Warning: Creating default object from empty value in i18ntaxonomy_term_page() (line 34 of /var/www/sachalayatan/s6/sites/all/modules/i18n/i18ntaxonomy/i18ntaxonomy.pages.inc).

দিনপঞ্জি

ডিমনিটাইজেশানের দিনলিপি

দময়ন্তী এর ছবি
লিখেছেন দময়ন্তী (তারিখ: মঙ্গল, ১৪/০৩/২০১৭ - ১১:০৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৮ই নভেম্বর ২০১৬
বাড়ী ফিরতে ফিরতে প্রায় পৌনে আটটা, এর মধ্যেই দেখি অফিসের লীডারশিপ গ্রুপটায় লোকজন উত্তেজিত, কি না 'প্রধানমন্ত্রীজি ভাষণ দেনেওয়ালে হ্যাঁয় রাত আট বাজে টিভি পর'। ধ্যাত্তেরি, দিতে থাকুক, ভেবে গুরুত্ব দিই নি। ওবাবা সমানে টুংটাং মেসেজের ঝড়। খুলে দেখি সব ৫০০ আর ১০০০ টাকার নোট মাঝরাত থেকে বাতিল ব্লা ব্লা ব্লা। প্রথমেই মাথায় এল আর সিগনালে রবীন্দ্রসংগীত বাজানোর আদেশে আমরা কিনা পশ্চিমবঙ্গের ওনাকে মহম্মদ বিন তুঘলকের সাথে তুলনা করেছিলাম। তারপর আলমারীর ড্রয়ার হাঁটকে দেখলাম যা খুচরো আছে তাতে এক্ষুণি এটিএমে গিয়ে লাইন দিতে হবে না। যাক আপাতত নিশ্চিন্ত। শনিবারে দেখা যাবেখনে


আমি তোমারই তোমারই তোমারই নাম গাই...

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১০/০৩/২০১৭ - ১২:৪১পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:


“...অনেক দিন দেখা হবেনা, তারপর একদিন দেখা হবে।
দুজনেই দুজনকে বলবো, 'অনেক দিন দেখা হয় নি'।
এইভাবে যাবে দিনের পর দিন, বত্স়রের পর বত্স র।...”


-তারাপদ রায়


সেই অদম্য তর্জনীর ইশারা

নীড় সন্ধানী এর ছবি
লিখেছেন নীড় সন্ধানী (তারিখ: মঙ্গল, ০৭/০৩/২০১৭ - ২:১৭অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

গড়পড়তা খাটো বাঙালীর চেয়ে তিনি বেশ দীর্ঘই ছিলেন। কিন্তু দেহের দৈর্ঘ্যের চেয়ে তাঁর হৃদয়ের প্রশস্ততা ছিল আরো অনেক বেশী। তিনি বিপ্লবী ছিলেন না, কিন্তু বিদ্রোহের জ্বলন্ত আগুন ছিলেন।


দুয়ার এঁটে ঘুমিয়ে আছে পাড়া

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: সোম, ০৬/০২/২০১৭ - ৬:২৮পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

"......যে তুমি ফোটাও ফুল বনে বনে গন্ধভরপুর-
সে তুমি কেমন ক’রে, বাঙলা , সে তুমি কেমন ক’রে
দিকে দিকে জন্ম দিচ্ছো পালেপালে শুয়োরকুকুর ?......"

-হুমায়ুন আজাদ (১৯৪৭-২০০৪)


শহীদুল জহির

উজানগাঁ এর ছবি
লিখেছেন উজানগাঁ (তারিখ: বুধ, ১৮/০১/২০১৭ - ১:০৭পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এমনই কোনো এক শীতের রাতে শহীদুল জহির চলে গিয়েছিলেন। আমি দেখি এই হাওয়া-বাতাসের রাতে আচমকা আজ জহির ঢুকে পড়েছেন আমার বেডরুমে। শোনাচ্ছেন এক আশ্চর্য শৃগালের কথা। কোনো-কোনো পূর্ণিমার রাতে সেই চতুর শৃগাল কেমন করে তাঁর লেখায় শব্দ জুড়ে দিয়ে যেত! কিংবা তাঁর স্বপ্নের ভেতর আটকা পড়া মানুষগুলো, যারা অতীত থেকে ভবিষ্যতে, ভবিষ্যত থেকে অতীতের দিকে তেড়ে যেতে-যেতে যে বিভ্রম তৈরী করতো সেসব কথা।


