিলো, সেই গল্প না বললে জায়গাটার ওপর অবিচার করা হবে।


ছন্নছাড়া খেলনারা

যাযাবর ব্যাকপ্যাকার এর ছবি
লিখেছেন যাযাবর ব্যাকপ্যাকার (তারিখ: বুধ, ২৭/০৮/২০১৪ - ৯:০৫অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

খুব ছোটবেলায় বাংলাদেশ প্রবাসী এক নরওয়েজিয়ান পরিবারের আমার বয়সী এক পিচ্চি মেয়ের ডল-হাউজ দেখে খুব শখ হয়েছিলো আমারও একটা ওরকম থাকা দরকার। পুতুলের জন্যে ঠিক তার নিজের বিছানার মতো কাঁথা-বালিশ-বেডকভার সহ রট-আয়রনের ডিজাইন করা খাটও ছিলো। দুই বালিকার ভাষা এক ছিলো না, কিন্তু খেলতে সমস্যা হয়নি। শুধু রাতে নিজের বিছানায় ঘুমাবার সময়ে বাবা-মাকে ঐরকমের পুতুলের ঘর দেয়া যাবে কিনা, খাট সহ, জানতে চেয়েছিলাম। খুব বেশি ক্লান্ত থাকায় সেরাতে বা পরবর্তীতে ব্যাপারটা নিয়ে আর ঘ্যান ঘ্যান করার সুযোগ হয়নি। আর একটু বড় হলে খেয়াল করতে পারতাম, যে আমার বাবা-মা নিজেদের মাঝে দৃষ্টি বিনিময় করছেন, ওরকম দামী খেলনা দেয়ার সাধ্য তাদের নাই ভেবে।