সবুজ পাতায় দিন

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: মঙ্গল, ০৩/০১/২০১৭ - ৫:৪৩পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

আমার এক Naysayer (কিংবা বাংলায় ন্যায় সেয়ার!) বান্ধবী আছেন। তিনি কিছুতেই এই হ্যাপি নিউ ইয়ারের উদযাপনের কারণ বুঝতে পারেন না।

"আরে তারা কি বুঝতে পারে না তাদের জীবন থেকে একটা বছর চলে যাচ্ছে, এইটা গাধা উদযাপন করার কি আছে! দরকার হলে কান্নাকাটি কর!"

(যদিও তার জন্মদিনের বেলায় এই যুক্তি খাটে না দেখা গেছে। বরং জন্মদিনে শুভেচ্ছা কম হলে গভীর মন খারাপের আভাস পাওয়া যায়!)


গন্তব্য দিকশূন্যপুর?

তিথীডোর এর ছবি
লিখেছেন তিথীডোর (তারিখ: রবি, ১৮/১২/২০১৬ - ১১:৪০অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

এতক্ষণে পৌঁছে গেছো অনেক দূর..গাছের ছায়া, দীঘির কালো, পুকুরপাড়
এতক্ষণে তোমার বিষাদ-মন ছোপালো, সন্ধ্যা নামার একটু আগের অন্ধকার।
ততক্ষণে আমিও উড়ে ফিরছি ঘর...রোদ-বিকেলে নীল-ডোবানো মেঘপথে,
ডানার আওয়াজ ঘুমের মতো ক্লান্তিহীন...

_________________________________________

পুরো এক বছর পর লিখছি। হাসি


কথা ছিলো রক্ত-প্লাবনের পর মুক্ত হবে শস্যক্ষেত

সাক্ষী সত্যানন্দ এর ছবি
লিখেছেন সাক্ষী সত্যানন্দ [অতিথি] (তারিখ: শুক্র, ১৬/১২/২০১৬ - ৮:২৮অপরাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

সেই উত্তাল শাহবাগের লাখো ব্যানারের একটি।


শুঁয়োপোকা

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ০৯/১১/২০১৬ - ৬:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

পূর্বজন্মে আমি ছিলাম শুঁয়োপোকা । বেগুন গাছের পাতার নিচে ছিল আমার বাস । ঢেঁড়সে কামড় বসিয়ে আমার রসনা তৃপ্ত হতো। অতঃপর দুর-গাছ পরিক্রমায় শ্রান্ত আমি, ঢেঁড়সেরই পাতার নিচে একটু গড়িয়ে নিতাম। দুর কোন শিমের পাতায় খুঁজে পেতাম আমার প্রাণেশ্বরী। জনান্তিকে বেজে উঠত মহা-মিলনের সুর; পাতারই বাঁশী দিয়ে - "আমি পরাণের সাথে খেলিব আজিকে মরণ-খেলা; নিশীথ-বেলা"। বোধ করি রিপু-চক্রের বাধ্য আমি লোভ করেছিলাম অন্য কোন ফলে। ধ


লাদাখের ডায়েরী (দ্বিতীয় পর্ব)

অতিথি লেখক এর ছবি
লিখেছেন অতিথি লেখক (তারিখ: বুধ, ২৮/০৯/২০১৬ - ১১:৫০পূর্বাহ্ন)
ক্যাটেগরি:

৩১শে মে, লে, সন্ধ্যা ৫.৩০

২৮ শে ডায়রী লিখেছি। আজ ৩১শে মে। মাঝে দুটো দিন আর আজকের অর্ধেক কেমন হুস করে বেরিয়ে গেল। হুস করে বলতে যে খুব ব্যস্ততার মধ্যে গেছে তা নয়। এই দু দিনে কী দেখলাম যেটা সবচেয়ে ছোট করে বলতে গেলে যে শব্দবন্ধ ব্যবহার করা যায়, তা হল ভয়ঙ্কর সুন্দর।